অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

২৫/১. হজ্জ ফরয হওয়া ও এর ফযীলত
মোট ২৬০ টি হাদিস
হাদিস নং: ১৬১৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا خالد بن عبد الله حدثنا خالد الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس قال طاف النبي صلى الله عليه وسلم بالبيت على بعير كلما اتى الركن اشار اليه بشيء كان عنده وكبر
تابعه ابراهيم بن طهمان عن خالد الحذاء
১৬১৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পিঠে আরোহণ করে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন, যখনই তিন হাজরে আসওয়াদের কাছে আসতেন তখনই কোন কিছুর দ্বারা তার দিকে ইঙ্গিত করতেন এবং তাকবীর বলতেন। [1] (১৬০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৪)

ইব্রাহীম ইবনু তাহমান (রহ.) খালিদ হায্যা (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় তার (খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ) অনুসরণ করেছেন।
নোট: [1] হাজারে আসওয়াদকে যদি হাত দ্বারা বা ছড়ি দ্বারা স্পর্শ করা সম্ভব না হয়, তবে কেবলমাত্র হাজারে আসওয়াদের প্রতি নিজ হাতে ইশারা করে ‘‘আল্লাহু আকবার’’ বলবে। কিন্তু ইশারাকৃত হাত চুম্বন করবে না। (আধুনিক প্রকাশনী প্রকাশিত বুখারী ২য় খন্ড ১০৪ পৃষ্ঠার টীকায় হাত চুম্বন করার কথা বলা হয়েছে যা হাদীস সম্মত নয়, দ্রষ্টব্য বুখারী হাদীস ১৫০৭-১৫০৮)
হাদিস নং: ১৬১৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا اصبغ عن ابن وهب اخبرني عمرو عن محمد بن عبد الرحمن ذكرت لعروة قال فاخبرتني عاىشة ان اول شيء بدا به حين قدم النبي صلى الله عليه وسلم انه توضا ثم طاف ثم لم تكن عمرة ثم حج ابو بكر وعمر مثله ثم حججت مع ابي الزبير فاول شيء بدا به الطواف ثم رايت المهاجرين والانصار يفعلونه وقد اخبرتني امي انها اهلت هي واختها والزبير وفلان وفلان بعمرة فلما مسحوا الركن حلوا
১৬১৪-১৬১৫. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সর্বপ্রথম উযূ করে তাওয়াফ সম্পন্ন করেন। (রাবী) ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এই তাওয়াফটি ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। (তিনি আরো বলেন) অতঃপর আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ) অনুরূপভাবে হাজ্জ করেছেন। এরপর আমার পিতা যুবাইর (রাঃ)-এর সাথে আমি হাজ্জ করেছি তাতেও দেখেছি যে, সর্বপ্রথম তিনি তাওয়াফ করেছেন। এরপর মুহাজির, আনসার সকল সাহাবা (রাঃ)-কে এরূপ করতে দেখেছি। আমার মা আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি, তাঁর বোন এবং যুবাইর ও অমুক অমুক ব্যক্তি ‘উমরাহ’র ইহরাম বেঁধেছেন, যখন তাঁরা তাওয়াফ সমাধা করেছেন, হালাল হয়ে গেছেন। (১৬১৪=১৬৪১) (১৬১৫=১৬৪২, ১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৫)
হাদিস নং: ১৬১৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا اصبغ عن ابن وهب اخبرني عمرو عن محمد بن عبد الرحمن ذكرت لعروة قال فاخبرتني عاىشة ان اول شيء بدا به حين قدم النبي صلى الله عليه وسلم انه توضا ثم طاف ثم لم تكن عمرة ثم حج ابو بكر وعمر مثله ثم حججت مع ابي الزبير فاول شيء بدا به الطواف ثم رايت المهاجرين والانصار يفعلونه وقد اخبرتني امي انها اهلت هي واختها والزبير وفلان وفلان بعمرة فلما مسحوا الركن حلوا
১৬১৪-১৬১৫. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সর্বপ্রথম উযূ করে তাওয়াফ সম্পন্ন করেন। (রাবী) ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এই তাওয়াফটি ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। (তিনি আরো বলেন) অতঃপর আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ) অনুরূপভাবে হাজ্জ করেছেন। এরপর আমার পিতা যুবাইর (রাঃ)-এর সাথে আমি হাজ্জ করেছি তাতেও দেখেছি যে, সর্বপ্রথম তিনি তাওয়াফ করেছেন। এরপর মুহাজির, আনসার সকল সাহাবা (রাঃ)-কে এরূপ করতে দেখেছি। আমার মা আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি, তাঁর বোন এবং যুবাইর ও অমুক অমুক ব্যক্তি ‘উমরাহ’র ইহরাম বেঁধেছেন, যখন তাঁরা তাওয়াফ সমাধা করেছেন, হালাল হয়ে গেছেন। (১৬১৪=১৬৪১) (১৬১৫=১৬৪২, ১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৫)
হাদিস নং: ১৬১৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا ابو ضمرة انس حدثنا موسى بن عقبة عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا طاف في الحج او العمرة اول ما يقدم سعى ثلاثة اطواف ومشى اربعة ثم سجد سجدتين ثم يطوف بين الصفا والمروة
১৬১৬. ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে হাজ্জ বা ‘উমরাহ উভয় অবস্থায় সর্বপ্রথম যে তাওয়াফ করতেন, তার প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন এবং পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলতেন। তাওয়াফ শেষে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে সাফা ও মারওয়ায় সা‘ঈ করতেন। (১৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৬)
হাদিস নং: ১৬১৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا انس بن عياض عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا طاف بالبيت الطواف الاول يخب ثلاثة اطواف ويمشي اربعة وانه كان يسعى بطن المسيل اذا طاف بين الصفا والمروة
১৬১৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল্লাহ পৌঁছে প্রথম তাওয়াফ করার সময় প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন এবং পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে চলতেন। সাফা ও মারওয়ায় সা‘ঈ করার সময় উভয় টিলার মধ্যবর্তী নিচু স্থানটুকু দ্রুতগতিতে চলতেন। (১৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৭)
হাদিস নং: ১৬১৮ সহিহ (Sahih)
و قال لي عمرو بن علي حدثنا ابو عاصم قال ابن جريج اخبرنا قال اخبرني عطاء اذ منع ابن هشام النساء الطواف مع الرجال قال كيف يمنعهن وقد طاف نساء النبي صلى الله عليه وسلم مع الرجال قلت ابعد الحجاب او قبل قال اي لعمري لقد ادركته بعد الحجاب قلت كيف يخالطن الرجال قال لم يكن يخالطن كانت عاىشة تطوف حجرة من الرجال لا تخالطهم فقالت امراة انطلقي نستلم يا ام المومنين قالت انطلقي عنك وابت يخرجن متنكرات بالليل فيطفن مع الرجال ولكنهن كن اذا دخلن البيت قمن حتى يدخلن واخرج الرجال وكنت اتي عاىشة انا وعبيد بن عمير وهي مجاورة في جوف ثبير قلت وما حجابها قال هي في قبة تركية لها غشاء وما بيننا وبينها غير ذلك ورايت عليها درعا موردا
১৬১৮. [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] আমাকে ‘আমর ইবনু ‘আলী (রহ.) ..... থেকে ইবনু জুরাইজ (রহ.) বর্ণনা করেন যে, ‘আত্বা (রহ.) বলেছেন, ইবনু হিশাম (রহ.) যখন মহিলাদের পুরুষের সঙ্গে তাওয়াফ করতে নিষেধ করেন, তখন ‘আত্বা (রহ.) তাঁকে বললেন, আপনি তাদের কী করে নিষেধ করেছেন, অথচ নবী সহধর্মিণীগণ পুরুষদের সঙ্গে তাওয়াফ করেছেন? [ইবনু জুরাইজ (রহ.) বলেন] আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, তা কি পর্দার আয়াত নাযিল হওয়ার পরে, না পূর্বে? তিনি [‘আত্বা (রহ.)] বললেন, হাঁ, আমার জীবনের কসম, আমি পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পরের কথাই বলছি। আমি জানতে চাইলাম পুরুষগণ মহিলাদের সাথে মিলে কিভাবে তাওয়াফ করতেন? তিনি বললেন, পুরুষগণ মহিলাগণের সাথে মিশে তাওয়াফ করতেন না। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বরং পুরুষদের পাশ কাটিয়ে তাওয়াফ করতেন, তাদের মাঝে মিশে যেতেন না। এক মহিলা ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে বললেন চলুন, হে উম্মুল ‘মু’মিনীন! আমরা তওয়াফ করে আসি। তিনি বললেন, ‘‘তোমার মনে চাইলে তুমি যাও’’ আর তিনি যেতে অস্বীকার করলেন। তাঁরা রাতের বেলা পর্দা করে বের হয়ে (সম্পূর্ণ না মিশে) পুরুষদের পাশাপাশি থেকে তাওয়াফ করতেন। উম্মুল মু’মিনীনগণ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতে চাইলে সকল পুরুষ বের করে না দেয়া পর্যন্ত তারা দাঁড়িয়ে থাকতেন। ‘আত্বা (রহ.) বলেন, ‘উবাইদ ইবনু ‘উমাইর এবং আমি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর কাছে গেলাম, তিনি তখন ‘সবীর’ পর্বতে অবস্থান করছিলেন। [ইবনু জুরাইজ (রহ.) বলেন] আমি বললাম, তখন তিনি কি দিয়ে পর্দা করছিলেন? ‘আত্বা (রহ.) বললেন, তখন তিনি পর্দা ঝুলান তুর্কী তাঁবুতে ছিলেন, এছাড়া তাঁর ও আমাদের মাঝে অন্য কোন কিছু ছিল না। (অকস্মাৎ দৃষ্টি পড়ায়) আমি তাঁর গায়ে গোলাপী রং-এর চাদর দেখতে পেলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ ১০২৪)
হাদিস নং: ১৬১৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل حدثنا مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة بن الزبير عن زينب بنت ابي سلمة عن ام سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت شكوت الى رسول الله اني اشتكي فقال طوفي من وراء الناس وانت راكبة فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم حينىذ يصلي الى جنب البيت وهو يقرا (والطور وكتاب مسطور)
১৬১৯. নবী সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অসুস্থতার কথা জানালে তিনি বললেনঃ বাহনে আরোহণ করে মানুষের পেছনে পেছনে থেকে তাওয়াফ কর। আমি মানুষের পেছনে পেছনে থেকে তাওয়াফ করছিলাম, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরের পার্শ্বে সালাত আদায় করছিলেন এবং এতি তিনি (وَالطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ) এই (সূরাটি) তিলাওয়াত করেছিলেন। (৪৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৮)
হাদিস নং: ১৬২০ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى حدثنا هشام ان ابن جريج اخبرهم قال اخبرني سليمان الاحول ان طاوسا اخبره عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم مر وهو يطوف بالكعبة بانسان ربط يده الى انسان بسير او بخيط او بشيء غير ذلك فقطعه النبي بيده ثم قال قده بيده
১৬২০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, সে চামড়ার ফিতা বা সূতা অথবা অন্য কিছু দ্বারা আপন হাত অপর এক ব্যক্তির সাথে বেঁধে দিয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে তাঁর বাঁধন ছিন্ন করে দিয়ে বললেনঃ হাত ধরে টেনে নাও। (১৬২১, ৬৭০২, ৬৭০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১৯)
হাদিস নং: ১৬২১ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج عن سليمان الاحول عن طاوس عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم راى رجلا يطوف بالكعبة بزمام او غيره فقطعه
১৬২১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কা‘বা ঘর তাওয়াফ করতে দেখতে পেলেন এ অবস্থায় যে, চাবুকের ফিতা বা অন্য কিছু দিয়ে (তাকে টেনে নেয়া হচ্ছে)। তখন তিনি তা বিছিন্ন করে দিলেন। (১৬২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২০)
হাদিস নং: ১৬২২ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث قال يونس قال ابن شهاب حدثني حميد بن عبد الرحمن ان ابا هريرة اخبره ان ابا بكر الصديق بعثه في الحجة التي امره عليها رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل حجة الوداع يوم النحر في رهط يوذن في الناس الا لا يحج بعد العام مشرك ولا يطوف بالبيت عريان
১৬২২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের পূর্বে যে হাজ্জে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাঃ)-কে আমীর নিযুক্ত করেন, সে হাজ্জে কুরবানীর দিন [আবূ বাকার (রাঃ)] আমাকে একদল লোকের সঙ্গে পাঠালেন, যারা লোকদের কাছে ঘোষণা করবে যে, এ বছরের পর হতে কোন মুশরিক হাজ্জ করবে না এবং উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে না। (৩৬৯, মুসলিম ১৫/৭৭, হাঃ ১৩৪৭, আহমাদ ৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২১)
হাদিস নং: ১৬২৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن عمرو سالنا ابن عمرايقع الرجل على امراته في العمرة قبل ان يطوف بين الصفا والمروة قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا ثم صلى خلف المقام ركعتين وطاف بين الصفا والمروة وقال (لقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة)
25/68 بَاب إِذَا وَقَفَ فِي الطَّوَافِ

