হাদিস নং: ২৫১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا عاصم بن محمد قال حدثني واقد بن محمد قال حدثني سعيد بن مرجانة صاحب علي بن حسين قال قال لي ابو هريرة قال النبي صلى الله عليه وسلم ايما رجل اعتق امرا مسلما استنقذ الله بكل عضو منه عضوا منه من النار قال سعيد بن مرجانة فانطلقت به الى علي بن حسين فعمد علي بن حسين الى عبد له قد اعطاه به عبد الله بن جعفر عشرة الاف درهم او الف دينار فاعتقه
وَقَوْلِهِ تَعَالَى ( فَكُّ رَقَبَةٍ أَوْ إِطْعَامٌ فِي يَوْمٍ ذِي مَسْغَبَةٍ يَتِيمًا ذَا مَقْرَبَةٍ )
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘ক্রীতদাস মুক্তি অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে ইয়াতীম আত্মীয়কে অন্নদান।’’ (বালাদ (৯০) : ১৩)
২৫১৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করলে আল্লাহ সেই ক্রীতদাসের প্রত্যেক অঙ্গের বিনিময়ে তার এক একটি অঙ্গ (জাহান্নামের) আগুন হতে মুক্ত করবেন। সাঈদ ইবনু মারজানা (রাঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমি আলী ইবনু হুসাইনের খিদমতে পেশ করলাম। তখন ‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) তাঁর এক ক্রীতদাসের কাছে উঠে গেলেন যার বিনিময়ে ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ) তাকে দশ হাজার দিরহাম কিংবা এক হাজার দ্বীনার দিতে চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। (৬৭১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫১)
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘ক্রীতদাস মুক্তি অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে ইয়াতীম আত্মীয়কে অন্নদান।’’ (বালাদ (৯০) : ১৩)
২৫১৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করলে আল্লাহ সেই ক্রীতদাসের প্রত্যেক অঙ্গের বিনিময়ে তার এক একটি অঙ্গ (জাহান্নামের) আগুন হতে মুক্ত করবেন। সাঈদ ইবনু মারজানা (রাঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমি আলী ইবনু হুসাইনের খিদমতে পেশ করলাম। তখন ‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) তাঁর এক ক্রীতদাসের কাছে উঠে গেলেন যার বিনিময়ে ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ) তাকে দশ হাজার দিরহাম কিংবা এক হাজার দ্বীনার দিতে চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। (৬৭১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫১)
হাদিস নং: ২৫১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد الله بن موسى عن هشام بن عروة عن ابيه عن ابي مراوح عن ابي ذر قال سالت النبي اي العمل افضل قال ايمان بالله وجهاد في سبيله قلت فاي الرقاب افضل قال اعلاها ثمنا وانفسها عند اهلها قلت فان لم افعل قال تعين ضايعا او تصنع لاخرق قال فان لم افعل قال تدع الناس من الشر فانها صدقة تصدق بها على نفسك
২৫১৮. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন্ ‘আমল উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁর পথে জিহাদ করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন্ ধরনের ক্রীতদাস মুক্ত করা উত্তম? তিনি বললেন, যে ক্রীতদাসের মূল্য অধিক এবং যে ক্রীতদাস তার মনিবের কাছে অধিক আকর্ষণীয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ যদি আমি করতে না পারি? তিনি বললেন, তাহলে কাজের লোককে (তার কাজে) সাহায্য করবে কিংবা বেকারকে কাজ দিবে। আমি (আবারও) বললাম, এও যদি না পারি? তিনি বললেন, মানুষকে তোমার অনিষ্টতা হতে মুক্ত রাখবে। বস্তুতঃ এটা তোমার নিজের জন্য তোমার পক্ষ হতে সাদাকাহ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫২)
হাদিস নং: ২৫১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن مسعود حدثنا زاىدة بن قدامة عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر عن اسماء بنت ابي بكر قالت امر النبي صلى الله عليه وسلم بالعتاقة في كسوف الشمس تابعه علي عن الدراوردي عن هشام
২৫১৯. আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় ক্রীতদাস মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আলী (রহ.) দরাওয়ারদী (রহ.) সূত্রে হিশাম (রহ.) হাদীস বর্ণনায় মূসা ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৩)
হাদিস নং: ২৫২০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي بكر حدثنا عثام حدثنا هشام عن فاطمة بنت المنذر عن اسماء بنت ابي بكر قالت كنا نومر عند الخسوف بالعتاقة
২৫২০. আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য গ্রহণের সময় আমাদেরকে ক্রীতদাস মুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হত। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৪)
হাদিস নং: ২৫২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن سالم عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من اعتق عبدا بين اثنين فان كان موسرا قوم عليه ثم يعتق
