হাদিস নং: ২৪২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة و حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن سلمة سمعت سويد بن غفلة قال لقيت ابي بن كعب فقال اخذت صرة ماىة دينار فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال عرفها حولا فعرفتها حولا فلم اجد من يعرفها ثم اتيته فقال عرفها حولا فعرفتها فلم اجد ثم اتيته ثلاثا فقال احفظ وعاءها وعددها ووكاءها فان جاء صاحبها والا فاستمتع بها فاستمتعت فلقيته بعد بمكة فقال لا ادري ثلاثة احوال او حولا واحدا
২৪২৬. উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একটি থলে পেয়েছিলাম, যার মধ্যে একশ’ দ্বীনার ছিল এবং আমি (এটা নিয়ে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দাও। আমি তাই করলাম। কিন্তু এটি সনাক্ত করার মতো লোক পেলাম না। তখন আবার তাঁর কাছে এলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আরো এক বছর ঘোষণা দাও। আমি তাই করলাম। কিন্তু কাউকে পেলাম না। আমি তৃতীয়বার তাঁর কাছে এলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, থলে ও এর প্রাপ্ত বস্তুর সংখ্যা এবং এর বাঁধন স্মরণ রাখ। যদি এর মালিক আসে (তাকে দিয়ে দিবে।) নতুবা তুমি তা ভোগ করবে। তারপর আমি তা ভোগ করলাম। [শু’বা (রহ.) বলেছেন] আমি এরপর মক্কায় সালামা (রহ.)-এর সঙ্গে দেখা করলাম, তিনি বললেন, তিন বছর কিংবা এক বছর তা আমার মনে নেই। (২৪৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৬৫)
হাদিস নং: ২৪২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن عباس حدثنا عبد الرحمن حدثنا سفيان عن ربيعة حدثني يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني قال جاء اعرابي النبي صلى الله عليه وسلم فساله عما يلتقطه فقال عرفها سنة ثم احفظ عفاصها ووكاءها فان جاء احد يخبرك بها والا فاستنفقها قال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فضالة الغنم قال لك او لاخيك او للذىب قال ضالة الابل فتمعر وجه النبي صلى الله عليه وسلم فقال ما لك ولها معها حذاوها وسقاوها ترد الماء وتاكل الشجر
২৪২৭. যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক বেদুঈন এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে পড়ে থাকা বস্তু গ্রহণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বছর যাবৎ এর ঘোষণা দিতে থাক। এরপর থলে ও তার বাঁধন স্মরণ রাখ। এর মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি আসে এবং তোমাকে তার বিবরণ দেয় (তবে তাকে দিয়ে দিবে), নতুবা তুমি তা ব্যবহার করবে। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! হারানো বস্তু যদি বক্রী হয়? তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] বললেন, সেটা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের অথবা নেকড়ের জন্য। সে আবার বলল, হারানো বস্তু উট হলে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারায় রাগের ভাব ফুটে উঠল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এতে তোমার কী প্রয়োজন? তার সাথেই (জুতার ন্যায়) ক্ষুর ও পানির পাত্র রয়েছে, সে পানি পান করবে এবং গাছের পাতা খাবে। (৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৬৬)
হাদিস নং: ২৪২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله قال حدثني سليمان بن بلال عن يحيى عن يزيد مولى المنبعث انه سمع زيد بن خالد يقول سىل النبي صلى الله عليه وسلم عن اللقطة فزعم انه قال اعرف عفاصها ووكاءها ثم عرفها سنة يقول يزيد ان لم تعرف استنفق بها صاحبها وكانت وديعة عنده قال يحيى فهذا الذي لا ادري افي حديث رسول الله هو ام شيء من عنده ثم قال كيف ترى في ضالة الغنم قال النبي صلى الله عليه وسلم خذها فانما هي لك او لاخيك او للذىب قال يزيد وهي تعرف ايضا ثم قال كيف ترى في ضالة الابل قال فقال دعها فان معها حذاءها وسقاءها ترد الماء وتاكل الشجر حتى يجدها ربها
২৪২৮. যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করা হলো রাবীর বিশ্বাস যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, থলেটি এবং তার বাঁধন চিনে রাখ। এরপর এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। ইয়াযীদ (রহ.) বলেন, যদি এর সনাক্তকারী না পাওয়া যায়, তবে যে এটা উঠিয়েছে সে খরচ করবে। কিন্তু সেটা তার কাছে আমানত স্বরূপ থাকবে। ইয়াহ্ইয়া (রহ.) বলেন, আমার জানা নেই যে, এ কথাটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীসের অন্তর্ভুক্ত ছিল, না তিনি নিজ হতে বলেছেন। এরপর সে জিজ্ঞেস করল, হারিয়ে যাওয়া বক্রী সম্পর্কে আপনি কী বলেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা নিয়ে নাও। তা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের অথবা নেকড়ে বাঘের। ইয়াযীদ (রহ.) বলেন, এটাও ঘোষণা দেয়া হবে। তারপর আবার সে জিজ্ঞেস করল, হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে আপনি কী বলেন? বর্ণনাকারী বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটা ছেড়ে দাও। এর সাথেই রয়েছে পায়ের ক্ষুর ও তার পানির পাত্র। সে নিজেই পানি পান করবে এবং গাছপালা খাবে, যতক্ষণ না এর মালিক একে ফিরে পায়। (৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৬৭)