২৫/৬৮. অধ্যায় : তাওয়াফ আরম্ভ করার পর থেমে গেলে।

وَقَالَ عَطَاءٌ فِيمَنْ يَطُوفُ فَتُقَامُ الصَّلاَةُ أَوْ يُدْفَعُ عَنْ مَكَانِهِ إِذَا سَلَّمَ يَرْجِعُ إِلَى حَيْثُ قُطِعَ عَلَيْهِ فَيَبْنِي وَيُذْكَرُ نَحْوُهُ عَنْ ابْنِ عُمَرَ وَعَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ

’আত্বা (রহ.) বলেন, কেউ তাওয়াফ করার সময় সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হলে অথবা কাউকে তার স্থান হতে হটিয়ে দেয়া হলে সালামের পর ঐ স্থান হতে তাওয়াফ আবার শুরু করবে যেখান হতে তা বন্ধ হয়েছিল। ইবনু ’উমার ও ’আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকার (রাঃ) হতেও অনুরূপ উল্লেখ রয়েছে।

وَقَالَ نَافِعٌ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يُصَلِّي لِكُلِّ سُبُوعٍ رَكْعَتَيْنِ وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ قُلْتُ لِلزُّهْرِيِّ إِنَّ عَطَاءً يَقُولُ تُجْزِئُهُ الْمَكْتُوبَةُ مِنْ رَكْعَتَيْ الطَّوَافِ فَقَالَ السُّنَّةُ أَفْضَلُ لَمْ يَطُفْ النَّبِيُّ  سُبُوعًا قَطُّ إِلاَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ

নাফি’ (রহ.) বলেন, ইবনু ’উমার (রাঃ) প্রতি সাত চক্কর শেষে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। ইসমা’ঈল ইবনু উমাইয়া (রহ.) বলেন, আমি যুহরীকে বললাম, ’আত্বা (রহ.) বলেন, তাওয়াফের দু’ রাক’আতের ক্ষেত্রে ফরজ সালাত আদায় করে নিলে তা যথেষ্ট হবে। তখন যুহরী (রহ.) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর তরীকা অবলম্বন করাই উত্তম, যতবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওয়াফের সাত চক্কর পূর্ণ করেছেন, ততবার তার পর দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেছেন।


১৬২৩. ’আমর (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইবনু ’উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ’উমরাহকারীর জন্য সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে কি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সাত চক্করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাপ্ত করে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেন, অতঃপর সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করেন। এরপর ইবনু ’উমার (রাঃ) তিলাওয়াত করেন, ’’তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে’’- (আল-আহযাবঃ ২৩)। (৩৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২২)
হাদিস নং: ১৬২৪ সহিহ (Sahih)
قال وسالت جابر بن عبد الله فقال لا يقرب امراته حتى يطوف بين الصفا والمروة
১৬২৪. (রাবী) ‘আমর (রহ.) বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সাফা ও মারওয়া সা‘য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ নয়। (৩৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২২ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১৬২৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي بكر حدثنا فضيل حدثنا موسى بن عقبة اخبرني كريب عن عبد الله بن عباس قال قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة فطاف وسعى بين الصفا والمروة ولم يقرب الكعبة بعد طوافه بها حتى رجع من عرفة
১৬২৫. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সাত চক্করে তাওয়াফ করে সাফা ও মারওয়া সা‘ঈ করেন, এরপর (প্রথম) তাওয়াফের পরে ‘আরাফাহ হতে ফিরে আসার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহর নিকটবর্তী হননি। (তাওয়াফ করেননি)। (১৫৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৩)
হাদিস নং: ১৬২৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن محمد بن عبد الرحمن عن عروة عن زينب عن ام سلمة شكوت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم ح وحدثني محمد بن حرب حدثنا ابو مروان يحيى بن ابي زكرياء الغساني عن هشام عن عروة عن ام سلمة زوج النبي ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وهو بمكة واراد الخروج ولم تكن ام سلمة طافت بالبيت وارادت الخروج فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اقيمت صلاة الصبح فطوفي على بعيرك والناس يصلون ففعلت ذلك فلم تصل حتى خرجت
وَصَلَّى عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَارِجًا مِنْ الْحَرَمِ

‘উমার [ইবনু খাত্তাব (রাঃ)] দু’ রাক‘আত সালাত হারাম সীমানার বাইরে আদায় করেছেন।


১৬২৬. উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অসুস্থতার কথা জানালাম, অন্য সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু হারব (রহ.) ... নবী সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ হতে প্রস্থান করার ইচ্ছা করলে উম্মু সালামাহ (রাযি.)-ও মক্কা্ ত্যাগের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন, অথচ তিনি (অসুস্থতার কারণে) তখনও বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাঁকে বললেনঃ যখন ফজরের সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হবে আর লোকেরা সালাত আদায় করতে থাকবে, তখন তোমার উটে আরোহণ করে তুমি তাওয়াফ আদায় করে নিবে। তিনি তাই করলেন। এরপর (তাওয়াফের) সালাত আদায় করার পূর্বেই মক্কা্ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। (৪৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৪)

 
হাদিস নং: ১৬২৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا عمرو بن دينار قال سمعت ابن عمر يقول قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا وصلى خلف المقام ركعتين ثم خرج الى الصفا وقد قال الله تعالى : (لقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة)
১৬২৭. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সাত চক্করে (বাইতুল্লাহর) তাওয়াফ সম্পন্ন করে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সাফার দিকে বেরিয়ে গেলেন। [ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন] মহান আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ’’- (আল-আহযাবঃ ২৩)। (৩৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৫)
হাদিস নং: ১৬২৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن عمر البصري حدثنا يزيد بن زريع عن حبيب عن عطاء عن عروة عن عاىشة ان ناسا طافوا بالبيت بعد صلاة الصبح ثم قعدوا الى المذكر حتى اذا طلعت الشمس قاموا يصلون فقالت عاىشة قعدوا حتى اذا كانت الساعة التي تكره فيها الصلاة قاموا يصلون
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْ الطَّوَافِ مَا لَمْ تَطْلُعْ الشَّمْسُ وَطَافَ عُمَرُ بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ فَرَكِبَ حَتَّى صَلَّى الرَّكْعَتَيْنِ بِذِي طُوًى

ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূর্যোদয়ের পূর্বেই তাওয়াফের দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে নিতেন। (একদা) ‘উমার (রাঃ) ফজরের সালাতের পর তাওয়াফ করে বাহনে আরোহণ করেন এবং তাওয়াফের দু’রাক‘আত সালাত যু-তুওয়া (নামক স্থানে) পৌঁছে আদায় করেন।


১৬২৮. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, কিছু লোক ফজরের সালাতের পর বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করল। অতঃপর তারা নসীহতকারীর (নসীহত শোনার জন্য) বসে গেল। অবশেষে সূর্যোদয় হলে তারা দাঁড়িয়ে (তাওয়াফের) সালাত আদায় করল। তখন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেন, তারা বসে রইল আর যে সময়টিতে সালাত আদায় করা মাকরূহ তখন তারা সালাতে দাঁড়িয়ে গেল! (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৬)

 
হাদিস নং: ১৬২৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا ابو ضمرة حدثنا موسى بن عقبة عن نافع ان عبد الله قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عن الصلاة عند طلوع الشمس وعند غروبها
১৬২৯. ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি, তিনি সূর্যোদয়ের সময় এবং সূর্যাস্তের সময় সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। (৫৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৭)
হাদিস নং: ১৬৩০ সহিহ (Sahih)
حدثني الحسن بن محمد هو الزعفراني حدثنا عبيدة بن حميد حدثني عبد العزيز بن رفيع قال رايت عبد الله بن الزبير يطوف بعد الفجر ويصلي ركعتين
১৬৩০. ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু রূফাই‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে ফজরের সালাতের পর তাওয়াফ করতে এবং দু’রাক‘আত (তাওয়াফের) সালাত আদায় করতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৮)
হাদিস নং: ১৬৩১ সহিহ (Sahih)
قال عبد العزيز ورايت عبد الله بن الزبير يصلي ركعتين بعد العصر ويخبر ان عاىشة حدثته ان النبي صلى الله عليه وسلم لم يدخل بيتها الا صلاهما
১৬৩১. ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) আরও বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে ‘আসরের সালাতের পর দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতে দেখেছি এবং তিনি বলেছেন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) তাঁকে বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (‘আসরের সালাতের পরের) এই দু’রাক‘আত সালাত আদায় করা ব্যতীত তাঁর ঘরে প্রবেশ করতেন না। (৫৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৮ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১৬৩২ সহিহ (Sahih)
حدثني اسحاق الواسطي حدثنا خالد عن خالد الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف بالبيت وهو على بعير كلما اتى على الركن اشار اليه بشيء في يده وكبر
১৬৩২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পিঠে সওয়ার হয়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেন, যখনই তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে আসতেন তখন তাঁর হাতের বস্তু (লাঠি) দিয়ে তার দিকে ইঙ্গিত করতেন ও তাকবীর বলতেন। (১৬০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২৯)
অধ্যায় তালিকা