২৫২১. সালিমের পিতা [ইবনু ‘উমার (রাঃ)] হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দু’জনের মালিকানাধীন ক্রীতদাস মুক্ত করে, সে সচ্ছল হলে প্রথমে ক্রীতদাসের মূল্য নির্ধারণ করা হবে, তারপর মুক্ত করবে। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৫)
হাদিস নং: ২৫২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من اعتق شركا له في عبد فكان له مال يبلغ ثمن العبد قوم العبد عليه قيمة عدل فاعطى شركاءه حصصهم وعتق عليه العبد والا فقد عتق منه ما عتق
২৫২২. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হতে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু (সে পরিমাণ অর্থ) না থাকলে তার পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে যতটুকু সে মুক্ত করেছে। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৬)
হাদিস নং: ২৫২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد بن اسماعيل عن ابي اسامة عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من اعتق شركا له في مملوك فعليه عتقه كله ان كان له مال يبلغ ثمنه فان لم يكن له مال يقوم عليه قيمة عدل فاعتق منه ما اعتق حدثنا مسدد حدثنا بشر عن عبيد الله اختصره
২৫২৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করলে ঐ ক্রীতদাসের সম্পূর্ণটা মুক্ত করা তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়বে, যদি তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ থাকে। আর যদি তার কাছে কোন অর্থ না থাকে তাহলে তার দায়িত্ব হবে আযাদকৃত (গোলামের) ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা। এতে আযাদকারীর পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে, যতটুকু সে মুক্ত করেছে। মুসাদ্দাদ (রহ.) বিশর ইবনু মুফায্যাল (রহ.) সূত্রে ‘উবায়দুল্লাহ (রহ.) থেকে উক্ত হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত আছে। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৭)
হাদিস নং: ২৫২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن ايوب عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من اعتق نصيبا له في مملوك او شركا له في عبد وكان له من المال ما يبلغ قيمته بقيمة العدل فهو عتيق قال نافع والا فقد عتق منه ما عتق قال ايوب لا ادري اشيء قاله نافع او شيء في الحديث
২৫২৪. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে এবং ক্রীতদাসের ন্যায্যমূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকলে, সেই ক্রীতদাস সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে। নাফি‘ (রহ.) বলেন, আর সেই পরিমাণ অর্থ না থাকলে যতটুকু সে মুক্ত করবে তারপক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে। রাবী আইউব (রহ.) বলেন, আমি জানি না, এটা কি নাফী‘ (রহ.) নিজ হতে বলেছেন, না এটাও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৮)
হাদিস নং: ২৫২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن مقدام حدثنا الفضيل بن سليمان حدثنا موسى بن عقبة اخبرني نافع عن ابن عمر انه كان يفتي في العبد او الامة يكون بين شركاء فيعتق احدهم نصيبه منه يقول قد وجب عليه عتقه كله اذا كان للذي اعتق من المال ما يبلغ يقوم من ماله قيمة العدل ويدفع الى الشركاء انصباوهم ويخلى سبيل المعتق يخبر ذلك ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم
ورواه الليث وابن ابي ذىب وابن اسحاق وجويرية ويحيى بن سعيد واسماعيل بن امية عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم مختصرا
ورواه الليث وابن ابي ذىب وابن اسحاق وجويرية ويحيى بن سعيد واسماعيل بن امية عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم مختصرا
২৫২৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি শরীকী ক্রীতদাস বা বাঁদী সম্পর্কে ফাতওয়া দিতেন যে, শরীকী ক্রীতদাস শরীকদের কেউ নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে তিনি বলতেন, সম্পূর্ণ ক্রীতদাসটাই আযাদ করা তার উপর ওয়াজিব হয়ে গেছে। যদি আযাদকারীর কাছে ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ থাকে, তাহলে সে অর্থ হতে ক্রীতদাসের ন্যায্যমূল্য নির্ণয় করা হবে এবং শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করা হবে, আর আযাদকৃত ক্রীতদাস পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে। বক্তব্যটি ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৯ প্রথমাংশ)
এবং লাইস, ইবনু আবূ যি‘ব, ইবনু ইসহাক জুওয়াইরিয়া, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ ও ইসমাঈল ইবনু উমাইয়া (রহ.) নাফি‘ (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী হতে হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৯ শেষাংশ)
এবং লাইস, ইবনু আবূ যি‘ব, ইবনু ইসহাক জুওয়াইরিয়া, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ ও ইসমাঈল ইবনু উমাইয়া (রহ.) নাফি‘ (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী হতে হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৯ শেষাংশ)
হাদিস নং: ২৫২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد ابن ابي رجاء حدثنا يحيى بن ادم حدثنا جرير بن حازم سمعت قتادة قال حدثني النضر بن انس بن مالك عن بشير بن نهيك عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من اعتق شقيصا من عبد
২৫২৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘‘কেউ শরীকী ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ (রাবীর দ্বিধা) মুক্ত করে দিলে .......’’। (২৪৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ নেই)
হাদিস নং: ২৫২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد عن قتادة عن النضر بن انس عن بشير بن نهيك عن ابي هريرة ان النبي صلى الله عليه وسلم قال من اعتق نصيبا او شقيصا في مملوك فخلاصه عليه في ماله ان كان له مال والا قوم عليه فاستسعي به غير مشقوق عليه
تابعه حجاج بن حجاج وابان وموسى بن خلف عن قتادة اختصره شعبة
تابعه حجاج بن حجاج وابان وموسى بن خلف عن قتادة اختصره شعبة
২৫২৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কেউ শরীকী ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ (রাবীর দ্বিধা) মুক্ত করে দিলে অর্থ ব্যয়ে সেই ক্রীতদাসকে নিষ্কৃতি দেয়া তার উপর কর্তব্য, যদি তার কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকে। অন্যথায় তার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং তাকে অতিরিক্ত কষ্ট না দিয়ে উপার্জন করতে বলা হবে।
হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ, আবান ও মূসা ইবনু খালাফ (রহ.) কাতাদাহ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। হাদীসটি শু‘বা (রহ.) সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৪৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬০)
হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ, আবান ও মূসা ইবনু খালাফ (রহ.) কাতাদাহ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। হাদীসটি শু‘বা (রহ.) সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৪৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬০)
হাদিস নং: ২৫২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا مسعر عن قتادة عن زرارة بن اوفى عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ان الله تجاوز لي عن امتي ما وسوست به صدورها ما لم تعمل او تكلم
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى وَلاَ نِيَّةَ لِلنَّاسِي وَالْمُخْطِئِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে, যা সে নিয়্যাত করবে এবং যে ব্যক্তি অনিচ্ছায় বা ভুলবশত কিছু বলে, তার কোন নিয়্যাত থাকে না।
২৫২৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (আমার বরকতে) আল্লাহ আমার উম্মতের অন্তরে উদিত ওয়াসওয়াসা (পাপের ভাব ও চেতনা) মাফ করে দিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তা কাজে পরিণত করে অথবা মুখে বলে। (৬৬৬৪, ৫২৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬১)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে, যা সে নিয়্যাত করবে এবং যে ব্যক্তি অনিচ্ছায় বা ভুলবশত কিছু বলে, তার কোন নিয়্যাত থাকে না।
২৫২৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (আমার বরকতে) আল্লাহ আমার উম্মতের অন্তরে উদিত ওয়াসওয়াসা (পাপের ভাব ও চেতনা) মাফ করে দিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তা কাজে পরিণত করে অথবা মুখে বলে। (৬৬৬৪, ৫২৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬১)
হাদিস নং: ২৫২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن كثير عن سفيان حدثنا يحيى بن سعيد عن محمد بن ابراهيم التيمي عن علقمة بن وقاص الليثي قال سمعت عمر بن الخطاب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الاعمال بالنية ولامرى ما نوى فمن كانت هجرته الى الله ورسوله فهجرته الى الله ورسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها او امراة يتزوجها فهجرته الى ما هاجر اليه
২৫২৯. ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমলসমূহ নিয়্যাতের সাথে সম্পৃক্ত। আর মানুষ তাই পাবে, যা সে নিয়্যাত করবে। কাজেই কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশে হিজরত করে থাকলে তার সে হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশে বলেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হবে দুনিয়া হাসিলের উদ্দেশে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার মতলবে; তার হিজরত সে উদ্দেশে বলেই গণ্য হবে। (১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬২)
হাদিস নং: ২৫৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير عن محمد بن بشر عن اسماعيل عن قيس عن ابي هريرة انه لما اقبل يريد الاسلام ومعه غلامه ضل كل واحد منهما من صاحبه فاقبل بعد ذلك وابو هريرة جالس مع النبي فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا ابا هريرة هذا غلامك قد اتاك فقال اما اني اشهدك انه حر قال فهو حين يقول يا ليلة من طولها وعناىها على انها من دارة الكفر نجت
