হাদিস নং: ২১২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان اخبرنا جرير عن مغيرة عن الشعبي عن جابر قال توفي عبد الله بن عمرو بن حرام وعليه دين فاستعنت النبي صلى الله عليه وسلم على غرماىه ان يضعوا من دينه فطلب النبي صلى الله عليه وسلم اليهم فلم يفعلوا فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم اذهب فصنف تمرك اصنافا العجوة على حدة وعذق زيد على حدة ثم ارسل الي ففعلت ثم ارسلت الى النبي صلى الله عليه وسلم فجاء فجلس على اعلاه او في وسطه ثم قال كل للقوم فكلتهم حتى اوفيتهم الذي لهم وبقي تمري كانه لم ينقص منه شيء وقال فراس عن الشعبي حدثني جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم فما زال يكيل لهم حتى اداه وقال هشام عن وهب عن جابر قال النبي صلى الله عليه وسلم جذ له فاوف له
২১২৭. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (আমার পিতা) ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু হারাম (রাঃ) ঋণী অবস্থায় মারা যান। পাওনাদারেরা যেন তাঁর কিছু ঋণ ছেড়ে দেয়, এজন্য আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে সাহায্য চাইলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাছে কিছু ঋণ ছেড়ে দিতে বললে, তারা তা করল না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, যাও, তোমার প্রত্যেক ধরনের খেজুরকে আলাদা আলাদা করে রাখ, আজওয়া আলাদা এবং আযকা যায়দ আলাদা করে রাখ। পরে আমাকে খবর দিও। আমি [জাবির (রাঃ)] তা করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে খবর দিলাম। তিনি এসে খেজুরের (স্তুপ এর) উপরে বা তার মাঝখানে বসলেন। তারপর বললেন, পাওনাদারদের মেপে দাও। আমি তাদের মেপে দিতে লাগলাম, এমনকি তাদের পাওনা পুরোপুরি দিয়ে দিলাম। আর আমার খেজুর এরূপ থেকে গেল, যেন এ হতে কিছুই কমেনি।
ফিরাস (রহ.) শা‘বী (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এ পর্যন্ত মেপে দিতে থাকলেন যে, তাদের ঋণ পরিশোধ করে দিলেন। হিশাম (রহ.) ওহাব (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন গাছ থেকে খেজুর কেটে নাও এবং পুরোপুরি আদায় করে দাও। (২৩৯৫, ২৩৯৬, ২৪০৫, ২৬০১, ২৭০৯, ২৭৮১, ৩৫৮০, ৪০৫৩, ৬২৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৭৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৪)
ফিরাস (রহ.) শা‘বী (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এ পর্যন্ত মেপে দিতে থাকলেন যে, তাদের ঋণ পরিশোধ করে দিলেন। হিশাম (রহ.) ওহাব (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন গাছ থেকে খেজুর কেটে নাও এবং পুরোপুরি আদায় করে দাও। (২৩৯৫, ২৩৯৬, ২৪০৫, ২৬০১, ২৭০৯, ২৭৮১, ৩৫৮০, ৪০৫৩, ৬২৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৭৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৪)
হাদিস নং: ২১২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى حدثنا الوليد عن ثور عن خالد بن معدان عن المقدام بن معدي كرب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كيلوا طعامكم يبارك لكم
২১২৮. মিকদাম ইবনু মা‘দীকারিব (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা তোমাদের খাদ্য মেপে নিবে, তাতে তোমাদের জন্য বরকত হবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৫)
হাদিস নং: ২১২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى حدثنا وهيب حدثنا عمرو بن يحيى عن عباد بن تميم الانصاري عن عبد الله بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم ان ابراهيم حرم مكة ودعا لها وحرمت المدينة كما حرم ابراهيم مكة ودعوت لها في مدها وصاعها مثل ما دعا ابراهيم عليه السلام لمكة
فِيهِ عَائِشَةُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
এ প্রসঙ্গে ‘আয়িশাহ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণিত রয়েছে।
২১২৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইবরাহীম (আ.) মক্কা্কে হারাম ঘোষণা করেছেন ও তার জন্য দু‘আ করেছেন। আমি মদিনা্কে হারাম ঘোষণা করেছি, যেমন ইবরাহীম (আ.) মক্কা্কে হারাম ঘোষণা করেছেন এবং আমি মদিনার মুদ ও সা‘ এর জন্য দু‘আ করেছি। যেমন ইবরাহীম (আ.) মক্কার জন্য দু‘আ করেছিলেন। (মুসলিম ১৫/৮৫, হাঃ ১৩৬০, আহমাদ ১৬৪৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৬)
এ প্রসঙ্গে ‘আয়িশাহ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণিত রয়েছে।
২১২৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইবরাহীম (আ.) মক্কা্কে হারাম ঘোষণা করেছেন ও তার জন্য দু‘আ করেছেন। আমি মদিনা্কে হারাম ঘোষণা করেছি, যেমন ইবরাহীম (আ.) মক্কা্কে হারাম ঘোষণা করেছেন এবং আমি মদিনার মুদ ও সা‘ এর জন্য দু‘আ করেছি। যেমন ইবরাহীম (আ.) মক্কার জন্য দু‘আ করেছিলেন। (মুসলিম ১৫/৮৫, হাঃ ১৩৬০, আহমাদ ১৬৪৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৬)
হাদিস নং: ২১৩০
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن مسلمة عن مالك عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة عن انس بن مالك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اللهم بارك لهم في مكيالهم وبارك لهم في صاعهم ومدهم يعني اهل المدينة
২১৩০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইয়া আল্লাহ! আপনি তাদের মাপের পাত্রে বরকত দিন এবং তাদের সা‘ ও মুদ-এ বরকত দিন অর্থাৎ মদিনা্বাসীদের। (৬৪১৪, ৭৩৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৭)
হাদিস নং: ২১৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم اخبرنا الوليد بن مسلم عن الاوزاعي عن الزهري عن سالم عن ابيه قال رايت الذين يشترون الطعام مجازفة يضربون على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يبيعوه حتى يوووه الى رحالهم
২১৩১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যারা অনুমানে (না মেপে) খাদ্য ক্রয় করে নিজের স্থানে পৌঁছানোর আগেই তা বিক্রি করত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময়ে আমি দেখেছি যে, তাদেরকে মারা হতো। (২১২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৮)
হাদিস নং: ২১৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا وهيب عن ابن طاوس عن ابيه عن ابن عباس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان يبيع الرجل طعاما حتى يستوفيه قلت لابن عباس كيف ذاك قال ذاك دراهم بدراهم والطعام مرجا قال ابو عبد الله (مرجىون) موخرون
২১৩২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্য (ক্রয় করে) পুরোপুরি আয়ত্বে না এনে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। [রাবী তাউস (রহ.) বলেন,] আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এ কিভাবে হয়ে থাকে? তিনি বললেন, এ এভাবে হয়ে থাকে যে, দিরহাম এর বিনিময়ে আদান-প্রদান হয় অথচ পণ্যদ্রব্য অনুপস্থিত থাকে।
ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আয়াতে বর্ণিত(مُرْجَئُونَ) অর্থ যারা আল্লাহর নির্দেশ পালনে বিলম্বিত করে। (২১৩৫, মুসলিম ২১/৮, হাঃ ১৫২৫, আহমাদ ৩৩৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৯)
ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আয়াতে বর্ণিত(مُرْجَئُونَ) অর্থ যারা আল্লাহর নির্দেশ পালনে বিলম্বিত করে। (২১৩৫, মুসলিম ২১/৮, হাঃ ১৫২৫, আহমাদ ৩৩৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৯)
হাদিস নং: ২১৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثني ابو الوليد حدثنا شعبة حدثنا عبد الله بن دينار قال سمعت ابن عمر يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم من ابتاع طعاما فلا يبعه حتى يقبضه
২১৩৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, খাদ্য ক্রয় করে কেউ যেন তা হাতে আসার পূর্বে বিক্রি না করে। (২১২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০০)
