হাদিস নং: ২৫৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن انس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال اتي النبي صلى الله عليه وسلم بلحم فقيل تصدق على بريرة قال " هو لها صدقة، ولنا هدية ".
২৫৭৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে কিছু মাংস আনা হল। তখন বলা হল যে, এট আসলে বারীরার নিকট সাদাকারূপে এসেছিল। তখন তিনি বললেন, এটা তার জন্য সাদাকা আর আমাদের জন্য হাদিয়া। (১৪৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪০৭)
হাদিস নং: ২৫৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عبد الرحمن بن القاسم قال سمعته منه عن القاسم عن عاىشة رضي الله عنها انها ارادت ان تشتري بريرة وانهم اشترطوا ولاءها فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم اشتريها فاعتقيها فانما الولاء لمن اعتق واهدي لها لحم فقيل للنبي صلى الله عليه وسلم هذا تصدق على بريرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم هو لها صدقة ولنا هدية وخيرت قال عبد الرحمن زوجها حر او عبد قال شعبة سالت عبد الرحمن عن زوجها قال لا ادري احر ام عبد.
২৫৭৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বারীরাহ (রাঃ)-কে খরিদ করার ইচ্ছা করলে তার মালিক পক্ষ ওয়ালার শর্তারোপ করল। তখন বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সামনে আলোচিত হল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তাকে খরিদ করে আযাদ করে দাও। কেননা যে আযাদ করল, সেই ওয়ালা লাভ করবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর জন্য কিছু মাংস হাদিয়া পাঠানো হল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলা হল যে, এ মাংস বারীরাকে সাদাকা করা হয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা তার জন্য সাদাকা আর আমাদের জন্য হাদিয়া। তাকে (স্বামী বহাল রাখা বা পরিত্যাগ করার ব্যাপারে) স্বীয় ইচ্ছামাফিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার দেয়া হল। (রাবী) ‘আবদুর রহমান (রহ.) বলেন, তার স্বামী তখন আযাদ কিংবা গোলাম ছিল। শু‘বা (রহ.) বলেন, পরে আমি ‘আবদুর রহমান (রহ.)-কে তার স্বামী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আমি জানি না, সে আযাদ ছিল না গোলাম ছিল। (৪৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪০৮)
হাদিস নং: ২৫৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن مقاتل ابو الحسن اخبرنا خالد بن عبد الله عن خالد الحذاء عن حفصة بنت سيرين عن ام عطية قالت دخل النبي صلى الله عليه وسلم على عاىشة رضي الله عنها فقال عندكم شيء قالت لا الا شيء بعثت به ام عطية من الشاة التي بعثت اليها من الصدقة قال انها قد بلغت محلها.
২৫৭৯. উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরে এসে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের নিকট খাবার কিছু আছে কি? তিনি বললেন, না; উম্মে আতিয়্যা প্রেরিত বকরির কিছু গোশ্ত ছাড়া, যা আপনি তাকে সাদাকা হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বললেন, সাদাকা তো যথাস্থানে পৌঁছে গেছে। (১৪৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪০৯)
হাদিস নং: ২৫৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها قالت كان الناس يتحرون بهداياهم يومي وقالت ام سلمة ان صواحبي اجتمعن فذكرت له فاعرض عنها
২৫৮০. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা তাদের হাদিয়া পাঠাবার ব্যাপারে আমার জন্য নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করত। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, আমার সতীনগণ একত্রিত হলেন। ফলে উম্মু সালামাহ (রাঃ) বিষয়টি তাঁর নিকট উত্থাপন করলেন, কিন্তু তিনি ব্যাপারটি এড়িয়ে গেলেন। (২৫৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১০)
হাদিস নং: ২৫৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني اخي عن سليمان عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها ان نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم كن حزبين فحزب فيه عاىشة وحفصة وصفية وسودة والحزب الاخر ام سلمة وساىر نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان المسلمون قد علموا حب رسول الله صلى الله عليه وسلم عاىشة فاذا كانت عند احدهم هدية يريد ان يهديها الى رسول الله صلى الله عليه وسلم اخرها حتى اذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت عاىشة بعث صاحب الهدية بها الى رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت عاىشة فكلم حزب ام سلمة فقلن لها كلمي رسول الله صلى الله عليه وسلم يكلم الناس فيقول من اراد ان يهدي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم هدية فليهده اليه حيث كان من بيوت نساىه فكلمته ام سلمة بما قلن فلم يقل لها شيىا فسالنها فقالت ما قال لي شيىا فقلن لها فكلميه قالت فكلمته حين دار اليها ايضا فلم يقل لها شيىا فسالنها فقالت ما قال لي شيىا فقلن لها كلميه حتى يكلمك فدار اليها فكلمته فقال لها لا توذيني في عاىشة فان الوحي لم ياتني وانا في ثوب امراة الا عاىشة قالت فقالت اتوب الى الله من اذاك يا رسول الله ثم انهن دعون فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فارسلت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم تقول ان نساءك ينشدنك الله العدل في بنت ابي بكر فكلمته فقال يا بنية الا تحبين ما احب قالت بلى فرجعت اليهن فاخبرتهن فقلن ارجعي اليه فابت ان ترجع فارسلن زينب بنت جحش فاتته فاغلظت وقالت ان نساءك ينشدنك الله العدل في بنت ابن ابي قحافة فرفعت صوتها حتى تناولت عاىشة وهي قاعدة فسبتها حتى ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لينظر الى عاىشة هل تكلم قال فتكلمت عاىشة ترد على زينب حتى اسكتتها قالت فنظر النبي صلى الله عليه وسلم الى عاىشة وقال انها بنت ابي بكر
قال البخاري الكلام الاخير قصة فاطمة يذكر عن هشام بن عروة عن رجل عن الزهري عن محمد بن عبد الرحمن وقال ابو مروان عن هشام عن عروة كان الناس يتحرون بهداياهم يوم عاىشة وعن هشام عن رجل من قريش ورجل من الموالي عن الزهري عن محمد بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام قالت عاىشة كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فاستاذنت فاطمة
قال البخاري الكلام الاخير قصة فاطمة يذكر عن هشام بن عروة عن رجل عن الزهري عن محمد بن عبد الرحمن وقال ابو مروان عن هشام عن عروة كان الناس يتحرون بهداياهم يوم عاىشة وعن هشام عن رجل من قريش ورجل من الموالي عن الزهري عن محمد بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام قالت عاىشة كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فاستاذنت فاطمة
২৫৮১. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ দু’দলে বিভক্ত ছিলেন। একদলে ছিলেন ‘আয়িশা, হাফসাহ, সাফিয়্যাহ ও সাওদা (রাযিয়াল্লাহু আনহুন্না), অপর দলে ছিলেন উম্মু সালামাহ (রাঃ) সহ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অন্যান্য স্ত্রীগণ। ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর প্রতি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিশেষ ভালোবাসার কথা সাহাবীগণ জানতেন। তাই তাদের মধ্যে কেউ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট কিছু হাদিয়া পাঠাতে চাইলে তা বিলম্বিত করতেন। যেদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করতেন, সেদিন হাদিয়া দাতা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে তাঁরা পাঠিয়ে দিতেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর দল তা নিয়ে আলোচনা করলেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে তাঁরা বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে আপনি আলাপ করুন। তিনি যেন লোকদের বলে দেন যে, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হাদিয়া পাঠাতে চান, তারা যেন তাঁর নিকট পাঠিয়ে দেন, যে স্ত্রীর ঘরেই তিনি থাকুন না কেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) তাদের প্রস্তাব নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ করলেন। কিন্তু তিনি তাঁকে কোন জবাব দিলেন না। পরে সবাই তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তিনি আমাকে কোন জবাব দিলেন না। তখন তাঁরা তাকে বললেন, আপনি তার সঙ্গে আবার কথা বলুন। (‘আয়িশাহ) বলেন, যেদিন তিনি [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] তাঁর (উম্মু সালামাহ’র) ঘরে গেলেন, সেদিন তিনি আবার তাঁর নিকট কথা তুললেন। সেদিনও তিনি তাকে কিছু বললেন না। অতঃপর তারা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তিনি বললেন, আমাকে তিনি কিছুই বলেননি। তখন তাঁরা তাঁকে বললেন, তিনি কোন জবাব না দেয়া পর্যন্ত আপনি বলতে থাকুন। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] তার ঘরে গেলে আবার তিনি তাঁর নিকট সে প্রসঙ্গ তুললেন। এবার তিনি তাকে বললেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ব্যাপার নিয়ে আমাকে কষ্ট দিও না। মনে রেখ, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ব্যতীত আর কোন স্ত্রীর বস্ত্র তুলে থাকা অবস্থায় আমার উপর ওয়াহী নাযিল হয়নি। [‘আয়িশাহ (রাঃ)] বলেন, এ কথা শুনে তিনি [উম্মু সালামাহ (রাঃ)] বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে কষ্ট দেয়া হতে আমি আল্লাহর নিকট তওবা করছি। অতঃপর সকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ)-কে এনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এ কথা বলার জন্য পাঠালেন যে, আপনার স্ত্রীগণ আল্লাহর দোহাই দিয়ে আবূ বকর (রাঃ)-এর কন্যা সম্পর্কে ইনসাফের আবেদন জানালেন। [ফাতিমা (রাঃ)] তাঁর নিকট বিষয়টি তুলে ধরলেন। তখন তিনি বললেন, প্রিয় কন্যা! আমি যা ভালবাসি তুমি কি তাই ভালবাস না? তিনি বললেন, অবশ্যই করি। অতঃপর তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে (আদ্যোপান্ত) অবহিত করলেন। তাঁরা তাঁকে বললেন, তুমি আবার যাও। কিন্তু এবার তিনি যেতে অস্বীকার করলেন। তখন তারা যায়নাব বিনতু জাহাশ (রাঃ)-কে পাঠালেন। তিনি তাঁর নিকট গিয়ে কঠোর ভাষা ব্যবহার করলেন এবং বললেন, আপনার স্ত্রীগণ আল্লাহর দোহাই দিয়ে ইবনু আবূ কুহাফার [আবূ বকর (রাঃ) কন্যা সম্পর্কে ইনসাফের আবেদন জানাচ্ছেন। অতঃপর তিনি গলার স্বর উঁচু করলেন। এমনকি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জড়িয়েও কিছু বললেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সেখানে বসা ছিলেন। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে দেখছিলেন। তিনি কিছু বলেন কিনা।
রাবী ‘উরওয়াহ (রাঃ)] বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) যায়নাব (রাঃ)-এর কথার প্রস্তুতি বাদে কথা বলতে শুরু করলেন এবং তাকে চুপ করে দিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, এ হচ্ছে আবূ বকর (রাঃ)-এর কন্যা। আবূ মারওয়ান গাস্সানী (রাঃ) হিশাম এর সূত্রে ‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বলেন, লোকেরা তাদের হাদিয়াসমূহ নিয়ে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর জন্য নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করত। অন্য সনদে হিশাম (রহ.) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাম (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ছিলাম, এমন সময় ফাতিমাহ (রাঃ) অনুমতি চাইলেন। (২৫৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১১)
রাবী ‘উরওয়াহ (রাঃ)] বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) যায়নাব (রাঃ)-এর কথার প্রস্তুতি বাদে কথা বলতে শুরু করলেন এবং তাকে চুপ করে দিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, এ হচ্ছে আবূ বকর (রাঃ)-এর কন্যা। আবূ মারওয়ান গাস্সানী (রাঃ) হিশাম এর সূত্রে ‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বলেন, লোকেরা তাদের হাদিয়াসমূহ নিয়ে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর জন্য নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করত। অন্য সনদে হিশাম (রহ.) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাম (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ছিলাম, এমন সময় ফাতিমাহ (রাঃ) অনুমতি চাইলেন। (২৫৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১১)
হাদিস নং: ২৫৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عزرة بن ثابت الانصاري قال حدثني ثمامة بن عبد الله قال دخلت عليه فناولني طيبا قال كان انس لا يرد الطيب قال وزعم انس ان النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يرد الطيب
২৫৮২. ‘আযরাহ ইবনু সাবিত আনসারী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা সুমামাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.)-এর নিকট গেলাম, তিনি আমাকে সুগন্ধি দিলেন এবং বললেন, আনাস (রাঃ) কখনো সুগন্ধি দ্রব্য ফিরিয়ে দিতেন না। তিনি আরো বলেন, আর আনাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুগন্ধি ফিরিয়ে দিতেন না। (৫৯২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১২)
হাদিস নং: ২৫৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن ابي مريم حدثنا الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال ذكر عروة ان المسور بن مخرمة رضي الله عنهما ومروان اخبراه ان النبي صلى الله عليه وسلم حين جاءه وفد هوازن قام في الناس فاثنى على الله بما هو اهله ثم قال اما بعد فان اخوانكم جاءونا تاىبين واني رايت ان ارد اليهم سبيهم فمن احب منكم ان يطيب ذلك فليفعل ومن احب ان يكون على حظه حتى نعطيه اياه من اول ما يفيء الله علينا فقال الناس طيبنا لك
২৫৮৩-২৫৮৪. মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও মারওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তারা বলেন, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলেন। তখন তিনি লোকদের সামনে ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করলেন। অতঃপর বললেন, তোমার ভাইয়েরা আমাদের নিকট তওবা করে এসেছে। আমি তাদেরকে তাদের যুদ্ধবন্দীদের ফেরত দেয়া সঙ্গত মনে করছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে করতে চায় তারা যেন তা করে। আর যে নিজের অংশ রেখে দিতে চায়, এভাবে প্রথম যে ফায়* আল্লাহ আমাদের দান করবেন সেখান হতে তার হিস্সা আদায় করে দিব। তখন সকলেই বললেন, আমরা আপনার সন্তুষ্টির জন্য তা করলাম। (২৩০৮, ২৩০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৩)
নোট: * বিনা যুদ্ধে লব্ধ পরিত্যক্ত শত্রু সম্পদ
হাদিস নং: ২৫৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن ابي مريم حدثنا الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال ذكر عروة ان المسور بن مخرمة رضي الله عنهما ومروان اخبراه ان النبي صلى الله عليه وسلم حين جاءه وفد هوازن قام في الناس فاثنى على الله بما هو اهله ثم قال اما بعد فان اخوانكم جاءونا تاىبين واني رايت ان ارد اليهم سبيهم فمن احب منكم ان يطيب ذلك فليفعل ومن احب ان يكون على حظه حتى نعطيه اياه من اول ما يفيء الله علينا فقال الناس طيبنا لك
২৫৮৩-২৫৮৪. মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও মারওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তারা বলেন, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলেন। তখন তিনি লোকদের সামনে ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করলেন। অতঃপর বললেন, তোমার ভাইয়েরা আমাদের নিকট তওবা করে এসেছে। আমি তাদেরকে তাদের যুদ্ধবন্দীদের ফেরত দেয়া সঙ্গত মনে করছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে করতে চায় তারা যেন তা করে। আর যে নিজের অংশ রেখে দিতে চায়, এভাবে প্রথম যে ফায়* আল্লাহ আমাদের দান করবেন সেখান হতে তার হিস্সা আদায় করে দিব। তখন সকলেই বললেন, আমরা আপনার সন্তুষ্টির জন্য তা করলাম। (২৩০৮, ২৩০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৩)
নোট: * বিনা যুদ্ধে লব্ধ পরিত্যক্ত শত্রু সম্পদ
হাদিস নং: ২৫৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عيسى بن يونس عن هشام عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ويثيب عليها لم يذكر وكيع ومحاضر عن هشام عن ابيه عن عاىشة
২৫৮৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন এবং তার প্রতিদানও দিতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, ওয়াকী ও মুহাযির (রহ.) হিশাম তার পিতা সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে উল্লেখ করেননি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৪)
হাদিস নং: ২৫৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن ومحمد بن النعمان بن بشير انهما حدثاه عن النعمان بن بشير ان اباه اتى به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اني نحلت ابني هذا غلاما فقال اكل ولدك نحلت مثله قال لا قال فارجعه.
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم اعْدِلُوْا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ فِي الْعَطِيَّةِ وَهَلْ لِلْوَالِدِ أَنْ يَرْجِعَ فِيْ عَطِيَّتِهِ وَمَا يَأْكُلُ مِنْ مَالِ وَلَدِهِ بِالْمَعْرُوفِ وَلَا يَتَعَدَّى وَاشْتَرَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ عُمَرَ بَعِيْرًا ثُمَّ أَعْطَاهُ ابْنَ عُمَرَ وَقَالَ اصْنَعْ بِهِ مَا شِئْتَ
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, সন্তানদেরকে কিছু দেয়ার ক্ষেত্রে তোমরা ইনসাফপূর্ণ আচরণ কর। কিছু দান করে পিতার পক্ষে ফেরত নেয়া বৈধ কি? পুত্রের সম্পদ হতে ন্যায়সঙ্গতভাবে পিতা খেতে পারবে, তবে সীমালঙ্ঘন করবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি উট ক্রয় করলেন, পরে ইবনু ‘উমারকে তা দান করে বললেন, এটা যে কোন কাজে লাগাতে পার।
২৫৮৬. নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তার পিতা তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এলেন এবং বললেন, আমি আমার এই পুত্রকে একটি গোলাম দান করেছি। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সব পুত্রকেই কি তুমি এরূপ দান করেছ। তিনি বললেন, না; তিনি বললেন, তবে তুমি তা ফিরিয়ে নাও। (২৫৮৭, ২৬৫০, মুসলিম ২৪/৩ হাঃ ১৬২৩, আহমাদ ১৮৩৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, সন্তানদেরকে কিছু দেয়ার ক্ষেত্রে তোমরা ইনসাফপূর্ণ আচরণ কর। কিছু দান করে পিতার পক্ষে ফেরত নেয়া বৈধ কি? পুত্রের সম্পদ হতে ন্যায়সঙ্গতভাবে পিতা খেতে পারবে, তবে সীমালঙ্ঘন করবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি উট ক্রয় করলেন, পরে ইবনু ‘উমারকে তা দান করে বললেন, এটা যে কোন কাজে লাগাতে পার।
২৫৮৬. নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তার পিতা তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এলেন এবং বললেন, আমি আমার এই পুত্রকে একটি গোলাম দান করেছি। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সব পুত্রকেই কি তুমি এরূপ দান করেছ। তিনি বললেন, না; তিনি বললেন, তবে তুমি তা ফিরিয়ে নাও। (২৫৮৭, ২৬৫০, মুসলিম ২৪/৩ হাঃ ১৬২৩, আহমাদ ১৮৩৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৫)
হাদিস নং: ২৫৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا حامد بن عمر حدثنا ابو عوانة عن حصين عن عامر قال سمعت النعمان بن بشير رضي الله عنهما وهو على المنبر يقول اعطاني ابي عطية فقالت عمرة بنت رواحة لا ارضى حتى تشهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اني اعطيت ابني من عمرة بنت رواحة عطية فامرتني ان اشهدك يا رسول الله قال اعطيت ساىر ولدك مثل هذا قال لا قال فاتقوا الله واعدلوا بين اولادكم قال فرجع فرد عطيته.
২৫৮৭. আমির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-কে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি যে, আমার পিতা আমাকে কিছু দান করেছিলেন। তখন (আমার মাতা) আমরা বিনতে রাওয়াহা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সাক্ষী রাখা ব্যতীত সম্মত নই। তখন তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন, আমরা বিনতে রাওয়াহার গর্ভজাত আমার পুত্রকে কিছু দান করেছি। হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে সাক্ষী রাখার জন্য সে আমাকে বলেছে। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সব ছেলেকেই কি এ রকম করেছ? তিনি বললেন, না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আল্লাহকে ভয় কর এবং আপন সন্তানদের মাঝে সমতা রক্ষা কর। [নু‘মান (রাঃ)] বলেন, অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন এবং তার দান ফিরিয়ে নিলেন। (২৫৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৬)
হাদিস নং: ২৫৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا هشام عن معمر عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله قالت عاىشة رضي الله عنها لما ثقل النبي صلى الله عليه وسلم فاشتد وجعه استاذن ازواجه ان يمرض في بيتي فاذن له فخرج بين رجلين تخط رجلاه الارض وكان بين العباس وبين رجل اخر فقال عبيد الله فذكرت لابن عباس ما قالت عاىشة فقال لي وهل تدري من الرجل الذي لم تسم عاىشة قلت لا قال هو علي بن ابي طالب
قَالَ إِبْرَاهِيْمُ جَائِزَةٌ وَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيْزِ لَا يَرْجِعَانِ وَاسْتَأْذَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم نِسَاءَهُ فِيْ أَنْ يُمَرَّضَ فِيْ بَيْتِ عَائِشَةَ وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْعَائِدُ فِيْ هِبَتِهِ كَالْكَلْبِ يَعُوْدُ فِيْ قَيْئِهِ
وَقَالَ الزُّهْرِيُّ فِيْمَنْ قَالَ لِامْرَأَتِهِ هَبِيْ لِيْ بَعْضَ صَدَاقِكِ أَوْ كُلَّهُ ثُمَّ لَمْ يَمْكُثْ إِلَّا يَسِيْرًا حَتَّى طَلَّقَهَا فَرَجَعَتْ فِيْهِ قَالَ يَرُدُّ إِلَيْهَا إِنْ كَانَ خَلَبَهَا وَإِنْ كَانَتْ أَعْطَتْهُ عَنْ طِيْبِ نَفْسٍ لَيْسَ فِيْ شَيْءٍ مِنْ أَمْرِهِ خَدِيْعَةٌ جَازَ
قَالَ اللهُ تَعَالَى )فَإِنْ طِبْنَ لَكُمْ عَنْ شَيْءٍ مِّنْهُ نَفْسًا فَكُلُوْهُ( (النساء : ৪)
ইবরাহীম (রহ.) বলেছেন, এরূপ দান বৈধ। আর ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) বলেছেন, এ ধরনের দান করে তারা ফিরিয়ে নিতে পারবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণের নিকট ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরে সেবা-শুশ্রুষা গ্রহণের অনুমতি চেয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে আপন দান ফেরত নেয়, সে ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় খায়।
ইমাম যুহরী (রহ.) বলেন, কোন লোক যদি তার স্ত্রীকে বলে, আমাকে তোমার মাহরের কিছু অংশ বা সবটুকু দান করে দাও। অথচ সে দান করার কিছু পরেই তাকে তালাক দিয়ে বসে, আর স্ত্রীও তার দান ফেরত দাবী করে তাহলে তাকে তা ফেরত দিতে হবে; যদি প্রতারণার নীয়তে এ রকম করে থাকে। আর যদি সে খুশী মনে দান করে থাকে, আর স্বামীর আচরণেও প্রতারণা না থাকে তাহলে বৈধ।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘পরে যদি তারা তার কিছু অংশ দান করে দেয় তবে আনন্দ ও তৃপ্তি সহকারে তা ভোগ কর।’’ (সূরা আলে ‘ইমরান ৪)
২৫৮৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভারী হয়ে পড়লেন এবং তাঁর কষ্ট বেড়ে গেল। তখন তিনি তাঁর স্ত্রীগণের নিকট আমার ঘরে শুশ্রুষা পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। তারা তাঁকে সম্মতি দিলেন। অতঃপর একদা দু’ ব্যক্তির উপর ভর করে বের হলেন, তখন তার উভয় পা মাটি স্পর্শ করছিল। তিনি ‘আব্বাস (রাঃ) ও আরেক ব্যক্তির মাঝে ভর দিয়ে চলছিলেন। উবায়দুল্লাহ (রহ.) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) যা বললেন, তা আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট আরয করলাম, তিনি তখন আমাকে বললেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) যার নাম উল্লেখ করলেন না, তিনি কে, তা জান কি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তিনি হলেন ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)। (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৭)
وَقَالَ الزُّهْرِيُّ فِيْمَنْ قَالَ لِامْرَأَتِهِ هَبِيْ لِيْ بَعْضَ صَدَاقِكِ أَوْ كُلَّهُ ثُمَّ لَمْ يَمْكُثْ إِلَّا يَسِيْرًا حَتَّى طَلَّقَهَا فَرَجَعَتْ فِيْهِ قَالَ يَرُدُّ إِلَيْهَا إِنْ كَانَ خَلَبَهَا وَإِنْ كَانَتْ أَعْطَتْهُ عَنْ طِيْبِ نَفْسٍ لَيْسَ فِيْ شَيْءٍ مِنْ أَمْرِهِ خَدِيْعَةٌ جَازَ
قَالَ اللهُ تَعَالَى )فَإِنْ طِبْنَ لَكُمْ عَنْ شَيْءٍ مِّنْهُ نَفْسًا فَكُلُوْهُ( (النساء : ৪)
ইবরাহীম (রহ.) বলেছেন, এরূপ দান বৈধ। আর ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) বলেছেন, এ ধরনের দান করে তারা ফিরিয়ে নিতে পারবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণের নিকট ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরে সেবা-শুশ্রুষা গ্রহণের অনুমতি চেয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে আপন দান ফেরত নেয়, সে ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় খায়।
ইমাম যুহরী (রহ.) বলেন, কোন লোক যদি তার স্ত্রীকে বলে, আমাকে তোমার মাহরের কিছু অংশ বা সবটুকু দান করে দাও। অথচ সে দান করার কিছু পরেই তাকে তালাক দিয়ে বসে, আর স্ত্রীও তার দান ফেরত দাবী করে তাহলে তাকে তা ফেরত দিতে হবে; যদি প্রতারণার নীয়তে এ রকম করে থাকে। আর যদি সে খুশী মনে দান করে থাকে, আর স্বামীর আচরণেও প্রতারণা না থাকে তাহলে বৈধ।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘পরে যদি তারা তার কিছু অংশ দান করে দেয় তবে আনন্দ ও তৃপ্তি সহকারে তা ভোগ কর।’’ (সূরা আলে ‘ইমরান ৪)
২৫৮৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভারী হয়ে পড়লেন এবং তাঁর কষ্ট বেড়ে গেল। তখন তিনি তাঁর স্ত্রীগণের নিকট আমার ঘরে শুশ্রুষা পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। তারা তাঁকে সম্মতি দিলেন। অতঃপর একদা দু’ ব্যক্তির উপর ভর করে বের হলেন, তখন তার উভয় পা মাটি স্পর্শ করছিল। তিনি ‘আব্বাস (রাঃ) ও আরেক ব্যক্তির মাঝে ভর দিয়ে চলছিলেন। উবায়দুল্লাহ (রহ.) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) যা বললেন, তা আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট আরয করলাম, তিনি তখন আমাকে বললেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) যার নাম উল্লেখ করলেন না, তিনি কে, তা জান কি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তিনি হলেন ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)। (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৭)
হাদিস নং: ২৫৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا وهيب حدثنا ابن طاوس عن ابيه عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم العاىد في هبته كالكلب يقيء ثم يعود في قيىه.
২৫৮৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, দান করে তা ফেরত গ্রহণকারী ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে এরপর তার বমি খায়। (২৬২১, ২৬২২, ৬৯৭৫, মুসলিম ২৪/২ হাঃ ১৬২২, আহমাদ ২৬৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৮)
হাদিস নং: ২৫৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج عن ابن ابي مليكة عن عباد بن عبد الله عن اسماء رضي الله عنها قالت قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لي مال الا ما ادخل علي الزبير فاتصدق قال تصدقي ولا توعي فيوعى عليك
قَالَ اللهُ تَعَالَى )وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ( (النساء : ৫)
আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ নির্বোধদের হাতে তোমরা নিজেদের সম্পদ তুলে দিও না। (আলু ‘ইমরানঃ ৫)
২৫৯০. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যুবায়ের (রাঃ) আমার নিকট যে সম্পদ রাখেন, সেগুলো ছাড়া আমার নিজের কোন সম্পদ নেই। এমতাবস্থায় আমি কি সাদাকা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ সাদাকা করতে পার। লুকিয়ে রাখবে না। তাহলে তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখা হবে। (১৪৩৩, মুসলিম ১২/২৮ হাঃ ১০২৯, আহমাদ ২৬৯৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৯)
আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ নির্বোধদের হাতে তোমরা নিজেদের সম্পদ তুলে দিও না। (আলু ‘ইমরানঃ ৫)
২৫৯০. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যুবায়ের (রাঃ) আমার নিকট যে সম্পদ রাখেন, সেগুলো ছাড়া আমার নিজের কোন সম্পদ নেই। এমতাবস্থায় আমি কি সাদাকা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ সাদাকা করতে পার। লুকিয়ে রাখবে না। তাহলে তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখা হবে। (১৪৩৩, মুসলিম ১২/২৮ হাঃ ১০২৯, আহমাদ ২৬৯৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৯)
হাদিস নং: ২৫৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد الله بن سعيد حدثنا عبد الله بن نمير حدثنا هشام بن عروة عن فاطمة عن اسماء ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال انفقي ولا تحصي فيحصي الله عليك ولا توعي فيوعي الله عليك
২৫৯১. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ খরচ কর, আর হিসাব করতে যেওনা, তাহলে আল্লাহ তোমার বেলায় হিসাব করে দিবেন। লুকিয়ে রেখ না, নইলে আল্লাহও তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখবেন। (১৪৩৪, মুসলিম ১২/২৮ হাঃ ১০২৯, আহমাদ ২৬৯৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২০)
হাদিস নং: ২৫৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير عن الليث عن يزيد عن بكير عن كريب مولى ابن عباس ان ميمونة بنت الحارث رضي الله عنها اخبرته انها اعتقت وليدة ولم تستاذن النبي صلى الله عليه وسلم فلما كان يومها الذي يدور عليها فيه قالت اشعرت يا رسول الله اني اعتقت وليدتي قال اوفعلت قالت نعم قال اما انك لو اعطيتها اخوالك كان اعظم لاجرك
وقال بكر بن مضر عن عمرو عن بكير عن كريب ان ميمونة اعتقت
وقال بكر بن مضر عن عمرو عن بكير عن كريب ان ميمونة اعتقت
২৫৯২. মায়মূনাহ বিনতে হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অনুমতি ব্যতীত তিনি আপন বাঁদীকে মুক্ত করে দিলেন। অতঃপর তার ঘরে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবস্থানের দিন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি জানেন না আমি আমার বাঁদী মুক্ত করে দিয়েছি? তিনি বললেন, তুমি কি তা করেছ? মায়মূনাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, শুন! তুমি যদি তোমার মামাদেরকে এটা দান করতে তাহলে তোমার জন্য বেশি নেকির কাজ হত। (২৫৯৪)
অন্য সনদে বাকর ইবনু মুযার (রহ.) ---- কুরায়ব (রহ.) হতে বর্ণিত যে, মায়মূনাহ (রাঃ) গোলাম মুক্ত করেছেন। (মুসলিম ১২/১৪, হাঃ ৯৯৯, আহমাদ ২৬৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২১)
অন্য সনদে বাকর ইবনু মুযার (রহ.) ---- কুরায়ব (রহ.) হতে বর্ণিত যে, মায়মূনাহ (রাঃ) গোলাম মুক্ত করেছেন। (মুসলিম ১২/১৪, হাঃ ৯৯৯, আহমাদ ২৬৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২১)
হাদিস নং: ২৫৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا حبان بن موسى اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اراد سفرا اقرع بين نساىه فايتهن خرج سهمها خرج بها معه وكان يقسم لكل امراة منهن يومها وليلتها غير ان سودة بنت زمعة وهبت يومها وليلتها لعاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تبتغي بذلك رضا رسول الله صلى الله عليه وسلم .
২৫৯৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সফরের মনস্থ করলে স্ত্রীগণের মধ্যে কুরআর ব্যবস্থা করতেন। যার নাম আসত তিনি তাঁকে নিয়েই সফরে বের হতেন। এছাড়া প্রত্যেক স্ত্রীর জন্য একদিন এক রাত নির্দিষ্ট করে দিতেন। তবে সাওদা বিনতে যাম‘আহ (রাঃ) নিজের দিন ও রাত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে দান করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সন্তুষ্টি কামনা করতেন। (২৬৩৭, ২৬৬১, ২৬৮৮, ২৮৭৯, ৪০২৫, ৪১৪১, ৪৬৯০, ৪৭৪৯, ৪৭৫০, ৪৭৫৭, ৫২১২, ৬৬৬২, ৬৬৭৯, ৭৩৬৯, ৭৩৭০,৭৫০০, ৭৫৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২২)
হাদিস নং: ২৫৯৪
সহিহ (Sahih)
وقال بكر عن عمرو عن بكير عن كريب مولى ابن عباس ان ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم اعتقت وليدة لها فقال لها ولو وصلت بعض اخوالك كان اعظم لاجرك
২৫৯৪. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী মায়মূনাহ (রাঃ) তার এক বাঁদীকে মুক্ত করে দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন তাকে বললেন, তুমি যদি একে তোমার মামাদের কাউকে দিয়ে দিতে তবে তোমার অধিক পুণ্য হত। (২৫৯২)
হাদিস নং: ২৫৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن ابي عمران الجوني عن طلحة بن عبد الله رجل من بني تيم بن مرة عن عاىشة رضي الله عنها قالت قلت يا رسول الله ان لي جارين فالى ايهما اهدي قال الى اقربهما منك بابا.
২৫৯৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। এ দু’জনের কাকে আমি হাদিয়া দিব? তিনি ইরশাদ করলেন, এ দু’জনের মাঝে যার দরজা তোমার বেশি নিকটে। (২২৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৩)
হাদিস নং: ২৫৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة ان عبد الله بن عباس رضي الله عنهما اخبره انه سمع الصعب بن جثامة الليثي وكان من اصحاب النبي يخبر انه اهدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم حمار وحش وهو بالابواء او بودان وهو محرم فرده قال صعب فلما عرف في وجهي رده هديتي قال ليس بنا رد عليك ولكنا حرم.
وَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيْزِ كَانَتْ الْهَدِيَّةُ فِيْ زَمَنِ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم هَدِيَّةً وَالْيَوْمَ رِشْوَةٌ.
‘উমার ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয (রহ.) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে হাদিয়া ছিল, কিন্তু আজকাল তা ঘুষে পরিণত হয়েছে।
২৫৯৬. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী সা‘আব ইবনু জাস্সামা লাইসী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তিনি একটি বন্য গাধা হাদিয়া দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ইহরাম অবস্থায় আবওয়াহ কিংবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। কাজেই তিনি সেটা ফিরিয়ে দিলেন। সা‘আব (রাঃ) বলেন, যখন তিনি আমার চেহারায় হাদিয়া ফিরিয়ে দেয়ার ছাপ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় না থাকলে তোমার হাদিয়া ফিরিয়ে দিতাম না। (১৮২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৪)
‘উমার ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয (রহ.) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে হাদিয়া ছিল, কিন্তু আজকাল তা ঘুষে পরিণত হয়েছে।
২৫৯৬. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী সা‘আব ইবনু জাস্সামা লাইসী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তিনি একটি বন্য গাধা হাদিয়া দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ইহরাম অবস্থায় আবওয়াহ কিংবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। কাজেই তিনি সেটা ফিরিয়ে দিলেন। সা‘আব (রাঃ) বলেন, যখন তিনি আমার চেহারায় হাদিয়া ফিরিয়ে দেয়ার ছাপ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় না থাকলে তোমার হাদিয়া ফিরিয়ে দিতাম না। (১৮২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪২৪)