হাদিস নং: ২৫৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن الزهري عن عروة بن الزبير عن ابي حميد الساعدي قال استعمل النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من الازد يقال له ابن الاتبية على الصدقة فلما قدم قال هذا لكم وهذا اهدي لي قال فهلا جلس في بيت ابيه او بيت امه فينظر يهدى له ام لا والذي نفسي بيده لا ياخذ احد منه شيىا الا جاء به يوم القيامة يحمله على رقبته ان كان بعيرا له رغاء او بقرة لها خوار او شاة تيعر ثم رفع بيده حتى راينا عفرة ابطيه اللهم هل بلغت اللهم هل بلغت ثلاثا.
২৫৯৭. আবূ হুমায়দ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আযদ গোত্রের ইবনু উতবিয়া নামের এক লোককে সাদাকা সংগ্রহের কাজে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি ফিরে এসে বললেন, এগুলো আপনাদের আর এগুলো আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সে তার বাবার ঘরে কিংবা তার মায়ের ঘরে কেন বসে থাকল না। তখন সে দেখত পেত, তাকে কেউ হাদিয়া দেয় কি দেয় না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম, সাদাকার মাল হতে স্বল্প পরিমাণও যে আত্মসাৎ করবে, সে তা কাঁধে করে কিয়ামত দিবসে উপস্থিত হবে। সেটা উট হলে তার আওয়াজ করবে, আর গাভী হলে হাম্বা হাম্বা রব করবে আর বকরী হলে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করতে থাকবে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দু’হাত এই পরিমাণ উঠালেন যে, আমরা তাঁর দুই বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি তিনবার বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি। হে আল্লাহ! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? (৯২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৮., ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৫)
হাদিস নং: ২৫৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا ابن المنكدر سمعت جابرا قال قال لي النبي صلى الله عليه وسلم لو جاء مال البحرين اعطيتك هكذا ثلاثا فلم يقدم حتى توفي النبي صلى الله عليه وسلم فامر ابو بكر مناديا فنادى من كان له عند النبي صلى الله عليه وسلم عدة او دين فلياتنا فاتيته فقلت ان النبي صلى الله عليه وسلم وعدني فحثى لي ثلاثا
وَقَالَ عَبِيْدَةُ إِنْ مَاتَ وَكَانَتْ فُصِلَتْ الْهَدِيَّةُ وَالْمُهْدَى لَهُ حَيٌّ فَهِيَ لِوَرَثَتِهِ وَإِنْ لَمْ تَكُنْ فُصِلَتْ فَهِيَ لِوَرَثَةِ الَّذِيْ أَهْدَى وَقَالَ الْحَسَنُ أَيُّهُمَا مَاتَ قَبْلُ فَهِيَ لِوَرَثَةِ الْمُهْدَى لَهُ إِذَا قَبَضَهَا الرَّسُوْلُ
‘আবীদাহ (রহ.) বলেন, দানকারী ব্যক্তি হাদিয়া সামগ্রী পৃথক করে হাদিয়া প্রাপকের জীবদ্দশায় মারা গেলে তা হাদিয়া প্রাপকের ওয়ারিশদের হক হবে। (যদি প্রাপক ইতিমধ্যে মারা গিয়ে থাকে) আর আলাদা না করা হলে হাদিয়া দাতার ওয়ারিশদের হক হবে। আর হাসান (রহ.) বলেছেন, উভয়ের যে কোন একজন মারা গেলে এবং প্রাপকের নিযুক্ত লোক উক্ত হাদিয়া সামগ্রী নিজ অধিকারে নিয়ে নিলে তা প্রাপকের ওয়ারিশদের হক হবে।
২৫৯৮. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, বাহরাইন হতে মাল এসে পৌঁছলে তোমাকে আমি এভাবে তিনবার দিব, কিন্তু মাল আসার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মৃত্যু হল। পরে আবূ বকর (রাঃ) ঘোষককে ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কারো জন্য কোন প্রতিশ্রুতি থাকলে কিংবা কারো কোন ঋণ থাকলে সে যেন আমার নিকট আসে। এ ঘোষণা শুনে আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন তিনি আমাকে আঁজলা ভরে তিনবার দিলেন। (২২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৬)
‘আবীদাহ (রহ.) বলেন, দানকারী ব্যক্তি হাদিয়া সামগ্রী পৃথক করে হাদিয়া প্রাপকের জীবদ্দশায় মারা গেলে তা হাদিয়া প্রাপকের ওয়ারিশদের হক হবে। (যদি প্রাপক ইতিমধ্যে মারা গিয়ে থাকে) আর আলাদা না করা হলে হাদিয়া দাতার ওয়ারিশদের হক হবে। আর হাসান (রহ.) বলেছেন, উভয়ের যে কোন একজন মারা গেলে এবং প্রাপকের নিযুক্ত লোক উক্ত হাদিয়া সামগ্রী নিজ অধিকারে নিয়ে নিলে তা প্রাপকের ওয়ারিশদের হক হবে।
২৫৯৮. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, বাহরাইন হতে মাল এসে পৌঁছলে তোমাকে আমি এভাবে তিনবার দিব, কিন্তু মাল আসার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মৃত্যু হল। পরে আবূ বকর (রাঃ) ঘোষককে ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কারো জন্য কোন প্রতিশ্রুতি থাকলে কিংবা কারো কোন ঋণ থাকলে সে যেন আমার নিকট আসে। এ ঘোষণা শুনে আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন তিনি আমাকে আঁজলা ভরে তিনবার দিলেন। (২২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৬)
হাদিস নং: ২৫৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا الليث عن ابن ابي مليكة عن المسور بن مخرمة رضي الله عنهما قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم اقبية ولم يعط مخرمة منها شيىا فقال مخرمة يا بني انطلق بنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فانطلقت معه فقال ادخل فادعه لي قال فدعوته له فخرج اليه وعليه قباء منها فقال خبانا هذا لك قال فنظر اليه فقال رضي مخرمة