হাদিস নং: ২৪২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد قال جاء رجل الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساله عن اللقطة فقال اعرف عفاصها ووكاءها ثم عرفها سنة فان جاء صاحبها والا فشانك بها قال فضالة الغنم قال هي لك او لاخيك او للذىب قال فضالة الابل قال ما لك ولها معها سقاوها وحذاوها ترد الماء وتاكل الشجر حتى يلقاها ربها
২৪২৯. যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, থলেটি এবং এর বাঁধন চিনে রাখ। তারপর এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। যদি মালিক আসে (তবে তাকে তা দিয়ে দাও) আর যদি না আসে তা তোমার দায়িত্বে। সে পুনরায় জিজ্ঞেস করল, যদি বকরী হারিয়ে যায়? তিনি বললেন, সেটা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের নতুবা সেটা নেকড়ের। তারপর সে হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এতে তোমার কী? এর সাথেই এর পানির পাত্র ও পায়ের ক্ষুর রয়েছে। মালিক তাকে না পাওয়া পর্যন্ত সে পানি পান করবে এবং গাছপালা খাবে। (৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৬৮)
হাদিস নং: ২৪৩০
সহিহ (Sahih)
وقال الليث حدثني جعفر بن ربيعة عن عبد الرحمن بن هرمز عن ابي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه ذكر رجلا من بني اسراىيل وساق الحديث فخرج ينظر لعل مركبا قد جاء بماله فاذا هو بالخشبة فاخذها لاهله حطبا فلما نشرها وجد المال والصحيفة
২৪৩০. আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বনী ইসরাঈলের জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে উল্লেখ করেন এবং সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করেন। (শেষ পর্যায়ে বলেন) সে ব্যক্তি দেখার জন্য বের হল, হয়ত কোন জাহাজ তার মাল নিয়ে এসেছে। তখন সে একটি কাঠ দেখতে পেল এবং তা পরিবারের জন্য জ্বালানী কাঠ হিসাবে নিয়ে এল। যখন তাকে চিরে ফেলল তাতে সে তার মাল ও একটি চিঠি পেল। (১৪৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল লুকতাহ অনুচ্ছেদ-৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১৫১৬)
হাদিস নং: ২৪৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور عن طلحة عن انس قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بتمرة في الطريق قال لولا اني اخاف ان تكون من الصدقة لاكلتها
২৪৩১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তায় পড়ে থাকা খেজুরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার যদি আশঙ্কা না হত যে এটি সাদাকার খেজুর তাহলে আমি এটা খেতাম। (২০৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৬৯)
হাদিস নং: ২৪৩২
সহিহ (Sahih)
وقال يحيى حدثنا سفيان حدثني منصور وقال زاىدة عن منصور عن طلحة حدثنا انس حدثنا محمد بن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا معمر عن همام بن منبه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اني لانقلب الى اهلي فاجد التمرة ساقطة على فراشي فارفعها لاكلها ثم اخشى ان تكون صدقة فالقيها
২৪৩২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি আমার ঘরে ফিরে যাই, আমার বিছানায় খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। খাওয়ার জন্য আমি তা তুলে নেই। পরে আমার ভয় হয় যে, হয়ত তা সাদাকার খেজুর হবে তাই আমি তা রেখে দেই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭০)
হাদিস নং: ২৪৩৩
সহিহ (Sahih)
وقال احمد بن سعيد حدثنا روح حدثنا زكرياء حدثنا عمرو بن دينار عن عكرمة عن ابن عباس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يعضد عضاهها ولا ينفر صيدها ولا تحل لقطتها الا لمنشد ولا يختلى خلاها فقال عباس يا رسول الله صلى الله عليه وسلم الا الاذخر فقال الا الاذخر
وَقَالَ طَاوُسٌ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ قَالَ لاَ يَلْتَقِطُ لُقَطَتَهَا إِلاَّ مَنْ عَرَّفَهَا وَقَالَ خَالِدٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تُلْتَقَطُ لُقَطَتُهَا إِلاَّ لِمُعَرِّفٍ
তাউস (রহ.), ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মক্কায় পড়ে থাকা জিনিস কেবল সেই ব্যক্তি উঠাবে, যে তার ঘোষণা দিবে। খালিদ (রহ.), ইকরিমা (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মক্কায় পড়ে থাকা জিনিস কেবল সেই ব্যক্তি উঠাবে, যে তার ঘোষণা দিবে।
২৪৩৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেখানকার গাছ কাটা যাবে না, সে ব্যতীত অন্য কারো জন্য তুলে নেয়া হালাল হবে না, সেখানকার ঘাস কাটা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইযখির (এক প্রকার ঘাস) ব্যতীত। তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ ইযখির ঘাস কাটা যাবে)। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল লুকতাহ অনুচ্ছেদ-৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১৫১৮)
তাউস (রহ.), ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মক্কায় পড়ে থাকা জিনিস কেবল সেই ব্যক্তি উঠাবে, যে তার ঘোষণা দিবে। খালিদ (রহ.), ইকরিমা (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মক্কায় পড়ে থাকা জিনিস কেবল সেই ব্যক্তি উঠাবে, যে তার ঘোষণা দিবে।
২৪৩৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেখানকার গাছ কাটা যাবে না, সে ব্যতীত অন্য কারো জন্য তুলে নেয়া হালাল হবে না, সেখানকার ঘাস কাটা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইযখির (এক প্রকার ঘাস) ব্যতীত। তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ ইযখির ঘাস কাটা যাবে)। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল লুকতাহ অনুচ্ছেদ-৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১৫১৮)
হাদিস নং: ২৪৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا الاوزاعي قال حدثني يحيى بن ابي كثير قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن قال حدثني ابو هريرة قال لما فتح الله على رسوله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس فحمد الله واثنى عليه ثم قال ان الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمومنين فانها لا تحل لاحد كان قبلي وانها احلت لي ساعة من نهار وانها لا تحل لاحد بعدي فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها ولا تحل ساقطتها الا لمنشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين اما ان يفدى واما ان يقيد فقال العباس الا الاذخر فانا نجعله لقبورنا وبيوتنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الا الاذخر فقام ابو شاه رجل من اهل اليمن فقال اكتبوا لي يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اكتبوا لابي شاه قلت للاوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم
২৪৩৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা যখন তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর হাম্দ ও সানা (প্রশংসা) বর্ণনা করলেন। এরপর বললেন, আল্লাহ তা‘আলা মক্কা্য় (আবরাহার) হস্তি বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেননি এবং তিনি তাঁর রাসূল ও মু’মিন বান্দাদেরকে মক্কার উপর আধিপত্য দান করেছেন। আমার আগে অন্য কারোর জন্য মক্কায় যুদ্ধ করা বৈধ ছিল না, তবে আমার পক্ষে দিনের সামান্য সময়ের জন্য বৈধ করা হয়েছিল, আর তা আমার পরেও কারোর জন্য বৈধ হবে না। কাজেই এখানকার শিকার তাড়ানো যাবে না, এখানকার গাছ কাটা ও উপড়ানো যাবে না, ঘোষণাকারী ব্যক্তি ব্যতীত এখানকার পড়ে থাকা জিনিস তুলে নেয়া যাবে না। যার কোন লোক এখানে নিহত হয় তবে দু’টির মধ্যে তার কাছে যা ভাল বলে বিবেচিত হয়, তা গ্রহণ করবে। ফিদ্ইয়া গ্রহণ অথবা কিসাস। ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ইযখিরের অনুমতি দিন। কেননা, আমরা এগুলো আমাদের কবরের উপর এবং ঘরের কাজে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ তা কাটা ও ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হল)। তখন ইয়ামানবাসী আবূ শাহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে লিখে দিন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। (ওয়ালিদ ইবনু মুসলিম বলেন) আমি আওযায়ীকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে লিখে দিন তাঁর এ উক্তির অর্থ কী? তিনি বলেন, এ ভাষণ যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছ হতে তিনি শুনেছেন, তা লিখে দিন। (১১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭১)
হাদিস নং: ২৪৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحلبن احد ماشية امرى بغير اذنه ايحب احدكم ان توتى مشربته فتكسر خزانته فينتقل طعامه فانما تخزن لهم ضروع مواشيهم اطعماتهم فلا يحلبن احد ماشية احد الا باذنه
২৪৩৫. ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অনুমতি ব্যতীত কারো পশু কেউ দোহন করবে না। তোমাদের কেউ এটা কি পছন্দ করবে যে, তার (তোশাখানায়) ভান্ডারে কোন ব্যক্তি এসে ভান্ডার ভেঙ্গে ফেলে এবং ভান্ডারের শস্য নিয়ে যায়? তাদের পশুগুলোর স্তন তাদের খাদ্য সংরক্ষিত রাখে। কাজেই কারো পশু তার অনুমতি ব্যতীত কেউ দোহন করবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭২)
হাদিস নং: ২৪৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا اسماعيل بن جعفر عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني ان رجلا سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال عرفها سنة ثم اعرف وكاءها وعفاصها ثم استنفق بها فان جاء ربها فادها اليه قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فضالة الغنم قال خذها فانما هي لك او لاخيك او للذىب قال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فضالة الابل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه او احمر وجهه ثم قال ما لك ولها معها حذاوها وسقاوها حتى يلقاها ربها
২৪৩৬. কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহ.) যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। এরপর জিনিসটির পাত্র ও তার বাঁধন স্মরণ রাখ এবং সেটা খরচ কর। যদি তার মালিক এসে যায় তবে তাকে দিয়ে দাও। সে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! হারিয়ে যাওয়া বস্তু বকরী হলে কী করতে হবে? তিনি বললেন, তা তুমি নিয়ে নাও। কেননা, সেটা তোমার কিংবা তোমার ভাইয়ের আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের। সে আবার বলল, হে আল্লাহর রাসূল! হারানো বস্তু উট হলে কী করতে হবে? এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত হলেন এমনকি তাঁর উভয় গাল লাল হয়ে গেল অথবা রাবী বলেন, তার মুখমণ্ডল
লাল হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, এতে তোমার কী? তার সাথে তার ক্ষুর ও মশক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মালিক তার সন্ধান পেয়ে যাবে। (৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৩)
লাল হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, এতে তোমার কী? তার সাথে তার ক্ষুর ও মশক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মালিক তার সন্ধান পেয়ে যাবে। (৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৩)
হাদিস নং: ২৪৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن سلمة بن كهيل قال سمعت سويد بن غفلة قال كنت مع سلمان بن ربيعة وزيد بن صوحان في غزاة فوجدت سوطا فقالا لي القه قلت لا ولكن ان وجدت صاحبه والا استمتعت به فلما رجعنا حججنا فمررت بالمدينة فسالت ابي بن كعب فقال وجدت صرة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فيها ماىة دينار فاتيت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقال عرفها حولا فعرفتها حولا ثم اتيت فقال عرفها حولا فعرفتها حولا ثم اتيته فقال عرفها حولا فعرفتها حولا ثم اتيته الرابعة فقال اعرف عدتها ووكاءها ووعاءها فان جاء صاحبها والا استمتع بها
حدثنا عبدان قال اخبرني ابي عن شعبة عن سلمة بهذا قال فلقيته بعد بمكة فقال لا ادري اثلاثة احوال او حولا واحدا
حدثنا عبدان قال اخبرني ابي عن شعبة عن سلمة بهذا قال فلقيته بعد بمكة فقال لا ادري اثلاثة احوال او حولا واحدا
২৪৩৭. সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনু রবী‘আহ এবং যায়দ ইবনু সুহানের সঙ্গে আমি এক যুদ্ধে শরীক ছিলাম। আমি একটি চাবুক পেলাম। তারা উভয়ে আমাকে এটা ফেলে দিতে বললেন। আমি বললাম, না, এর মালিক এলে এটা আমি তাকে দিয়ে দিব। নতুবা আমিই এটা ব্যবহার করব। আমরা ফিরে গিয়ে হাজ্জ করলাম; এরপর যখন মদ্বীনায় গেলাম, তখন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে আমি একটি থলে পেয়েছিলাম, এর মধ্যে একশ’ দ্বীনার ছিল। আমি এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বছর পর্যন্ত তুমি এটার ঘোষণা দিতে থাক। কাজেই আমি এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে এলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি আবার তাঁর কাছে এলাম। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি চতুর্থবার তাঁর কাছে আসলাম। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, থলের ভিতরের দ্বীনারের সংখ্যা, বাঁধন এবং থলেটি চিনে রাখ। যদি মালিক ফিরে আসে তাকে দিয়ে দাও। নতুবা তুমি নিজে তা ব্যবহার কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৪)