হাদিস নং: ২১৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي حدثنا سفيان كان عمرو بن دينار يحدثه عن الزهري عن مالك بن اوس انه قال من عنده صرف فقال طلحة انا حتى يجيء خازننا من الغابة قال سفيان هو الذي حفظناه من الزهري ليس فيه زيادة فقال اخبرني مالك بن اوس بن الحدثان سمع عمر بن الخطاب يخبر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذهب بالذهب ربا الا هاء وهاء والبر بالبر ربا الا هاء وهاء والتمر بالتمر ربا الا هاء وهاء والشعير بالشعير ربا الا هاء وهاء
২১৩৪. মালিক ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ঘোষণা দিলেন যে, কে সারফ এর বেচা-কেনা (দিরহাম এর বিনিময়ে দ্বীনার এর বেচা-কেনা) করবে? তালহা (রাঃ) বললেন, আমি করব। অবশ্য আমার পক্ষের বিনিময় প্রদানে আমার হিসাবরক্ষক গা’বা (এলাকা) হতে ফিরে আসা পর্যন্ত দেরি হবে। (বর্ণনাকারী) সুফইয়ান (রহ.) বলেন, আমি যুহরী (রহ.) হতে এটুকু মনে রেখেছি, এর হতে বেশী নয়। এরপর যুহরী (রহ.) বলেন, মালিক ইবনু আওস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, নগদ হাতে হাতে বিনিময় ছাড়া সোনার বদলে সোনা বিক্রি, গমের বদলে গম বিক্রি, খেজুরের বদলে খেজুর বিক্রি, যবের বদলে যব বিক্রি করা সুদ হিসাবে গণ্য। (২১৭০, ২৭৭৪, মুসলিম ২২/১৫, হাঃ ১৫৮৬, আহমাদ ১৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০১)
হাদিস নং: ২১৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال الذي حفظناه من عمرو بن دينار سمع طاوسا يقول سمعت ابن عباس يقول اما الذي نهى عنه النبي صلى الله عليه وسلم فهو الطعام ان يباع حتى يقبض قال ابن عباس ولا احسب كل شيء الا مثله
২১৩৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিষেধ করেছেন, তা হল অধিকারে আনার পূর্বে খাদ্য বিক্রয় করা। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি মনে করি, প্রত্যেক পণ্যের ব্যাপারে অনুরূপ নির্দেশ প্রযোজ্য হবে। (২১৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০২)
হাদিস নং: ২১৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر ان النبي صلى الله عليه وسلم قال من ابتاع طعاما فلا يبعه حتى يستوفيه زاد اسماعيل من ابتاع طعاما فلا يبعه حتى يقبضه
২১৩৬. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, খাদ্য ক্রয় করে পুরোপুরি মেপে না নিয়ে। রাবী ‘ইসমাঈল (রহ.) আরো বলেন, খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করে নিজের অধিকারে না এনে কেউ যেন তা বিক্রি না করে। (২১২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৩)
হাদিস নং: ২১৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال اخبرني سالم بن عبد الله ان ابن عمر قال لقد رايت الناس في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يبتاعون جزافا يعني الطعام يضربون ان يبيعوه في مكانهم حتى يوووه الى رحالهم
২১৩৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময়ে দেখেছি যে, লোকেরা খাদ্য আনুমানিক পরিমাণের ভিত্তিতে বেচা-কেনা করত, পরে তা সেখানেই নিজেদের ঘরে তুলে নেয়ার আগেই বিক্রি করলে তাদেরকে শাস্তি দেয়া হতো। (২১২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৪)
হাদিস নং: ২১৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا فروة بن ابي المغراء اخبرنا علي بن مسهر عن هشام عن ابيه عن عاىشة قالت لقل يوم كان ياتي على النبي صلى الله عليه وسلم الا ياتي فيه بيت ابي بكر احد طرفي النهار فلما اذن له في الخروج الى المدينة لم يرعنا الا وقد اتانا ظهرا فخبر به ابو بكر فقال ما جاءنا النبي صلى الله عليه وسلم في هذه الساعة الا لامر حدث فلما دخل عليه قال لابي بكر اخرج من عندك قال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم انما هما ابنتاي يعني عاىشة واسماء قال اشعرت انه قد اذن لي في الخروج قال الصحبة يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الصحبة قال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان عندي ناقتين اعددتهما للخروج فخذ احداهما قال قد اخذتها بالثمن
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ مَا أَدْرَكَتْ الصَّفْقَةُ حَيًّا مَجْمُوعًا فَهُوَ مِنْ الْمُبْتَاعِ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, যদি বিক্রয়কালে পশু জীবিত ও যথাযথ অবস্থায় থাকে (এবং পরে তার কোন ক্ষতি হয়) তবে তা ক্রেতার মাল নষ্ট হয়েছে বলে গণ্য হবে।
২১৩৮. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন দিন খুব কমই গিয়েছে, যে দিন সকালে বা বিকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার পিতা) আবূ বকর (রাঃ)-এর ঘরে আসেননি। যখন তাঁকে (আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ হতে) মাদ্বীনার উদ্দেশে বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হল, তখন তিনি একদিন দুপুরের সময় আগমন করায় আমরা শঙ্কিত হয়ে পড়লাম। আবূ বকর (রাঃ)-কে এ সংবাদ জানানো হলে তিনি বলে উঠলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ কোন ঘটনার কারণেই অসময়ে আগমন করেছেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন তখন তিনি আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, যারা তোমার কাছে আছে তাদের সরিয়ে দাও। আবূ বকর (রাঃ) বললেন হে আল্লাহর রাসূল! এরা তো আমার দুই কন্যা ‘আয়িশাহ ও আসমা। তিনি বললেন, তুমি কি জানো আমাকে তো বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে? আপনার সফরসঙ্গী হওয়া আমার কাম্য হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি আমার সফরসঙ্গী হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে দু’টি উটনী রয়েছে, যা আমি হিজরতের জন্য প্রস্তুত রেখেছি। এর একটি আপনি গ্রহণ করুন। তিনি বললেন, আমি মূল্যের বিনিময়ে তা গ্রহণ করলাম। (৪৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৫)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, যদি বিক্রয়কালে পশু জীবিত ও যথাযথ অবস্থায় থাকে (এবং পরে তার কোন ক্ষতি হয়) তবে তা ক্রেতার মাল নষ্ট হয়েছে বলে গণ্য হবে।
২১৩৮. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন দিন খুব কমই গিয়েছে, যে দিন সকালে বা বিকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার পিতা) আবূ বকর (রাঃ)-এর ঘরে আসেননি। যখন তাঁকে (আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ হতে) মাদ্বীনার উদ্দেশে বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হল, তখন তিনি একদিন দুপুরের সময় আগমন করায় আমরা শঙ্কিত হয়ে পড়লাম। আবূ বকর (রাঃ)-কে এ সংবাদ জানানো হলে তিনি বলে উঠলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ কোন ঘটনার কারণেই অসময়ে আগমন করেছেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন তখন তিনি আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, যারা তোমার কাছে আছে তাদের সরিয়ে দাও। আবূ বকর (রাঃ) বললেন হে আল্লাহর রাসূল! এরা তো আমার দুই কন্যা ‘আয়িশাহ ও আসমা। তিনি বললেন, তুমি কি জানো আমাকে তো বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে? আপনার সফরসঙ্গী হওয়া আমার কাম্য হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি আমার সফরসঙ্গী হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে দু’টি উটনী রয়েছে, যা আমি হিজরতের জন্য প্রস্তুত রেখেছি। এর একটি আপনি গ্রহণ করুন। তিনি বললেন, আমি মূল্যের বিনিময়ে তা গ্রহণ করলাম। (৪৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৫)
হাদিস নং: ২১৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يبيع بعضكم على بيع اخيه
২১৩৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয় না করে। (২১৬৫, ৫১৫২, মুসলিম ১৬/৫, হাঃ ১৪১২, আহমাদ ৪৭২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৬)
হাদিস নং: ২১৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يبيع حاضر لباد ولا تناجشوا ولا يبيع الرجل على بيع اخيه ولا يخطب على خطبة اخيه ولا تسال المراة طلاق اختها لتكفا ما في اناىها
২১৪০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রামবাসীর পক্ষে শহরবাসী কর্তৃক বিক্রয় করা হতে নিষেধ করেছেন এবং তোমরা প্রতারণামূলক দালালী করবে না। কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয় না করে। [1] কেউ যেন তার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। কোন মহিলা যেন তার বোনের (সতীনের) তালাকের দাবী না করে, যাতে সে তার পাত্রে যা কিছু আছে, তা নিজেই নিয়ে নেয়। (অর্থাৎ বর্তমান স্ত্রীর হক নষ্ট করে নিজে তা ভোগ করার জন্য) (২১৪৮, ২১৫০, ২১৫১, ২১৬০, ২১৬২, ২৭২৩, ২৭২৭, ৫১৪৪, ৫১৫২, ৬৬০১, মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৫১৫, আহমাদ ৯৫২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৭)
নোট: [1] শহরবাসী যেন গ্রাম্য লোককে ঠকিয়ে দেয়ার উদ্দেশে গ্রাম্য লোকের পক্ষে পণ্য বিক্রয় না করে। নিজের প্রাপ্য অংশ বৃদ্ধি করে অধিক সুখ সুবিধা ভোগ করার উদ্দেশে কোন নারী যেন তার সতীনকে তালাক দেয়ার জন্য স্বামীকে উদ্বুদ্ধ না করে।
হাদিস নং: ২১৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا الحسين المكتب عن عطاء بن ابي رباح عن جابر بن عبد الله ان رجلا اعتق غلاما له عن دبر فاحتاج فاخذه النبي صلى الله عليه وسلم فقال من يشتريه مني فاشتراه نعيم بن عبد الله بكذا وكذا فدفعه اليه
وَقَالَ عَطَاءٌ أَدْرَكْتُ النَّاسَ لاَ يَرَوْنَ بَأْسًا بِبَيْعِ الْمَغَانِمِ فِيمَنْ يَزِيدُ
আতা (রহ.) বলেন, আমি লোকেদের (সাহাবায়ে কিরামকে) দেখেছি যে, তারা গনীমতের মাল অধিক মূল্য দানকারীর কাছে বিক্রি করাতে দোষ মনে করতেন না।
২১৪১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর পরে তার গোলাম আযাদ হবে বলে ঘোষণা দিল। তারপর সে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোলামটিকে নিয়ে নিলেন এবং বললেন, কে একে আমার নিকট হতে ক্রয় করবে? নু‘আঈম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) (তাঁর কাছ হতে) সেটি এত এত মূল্যে ক্রয় করলেন। তিনি গোলামটি তার হাওয়ালা করে দিলেন। (২২৩০, ২২৩১, ২৪০৩, ২৫১৫, ২৫৩৪, ২৭১৬, ২৯৪৭, ৭১৮৬, মুসলিম ১২/১৩, হাঃ ৯৯৭, আহমাদ ১৪২৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৮)
আতা (রহ.) বলেন, আমি লোকেদের (সাহাবায়ে কিরামকে) দেখেছি যে, তারা গনীমতের মাল অধিক মূল্য দানকারীর কাছে বিক্রি করাতে দোষ মনে করতেন না।
২১৪১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর পরে তার গোলাম আযাদ হবে বলে ঘোষণা দিল। তারপর সে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোলামটিকে নিয়ে নিলেন এবং বললেন, কে একে আমার নিকট হতে ক্রয় করবে? নু‘আঈম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) (তাঁর কাছ হতে) সেটি এত এত মূল্যে ক্রয় করলেন। তিনি গোলামটি তার হাওয়ালা করে দিলেন। (২২৩০, ২২৩১, ২৪০৩, ২৫১৫, ২৫৩৪, ২৭১৬, ২৯৪৭, ৭১৮৬, মুসলিম ১২/১৩, হাঃ ৯৯৭, আহমাদ ১৪২৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৮)
হাদিস নং: ২১৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النجش
وَقَالَ ابْنُ أَبِي أَوْفَى النَّاجِشُ آكِلُ رِبًا خَائِنٌ وَهُوَ خِدَاعٌ بَاطِلٌ لاَ يَحِلُّ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْخَدِيعَةُ فِي النَّارِ وَمَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) বলেন, দালাল হলো সুদখোর, খিয়ানতকারী। আর দালালী হল প্রতারণা, যা বাতিল ও অবৈধ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতারণার ঠিকানা জাহান্নাম। যে এরূপ ‘আমল করে যা আমাদের শরী‘আতের পরিপন্থী; তা পরিত্যাজ্য।
২১৪২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতারণামূলক দালালী হতে নিষেধ করেছেন। (৬৯৬৩, মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৯)
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) বলেন, দালাল হলো সুদখোর, খিয়ানতকারী। আর দালালী হল প্রতারণা, যা বাতিল ও অবৈধ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতারণার ঠিকানা জাহান্নাম। যে এরূপ ‘আমল করে যা আমাদের শরী‘আতের পরিপন্থী; তা পরিত্যাজ্য।
২১৪২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতারণামূলক দালালী হতে নিষেধ করেছেন। (৬৯৬৩, মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৯)
হাদিস নং: ২১৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع حبل الحبلة وكان بيعا يتبايعه اهل الجاهلية كان الرجل يبتاع الجزور الى ان تنتج الناقة ثم تنتج التي في بطنها
২১৪৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থিত বাচ্চার গর্ভের প্রসবের মেয়াদের উপর বিক্রি নিষেধ করেছেন। এ এক ধরনের বিক্রয়, যা জাহিলিয়াতের যুগে প্রচলিত ছিল। কেউ এ শর্তে উটনী ক্রয় করত যে, এই উটনীটি প্রসব করবে পরে ঐ শাবক তার গর্ভ প্রসব করার পর তার মূল্য দেয়া হবে। (২২৫৬, ৩৮৪৩, মুসলিম ২১/৩, হাঃ ১৫১৪, আহমাদ ৫৫১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১০)
হাদিস নং: ২১৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني عامر بن سعد ان ابا سعيد اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المنابذة وهي طرح الرجل ثوبه بالبيع الى الرجل قبل ان يقلبه او ينظر اليه ونهى عن الملامسة والملامسة لمس الثوب لا ينظر اليه
وَقَالَ أَنَسٌ نَهَى عَنْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বেচা-কেনা হতে নিষেধ করেছেন।
২১৪৪. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল, বিক্রয়ের উদ্দেশে ক্রেতা কাপড়টি উল্টানো পাল্টানো অথবা দেখে নেয়ার আগেই বিক্রেতা কর্তৃক তা ক্রেতার দিকে নিক্ষেপ করা। আর তিনি মুলামাসা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় করতেও নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল কাপড়টি না দেখে স্পর্শ করা (এতেই বেচা-কেনা সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হতো)। (৩৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১১)
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বেচা-কেনা হতে নিষেধ করেছেন।
২১৪৪. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল, বিক্রয়ের উদ্দেশে ক্রেতা কাপড়টি উল্টানো পাল্টানো অথবা দেখে নেয়ার আগেই বিক্রেতা কর্তৃক তা ক্রেতার দিকে নিক্ষেপ করা। আর তিনি মুলামাসা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় করতেও নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল কাপড়টি না দেখে স্পর্শ করা (এতেই বেচা-কেনা সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হতো)। (৩৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১১)
হাদিস নং: ২১৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا عبد الوهاب حدثنا ايوب عن محمد عن ابي هريرة قال نهي عن لبستين ان يحتبي الرجل في الثوب الواحد ثم يرفعه على منكبه وعن بيعتين اللماس والنباذ
২১৪৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দুই ধরনের পোশাক পরিধান করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। তা হলো একটি কাপড় শরীরে জড়িয়ে তার এক পার্শ্ব কাঁধের উপর তুলে দেয়া এবং দুই ধরনের বেচা-কেনা হতে নিষেধ করা হয়েছে; স্পর্শের এবং নিক্ষেপের বেচা-কেনা। (৩৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১২)
হাদিস নং: ২১৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن محمد بن يحيى بن حبان وعن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الملامسة والمنابذة
وَقَالَ أَنَسٌ نَهَى عَنْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন।
২১৪৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পর্শ ও নিক্ষেপের পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (৩৩৬৮, মুসলিম ২১/১, হাঃ ১৫১১, আহমাদ ৪৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১০৩)
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন।
২১৪৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পর্শ ও নিক্ষেপের পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (৩৩৬৮, মুসলিম ২১/১, হাঃ ১৫১১, আহমাদ ৪৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১০৩)