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ كُنْتُ عَلَى بَكْرٍ صَعْبٍ فَاشْتَرَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ هُوَ لَكَ يَا عَبْدَ اللهِ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি এক বেয়াড়া উটে সাওয়ার ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটি ক্রয় করে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! এটি তোমার।
২৫৯৯. মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার কিছু কবা’ (পোশাক বিশেষ) বণ্টন করলেন। কিন্তু মাখরামাহকে তা হতে একটিও দিলেন না। মাখরামাহ (রাঃ) তখন (ছেলেকে) বললেন, প্রিয় বৎস! আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে নিয়ে চল। [মিসওয়ার (রাঃ) বলেন] আমি তার সঙ্গে গেলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন, যাও, ভেতরে গিয়ে তাঁকে আমার জন্য আহবান জানাও। [মিসওয়ার (রাঃ)] বলেন, অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আহবান জানালাম। তিনি বেরিয়ে এলেন। তখন তাঁর নিকট একটি কবা (জামা/আলখাল্লা) ছিল। তিনি বললেন, এটা আমি তোমার জন্য হিফাযত করে রেখে দিয়েছিলাম। মাখরামাহ (রাঃ) সেটি তাকিয়ে দেখলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, মাখরামাহ খুশী হয়ে গেছে। (২৬৫৭, ৩১২৭, ৫৮৬২, ৬১৩২, মুসলিম ১২/৪৪ হাঃ ১০৫৮, আহমাদ ১৮৯৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৭)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি এক বেয়াড়া উটে সাওয়ার ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটি ক্রয় করে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! এটি তোমার।
২৫৯৯. মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার কিছু কবা’ (পোশাক বিশেষ) বণ্টন করলেন। কিন্তু মাখরামাহকে তা হতে একটিও দিলেন না। মাখরামাহ (রাঃ) তখন (ছেলেকে) বললেন, প্রিয় বৎস! আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে নিয়ে চল। [মিসওয়ার (রাঃ) বলেন] আমি তার সঙ্গে গেলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন, যাও, ভেতরে গিয়ে তাঁকে আমার জন্য আহবান জানাও। [মিসওয়ার (রাঃ)] বলেন, অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আহবান জানালাম। তিনি বেরিয়ে এলেন। তখন তাঁর নিকট একটি কবা (জামা/আলখাল্লা) ছিল। তিনি বললেন, এটা আমি তোমার জন্য হিফাযত করে রেখে দিয়েছিলাম। মাখরামাহ (রাঃ) সেটি তাকিয়ে দেখলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, মাখরামাহ খুশী হয়ে গেছে। (২৬৫৭, ৩১২৭, ৫৮৬২, ৬১৩২, মুসলিম ১২/৪৪ হাঃ ১০৫৮, আহমাদ ১৮৯৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৭)
হাদিস নং: ২৬০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن محبوب حدثنا عبد الواحد حدثنا معمر عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن عن ابي هريرة قال جاء رجل الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال هلكت فقال وما ذاك قال وقعت باهلي في رمضان قال تجد رقبة قال لا قال فهل تستطيع ان تصوم شهرين متتابعين قال لا قال فتستطيع ان تطعم ستين مسكينا قال لا قال فجاء رجل من الانصار بعرق والعرق المكتل فيه تمر فقال اذهب بهذا فتصدق به قال على احوج منا يا رسول الله والذي بعثك بالحق ما بين لابتيها اهل بيت احوج منا قال اذهب فاطعمه اهلك
২৬০০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এল এবং বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তা কী? সে বলল, আমি রমাযানে দিনের বেলা স্ত্রী সম্ভোগ করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি কোন গোলাম আযাদ করতে পারবে? সে বলল, না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এক নাগাড়ে দু’মাস সিয়াম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে তুমি কি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে? সে বলল, না। বর্ণনকারী বলেন, ইতোমধ্যে এক আনসারী এক আরক খেজুর নিয়ে আসল। আরক হল নির্দিষ্ট মাপের খেজুর মাপার পাত্র। তিনি বললেন, যাও, এটা নিয়ে গিয়ে সাদাকা করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের চেয়ে বেশি অভাবী এমন কাউকে সাদাকা করে দিব? যিনি আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন, তাঁর কসম! কঙ্করময় মরুভূমির মাঝে (অর্থাৎ মদিনা্য়) আমাদের চেয়ে অভাবী কোন ঘর নেই। শেষে তিনি বললেন, যাও তা তোমার পরিবার-পরিজনদের খাওয়াও। (১৯৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৮)