সালামাহ্ (রহ.) হতে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন যে, সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহ.) বলেন যে, আমি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-এর সঙ্গে মক্কায় সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি (এ হাদীস সম্পর্কে) বললেন, আমার স্মরণ নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন বছর যাবৎ না এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে বলেছেন। (২৪২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৫)
সালামাহ্ (রহ.) হতে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন যে, সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহ.) বলেন যে, আমি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-এর সঙ্গে মক্কায় সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি (এ হাদীস সম্পর্কে) বললেন, আমার স্মরণ নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন বছর যাবৎ না এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে বলেছেন। (২৪২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৫)
হাদিস নং: ২৪৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن ربيعة عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد ان اعرابيا سال النبي صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال عرفها سنة فان جاء احد يخبرك بعفاصها ووكاىها والا فاستنفق بها وساله عن ضالة الابل فتمعر وجهه وقال ما لك ولها معها سقاوها وحذاوها ترد الماء وتاكل الشجر دعها حتى يجدها ربها وساله عن ضالة الغنم فقال هي لك او لاخيك او للذىب
২৪৩৮. যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে জনৈক বেদুঈন পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বছর পর্যন্ত এটার ঘোষণা দিতে থাক। যদি কেউ আসে এবং তার থলে ও বাঁধন সম্পর্কে বিবরণ দেয়, (তা হলে তাকে ফিরিয়ে দাও।) নতুবা তুমি নিজে সেটা ব্যবহার কর। এরপর সে হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে গেল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সেটা দিয়ে তোমার কী প্রয়োজন? তার সাথে মশক ও ক্ষুর রয়েছে। সে নিজেই পানির কাছে যায়, গাছের পাতা খায়। তাকে ছেড়ে দাও যতক্ষণ না তার মালিক তাকে ফিরে পায়। তারপর সে তাঁকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারিয়ে যাওয়া বকরী, সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেন, সেটা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের, আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের। (৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৬)
হাদিস নং: ২৪৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم اخبرنا النضر اخبرنا اسراىيل عن ابي اسحاق قال اخبرني البراء عن ابي بكر ح و حدثنا عبد الله بن رجاء حدثنا اسراىيل عن ابي اسحاق عن البراء عن ابي بكر قال انطلقت فاذا انا براعي غنم يسوق غنمه فقلت لمن انت قال لرجل من قريش فسماه فعرفته فقلت هل في غنمك من لبن فقال نعم فقلت هل انت حالب لي قال نعم فامرته فاعتقل شاة من غنمه ثم امرته ان ينفض ضرعها من الغبار ثم امرته ان ينفض كفيه فقال هكذا ضرب احدى كفيه بالاخرى فحلب كثبة من لبن وقد جعلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم اداوة على فمها خرقة فصببت على اللبن حتى برد اسفله فانتهيت الى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت اشرب يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فشرب حتى رضيت
২৪৩৯. আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (হিজরত করে মাদ্বীনার দিকে) যাচ্ছিলাম। তখন বকরীর এক রাখালের সাথে দেখা হল। সে তার বকরীগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কার রাখাল। সে কুরাইশ গোত্রের এক ব্যক্তির নাম বলল। আমি সে ব্যক্তিকে চিনতাম। আমি তাকে বললাম, তোমার বকরীর দুধ আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ আছে। আমি তাকে বললাম, তুমি আমাকে দুধ দোহন করে দিবে কি? সে বলল, হ্যাঁ দিব। তখন আমি তাকে দুধ দোহন করতে বললাম। বকরীর পাল হতে সে একটি বকরী ধরে নিয়ে এল। আমি তাকে এর ওলান ধূলাবালি হতে পরিষ্কার করে নিতে এবং তার হাতও পরিষ্কার করে নিতে বললাম। সে তদ্রূপ করল। এক হাত দিয়ে অপর হাত ঝেড়ে সে এক পেয়ালা দুধ দোহন করল। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্য একটি পাত্র রেখেছিলাম। যার মুখে কাপড়ের টুকরা রাখা ছিল। তা হতে আমি দুধের উপর (পানি) ঢেলে দিলাম। এতে দুধ নীচ পর্যন্ত ঠান্ডা হয়ে গেল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এই দুধ নিয়ে গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি পান করুন। তিনি তা পান করলেন। এতে আমি আনন্দিত হলাম। (৩৬১৫, ৩৬৫২, ৩৯০৮, ৩৯১৭, ৫৬০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭৭)