অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫১/১. হিবা ও এর ফযীলত
মোট ৭১ টি হাদিস
হাদিস নং: ২৬১৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا خالد بن الحارث حدثنا شعبة عن هشام بن زيد عن انس بن مالك ان يهودية اتت النبي صلى الله عليه وسلم بشاة مسمومة فاكل منها فجيء بها فقيل الا نقتلها قال لا فما زلت اعرفها في لهوات رسول الله صلى الله عليه وسلم .
২৬১৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে বিষ মিশানো বকরী নিয়ে এল। সেখান হতে কিছু অংশ তিনি খেলেন, অতঃপর মহিলাকে হাযির করা হল। তখন বলা হল, আপনি কি একে হত্যা করবেন না? তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর তালুতে আমি বরাবরই বিষক্রিয়ার আলামত দেখতে পেতাম। (মুসলিম ৩৯/১৭ হাঃ ২১৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪১)
হাদিস নং: ২৬১৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو النعمان حدثنا المعتمر بن سليمان عن ابيه عن ابي عثمان عن عبد الرحمن بن ابي بكر رضي الله عنهما قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين وماىة فقال النبي صلى الله عليه وسلم هل مع احد منكم طعام فاذا مع رجل صاع من طعام او نحوه فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها فقال النبي صلى الله عليه وسلم بيعا ام عطية او قال ام هبة قال لا بل بيع فاشترى منه شاة فصنعت وامر النبي صلى الله عليه وسلم بسواد البطن ان يشوى وايم الله ما في الثلاثين والماىة الا قد حز النبي صلى الله عليه وسلم له حزة من سواد بطنها ان كان شاهدا اعطاها اياه وان كان غاىبا خبا له فجعل منها قصعتين فاكلوا اجمعون وشبعنا ففضلت القصعتان فحملناه على البعير او كما قال.
২৬১৮. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা একশ’ ত্রিশজন ব্যক্তি ছিলাম। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কারো সঙ্গে কি খাবার আছে? দেখা গেল, এক ব্যক্তির সঙ্গে এক সা‘ কিংবা তার কমবেশী পরিমাণ খাদ্য আছে। সে আটা গোলানো হল। অতঃপর দীর্ঘ দেহী এলোমেলো চুলওয়ালা এক মুশরিক এক পাল বকরী হাঁকিয়ে নিয়ে এল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন- বিক্রি করবে, না উপহার দিবে? সে বললঃ না, বরং বিক্রি করব। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার নিকট হতে একটা বকরী কিনে নিলেন। সেটাকে যবেহ করা হল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বকরীর কলিজা ভুনা করার আদেশ দিলেন। আল্লাহর কসম! একশ’ ত্রিশজনের প্রত্যেককে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই কলিজার কিছু কিছু করে দিলেন। উপস্থিতদের হাতে দিলেন; আর অনুপস্থিত ছিল তার জন্য তুলে রাখলেন। অতঃপর দু’টি পাত্রে তিনি মাংস ভাগ করে রাখলেন। সবাই পরিতৃপ্ত হয়ে খেল। আর উভয় পাত্রে কিছু উদ্বৃত্ত রয়ে গেল। সেগুলো আমরা উটের পিঠে উঠিয়ে নিলাম। অথবা রাবী যা বললেন। (২২১৬, মুসলিম আওয়ালুল কিতাব/৩২ হাঃ ২০৫৬, আহমাদ ১৭০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪২)
হাদিস নং: ২৬১৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال قال حدثني عبد الله بن دينار عن ابن عمر رضي الله عنهما قال راى عمر حلة على رجل تباع فقال للنبي صلى الله عليه وسلم ابتع هذه الحلة تلبسها يوم الجمعة واذا جاءك الوفد فقال انما يلبس هذا من لا خلاق له في الاخرة فاتي رسول الله صلى الله عليه وسلم منها بحلل فارسل الى عمر منها بحلة فقال عمر كيف البسها وقد قلت فيها ما قلت قال اني لم اكسكها لتلبسها تبيعها او تكسوها فارسل بها عمر الى اخ له من اهل مكة قبل ان يسلم.
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )لَا يَنْهَاكُمْ اللهُ عَنِ الَّذِيْنَ لَمْ يُقَاتِلُوْكُمْ فِي الدِّيْنِ وَلَمْ يُخْرِجُوْكُمْ مِّنْ دِيَارِكُمْ أَنْ تَبَرُّوْهُمْ وَتُقْسِطُوْا إِلَيْهِمْ إِنَّ اللهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِيْنَ( (الممتحنة : 8)

আল্লাহ তা‘আলার ইরশাদঃ (মুশরিকদের মধ্যে) দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালোবাসেন। (সূরা আল-মুমতাহিনাঃ ৮)


২৬১৯. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) এক ব্যক্তিকে রেশমী  বস্ত্র বিক্রি করতে দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললেন, এ জোড়াটি খরিদ করে নিন। জুমুআর দিনে এবং যখন আপনার নিকট কোন প্রতিনিধি দল আসে, তখন তা পরিধান করবেন। তিনি বললেন, এসব তো তারাই পরিধান করে, যাদের আখিরাতে কোন হিস্সা নেই। পরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট কয়েক জোড়া রেশমী কাপড় এল। সেগুলো হতে একটি জোড়া তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বলেন, এটা আমি কিভাবে পরিধান করব। অথচ এ সম্পর্কে আপনি যা বলার বলেছেন। এতে তিনি বললেন, এটা তোমাকে আমি পরিধান করার জন্য দেইনি। হয় এটা বিক্রয় করে দিবে, নতুবা কাউকে দিয়ে দিবে। তখন ‘উমার (রাঃ) সেটা মক্কার বাসিন্দা তাঁর এক ভাইকে ইসলাম গ্রহণের আগে হাদিয়া পাঠালেন। (৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৩)

 
হাদিস নং: ২৬২০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد بن اسماعيل حدثنا ابو اسامة عن هشام عن ابيه عن اسماء بنت ابي بكر رضي الله عنهما قالت قدمت علي امي وهي مشركة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت وهي راغبة افاصل امي قال نعم صلي امك.
২৬২০. আসমা বিনতে আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে আমার আম্মা মুশরিক অবস্থায় আমার নিকট এলেন। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ফাতওয়া চেয়ে বললাম, তিনি আমার প্রতি খুবই আকৃষ্ট, এমতাবস্থায় আমি কি তার সঙ্গে সদাচরণ করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তোমার মায়ের সঙ্গে সদাচরণ কর।  (৩১৮৩, ৫৯৭৮, ৫৯৭৯) (মুসলিম ১২/১৪ হাঃ ১০০৩, আহমাদ ২৬৯৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৪)
হাদিস নং: ২৬২১ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا هشام وشعبة قالا حدثنا قتادة عن سعيد بن المسيب عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم العاىد في هبته كالعاىد في قيىه.
২৬২১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, দান করার পর যে তা ফিরিয়ে নেয়, সে ঐ লোকের মত, যে বমি করে তা আবার খায়। (২৫৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৫)
হাদিস নং: ২৬২২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الرحمن بن المبارك حدثنا عبد الوارث حدثنا ايوب عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ليس لنا مثل السوء الذي يعود في هبته كالكلب يرجع في قيىه
২৬২২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, খারাপ উপমা দেয়া আমাদের জন্য শোভনীয় নয় তবু যে দান করে তা ফিরিয়ে নেয়, সে ঐ কুকুরের মতো, যে বমি করে তা আবার খায়। (২৫৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৬)
হাদিস নং: ২৬২৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن زيد بن اسلم عن ابيه سمعت عمر بن الخطاب يقول حملت على فرس في سبيل الله فاضاعه الذي كان عنده فاردت ان اشتريه منه وظننت انه باىعه برخص فسالت عن ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال لا تشتره وان اعطاكه بدرهم واحد فان العاىد في صدقته كالكلب يعود في قيىه
২৬২৩. ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোককে আমি আমার একটি ঘোড়া আল্লাহর রাস্তায় আরোহণের জন্য দান করলাম। ঘোড়াটি যার নিকট ছিল, সে তার চরম অযত্ন করল। তাই সেটা আমি তার নিকট হতে কিনে নিতে চাইলাম। আমার ধারণা ছিল যে, সে তা কম দামে বিক্রি করবে। এ সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এক দিরহামের বিনিময়েও যদি সে তোমাকে তা দিতে রাজী হয় তবু তুমি তা ক্রয় কর না। কেননা, সাদাকা করার পর যে তা ফিরিয়ে নেয়, সে ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে আবার তা খায়।

(১৪৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৭)
হাদিস নং: ২৬২৪ সহিহ (Sahih)
باب حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا هشام بن يوسف ان ابن جريج اخبرهم قال اخبرني عبد الله بن عبيد الله بن ابي مليكة ان بني صهيب مولى ابن جدعان ادعوا بيتين وحجرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اعطى ذلك صهيبا فقال مروان من يشهد لكما على ذلك قالوا ابن عمر فدعاه فشهد لاعطى رسول الله صهيبا بيتين وحجرة فقضى مروان بشهادته لهم.
২৬২৪. ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু জুদ‘আনের আযাদকৃত গোলাম সুহাইবের সন্তান দু’টি ঘর ও একটি কামরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুহায়ব (রাঃ)-কে দান করেছিলেন বলে দাবী জানান। (মদিনার গভর্নর) মারওয়ান (রহ.) তখন বললেন, এ ব্যাপারে তোমাদের পক্ষে কে সাক্ষী দিবে? তারা বলল, ইবনু ‘উমার (রাঃ)। মারওয়ান (রহ.) তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে ডেকে পাঠালেন। তিনি এ মর্মে সাক্ষ্য দিলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুহায়ব (রাঃ)-কে দু’টি ঘর ও একটি কামরা দান করেছিলেন। তাদের স্বপক্ষে ইবনু ‘উমারের সাক্ষ্য অনুযায়ী মারওয়ান ফায়সালা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৮)
হাদিস নং: ২৬২৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم حدثنا شيبان عن يحيى عن ابي سلمة عن جابر قال قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالعمرى انها لمن وهبت له
أَعْمَرْتُهُ الدَّارَ فَهِيَ عُمْرَى جَعَلْتُهَا لَهُ )اسْتَعْمَرَكُمْ فِيْهَا( (هود : ৬১) جَعَلَكُمْ عُمَّارًا

أَعْمَرْتُهُ الدَّارَ  অর্থাৎ বাড়ীটি তাকে (তার জীবনকাল পর্যন্ত) দান করে দিলাম। আল্লাহর বাণীঃ তোমাদেরকে তিনি তাতে বসবাস করিয়েছেন। (সূরা হূদঃ ৬১)


২৬২৫. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘উমরাহ (বস্তু) সম্পর্কে ফায়সালা দিয়েছেন যে, যাকে দান করা হয়েছে, সে-ই সেটার মালিক হবে। (মুসলিম ২৪/৪ হাঃ ১৬২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪৯)

 
হাদিস নং: ২৬২৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا همام حدثنا قتادة قال حدثني النضر بن انس عن بشير بن نهيك عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال العمرى جاىزة وقال عطاء حدثني جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.
২৬২৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘উমরাহ বৈধ। ‘আতা (রহ.) বলেন, জাবির (রাঃ) আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে একই রকম হাদীস শুনিয়েছেন। (মুসলিম ২৪/৪ হাঃ ১৬২৫, ১৬২৬, আহমাদ ৮৫৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫০)
হাদিস নং: ২৬২৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة عن قتادة قال سمعت انسا يقول كان فزع بالمدينة فاستعار النبي صلى الله عليه وسلم فرسا من ابي طلحة يقال له المندوب فركب فلما رجع قال ما راينا من شيء وان وجدناه لبحرا
২৬২৭. ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, মদিনা্য় একবার শত্রুর আক্রমণের ভয় ছড়িয়ে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি ঘোড়া ধার নিলেন এবং তাতে সাওয়ার হলেন। ঘোড়াটির নাম ছিল মানদূব। অতঃপর তিনি ঘোড়াটিতে টহল দিয়ে ফিরে এসে বললেন, কিছুই তো দেখতে পেলাম না, তবে এই ঘোড়াটিকে আমি সমুদ্রের তরঙ্গের মতো পেয়েছি। (২৮২০, ২৮৫৭, ২৮৬২, ২৮৬৬, ২৮৬৭, ২৯০৮, ২৯৬৮, ২৯৬৯, ৩০৪০, ৬০৩৩, ৬২১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫১)
হাদিস নং: ২৬২৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم حدثنا عبد الواحد بن ايمن قال حدثني ابي قال دخلت على عاىشة رضي الله عنها وعليها درع قطر ثمن خمسة دراهم فقالت ارفع بصرك الى جاريتي انظر اليها فانها تزهى ان تلبسه في البيت وقد كان لي منهن درع على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فما كانت امراة تقين بالمدينة الا ارسلت الي تستعيره.
২৬২৮. আয়মান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট আমি হাযির হলাম। তাঁর গায়ে তখন পাঁচ দিরহাম মূল্যের মোটা কাপড়ের কামিজ ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার এ বাঁদীটার দিকে তাকাও, ঘরের ভিতরে এটা পরতে সে অপছন্দ করে। অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যামানায় মদিনার মেয়েদের মধ্যে আমারই শুধু একটি কামিজ ছিল। মদিনায় কোন মেয়েকে বিয়ের সাজে সাজাতে গেলেই আমার নিকট কাউকে পাঠিয়ে ঐ কামিজটি চেয়ে নিত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫২)
হাদিস নং: ২৬২৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم المنيحة اللقحة الصفي منحة والشاة الصفي تغدو باناء وتروح باناء حدثنا عبد الله بن يوسف واسماعيل عن مالك قال نعم الصدقة
২৬২৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মানীহা হিসাবে অধিক দুগ্ধবতী উটনী ও অধিক দুগ্ধবতী বকরী কতই না উত্তম, যা সকাল বিকাল পাত্র ভর্তি দুধ দেয়। (৫৬০৮, মুসলিম ১২/২২ হাঃ ১০১৯, আহমাদ ১০২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৩)

(ইমাম বুখারী বলেন) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ ও ইসমাঈল (রহ.) হাদীসটি মালিক (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন, এতে তিনি বলেন, সাদাকা হিসাবে কতই না উত্তম (দুগ্ধবতী উটনী, যা মানীহা হিসাবে দেয়া হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৪)
হাদিস নং: ২৬৩০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا ابن وهب حدثنا يونس عن ابن شهاب عن انس بن مالك قال لما قدم المهاجرون المدينة من مكة وليس بايديهم يعني شيىا وكانت الانصار اهل الارض والعقار فقاسمهم الانصار على ان يعطوهم ثمار اموالهم كل عام ويكفوهم العمل والمىونة وكانت امه ام انس ام سليم كانت ام عبد الله بن ابي طلحة فكانت اعطت ام انس رسول الله عذاقا فاعطاهن النبي صلى الله عليه وسلم ام ايمن مولاته ام اسامة بن زيد قال ابن شهاب فاخبرني انس بن مالك ان النبي لما فرغ من قتل اهل خيبر فانصرف الى المدينة رد المهاجرون الى الانصار مناىحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم فرد النبي صلى الله عليه وسلم الى امه عذاقها واعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم ام ايمن مكانهن من حاىطه وقال احمد بن شبيب اخبرنا ابي عن يونس بهذا وقال مكانهن من خالصه
২৬৩০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা হতে মদিনা্য় হিজরতের সময় মুহাজিরদের হাকে কোন কিছু ছিল না। অন্যদিকে আনসারগণ ছিলেন জমি ও ভূসম্পত্তির অধিকারী। তাই আনসারগণ এই শর্তে মুহাজিরদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলেন যে, প্রতি বছর তারা (আনসারগণ)-এর উৎপন্ন ফল ও ফসলের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ তাদের (মুহাজিরগণের) দিবেন আর তারা এ কাজে শ্রম দিবে ও দায়-দায়িত্ব নিবে। আনাসের মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ত্বলহার মা। আনাসের মা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে (ফল ভোগ করার জন্য) কয়েকটি খেজুর গাছ দিয়েছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেগুলো তাঁর আযাদকৃত বাঁদী ‘উসমান ইবনু যায়দের মা উম্মু আয়মানকে দান করে দিয়েছিলেন। ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, আনাস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খায়বারে ইয়াহূদীদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে মদিনা্য় ফিরে এলে মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানের সম্পত্তি ফিরিয়ে দিলেন; যেগুলো ফল ও ফসল ভোগ করার জন্য তারা মুহাজিরদের দান করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও তাঁর (আনাসের) মাকে তার খেজুর গাছগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মু আয়মানকে ঐ গাছগুলোর পরিবর্তে নিজ বাগানের কিছু অংশ দান করলেন। আহমাদ ইবনু শাবীব (রহ.) বলেন, আমার পিতা আমাদেরকে ইউনুসের সূত্রে এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং حَائِطِهِ এর স্থলে خَالِصِهِ বলেছেন, যার অর্থ নিজ ভূমি থেকে। (৩১২৮, ৪০৩০, ৪১২০) (মুসলিম ৩২/২৪, হাঃ ১৭৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৫)
হাদিস নং: ২৬৩১ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عيسى بن يونس حدثنا الاوزاعي عن حسان بن عطية عن ابي كبشة السلولي سمعت عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعون خصلة اعلاهن منيحة العنز ما من عامل يعمل بخصلة منها رجاء ثوابها وتصديق موعودها الا ادخله الله بها الجنة قال حسان فعددنا ما دون منيحة العنز من رد السلام وتشميت العاطس واماطة الاذى عن الطريق ونحوه فما استطعنا ان نبلغ خمس عشرة خصلة
২৬৩১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, চল্লিশটি স্বভাবের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হল দুধ পান করার জন্য কাউকে বকরী দেয়া। কোন বান্দা যদি সওয়াবের আশায় এবং পুরস্কার দানের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস রেখে উক্ত চল্লিশ স্বভাবের যে কোন একটির উপরে আমল করে তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাস্সান (রহ.) বলেন, দুধেল বকরী মানহি দেয়া ব্যতীত আর যে কয়টি স্বভাব আমরা গণনা করলাম, সেগুলো হল সালামের উত্তর দেয়া, হাঁচি দাতার হাঁচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা, পথ হতে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো ইত্যাদি। কিন্তু আমরা পনেরটি স্বভাবের অধিক গণনা করতে পারলাম না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৬)
হাদিস নং: ২৬৩২ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الاوزاعي قال حدثني عطاء عن جابر قال كانت لرجال منا فضول ارضين فقالوا نواجرها بالثلث والربع والنصف فقال النبي صلى الله عليه وسلم من كانت له ارض فليزرعها او ليمنحها
اخاه فان ابى فليمسك ارضه
২৬৩২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু লোকের অতিরিক্ত ভূসম্পত্তি ছিল।। তারা পরস্পর পরামর্শ করে ঠিক করল যে, এগুলো তারা তিন ভাগের এক ভাগ, চার ভাগের এক ভাগ বা অর্ধেক হিসাবে ইজারা দিবে। এ কথা শুনে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কারো অতিরিক্ত জমি থাকলে হয় সে নিজেই চাষ করবে, কিংবা তার ভাইকে তা (চাষ করতে) দিবে। আর তা না করতে চাইলে তা নিজের কাছেই রেখে দিবে। (২৩৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৭)
হাদিস নং: ২৬৩৩ সহিহ (Sahih)
وقال محمد بن يوسف حدثنا الاوزاعي حدثني الزهري حدثني عطاء بن يزيد حدثني ابو سعيد قال جاء اعرابي الى النبي صلى الله عليه وسلم فساله عن الهجرة فقال ويحك ان الهجرة شانها شديد فهل لك من ابل قال نعم قال فتعطي صدقتها قال نعم قال فهل تمنح منها شيىا قال نعم قال فتحلبها يوم وردها قال نعم قال فاعمل من وراء البحار فان الله لن يترك من عملك شيىا.
২৬৩৩. আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে হিজরত সম্পর্কে জানতে চাইল। তিনি তাকে বললেন, থাম! হিজরতের ব্যাপার বড় কঠিন। বরং তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, তুমি কি এর সাদাকা আদায় করে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি দুধ পানের জন্য এগুলো মানীহা হিসাবে দিয়ে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা! পানি পান করানোর উটগুলো দোহন কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি ইরশাদ করলেন, এ যদি হয় তাহলে সাগরের ওপারে হলেও অর্থাৎ তুমি যেখানে থাক ‘আমল করতে থাক। আল্লাহ তোমার ‘আমলের প্রতিদানে কম করবেন না। (৪৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৭ শেষাংশ)
হাদিস নং: ২৬৩৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب حدثنا ايوب عن عمرو عن طاوس قال حدثني اعلمهم بذاك يعني ابن عباس رضي الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج الى ارض تهتز زرعا فقال لمن هذه فقالوا اكتراها فلان فقال اما انه لو منحها اياه كان خيرا له من ان ياخذ عليها اجرا معلوما
২৬৩৪. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার এক জমিতে গেলেন, যার ফসলগুলো আন্দোলিত হচ্ছিল। তিনি জানতে চাইলেন, কার জমি? লোকেরা বলল, অমুক ব্যক্তি এটি ইজারা নিয়েছে। তিনি বললেন, জমিটার নির্দিষ্ট ভাড়া গ্রহণ না করে সে যদি তাকে সাময়িকভাবে তা দিয়ে দিত তবে সেটাই হত তার জন্য উত্তম। (২৩৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ২৪৫৮)
হাদিস নং: ২৬৩৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب حدثنا ابو الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هاجر ابراهيم بسارة فاعطوها اجر فرجعت فقالت اشعرت ان الله كبت الكافر واخدم وليدة
وقال ابن سيرين عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم فاخدمها هاجر.
وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ هَذِهِ عَارِيَّةٌ وَإِنْ قَالَ كَسَوْتُكَ هَذَا الثَّوْبَ فَهُوَ هِبَةٌ

কোন কোন ফিকাহ্ বিশারদ বলেন, এটা আরিয়ত হবে। তবে কেউ যদি বলে, এ কাপড়টি তোমাকে পরিধান করতে দিলাম, তবে তা হিবা হবে।


২৬৩৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বর্ণিত গ্রন্থ হতে বলেছেন, ইবরাহীম (আঃ) সারাকে সঙ্গে নিয়ে হিজরত করলেন। লোকেরা সারার উদ্দেশে হাজিরাকে হাদিয়া দিলেন। তিনি ফিরে এসে (ইবরাহীমকে) বললেন, আপনি কি জেনেছেন, কাফিরকে আল্লাহ পরাস্ত করেছেন এবং সেবার জন্য একটি বালিকা দান করেছেন।

 

ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, অতঃপর (সেই কাফির) সারার উদ্দেশে হাজিরাকে দান করল। (২২১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৯)
হাদিস নং: ২৬৩৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي اخبرنا سفيان قال سمعت مالكا يسال زيد بن اسلم قال سمعت ابي يقول قال عمر حملت على فرس في سبيل الله فرايته يباع فسالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تشتره ولا تعد في صدقتك
وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لَهُ أَنْ يَرْجِعَ فِيْهَا 

আর কোন কোন ফিকাহ্ বিশারদ বলেন, দাতা তা ফিরিয়ে নিতে পারে।


২৬৩৬. ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি জনৈক ব্যক্তিকে আল্লাহর পথে বাহন হিসাবে একটি ঘোড়া দিলাম। পরে তা বিক্রি হতে দেখে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, এটা ক্রয় করো না এবং সাদাকা করা মাল ফিরিয়ে নিও না। (১৪৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৬০)

 
অধ্যায় তালিকা