হাদিস নং: ২৬০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس وقال الليث حدثني يونس عن ابن شهاب قال حدثني ابن كعب بن مالك ان جابر بن عبد الله رضي الله عنهما اخبره ان اباه قتل يوم احد شهيدا فاشتد الغرماء في حقوقهم فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلمته فسالهم ان يقبلوا ثمر حاىطي ويحللوا ابي فابوا فلم يعطهم رسول الله صلى الله عليه وسلم حاىطي ولم يكسره لهم ولكن قال ساغدو عليك ان شاء الله فغدا علينا حين اصبح فطاف في النخل ودعا في ثمره بالبركة فجددتها فقضيتهم حقوقهم وبقي لنا من ثمرها بقية ثم جىت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو جالس فاخبرته بذلك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمر اسمع وهو جالس يا عمر فقال الا يكون قد علمنا انك رسول الله والله انك لرسول الله
قَالَ شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ هُوَ جَائِزٌ وَوَهَبَ الحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَام لِرَجُلٍ دَيْنَهُ وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَنْ كَانَ لَهُ عَلَيْهِ حَقٌّ فَلْيُعْطِهِ أَوْ لِيَتَحَلَّلْهُ مِنْهُ فَقَالَ جَابِرٌ قُتِلَ أَبِيْ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ فَسَأَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم غُرَمَاءَهُ أَنْ يَقْبَلُوْا ثَمَرَ حَائِطِيْ وَيُحَلِّلُوْا أَبِي
শু‘বা (রহ.) হাকাম (রহ.) থেকে বর্ণনা করে বলেন যে, তা বৈধ। হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) তার পাওনা টাকা এক ব্যক্তিকে দান করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কারো যিম্মায় কোন হক থাকলে তার দায়িত্ব সেটা পরিশোধ করে দেয়া, কিংবা হকদারের নিকট হতে মাফ করিয়ে নেয়া। জাবির (রাঃ) বলেন, আমার পিতা ঋণগ্রস্ত অবস্থায় শহীদ হলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার বাগানের খেজুরের বিনিময়ে আমার পিতাকে ঋণ হতে মুক্ত করতে পাওনাদারদেরকে বললেন।
২৬০১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধে তাঁর পিতা শহীদ হলেন। পাওনাদাররা তাদের পাওনা আদায়ের ব্যাপারে শক্ত মনোভাব অবলম্বন করল। তখন আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হাযির হয়ে তাঁকে এ বিষয়ে বললাম। তখন তিনি তাদেরকে আমার বাগানের খেজুর নিয়ে আমার পিতাকে ঋণমুক্ত করতে বললেন। কিন্তু তারা অস্বীকার করল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার বাগান তাদের দিলেন না এবং তাদের ফল কাটতেও দিলেন না। বরং তিনি বললেন, আগামীকাল ভোরে আমি তোমাদের নিকট যাব। জাবির (রাঃ) বলেন, পরদিন সকালে তিনি আমাদের নিকট আগমন করলেন এবং খেজুর বাগানে ঘুরে ঘুরে ফলের বরকতের জন্য দু‘আ করলেন। অতঃপর আমি ফল কেটে এনে তাদের ঋণ পরিশোধ করলাম। অতঃপরও সেই ফলের কিছু অংশ রয়ে গেল। পরে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হাযির হয়ে তাঁকে সে সম্পর্কে জানালাম। তখন তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমরকে বললেন, শোন হে উমর! তখন তিনিও সেখানে উপবিষ্ট ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমরা কি আগে থেকেই জানি না যে, আপনি আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! নিঃসন্দেহে আপনি আল্লাহর রাসূল। (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৯)
শু‘বা (রহ.) হাকাম (রহ.) থেকে বর্ণনা করে বলেন যে, তা বৈধ। হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) তার পাওনা টাকা এক ব্যক্তিকে দান করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কারো যিম্মায় কোন হক থাকলে তার দায়িত্ব সেটা পরিশোধ করে দেয়া, কিংবা হকদারের নিকট হতে মাফ করিয়ে নেয়া। জাবির (রাঃ) বলেন, আমার পিতা ঋণগ্রস্ত অবস্থায় শহীদ হলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার বাগানের খেজুরের বিনিময়ে আমার পিতাকে ঋণ হতে মুক্ত করতে পাওনাদারদেরকে বললেন।
২৬০১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধে তাঁর পিতা শহীদ হলেন। পাওনাদাররা তাদের পাওনা আদায়ের ব্যাপারে শক্ত মনোভাব অবলম্বন করল। তখন আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হাযির হয়ে তাঁকে এ বিষয়ে বললাম। তখন তিনি তাদেরকে আমার বাগানের খেজুর নিয়ে আমার পিতাকে ঋণমুক্ত করতে বললেন। কিন্তু তারা অস্বীকার করল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার বাগান তাদের দিলেন না এবং তাদের ফল কাটতেও দিলেন না। বরং তিনি বললেন, আগামীকাল ভোরে আমি তোমাদের নিকট যাব। জাবির (রাঃ) বলেন, পরদিন সকালে তিনি আমাদের নিকট আগমন করলেন এবং খেজুর বাগানে ঘুরে ঘুরে ফলের বরকতের জন্য দু‘আ করলেন। অতঃপর আমি ফল কেটে এনে তাদের ঋণ পরিশোধ করলাম। অতঃপরও সেই ফলের কিছু অংশ রয়ে গেল। পরে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হাযির হয়ে তাঁকে সে সম্পর্কে জানালাম। তখন তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমরকে বললেন, শোন হে উমর! তখন তিনিও সেখানে উপবিষ্ট ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমরা কি আগে থেকেই জানি না যে, আপনি আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! নিঃসন্দেহে আপনি আল্লাহর রাসূল। (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৯)
