হাদিস নং: ২৯৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما ان عمر بن الخطاب حمل على فرس في سبيل الله فوجده يباع فاراد ان يبتاعه فسال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تبتعه ولا تعد في صدقتك
২৯৭১. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এক অশ্বারোহীকে আল্লাহর রাহে একটি অশ্ব দান করেন। অতঃপর তিনি দেখতে পান যে, তা বিক্রয় করা হচ্ছে। তখন তিনি তা কিনে নেয়ার ইচ্ছা করলেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি [রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, ‘তুমি ওটা কিনিও না এবং তোমার সাদাকা ফেরত নিও না।’ (১৪৮৯) (মুসলিম ২৪/১ হাঃ ১৬২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬০)
হাদিস নং: ২৯৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا يحيى بن سعيد عن يحيى بن سعيد الانصاري قال حدثني ابو صالح قال سمعت ابا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا ان اشق على امتي ما تخلفت عن سرية ولكن لا اجد حمولة ولا اجد ما احملهم عليه ويشق علي ان يتخلفوا عني ولوددت اني قاتلت في سبيل الله فقتلت ثم احييت ثم قتلت ثم احييت
২৯৭২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি যদি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে আমি কোন সেনা অভিযান থেকে পিছিয়ে থাকতাম না। কিন্তু আমি তো (সকলের জন্য) সাওয়ারী সংগ্রহ করতে পারছি না এবং আমি এতগুলো সাওয়ারী পাচ্ছি না যার উপর আমি তাদের আরোহণ করাতে পারি। আর আমার জন্য এটা কষ্টদায়ক হবে যে, তারা আমার থেকে পেছনে পড়ে থাকবে। আমি তো এটাই কামনা করি যে, আমি আল্লাহর রাহে জিহাদ করব এবং শহীদ হয়ে যাবো, অতঃপর আমাকে আবার জীবিত করা হবে এবং আমি আবার শহীদ হবো। অতঃপর আমাকে আবার জীবিত করা হবে। (৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬১)
হাদিস নং: ২৯৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان حدثنا ابن جريج عن عطاء عن صفوان بن يعلى عن ابيه رضي الله عنه قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك فحملت على بكر فهو اوثق اعمالي في نفسي فاستاجرت اجيرا فقاتل رجلا فعض احدهما الاخر فانتزع يده من فيه ونزع ثنيته فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فاهدرها فقال ايدفع يده اليك فتقضمها كما يقضم الفحل
وَقَالَ الْحَسَنُ وَابْنُ سِيْرِيْنَ يُقْسَمُ لِلأَجِيْرِ مِنْ الْمَغْنَمِ وَأَخَذَ عَطِيَّةُ بْنُ قَيْسٍ فَرَسًا عَلَى النِّصْفِ فَبَلَغَ سَهْمُ الْفَرَسِ أَرْبَعَ مِائَةِ دِيْنَارٍ فَأَخَذَ مِائَتَيْنِ وَأَعْطَى صَاحِبَهُ مِائَتَيْنِ
হাসান বসরী ও ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, মজদুরকেও গনীমত লব্ধ সম্পদে অংশ দান করা হবে। আতিয়্যা ইবনু কায়েস (রাঃ) এক ব্যক্তি থেকে একটি অশ্ব এ শর্তে গ্রহণ করেন যে, গনীমত লব্ধ সম্পদে প্রাপ্ত অংশ অর্ধেক করে বণ্টিত হবে। তিনি অশ্বটির অংশে চারশ’ দ্বীনার পেয়েছিলেন। তখন তিনি দু’শ দ্বীনার গ্রহণ করেন এবং দু’শ দ্বীনার অশ্বের মালিককে দিয়ে দেন
২৯৭৩. ইয়া‘লা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে জিহাদে শরীক হই। আমি একটি জওয়ান উট (জিহাদে) আরোহণের জন্য (এক ব্যক্তিকে) দেই। আমার সঙ্গে এটিই ছিল আমার অধিক নির্ভরযোগ্য কাজ। আমি এক ব্যক্তিকে মজুরীর বিনিময়ে নিয়োগ করলাম। তখন সে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝগড়া লেগে যায়, একজন আরেকজনের হাত কামড়ে ধরলে সে তার হাত মুখ হতে সজোরে বের করে আনে। ফলে তার সামনের দাঁত উপড়ে আসে। উক্ত ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাঁতের কোন প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। আর তিনি বললেন, সে কি তার হাতটিকে তোমার মুখে রেখে দিবে, আর তুমি তাকে উটের মত কামড়াতে থাকবে। (১৮৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬২)
হাসান বসরী ও ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, মজদুরকেও গনীমত লব্ধ সম্পদে অংশ দান করা হবে। আতিয়্যা ইবনু কায়েস (রাঃ) এক ব্যক্তি থেকে একটি অশ্ব এ শর্তে গ্রহণ করেন যে, গনীমত লব্ধ সম্পদে প্রাপ্ত অংশ অর্ধেক করে বণ্টিত হবে। তিনি অশ্বটির অংশে চারশ’ দ্বীনার পেয়েছিলেন। তখন তিনি দু’শ দ্বীনার গ্রহণ করেন এবং দু’শ দ্বীনার অশ্বের মালিককে দিয়ে দেন
২৯৭৩. ইয়া‘লা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে জিহাদে শরীক হই। আমি একটি জওয়ান উট (জিহাদে) আরোহণের জন্য (এক ব্যক্তিকে) দেই। আমার সঙ্গে এটিই ছিল আমার অধিক নির্ভরযোগ্য কাজ। আমি এক ব্যক্তিকে মজুরীর বিনিময়ে নিয়োগ করলাম। তখন সে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝগড়া লেগে যায়, একজন আরেকজনের হাত কামড়ে ধরলে সে তার হাত মুখ হতে সজোরে বের করে আনে। ফলে তার সামনের দাঁত উপড়ে আসে। উক্ত ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাঁতের কোন প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। আর তিনি বললেন, সে কি তার হাতটিকে তোমার মুখে রেখে দিবে, আর তুমি তাকে উটের মত কামড়াতে থাকবে। (১৮৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬২)
হাদিস নং: ২৯৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن ابي مريم قال حدثني الليث قال اخبرني عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني ثعلبة بن ابي مالك القرظي ان قيس بن سعد الانصاري وكان صاحب لواء رسول الله صلى الله عليه وسلم اراد الحج فرجل
২৯৭৪. কায়েস ইবনু সা‘দ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পতাকাবাহী, তিনি হজ্জের সংকল্প করেন, তখন তিনি মাথার চুল আঁচড়ে নিলেন। (মুসলিম ৪৪/৪ হাঃ ২৪০৭, আহমাদ ১৬৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৩)
হাদিস নং: ২৯৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم بن اسماعيل عن يزيد بن ابي عبيد عن سلمة بن الاكوع قال كان علي تخلف عن النبي صلى الله عليه وسلم في خيبر وكان به رمد فقال انا اتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج علي فلحق بالنبي صلى الله عليه وسلم فلما كان مساء الليلة التي فتحها في صباحها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لاعطين الراية او قال لياخذن غدا رجل يحبه الله ورسوله او قال يحب الله ورسوله يفتح الله عليه فاذا نحن بعلي وما نرجوه فقالوا هذا علي فاعطاه رسول الله صلى الله عليه وسلم ففتح الله عليه
২৯৭৫. সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধে ‘আলী (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পেছনে থেকে যান, (কারণ) তাঁর চোখে অসুখ হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, আমি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পিছিয়ে থাকব? অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বেরিয়ে পড়লেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে এসে মিলিত হলেন। যখন সে রাত এল, যে রাত শেষে সকালে ‘আলী (রাঃ) খায়বার জয় করেছিলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আগাীমকাল আমি এমন এক ব্যক্তিকে পতাকা দিব, কিংবা (বলেন) আগামীকাল এমন এক ব্যক্তি পতাকা গ্রহণ করবে যাকে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভালবাসেন। অথবা তিনি বলেছিলেন, যে আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভালবাসে। আল্লাহ্ তা‘আলা তারই হাতে খায়বার বিজয় দান করবেন। হঠাৎ আমরা দেখতে পেলাম যে, ‘আলী (রাঃ) এসে হাজির, অথচ আমরা তাঁর আগমন আশা করিনি। তারা বললেন, এই যে ‘আলী (রাঃ) চলে এসেছেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে পতাকা প্রদান করলেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁরই হাতে বিজয় দিলেন। (৩৭০২, ৪২০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৪)
হাদিস নং: ২৯৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة عن هشام بن عروة عن ابيه عن نافع بن جبير قال سمعت العباس يقول للزبير رضي الله عنهما ها هنا امرك النبي صلى الله عليه وسلم ان تركز الراية
২৯৭৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি যুবাইর (রাঃ)-কে বলেছিলেন, এখানেই কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে পতাকা গাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন? (৪২৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৫)
হাদিস নং: ২৯৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بعثت بجوامع الكلم ونصرت بالرعب فبينا انا ناىم اتيت بمفاتيح خزاىن الارض فوضعت في يدي قال ابو هريرة وقد ذهب رسول الله وانتم تنتثلونها
وَقَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ )سَنُلْقِيْ فِيْ قُلُوْبِ الَّذِيْنَ كَفَرُوا الرُّعْبَ بِمَآ أَشْرَكُوْا بِاللهِ ( قَالَهُ جَابِرٌ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
মহান আল্লাহর তা‘আলার বাণীঃ আমি কাফিরদের অন্তরে ভীতি প্রবিষ্ট করব। যেহেতু তারা আল্লাহর শরীক করেছে। (আলে ইমরান ১৫১)
(এ প্রসঙ্গে) জাবির (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস উদ্ধৃত করেছেন
২৯৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমাকে পাঠানো হয়েছে এবং শত্রুর মনে ভীতি সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, তখন পৃথিবীর ধনভান্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে দেয়া হয়েছে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো চলে গেছেন আর তোমরা ওগুলো বাহির করছ। (৬৯৯৮, ৭০১৩, ৭২৭৩) (মুসলিম ৫/৫ হাঃ ৫২৩, আহমাদ ৭৭৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৬)
মহান আল্লাহর তা‘আলার বাণীঃ আমি কাফিরদের অন্তরে ভীতি প্রবিষ্ট করব। যেহেতু তারা আল্লাহর শরীক করেছে। (আলে ইমরান ১৫১)
(এ প্রসঙ্গে) জাবির (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস উদ্ধৃত করেছেন
২৯৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমাকে পাঠানো হয়েছে এবং শত্রুর মনে ভীতি সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, তখন পৃথিবীর ধনভান্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে দেয়া হয়েছে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো চলে গেছেন আর তোমরা ওগুলো বাহির করছ। (৬৯৯৮, ৭০১৩, ৭২৭৩) (মুসলিম ৫/৫ হাঃ ৫২৩, আহমাদ ৭৭৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৬)
হাদিস নং: ২৯৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله ان ابن عباس رضي الله عنهما اخبره ان ابا سفيان اخبره ان هرقل ارسل اليه وهم بايلياء ثم دعا بكتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغ من قراءة الكتاب كثر عنده الصخب فارتفعت الاصوات واخرجنا فقلت لاصحابي حين اخرجنا لقد امر امر ابن ابي كبشة انه يخافه ملك بني الاصفر
২৯৭৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁকে আবূ সুফ্ইয়ান জানিয়েছেন, হিরাক্ল আমাকে ডেকে পাঠান। তখন তিনি ইলিয়া নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। অতঃপর সম্রাট আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্রখানি আনতে আদেশ করেন যখন পত্র পাঠ সমাপ্ত হল, তখন বেশ হৈ চৈ ও শোরগোল পড়ে গেল। অতঃপর আমাদেরকে বাইরে নিয়ে আসা হল। যখন আমাদেরকে বের করে দেয়া হচ্ছিল তখন আমি আমার সঙ্গীদের উদ্দেশ্য করে বললাম, আবূ কাবশার পুত্রের[১] ব্যাপারটার গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেল। রোমের বাদশাহও তাঁকে ভয় করে। (৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৭)
নোট: [১] আবূ কাবশা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধ মা হালীমাহ (রাঃ)-এর স্বামী ছিলেন।
হাদিস নং: ২৯৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد بن اسماعيل حدثنا ابو اسامة عن هشام قال اخبرني ابي وحدثتني ايضا فاطمة عن اسماء رضي الله عنها قالت صنعت سفرة رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت ابي بكر حين اراد ان يهاجر الى المدينة قالت فلم نجد لسفرته ولا لسقاىه ما نربطهما به فقلت لابي بكر والله ما اجد شيىا اربط به الا نطاقي قال فشقيه باثنين فاربطيه بواحد السقاء وبالاخر السفرة ففعلت فلذلك سميت ذات النطاقين
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )وَتَزَوَّدُوْا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوٰى(
আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা পাথেয় সাথে নিও। আর তাকওয়াই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ পাথেয়।’’(আল-বাকারাহ ১৯৭)
২৯৭৯. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর গৃহে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সফরের সরঞ্জাম গোছগাছ করে দিয়েছিলাম, যখন তিনি মদিনা্য় হিজরত করার সংকল্প করেছিলেন। আসমা (রাঃ) বলেন, আমি তখন মালপত্র কিংবা পানির মশক বাঁধার জন্য কিছুই পাচ্ছিলাম না। তখন আবূ বকর (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি আমার কোমর-বন্ধ ছাড়া বাঁধার কিছুই পাচ্ছি না। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, একে দু’ভাগ কর। এক খন্ড দ্বারা মশক এবং অপর খন্ড দ্বারা মালপত্র বেঁধে দাও। আমি তাই করলাম। এজন্যই আমাকে বলা হত দু’ কোমর বন্ধের মালিক। (৩৯০৭, ৫৩৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৮)
আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা পাথেয় সাথে নিও। আর তাকওয়াই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ পাথেয়।’’(আল-বাকারাহ ১৯৭)
২৯৭৯. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর গৃহে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সফরের সরঞ্জাম গোছগাছ করে দিয়েছিলাম, যখন তিনি মদিনা্য় হিজরত করার সংকল্প করেছিলেন। আসমা (রাঃ) বলেন, আমি তখন মালপত্র কিংবা পানির মশক বাঁধার জন্য কিছুই পাচ্ছিলাম না। তখন আবূ বকর (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি আমার কোমর-বন্ধ ছাড়া বাঁধার কিছুই পাচ্ছি না। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, একে দু’ভাগ কর। এক খন্ড দ্বারা মশক এবং অপর খন্ড দ্বারা মালপত্র বেঁধে দাও। আমি তাই করলাম। এজন্যই আমাকে বলা হত দু’ কোমর বন্ধের মালিক। (৩৯০৭, ৫৩৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৮)
হাদিস নং: ২৯৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله اخبرنا سفيان عن عمرو قال اخبرني عطاء سمع جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال كنا نتزود لحوم الاضاحي على عهد النبي صلى الله عليه وسلم الى المدينة
২৯৮০. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে কুরবানীর মাংস মদিনা্ পর্যন্ত পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতাম। (১৭১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৬৯)
হাদিস নং: ২৯৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى قال اخبرني بشير بن يسار ان سويد بن النعمان اخبره انه خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم عام خيبر حتى اذا كانوا بالصهباء وهي من خيبر وهي ادنى خيبر فصلوا العصر فدعا النبي بالاطعمة فلم يوت النبي الا بسويق فلكنا فاكلنا وشربنا ثم قام النبي صلى الله عليه وسلم فمضمض ومضمضنا وصلينا
২৯৮১. সুয়াইদ ইবনু নু‘মান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, খায়বার যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তিনি জিহাদে অংশ গ্রহণ করেন। তাঁরা যখন খায়বারের সন্নিকটে অবস্থিত সাহবা নামক স্থানে পৌঁছলেন, তাঁরা সেখানে ‘আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবার নিয়ে আসতে বললেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যবের ছাতু ছাড়া কিছুই নেয়া হয়নি। আমরা তা পানির সঙ্গে মিশিয়ে আহার করলাম ও পান করলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাঁড়ালেন এবং কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম ও সালাত আদায় করলাম। (২০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭০)
হাদিস নং: ২৯৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن مرحوم حدثنا حاتم بن اسماعيل عن يزيد بن ابي عبيد عن سلمة قال خفت ازواد الناس واملقوا فاتوا النبي صلى الله عليه وسلم في نحر ابلهم فاذن لهم فلقيهم عمر فاخبروه فقال ما بقاوكم بعد ابلكم فدخل عمر على النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما بقاوهم بعد ابلهم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ناد في الناس ياتون بفضل ازوادهم فدعا وبرك عليه ثم دعاهم باوعيتهم فاحتثى الناس حتى فرغوا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اشهد ان لا اله الا الله واني رسول الله
২৯৮২. সালামাহ (ইবনু আকওয়া‘) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে লোকদের পাথেয় কমে যায় এবং তারা অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হয়ে তাদের উট যবেহ করার অনুমতি চাইলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনুমতি দিলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হল। তারা তাঁকে বিষয়টি জানালো। তিনি বললেন, উট যবেহ করে অতঃপর তোমরা কিরূপে টিকে থাকবে? ‘উমার (রাঃ) রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল লোক উট যবেহ করে খেয়ে ফেলার পর কিভাবে বাঁচবে? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিজ নিজ অবশিষ্ট পাথেয় নিয়ে হাজির করার জন্য তাদের মধ্যে ঘোষণা দাও। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবারের জন্য বরকতের দু‘আ করলেন। অতঃপর তাদেরকে নিজ নিজ পাত্র নিয়ে হাজির হতে বললেন। তারা তাদের পাত্র ভরে নিতে লাগলো, অবশেষে সকলই নিয়ে নিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। আর আমি আল্লাহর রাসূল।’ (২৪৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭২)
হাদিস নং: ২৯৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا صدقة بن الفضل اخبرنا عبدة عن هشام عن وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال خرجنا ونحن ثلاث ماىة نحمل زادنا على رقابنا ففني زادنا حتى كان الرجل منا ياكل في كل يوم تمرة قال رجل يا ابا عبد الله واين كانت التمرة تقع من الرجل قال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها حتى اتينا البحر فاذا حوت قد قذفه البحر فاكلنا منه ثمانية عشر يوما ما احببنا
২৯৮৩. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক জিহাদে বের হলাম এবং আমরা সংখ্যায় তিনশ’ ছিলাম। প্রত্যেকে নিজ নিজ পাথেয় নিজেদের কাঁধে বহন করছিলাম। পথে আমাদের পাথেয় নিঃশেষ হয়ে গেল। এমনকি আমরা দৈনিক একটি মাত্র খেজুর খেতে থাকলাম। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ্! একটি মাত্র খেজুর একজন লোকের কী করে যথেষ্ট হত? তিনি বললেন, যখন আমরা তাও হারালাম তখন এর হারানোটা টের পেলাম। অবশেষে আমরা সমুদ্র তীরে এসে উপস্থিত হলাম। হঠাৎ সমুদ্র একটা বিরাট মাছ কূলে নিক্ষেপ করল। আমরা সে মাছটি মজা করে আঠার দিন পর্যন্ত খেলাম। (২৪৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭২)
হাদিস নং: ২৯৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن علي حدثنا ابو عاصم حدثنا عثمان بن الاسود حدثنا ابن ابي مليكة عن عاىشة رضي الله عنها انها قالت يا رسول الله يرجع اصحابك باجر حج وعمرة ولم ازد على الحج فقال لها اذهبي وليردفك عبد الرحمن فامر عبد الرحمن ان يعمرها من التنعيم فانتظرها رسول الله صلى الله عليه وسلم باعلى مكة حتى جاءت
২৯৮৪. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার সাহাবীগণ তো হাজ্জ ও ‘উমরাহর সাওয়াব নিয়ে ফিরছেন, আর আমি তো হাজ্জের বেশি কিছুই করতে পারলাম না।’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি যাও, ‘আবদুর রহমান তোমাকে তার পেছনে সাওয়ারীতে বসিয়ে নিবে। তিনি ‘আবদুর রহমানকে আদেশ করলেন, তাঁকে তানয়ীম থেকে ‘উমরাহর ইহরাম করিয়ে আনতে। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উঁচুভূমিতে তাঁর ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকলেন। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৩)
হাদিস নং: ২৯৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن عمرو بن دينار عن عمرو بن اوس عن عبد الرحمن بن ابي بكر الصديق رضي الله عنهما قال امرني النبي صلى الله عليه وسلم ان اردف عاىشة واعمرها من التنعيم
২৯৮৫. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে আমার পেছনে বসিয়ে তানয়ীম থেকে ‘উমরাহর ইহরাম করিয়ে আনার জন্য আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। (১৭৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৪)
হাদিস নং: ২৯৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب حدثنا ايوب عن ابي قلابة عن انس قال كنت رديف ابي طلحة وانهم ليصرخون بهما جميعا الحج والعمرة
২৯৮৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর পেছনে একই সওয়ারীতে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন লোকেরা হজ্জ ও ‘উমরাহ পালনের জন্য লাববায়ক ধ্বনি তুলছিল। (১০৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৫)
হাদিস নং: ২৯৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا ابو صفوان عن يونس بن يزيد عن ابن شهاب عن عروة عن اسامة بن زيد رضي الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب على حمار على اكاف عليه قطيفة واردف اسامة وراءه
২৯৮৭. উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাধার পিঠে পালান চাপিয়ে তার উপর চাদর বিছিয়ে তাতে চড়লেন। আর উসামাহ (রাঃ)-কে তাঁর পেছনে বসিয়ে নিলেন। (৪৫৬৬, ৫৬৬৩, ৫৯৬৪, ৬২০৮) (মুসলিম ৩২/৪০, হাঃ ১৭৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৬)
হাদিস নং: ২৯৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث قال يونس اخبرني نافع عن عبد الله ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اقبل يوم الفتح من اعلى مكة على راحلته مردفا اسامة بن زيد ومعه بلال ومعه عثمان بن طلحة من الحجبة حتى اناخ في المسجد فامره ان ياتي بمفتاح البيت ففتح ودخل رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه اسامة وبلال وعثمان فمكث فيها نهارا طويلا ثم خرج فاستبق الناس وكان عبد الله بن عمر اول من دخل فوجد بلالا وراء الباب قاىما فساله اين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشار له الى المكان الذي صلى فيه قال عبد الله فنسيت ان اساله كم صلى من سجدة
২৯৮৮. ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন আপন সাওয়ারীর পিঠে নিজের পেছনে উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে বসিয়ে মক্কার উঁচু ভূমির দিক থেকে আসলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল (রাঃ) এবং চাবি রক্ষণকারী ‘উসমান ইবনু ত্বলহা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের পার্শ্বে উটটিকে বসালেন। অতঃপর ‘উসমান (রাঃ)-কে কা’বা গৃহের চাবি নিয়ে আসতে আদেশ করলেন। কাবা খুলে দেয়া হল এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভেতরে প্রবেশ করলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামাহ, বিলাল ও ‘উসমান (রাঃ)। দিনের দীর্ঘ সময় তিনি সেখানে অবস্থান করলেন। অতঃপর সেখান হতে বেরিয়ে এলেন। এ সময়ে লোকেরা প্রবেশ করার জন্য দৌঁড়িয়ে আসল। সকলের আগে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং বিলাল (রাঃ)-কে দরজার পেছনে দাঁড়ানো দেখতে পেলেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন্ স্থানে সালাত আদায় করেছিলেন? ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে একথা জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছিলাম যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কত রাক‘আত সালাত আদায় করেছিলেন? (৩৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৭)
হাদিস নং: ২৯৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثني اسحاق اخبرنا عبد الرزاق اخبرنا معمر عن همام عن ابي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل سلامى من الناس عليه صدقة كل يوم تطلع فيه الشمس يعدل بين الاثنين صدقة ويعين الرجل على دابته فيحمل عليها او يرفع عليها متاعه صدقة والكلمة الطيبة صدقة وكل خطوة يخطوها الى الصلاة صدقة ويميط الاذى عن الطريق صدقة
২৯৮৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, মানুষের প্রত্যেক জোড়ার প্রতি সাদাকা রয়েছে, প্রতি দিন যাতে সূর্য উদিত হয় দু’জন লোকের মধ্যে সুবিচার করাও সাদাকা, কাউকে সাহায্য করে সাওয়ারীতে আরোহণ করিয়ে দেয়া বা তার উপরে তার মালপত্র তুলে দেয়াও সাদাকা, ভাল কথাও সাদাকা, সালাত আদায়ের উদ্দেশে পথ চলায় প্রতিটি কদমেও সাদাকা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও সাদাকা। (২৭০৭) (মুসলিম ১২/১৭ হাঃ ১০০৯, আহমাদ ৮১৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৮)
হাদিস নং: ২৯৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان يسافر بالقران الى ارض العدو
وَكَذَلِكَ يُرْوَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَابَعَهُ ابْنُ إِسْحَاقَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ سَافَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ فِيْ أَرْضِ الْعَدُوِّ وَهُمْ يَعْلَمُوْنَ الْقُرْآنَ
একইভাবে মুহাম্মদ ইবনু বিশর (রহ.).....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহ.)-এর অনুসরণকারী ইবনু ইসহাকও.....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। অবশ্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ (রাঃ) শত্রুর ভূখন্ডে সফর করেছেন এবং তাঁরা কুরআন জানতেন
২৯৯০. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৯)
একইভাবে মুহাম্মদ ইবনু বিশর (রহ.).....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহ.)-এর অনুসরণকারী ইবনু ইসহাকও.....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। অবশ্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ (রাঃ) শত্রুর ভূখন্ডে সফর করেছেন এবং তাঁরা কুরআন জানতেন
২৯৯০. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৯)