হাদিস নং: ১৫৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن محمد المكي، قال حدثنا عمرو بن يحيى بن سعيد بن عمرو المكي، عن جده، عن ابي هريرة، قال اتبعت النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وخرج لحاجته، فكان لا يلتفت فدنوت منه فقال " ابغني احجارا استنفض بها ـ او نحوه ـ ولا تاتني بعظم ولا روث ". فاتيته باحجار بطرف ثيابي فوضعتها الى جنبه واعرضت عنه، فلما قضى اتبعه بهن.
১৫৫. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হলে আমি তাঁর অনুসরণ করলাম। আর তিনি এদিক-ওদিক চাইতেন না। যখন আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম তখন তিনি আমাকে বললেনঃ ‘আমাকে কিছু পাথর কুড়িয়ে দাও, আমি তা দিয়ে শৌচকার্য সারব’ (বর্ণনাকারী বলেন), বা এ ধরনের কোন কথা বললেন, আর আমার জন্য হাড্ডি বা গোবর আনবে না।’ তখন আমি আমার কাপড়ের কোচায় করে কয়েকটি পাথর এনে তাঁর পাশে রেখে আমি তাঁর নিকট হতে সরে গেলাম। তিনি প্রয়োজন মিটিয়ে সেগুলো কাজে লাগালেন। (৩৮৬০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৭)
হাদিস নং: ১৫৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا زهير، عن ابي اسحاق، قال ليس ابو عبيدة ذكره ولكن عبد الرحمن بن الاسود عن ابيه، انه سمع عبد الله، يقول اتى النبي صلى الله عليه وسلم الغاىط، فامرني ان اتيه بثلاثة احجار، فوجدت حجرين، والتمست الثالث فلم اجده، فاخذت روثة، فاتيته بها، فاخذ الحجرين والقى الروثة وقال " هذا ركس ". وقال ابراهيم بن يوسف عن ابيه عن ابي اسحاق حدثني عبد الرحمن.
১৫৬. ’আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা শৌচ কাজে যাবার সময় তিনটি পাথর কুড়িয়ে দিতে আমাকে নির্দেশ করলেন। তখন আমি দু’টি পাথর পেলাম এবং আরেকটি খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না। তাই একখন্ড শুকনো গোবর নিয়ে তাঁর নিকট গেলাম। তিনি পাথর দু’টি নিলেন এবং গোবর খন্ড ফেলে দিয়ে বললেন, এটা নোংরা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৩)
ইব্রাহীম ইবনু ইউসুফ (রহ.), তার পিতা, আবূ ইসহাক (রহ.), ’আবদুর রহমান (রহ.)-এর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৮)
ইব্রাহীম ইবনু ইউসুফ (রহ.), তার পিতা, আবূ ইসহাক (রহ.), ’আবদুর রহমান (রহ.)-এর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৮)
হাদিস নং: ১৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف، قال حدثنا سفيان، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن ابن عباس، قال توضا النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مرة مرة.
১৫৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক উযূতে একবার করে ধুয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৯)
হাদিস নং: ১৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا حسين بن عيسى، قال حدثنا يونس بن محمد، قال حدثنا فليح بن سليمان، عن عبد الله بن ابي بكر بن عمرو بن حزم، عن عباد بن تميم، عن عبد الله بن زيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم توضا مرتين مرتين
১৫৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবন যায়দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূতে দু’বার করে ধুয়েছেন।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬০)
হাদিস নং: ১৫৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله الاويسي، قال حدثني ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، ان عطاء بن يزيد، اخبره ان حمران مولى عثمان اخبره انه، راى عثمان بن عفان دعا باناء، فافرغ على كفيه ثلاث مرار فغسلهما، ثم ادخل يمينه في الاناء فمضمض، واستنشق، ثم غسل وجهه ثلاثا، ويديه الى المرفقين ثلاث مرار، ثم مسح براسه، ثم غسل رجليه ثلاث مرار الى الكعبين، ثم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من توضا نحو وضوىي هذا، ثم صلى ركعتين، لا يحدث فيهما نفسه، غفر له ما تقدم من ذنبه ".
১৫৯. হুমরান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘উসমান ইবনু আফফান (রাযি.)-কে দেখেছেন যে, তিনি পানির পাত্র আনিয়ে উভয় হাতের তালুতে তিনবার ঢেলে তা ধুয়ে নিলেন। অতঃপর ডান হাত পাত্রের মধ্যে ঢুকালেন। তারপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করলেন। তারপর তাঁর মুখমণ্ডল
তিনবার ধুয়ে এবং দু’হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। অতঃপর মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দুই পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। পরে বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি আমার মত এ রকম উযূ করবে, অতঃপর দু’রাক‘আত সালাত আদায় করবে, যাতে দুনিয়ার কোন খেয়াল করবে না, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (১৬০, ১৬৪, ১৯৩৪, ৬৪৩৩; মুসলিম ২/৩, হাঃ ২২৬, আহমাদ ৪৯৩, ৫১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬১)
তিনবার ধুয়ে এবং দু’হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। অতঃপর মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দুই পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। পরে বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি আমার মত এ রকম উযূ করবে, অতঃপর দু’রাক‘আত সালাত আদায় করবে, যাতে দুনিয়ার কোন খেয়াল করবে না, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (১৬০, ১৬৪, ১৯৩৪, ৬৪৩৩; মুসলিম ২/৩, হাঃ ২২৬, আহমাদ ৪৯৩, ৫১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬১)
হাদিস নং: ১৬০
সহিহ (Sahih)
وعن ابراهيم، قال قال صالح بن كيسان قال ابن شهاب ولكن عروة يحدث عن حمران،، فلما توضا عثمان قال الا احدثكم حديثا لولا اية ما حدثتكموه، سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يتوضا رجل فيحسن وضوءه، ويصلي الصلاة الا غفر له ما بينه وبين الصلاة حتى يصليها ". قال عروة الاية (ان الذين يكتمون ما انزلنا من البينات).
১৬০. ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’উরওয়াহ হুমরান থেকে বর্ণনা করেন, ’উসমান (রাযি.) উযূ করে বললেন, আমি তোমাদের নিকট একটি হাদীস পেশ করব। যদি একটি আয়াতে কারীমা না হত, তবে আমি তোমাদের নিকট এ হাদীস বলতাম না। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, যে কোন ব্যক্তি সুন্দর করে উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে, পরবর্তী সালাত আদায় করা পর্যন্ত তার মধ্যবর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। ’উরওয়াহ (রহ.) বলেন, সে আয়াতটি হলঃ ’’আমি যে সব স্পষ্ট নিদর্শন অবতীর্ণ করেছি তা যারা গোপন করে....।’’ (সূরাহ্ বাক্বারাহঃ ১৫৯) (১৫৯; মুসলিম ২/৪, হাঃ ২২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬১ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১৬১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان، قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا يونس، عن الزهري، قال اخبرني ابو ادريس، انه سمع ابا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " من توضا فليستنثر، ومن استجمر فليوتر ".
ذَكَرَهُ عُثْمَانُ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ زَيْدٍ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
’উসমান (রাযি.), ’আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.) ও ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ কথা বর্ণনা করেছেন।
১৬১. আবূ ইদরিস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উযূ করে সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে। (১৬২; মুসলিম ২/৮, হাঃ ২৩৭, আহমাদ ১০৭২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬২)
’উসমান (রাযি.), ’আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.) ও ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ কথা বর্ণনা করেছেন।
১৬১. আবূ ইদরিস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উযূ করে সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে। (১৬২; মুসলিম ২/৮, হাঃ ২৩৭, আহমাদ ১০৭২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬২)
হাদিস নং: ১৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا توضا احدكم فليجعل في انفه ثم لينثر، ومن استجمر فليوتر، واذا استيقظ احدكم من نومه فليغسل يده قبل ان يدخلها في وضوىه، فان احدكم لا يدري اين باتت يده ".
১৬২. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন উযূ করে তখন সে যেন তার নাকে পানি দিয়ে ঝাড়ে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যায় ঢিলা ব্যবহার করে। আর তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে জাগে তখন সে যেন উযূর পানিতে হাত ঢুকানোর পূর্বে তা ধুয়ে নেয়; কারণ তোমাদের কেউ জানে না যে, ঘুমন্ত অবস্থায় তার হাত কোথায় থাকে। (১৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৩)
হাদিস নং: ১৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى، قال حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن يوسف بن ماهك، عن عبد الله بن عمرو، قال تخلف النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم عنا في سفرة سافرناها، فادركنا وقد ارهقنا العصر، فجعلنا نتوضا ونمسح على ارجلنا، فنادى باعلى صوته " ويل للاعقاب من النار ". مرتين او ثلاثا.
১৬৩. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে আমাদের পিছনে রয়ে গিয়েছিলেন, অতঃপর তিনি আমাদের নিকট পৌঁছে গেলেন। তখন আমরা আসরের সালাত শুরু করতে দেরী করে ফেলেছিলাম। তাই আমরা উযূ করছিলাম এবং (তাড়াতাড়ির কারণে) আমাদের পা মাসেহ করার মতো হালকাভাবে ধুয়ে নিচ্ছিলাম। তখন তিনি উচ্চৈস্বঃরে বললেনঃ ‘পায়ের গোড়ালিগুলোর জন্য জাহান্নামের শাস্তি রয়েছে।’ দু’বার অথবা তিনবার তিনি এ কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। (৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৪)
হাদিস নং: ১৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان، قال اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عطاء بن يزيد، عن حمران، مولى عثمان بن عفان انه راى عثمان دعا بوضوء، فافرغ على يديه من اناىه، فغسلهما ثلاث مرات، ثم ادخل يمينه في الوضوء، ثم تمضمض، واستنشق، واستنثر، ثم غسل وجهه ثلاثا ويديه الى المرفقين ثلاثا، ثم مسح براسه، ثم غسل كل رجل ثلاثا، ثم قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يتوضا نحو وضوىي هذا وقال " من توضا نحو وضوىي هذا ثم صلى ركعتين، لا يحدث فيهما نفسه، غفر الله له ما تقدم من ذنبه ".
১৬৪. ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযি.)-এর মুক্ত করা দাস হুমরান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘উসমান (রাযি.)-কে উযূর পানি আনাতে দেখলেন। অতঃপর তিনি সে পাত্র হতে উভয় হাতের উপর পানি ঢেলে তা তিনবার ধুলেন। অতঃপর তাঁর ডান হাত পানিতে ঢুকালেন। অতঃপর কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়লেন। অতঃপর তাঁর মুখমণ্ডল
তিনবার এবং উভয় হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন, অতঃপর মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর উভয় পা তিনবার ধোয়ার পর বললেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমার এ উযূর ন্যায় উযূ করতে দেখেছি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি আমার এ উযূর ন্যায় উযূ করে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করবে এবং তার মধ্যে অন্য কোন চিন্তা মনে আনবে না, আল্লাহ্ তা‘আলা তার পূর্বকৃত সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (১৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৫)
তিনবার এবং উভয় হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন, অতঃপর মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর উভয় পা তিনবার ধোয়ার পর বললেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমার এ উযূর ন্যায় উযূ করতে দেখেছি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি আমার এ উযূর ন্যায় উযূ করে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করবে এবং তার মধ্যে অন্য কোন চিন্তা মনে আনবে না, আল্লাহ্ তা‘আলা তার পূর্বকৃত সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (১৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৫)
হাদিস নং: ১৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم بن ابي اياس، قال حدثنا شعبة، قال حدثنا محمد بن زياد، قال سمعت ابا هريرة ـ وكان يمر بنا والناس يتوضىون من المطهرة ـ قال اسبغوا الوضوء فان ابا القاسم صلى الله عليه وسلم قال " ويل للاعقاب من النار
১৬৫. মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) আমাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। লোকেরা সে সময় পাত্র থেকে উযূ করছিল। তখন তাঁকে বলতে শুনেছি, তোমরা উত্তমরূপে উযূ কর। কারণ আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পায়ের গোড়ালিগুলোর জন্য জাহান্নামের ‘আযাব রয়েছে। (মুসলিম ২/৯, হাঃ ২৪২, আহমাদ ৯২৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৬)
হাদিস নং: ১৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن سعيد المقبري، عن عبيد بن جريج، انه قال لعبد الله بن عمر يا ابا عبد الرحمن، رايتك تصنع اربعا لم ار احدا من اصحابك يصنعها. قال وما هي يا ابن جريج قال رايتك لا تمس من الاركان الا اليمانيين، ورايتك تلبس النعال السبتية، ورايتك تصبغ بالصفرة، ورايتك اذا كنت بمكة اهل الناس اذا راوا الهلال ولم تهل انت حتى كان يوم التروية. قال عبد الله اما الاركان فاني لم ار رسول الله صلى الله عليه وسلم يمس الا اليمانيين، واما النعال السبتية فاني رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبس النعل التي ليس فيها شعر ويتوضا فيها، فانا احب ان البسها، واما الصفرة فاني رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبغ بها، فانا احب ان اصبغ بها، واما الاهلال فاني لم ار رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل حتى تنبعث به راحلته
১৬৬. ‘উবায়দ ইবনু জুরায়জ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে বললেন, ‘হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করতে দেখি, যা আপনার অন্য কোন সাথীকে দেখি না।’ তিনি বললেন, ‘ইবনু জুরায়জ, সেগুলো কী?’ তিনি বললেন, আমি দেখি, (১) আপনি ত্বওয়াফ করার সময় দুই রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত অন্য রুকন স্পর্শ করেন না। (২) আপনি ‘সিবতী’ (পশমবিহীন) জুতা পরিধান করেন; (৩) আপনি (কাপড়ে) হলুদ রং ব্যবহার করেন এবং (৪) আপনি যখন মক্কা্য় থাকেন লোকে চাঁদ দেখে ইহরাম বাঁধে; কিন্তু আপনি তারবিয়ার দিন (৮ই যিলহজ্জ) না এলে ইহরাম বাঁধেন না। ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) বললেনঃ রুকনের কথা যা বলেছ, তা এজন্য করি যে আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ইয়ামানী রুকনদ্বয় ব্যতীত আর কোনটি স্পর্শ করতে দেখিনি। আর ‘সিবতী’ জুতা, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সিবতী জুতা পরতে এবং তা পরিহিত অবস্থায় উযূ করতে দেখেছি, তাই আমি তা পরতে ভালবাসি। আর হলুদ রং, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তা দিয়ে কাপড় রঙিন করতে দেখেছি, তাই আমিও তা দিয়ে রঙিন করতে ভালবাসি। আর ইহরাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে নিয়ে তাঁর সওয়ারী রওনা না হওয়া পর্যন্ত আমি তাঁকে ইহরাম বাঁধতে দেখিনি। (১৫১৪, ১৫৫২, ১৬০৯, ২৮৬৫, ৫৮৫১; মুসলিম ১৫/৫, হাঃ ১১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৭)
হাদিস নং: ১৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا اسماعيل، قال حدثنا خالد، عن حفصة بنت سيرين، عن ام عطية، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لهن في غسل ابنته " ابدان بميامنها ومواضع الوضوء منها "
১৬৭. উম্মু আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মেয়ে [যায়নাব (রাযি.)]-কে গোসল করানোর সময় তাঁদের বলেছিলেনঃ তোমরা তার ডান দিক হতে এবং উযূর অঙ্গ হতে আরম্ভ কর। (১২৫৩ হতে ১২৬৩ পর্যন্ত) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৮)
হাদিস নং: ১৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، قال اخبرني اشعث بن سليم، قال سمعت ابي، عن مسروق، عن عاىشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يعجبه التيمن في تنعله وترجله وطهوره وفي شانه كله.
১৬৮. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুতা পরা, চুল আঁচড়ানো এবং পবিত্রতা অর্জন করা তথা প্রত্যেক কাজই ডান দিক হতে আরম্ভ করতে পছন্দ করতেন। (৪২৬, ৫৩৮০, ৫৮৫৪, ৫৯২৬; মুসলিম ১৫/৫, হাঃ ১১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৯)
হাদিস নং: ১৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن انس بن مالك، انه قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت صلاة العصر، فالتمس الناس الوضوء فلم يجدوه، فاتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوضوء، فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك الاناء يده، وامر الناس ان يتوضىوا منه. قال فرايت الماء ينبع من تحت اصابعه حتى توضىوا من عند اخرهم.
وَقَالَتْ عَائِشَةُ حَضَرَتْ الصُّبْحُ فَالْتُمِسَ الْمَاءُ فَلَمْ يُوجَدْ فَنَزَلَ التَّيَمُّمُ.
’আয়িশাহ (রাযি.) বলেনঃ একবার ফজরের সময় হল, তখন পানি অনুসন্ধান করা হল; কিন্তু কোথাও পাওয়া গেল না। তখন তায়াম্মুম (এর আয়াত) অবতীর্ণ হল।
১৬৯. আনাস ইবনু মালিক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখলাম, তখন আসরের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল। আর লোকজন উযূর পানি খুঁজতে লাগল কিন্তু পেল না। তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু পানি আনা হল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে পাত্রে তাঁর হাত রাখলেন এবং লোকজনকে তা থেকে উযূ করতে বললেন। আনাস (রাযি.) বলেন, সে সময় আমি দেখলাম, তাঁর আঙ্গুলের নীচ থেকে পানি উপচে পড়ছে। এমনকি তাদের শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তার দ্বারা উযূ করল। (১৯৫, ২০০, ৩৫৭২ হতে ৩৫৭৫ পর্যন্ত; মুসলিম ৪৩/৩, হাঃ ২২৭৯, আহমাদ ১২৪৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭০)
’আয়িশাহ (রাযি.) বলেনঃ একবার ফজরের সময় হল, তখন পানি অনুসন্ধান করা হল; কিন্তু কোথাও পাওয়া গেল না। তখন তায়াম্মুম (এর আয়াত) অবতীর্ণ হল।
১৬৯. আনাস ইবনু মালিক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখলাম, তখন আসরের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল। আর লোকজন উযূর পানি খুঁজতে লাগল কিন্তু পেল না। তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু পানি আনা হল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে পাত্রে তাঁর হাত রাখলেন এবং লোকজনকে তা থেকে উযূ করতে বললেন। আনাস (রাযি.) বলেন, সে সময় আমি দেখলাম, তাঁর আঙ্গুলের নীচ থেকে পানি উপচে পড়ছে। এমনকি তাদের শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তার দ্বারা উযূ করল। (১৯৫, ২০০, ৩৫৭২ হতে ৩৫৭৫ পর্যন্ত; মুসলিম ৪৩/৩, হাঃ ২২৭৯, আহমাদ ১২৪৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭০)
হাদিস নং: ১৭০
সহিহ (Sahih)
مالك بن اسماعيل قال حدثنا اسراىيل عن عاصم عن ابن سيرين قال قلت لعبيدة عندنا من شعر النبي صلى الله عليه وسلم اصبناه من قبل انس او من قبل اهل انس فقال لان تكون عندي شعرة منه احب الي من الدنيا وما فيها.
وَكَانَ عَطَاءٌ لاَ يَرَى بِهِ بَأْسًا أَنْ يُتَّخَذَ مِنْهَا الْخُيُوطُ وَالْحِبَالُ وَسُؤْرِ الْكِلاَبِ وَمَمَرِّهَا فِي الْمَسْجِدِ وَقَالَ الزُّهْرِيُّ إِذَا وَلَغَ فِي إِنَاءٍ لَيْسَ لَهُ وَضُوءٌ غَيْرُهُ يَتَوَضَّأُ بِهِ وَقَالَ سُفْيَانُ هَذَا الْفِقْهُ بِعَيْنِهِ يَقُولُ اللهُ تَعَالَى )فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا( وَهَذَا مَاءٌ وَفِي النَّفْسِ مِنْهُ شَيْءٌ يَتَوَضَّأُ بِهِ وَيَتَيَمَّمُ.
’আত্বা (রহ.) চুল দিয়ে সুতা এবং রশি প্রস্তুত করায় দোষের কিছু মনে করতেন না। কুকুরের ঝুঠা এবং মসজিদের ভিতর দিয়ে কুকুরের যাতায়াত সম্পর্কে যূহরী (রহ.) বলেন, কুকুর যখন কোন পানির পাত্রে মুখ দেয় এবং উযূ করার জন্য সে পানি ব্যতীত অন্য কোন পানি না থাকে, তবে তা দিয়েই উযূ করবে। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, হুবহু এ মাসআলাটি বিধৃত হয়েছে আল্লাহ্ তা’আলার এ বাণীতেঃ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا ’’তারপর তোমরা যদি পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর।’’ আর এ তো পানিই। কিন্তু অন্তরে যেহেতু কিছু সন্দেহ রয়েছে তাই তা দিয়ে উযূ করবে, পরে তায়াম্মুমও করবে।
১৭০. ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবীদাহকে বললাম, আমাদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চুল রয়েছে যা আমরা আনাস (রাযি.)-এর নিকট হতে কিংবা আনাস (রাযি.)-এর পরিবারের নিকট হতে পেয়েছি। তিনি বললেন, তাঁর একটি চুল আমার নিকট থাকাটা দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে তা অর্জনের চেয়ে অধিক পছন্দের। (১৭১ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭১)
’আত্বা (রহ.) চুল দিয়ে সুতা এবং রশি প্রস্তুত করায় দোষের কিছু মনে করতেন না। কুকুরের ঝুঠা এবং মসজিদের ভিতর দিয়ে কুকুরের যাতায়াত সম্পর্কে যূহরী (রহ.) বলেন, কুকুর যখন কোন পানির পাত্রে মুখ দেয় এবং উযূ করার জন্য সে পানি ব্যতীত অন্য কোন পানি না থাকে, তবে তা দিয়েই উযূ করবে। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, হুবহু এ মাসআলাটি বিধৃত হয়েছে আল্লাহ্ তা’আলার এ বাণীতেঃ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا ’’তারপর তোমরা যদি পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর।’’ আর এ তো পানিই। কিন্তু অন্তরে যেহেতু কিছু সন্দেহ রয়েছে তাই তা দিয়ে উযূ করবে, পরে তায়াম্মুমও করবে।
১৭০. ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবীদাহকে বললাম, আমাদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চুল রয়েছে যা আমরা আনাস (রাযি.)-এর নিকট হতে কিংবা আনাস (রাযি.)-এর পরিবারের নিকট হতে পেয়েছি। তিনি বললেন, তাঁর একটি চুল আমার নিকট থাকাটা দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে তা অর্জনের চেয়ে অধিক পছন্দের। (১৭১ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭১)
হাদিস নং: ১৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، قال اخبرنا سعيد بن سليمان، قال حدثنا عباد، عن ابن عون، عن ابن سيرين، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما حلق راسه كان ابو طلحة اول من اخذ من شعره.
১৭১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা মুন্ডন করলে আবূ তলহা (রাযি.)-ই প্রথমে তাঁর চুল সংগ্রহ করেন। (১৭০; মুসলিম ১৫/৫৬, হাঃ ১৩০৫, আহমাদ ১২০৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭২)
হাদিস নং: ১৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا شرب الكلب في اناء احدكم فليغسله سبعا ".
১৭২. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর পান করে তবে তা যেন সাতবার ধুয়ে নেয়। (মুসলিম ২/২৭, হাঃ ২৭৯, আহমাদ ৭৩৫০, ৭৩৫১,৭৪৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩)
হাদিস নং: ১৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق، اخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، سمعت ابي، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " ان رجلا راى كلبا ياكل الثرى من العطش، فاخذ الرجل خفه فجعل يغرف له به حتى ارواه، فشكر الله له فادخله الجنة "
১৭৩. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (পূর্ব যুগে) জনৈক ব্যক্তি একটি কুকুরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ভিজা মাটি চাটতে দেখতে পেয়ে তার মোজা নিল এবং কুকুরটির জন্য কুয়া হতে পানি এনে দিতে লাগল যতক্ষণ না সে ওর তৃষ্ণা মিটাল। আল্লাহ্ এর বিনিময় দিলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন। (২৩৬৩, ২৪৬৬, ৬০০৯ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪)
হাদিস নং: ১৭৪
সহিহ (Sahih)
وقال احمد بن شبيب حدثنا ابي، عن يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني حمزة بن عبد الله، عن ابيه، قال كانت الكلاب تبول وتقبل وتدبر في المسجد في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يكونوا يرشون شيىا من ذلك.
১৭৪. ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় কুকুর মসজিদের ভিতর দিয়ে আসা-যাওয়া করত অথচ এজন্য তাঁরা কোথাও পানি ছিটিয়ে দিতেন না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৯ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪ শেষাংশ)