হাদিস নং: ৯৯০
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف قال اخبرنا مالك عن نافع وعبد الله بن دينار عن ابن عمر ان رجلا سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليه السلام صلاة الليل مثنى مثنى فاذا خشي احدكم الصبح صلى ركعة واحدة توتر له ما قد صلى.
৯৯০. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রাতের সালাত দু’ দু’ (রাক‘আত) করে। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ফজর হবার আশঙ্কা করে, সে যেন এক রাক‘আত সালাত আদায় করে নেয়। আর সে যে সালাত আদায় করল, তা তার জন্য বিতর হয়ে যাবে। (৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৩৭)
নোট: * বিতর সালাত সুন্নাহ মুআক্কাদাহ। ফরয বা ওয়াজিব নয়। আর ওয়াজিব ও ফরয নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সহাবা তাবিঈদের নিকট তথা হাদীসের দলীল অনুযায়ী একই বিষয়।
‘আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ الْوِتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَهَيْئَةِ الْمَكْتُوبَةِ وَلَكِنَّهُ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رواه النسائي في الباب الأمر بالوتر حـ 1658 والترمذي في الباب ما جاء أن الوتر ليس بحتم، وابن أبي شيبة و عبد الرزاق في مصنفهما
বিতর ফরয সালাতের মত বাধ্যতামূলক নয় বরং তা সুন্নাত যা প্রবর্তন করেছেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হাদীসটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ ১৬৫৮, তিরমিযী হাদীস নং ৪৫৩, মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবাহ ২/২৯৬, মুসান্নাফ ইবনু আব্দুর রাযযাক ৩/৩ হাদীস নং ৪৫৬৯, সহীহ্ সুনানু নাসাঈ ১/৩৬৮। যে সমস্ত হাদীস ওয়াজিব সাব্যস্ত করার জন্য পেশ করা হয় তা দুর্বল কিংবা অস্পষ্ট। উপরোক্ত হাদীসের ন্যায় স্পষ্ট নয়। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন বুগ্ইয়াতুল মুতাত্বউয়ে ফী ছলাতি তাত্বওউ‘ পৃষ্ঠা ৪৬-৬৬। যারা বিতরকে ওয়াজিব বলে তাদেরকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবা ‘উবাদাহ বিন সামিত মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছেন। (দেখুন আবূ দাঊদ হাদীস নং ১৪২০)।
‘আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ الْوِتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَهَيْئَةِ الْمَكْتُوبَةِ وَلَكِنَّهُ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رواه النسائي في الباب الأمر بالوتر حـ 1658 والترمذي في الباب ما جاء أن الوتر ليس بحتم، وابن أبي شيبة و عبد الرزاق في مصنفهما
বিতর ফরয সালাতের মত বাধ্যতামূলক নয় বরং তা সুন্নাত যা প্রবর্তন করেছেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হাদীসটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ ১৬৫৮, তিরমিযী হাদীস নং ৪৫৩, মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবাহ ২/২৯৬, মুসান্নাফ ইবনু আব্দুর রাযযাক ৩/৩ হাদীস নং ৪৫৬৯, সহীহ্ সুনানু নাসাঈ ১/৩৬৮। যে সমস্ত হাদীস ওয়াজিব সাব্যস্ত করার জন্য পেশ করা হয় তা দুর্বল কিংবা অস্পষ্ট। উপরোক্ত হাদীসের ন্যায় স্পষ্ট নয়। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন বুগ্ইয়াতুল মুতাত্বউয়ে ফী ছলাতি তাত্বওউ‘ পৃষ্ঠা ৪৬-৬৬। যারা বিতরকে ওয়াজিব বলে তাদেরকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবা ‘উবাদাহ বিন সামিত মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছেন। (দেখুন আবূ দাঊদ হাদীস নং ১৪২০)।
হাদিস নং: ৯৯১
সহিহ (Sahih)
وعن نافع ان عبد الله بن عمر كان يسلم بين الركعة والركعتين في الوتر حتى يامر ببعض حاجته.
৯৯১. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাযি.) বিত্র সালাতের এক ও দু’ রাক‘আতের মাঝে সালাম ফিরাতেন (অর্থাৎ দুই রাকাত পড়ে সালাম ফেরাতেন অতঃপর আরো এক রাকাত পড়তেন)। অতঃপর কাউকে কোন প্রয়োজনীয় কাজের নির্দেশ দিতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৩৭ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৯৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن مخرمة بن سليمان، عن كريب، ان ابن عباس، اخبره انه، بات عند ميمونة، وهى خالته، فاضطجعت في عرض وسادة، واضطجع رسول الله صلى الله عليه وسلم واهله في طولها، فنام حتى انتصف الليل او قريبا منه، فاستيقظ يمسح النوم عن وجهه، ثم قرا عشر ايات من ال عمران، ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم الى شن معلقة، فتوضا فاحسن الوضوء، ثم قام يصلي فصنعت مثله فقمت الى جنبه، فوضع يده اليمنى على راسي، واخذ باذني يفتلها، ثم صلى ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم اوتر، ثم اضطجع حتى جاءه الموذن فقام فصلى ركعتين ثم، خرج فصلى الصبح.
৯৯২. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর খালা উম্মুল মু‘মিনীন মাইমূনাহ (রাযি.)-এর ঘরে রাত কাটান। (তিনি বলেন) আমি বালিশের প্রস্থের দিক দিয়ে শয়ন করলাম এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর পরিবার সেটির দৈর্ঘ্যের দিক দিয়ে শয়ন করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের অর্ধেক বা তার কাছাকাছি সময় পর্যন্ত ঘুমালেন। অতঃপর তিনি জাগ্রত হলেন এবং চেহারা হতে ঘুমের রেশ দূর করলেন। পরে তিনি সূরাহ্ আলু-ইমরানের (শেষ) দশ আয়াত তিলাওয়াত করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঝুলন্ত মশ্কের নিকট গেলেন এবং উত্তমরূপে উযূ করলেন। অতঃপর তিনি সালাতে দাঁড়ালেন। আমিও তাঁর মতই করলাম এবং তাঁর পাশেই দাঁড়ালাম। তিনি তাঁর ডান হাত আমার মাথার উপর রাখলেন এবং আমার কান ধরলেন। অতঃপর তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর দু’ রাক‘আত, অতঃপর দু‘ রাকা’আত, অতঃপর দু‘ রাক‘আত, অতঃপর দু‘ রাক‘আত, অতঃপর দু’ রাক‘আত। অতঃপর বিতর আদায় করলেন। অতঃপর তিনি শুয়ে পড়লেন। অবশেষে মুআয্যিন তাঁর নিকট এলো। তখন তিনি দাঁড়িযে দু‘ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বের হয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। (১১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৩৮)
হাদিস নং: ৯৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، قال اخبرني عمرو، ان عبد الرحمن بن القاسم، حدثه عن ابيه، عن عبد الله بن عمر، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " صلاة الليل مثنى مثنى، فاذا اردت ان تنصرف فاركع ركعة توتر لك ما صليت ". قال القاسم وراينا اناسا منذ ادركنا يوترون بثلاث، وان كلا لواسع ارجو ان لا يكون بشىء منه باس.
৯৯৩. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাতের সালাত দু’ দু’ রাক’আত করে। অতঃপর যখন তুমি সালাত শেষ করতে চাইবে, তখন এক রাক’আত আদায় করে নিবে। তা তোমার পূর্ববর্তী সালাতকে বিতর করে দিবে। ক্বাসিম (রহ.) বলেন, আমরা সাবালক হয়ে লোকদের তিন রাক’আত বিতর আদায় করতে দেখেছি। উভয় নিয়মেরই অবকাশ রয়েছে। আমি আশা করি এর কোনটিই দূষণীয় নয়। (৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৩৯)
হাদিস নং: ৯৯৪
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان قال اخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني عروة ان عاىشة اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي احدى عشرة ركعة كانت تلك صلاته تعني بالليل فيسجد السجدة من ذلك قدر ما يقرا احدكم خمسين اية قبل ان يرفع راسه ويركع ركعتين قبل صلاة الفجر ثم يضطجع على شقه الايمن حتى ياتيه الموذن للصلاة.
৯৯৪. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগার রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। এ ছিল তাঁর রাত্রিকালীন সালাত। এতে তিনি এমন দীর্ঘ সিজদা্ করতেন যে, তাঁর মাথা উঠাবার পূর্বে তোমাদের কেউ পঞ্চাশ আয়াত পড়তে পারে এবং ফজরের সালাতের পূর্বে তিনি আরো দু’ রাক‘আত পড়তেন। অতঃপর তিনি ডান কাতে শুয়ে বিশ্রাম করতেন, সালাতের জন্য মুআয্যিনের আসা পর্যন্ত। (৬২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪০)
হাদিস নং: ৯৯৫
সহিহ (Sahih)
ابو النعمان قال حدثنا حماد بن زيد قال حدثنا انس بن سيرين قال قلت لابن عمر ارايت الركعتين قبل صلاة الغداة اطيل فيهما القراءة فقال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل مثنى مثنى ويوتر بركعة ويصلي الركعتين قبل صلاة الغداة وكان الاذان باذنيه قال حماد اي سرعة.
قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَوْصَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ.
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ঘুমানোর পূর্বে বিতর আদায়ের আদেশ দিয়েছেন।
৯৯৫. আনাস ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে বললাম, ফজরের পূর্বের দু’ রাকআতে আমি কিরাআত দীর্ঘ করব কি-না, এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে দু’ দু’ রাক‘আত করে সালাত আদায় করতেন এবং এক রাক‘আত বিতর আদায় করতেন।* অতঃপর ফজরের সালাতের পূর্বে তিনি দু’ রাক‘আত এমনভাবে আদায় করতেন যেন ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের শব্দ তাঁর কানে আসছে। রাবী হাম্মাদ (রহ.) বলেন, অর্থাৎ তাড়াতাড়ি। (৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ঘুমানোর পূর্বে বিতর আদায়ের আদেশ দিয়েছেন।
৯৯৫. আনাস ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে বললাম, ফজরের পূর্বের দু’ রাকআতে আমি কিরাআত দীর্ঘ করব কি-না, এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে দু’ দু’ রাক‘আত করে সালাত আদায় করতেন এবং এক রাক‘আত বিতর আদায় করতেন।* অতঃপর ফজরের সালাতের পূর্বে তিনি দু’ রাক‘আত এমনভাবে আদায় করতেন যেন ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের শব্দ তাঁর কানে আসছে। রাবী হাম্মাদ (রহ.) বলেন, অর্থাৎ তাড়াতাড়ি। (৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪১)
নোট: * বিত্র অর্থ বে-জোড়। রাতের সালাতকে বে-জোড় করার জন্য বিত্র পড়া হয়। বিত্রকে আল্লাহ পছন্দ করেন, কেননা আল্লাহ বিত্র। বিত্র বা বেজোড় সংখ্যা অনেকগুলো। যার মধ্যে তিন সংখ্যায়ও বে-জোড় আছে। কিন্তু আল্লাহ এক সংখ্যায় বে-জোড় বিধায় বিত্র এক সংখ্যা বে-জোড় অনুসারে পড়তে হয়। যেমন তিন, কিন্তু শুধু তিন সংখ্যাটিই যে এক সংখ্যায় বেজোড় তা নয়। বরং এক, তিন, পাঁচ, সাত ও নয় এই পাঁচটি সংখ্যাই এক মাত্র এক সংখ্যায় বে-জোড়। এই সংখ্যাগুলোর যে কোন একটি অনুসারে বিত্র পড়া যেতে পারে, কিন্তু আল্লাহ এক সংখ্যায় বে-জোড় এবং একজনই। তিনজন বা পাঁচ, সাতজন নয়। সুতরাং এক রাক‘আত বিত্র পড়া অতি উত্তম। তবে তিন, পাঁচ, সাত ও নয় রাক‘আত পড়ার কথাও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
এক রাকা‘আত, তিন রাক‘আত ও পাঁচ রাক‘আত বিতরের দলীল
১২৪৭-১২৪৮. حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو مِجْلَزٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ
‘আবদুল্লাহ বিন ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বিত্র হল এক রাক‘আত রাতের শেষাংশে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنِي قُرَيْشُ بْنُ حَيَّانَ الْعِجْلِيُّ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ وَائِلٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوِتْرُ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِخَمْسٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِثَلَاثٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِوَاحِدَةٍ فَلْيَفْعَلْ رواه ابوداؤد في الباب كم الوتر حـ ১২১২، النسائي في الكتاب قيام الليل وتطوع النهار، ابن ماجهز
আবু আইউব আন্সারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বিত্র প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জরুরী। অবশ্য যে পাঁচ রাক‘আত বিত্র পড়তে পছন্দ করে সে তা করতে পারে। আর যে তিন রাক‘আত বিত্র পড়তে পছন্দ করে সে তা করতে পারে। যে এক রাক‘আত বিত্র পড়তে পছন্দ করে সে তা করতে পারে।
(বুখারী ১৩৫,১৫৩ পৃৃষ্ঠা। মুসলিম ২৫৩, ২৫৪, ২৫৫, ২৫৬ পৃষ্ঠা। আবূ দাঊদ ২০১, পৃষ্ঠা। নাসাঈ ২৪৬,২৪৭ পৃষ্ঠা। তিরমিযী ১ম খণ্ড ১০৬ পৃৃষ্ঠা। মেশকাত ১১১,১১২ পৃৃষ্ঠা। বুখারী ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১ম খণ্ড হাদীস নং ৯৩২,৯৩৪,৯৩৬। বুখারী আযীযুল হক হাদীস নং ৫৪০। বুখারী আধুনিক প্রকাশনী ১ম খণ্ড হাদীস নং ৯৩২,৯৩৪,৯৩৬। মেশকাত নূর মোহাম্মদ আযমী ৩য় খণ্ড ও মাদ্রাসাহ পাঠ্য ২য় খণ্ড হাদীস নং ১১৮৫,১১৮৬,১১৯৬।)
উল্লেখ্য যে, অনেকের ধারণা যে, এক রাক‘আত কোন ছলাত নেই। উল্লেখিত হাদীছ দ্বারা উক্ত ধারণা ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়। উক্ত হাদীছ ছাড়াও এখানে আরো অনেক হাদীছ রয়েছে। সাহাবীগণের আমলেও এক রাক‘আত দ্বারা বিতর পড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। উসমান (রাযি.) এক রাত্রে এক রাক‘আতের দ্বারা কিয়াম করেছেন। এমনিভাবে সা‘দ ও মু‘আবিয়াহ (রাযি.) এক রাক‘আত দ্বারা বিতর পড়েছেন বলে সহীহ্ সানাদে প্রমাণিত হয়েছে। (ফাতহুল বারী ২/৫৫৯ পৃষ্ঠা)
এক রাকা‘আত, তিন রাক‘আত ও পাঁচ রাক‘আত বিতরের দলীল
১২৪৭-১২৪৮. حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو مِجْلَزٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ
‘আবদুল্লাহ বিন ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বিত্র হল এক রাক‘আত রাতের শেষাংশে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنِي قُرَيْشُ بْنُ حَيَّانَ الْعِجْلِيُّ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ وَائِلٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوِتْرُ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِخَمْسٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِثَلَاثٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِوَاحِدَةٍ فَلْيَفْعَلْ رواه ابوداؤد في الباب كم الوتر حـ ১২১২، النسائي في الكتاب قيام الليل وتطوع النهار، ابن ماجهز
আবু আইউব আন্সারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বিত্র প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জরুরী। অবশ্য যে পাঁচ রাক‘আত বিত্র পড়তে পছন্দ করে সে তা করতে পারে। আর যে তিন রাক‘আত বিত্র পড়তে পছন্দ করে সে তা করতে পারে। যে এক রাক‘আত বিত্র পড়তে পছন্দ করে সে তা করতে পারে।
(বুখারী ১৩৫,১৫৩ পৃৃষ্ঠা। মুসলিম ২৫৩, ২৫৪, ২৫৫, ২৫৬ পৃষ্ঠা। আবূ দাঊদ ২০১, পৃষ্ঠা। নাসাঈ ২৪৬,২৪৭ পৃষ্ঠা। তিরমিযী ১ম খণ্ড ১০৬ পৃৃষ্ঠা। মেশকাত ১১১,১১২ পৃৃষ্ঠা। বুখারী ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১ম খণ্ড হাদীস নং ৯৩২,৯৩৪,৯৩৬। বুখারী আযীযুল হক হাদীস নং ৫৪০। বুখারী আধুনিক প্রকাশনী ১ম খণ্ড হাদীস নং ৯৩২,৯৩৪,৯৩৬। মেশকাত নূর মোহাম্মদ আযমী ৩য় খণ্ড ও মাদ্রাসাহ পাঠ্য ২য় খণ্ড হাদীস নং ১১৮৫,১১৮৬,১১৯৬।)
উল্লেখ্য যে, অনেকের ধারণা যে, এক রাক‘আত কোন ছলাত নেই। উল্লেখিত হাদীছ দ্বারা উক্ত ধারণা ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়। উক্ত হাদীছ ছাড়াও এখানে আরো অনেক হাদীছ রয়েছে। সাহাবীগণের আমলেও এক রাক‘আত দ্বারা বিতর পড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। উসমান (রাযি.) এক রাত্রে এক রাক‘আতের দ্বারা কিয়াম করেছেন। এমনিভাবে সা‘দ ও মু‘আবিয়াহ (রাযি.) এক রাক‘আত দ্বারা বিতর পড়েছেন বলে সহীহ্ সানাদে প্রমাণিত হয়েছে। (ফাতহুল বারী ২/৫৫৯ পৃষ্ঠা)
হাদিস নং: ৯৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمر بن حفص، قال حدثنا ابي قال، حدثنا الاعمش، قال حدثني مسلم، عن مسروق، عن عاىشة، قالت كل الليل اوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم وانتهى وتره الى السحر.
৯৯৬. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের সকল অংশে (অর্থাৎ বিভিন্ন রাতে বিভিন্ন সময়ে) বিতর আদায় করতেন আর (জীবনের) শেষ দিকে সাহরির সময় তিনি বিতর আদায় করতেন। (মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৪৫ আহমাদ ২৪২৪৩, ২৪৮১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪২)
হাদিস নং: ৯৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، قال حدثنا هشام، قال حدثني ابي، عن عاىشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي، وانا راقدة معترضة على فراشه، فاذا اراد ان يوتر ايقظني فاوترت.
৯৯৭. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রাতে) সালাত আদায় করতেন, তখন আমি তাঁর বিছানায় আড়াআড়িভাবে ঘুমিয়ে থাকতাম। অতঃপর তিনি যখন বিতর পড়ার ইচ্ছা করতেন, তখন আমাকে জাগিয়ে দিতেন এবং আমিও বিতর আদায় করে নিতাম। (৩৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৩)
হাদিস নং: ৯৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، حدثني نافع، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اجعلوا اخر صلاتكم بالليل وترا ".
৯৯৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিতরকে তোমাদের রাতের শেষ সালাত করবে। (মুসলিম ৬/২০, হাঃ ৭৫১ আহমাদ ৪৭১০, ৫৭৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৪)
হাদিস নং: ৯৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابي بكر بن عمر بن عبد الرحمن بن عبد الله بن عمر بن الخطاب، عن سعيد بن يسار، انه قال كنت اسير مع عبد الله بن عمر بطريق مكة فقال سعيد فلما خشيت الصبح نزلت فاوترت، ثم لحقته فقال عبد الله بن عمر اين كنت فقلت خشيت الصبح، فنزلت فاوترت. فقال عبد الله اليس لك في رسول الله صلى الله عليه وسلم اسوة حسنة فقلت بلى والله. قال فان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يوتر على البعير.
৯৯৯. সা‘ঈদ ইবনু ইয়াসার (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সঙ্গে মক্কার পথে সফর করছিলাম। সা‘ঈদ (রহ.) বলেন, আমি যখন ফজর হয়ে যাবার ভয় করলাম, তখন সওয়ারী হতে নেমে পড়লাম এবং বিতরের সালাত আদায় করলাম। অতঃপর তাঁর সঙ্গে মিলিত হলাম। তখন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, ভোর হয়ে যাবার ভয়ে নেমে বিতর আদায় করেছি। তখন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মধ্যে কি তোমার জন্য উত্তম আদর্শ নেই? আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম! তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পিঠে বিতরের সালাত আদায় করতেন। (১০০০, ১০৯৫, ১০৯৬, ১০৯৮, ১১০৫; মুসলিম ৬/৪, হাঃ ৭০০ আহমাদ ৫২০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৫)
হাদিস নং: ১০০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال حدثنا جويرية بن اسماء، عن نافع، عن ابن عمر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في السفر على راحلته، حيث توجهت به، يومى ايماء، صلاة الليل الا الفراىض، ويوتر على راحلته.
১০০০. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে ফরজ সালাত ব্যতীত তাঁর সওয়ারী হতেই ইঙ্গিতে রাতের সালাত আদায় করতেন সওয়ারী যে দিকেই ফিরুক না কেন। আর তিনি বাহনের উপরেই বিতর আদায় করতেন। (৯৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৬)
হাদিস নং: ১০০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن محمد، قال سىل انس اقنت النبي صلى الله عليه وسلم في الصبح قال نعم. فقيل له اوقنت قبل الركوع قال بعد الركوع يسيرا.
১০০১. মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ফজরের সালাতে কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুনূত পড়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো তিনি কি রুকূ‘র পূর্বে কুনূত পড়েছেন? তিনি বললেন, কিছু সময় রুকূ‘র পরে পড়েছেন। (১০০২, ১০০৩, ১৩০০, ২৮০১, ২৮১৪, ৩০৬৪, ৩১৭০, ৪০৮৮, ৪০৮৯, ৪০৯০, ৪০৯১, ৪০৯২, ৪০৯৪, ৪০৯৫, ৪০৯৬, ৬৩৯৪, ৭৩৪১; মুসলিম ৫/৫৪, হাঃ ৬৭৭ আহমাদ ১৩৬০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৭)
হাদিস নং: ১০০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا عبد الواحد، قال حدثنا عاصم، قال سالت انس بن مالك عن القنوت،. فقال قد كان القنوت. قلت قبل الركوع او بعده قال قبله. قال فان فلانا اخبرني عنك انك قلت بعد الركوع. فقال كذب، انما قنت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد الركوع شهرا ـ اراه ـ كان بعث قوما يقال لهم القراء زهاء سبعين رجلا الى قوم من المشركين دون اولىك، وكان بينهم وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم عهد فقنت رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا يدعو عليهم.
১০০২. ‘আসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)-কে কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, কুনূত অবশ্যই পড়া হত। আমি জিজ্ঞেস করলাম রুকূ‘র পূর্বে না পরে? তিনি বললেন, রুকূ‘র পূর্বে। ‘আসিম (রহ.) বললেন, অমুক ব্যক্তি আমাকে আপনার বরাত দিয়ে বলেছেন যে, আপনি বলেছেন, রুকূ‘র পরে। তখন আনাস (রাযি.) বলেন, সে ভুল বলেছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘র পরে এক মাস ব্যাপী কুনূত পাঠ করেছেন। আমার জানা মতে, তিনি সত্তর জন সাহাবীর একটি দল, যাদের কুর্রা (অভিজ্ঞ ক্বারীগণ) বলা হতো মুশরিকদের কোন এক কওমের উদ্দেশে পাঠান। এরা সেই কাউম নয়, যাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদ্ দু‘আ করেছিলেন। বরং যাদের সাথে তাঁর চুক্তি ছিল (এবং তারা চুক্তি ভঙ্গ করে ক্বারীগণকে হত্যা করেছিল) তিনি এক মাস ব্যাপী কুনূতে সে সব কাফিরদের জন্য অভিসম্পাত করেছিলেন। (১০০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৮)
হাদিস নং: ১০০৩
সহিহ (Sahih)
اخبرنا احمد بن يونس، قال حدثنا زاىدة، عن التيمي، عن ابي مجلز، عن انس، قال قنت النبي صلى الله عليه وسلم شهرا يدعو على رعل وذكوان.
১০০৩. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মাস ব্যাপী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রি‘ল ও যাক্ওয়ান গোত্রের বিরুদ্ধে কুনূতে দু‘আ পাঠ করেছিলেন। (১০০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৯)
হাদিস নং: ১০০৪
সহিহ (Sahih)
مسدد قال حدثنا اسماعيل قال حدثنا خالد عن ابي قلابة عن انس بن مالك قال كان القنوت في المغرب والفجر.
১০০৪. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাগরিব ও ফজরের সালাতে কুনূত পড়া হত। (৭৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫০)