হাদিস নং: ২৬০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن ابي حازم عن سهل بن سعد ان النبي صلى الله عليه وسلم اتي بشراب فشرب وعن يمينه غلام وعن يساره الاشياخ فقال للغلام ان اذنت لي اعطيت هولاء فقال ما كنت لاوثر بنصيبي منك يا رسول الله احدا فتله في يده
وَقَالَتْ أَسْمَاءُ لِلْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ وَابْنِ أَبِيْ عَتِيْقٍ وَرِثْتُ عَنْ أُخْتِيْ عَائِشَةَ مَالًا بِالْغَابَةِ وَقَدْ أَعْطَانِيْ بِهِ مُعَاوِيَةُ مِائَةَ أَلْفٍ فَهُوَ لَكُمَا
আসমা (রাঃ) কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ এবং ইবনু আবূ ‘আতীক (রহ.)-কে বলেছেন, আমি আমার বোন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট হতে উত্তরাধিকারসূত্রে গানাহ নামক স্থানে কিছু সম্পত্তি পেয়েছি। আর মু‘আবিয়াহ (রাঃ) আমাকে এর পরিবর্তে এক লাখ দিরহাম দিয়েছিলেন। এগুলো তোমাদের দু’জনের।
২৬০২. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট কিছু পানীয় উপস্থিত করা হল। সেখান হতে কিছু তিনি নিজে পান করলেন। তাঁর ডান পার্শ্বে ছিল এক যুবক আর বাম পার্শ্বে ছিলেন বৃদ্ধগণ। তখন তিনি যুবককে বললেন, তুমি আমাকে অনুমতি দিলে এদেরকে আমি দিতে পারি। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার (বারকাত) হতে আমার প্রাপ্য অংশের ব্যাপারে আমি অন্য কাউকে অগ্রগণ্য করতে পারি না। তখন তিনি তার হাতে পাত্রটি সজোরে রেখে দিলেন। (২৩৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩০)
আসমা (রাঃ) কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ এবং ইবনু আবূ ‘আতীক (রহ.)-কে বলেছেন, আমি আমার বোন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট হতে উত্তরাধিকারসূত্রে গানাহ নামক স্থানে কিছু সম্পত্তি পেয়েছি। আর মু‘আবিয়াহ (রাঃ) আমাকে এর পরিবর্তে এক লাখ দিরহাম দিয়েছিলেন। এগুলো তোমাদের দু’জনের।
২৬০২. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট কিছু পানীয় উপস্থিত করা হল। সেখান হতে কিছু তিনি নিজে পান করলেন। তাঁর ডান পার্শ্বে ছিল এক যুবক আর বাম পার্শ্বে ছিলেন বৃদ্ধগণ। তখন তিনি যুবককে বললেন, তুমি আমাকে অনুমতি দিলে এদেরকে আমি দিতে পারি। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার (বারকাত) হতে আমার প্রাপ্য অংশের ব্যাপারে আমি অন্য কাউকে অগ্রগণ্য করতে পারি না। তখন তিনি তার হাতে পাত্রটি সজোরে রেখে দিলেন। (২৩৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩০)
হাদিস নং: ২৬০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ثابت حدثنا مسعر عن محارب عن جابر اتيت النبي صلى الله عليه وسلم في المسجد فقضاني وزادني
وَقَدْ وَهَبَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ لِهَوَازِنَ مَا غَنِمُوْا مِنْهُمْ وَهُوَ غَيْرُ مَقْسُومٍ
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ হাওয়াযিন গোত্রের নিকট হতে যে গনীমত লাভ করেছিলেন, তা বণ্টিত না হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে তা দান করে দিয়েছিলেন।
২৬০৩. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মসজিদে উপস্থিত হলাম, তিনি আমাকে মূল্য পরিশোধ করলেন এবং আরো বেশি দিলেন। (৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬২৭ অধ্যায় )
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ হাওয়াযিন গোত্রের নিকট হতে যে গনীমত লাভ করেছিলেন, তা বণ্টিত না হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে তা দান করে দিয়েছিলেন।
২৬০৩. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মসজিদে উপস্থিত হলাম, তিনি আমাকে মূল্য পরিশোধ করলেন এবং আরো বেশি দিলেন। (৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬২৭ অধ্যায় )
হাদিস নং: ২৬০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن محارب سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول بعت من النبي صلى الله عليه وسلم بعيرا في سفر فلما اتينا المدينة قال اىت المسجد فصل ركعتين فوزن قال شعبة اراه فوزن لي فارجح فما زال معي منها شيء حتى اصابها اهل الشام يوم الحرة
২৬০৪. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একটা উট বিক্রয় করলাম। মদিনা্য় ফিরে এসে তিনি আমাকে বললেন, মসজিদে এস, দু’রাক‘আত সালাত আদায় কর। অতঃপর তিনি উটের দাম ওজন করে দিলেন। রাবী শু‘বা (রহ.) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন, অতঃপর তিনি আমাকে ওজন করে উটের দাম দিলেন এবং বলেন, তিনি ওজনে প্রাপ্যের অধিক দিলেন। হার্রা যুদ্ধের সময় সিরিয়াবাসীর ছিনিয়ে নেয়ার আগে পর্যন্ত আমার নিকট ঐ মালের কিছু অবশিষ্ট ছিল। (৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩১)
হাদিস নং: ২৬০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة عن مالك عن ابي حازم عن سهل بن سعد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بشراب وعن يمينه غلام وعن يساره اشياخ فقال للغلام اتاذن لي ان اعطي هولاء فقال الغلام لا والله لا اوثر بنصيبي منك احدا فتله في يده.
