অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৩৪/১. ক্রয়-বিক্রয়
মোট ১৯২ টি হাদিস
হাদিস নং: ২০৫৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا ابن ابي ذىب حدثنا سعيد المقبري عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ياتي على الناس زمان لا يبالي المرء ما اخذ منه امن الحلال ام من الحرام
২০৫৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন এক যুগ আসবে, যখন মানুষ পরোয়া করবে না যে, সে কোথা হতে সম্পদ উপার্জন করল, হালাল হতে না হারাম হতে। (২০৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩১)
হাদিস নং: ২০৬০ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج قال اخبرني عمرو بن دينار عن ابي المنهال قال كنت اتجر في الصرف فسالت زيد بن ارقم فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم ح
وحدثني الفضل بن يعقوب حدثنا الحجاج بن محمد قال ابن جريج اخبرني عمرو بن دينار وعامر بن مصعب انهما سمعا ابا المنهال يقول سالت البراء بن عازب وزيد بن ارقم عن الصرف فقالا كنا تاجرين على عهد رسول الله فسالنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصرف فقال ان كان يدا بيد فلا باس وان كان نساء فلا يصلح
وَقَوْلِهِ (رِجَالٌ لاَ تُلْهِيهِمْ تِجَارَةٌ وَلاَ بَيْعٌ عَنْ ذِكْرِ اللهِ) وَقَالَ قَتَادَةُ كَانَ الْقَوْمُ يَتَبَايَعُونَ وَيَتَّجِرُونَ وَلَكِنَّهُمْ إِذَا نَابَهُمْ حَقٌّ مِنْ حُقُوقِ اللهِ لَمْ تُلْهِهِمْ تِجَارَةٌ وَلاَ بَيْعٌ عَنْ ذِكْرِ اللهِ حَتَّى يُؤَدُّوهُ إِلَى اللهِ

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘সে সব লোক যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিক্র হতে বিরত রাখে না’’। (আন-নূর ৩৭)

কাতাদাহ (রহ.) বলেন, লোকেরা ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন এবং যখন তাদের সামনে আল্লাহর কোন হক এসে উপস্থিত হতো, তখন তাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ হতে বিরত রাখত না, যতক্ষণ না তারা আল্লাহর সমীপে তা আদায় করে দিতেন।


২০৬০-২০৬১. আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সোনা-রূপার ব্যবসা করতাম। এ সম্পর্কে আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফাযল ইবনু ই‘য়াকূব (রহ.) অন্য সনদে ..... আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু ‘আযিব ও যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা উভয়ে বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে ব্যবসায়ী ছিলাম। আমরা তাঁকে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি হাতে হাতে (নগদ) হয়, তবে কোন ক্ষতি নেই; আর যদি বাকী হয় তবে জায়িয নয়। (২০৬০=২১৮, ২৪৯৭, ৩৯৩৯) (২০৬১=২১৮১, ২৪৯৮, ৩৯৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩২)

 
হাদিস নং: ২০৬১ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج قال اخبرني عمرو بن دينار عن ابي المنهال قال كنت اتجر في الصرف فسالت زيد بن ارقم فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم ح
وحدثني الفضل بن يعقوب حدثنا الحجاج بن محمد قال ابن جريج اخبرني عمرو بن دينار وعامر بن مصعب انهما سمعا ابا المنهال يقول سالت البراء بن عازب وزيد بن ارقم عن الصرف فقالا كنا تاجرين على عهد رسول الله فسالنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصرف فقال ان كان يدا بيد فلا باس وان كان نساء فلا يصلح
২০৬০-২০৬১. আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সোনা-রূপার ব্যবসা করতাম। এ সম্পর্কে আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফাযল ইবনু ই‘য়াকূব (রহ.) অন্য সনদে ..... আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু ‘আযিব ও যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা উভয়ে বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে ব্যবসায়ী ছিলাম। আমরা তাঁকে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি হাতে হাতে (নগদ) হয়, তবে কোন ক্ষতি নেই; আর যদি বাকী হয় তবে জায়িয নয়। (২০৬০=২১৮, ২৪৯৭, ৩৯৩৯) (২০৬১=২১৮১, ২৪৯৮, ৩৯৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩২)
হাদিস নং: ২০৬২ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سلام اخبرنا مخلد بن يزيد اخبرنا ابن جريج قال اخبرني عطاء عن عبيد بن عمير ان ابا موسى الاشعري استاذن على عمر بن الخطاب فلم يوذن له وكانه كان مشغولا فرجع ابو موسى ففرغ عمر فقال الم اسمع صوت عبد الله بن قيس اىذنوا له قيل قد رجع فدعاه فقال كنا نومر بذلك فقال تاتيني على ذلك بالبينة فانطلق الى مجلس الانصار فسالهم فقالوا لا يشهد لك على هذا الا اصغرنا ابو سعيد الخدري فذهب بابي سعيد الخدري فقال عمر اخفي هذا علي من امر رسول الله صلى الله عليه وسلم الهاني الصفق بالاسواق يعني الخروج الى تجارة
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (فَانْتَشِرُوا فِي الأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللهِ)

মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর।’’ (জুমু‘আহ : ১০)


২০৬২. ‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমাইর (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয়নি; সম্ভবতঃ তিনি কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তাই আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে আসেন। পরে ‘উমার (রাঃ) পেরেশান হয়ে বললেন, আমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসার নাম)-এর আওয়াজ শুনতে পাইনি? তাঁকে আসতে বল। কেউ বলল, তিনি তো ফিরে চলে গেছেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে ডেকে পাঠালেন। তিনি (উপস্থিত হয়ে) বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাকে এর উপর সাক্ষী পেশ করতে হবে। আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গিয়ে আনসারদের এক মজলিসে পৌঁছে তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-ই সাক্ষ্য দেবে। তিনি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-কে নিয়ে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) (তার কাছ হতে সে হাদীসটি শুনে) বললেন, (কি আশ্চর্য) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশ কি আমার কাছ হতে গোপন রয়ে গেল? (আসল ব্যাপার হল) বাজারের ক্রয়-বিক্রয় অর্থাৎ ব্যবসায়ের জন্য বের হওয়া আমাকে বেখবর রেখেছে। (২২৪৫, ৭৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩৩)

 
হাদিস নং: ২০৬৩ সহিহ (Sahih)
وقال الليث حدثني جعفر بن ربيعة عن عبد الرحمن بن هرمز عن ابي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه ذكر رجلا من بني اسراىيل خرج الى البحر فقضى حاجته وساق الحديث حدثني عبد الله بن صالح قال حدثني الليث بهذا
وَقَالَ مَطَرٌ لاَ بَأْسَ بِهِ وَمَا ذَكَرَهُ اللهُ فِي الْقُرْآنِ إِلاَّ بِحَقٍّ ثُمَّ تَلاَ (وَتَرَى الْفُلْكَ مَوَاخِرَ فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ) وَالْفُلْكُ السُّفُنُ الْوَاحِدُ وَالْجَمْعُ سَوَاءٌ وَقَالَ مُجَاهِدٌ تَمْخَرُ السُّفُنُ الرِّيحَ وَلاَ تَمْخَرُ الرِّيحَ مِنْ السُّفُنِ إِلاَّ الْفُلْكُ الْعِظَامُ

মাত্বার (রহ.) বলেন, এতে কোন দোষ নেই এবং তা যথাযথ বলেই আল্লাহ কুরআনে এর উল্লেখ করেছেন। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘এবং তোমরা এতে নৌযানকে দেখতে পাও তার বুক চিরে চলাচল করে, যা এজন্য যে, তাঁর অনুগ্রহের অনুসন্ধান করতে পার’’- (ফাতির ১২)। আয়াতে উল্লেখিত ........ ‘আল-ফুলক’ শব্দের অর্থ নৌযান। একবচন ও বহুবচনে সমভাবে ব্যবহৃত হয়। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, নৌযান, বায়ু বিদীর্ণ করে চলে এবং নৌযানের মধ্যে বৃহৎ নৌযানই বায়ুতে বিদীর্ণ করে চলে।


২০৬৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তির আলোচনায় বলেন, সে নদীপথে বের হল এবং নিজের প্রয়োজন সেরে নিল। এরপর রাবী পুরা হাদীসটি বর্ণনা করেন। (১৪৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ-১০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১২৮৬)

 
হাদিস নং: ২০৬৪ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد قال حدثني محمد بن فضيل عن حصين عن سالم بن ابي الجعد عن جابر قال اقبلت عير ونحن نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم الجمعة فانفض الناس الا اثني عشر رجلا فنزلت هذه الاية (واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها وتركوك قاىما)
(وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا) وَقَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ (رِجَالٌ لاَ تُلْهِيهِمْ تِجَارَةٌ وَلاَ بَيْعٌ عَنْ ذِكْرِ اللهِ) وَقَالَ قَتَادَةُ كَانَ الْقَوْمُ يَتَّجِرُونَ وَلَكِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا نَابَهُمْ حَقٌّ مِنْ حُقُوقِ اللهِ لَمْ تُلْهِهِمْ تِجَارَةٌ وَلاَ بَيْعٌ عَنْ ذِكْرِ اللهِ حَتَّى يُؤَدُّوهُ إِلَى اللهِ

আল্লাহর বাণী- ‘‘যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল’’- (জুমুআহ ১১)। এবং তাঁর বাণীঃ ‘‘সে সব লোক, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিক্র হতে গাফিল রাখে না।’’ (আন্-নূরঃ ৩৭)

কাতাদাহ (রহ.) বলেন, সাহাবীগণ (রাঃ) ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন বটে, কিন্তু যখন তাঁদের সামনে আল্লাহর কোন হক এসে উপস্থিত হতো, যতক্ষণ না তাঁরা এ হক আল্লাহর সমীপে আদায় করে দিতেন, ততক্ষণ ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিকির হতে গাফিল করতে পারত না।


২০৬৪. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে জুমু‘আর দিন সালাত আদায় করছিলাম। এমন সময় এক বাণিজ্যিক কাফেলা এসে হাযির হয়, তখন বারোজন লোক ছাড়াই সকলেই সে কাফেলার দিকে ছুটে যান। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ ‘‘যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল’’- (সূরা জুমু‘আ ১১)। (৯৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ  ১৯৩৪)

 
হাদিস নং: ২০৬৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة حدثنا جرير عن منصور عن ابي واىل عن مسروق عن عاىشة قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا انفقت المراة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها اجرها بما انفقت ولزوجها بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم اجر بعض شيىا
২০৬৫. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী বলেছেন, যখন কোন মহিলা তার ঘরের খাদ্যসামগ্রী হতে ফাসাদের উদ্দেশ্য ব্যতীত খরচ করে তখন তার জন্য সাওয়াব রয়েছে তার খরচ করায়, তার স্বামীর জন্য সাওয়াব রয়েছে তার উপার্জনের এবং সংরক্ষণকারীর জন্যও অনুরূপ রয়েছে। তাদের কারো কারণে কারোর সাওয়াব কিছুই কমতি হবে না।  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩৫)
হাদিস নং: ২০৬৬ সহিহ (Sahih)
حدثني يحيى بن جعفر حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام قال سمعت ابا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا انفقت المراة من كسب زوجها عن غير امره فله نصف اجره
২০৬৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কোন মহিলা তার স্বামীর উপার্জন হতে তার অনুমতি ছাড়াই ব্যয় করবে, তখন তার জন্য অর্ধেক সাওয়াব রয়েছে। (৫১৯২, ৫১৯৫, ৫৩৬০)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩৬)
হাদিস নং: ২০৬৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي يعقوب الكرماني حدثنا حسان حدثنا يونس قال محمد هو الزهري عن انس بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من سره ان يبسط له في رزقه او ينسا له في اثره فليصل رحمه
২০৬৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার জীবিকা বৃদ্ধি হোক অথবা তাঁর মৃত্যুর পরে সুনাম থাকুক, তবে সে যেন আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ করে। (৫৯৮৬, মুসলিম ৪৫/৬, হাঃ ২৫৫৭)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩৭)
হাদিস নং: ২০৬৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا معلى بن اسد حدثنا عبد الواحد حدثنا الاعمش قال ذكرنا عند ابراهيم الرهن في السلم فقال حدثني الاسود عن عاىشة ان النبي صلى الله عليه وسلم اشترى طعاما من يهودي الى اجل ورهنه درعا من حديد
২০৬৮. আ’মাশ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাকীতে ক্রয়ের জন্য বন্ধক রাখা সম্পর্কে আমরা ইবরাহীম (রহ.)-এর কাছে আলোচনা করছিলাম। তখন তিনি বলেন, আসওয়াদ (রহ.) ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে আমার কাছে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ইয়াহূদীর নিকট হতে নির্দিষ্ট মেয়াদে মূল্য পরিশোধের শর্তে খাদ্য ক্রয় করেন এবং তার নিকট নিজের লোহার বর্ম বন্ধক রাখেন। (২০৯৬, ২২০০, ২২৫১, ২২৫২, ২৩৮৬, ২৫০৯, ২৫১৩, ২৯১৬, ১৪৬৭, মুসলিম ২২/২৩, হাঃ ১৬০৩)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩৮)
হাদিস নং: ২০৬৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسلم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن انس ح حدثني محمد بن عبد الله بن حوشب حدثنا اسباط ابو اليسع البصري حدثنا هشام الدستواىي عن قتادة عن انس انه مشى الى النبي صلى الله عليه وسلم بخبز شعير واهالة سنخة ولقد رهن النبي صلى الله عليه وسلم درعا له بالمدينة عند يهودي واخذ منه شعيرا لاهله ولقد سمعته يقول ما امسى عند ال محمد صاع بر ولا صاع حب وان عنده لتسع نسوة
২০৬৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার তিনি যবের আটা ও পুরোনা গন্ধযুক্ত চর্বি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হলেন। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, মদিনা্য় অবস্থান কালে তাঁর বর্ম জনৈক ইয়াহূদীর নিকট বন্ধক রেখে তিনি নিজ পরিবারের জন্য তার হতে যব খরিদ করেন। [রাবী কাতাদাহ (রহ.) বলেন] আমি তাঁকে [আনাস (রহ.)-কে] বলতে শুনেছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পরিবারের কাছে এক সা‘ পরিমাণ গম বা এক সা‘ পরিমাণ আটাও থাকত না, অথচ সে সময় তাঁর নয়জন সহধর্মিণী ছিলেন। (২৫০৮)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩৯)
হাদিস নং: ২০৭০ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله قال حدثني ابن وهب عن يونس عن ابن شهاب قال حدثني عروة بن الزبير ان عاىشة قالت لما استخلف ابو بكر الصديق قال لقد علم قومي ان حرفتي لم تكن تعجز عن مىونة اهلي وشغلت بامر المسلمين فسياكل ال ابي بكر من هذا المال ويحترف للمسلمين فيه
২০৭০. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে খলীফা বানানো হল, তখন তিনি বললেন, আমার জাতি জানে যে, আমার উপার্জন আমার পরিবারের ভরণ পোষণের জন্য অপর্যাপ্ত ছিল না। কিন্তু এখন আমি মুসলিম জনগণের কাজে সার্বক্ষণিক ব্যাপৃত হয়ে গেছি। অতএব আবূ বকরের পরিবার এই রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে খাদ্য গ্রহণ করবে এবং আবূ বকর (রাঃ) মুসলিম জনগণের সম্পদের তত্ত্বাবধান করবেন।  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪০)
হাদিস নং: ২০৭১ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد حدثنا عبد الله بن يزيد حدثنا سعيد قال حدثني ابو الاسود عن عروة قال قالت عاىشة كان اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عمال انفسهم وكان يكون لهم ارواح فقيل لهم لو اغتسلتم رواه همام عن هشام عن ابيه عن عاىشة
২০৭১. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবীগণ নিজেদের কাজ-কর্ম নিজেরা করতেন। ফলে তাদের শরীর হতে ঘামের গন্ধ বের হতো। সেজন্য তাদের বলা হল, যদি তোমরা গোসল করে নাও। হাম্মাম (রহ.) ......... ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (৯০৩)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪১)
হাদিস নং: ২০৭২ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا عيسى بن يونس عن ثور عن خالد بن معدان عن المقدام عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما اكل احد طعاما قط خيرا من ان ياكل من عمل يده وان نبي الله داود عليه السلام كان ياكل من عمل يده
২০৭২. মিকদাম (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য কখনো কেউ খায় না। আল্লাহর নবী দাঊদ (আঃ) নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪২)
হাদিস নং: ২০৭৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى حدثنا عبد الرزاق اخبرنا معمر عن همام بن منبه حدثنا ابو هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ان داود النبي عليه السلام كان لا ياكل الا من عمل يده
২০৭৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী দাঊদ (আঃ) নিজের হাতের উপার্জন হতেই খেতেন। (৩৪১৭, ৩৭১৩)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪৩)
হাদিস নং: ২০৭৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن ابي عبيد مولى عبد الرحمن بن عوف انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لان يحتطب احدكم حزمة على ظهره خير له من ان يسال احدا فيعطيه او يمنعه
২০৭৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো পক্ষে এক বোঝা লাকড়ী সংগ্রহ করে পিঠে বহন করে নেয়া কারো নিকট চাওয়ার চেয়ে উত্তম। কেউ দিতেও পারে, নাও দিতে পারে। (১৪৭০, মুসলিম ১২/৩৫, হাঃ ১০৪২, আহমাদ ৯৮৭৫)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪৪)
হাদিস নং: ২০৭৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى حدثنا وكيع حدثنا هشام بن عروة عن ابيه عن الزبير بن العوام قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لان ياخذ احدكم احبله
২০৭৫. যুবাইর ইবনু আওয়াম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো জন্য তার রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করতে বের হওয়া মানুষের নিকট তার ভিক্ষা করার চেয়ে উত্তম। আবূ নু‘আঈম (রহ.) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু সওয়াব ও ইবনু নুমাইর (রহ.) হিশাম (রহ.)-এর মাধ্যমে তার পিতা হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (১৪৭১)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪৫)
হাদিস নং: ২০৭৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عياش حدثنا ابو غسان محمد بن مطرف قال حدثني محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال رحم الله رجلا سمحا اذا باع واذا اشترى واذا اقتضى
২০৭৬. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি রহমত বর্ষণ করেন যে নম্রতার সাথে ক্রয়-বিক্রয় করে ও পাওনা ফিরিয়ে চায়।   (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪৬)
হাদিস নং: ২০৭৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا منصور ان ربعي بن حراش حدثه ان حذيفة حدثه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم تلقت الملاىكة روح رجل ممن كان قبلكم قالوا اعملت من الخير شيىا قال كنت امر فتياني ان ينظروا ويتجاوزوا عن الموسر قال قال فتجاوزوا عنه
قال ابو عبد الله وقال ابو مالك عن ربعي كنت ايسر على الموسر وانظر المعسر وتابعه شعبة عن عبد الملك عن ربعي وقال ابو عوانة عن عبد الملك عن ربعي انظر الموسر واتجاوز عن المعسر وقال نعيم بن ابي هند عن ربعي فاقبل من الموسر واتجاوز عن المعسر
২০৭৭. হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক ব্যক্তির রূহের সাথে ফেরেশতা সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি কোন নেক কাজ করেছ? লোকটি উত্তর দিল, আমি আমার কর্মচারীদের আদেশ করতাম যে, তারা যেন সচ্ছল ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় এবং তার উপর পীড়াপীড়ি না করে। রাবী বলেন, তিনি বলেছেন, ফেরেশতারাও তাঁকে ক্ষমা করে দেন।  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩২)

আবূ মালিক (রহ.) রিব্ঈ ইবনু হিরাশ (রহ.) সূত্রে বর্ণনা করেন, আমি সচ্ছল ব্যক্তির জন্য সহজ করতাম এবং অভাবগ্রস্তকে অবকাশ দিতাম। শু‘বাহ্ (রহ.) আবদুল মালিক (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেন। আবূ আওয়ানাহ (রহ.) আবদুল মালিক (রহ.) সূত্রে বর্ণনা করেন, আমি সচ্ছলকে অবকাশ দিতাম এবং অভাবগ্রস্তকে মাফ করে দিতাম এবং নু‘আইম ইবনু আবূ হিন্দ (রহ.) রিব্ঈ (রহ.) সূত্রে বলেন, আমি সচ্ছল ব্যক্তি হতে গ্রহণ করতাম এবং অভাবগ্রস্তকে ক্ষমা করে দিতাম। (২৩৯১, ৩৪৫১, মুসলিম ২২/৬, হাঃ ১৫৬০, আহমাদ ২৩৪৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ শেষাংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪৭)
হাদিস নং: ২০৭৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا هشام بن عمار حدثنا يحيى بن حمزة حدثنا الزبيدي عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله انه سمع ابا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كان تاجر يداين الناس فاذا راى معسرا قال لفتيانه تجاوزوا عنه لعل الله ان يتجاوز عنا فتجاوز الله عنه
২০৭৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যবসায়ী লোকদের ঋণ দিত। কোন অভাবগ্রস্তকে দেখলে সে তার কর্মচারীদের বলত, তাকে ক্ষমা করে দাও, হয়তো আল্লাহ তা‘আলা আমাদের ক্ষমা করে দিবেন। এর ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন। (৩৪৮০, মুসলিম ২২/৬, হাঃ ১৫৬২, আহমাদ ৭৫৮২)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪৮)
অধ্যায় তালিকা