২৫৩০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছায় আপন ক্রীতদাসকে সাথে নিয়ে (মদ্বীনায়) আসছিলেন। পথে তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। পরে ক্রীতদাসটি এসে পৌঁছল। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমাতে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ হুরাইরাহ! দেখ, তোমার ক্রীতদাস এসে গেছে। তখন তিনি বললেন, শুনুন; আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে মুক্ত। রাবী বলেন, (মদ্বীনায়) পৌঁছে তিনি বলতেন:
কত দীর্ঘ আর কষ্টদায়কই না ছিল হিজরতের সে রাত, তবুও তা আমাকে দারুল কুফর হতে মুক্তি দিয়েছে। (৪৩৯৩, ২৫৩২, ২৫৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৩)
কত দীর্ঘ আর কষ্টদায়কই না ছিল হিজরতের সে রাত, তবুও তা আমাকে দারুল কুফর হতে মুক্তি দিয়েছে। (৪৩৯৩, ২৫৩২, ২৫৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৩)
হাদিস নং: ২৫৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد الله بن سعيد حدثنا ابو اسامة حدثنا اسماعيل عن قيس عن ابي هريرة قال لما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم قلت في الطريق
يا ليلة من طولهـا وعناىهــا على انها من دارة الكفر نجت
قال وابق مني غلام لي في الطريق قال فلما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بايعته فبينا انا عنده اذ طلع الغلام فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ابا هريرة هذا غلامك فقلت هو حر لوجه الله فاعتقته
قال ابو عبد الله لم يقل ابو كريب عن ابي اسامة حر
يا ليلة من طولهـا وعناىهــا على انها من دارة الكفر نجت
قال وابق مني غلام لي في الطريق قال فلما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بايعته فبينا انا عنده اذ طلع الغلام فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ابا هريرة هذا غلامك فقلت هو حر لوجه الله فاعتقته
قال ابو عبد الله لم يقل ابو كريب عن ابي اسامة حر
২৫৩১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবীজীর খিদমতে আগমনকালে আমি পথে পথে (কবিতা) বলতামঃ হিজরতের সে রাত কত না দীর্ঘ আর কষ্টদায়ক ছিল- তবুও তা আমাকে দারুল কুফর হতে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, পথে আমার এক ক্রীতদাস পালিয়ে গিয়েছিল। যখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে এসে তাঁর (হাতে) বায়‘আত হলাম। আমি তাঁর খিদমাতেই ছিলাম, এ সময় ক্রীতদাসটি এসে হাযির হল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ হুরাইরাহ! এই যে, তোমার ক্রীতদাস! আমি বললাম, সে আল্লাহর ওয়াস্তে আযাদ। এই বলে তাকে মুক্ত করে দিলাম।
আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহ.) বলেন, আবূ কুরাইব (রহ.) আবূ উসামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে حُرٌّ শব্দ বলেননি। (২৫৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৪)
আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহ.) বলেন, আবূ কুরাইব (রহ.) আবূ উসামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে حُرٌّ শব্দ বলেননি। (২৫৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৪)
হাদিস নং: ২৫৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا شهاب بن عباد حدثنا ابراهيم بن حميد عن اسماعيل عن قيس قال لما اقبل ابو هريرة ومعه غلامه وهو يطلب الاسلام فضل احدهما صاحبه بهذا وقال اما اني اشهدك انه لله
২৫৩২. কাইস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) তাঁর ক্রীতদাসকে সাথে করে ইসলামের উদ্দেশে (মদিনা) আগমনকালে পথিমধ্যে তারা একে অপরকে হারিয়ে ফেললেন এবং তিনি (আবূ হুরাইরাহ) বললেন, শুনুন! আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে আল্লাহর জন্য। (২৫৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৫)
হাদিস নং: ২৫৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني عروة بن الزبير ان عاىشة قالت ان عتبة بن ابي وقاص عهد الى اخيه سعد بن ابي وقاص ان يقبض اليه ابن وليدة زمعة قال عتبة انه ابني فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم زمن الفتح اخذ سعد ابن وليدة زمعة فاقبل به الى رسول الله واقبل معه بعبد بن زمعة فقال سعد يا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذا ابن اخي عهد الي انه ابنه فقال عبد بن زمعة يا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذا اخي ابن وليدة زمعة ولد على فراشه فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم الى ابن وليدة زمعة فاذا هو اشبه الناس به فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة من اجل انه ولد على فراش ابيه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم احتجبي منه يا سودة بنت زمعة مما راى من شبهه بعتبة وكانت سودة زوج النبي صلى الله عليه وسلم
قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ تَلِدَ الأَمَةُ رَبَّهَا
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, কিয়ামতের একটি আলামত এই যে, বাঁদী তার মুনিবকে প্রসব করবে।
২৫৩৩. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস আপন ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে ওসীয়্যাত করেছিলেন, তিনি যেন যাম‘আর দাসীর গর্ভজাত পুত্রকে গ্রহণ করেন (কারণ স্বরূপ) ‘উতবাহ বলেছিলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পুত্র। মক্কা বিজয়কালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় তাশরীফ আনলেন; তখন সা‘দ যাম‘আর দাসীর পুত্রকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে আসলেন এবং তার সাথে আব্দ ইবনু যাম‘আকে নিয়ে আসলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার ভাই, যাম‘আর পুত্র। তার শয্যাতেই এ জন্ম নিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন যাম‘আর দাসীর পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন, উতবার সাথেই তার (আদলের) সর্বাধিক মিল। তবু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আব্দ ইবনু যাম‘আ! এ তোমারই (ভাই), কেননা এ তার (আব্দ ইবনু যাম‘আর) শয্যাতে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে সাওদা বিনতে যাম‘আ! তুমি এ হতে পর্দা করবে। কেননা, তিনি উতবার সাথেই তার (চেহারার) মিল দেখতে পেয়েছিলেন। সাওদা ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী। (২০৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, কিয়ামতের একটি আলামত এই যে, বাঁদী তার মুনিবকে প্রসব করবে।
২৫৩৩. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস আপন ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে ওসীয়্যাত করেছিলেন, তিনি যেন যাম‘আর দাসীর গর্ভজাত পুত্রকে গ্রহণ করেন (কারণ স্বরূপ) ‘উতবাহ বলেছিলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পুত্র। মক্কা বিজয়কালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় তাশরীফ আনলেন; তখন সা‘দ যাম‘আর দাসীর পুত্রকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে আসলেন এবং তার সাথে আব্দ ইবনু যাম‘আকে নিয়ে আসলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার ভাই, যাম‘আর পুত্র। তার শয্যাতেই এ জন্ম নিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন যাম‘আর দাসীর পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন, উতবার সাথেই তার (আদলের) সর্বাধিক মিল। তবু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আব্দ ইবনু যাম‘আ! এ তোমারই (ভাই), কেননা এ তার (আব্দ ইবনু যাম‘আর) শয্যাতে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে সাওদা বিনতে যাম‘আ! তুমি এ হতে পর্দা করবে। কেননা, তিনি উতবার সাথেই তার (চেহারার) মিল দেখতে পেয়েছিলেন। সাওদা ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী। (২০৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৬)
হাদিস নং: ২৫৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم بن ابي اياس حدثنا شعبة حدثنا عمرو بن دينار سمعت جابر بن عبد الله قال اعتق رجل منا عبدا له عن دبر فدعا النبي صلى الله عليه وسلم به فباعه قال جابر مات الغلام عام اول
২৫৩৪. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কোন একজন তার এক ক্রীতদাসকে মুদাববার (মনিবের মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস মুক্ত বলে ঘোষিত হয়) রূপে মুক্ত ঘোষণা করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ক্রীতদাসকে ডেকে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, ক্রীতদাসটি সে বছরই মারা গিয়েছিল। (২১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৭)
হাদিস নং: ২৫৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة قال اخبرني عبد الله بن دينار سمعت ابن عمر يقول نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته
২৫৩৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন। (৬৭৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৮)
হাদিস নং: ২৫৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة حدثنا جرير عن منصور عن ابراهيم عن الاسود عن عاىشة قالت اشتريت بريرة فاشترط اهلها ولاءها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال اعتقيها فان الولاء لمن اعطى الورق فاعتقتها فدعاها النبي صلى الله عليه وسلم فخيرها من زوجها فقالت لو اعطاني كذا وكذا ما ثبت عنده فاختارت نفسها
২৫৩৬. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাকে আমি (আযাদ করার নিয়্যতে) খরিদ করলাম, তখন তার (পূর্বতন) মালিক অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করল। প্রসঙ্গটি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তাকে মুক্ত করে দাও। অভিভাবকত্ব সেই লাভ করবে, যে অর্থ ব্যয় করবে। তখন আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দিলেন। বারীরা (রাঃ) বললেন, যদি সে আমাকে এত এত সম্পদও দেয় তবু আমি তার কাছে থাকব না। অবশেষে তিনি তার ইখতিয়ার প্রয়োগ করলেন। (৪৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৯)