২৬০৫. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট কিছু পানীয় উপস্থিত করা হল। তখন তাঁর ডানপাশে ছিল এক যুবক আর বামপাশে ছিল কয়েকজন বৃদ্ধ। তিনি যুবককে বললেন, তুমি কি আমাকে এই পানীয় এদের দেয়ার অনুমতি দিবে? যুবক বলল, না, আল্লাহর কসম! আপনার বরকত হতে আমার প্রাপ্য অংশের ক্ষেত্রে আমি কাউকে অগ্রাধিকার দিব না। তখন তিনি পান পাত্র তার হাতে সজোরে রেখে দিলেন। (২৩৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩২)
হাদিস নং: ২৬০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عثمان بن جبلة قال اخبرني ابي عن شعبة عن سلمة قال سمعت ابا سلمة عن ابي هريرة قال كان لرجل على رسول الله صلى الله عليه وسلم دين فهم به اصحابه فقال دعوه فان لصاحب الحق مقالا وقال اشتروا له سنا فاعطوها اياه فقالوا انا لا نجد سنا الا سنا هي افضل من سنه قال فاشتروها فاعطوها اياه فان من خيركم احسنكم قضاء.
২৬০৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তির কিছু ঋণ ছিল। (তাগাদা করতে এসে সে অশোভনীয় কিছু শুরু করলে) সাহাবীগণ তাকে কিছু করতে চাইলেন। তিনি তাদের বললেন, তাকে ছেড়ে দাও, পাওনাদারের কিছু বলার হক আছে। তিনি তাদের আরও বললেন, তাকে এক বছর বয়সী একটি উট খরিদ করে দাও। সাহাবীগণ বললেন, আমরা তো তার দেয়া এক বছর বয়সের উটের মতো পাচ্ছি না; বরং তার চেয়ে ভালো উট পাচ্ছি। তিনি বললেন, তবে তাই কিনে তাকে দিয়ে দাও। কেননা যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে, সে তোমাদের সর্বোত্তম ব্যক্তিদের মধ্যে। কিংবা তিনি বলেছেন, সে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৩)
হাদিস নং: ২৬০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة ان مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة اخبراه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال حين جاءه وفد هوازن مسلمين فسالوه ان يرد اليهم اموالهم وسبيهم فقال لهم معي من ترون واحب الحديث الي اصدقه فاختاروا احدى الطاىفتين اما السبي واما المال وقد كنت استانيت وكان النبي صلى الله عليه وسلم انتظرهم بضع عشرة ليلة حين قفل من الطاىف فلما تبين لهم ان النبي صلى الله عليه وسلم غير راد اليهم الا احدى الطاىفتين قالوا فانا نختار سبينا فقام في المسلمين فاثنى على الله بما هو اهله ثم قال اما بعد فان اخوانكم هولاء جاءونا تاىبين واني رايت ان ارد اليهم سبيهم فمن احب منكم ان يطيب ذلك فليفعل ومن احب ان يكون على حظه حتى نعطيه اياه من اول ما يفيء الله علينا فليفعل فقال الناس طيبنا يا رسول الله لهم فقال لهم انا لا ندري من اذن منكم فيه ممن لم ياذن فارجعوا حتى يرفع الينا عرفاوكم امركم فرجع الناس فكلمهم عرفاوهم ثم رجعوا الى النبي صلى الله عليه وسلم فاخبروه انهم طيبوا واذنوا وهذا الذي بلغنا من سبي هوازن هذا اخر قول الزهري يعني فهذا الذي بلغنا.
২৬০৭-২৬০৮. মারওয়ান ইবনু হাকাম (রহ.) ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাওয়াযিন গোত্রের লোকেরা ইসলাম গ্রহণের পর প্রতিনিধি হিসাবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এল এবং তাদের সম্পদ ও যুদ্ধবন্দী ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন জানাল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে বললেন, তোমরা দেখছ আমার সঙ্গে আরো লোক আছে। আমার নিকট সত্য কথা হল অধিক প্রিয়। তোমরা যুদ্ধবন্দী অথবা সম্পদ এ দুয়ের একটি বেছে নাও। আমি তো তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। (রাবী বলেন) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তায়েফ হতে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’টির যে কোন একটিই শুধু তাদের ফিরিয়ে দিবেন, তখন তারা বলল, তবে তো আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করব। অতঃপর তিনি মুসলিমদের সামনে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর যথাযোগ্য প্রশংসা করে বললেন, আম্মাবাদ। তোমাদের এই ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের নিকট এসেছে, আর আমি তাদেরকে তাদের বন্দী ফিরিয়ে দেয়া সঠিক মনে করছি, কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া পছন্দ করে, তারা যেন তা করে। আর যারা নিজেদের অংশ পেতে পছন্দ করে এরূপভাবে যে, আল্লাহ আমাকে প্রথমে যে ফায় সম্পদ দান করবেন, তা হতে তাদের প্রাপ্য অংশ আদায় করে দিব, তারা যেন তা করে। সকলেই তখন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা প্রসন্নচিত্তে তা মেনে নিলাম। তিনি তাদের বললেন, তোমাদের মধ্যে কারা অনুমতি দিলে আর কারা দিলে না, তা-তো আমি বুঝতে পারলাম না। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। তোমাদের নেতারা তোমাদের মতামত আমার নিকট পেশ করবে। অতঃপর লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের নেতারা তাদের সঙ্গে আলোচনা করল। পরে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে জানাল যে, প্রসন্নচিত্তে অনুমতি দিয়েছে। হাওয়াযিনের বন্দী সম্পর্কে আমাদের নিকট এতটুকুই পৌঁছেছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, এই শেষ অংশটুকুই ইমাম যুহরী (রহ.)-এর বক্তব্য। (২৩০৭, ২৩০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৪)
হাদিস নং: ২৬০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة ان مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة اخبراه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال حين جاءه وفد هوازن مسلمين فسالوه ان يرد اليهم اموالهم وسبيهم فقال لهم معي من ترون واحب الحديث الي اصدقه فاختاروا احدى الطاىفتين اما السبي واما المال وقد كنت استانيت وكان النبي صلى الله عليه وسلم انتظرهم بضع عشرة ليلة حين قفل من الطاىف فلما تبين لهم ان النبي غير راد اليهم الا احدى الطاىفتين قالوا فانا نختار سبينا فقام في المسلمين فاثنى على الله بما هو اهله ثم قال اما بعد فان اخوانكم هولاء جاءونا تاىبين واني رايت ان ارد اليهم سبيهم فمن احب منكم ان يطيب ذلك فليفعل ومن احب ان يكون على حظه حتى نعطيه اياه من اول ما يفيء الله علينا فليفعل فقال الناس طيبنا يا رسول الله لهم فقال لهم انا لا ندري من اذن منكم فيه ممن لم ياذن فارجعوا حتى يرفع الينا عرفاوكم امركم فرجع الناس فكلمهم عرفاوهم ثم رجعوا الى النبي صلى الله عليه وسلم فاخبروه انهم طيبوا واذنوا وهذا الذي بلغنا من سبي هوازن هذا اخر قول الزهري يعني فهذا الذي بلغنا.
২৬০৭-২৬০৮. মারওয়ান ইবনু হাকাম (রহ.) ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাওয়াযিন গোত্রের লোকেরা ইসলাম গ্রহণের পর প্রতিনিধি হিসাবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এল এবং তাদের সম্পদ ও যুদ্ধবন্দী ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন জানাল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে বললেন, তোমরা দেখছ আমার সঙ্গে আরো লোক আছে। আমার নিকট সত্য কথা হল অধিক প্রিয়। তোমরা যুদ্ধবন্দী অথবা সম্পদ এ দুয়ের একটি বেছে নাও। আমি তো তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। (রাবী বলেন) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তায়েফ হতে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’টির যে কোন একটিই শুধু তাদের ফিরিয়ে দিবেন, তখন তারা বলল, তবে তো আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করব। অতঃপর তিনি মুসলিমদের সামনে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর যথাযোগ্য প্রশংসা করে বললেন, আম্মাবাদ। তোমাদের এই ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের নিকট এসেছে, আর আমি তাদেরকে তাদের বন্দী ফিরিয়ে দেয়া সঠিক মনে করছি, কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া পছন্দ করে, তারা যেন তা করে। আর যারা নিজেদের অংশ পেতে পছন্দ করে এরূপভাবে যে, আল্লাহ আমাকে প্রথমে যে ফায় সম্পদ দান করবেন, তা হতে তাদের প্রাপ্য অংশ আদায় করে দিব, তারা যেন তা করে। সকলেই তখন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা প্রসন্নচিত্তে তা মেনে নিলাম। তিনি তাদের বললেন, তোমাদের মধ্যে কারা অনুমতি দিলে আর কারা দিলে না, তা-তো আমি বুঝতে পারলাম না। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। তোমাদের নেতারা তোমাদের মতামত আমার নিকট পেশ করবে। অতঃপর লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের নেতারা তাদের সঙ্গে আলোচনা করল। পরে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে জানাল যে, প্রসন্নচিত্তে অনুমতি দিয়েছে। হাওয়াযিনের বন্দী সম্পর্কে আমাদের নিকট এতটুকুই পৌঁছেছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, এই শেষ অংশটুকুই ইমাম যুহরী (রহ.)-এর বক্তব্য। (২৩০৭, ২৩০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৪)
হাদিস নং: ২৬০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا شعبة عن سلمة بن كهيل عن ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم انه اخذ سنا فجاء صاحبه يتقاضاه فقالوا له فقال ان لصاحب الحق مقالا ثم قضاه افضل من سنه وقال افضلكم احسنكم قضاء
وَيُذْكَرُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ جُلَسَاءَهُ شُرَكَاءُ وَلَمْ يَصِحَّ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে উল্লেখ করা হয়েছে, সঙ্গীরাও শরীক থাকবে, কিন্তু তা সহীহ নয়।
২৬০৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দিষ্ট বয়সের একটি উট ধার নিয়েছিলেন। কিছুদিন পর উটের মালিক এসে তাগাদা দিল। সাহাবীগণও তাকে কিছু বললেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পাওনাদারদের কিছু বলার হক আছে। অতঃপর তিনি তাকে তার উটের চেয়ে উত্তম উট পরিশোধ করলেন এবং বললেন, ভালভাবে ঋণ পরিশোধকারী ব্যক্তিই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে উল্লেখ করা হয়েছে, সঙ্গীরাও শরীক থাকবে, কিন্তু তা সহীহ নয়।
২৬০৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দিষ্ট বয়সের একটি উট ধার নিয়েছিলেন। কিছুদিন পর উটের মালিক এসে তাগাদা দিল। সাহাবীগণও তাকে কিছু বললেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পাওনাদারদের কিছু বলার হক আছে। অতঃপর তিনি তাকে তার উটের চেয়ে উত্তম উট পরিশোধ করলেন এবং বললেন, ভালভাবে ঋণ পরিশোধকারী ব্যক্তিই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৫)
হাদিস নং: ২৬১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن عمرو عن ابن عمر رضي الله عنهما انه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فكان على بكر لعمر صعب فكان يتقدم النبي صلى الله عليه وسلم فيقول ابوه يا عبد الله لا يتقدم النبي احد فقال له النبي صلى الله عليه وسلم بعنيه فقال عمر هو لك فاشتراه ثم قال هو لك يا عبد الله فاصنع به ما شىت.
২৬১০. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন এবং তখন ইবনু ‘উমার ‘উমার (রাঃ) একটি বেয়াড়া উটে সাওয়ার ছিলেন। উটটি বারবার নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আগে যাচ্ছিল। আর তার পিতা ‘উমার (রাঃ) তাকে বলছিলেন, হে ‘আবদুল্লাহ! নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আগে চলা কারো জন্য উচিত নয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, এটা আমার নিকট বিক্রি কর। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এটাতো আপনার। তখন তিনি সেটা ক্রয় করে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! এটা তোমার। কাজেই এটা দিয়ে তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পার। (২১১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৬)
হাদিস নং: ২৬১১
সহিহ (Sahih)
وقال الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو عن ابن عمر رضي الله عنهما قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر وكنت على بكر صعب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعمر بعنيه فابتاعه فقال النبي صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد الله
২৬১১. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম আর আমি (আমার পিতার) একটি বেয়াড়া উটের উপর সাওয়ার ছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমরকে বললেন, এটা আমার নিকট বেঁচে দাও। তিনি তা বেঁচে দিলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ, এটা তোমার। (২১১৫) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৩০ অধ্যায়)
হাদিস নং: ২৬১২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال راى عمر بن الخطاب حلة سيراء عند باب المسجد فقال يا رسول الله لو اشتريتها فلبستها يوم الجمعة وللوفد قال انما يلبسها من لا خلاق له في الاخرة ثم جاءت حلل فاعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم عمر منها حلة وقال اكسوتنيها وقلت في حلة عطارد ما قلت فقال اني لم اكسكها لتلبسها فكساها عمر اخا له بمكة مشركا
২৬১২. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) মসজিদের দ্বার প্রান্তে একজোড়া রেশমী বস্ত্র দেখে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা যদি আপনি ক্রয় করে নেন এবং তা জুমু‘আর দিনে ও প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পরিধান করতেন। তখন তিনি বললেন, এ তো সে-ই পরিধান করে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। পরে কিছু রেশমী জোড়া আসলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে থেকে ‘উমার (রাঃ)-কে এক জোড়া দান করলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনি এটা আমাকে পরিধান করতে দিলেন অথচ (আগে) রেশমী কাপড় সম্পর্কে আপনি যা বলার বলেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তো এটা তোমাকে পরিধানের জন্য দেইনি। তখন ‘উমার (রাঃ) তা মক্কার তার এক মুশরিক ভাইকে দিয়ে দিলেন। (৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৭)
হাদিস নং: ২৬১৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن جعفر ابو جعفر حدثنا ابن فضيل عن ابيه عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال اتى النبي صلى الله عليه وسلم بيت فاطمة فلم يدخل عليها وجاء علي فذكرت له ذلك فذكره للنبي صلى الله عليه وسلم قال اني رايت على بابها سترا موشيا فقال ما لي وللدنيا فاتاها علي فذكر ذلك لها فقالت ليامرني فيه بما شاء قال ترسل به الى فلان اهل بيت بهم حاجة
২৬১৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা ফাতিমাহর ঘরে গেলেন। কিন্তু ভিতরে প্রবেশ করলেন না। ‘আলী (রাঃ) ঘরে এলে ফাতিমাহ (রাঃ) তাকে ঘটনা জানালেন। তিনি আবার নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি নিবেদন করলেন। তখন তিনি বললেন, আমি তার দরজায় নকশা করা পর্দা ঝুলতে দেখেছি। দুনিয়ার চাকচিক্যের সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক? ‘আলী (রাঃ) ফাতিমাহর নিকট এসে ঘটনা খুলে বললেন। ফাতিমাহ (রাঃ) বললেন, তিনি আমাকে এ সম্পর্কে যা ইচ্ছা নির্দেশ দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, অমুক পরিবারের অমুকের নিকট এটা পাঠিয়ে দাও; তাদের প্রয়োজন আছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৮)
হাদিস নং: ২৬১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال اخبرني عبد الملك بن ميسرة قال سمعت زيد بن وهب عن علي قال اهدى الي النبي صلى الله عليه وسلم حلة سيراء فلبستها فرايت الغضب في وجهه فشققتها بين نساىي.
