হাদিস নং: ১০২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم، قال حدثنا ابن ابي ذىب، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يوم خرج يستسقي قال فحول الى الناس ظهره، واستقبل القبلة يدعو، ثم حول رداءه، ثم صلى لنا ركعتين جهر فيهما بالقراءة.
১০২৫. ‘আববাদ ইবনু তামীম (রহ.) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন বৃষ্টির দু‘আর উদ্দেশে বের হয়েছিলেন, আমি তা দেখেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি লোকদের দিকে তাঁর পিঠ ফিরালেন এবং কিবলামুখী হয়ে দু‘আ করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর চাদর উল্টে দিলেন। আমাদের নিয়ে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। তিনি উভয় রাক‘আতে সশব্দে কিরাআত পাঠ করেন। (১০০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৯)
হাদিস নং: ১০২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا سفيان، عن عبد الله بن ابي بكر، عن عباد بن تميم، عن عمه، ان النبي صلى الله عليه وسلم استسقى فصلى ركعتين، وقلب رداءه.
১০২৬. ‘আববাদ ইবনু তামীম (রহ.) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন। অতঃপর তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন এবং চাদর উল্টিয়ে নিলেন। (১০০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭০)
হাদিস নং: ১০২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا سفيان، عن عبد الله بن ابي بكر، سمع عباد بن تميم، عن عمه، قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم الى المصلى يستسقي، واستقبل القبلة فصلى ركعتين، وقلب رداءه. قال سفيان فاخبرني المسعودي عن ابي بكر قال جعل اليمين على الشمال.
১০২৭. ‘আববাদ ইবনু তামীম (রহ.) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিস্কার জন্য ঈদগাহর ময়দানে গমন করেন। তিনি কিব্লামুখী হলেন, অতঃপর দু‘রাক‘আত সালাত আদায় করলেন এবং তাঁর চাদর উল্টিয়ে নিলেন। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, আবূ বকর (রাযি.) হতে মাস‘ঊদ (রাযি.) আমাদের বলেছেন, তিনি (চাদর পাল্টানোর ব্যাপারে) বলেন, ডান পাশ বাঁ পাশে দিলেন। (১০০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭১)
হাদিস নং: ১০২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد، قال اخبرنا عبد الوهاب، قال حدثنا يحيى بن سعيد، قال اخبرني ابو بكر بن محمد، ان عباد بن تميم، اخبره ان عبد الله بن زيد الانصاري اخبره ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج الى المصلى يصلي، وانه لما دعا ـ او اراد ان يدعو ـ استقبل القبلة وحول رداءه. قال ابو عبد الله ابن زيد هذا مازني، والاول كوفي هو ابن يزيد.
১০২৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের জন্য ঈদগাহের উদ্দেশে বের হলেন। তিনি যখন দু‘আ করলেন অথবা দু‘আ করার ইচ্ছা করলেন তখন কিবলামুখী হলেন এবং তাঁর চাদর উল্টিয়ে নিলেন। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, এ (হাদীসের বর্ণনাকারী) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ মাযিন গোত্রীয়। পূর্বের হাদীসের বর্ণনাকারী হলেন কুফী এবং তিনি ইবনু ইয়াযীদ। (১০০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭২)
হাদিস নং: ১০২৯
সহিহ (Sahih)
قال ايوب بن سليمان حدثني ابو بكر بن ابي اويس، عن سليمان بن بلال، قال يحيى بن سعيد سمعت انس بن مالك، قال اتى رجل اعرابي من اهل البدو الى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة فقال يا رسول الله، هلكت الماشية هلك العيال هلك الناس. فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه يدعو، ورفع الناس ايديهم معه يدعون، قال فما خرجنا من المسجد حتى مطرنا، فما زلنا نمطر حتى كانت الجمعة الاخرى، فاتى الرجل الى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله، بشق المسافر، ومنع الطريق.
