হাদিস নং: ২৭৭৮
সহিহ (Sahih)
وقال عبدان اخبرني ابي عن شعبة عن ابي اسحاق عن ابي عبد الرحمن ان عثمان حين حوصر اشرف عليهم وقال انشدكم الله ولا انشد الا اصحاب النبي الستم تعلمون ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حفر رومة فله الجنة فحفرتها الستم تعلمون انه قال من جهز جيش العسرة فله الجنة فجهزتهم قال فصدقوه بما قال وقال عمر في وقفه لا جناح على من وليه ان ياكل وقد يليه الواقف وغيره فهو واسع لكل
وَأَوْقَفَ أَنَسٌ دَارًا فَكَانَ إِذَا قَدِمَهَا نَزَلَهَا وَتَصَدَّقَ الزُّبَيْرُ بِدُوْرِهِ وَقَالَ لِلْمَرْدُوْدَةِ مِنْ بَنَاتِهِ أَنْ تَسْكُنَ غَيْرَ مُضِرَّةٍ وَلَا مُضَرٍّ بِهَا فَإِنْ اسْتَغْنَتْ بِزَوْجٍ فَلَيْسَ لَهَا حَقٌّ وَجَعَلَ ابْنُ عُمَرَ نَصِيْبَهُ مِنْ دَارِ عُمَرَ سُكْنَى لِذَوِي الْحَاجَةِ مِنْ آلِ عَبْدِ اللهِ
আনাস (রাঃ) একটি ঘর ওয়াকফ করেন। যখন তিনি সেখানে আসতেন, তখন তাতে অবস্থান করতেন। যুবায়র (রাঃ) তার ঘর সাদাকা করে তার কন্যাদের মধ্যে যারা তালাক প্রাপ্তা তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন যে, কোন প্রকার ক্ষতিসাধন না করে তারা এখানে বসবাস করতে পারবে; এবং তাদেরও যেন কোন কষ্ট দেয়া না হয়। তবে তারা যদি স্বামী গ্রহণ করে অভাবমুক্ত হয়ে যায় তাহলে সেখানে তাদের হক থাকবে না। ইবনু ’উমার (রাঃ) তার পিতা ’উমার (রাঃ)-এর ওয়ারিস হিসেবে যে ঘরটি পেয়েছিলেন সেটি তার অভাবগ্রস্ত বংশধরদের বসবাসের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছিলেন।
২৭৭৮. ’আবদুর রহমান (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ’উসমান (রাঃ) অবরুদ্ধ হলে তিনি উপর থেকে সাহাবীদের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে বললেন, আমি আপনাদের আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদেরকেই আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আপনারা কি জানেন না যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন, যে ব্যক্তি রূমার কুপটি খনন করে দিবে সে জান্নাতী এবং আমি তা খনন করে দিয়েছি। আপনারা কি জানেন না যে, তিনি বলেছিলেন, যে ব্যক্তি তাবূকের যুদ্ধে সেনাদের সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেবে, সে জান্নাতী এবং আমি তা ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবীগণ তাঁর কথা সত্য বলে স্বীকার করলেন। ’উমার (রাঃ) তাঁর কথা সম্পর্কে বলেছিলেন, মুতওয়াল্লীর জন্য তা থেকে আহার করতে কোন দোষ নেই। ওয়াক্ফকারী কখনো নিজে মুতওয়াল্লী হয় আবার কখনো অপর ব্যক্তি হয়। এ ব্যাপারে সকলের জন্য প্রশস্ততা রয়েছে (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুঃ ৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ ১৭৩৮ শেষাংশ)
আনাস (রাঃ) একটি ঘর ওয়াকফ করেন। যখন তিনি সেখানে আসতেন, তখন তাতে অবস্থান করতেন। যুবায়র (রাঃ) তার ঘর সাদাকা করে তার কন্যাদের মধ্যে যারা তালাক প্রাপ্তা তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন যে, কোন প্রকার ক্ষতিসাধন না করে তারা এখানে বসবাস করতে পারবে; এবং তাদেরও যেন কোন কষ্ট দেয়া না হয়। তবে তারা যদি স্বামী গ্রহণ করে অভাবমুক্ত হয়ে যায় তাহলে সেখানে তাদের হক থাকবে না। ইবনু ’উমার (রাঃ) তার পিতা ’উমার (রাঃ)-এর ওয়ারিস হিসেবে যে ঘরটি পেয়েছিলেন সেটি তার অভাবগ্রস্ত বংশধরদের বসবাসের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছিলেন।
২৭৭৮. ’আবদুর রহমান (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ’উসমান (রাঃ) অবরুদ্ধ হলে তিনি উপর থেকে সাহাবীদের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে বললেন, আমি আপনাদের আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদেরকেই আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আপনারা কি জানেন না যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন, যে ব্যক্তি রূমার কুপটি খনন করে দিবে সে জান্নাতী এবং আমি তা খনন করে দিয়েছি। আপনারা কি জানেন না যে, তিনি বলেছিলেন, যে ব্যক্তি তাবূকের যুদ্ধে সেনাদের সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেবে, সে জান্নাতী এবং আমি তা ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবীগণ তাঁর কথা সত্য বলে স্বীকার করলেন। ’উমার (রাঃ) তাঁর কথা সম্পর্কে বলেছিলেন, মুতওয়াল্লীর জন্য তা থেকে আহার করতে কোন দোষ নেই। ওয়াক্ফকারী কখনো নিজে মুতওয়াল্লী হয় আবার কখনো অপর ব্যক্তি হয়। এ ব্যাপারে সকলের জন্য প্রশস্ততা রয়েছে (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুঃ ৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ ১৭৩৮ শেষাংশ)
হাদিস নং: ২৭৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عبد الوارث عن ابي التياح عن انس قال النبي صلى الله عليه وسلم يا بني النجار ثامنوني بحاىطكم قالوا لا نطلب ثمنه الا الى الله
২৭৭৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে বানূ নাজ্জার! তোমাদের বাগানটি মূল্য নির্ধারণ করে আমার নিকট বিক্রি করে দাও। তারা বলল, আমরা এর মূল্য একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে চাই না। (২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫৮৬)
হাদিস নং: ২৭৮০
সহিহ (Sahih)
وقال لي علي بن عبد الله حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا ابن ابي زاىدة، عن محمد بن ابي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد بن جبير، عن ابيه، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بارض ليس بها مسلم، فلما قدما بتركته فقدوا جاما من فضة مخوصا من ذهب، فاحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم وجد الجام بمكة فقالوا ابتعناه من تميم وعدي. فقام رجلان من اولياىه، فحلفا لشهادتنا احق من شهادتهما، وان الجام لصاحبهم. قال وفيهم نزلت هذه الاية (يا ايها الذين امنوا شهادة بينكم اذا حضر احدكم الموت)
يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا شَهَادَةُ بَيْنِكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ حِيْنَ الْوَصِيَّةِ اثْنَانِ ذَوَا عَدْلٍ مِّنْكُمْ أَوْ اٰخَرَانِ مِنْ غَيْرِكُمْ إِنْ أَنْتُمْ ضَرَبْتُمْ فِي الْأَرْضِ فَأَصٰبَتْكُمْ مُصِيْبَةُ الْمَوْتِ تَحْبِسُوْنَهُمَا مِنْم بَعْدِ الصَّلَاةِ فَيُقْسِمَانِ بِاللهِ إِنِ ارْتَبْتُمْ لَا نَشْتَرِيْ بِهِ ثَمَنًا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبٰى وَلَاَ نَكْتُمُ شَهَادَةَ اللهِ إِنَّآ إِذًا لَّمِنَ الْآثِمِيْنَ فَإِنْ عُثِرَ عَلٰى أَنَّهُمَا اسْتَحَقَّا إِثْمًا فَاٰخَرَانِ يَقُوْمَانِ مَقَامَهُمَا مِنَ الَّذِيْنَ اسْتُحِقَّ عَلَيْهِمْ الْأَوْلَيَانِ فَيُقْسِمَانِ بِاللهِ لَشَهَادَتُنَا أَحَقُّ مِنْ شَهَادَتِهِمَا وَمَا اعْتَدَيْنَآ إِنَّآ إِذًا لَّمِنْ الظّٰلِمِيْنَ ذٰلِكَ أَدْنٰىٓ أَنْ يَّأْتُوْا بِالشَّهَادَةِ عَلٰى وَجْهِهَا أَوْ يَخَافُوْآ أَنْ تُرَدَّ أَيْمَانٌم بَعْدَ أَيْمٰنِهِمْ وَاتَّقُوا اللهَ وَاسْمَعُوْا وَاللهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفٰسِقِيْنَ
الأَوْلَيَانِ وَاحِدُهُمَا أَوْلَى وَمِنْهُ أَوْلَى بِهِ عُثِرَ أُظْهِرَ أَعْثَرْنَا أَظْهَرْنَا
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের মধ্যে যখন কোন ব্যক্তির মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে অসিয়াত করার সময় সাক্ষী রাখবে। . .আল্লাহ ফাসিক লোকদের সৎ পথে পরিচালিত করেন না। (আল মায়িদাহ্ ১০৬-১০৮)
২৭৮০. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহম গোত্রের এক ব্যক্তি তামীম দারী ও আদী ইবনু বাদ্দা (রহ.)-এর সঙ্গে সফরে বের হন এবং সাহম গোত্রের ব্যক্তিটি এমন এক স্থানে মারা যান, যেখানে কোন মুসলিম ছিল না। তারা দু’জন তার পরিত্যক্ত জিনিস পত্র নিয়ে ফিরে আসলে মৃতের আত্মীয়-স্বজন তার মধ্যে স্বর্ণ খচিত একটি রূপার পেয়ালা পেলেন না। এ সম্পর্কে তাদের দু’জনকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কসম করালেন। অতঃপর পেয়ালাটি মক্কা্য় পাওয়া গেল। (যাদের নিকট পাওয়া গেল) তারা বলল, আমরা এটি তামীম ও আদী (রহ.)-এর নিকট থেকে খরিদ করেছি। অতঃপর মৃতের আত্মীয়দের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি দাঁড়িয়ে কসম করে বলে, এ দু’জনের সাক্ষ্য থেকে আমাদের সাক্ষ্য অধিক গ্রহণীয়। নিশ্চয়ই এ পেয়ালাটি তাদের আত্মীয়ের। বর্ণনাকারী বলেন, তাদের সম্বন্ধে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়ঃ يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا شَهَادَةُ بَيْنِكُمْ ( المائدة : 106) (আল-মায়িদাহঃ ১০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুঃ ৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ ১৭৪০ শেষাংশ)
الأَوْلَيَانِ وَاحِدُهُمَا أَوْلَى وَمِنْهُ أَوْلَى بِهِ عُثِرَ أُظْهِرَ أَعْثَرْنَا أَظْهَرْنَا
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের মধ্যে যখন কোন ব্যক্তির মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে অসিয়াত করার সময় সাক্ষী রাখবে। . .আল্লাহ ফাসিক লোকদের সৎ পথে পরিচালিত করেন না। (আল মায়িদাহ্ ১০৬-১০৮)
২৭৮০. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহম গোত্রের এক ব্যক্তি তামীম দারী ও আদী ইবনু বাদ্দা (রহ.)-এর সঙ্গে সফরে বের হন এবং সাহম গোত্রের ব্যক্তিটি এমন এক স্থানে মারা যান, যেখানে কোন মুসলিম ছিল না। তারা দু’জন তার পরিত্যক্ত জিনিস পত্র নিয়ে ফিরে আসলে মৃতের আত্মীয়-স্বজন তার মধ্যে স্বর্ণ খচিত একটি রূপার পেয়ালা পেলেন না। এ সম্পর্কে তাদের দু’জনকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কসম করালেন। অতঃপর পেয়ালাটি মক্কা্য় পাওয়া গেল। (যাদের নিকট পাওয়া গেল) তারা বলল, আমরা এটি তামীম ও আদী (রহ.)-এর নিকট থেকে খরিদ করেছি। অতঃপর মৃতের আত্মীয়দের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি দাঁড়িয়ে কসম করে বলে, এ দু’জনের সাক্ষ্য থেকে আমাদের সাক্ষ্য অধিক গ্রহণীয়। নিশ্চয়ই এ পেয়ালাটি তাদের আত্মীয়ের। বর্ণনাকারী বলেন, তাদের সম্বন্ধে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়ঃ يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا شَهَادَةُ بَيْنِكُمْ ( المائدة : 106) (আল-মায়িদাহঃ ১০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুঃ ৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ ১৭৪০ শেষাংশ)
হাদিস নং: ২৭৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سابق، او الفضل بن يعقوب عنه حدثنا شيبان ابو معاوية، عن فراس، قال قال الشعبي حدثني جابر بن عبد الله الانصاري ـ رضى الله عنهما ـ ان اباه استشهد يوم احد، وترك ست بنات، وترك عليه دينا، فلما حضر جداد النخل اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله قد علمت ان والدي استشهد يوم احد وترك عليه دينا كثيرا، واني احب ان يراك الغرماء قال " اذهب فبيدر كل تمر على ناحيته ". ففعلت ثم دعوته، فلما نظروا اليه اغروا بي تلك الساعة، فلما راى ما يصنعون اطاف حول اعظمها بيدرا ثلاث مرات ثم جلس عليه ثم قال " ادع اصحابك ". فما زال يكيل لهم حتى ادى الله امانة والدي، وانا والله راض ان يودي الله امانة والدي ولا ارجع الى اخواتي بتمرة، فسلم والله البيادر كلها حتى اني انظر الى البيدر الذي عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم كانه لم ينقص تمرة واحدة.
২৭৮১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তার পিতাকে উহুদের যুদ্ধে শহীদ করা হয়। তিনি ছ’টি কন্যা সন্তান রেখে যান আর তাঁর উপর ঋণও রেখে যান। খেজুর কাটার সময় হলে আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি জানেন যে, আমার পিতাকে উহুদের যুদ্ধে শহীদ করা হয়েছে আর তিনি অনেক ঋণ রেখে গেছেন। আমার মনে চায় যে, পাওনাদাররা আপনার সঙ্গে দেখা করুক। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি যাও। এক এক রকম খেজুর এক এক স্থানে জমা কর। আমি তা-ই করলাম। অতঃপর তাঁকে অনুরোধ করে নিয়ে এলাম। পাওনাদাররা যখন তাঁকে দেখল, তখন তারা আমার নিকট জোর তাগাদা করতে লাগল। তিনি তাদের এরূপ করতে দেখে খেজুরের বড় স্তুপটির চারদিকে তিনবার ঘুরলেন, অতঃপর তার উপর বসে পড়লেন। অতঃপর বললেন, তোমার পাওনাদারদের ডাক। তিনি মেপে মেপে তাদের পাওনা আদায় করতে লাগলেন এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্ আমার পিতার সমস্ত ঋণ আদায় করে দিলেন। আর আল্লাহর কসম, আমি এতেই সন্তুষ্ট যে, আমার পিতার ঋণ আল্লাহ্ পরিশোধ করে দেন এবং আমি আমার বোনদের নিকট একটি খেজুরও নিয়ে না ফিরি। কিন্তু আল্লাহর কসম! সমস্ত স্ত্তপই যেমন ছিল তেমন রয়ে গেল। আমি সেই স্তুপটির দিকে বিশেষভাবে তাকিয়ে ছিলাম, যার উপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বসেছিলেন। মনে হলো যে, তা থেকে একটি খেজুরও কমেনি।
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন, أُغْرُوْا بِيْ এর অর্থ হলো। هِيْجُوْا بِيْ অর্থাৎ আমার নিকট জোর তাগাদা করতে লাগল। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আমি কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ তাদের মধ্যে সঞ্চারিত করে দিয়েছি।’’
(আল-মায়িদাহ ১৪) (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫৮৭)
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন, أُغْرُوْا بِيْ এর অর্থ হলো। هِيْجُوْا بِيْ অর্থাৎ আমার নিকট জোর তাগাদা করতে লাগল। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আমি কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ তাদের মধ্যে সঞ্চারিত করে দিয়েছি।’’
(আল-মায়িদাহ ১৪) (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫৮৭)