অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

২৫/১. হজ্জ ফরয হওয়া ও এর ফযীলত
মোট ২৬০ টি হাদিস
হাদিস নং: ১৫১৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن عباس قال كان الفضل رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءت امراة من خشعم فجعل الفضل ينظر اليها وتنظر اليه وجعل النبي صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل الى الشق الاخر فقالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان فريضة الله على عباده في الحج ادركت ابي شيخا كبيرا لا يثبت على الراحلة افاحج عنه قال نعم وذلك في حجة الوداع
(وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حَجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلاً وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ)

মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ মানুষের উপর আল্লাহর জন্য বাইতুল্লাহর হাজ্জ করা ফরয যারা সেথায় যাওয়ার সামর্থ্য রাখে এবং কেউ প্রত্যাখ্যান করলে সে জেনে রাখুক আল্লাহ বিশ্বজগতের মুখাপেক্ষীহীন। (আলু ‘ইমরানঃ ৯৭)


১৫১৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফযল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) একই বাহনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পিছনে আরোহণ করেছিলেন। এরপর খাশ‘আম গোত্রের জনৈক মহিলা উপস্থিত হল। তখন ফযল (রাঃ) সেই মহিলার দিকে তাকাতে থাকে এবং মহিলাটিও তার দিকে তাকাতে থাকে। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযলের চেহারা অন্যদিকে ফিরিয়ে দিতে থাকে। মহিলাটি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর বান্দার উপর ফার্য (ফরয)কৃত হাজ্জ আমার বয়োঃবৃদ্ধ পিতার উপর ফরজ হয়েছে। কিন্তু তিনি বাহনের উপর স্থির থাকতে পারেন না, আমি কি তাঁর পক্ষ হতে হাজ্জ আদায় করবো? তিনি বললেনঃ হাঁ (আদায় কর)। ঘটনাটি বিদায় হাজ্জের সময়ের। (১৮৫৪, ১৮৫৫, ৪৩৯৯, ৬২২৮, মুসলিম ১৫/৭১, হাঃ ১৩৩৪, আহমাদ ৩০৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২২)

 
হাদিস নং: ১৫১৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عيسى حدثنا ابن وهب عن يونس عن ابن شهاب ان سالم بن عبد الله بن عمر اخبره ان ابن عمر قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يركب راحلته بذي الحليفة ثم يهل حتى تستوي به قاىمة
১৫১৪. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখেছি, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-হুলাইফা নামক স্থানে তাঁর বাহনের উপর আরোহণ করেন, বাহনটি সোজা হয়ে দাঁড়াতেই তিনি তালবিয়া উচ্চারণ করতে থাকেন। (১৬৬, মুসলিম ১৫/৫, হাঃ ১১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৩)
হাদিস নং: ১৫১৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا الوليد حدثنا الاوزاعي سمع عطاء يحدث عن جابر بن عبد الله ان اهلال رسول الله صلى الله عليه وسلم من ذي الحليفة حين استوت به راحلته رواه انس وابن عباس
১৫১৫. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর তাল্বিয়া পাঠ যুল-হুলাইফা হতে আরম্ভ হত যখন তাঁর বাহন তাঁকে নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতো। হাদীসটি আনাস ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন অর্থাৎ ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহ.)-এর সূত্রে জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৪)
হাদিস নং: ১৫১৬ সহিহ (Sahih)
وقال ابان حدثنا مالك بن دينار عن القاسم بن محمد عن عاىشة ان النبي صلى الله عليه وسلم بعث معها اخاها عبد الرحمن فاعمرها من التنعيم وحملها على قتب وقال عمر شدوا الرحال في الحج فانه احد الجهادين
১৫১৬. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর সাথে তাঁর ভাই ‘আবদুর রাহমান (রাঃ)-কে প্রেরণ করেন। তিনি ‘আয়িশাহ্কে ‘তান‘ঈম’ নামক স্থান হতে ছোট একটি হাওদায় বসিয়ে ‘উমরাহ করাতে নিয়ে যান। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তোমরা হাজ্জে (গমনের উদ্দেশে) উটের পিঠে হাওদা মজবুত করে বাঁধ (সফর কর)। কেননা, হাজ্জও এক প্রকারের জিহাদ। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ৯৬৩)
হাদিস নং: ১৫১৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي بكر حدثنا يزيد بن زريع حدثنا عزرة بن ثابت عن ثمامة بن عبد الله بن انس قال حج انس على رحل ولم يكن شحيحا وحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم حج على رحل وكانت زاملته
১৫১৭. সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আনাস হতে বর্ণিত যে, আনাস (রাঃ) হাওদায় আরোহণ অবস্থায় হাজ্জে গমন করেছেন অথচ তিনি কৃপণ ব্যক্তি ছিলেন না। তিনি আরো বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাওদায় আরোহণ করে হজ্জে গমন করেন এবং সেই উটটিই তাঁর মালের বাহন ছিলো। (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ৯৬৩ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১৫১৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن علي حدثنا ابو عاصم حدثنا ايمن بن نابل حدثنا القاسم بن محمد عن عاىشة انها قالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمرتم ولم اعتمر فقال يا عبد الرحمن اذهب باختك فاعمرها من التنعيم فاحقبها على ناقة فاعتمرت
১৫১৮. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনারা ‘উমরাহ করলেন, আর আমি ‘উমরাহ করতে পারলাম না! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে ‘আবদুর রাহমান! তোমার বোন (‘আয়িশা)-কে সাথে করে নিয়ে তান‘ঈম হতে গিয়ে ‘উমরাহ করিয়ে নিয়ে এসো। তিনি ‘আয়িশাকে উটের পিঠে ছোট একটি হাওদার পশ্চাদ্ভাগে বসিয়ে দেন এবং তিনি ‘উমরাহ আদায় করেন। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৫)
হাদিস নং: ১৫১৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله حدثنا ابراهيم بن سعد عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة قال سىل النبي صلى الله عليه وسلم اي الاعمال افضل قال ايمان بالله ورسوله قيل ثم ماذا قال جهاد في سبيل الله قيل ثم ماذا قال حج مبرور
১৫১৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করা হলো, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। জিজ্ঞেস করা হলো, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর পথে জিহাদ করা। জিজ্ঞেস করা হলো, অতঃপর কোনটি? তিনি বলেনঃ হাজ্জ-ই-মাবরূর (মাকবূল হাজ্জ)। (২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৬)
হাদিস নং: ১৫২০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الرحمن بن المبارك حدثنا خالد اخبرنا حبيب بن ابي عمرة عن عاىشة بنت طلحة عن عاىشة ام المومنين انها قالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم نرى الجهاد افضل العمل افلا نجاهد قال لا لكن افضل الجهاد حج مبرور
১৫২০. উম্মুল মু‘মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! জিহাদকে আমরা সর্বোত্তম ‘আমল মনে করি। কাজেই আমরা কি জিহাদ করবো না? তিনি বললেনঃ না, বরং তোমাদের জন্য সর্বোত্তম জিহাদ হল, হাজ্জে মাবরূর। (১৮৬১, ২৭৮৪, ২৮৭৫, ২৮৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৭)
হাদিস নং: ১৫২১ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا سيار ابو الحكم قال سمعت ابا حازم قال سمعت ابا هريرة قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من حج لله÷ فلم يرفث ولم يفسق رجع كيوم ولدته امه
১৫২১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশে হাজ্জ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ হতে বিরত রইল, সে ঐ দিনের মত নিষ্পাপ হয়ে হাজ্জ হতে ফিরে আসবে যেদিন তাকে তার মা জন্ম দিয়েছিল। (১৮১৯, ১৮২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৮)
হাদিস নং: ১৫২২ সহিহ (Sahih)
حدثنا مالك بن اسماعيل حدثنا زهير قال حدثني زيد بن جبير انه اتى عبد الله بن عمر في منزله وله فسطاط وسرادق فسالته من اين يجوز ان اعتمر قال فرضها رسول الله صلى الله عليه وسلم لا÷هل نجد قرنا ولاهل المدينة ذا الحليفة ولا÷هل الشام الجحفة
১৫২২. যায়দ ইবনু জুবাইর (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে তাঁর অবস্থান স্থলে যান, তখন তাঁর জন্য তাঁবু ও চাঁদোয়া টানানো হয়েছিল। [যায়দ (রাঃ) বলেন] আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, কোন্ স্থান হতে ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধা জায়িয হবে? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদ্বাসীদের জন্য কারণ, মদিনাবাসীদের জন্য যুল-হুলাইফাহ ও সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহফা (ইহরামের মীকাত) নির্ধারণ করে দিয়েছেন। (১৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২৯)
হাদিস নং: ১৫২৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بشر حدثنا شبابة عن ورقاء عن عمرو بن دينار عن عكرمة عن ابن عباس قال كان اهل اليمن يحجون ولا يتزودون ويقولون نحن المتوكلون فاذا قدموا مكة سالوا الناس فانزل الله تعالى (وتزودوا فان خير الزاد التقوى) رواه ابن عيينة عن عمرو عن عكرمة مرسلا
১৫২৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়ামানের অধিবাসীগণ হাজ্জে গমনকালে পাথেয় সঙ্গে নিয়ে যেতো না এবং তারা বলছিল, আমরা আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীল। কিন্তু মক্কায় উপনীত হয়ে তারা মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচনা করে বেড়াতো। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ অবতীর্ণ করেনঃ (وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى) ‘‘তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কর, আত্মসংযমই শ্রেষ্ঠ পাথেয়’’।(আল-বাকারাহঃ ১৯৭) হাদীসটি ইবনু ‘উয়াইনাহ (রহ.) ‘আমর (রহ.) সূত্রে ‘ইক্রিমা (রহ.) হতে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩০)
হাদিস নং: ১৫২৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا وهيب حدثنا ابن طاوس عن ابيه عن ابن عباس قال ان النبي صلى الله عليه وسلم وقت لاهل المدينة ذا الحليفة ولا÷هل الشام الجحفة ولا÷هل نجد قرن المنازل ولاهل اليمن يلملم هن لهن ولمن اتى عليهن من غيرهن ممن اراد الحج والعمرة ومن كان دون ذلك فمن حيث انشا حتى اهل مكة من مكة
১৫২৪. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বাঁধার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, মাদ্বীনাবাসীদের জন্য যুল-হুলায়ফা, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নজ্দবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম। হাজ্জ ও ‘উমরাহ নিয়্যাতকারী সেই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ঐ সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসী সকলের জন্য উক্ত স্থানগুলো মীকাতরূপে গণ্য এবং যারা এ সব মীকাতের ভিতরে (অর্থাৎ মক্কার নিকটবর্তী) স্থানের অধিবাসী, তারা যেখান হতে হাজ্জের নিয়্যাত করে বের হবে (সেখান হতে ইহরাম বাঁধবে)। এমন কি মক্কা্বাসী মক্কা্ হতেই (হাজ্জের) ইহরাম বাঁধবে। (১৫২৬, ১৫২৯, ১৫৩০, ১৮৪৫, মুসলিম ১৫/২, হাঃ ১১৮১, আহমাদ ২২৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩১)
হাদিস নং: ১৫২৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يهل اهل المدينة من ذي الحليفة ويهل اهل الشام من الجحفة واهل نجد من قرن قال عبد الله وبلغني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ويهل اهل اليمن من يلملم
১৫২৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মদিনাবাসীগণ যুল-হুলাইফাহ হতে, সিরিয়াবাসীগণ জুহ্ফা হতে ও নজদবাসীগণ ক্বারণ হতে ইহরাম বাঁধবে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (অন্যের মাধ্যমে) অবগত হয়েছি, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম হতে ইহরাম বাঁধবে। (১৩৩, মুসলিম ১৫/২, হাঃ ১১৮২, আহমাদ ৫০৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩২)
হাদিস নং: ১৫২৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا حماد عن عمرو بن دينار عن طاوس عن ابن عباس قال وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم لاهل المدينة ذا الحليفة ولا÷هل الشام الجحفة ولا÷هل نجد قرن المنازل ولاهل اليمن يلملم فهن لهن ولمن اتى عليهن من غير اهلهن لمن كان يريد الحج والعمرة فمن كان دونهن فمهله من اهله وكذاك حتى اهل مكة يهلون منها
১৫২৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বাঁধার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, মদিনাবাসীদের জন্য যুল-হুলাইফা, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল-মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম। উল্লিখিত স্থানসমূহ হাজ্জ ও ‘উমরাহ’র নিয়্যাতকারী সেই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ঐ সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য ইহরাম বাঁধার স্থান এবং মীকাতের ভিতরে স্থানের লোকেরা নিজ বাড়ি হতে ইহরাম বাঁধবে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা হতেই ইহরাম বাঁধবে। (১৫২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৩)
হাদিস নং: ১৫২৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي حدثنا سفيان حفظناه من الزهري عن سالم عن ابيه وقت النبي صلى الله عليه وسلم
১৫২৭. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মীকাতের সীমা নির্ধারিত করেছেন। (১৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৪)
হাদিস নং: ১৫২৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عيسى حدثنا ابن وهب قال اخبرني يونس عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن ابيه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول مهل اهل المدينة ذو الحليفة ومهل اهل الشام مهيعة وهي الجحفة واهل نجد قرن قال ابن عمر زعموا ان النبي قال ولم اسمعه ومهل اهل اليمن يلملم
১৫২৮. সালিম ইবন ’আবদুল্লাহ (রহ.) তাঁর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ মদিনাবাসীদের মীকাত হলো যুল-হুলায়ফা, সিরিয়াবাসীদের মীকাত (মাহইয়া’আহ) যার অপর নাম জুহফা এবং নাজদবাসীদের মীকাত হলো ক্বার্ন।

ইবনু ’উমার (রাঃ) বলেন, আমি শুনিনি, তবে লোকেরা বলে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইয়ামানবাসীর মীকাত হলো ইয়ালামলাম। (১৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৮ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৪ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১৫২৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا حماد عن عمرو عن طاوس عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم وقت لاهل المدينة ذا الحليفة ولاهل الشام الجحفة ولاهل اليمن يلملم ولاهل نجد قرنا فهن لهن ولمن اتى عليهن من غير اهلهن ممن كان يريد الحج والعمرة فمن كان دونهن فمن اهله حتى ان اهل مكة يهلون منها
১৫২৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনাবাসীদের জন্য মীকাত নির্ধারণ করেন যুল-হুলায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহফা, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম ও নাজদবাসীদের জন্য ক্বারণ। উল্লিখিত স্থানসমূহ হাজ্জ ও ‘উমরাহ’র নিয়্যাতকারী সে স্থানের অধিবাসী এবং সে সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য এলাকার অধিবাসীদের জন্য ইহরাম বাঁধার স্থান। আর যে মীকাতের ভিতরের অধিবাসী সে নিজ বাড়ি হতে ইহরাম বাঁধবে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা হতেই ইহরাম বাঁধাবে। (১৫২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৫)