২৬১৪. আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন। আমি তা পরিধান করলাম। তাঁর মুখমণ্ডল
ে গোস্বার ভাব দেখতে পেয়ে আমি আমার মহিলাদের মাঝে তা ভাগ করে দিয়ে দিলাম। (৫৩৬৬, ৫৮৪০, মুসলিম ৩৭/আ্উয়ালুল কিতাব হাঃ ২০৭১, আহমাদ ১১৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৯)
ে গোস্বার ভাব দেখতে পেয়ে আমি আমার মহিলাদের মাঝে তা ভাগ করে দিয়ে দিলাম। (৫৩৬৬, ৫৮৪০, মুসলিম ৩৭/আ্উয়ালুল কিতাব হাঃ ২০৭১, আহমাদ ১১৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৩৯)
হাদিস নং: ২৬১৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا يونس بن محمد حدثنا شيبان عن قتادة حدثنا انس قال اهدي للنبي صلى الله عليه وسلم جبة سندس وكان ينهى عن الحرير فعجب الناس منها فقال والذي نفس محمد بيده لمناديل سعد بن معاذ في الجنة احسن من هذا
وَقَالَ أَبُوْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَاجَرَ إِبْرَاهِيْمُ عَلَيْهِ السَّلَام بِسَارَةَ فَدَخَلَ قَرْيَةً فِيْهَا مَلِكٌ أَوْ جَبَّارٌ فَقَالَ أَعْطُوْهَا آجَرَ وَأُهْدِيَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَاةٌ فِيْهَا سُمٌّ وَقَالَ أَبُوْ حُمَيْدٍ أَهْدَى مَلِكُ أَيْلَةَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَغْلَةً بَيْضَاءَ وَكَسَاهُ بُرْدًا وَكَتَبَ لَهُ بِبَحْرِهِمْ.-
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন যে, ইবরাহীম (আ) (স্ত্রী সারাকে নিয়ে হিজরতকালে এমন এক জনপদে উপস্থিত হলেন, যেখানে ছিল এক বাদশাহ অথবা রাবী বলেন, প্রতাপশালী শাসক। সে বলল, সারার কাছে উপহার স্বরূপ হাজিরাকে দিয়ে দাও। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বিষ মিশানো বকরীর মাংস হাদিয়া দেয়া হয়েছিল। আবূ হুমাইদ (রহ.) বলেন, আয়িলার শাসক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একটি সাদা খচ্চর উপহার দিয়েছিলেন, প্রতিদানে তিনি তাকে একটি চাদর দিয়েছিলেন আর সেখানকার শাসক হিসাবে তাকে নিয়োগ পত্র লিখে দিয়েছিলেন।
২৬১৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একটি রেশমী জুববা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। এতে সাহাবীগণ খুশী হলেন। তখন তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম! যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমালগুলো এর চেয়ে উৎকৃষ্ট। (২৬১৬, ৩২৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪০ প্রথমাংশ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন যে, ইবরাহীম (আ) (স্ত্রী সারাকে নিয়ে হিজরতকালে এমন এক জনপদে উপস্থিত হলেন, যেখানে ছিল এক বাদশাহ অথবা রাবী বলেন, প্রতাপশালী শাসক। সে বলল, সারার কাছে উপহার স্বরূপ হাজিরাকে দিয়ে দাও। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বিষ মিশানো বকরীর মাংস হাদিয়া দেয়া হয়েছিল। আবূ হুমাইদ (রহ.) বলেন, আয়িলার শাসক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একটি সাদা খচ্চর উপহার দিয়েছিলেন, প্রতিদানে তিনি তাকে একটি চাদর দিয়েছিলেন আর সেখানকার শাসক হিসাবে তাকে নিয়োগ পত্র লিখে দিয়েছিলেন।
২৬১৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একটি রেশমী জুববা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। এতে সাহাবীগণ খুশী হলেন। তখন তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম! যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমালগুলো এর চেয়ে উৎকৃষ্ট। (২৬১৬, ৩২৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪০ প্রথমাংশ)
হাদিস নং: ২৬১৬
সহিহ (Sahih)
وقال سعيد عن قتادة عن انس ان اكيدر دومة اهدى الى النبي صلى الله عليه وسلم .
২৬১৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, দুমার উকাইদির নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে হাদিয়া দিয়েছিলেন। (২৬১৫, মুসলিম ৪৪/২৪ হাঃ ২৪৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪০ শেষাংশ)