হাদিস নং: ১২২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك بن انس، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن الاعرج، عن عبد الله ابن بحينة ـ رضى الله عنه ـ انه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين من بعض الصلوات ثم قام فلم يجلس، فقام الناس معه، فلما قضى صلاته ونظرنا تسليمه كبر قبل التسليم فسجد سجدتين وهو جالس ثم سلم.
১২২৪. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু বুহায়নাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সালাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাক‘আত আদায় করে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লীগণ তাঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে গেলেন। যখন তাঁর সালাত সমাপ্ত করার সময় হলো এবং আমরা তাঁর সালাম ফিরানোর অপেক্ষা করছিলাম, তখন তিনি সালাম ফিরানোর পূর্বে তাকবীর বলে বসে বসেই দু’টি সিজদা্ করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন। (৮২৯; মুসলিম ৫/১৯, হাঃ ৫৭০, আহমাদ ২২৯৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫১)
হাদিস নং: ১২২৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن الاعرج عن عبد الله ابن بحينةانه قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام من اثنتين من الظهر لم يجلس بينهما فلما قضى صلاته سجد سجدتين ثم سلم بعد ذلك.
১২২৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু বুহাইনাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের দু’রাক‘আত আদায় করে দাঁড়িয়ে গেলেন। দু‘রাক‘আতের পর তিনি বসলেন না। সালাত শেষ হয়ে গেলে তিনি দু’টি সিজদা্ করলেন এবং অতঃপর সালাম ফিরালেন। (৮২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫২)
হাদিস নং: ১২২৬
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن الحكم عن ابراهيم عن علقمة عن عبد اللهان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر خمسا فقيل له ازيد في الصلاة فقال وما ذاك قال صليت خمسا فسجد سجدتين بعد ما سلم.
১২২৬. ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, সালাত কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? তিনি বললেন, এ প্রশ্ন কেন? (প্রশ্নকারী) বললেন, আপনি তো পাঁচ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। অতএব তিনি সালাম ফিরানোর পর দু’টি সিজদা্ করলেন। (৪০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৩)
হাদিস নং: ১২২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، عن سعد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم الظهر او العصر فسلم، فقال له ذو اليدين الصلاة يا رسول الله انقصت فقال النبي صلى الله عليه وسلم لاصحابه " احق ما يقول ". قالوا نعم. فصلى ركعتين اخريين ثم سجد سجدتين. قال سعد ورايت عروة بن الزبير صلى من المغرب ركعتين فسلم وتكلم ثم صلى ما بقي وسجد سجدتين وقال هكذا فعل النبي صلى الله عليه وسلم.
১২২৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে যুহর বা আসরের সালাত আদায় করলেন এবং সালাম ফিরালেন। তখন যুল-ইয়াদাইন (রাযি.) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া আল্লাহর রাসূল! সালাত কি কম হয়ে গেল? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে জিজ্ঞেস করলেন, সে যা বলছে, তা কি ঠিক? তাঁরা বললেন, হাঁ। তখন তিনি আরও দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। পরে দু’টি সিজদা্ করলেন। সা‘দ (রহ.) বলেন, আমি ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.)-কে দেখেছি, তিনি মাগরিবের দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন এবং কথা বললেন। পরে অবশিষ্ট সালাত আদায় করে দু’টি সাজ্দাহ্ করলেন এবং বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রকম করেছেন। (৪৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৪)
হাদিস নং: ১২২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك بن انس، عن ايوب بن ابي تميمة السختياني، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ. ان رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من اثنتين فقال له ذو اليدين اقصرت الصلاة ام نسيت يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اصدق ذو اليدين ". فقال الناس نعم. فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى اثنتين اخريين ثم سلم ثم كبر فسجد مثل سجوده او اطول ثم رفع.
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن سلمة بن علقمة، قال قلت لمحمد في سجدتى السهو تشهد قال ليس في حديث ابي هريرة.
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن سلمة بن علقمة، قال قلت لمحمد في سجدتى السهو تشهد قال ليس في حديث ابي هريرة.
وَسَلَّمَ أَنَسٌ وَالْحَسَنُ وَلَمْ يَتَشَهَّدَا وَقَالَ قَتَادَةُ لاَ يَتَشَهَّدُ.
আনাস (রাযি.) ও হাসান (বাসরী) (রহ.) সালাম ফিরিয়েছেন। কিন্তু তাশাহ্হুদ পড়েননি। কাতাদাহ্ (রহ.) বলেছেন, তাশাহ্হুদ পড়বে না।
১২২৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ রাক‘আত আদায় করে সালাত শেষ করলেন। যুল-ইয়াদাইন (রাযি.) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত কি কম করে দেয়া হয়েছে, না কি আপনি ভুলে গেছেন? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, যুল-ইয়াদাইন কি সত্য বলেছে? মুসল্লীগণ বললেন, হাঁ। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে আরও দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি সালাম ফিরালেন এবং তাকবীর বললেন, পরে সিজদা করলেন, স্বাভাবিক সিজদার মতো বা তার চেয়ে দীর্ঘ। অতঃপর তিনি মাথা তুললেন। (৪৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৫)
সালামাহ ইবনু ‘আলক্বামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ (ইবনু সীরীন) (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সিজদা্ সাহ্উর পর তাশাহ্হুদ আছে কি? তিনি বললেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)-এর হাদীসে তা নেই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৬)
আনাস (রাযি.) ও হাসান (বাসরী) (রহ.) সালাম ফিরিয়েছেন। কিন্তু তাশাহ্হুদ পড়েননি। কাতাদাহ্ (রহ.) বলেছেন, তাশাহ্হুদ পড়বে না।
১২২৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ রাক‘আত আদায় করে সালাত শেষ করলেন। যুল-ইয়াদাইন (রাযি.) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত কি কম করে দেয়া হয়েছে, না কি আপনি ভুলে গেছেন? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, যুল-ইয়াদাইন কি সত্য বলেছে? মুসল্লীগণ বললেন, হাঁ। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে আরও দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি সালাম ফিরালেন এবং তাকবীর বললেন, পরে সিজদা করলেন, স্বাভাবিক সিজদার মতো বা তার চেয়ে দীর্ঘ। অতঃপর তিনি মাথা তুললেন। (৪৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৫)
সালামাহ ইবনু ‘আলক্বামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ (ইবনু সীরীন) (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সিজদা্ সাহ্উর পর তাশাহ্হুদ আছে কি? তিনি বললেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)-এর হাদীসে তা নেই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৬)
হাদিস নং: ১২২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا يزيد بن ابراهيم، عن محمد، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم احدى صلاتى العشي ـ قال محمد واكثر ظني العصر ـ ركعتين ثم سلم ثم قام الى خشبة في مقدم المسجد فوضع يده عليها وفيهم ابو بكر وعمر ـ رضى الله عنهما ـ فهابا ان يكلماه وخرج سرعان الناس فقالوا اقصرت الصلاة ورجل يدعوه النبي صلى الله عليه وسلم ذو اليدين فقال انسيت ام قصرت فقال " لم انس ولم تقصر ". قال بلى قد نسيت. فصلى ركعتين ثم سلم ثم كبر فسجد مثل سجوده او اطول، ثم رفع راسه فكبر، ثم وضع راسه فكبر فسجد مثل سجوده او اطول، ثم رفع راسه وكبر.
১২২৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিকালের কোন এক সালাত দু’ রাক‘আত আদায় করে সালাম ফিরালেন। মুহাম্মাদ (রহ.) বলেন, আমার প্রবল ধারণা, তা ছিল আসরের সালাত। অতঃপর মসজিদের একটি কাষ্ঠ খন্ডের নিকট গিয়ে দাঁড়ালেন এবং তার উপর হাত রাখলেন। মুসল্লীগণের ভিতরে সামনের দিকে আবূ বকর (রাযি.) ও ‘উমার (রাযি.)ও ছিলেন। তাঁরা উভয়ে তাঁর সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। তাড়াহুড়াকারী মুসল্লীগণ বেরিয়ে পড়লেন। তাঁরা বলাবলি করতে লাগলেন, সালাত কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে? কিন্তু এক ব্যক্তি, যাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যূল ইয়াদাইন বলে ডাকতেন, জিজ্ঞেস করল আপনি কি ভুলে গেছেন, না কি সালাত কমিয়ে দেয়া হয়েছে? তিনি বললেনঃ আমি ভুলিনি আর সালাতও কম করা হয়নি। তখন তাকে বলা হল যে, আপনি ভুলে গেছেন। তখন তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। অতঃপর তাকবীর বলে সাজ্দাহ্ করলেন, স্বাভাবিক সিজদার ন্যায় বা তার চেয়ে দীর্ঘ। অতঃপর মাথা উঠিয়ে আবার তাকবীর বলে মাথা রাখলেন অর্থাৎ তাকবীর বলে সিজদা্য় গিয়ে স্বাভাবিক সিজদার মত অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদা্ করলেন। অতঃপর মাথা উঠিয়ে তাকবীর বললেন। (৪৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৭)
হাদিস নং: ১২৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن الاعرج، عن عبد الله ابن بحينة الاسدي، حليف بني عبد المطلب ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في صلاة الظهر وعليه جلوس، فلما اتم صلاته سجد سجدتين فكبر في كل سجدة وهو جالس قبل ان يسلم، وسجدهما الناس معه مكان ما نسي من الجلوس. تابعه ابن جريج عن ابن شهاب في التكبير.
১২৩০. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু বুহাইনাহ আসাদী (রাযি.) যিনি বানূ ‘আবদুল মুত্তালিবের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তিবদ্ধ ছিলেন তাঁর হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাতে (দু’রাক‘আত আদায় করার পর) না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। সালাত পূর্ণ করার পর সালাম ফিরাবার পূর্বে তিনি বসা অবস্থায় ভুলে যাওয়া বৈঠকের স্থলে দু’টি সিজদা্ সম্পূর্ণ করলেন, প্রতি সিজদা্য় তাকবীর বললেন। মুসল্লীগণও তাঁর সঙ্গে এ দু’টি সিজদা্ করল। (৮২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৮)
ইবনু শিহাব (রহ.) হতে তাকবীরের কথা বর্ণনায় ইবনু জুরাইজ (রহ.) লায়স (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন।
ইবনু শিহাব (রহ.) হতে তাকবীরের কথা বর্ণনায় ইবনু জুরাইজ (রহ.) লায়স (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন।
হাদিস নং: ১২৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا معاذ بن فضالة، حدثنا هشام بن ابي عبد الله الدستواىي، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا نودي بالصلاة ادبر الشيطان وله ضراط حتى لا يسمع الاذان، فاذا قضي الاذان اقبل، فاذا ثوب بها ادبر فاذا قضي التثويب اقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه يقول اذكر كذا وكذا ما لم يكن يذكر حتى يظل الرجل ان يدري كم صلى، فاذا لم يدر احدكم كم صلى ثلاثا او اربعا فليسجد سجدتين وهو جالس ".
১২৩১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় যাতে আযান শুনতে না পায় আর তার পশ্চাদ-বায়ু সশব্দে নির্গত হতে থাকে। আযান শেষ হয়ে গেলে সে এগিয়ে আসে। আবার সালাতের জন্য ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেওয়া হলে সে পিঠ ফিরিয়ে পালায়। ইক্বামাত(ইকামত/একামত) শেষ হয়ে গেলে আবার ফিরে আসে। এমনকি সে সালাত আদায়রত ব্যক্তির মনে ওয়াস্ওয়াসা সৃষ্টি করে এবং বলতে থাকে, অমুক অমুক বিষয় স্মরণ কর, যা তার স্মরণে ছিল না। এভাবে সে ব্যক্তি কত রাক‘আত সালাত আদায় করেছে তা স্মরণ করতে পারে না। তাই, তোমাদের কেউ তিন রাক‘আত বা চার রাক‘আত সালাত আদায় করেছে, তা মনে রাখতে না পারলে বসা অবস্থায় দু’টি সিজদা্ করবে। (৬০৮; মুসলিম ৪/৮, হাঃ ৩৮৯, আহমাদ ৯৯৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৯)
হাদিস নং: ১২৩২
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابن شهاب عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرةان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ان احدكم اذا قام يصلي جاء الشيطان فلبس عليه حتى لا يدري كم صلى فاذا وجد ذلك احدكم فليسجد سجدتين وهو جالس.
১২৩২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ালে শয়তান এসে তাকে সন্দেহে ফেলে, এমনকি সে বুঝতে পারে না যে, সে কত রাক‘আত সালাত আদায় করেছে। তোমাদের কারো এ অবস্থা হলে সে যেন বসা অবস্থায় দু’টি সিজদা্ করে। (৬০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৬০)
হাদিস নং: ১২৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، قال اخبرني عمرو، عن بكير، عن كريب، ان ابن عباس، والمسور بن مخرمة، وعبد الرحمن بن ازهر ـ رضى الله عنهم ـ ارسلوه الى عاىشة ـ رضى الله عنها ـ فقالوا اقرا عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد صلاة العصر وقل لها انا اخبرنا انك تصلينهما وقد بلغنا ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عنها. وقال ابن عباس وكنت اضرب الناس مع عمر بن الخطاب عنهما. فقال كريب فدخلت على عاىشة ـ رضى الله عنها ـ فبلغتها ما ارسلوني. فقالت سل ام سلمة. فخرجت اليهم فاخبرتهم بقولها فردوني الى ام سلمة بمثل ما ارسلوني به الى عاىشة. فقالت ام سلمة ـ رضى الله عنها ـ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عنها ثم رايته يصليهما حين صلى العصر، ثم دخل على وعندي نسوة من بني حرام من الانصار فارسلت اليه الجارية فقلت قومي بجنبه قولي له تقول لك ام سلمة يا رسول الله سمعتك تنهى عن هاتين واراك تصليهما. فان اشار بيده فاستاخري عنه. ففعلت الجارية فاشار بيده فاستاخرت عنه فلما انصرف قال " يا بنت ابي امية سالت عن الركعتين بعد العصر وانه اتاني ناس من عبد القيس فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان ".
১২৩৩. কুরায়ব (রহ.) হতে বর্ণিত। ইবনু ‘আব্বাস, মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ এবং ‘আবদুর রহমান ইবনু আযহার (রাযি.) তাঁকে ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর নিকট পাঠালেন এবং বলে দিলেন, তাঁকে আমাদের সকলের তরফ হতে সালাম পৌঁছিয়ে আসরের পরের দু’রাক‘আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। তাঁকে একথাও বলবে যে, আমরা খবর পেয়েছি যে, আপনি সে দু’রাক‘আত আদায় করেন, অথচ আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দু’রাক‘আত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সংবাদে আরও বললেন যে, আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাযি.)-এর সাথে এ সালাতের কারণে লোকদের মারধোর করতাম। কুরায়ব (রহ.) বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে তাঁদের পয়গাম পৌঁছিয়ে দিলাম। তিনি বললেন, উম্মু সালামাহ্ (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস কর। [কুরায়ব (রহ.) বলেন] আমি সেখান হতে বের হয়ে তাঁদের নিকট গেলাম এবং তাঁদেরকে ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর কথা জানালাম। তখন তাঁরা আমাকে ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর নিকট যে বিষয় নিয়ে পাঠিয়েছিলেন, তা নিয়ে পুনরায় উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর নিকট পাঠালেন। উম্মু সালামাহ্ (রাযি.) বললেন, আমিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তা নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ অতঃপর তাঁকে আসরের সালাতের পর তা আদায় করতেও দেখেছি। একদা তিনি ‘আসরের সালাতের পর আমার ঘরে আসলেন। তখন আমার নিকট বনূ হারাম গোত্রের আনসারী কয়েকজন মহিলা উপস্থিত ছিলেন। আমি বাঁদীকে এ বলে তাঁর নিকট পাঠালাম যে, তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, উম্মে সালামাহ (রাযি.) আপনার নিকট জানতে চেয়েছেন, আপনাকে (‘আসরের পর সালাতের) দু’রাক‘আত নিষেধ করতে শুনেছি; অথচ দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন? যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন, তাহলে পিছনে সরে থাকবে, বাঁদী তা-ই করল। তিনি ইঙ্গিত করলেন, সে পিছনে সরে থাকল। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, হে আবূ উমায়্যার কন্যা! ‘আসরের পরের দু’রাক‘আত সালাত সম্পর্কে তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। আবদুল কায়স গোত্রের কিছু লোক আমার নিকট এসেছিল। তাদের কারণে যুহরের পরের দু’রাকা‘আত আদায় করতে না পেরে (তাদেরকে নিয়ে) ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এ দু’রাক‘আত সে দু’রাক‘আত।* (৪৩৭০; মুসলিম ৬/৫৪, হাঃ ৭৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৬১)
নোট: *ঘটনাটি একবারের হলেও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বৈশিষ্ট্যের কারনে তা নিয়মিত সালাতে পরিণত হয়। কারণ, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ‘আমল একবার শুরু করলে তা নিয়মিত করতেন।
হাদিস নং: ১২৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد الساعدي ـ رضى الله عنه ـ ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بلغه ان بني عمرو بن عوف كان بينهم شىء فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلح بينهم في اناس معه، فحبس رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت الصلاة فجاء بلال الى ابي بكر ـ رضى الله عنه ـ فقال يا ابا بكر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد حبس وقد حانت الصلاة فهل لك ان توم الناس قال نعم ان شىت. فاقام بلال وتقدم ابو بكر ـ رضى الله عنه ـ فكبر للناس وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يمشي في الصفوف حتى قام في الصف، فاخذ الناس في التصفيق، وكان ابو بكر ـ رضى الله عنه ـ لا يلتفت في صلاته، فلما اكثر الناس التفت فاذا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشار اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم يامره ان يصلي، فرفع ابو بكر ـ رضى الله عنه ـ يديه فحمد الله ورجع القهقرى وراءه حتى قام في الصف، فتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى للناس فلما فرغ اقبل على الناس فقال " يا ايها الناس ما لكم حين نابكم شىء في الصلاة اخذتم في التصفيق، انما التصفيق للنساء، من نابه شىء في صلاته فليقل سبحان الله. فانه لا يسمعه احد حين يقول سبحان الله الا التفت، يا ابا بكر ما منعك ان تصلي للناس حين اشرت اليك ". فقال ابو بكر ـ رضى الله عنه ـ ما كان ينبغي لابن ابي قحافة ان يصلي بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم.
قَالَهُ كُرَيْبٌ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
কুরাইব (রহ.) উম্মু সালামাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন।
১২৩৪. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সংবাদ পৌঁছে যে, বানূ আমর ইবনু আওফ-এ কিছু ঘটেছে। তাদের মধ্যে আপোষ করে দেয়ার উদ্দেশে তিনি কয়েকজন সাহাবীসহ বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে সালাতের সময় হয়ে গেল। বিলাল (রাযি.) আবূ বকর (রাযি.)-এর নিকট এসে বললেন, হে আবূ বকর! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে সালাতের সময় হয়ে গেছে, আপনি কি সালাতে লোকদের ইমামাত করতে প্রস্তুত আছেন? তিনি বললেন, হাঁ, যদি তুমি চাও। তখন বিলাল (রাযি.) ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বললেন এবং আবূ বকর (রাযি.) সামনে এগিয়ে গিয়ে লোকদের জন্য তাকবীর বললেন। এদিকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং কাতারের ভিতর দিয়ে হেঁটে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লীগণ তখন হাততালি দিতে লাগলেন। আবূ বকর (রাযি.)-এর অভ্যাস ছিল যে, সালাতে এদিক সেদিক তাকাতেন না। মুসল্লীগণ যখন অধিক পরিমাণে হাততালি দিতে লাগলেন, তখন তিনি সেদিকে তাকালেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখতে পেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইঙ্গিত করে সালাত আদায় করতে থাকার নির্দেশ দিলেন। আবূ বকর (রাযি.) দু’হাত তুলে আল্লাহর হামদ বর্ণনা করলেন এবং পিছনের দিকে সরে গিয়ে কাতারে দাঁড়ালেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে মুসল্লীগণের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, হে লোক সকল! তোমাদের কী হয়েছে, সালাতে কোন ব্যাপার ঘটলে তোমরা হাততালি দিতে থাক কেন? হাততালি তো মেয়েদের জন্য। কারো সালাতের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে সে যেন ‘সুবহানাল্লাহ্’ বলে। কারণ, কেউ অন্যকে ‘সুবহানাল্লাহ্’ বলতে শুনলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য করবে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে আমি ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও কিসে তোমাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বাধা দিল? আবূ বকর (রাযি.) বললেন, কুহাফার ছেলের জন্য এ সমীচীন নয় যে, সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সম্মুখে দন্ডায়মান হয়ে সালাত আদায় করবে। (৬৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৬২)
কুরাইব (রহ.) উম্মু সালামাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন।
১২৩৪. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সংবাদ পৌঁছে যে, বানূ আমর ইবনু আওফ-এ কিছু ঘটেছে। তাদের মধ্যে আপোষ করে দেয়ার উদ্দেশে তিনি কয়েকজন সাহাবীসহ বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে সালাতের সময় হয়ে গেল। বিলাল (রাযি.) আবূ বকর (রাযি.)-এর নিকট এসে বললেন, হে আবূ বকর! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে সালাতের সময় হয়ে গেছে, আপনি কি সালাতে লোকদের ইমামাত করতে প্রস্তুত আছেন? তিনি বললেন, হাঁ, যদি তুমি চাও। তখন বিলাল (রাযি.) ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বললেন এবং আবূ বকর (রাযি.) সামনে এগিয়ে গিয়ে লোকদের জন্য তাকবীর বললেন। এদিকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং কাতারের ভিতর দিয়ে হেঁটে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লীগণ তখন হাততালি দিতে লাগলেন। আবূ বকর (রাযি.)-এর অভ্যাস ছিল যে, সালাতে এদিক সেদিক তাকাতেন না। মুসল্লীগণ যখন অধিক পরিমাণে হাততালি দিতে লাগলেন, তখন তিনি সেদিকে তাকালেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখতে পেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইঙ্গিত করে সালাত আদায় করতে থাকার নির্দেশ দিলেন। আবূ বকর (রাযি.) দু’হাত তুলে আল্লাহর হামদ বর্ণনা করলেন এবং পিছনের দিকে সরে গিয়ে কাতারে দাঁড়ালেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে মুসল্লীগণের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, হে লোক সকল! তোমাদের কী হয়েছে, সালাতে কোন ব্যাপার ঘটলে তোমরা হাততালি দিতে থাক কেন? হাততালি তো মেয়েদের জন্য। কারো সালাতের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে সে যেন ‘সুবহানাল্লাহ্’ বলে। কারণ, কেউ অন্যকে ‘সুবহানাল্লাহ্’ বলতে শুনলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য করবে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে আমি ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও কিসে তোমাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বাধা দিল? আবূ বকর (রাযি.) বললেন, কুহাফার ছেলের জন্য এ সমীচীন নয় যে, সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সম্মুখে দন্ডায়মান হয়ে সালাত আদায় করবে। (৬৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৬২)
হাদিস নং: ১২৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، حدثنا الثوري، عن هشام، عن فاطمة، عن اسماء، قالت دخلت على عاىشة ـ رضى الله عنها ـ وهي تصلي قاىمة والناس قيام فقلت ما شان الناس فاشارت براسها الى السماء. فقلت اية. فقالت براسها اى نعم.
১২৩৫. আসমা (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর নিকট গেলাম, তখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন, আর লোকেরাও সালাতে দাঁড়ানো ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, লোকদের অবস্থা কী? তখন তিনি তাঁর মাথা দ্বারা আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন। আমি বললাম, এটা কি নিদর্শন? তিনি আবার তাঁর মাথার ইঙ্গিতে বললেন, হাঁ। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৬৩)
হাদিস নং: ১২৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن هشام، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيته وهو شاك جالسا، وصلى وراءه قوم قياما فاشار اليهم ان اجلسوا فلما انصرف قال " انما جعل الامام ليوتم به، فاذا ركع فاركعوا واذا رفع فارفعوا ".
১২৩৬. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অসুস্থ অবস্থায় তাঁর ঘরে বসে সালাত আদায় করছিলেন। একদল সাহাবী তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে লাগলেন। তিনি তাঁদের প্রতি ইঙ্গিত করলেন, বসে যাও। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাকে অনুসরণ করার জন্য। কাজেই তিনি রুকূ‘ করলে তোমরা রুকূ‘ করবে; আর তিনি মাথা উঠালে তোমরাও মাথা উঠাবে। (৬৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৬৪)