হাদিস নং: ১৫৩০ সহিহ (Sahih)
حدثنا معلى بن اسد حدثنا وهيب عن عبد الله بن طاوس عن ابيه عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم وقت لاهل المدينة ذا الحليفة ولاهل الشام الجحفة ولاهل نجد قرن المنازل ولاهل اليمن يلملم هن لاهلهن ولكل ات اتى عليهن من غيرهم ممن اراد الحج والعمرة فمن كان دون ذلك فمن حيث انشا حتى اهل مكة من مكة
১৫৩০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদ্বীনাবহাসীদের জন্য যুল-হুলাইফা, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল মানাযিল ও ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম মীকাত নির্ধারণ করেছেন। [1] উক্ত মীকাতসমূহ হাজ্জ ও ‘উমরাহ’র উদ্দেশে আগমনকারী সে স্থানের অধিবাসীদের জন্য এবং অন্য কোন এলাকার লোক ঐ সীমা দিয়ে অতিক্রম করবে তাদের জন্যও। এছাড়াও যারা মীকাতের ভিতরের অধিবাসী তারা যেখান হতে সফর আরম্ভ করবে সেখান হতেই (ইহরাম আরম্ভ করবে) এমন কি মক্কাবাসীগণ মাক্কহ হতেই। (১৫২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৬)
নোট: [1] يلملم ইয়ালামলাম। এটি ইয়ামানবাসী এবং ঐ পথ যারা অতিক্রম করবে তাদের মীকাত। (এটিই বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান হতে আগত হাজ্জযাত্রীদের মীকাত। ইয়ালামলাম একটি পর্বতের নাম-সমুদ্র হতে দেখা যায় না। জাহাজ তার বরাবর আসার প্রাক্কালে জাহাজের কাপ্তান বা হাজ্জযাত্রীদের আমীরগণ তা জানিয়ে দেন)।

২। ‘‘যাতু ইরক্ব’’ মূলত নাবী (সাঃ) ইরাকবাসীদের জন্য নির্ধারণ করেছিলেন। যেমনটি আবূ দাউদ হাঃ ১৭৩৯, নাসায়ী হাজ্জ অধ্যায় প্রভৃতি গ্রন্থে বিশুদ্ধ হাদীস এসেছে [এটা সহীহ মুসলিমে হাঃ ১১৮৩-এসেছে তবে রাবীর সন্দেহ আছে এটা হাদীস হওয়ার ব্যাপারে] কিন্তু উমার (রাঃ)-এর এটা নাবী (সাঃ) এর জানা ছিল না বিধায় তিনি ইজতিহাদ করে তা নির্ধারণ করেন যা নাবী (সাঃ) এর হাদীস ভিত্তিক হয়ে যায়। আর এ কথা সর্বজনবিদিত যে, তাঁর অনেক ইজতিহাদী বিধান কুরআন ও হাদীসের অনুকূল হত। অতএব উভয় প্রকার হাদীসে দ্বন্দ্ব কোন নেই।
হাদিস নং: ১৫৩১ সহিহ (Sahih)
حدثني علي بن مسلم حدثنا عبد الله بن نمير حدثنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال لما فتح هذان المصران اتوا عمر فقالوا يا امير المومنين ان رسول الله صلى الله عليه وسلم حد لاهل نجد قرنا وهو جور عن طريقنا وانا ان اردنا قرنا شق علينا قال فانظروا حذوها من طريقكم فحد لهم ذات عرق
১৫৩১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ শহর দু’টি (কূফা ও বস্রা) বিজিত হলো, তখন সে স্থানের লোকগণ ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এসে নিবেদন করলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদবাসীগণের জন্য (মীকাত হিসেবে) সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন ক্বারণ, কিন্তু তা আমাদের পথ হতে দূরে। কাজেই আমরা ক্বারণ-সীমা অতিক্রম করতে চাইলে তা হবে আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা‘ হলে তোমরা লক্ষ্য কর তোমাদের পথে ক্বারণ-এর সম দূরত্বরেখা কোন্ স্থানটি? অতঃপর তিনি ‘‘যাতু ‘ইরক্ব’’ মীকাতরূপে নির্ধারণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৭)
হাদিস নং: ১৫৩২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اناخ بالبطحاء بذي الحليفة فصلى بها وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك
১৫৩২. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-হুলাইফার বাত্হা নামক উপত্যকায় উট বসিয়ে সালাত আদায় করেন। (রাবী নাফি‘ বলেন) ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও তাই করতেন। (৪৮৪, মুসলিম ১৫/৩৭, হাঃ ১২৫৭, আহমাদ ৪৮৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩৮)
অধ্যায় তালিকা