হাদিস নং: ১৮৬১
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عبد الواحد حدثنا حبيب بن ابي عمرة قال حدثتنا عاىشة بنت طلحة عن عاىشة ام المومنين قالت قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم الا نغزو ونجاهد معكم فقال لكن احسن الجهاد واجمله الحج حج مبرور فقالت عاىشة فلا ادع الحج بعد اذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم
১৮৬১. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনাদের সঙ্গে যুদ্ধ ও জিহাদে অংশগ্রহণ করব না? তিনি বললেন, তোমাদের জন্য উত্তম ও উৎকৃষ্ট জিহাদ হল হাজ্জ, মাকবূল হাজ্জ। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ কথা শোনার পর আমি আর কখনো হাজ্জ ছাড়ব না। (১৫২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৬)
হাদিস নং: ১৮৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عمرو عن ابي معبد مولى ابن عباس عن ابن عباس قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تسافر المراة الا مع ذي محرم ولا يدخل عليها رجل الا ومعها محرم فقال رجل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم اني اريد ان اخرج في جيش كذا وكذا وامراتي تريد الحج فقال اخرج معها
১৮৬২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ মেয়েরা মাহরাম (যার সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ) ব্যতীত অন্য কারো সাথে সফর করবে না। মাহরাম কাছে নেই এমতাবস্থায় কোন পুরুষ কোন মহিলার নিকট গমন করতে পারবে না। এ সময় এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি অমুক অমুক সেনাদলের সাথে জিহাদ করার জন্য যেতে চাচ্ছি। কিন্তু আমার স্ত্রী হাজ্জ করতে যেতে চাচ্ছে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তার সাথেই যাও। (৩০০৬, ৩০৬১, ৫৩৩৩, মুসলিম ১৫/৭৪, হাঃ ১৩৪১, আহমাদ ১৯৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৭ )
হাদিস নং: ১৮৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان اخبرنا يزيد بن زريع اخبرنا حبيب المعلم عن عطاء عن ابن عباس قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من حجته قال لام سنان الانصارية ما منعك من الحج قالت ابو فلان تعني زوجها كان له ناضحان حج على احدهما والاخر يسقي ارضا لنا قال فان عمرة في رمضان تقضي حجة او حجة معي رواه ابن جريج عن عطاء سمعت ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال عبيد الله عن عبد الكريم عن عطاء عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم
১৮৬৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ হতে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রাঃ) নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ হাজ্জ আদায় করাতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তিনি বললেন, অমুকের আববা অর্থাৎ তাঁর স্বামী, কারণ পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। একটিতে সাওয়ার হয়ে তিনি হাজ্জ আদায় করতে গিয়েছেন। আর অন্যটি আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, রমাযান মাসে একটি ‘উমরাহ আদায় করা একটি ফরজ হাজ্জ আদায় করার সমান অথবা বলেছেনঃ আমার সাথে একটি হাজ্জ আদায় করার সমান।
এ হাদীসটি ইবনু জুরাইজ ‘আতা থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। আর ওবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল কারীম থেকে তিনি ‘আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (১৭৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৮)
এ হাদীসটি ইবনু জুরাইজ ‘আতা থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। আর ওবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল কারীম থেকে তিনি ‘আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (১৭৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৮)
হাদিস নং: ১৮৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عبد الملك بن عمير عن قزعة مولى زياد قال سمعت ابا سعيد وقد غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتي عشرة غزوة قال اربع سمعتهن من رسول الله او قال يحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم فاعجبنني وانقنني ان لا تسافر امراة مسيرة يومين ليس معها زوجها او ذو محرم ولا صوم يومين الفطر والاضحى ولا صلاة بعد صلاتين بعد العصر حتى تغرب الشمس وبعد الصبح حتى تطلع الشمس ولا تشد الرحال الا الى ثلاثة مساجد مسجد الحرام ومسجدي ومسجد الاقصى
১৮৬৪. যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা‘আহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)-কে যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি (অথবা) তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করতেন। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়গুলো আমাকে আশ্চর্যান্বিত করে দিয়েছে এবং চমৎকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই), স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্র এবং ‘ঈদুল আযহা- এ দুই দিন কেউ সওম পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় পর্যন্ত কেউ কোন সালাত আদায় করবে না। আর মসজিদে হারাম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মসজিদে নাববী) এবং মসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না। (৫৮৬, মুসলিম ১৫/৭৪, হাঃ ১৩৪০, আহমাদ ১১৪৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৯ )
হাদিস নং: ১৮৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سلام اخبرنا الفزاري عن حميد الطويل قال حدثني ثابت عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم راى شيخا يهادى بين ابنيه قال ما بال هذا قالوا نذر ان يمشي قال ان الله عن تعذيب هذا نفسه لغني وامره ان يركب
১৮৬৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তার দুই ছেলের উপর ভর করে হেঁটে যেতে দেখে বললেনঃ তার কী হয়েছে? তারা বললেন, তিনি পায়ে হেঁটে হাজ্জ করার মানত করেছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকটি নিজেকে কষ্ট দিক আল্লাহ তা‘আলার এর কোন দরকার নেই। অতঃপর তিনি তাকে সওয়ার হয়ে চলার জন্য আদেশ করলেন। (৬৭০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪০ )
হাদিস নং: ১৮৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا هشام بن يوسف ان ابن جريج اخبرهم قال اخبرني سعيد بن ابي ايوب ان يزيد بن ابي حبيب اخبره ان ابا الخير حدثه عن عقبة بن عامر قال نذرت اختي ان تمشي الى بيت الله وامرتني ان استفتي لها النبي فاستفتيته فقال لتمش ولتركب قال وكان ابو الخير لا يفارق عقبة قال ابو عبد الله حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج عن يحيى بن ايوب عن يزيد عن ابي الخير عن عقبة فذكر الحديث
১৮৬৬. ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বোন পায়ে হেঁটে হাজ্জ করার মানত করেছিল। আমাকে এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ফাতাওয়া আনার নির্দেশ করলে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ পায়ে হেঁটেও চলুক, সওয়ারও হোক। ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব (রহ.) বলেন, আবুল খায়ের (রহ.) ‘উক্বাহ (রাঃ) হতে কখনো বিচ্ছিন্ন হতেন না। ‘উক্বাহ (রাঃ) হতেও এ হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আবূ আসিম আমাদের ইবনু জুরাইজের বরাতে তিনি ইয়াহইয়াহ বিন আইউব থেকে তিনি ইয়াযিদ বিন আবুল খায়ের থেকে তিনি ‘উক্বাহ থেকে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪১ ও ১৭৪২)