১০২৯. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন জুমু‘আহ’র দিন রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! (অনাবৃষ্টিতে) পশুগুলো মরে যাচ্ছে, পরিবার-পরিজন মারা যাচ্ছে, মানুষ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আর জন্য দু’হাত উঠালেন। লোকজনও দু‘আর জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে হাত উঠিয়ে দু‘আ করতে লাগলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা মাসজিদ হতে বের হবার পূর্বেই বৃষ্টি আরম্ভ হয়ে গেল, এমন কি পরবর্তী জুমু‘আ পর্যন্ত আমাদের উপর বৃষ্টি হতে থাকল। তখন লোকটি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! মুসাফির ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে, রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। بَشِقَ -এর অর্থ ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। (৯৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৩)
হাদিস নং: ১০৩০
সহিহ (Sahih)
وقال الاويسي حدثني محمد بن جعفر عن يحيى بن سعيد وشريك سمعا انسا عن النبي صلى الله عليه وسلم انه رفع يديه حتى رايت بياض ابطيه.
১০৩০. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উভয় হাত উঠিয়েছিলেন, এমন কি আমরা তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেয়েছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৩ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১০৩১
সহিহ (Sahih)
محمد بن بشار حدثنا يحيى وابن ابي عدي عن سعيد عن قتادة عن انس بن مالك قال كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يرفع يديه في شيء من دعاىه الا في الاستسقاء وانه يرفع حتى يرى بياض ابطيه.
১০৩১. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিস্কা ছাড়া অন্য কোথাও দু‘আর মধ্যে হাত উঠাতেন না। তিনি হাত এতটুকু উপরে উঠাতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। (৩৫৬৫, ৬৩৪১ মুসলিম ৯/১, হাঃ ৮৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৪)
হাদিস নং: ১০৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد ـ هو ابن مقاتل ابو الحسن المروزي ـ قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا عبيد الله، عن نافع، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا راى المطر قال " صيبا نافعا ". تابعه القاسم بن يحيى عن عبيد الله. ورواه الاوزاعي وعقيل عن نافع.
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ )كَصَيِّبٍ( الْمَطَرُ وَقَالَ غَيْرُهُ صَابَ وَأَصَابَ يَصُوبُ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। কুরআনের আয়াত كَصَيِّبٍঅর্থ বৃষ্টি (সূরাহ আল-বাকারাহ ১৯)। অন্যরা বলেছেন كَصَيِّبٍ শব্দটি صَابَ وَأَصَابَ يَصُوبُ এর মূল ধাতু হতে উৎপন্ন।
১০৩২. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি দেখলে বলতেন, হে আল্লাহ্! মুষলধারায় কল্যাণকর বৃষ্টি দাও। ক্বাসিম ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহ.) ‘উবাইদুল্লাহর সূত্রে তার বর্ণনায় ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন এবং ‘উকায়ল ও আওযায়ী (রহ.) নাফি‘ (রহ.) হতে তা বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। কুরআনের আয়াত كَصَيِّبٍঅর্থ বৃষ্টি (সূরাহ আল-বাকারাহ ১৯)। অন্যরা বলেছেন كَصَيِّبٍ শব্দটি صَابَ وَأَصَابَ يَصُوبُ এর মূল ধাতু হতে উৎপন্ন।
১০৩২. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি দেখলে বলতেন, হে আল্লাহ্! মুষলধারায় কল্যাণকর বৃষ্টি দাও। ক্বাসিম ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহ.) ‘উবাইদুল্লাহর সূত্রে তার বর্ণনায় ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন এবং ‘উকায়ল ও আওযায়ী (রহ.) নাফি‘ (রহ.) হতে তা বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৫)
হাদিস নং: ১০৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن مقاتل، قال اخبرنا عبد الله بن المبارك، قال اخبرنا الاوزاعي، قال حدثنا اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة الانصاري، قال حدثني انس بن مالك، قال اصابت الناس سنة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فبينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب على المنبر يوم الجمعة قام اعرابي فقال يا رسول الله، هلك المال وجاع العيال، فادع الله لنا ان يسقينا. قال فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، وما في السماء قزعة، قال فثار سحاب امثال الجبال، ثم لم ينزل عن منبره حتى رايت المطر يتحادر على لحيته، قال فمطرنا يومنا ذلك، وفي الغد ومن بعد الغد والذي يليه الى الجمعة الاخرى، فقام ذلك الاعرابي او رجل غيره فقال يا رسول الله، تهدم البناء وغرق المال، فادع الله لنا. فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه وقال " اللهم حوالينا ولا علينا ". قال فما جعل يشير بيده الى ناحية من السماء الا تفرجت حتى صارت المدينة في مثل الجوبة، حتى سال الوادي ـ وادي قناة ـ شهرا. قال فلم يجى احد من ناحية الا حدث بالجود.
১০৩৩. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে একবার লোকেরা অনাবৃষ্টিতে পতিত হল। সে সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার মিম্বারে দাঁড়িয়ে জুমু‘আহ’র খুৎবা দিচ্ছিলেন। তখন এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! (অনাবৃষ্টিতে) ধন-সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পরিবার-পরিজন ক্ষুধার্ত। আপনি আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন, তিনি যেন আমাদের বৃষ্টি দান করেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দু’ হাত তুললেন। সে সময় আকাশে একখন্ড মেঘও ছিল না। বর্ণনাকারী বলেন, হঠাৎ পাহাড়ের মত বহু মেঘ একত্রিত হল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বার হতে নামার আগেই বৃষ্টি শুরু হলো। এমনকি আমি দেখলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দাড়ি বেয়ে বৃষ্টির পানি ঝরছে। বর্ণনাকারী আরো বলেন, সেদিন, তার পরের দিন, তার পরের দিন এবং পরবর্তী জুমু‘আহ পর্যন্ত বৃষ্টি হল। অতঃপর সে বেদুঈন বা অন্য কেউ দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে গেল, সম্পদ ডুবে গেল, আপনি আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য দু‘আ করুন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাঁর দু‘হাত তুলে বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের আশে পাশে, আমাদের উপর নয়। অতঃপর তিনি হাত দিয়ে আকাশের যে দিকে ইশারা করলেন, সে দিকের মেঘ কেটে গেল। এতে সমগ্র মাদ্বীনার আকাশ মেঘ মুক্ত চালের মত হয়ে গেল এবং কানাত উপত্যকায় এক মাস ধরে বৃষ্টি প্রবাহিত হতে থাকে। বর্ণনাকারী বলেন, তখন যে এলাকা হতে লোক আসত, কেবল এ প্রবল বর্ষণের কথাই বলাবলি করত। (৯৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৬)
হাদিস নং: ১০৩৪
সহিহ (Sahih)
سعيد بن ابي مريم قال اخبرنا محمد بن جعفر قال اخبرني حميد انه سمع انس بن مالك يقول كانت الريح الشديدة اذا هبت عرف ذلك في وجه النبي صلى الله عليه وسلم .
১০৩৪. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন প্রবল গতিতে বায়ু প্রবাহিত হত তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারায় তার প্রতিক্রিয়া দেখা দিত। (ভয়ের চিহ্ন দেখা দিত)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৭)
হাদিস নং: ১০৩৫
সহিহ (Sahih)
مسلم قال حدثنا شعبة عن الحكم عن مجاهد عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم قال نصرت بالصبا واهلكت عاد بالدبور.
১০৩৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমাকে পূর্বের হাওয়া দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। আর আদ জাতিকে পশ্চিমা হাওয়া দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। (৩২০৫, ৩৩৪৩, ৩১০৫; মুসলিম ৯/৪, হাঃ ৯০০, আহমাদ ১৯৫৫, ২০১৩, ২৯৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৮)
হাদিস নং: ১০৩৬
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان قال اخبرنا شعيب قال اخبرنا ابو الزناد عن عبد الرحمن الاعرج عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تقوم الساعة حتى يقبض العلم وتكثر الزلازل ويتقارب الزمان وتظهر الفتن ويكثر الهرج وهو القتل القتل حتى يكثر فيكم المال فيفيض.
১০৩৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজ খুন-খারাবী। তোমাদের ধন-সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে। (৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৯)
হাদিস নং: ১০৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا حسين بن الحسن، قال حدثنا ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، قال اللهم بارك لنا في شامنا وفي يمننا. قال قالوا وفي نجدنا قال قال اللهم بارك لنا في شامنا وفي يمننا. قال قالوا وفي نجدنا قال قال هناك الزلازل والفتن، وبها يطلع قرن الشيطان.
১০৩৭. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে আল্লাহ্! আমাদের শামে (সিরিয়া) ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের শামদেশে ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা তখন বলল, আমাদের নজদেও। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ সেখানে তো রয়েছে ভূমিকম্প ও ফিতনা-ফাসাদ আর শয়তানের শিং সেখান হতেই বের হবে (তার উত্থান ঘটবে)। (৬০৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮০)
হাদিস নং: ১০৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل، حدثني مالك، عن صالح بن كيسان، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن زيد بن خالد الجهني، انه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح بالحديبية على اثر سماء كانت من الليلة، فلما انصرف النبي صلى الله عليه وسلم اقبل على الناس فقال " هل تدرون ماذا قال ربكم ". قالوا الله ورسوله اعلم. قال " اصبح من عبادي مومن بي وكافر، فاما من قال مطرنا بفضل الله ورحمته. فذلك مومن بي كافر بالكوكب، واما من قال بنوء كذا وكذا. فذلك كافر بي مومن بالكوكب ".
قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ شُكْرَكُمْ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, ‘রিযক’ দ্বারা এখানে ‘কৃতজ্ঞতা’ বুঝানো হয়েছে।
১০৩৮. যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে বৃষ্টিপাতের পরে আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়ায় ফজরের সালাত আদায় করেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরিয়ে লোকদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কি জান, তোমাদের রব কী বলেছেন? তাঁরা বললেন, আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি তখন বললেন, (আল্লাহ্ বলেছেন) আমার কিছু সংখ্যক বান্দা বিশ্বাসী এবং অবিশ্বাসী হয়ে গেল। যে ব্যক্তি বলে, আল্লাহর ফযল ও রহমতে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে, সে আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে ব্যক্তি বলে, অমুক অমুক নক্ষত্র উদয়ের ফলে (বৃষ্টি হয়েছে) সে ব্যক্তি আমার প্রতি অবিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী। (৮৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮১)
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, ‘রিযক’ দ্বারা এখানে ‘কৃতজ্ঞতা’ বুঝানো হয়েছে।
১০৩৮. যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে বৃষ্টিপাতের পরে আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়ায় ফজরের সালাত আদায় করেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরিয়ে লোকদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কি জান, তোমাদের রব কী বলেছেন? তাঁরা বললেন, আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি তখন বললেন, (আল্লাহ্ বলেছেন) আমার কিছু সংখ্যক বান্দা বিশ্বাসী এবং অবিশ্বাসী হয়ে গেল। যে ব্যক্তি বলে, আল্লাহর ফযল ও রহমতে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে, সে আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে ব্যক্তি বলে, অমুক অমুক নক্ষত্র উদয়ের ফলে (বৃষ্টি হয়েছে) সে ব্যক্তি আমার প্রতি অবিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী। (৮৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮১)
হাদিস নং: ১০৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف، قال حدثنا سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مفتاح الغيب خمس لا يعلمها الا الله لا يعلم احد ما يكون في غد، ولا يعلم احد ما يكون في الارحام، ولا تعلم نفس ماذا تكسب غدا، وما تدري نفس باى ارض تموت، وما يدري احد متى يجيء المطر ".
وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خَمْسٌ لاَ يَعْلَمُهُنَّ إِلاَّ اللَّهُ.
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, পাঁচটি এমন বিষয় রয়েছে, যে সম্পর্কে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না।
১০৩৯. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গায়বের চাবি হল পাঁচটি, যা আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না।
(১) কেউ জানে না যে, আগামীকাল কী ঘটবে।
(২) কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী অর্জন করবে।
(৩) কেউ জানে না যে, মায়ের গর্ভে কী আছে।
(৪) কেউ জানে না যে, সে কোথায় মারা যাবে।
(৫) কেউ জানে না যে, কখন বৃষ্টি হবে। (৪৬২৭, ৪৬৯৭, ৪৭৭৮, ৭৩৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, পাঁচটি এমন বিষয় রয়েছে, যে সম্পর্কে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না।
১০৩৯. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গায়বের চাবি হল পাঁচটি, যা আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না।
(১) কেউ জানে না যে, আগামীকাল কী ঘটবে।
(২) কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী অর্জন করবে।
(৩) কেউ জানে না যে, মায়ের গর্ভে কী আছে।
(৪) কেউ জানে না যে, সে কোথায় মারা যাবে।
(৫) কেউ জানে না যে, কখন বৃষ্টি হবে। (৪৬২৭, ৪৬৯৭, ৪৭৭৮, ৭৩৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৮২)