হাদিস নং: ১৮৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن سلام اخبرنا الفزاري عن حميد الطويل عن انس قال اراد بنو سلمة ان يتحولوا الى قرب المسجد فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم ان تعرى المدينة وقال يا بني سلمة الا تحتسبون اثاركم فاقاموا
১৮৮৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনূ সালামাহ্ গোত্রের লোকেরা মসজিদে নববীর নিকটে চলে যাওয়ার সংকল্প করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদ্বীনাকে জনশূন্য করা অপছন্দ করলেন, তাই তিনি বললেনঃ হে বনূ সালামাহ্! মসজিদে নববীর দিকে তোমাদের হাঁটার সওয়াব কি তোমরা হিসাব কর না? এরপর তারা সেখানেই রয়ে গেলেন। (৬৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৩)
হাদিস নং: ১৮৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد عن يحيى عن عبيد الله بن عمر قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضي
১৮৮৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি হল জান্নাতের বাগানের একটি বাগান, আর আমার মিম্বরটি হল আমার হাউয (কাউসার)-এর উপর অবস্থিত। (১১৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৪)
হাদিস নং: ১৮৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد بن اسماعيل حدثنا ابو اسامة عن هشام عن ابيه عن عاىشة قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك ابو بكر وبلال فكان ابو بكر اذا اخذته الحمى يقول
كل امرى مصبح في اهلـــه والموت ادنى من شراك نعلــه
وكان بلال اذا اقلع عنه الحمى يرفع عقيرته يقول :
الا ليت شعري هل ابيتن ليلة بواد وحولي اذخـر وجليـل
وهل اردن يوما مياه مجنـة وهل يبدون لي شامة وطفيل
قال اللهم العن شيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة وامية بن خلف كما اخرجونا من ارضنا الى ارض الوباء ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم حبب الينا المدينة كحبنا مكة او اشد اللهم بارك لنا في صاعنا وفي مدنا وصححها لنا وانقل حماها الى الجحفة قالت وقدمنا المدينة وهي اوبا ارض الله قالت فكان بطحان يجري نجلا تعني ماء اجنا
كل امرى مصبح في اهلـــه والموت ادنى من شراك نعلــه
وكان بلال اذا اقلع عنه الحمى يرفع عقيرته يقول :
الا ليت شعري هل ابيتن ليلة بواد وحولي اذخـر وجليـل
وهل اردن يوما مياه مجنـة وهل يبدون لي شامة وطفيل
قال اللهم العن شيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة وامية بن خلف كما اخرجونا من ارضنا الى ارض الوباء ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم حبب الينا المدينة كحبنا مكة او اشد اللهم بارك لنا في صاعنا وفي مدنا وصححها لنا وانقل حماها الى الجحفة قالت وقدمنا المدينة وهي اوبا ارض الله قالت فكان بطحان يجري نجلا تعني ماء اجنا
১৮৮৯. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদ্বীনায় শুভাগমন করলে আবূ বাকার ও বিলাল (রাঃ) জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। আবূ বাকার (রাঃ) জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়লে তিনি এ কবিতাংশটি আবৃত্তি করতেন :
‘‘প্রত্যেকেই স্বীয় পরিবারের মাঝে দিনাতিপাত করছে,
অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতা অপেক্ষা সন্নিকটবর্তী।’’
আর বিলাল (রাঃ) জ্বর থেকে সেরে উঠলে উচ্চস্বরে এ কবিতাংশ আবৃত্তি করতেন?
‘‘হায়, আমি যদি কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে মক্কার প্রান্তরে একটি রাত কাটাতে পারতাম
আর আমার চারদিকে থাকত ইযখির এবং জালীল ঘাস।
মাজান্না ঝর্ণার পানি পানের সুযোগ কখনো হবে কি?
আমার জন্য শামা এবং ত্বফীল পাহাড় প্রকাশিত হবে কি?’’
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি শায়বা ইবনু রাবী‘আ, ‘উতবা ইবনু রাবী‘আ এবং উমায়্যাহ ইবনু খালফের প্রতি লা‘নত বর্ষণ কর; যেমনিভাবে তারা আমাদেরকে আমাদের মাতৃভূমি হতে বের করে মহামারীর দেশে ঠেলে দিয়েছে। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! মদিনাকে আমাদের নিকট মক্কার মত বা তার চেয়েও বেশি প্রিয় করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের সা‘ ও মুদে বরকত দান কর এবং মাদ্বীনাকে আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর বানিয়ে দাও। এর জ্বরের প্রকোপকে বা মহামারীকে জুহফায় স্থানান্তরিত করে দাও। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমরা যখন মদিনা এসেছিলাম তখন তা ছিল আল্লাহর যমীনে সর্বাপেক্ষা অধিক মহামারীর স্থান। তিনি আরো বলেন, সে সময় মাদ্বীনায় বুতহান নামক স্থানে একটি ঝর্ণা ছিল যেখান হতে বর্ণ ও বিকৃত স্বাদের পানি প্রবাহিত হত। (৯৩৯২৬, ৫৬৫৪, ৫৬৭৭, ৬৩৭২, মুসলিম ১৫/৮৬, হাঃ ১৩৭৬, আহমাদ ২৪৪১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৫)
‘‘প্রত্যেকেই স্বীয় পরিবারের মাঝে দিনাতিপাত করছে,
অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতা অপেক্ষা সন্নিকটবর্তী।’’
আর বিলাল (রাঃ) জ্বর থেকে সেরে উঠলে উচ্চস্বরে এ কবিতাংশ আবৃত্তি করতেন?
‘‘হায়, আমি যদি কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে মক্কার প্রান্তরে একটি রাত কাটাতে পারতাম
আর আমার চারদিকে থাকত ইযখির এবং জালীল ঘাস।
মাজান্না ঝর্ণার পানি পানের সুযোগ কখনো হবে কি?
আমার জন্য শামা এবং ত্বফীল পাহাড় প্রকাশিত হবে কি?’’
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি শায়বা ইবনু রাবী‘আ, ‘উতবা ইবনু রাবী‘আ এবং উমায়্যাহ ইবনু খালফের প্রতি লা‘নত বর্ষণ কর; যেমনিভাবে তারা আমাদেরকে আমাদের মাতৃভূমি হতে বের করে মহামারীর দেশে ঠেলে দিয়েছে। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! মদিনাকে আমাদের নিকট মক্কার মত বা তার চেয়েও বেশি প্রিয় করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের সা‘ ও মুদে বরকত দান কর এবং মাদ্বীনাকে আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর বানিয়ে দাও। এর জ্বরের প্রকোপকে বা মহামারীকে জুহফায় স্থানান্তরিত করে দাও। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমরা যখন মদিনা এসেছিলাম তখন তা ছিল আল্লাহর যমীনে সর্বাপেক্ষা অধিক মহামারীর স্থান। তিনি আরো বলেন, সে সময় মাদ্বীনায় বুতহান নামক স্থানে একটি ঝর্ণা ছিল যেখান হতে বর্ণ ও বিকৃত স্বাদের পানি প্রবাহিত হত। (৯৩৯২৬, ৫৬৫৪, ৫৬৭৭, ৬৩৭২, মুসলিম ১৫/৮৬, হাঃ ১৩৭৬, আহমাদ ২৪৪১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৫)
হাদিস নং: ১৮৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن خالد بن يزيد عن سعيد بن ابي هلال عن زيد بن اسلم عن ابيه عن عمر قال اللهم ارزقني شهادة في سبيلك واجعل موتي في بلد رسولك وقال ابن زريع عن روح بن القاسم عن زيد بن اسلم عن ابيه عن حفصة بنت عمر قالت سمعت عمر نحوه وقال هشام عن زيد عن ابيه عن حفصة سمعت عمر
১৮৯০. ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি এ বলে দু‘আ করতেন, হে আল্লাহ! আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত লাভের তাওফীক দান কর এবং আমার মৃত্যু তোমার রাসূলের শহরে প্রদান কর। ইবনু যুরাই’ (রহ.)....হাফসাহ্ বিনতু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। হিশাম (রহ.) বলেন, যায়দ তাঁর পিতার সূত্রে হাফসাহ (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে (উপরোক্ত কথা) বলতে শুনেছি। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, ‘রাওহ তাঁর মায়ের সূত্রে এরূপ বলেছেন।’’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৬)