হাদিস নং: ১১৮৮
সহিহ (Sahih)
حفص بن عمر حدثنا شعبة قال اخبرني عبد الملك بن عمير عن قزعة قال سمعت ابا سعيداربعا قال سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم وكان غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتي عشرة غزوة ح.
১১৮৮. কায‘আ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে চারটি (বিষয়) বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি। আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। (৫৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৬)
হাদিস নং: ১১৮৯
সহিহ (Sahih)
علي حدثنا سفيان عن الزهري عن سعيد عن ابي هريرةعن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تشد الرحال الا الى ثلاثة مساجد المسجد الحرام ومسجد الرسول ومسجد الاقصى.
১১৮৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুর রাসূল এবং মাসজিদুল আকসা (বায়তুল মাক্দিস) তিনটি মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদে (সালাতের) উদ্দেশে হাওদা বাঁধা যাবে না (অর্থাৎ সফর করা যাবে না)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১১-১১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৬ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১১৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن زيد بن رباح، وعبيد الله بن ابي عبد الله الاغر، عن ابي عبد الله الاغر، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلاة في مسجدي هذا خير من الف صلاة فيما سواه الا المسجد الحرام ".
১১৯০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাসজিদুল হারাম ব্যতীত আমার এ মসজিদে সালাত আদায় করা অপরাপর মসজিদে এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম। (মুসলিম ১৫/৯৩, হাঃ ১৩৯৪, আহমাদ ৭৭৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৭)
হাদিস নং: ১১৯১
সহিহ (Sahih)
يعقوب بن ابراهيم هو الدورقي حدثنا ابن علية اخبرنا ايوب عن نافع ان ابن عمر رضي الله عنهما كان لا يصلي من الضحى الا في يومين يوم يقدم بمكة فانه كان يقدمها ضحى فيطوف بالبيت ثم يصلي ركعتين خلف المقام ويوم ياتي مسجد قباء فانه كان ياتيه كل سبت فاذا دخل المسجد كره ان يخرج منه حتى يصلي فيه قال وكان يحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يزوره راكبا وماشيا.
১১৯১. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইবনু ‘উমার (রাযি.) দু’ দিন ছাড়া অন্য সময়ে চাশ্তের সালাত আদায় করতেন না, যে দিন তিনি মক্কা্য় আগমন করতেন। তাঁর অভ্যাস ছিল যে, তিনি চাশ্তের সময় মক্কা্য় আগমন করতেন। তিনি বাইতুল্লাহ্ ত্বওয়াফ করার পর মাকামে ইব্রাহীম-এর পিছনে দাঁড়িয়ে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। আর যে দিন তিনি কুবা মসজিদে গমন করতেন। তিনি প্রতি শনিবার সেখানে গমন করতেন এবং সেখানে সালাত আদায় না করে বেরিয়ে আসা অপছন্দ করতেন। নাফি‘ (রহ.) বলেন, তিনি (ইবনু ‘উমার (রাযি.) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবা মাসজিদ যিয়ারাত করতেন- কখনো সওয়ারীতে, কখনো পদব্রজে। (১১৯৩, ১১৯৪, ৭৩২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৮)
নোট: *কুবা মাসজিদঃ মসজিদে নববী থেকে প্রায় তিন মাইল দূরে অবস্থিত মদিনার প্রথম মাসজিদ হিজরতকালে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রথম অবস্থান স্থল।
হাদিস নং: ১১৯২
সহিহ (Sahih)
قال وكان يقول انما اصنع كما رايت اصحابي يصنعون ولا امنع احدا ان يصلي في اي ساعة شاء من ليل او نهار غير ان لا تتحروا طلوع الشمس ولا غروبها.
১১৯২. নাফি‘ (রহ.) বলেন, তিনি (ইবনু ‘উমার (রাযি.) তাঁকে আরো বলতেন, আমি আমার সাথীদেরকে যেমন করতে দেখেছি তেমন করব। আর কাউকে আমি দিন রাতের কোন সময়ই সালাত আদায় করতে বাধা দিইনা, তবে তাঁরা যেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় (সালাতের) ইচ্ছা না করে। (৫৮২; মুসলিম ১৫/৯৭, হাঃ ১৩৯৯, আহমাদ ৪৪৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৪ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৮ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১১৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم ياتي مسجد قباء كل سبت ماشيا وراكبا. وكان عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ يفعله.
১১৯৩. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি শনিবার কুবা মসজিদে আসতেন, কখনো পদব্রজে, কখনো সওয়ারীতে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-ও ঐরূপ করতেন। (১১৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৯)
হাদিস নং: ১১৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال حدثني نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم ياتي قباء راكبا وماشيا. زاد ابن نمير حدثنا عبيد الله عن نافع فيصلي فيه ركعتين.
১১৯৪. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে কুবা মসজিদে আসতেন। ইবনু নুমায়র (রহ.) নাফি‘ (রহ.) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। (১১৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১২০)
হাদিস নং: ১১৯৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن عبد الله بن ابي بكر عن عباد بن تميم عن عبد الله بن زيد المازنيان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة.
১১৯৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ-মাযিনী (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বার-এর মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান। (মুসলিম ১৫/৯২, হাঃ ১৩৯০, আহমাদ ১৬৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১২১)
হাদিস নং: ১১৯৬
সহিহ (Sahih)
مسدد عن يحيى عن عبيد الله بن عمر قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابي هريرةعن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضي.
১১৯৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান আর আমার মিম্বর অবস্থিত আমার হাউয (কাউসার)-এর উপরে। (১৮৮৮, ৬৫৮৮, ৭৩৩৫; মুসলিম ১৫/৯২, হাঃ ১৩৯১, আহমাদ ৭২২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১২২)
হাদিস নং: ১১৯৭
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن عبد الملك سمعت قزعة مولى زياد قال سمعت ابا سعيد الخدرييحدث باربع عن النبي صلى الله عليه وسلم فاعجبنني وانقنني قال لا تسافر المراة يومين الا معها زوجها او ذو محرم ولا صوم في يومين الفطر والاضحى ولا صلاة بعد صلاتين بعد الصبح حتى تطلع الشمس وبعد العصر حتى تغرب ولا تشد الرحال الا الى ثلاثة مساجد مسجد الحرام ومسجد الاقصى ومسجدي.
১১৯৭. যিয়াদের আযাদকৃত দাস কাযা‘আহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে চারটি বিষয় বর্ণনা করতে শুনেছি, যা আমাকে আনন্দিত ও মুগ্ধ করেছে। তিনি বলেছেনঃ নারীগণ স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত দু’দিনের দূরত্বের পথে সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনগুলোতে সিয়াম নেই। দু’ (ফরয) সালাতের পর কোন (নফল ও সুন্নাত) সালাত নেই। ফাযরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এবং ১. মাসজিদুল হারাম, ২. মাসজিদুল আকসা এবং ৩. আমার মাসজিদ ছাড়া অন্য কোন মসজিদে (যিয়ারাতের উদ্দেশে) হাওদা বাঁধা যাবে না। (সফর করা যাবে না)। (৫৮৬; মুসলিম ৬/৫১, হাঃ ৮২৭, আহমাদ ১১০৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১২৩)