অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫৯/১. সৃষ্টির সূচনা
মোট ১৩৬ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩২৭০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة حدثنا جرير عن منصور عن ابي واىل عن عبد الله قال ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم رجل نام ليله حتى اصبح قال ذاك رجل بال الشيطان في اذنيه او قال في اذنه
৩২৭০. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন এক লোকের ব্যাপারে উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত এমনকি ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। তখন তিনি বললেন, সে এমন লোক যার উভয় কানে অথবা তিনি বললেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে। (১১৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৩৯)
হাদিস নং: ৩২৭১ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا همام عن منصور عن سالم بن ابي الجعد عن كريب عن ابن عباس رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اما ان احدكم اذا اتى اهله وقال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فرزقا ولدا لم يضره الشيطان
৩২৭১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দেখ, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর কাছে আসে, আর তখন বলে, বিসমিল্লাহ। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তানের প্রভাব থেকে দূরে রাখ। আর আমাদেরকে যে সন্তান দান করবে তাকেও শয়তানের প্রভাব থেকে বাঁচিয়ে রাখ। অতঃপর তাদেরকে যে সন্তান দেয়া হবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪০)
হাদিস নং: ৩২৭২ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد اخبرنا عبدة عن هشام بن عروة عن ابيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا طلع حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تبرز واذا غاب حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تغيب
৩২৭২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সূর্যের এক কিনারা উদিত হবে, তখন তা পরিষ্কারভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ। আবার যখন সূর্যের এক কিনারা অস্ত যাবে তখন তা সম্পূর্ণ অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪১)
হাদিস নং: ৩২৭৩ সহিহ (Sahih)
ولا تحينوا بصلاتكم طلوع الشمس ولا غروبها فانها تطلع بين قرني شيطان او الشيطان لا ادري اي ذلك قال هشام
৩২৭৩. আর তোমরা সূর্যোদয়ের সময়কে এবং সূর্যাস্তের সময়কে তোমাদের সালাতের জন্য নির্ধারিত করো না। কেননা তা শয়তানের দু’ শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়। বর্ণনাকারী বলেন, হিশাম (রহ.) ‘শয়তান’ বলেছেন না ‘আশ-শয়তান’ বলেছেন তা আমি জানি না। (মুসলিম ৬/৫১ হাঃ ৮২৯, আহমাদ ৪৬১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪১ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩২৭৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا يونس عن حميد بن هلال عن ابي صالح عن ابي سعيد قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا مر بين يدي احدكم شيء وهو يصلي فليمنعه فان ابى فليمنعه فان ابى فليقاتله فانما هو شيطان
৩২৭৪. আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সালাত আদায়ের সময় তোমাদের কারো সম্মুখ দিয়ে যখন কেউ চলাচল করবে তখন সে তাকে অবশ্যই বাধা দিবে। সে যদি অমান্য করে তবে আবারো তাকে বাধা দিবে। অতঃপরও যদি সে অমান্য করে তবে অবশ্যই তার সঙ্গে লড়াই করবে। কেননা সে শয়তান। (৫০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪২)
হাদিস নং: ৩২৭৫ সহিহ (Sahih)
وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن محمد بن سيرين عن ابي هريرة قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان فاتاني ات فجعل يحثو من الطعام فاخذته فقلت لارفعنك الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث فقال اذا اويت الى فراشك فاقرا اية الكرسي لن يزال عليك من الله حافظ ولا يقربك شيطان حتى تصبح فقال النبي صدقك وهو كذوب ذاك شيطان
৩২৭৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রমাযানের যাকাত (সদাকাতুল ফিত্রের) হিফাযতের দায়িত্ব প্রদান করলেন। অতঃপর আমার নিকট এক আগন্তুক আসল। সে তার দু’হাতের আঁজলা ভরে খাদ্যশস্য গ্রহণ করতে লাগল। তখন আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি অবশ্যই তোমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে যাব। তখন সে একটি হাদীস উল্লেখ করল এবং বলল, যখন তুমি বিছানায় শুতে যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পড়বে। তাহলে সর্বদা আল্লাহর পক্ষ হতে তোমার জন্য একজন হিফাযতকারী থাকবে এবং সকাল হওয়া অবধি তোমার নিকট শয়তান আসতে পারবে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে, অথচ সে মিথ্যাচারী এবং শয়তান ছিল। (২৩১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪২ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩২৭৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني عروة بن الزبير قال ابو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ياتي الشيطان احدكم فيقول من خلق كذا من خلق كذا حتى يقول من خلق ربك فاذا بلغه فليستعذ بالله ولينته
৩২৭৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো নিকট শয়তান আসতে পারে এবং সে বলতে পারে, এ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? ঐ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? এরূপ প্রশ্ন করতে করতে শেষ পর্যন্ত বলে বসবে, তোমার প্রতিপালককে কে সৃষ্টি করেছে? যখন ব্যাপারটি এ স্তরে পৌঁছে যাবে তখন সে যেন অবশ্যই আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায় এবং বিরত হয়ে যায়। (মুসলিম ১/৬০ হাঃ ১৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৩)
হাদিস নং: ৩২৭৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال حدثني ابن ابي انس مولى التيميين ان اباه حدثه انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا دخل رمضان فتحت ابواب الجنة وغلقت ابواب جهنم وسلسلت الشياطين
৩২৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন রমাযান মাস আরম্ভ হয়, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়। (১৮৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৪)
হাদিস নং: ৩২৭৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو قال اخبرني سعيد بن جبير قال قلت لابن عباس فقال حدثنا ابي بن كعب انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ان موسى قال لفتاه اتنا غداءنا قال ارايت اذ اوينا الى الصخرة فاني نسيت الحوت ومآ انسانيه الا الشيطان ان اذكره (الكهف : 63) ولم يجد موسى النصب حتى جاوز المكان الذي امر الله به
৩২৭৮. উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, ‘‘মূসা তার সঙ্গীকে বললেনঃ আমাদের নাশতা আন এ সফরে আমরা অবশ্যই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সঙ্গী বললঃ আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন প্রস্তর খন্ডের কাছে বিশ্রাম করছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। শয়তানই আমাকে এ কথা স্মরণ রাখতে ভুলিয়ে দিয়েছিল’’- (কাহ্ফ ৬২-৬৩)। আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)-কে যে স্থানটি সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি সে স্থানটি অতিক্রম করা পর্যন্ত কোন প্রকার ক্লান্তি অনুভব করেননি। (৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৫)
হাদিস নং: ৩২৭৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يشير الى المشرق فقال ها ان الفتنة ها هنا ان الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان
৩২৭৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সাবধান! ফিতনা এখানেই। সাবধান! ফিতনা এখানেই। যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। (৩১০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৬)
হাদিস নং: ৩২৮০ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن جعفر حدثنا محمد بن عبد الله الانصاري حدثنا ابن جريج قال اخبرني عطاء عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا استجنح الليل او قال جنح الليل فكفوا صبيانكم فان الشياطين تنتشر حينىذ فاذا ذهب ساعة من العشاء فخلوهم واغلق بابك واذكر اسم الله واطفى مصباحك واذكر اسم الله واوك سقاءك واذكر اسم الله وخمر اناءك واذكر اسم الله ولو تعرض عليه شيىا
৩২৮০. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘সূর্যাস্তের পরপরই যখন রাত শুরু হয় অথবা বলেছেন, যখন রাতের অন্ধকার নেমে আসে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকে রাখবে। কারণ এ সময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর যখন রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হবে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার আর তুমি তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমাদের ঘরের বাতি নিভিয়ে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার পানি রাখার পাত্রের মুখ ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার বাসনপত্র ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। সামান্য কিছু হলেও তার ওপর দিয়ে রেখে দাও।’ (৩৩০৪, ৩৩১৬, ৫৬২৩, ৫৬২৪, ৬২৯৫, ৬২৯৬) (মুসলিম ৩৬/১২ হাঃ ২০১২, আহমাদ ১৪৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৭)
হাদিস নং: ৩২৮১ সহিহ (Sahih)
حدثني محمود بن غيلان حدثنا عبد الرزاق اخبرنا معمر عن الزهري عن علي بن حسين عن صفية بنت حيي قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم معتكفا فاتيته ازوره ليلا فحدثته ثم قمت فانقلبت فقام معي ليقلبني وكان مسكنها في دار اسامة بن زيد فمر رجلان من الانصار فلما رايا النبي اسرعا فقال النبي صلى الله عليه وسلم على رسلكما انها صفية بنت حيي فقالا سبحان الله يا رسول الله قال ان الشيطان يجري من الانسان مجرى الدم واني خشيت ان يقذف في قلوبكما سوءا او قال شيىا
৩২৮১. সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফ অবস্থায় ছিলেন। আমি রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসলাম। অতঃপর তাঁর সঙ্গে কিছু কথা বললাম। অতঃপর আমি ফিরে আসার জন্য দাঁড়ালাম। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও আমাকে পৌঁছে দেয়ার জন্য আমার সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। আর তাঁর বাসস্থান ছিল উসামাহ ইবনু যায়দের বাড়িতে। এ সময় দু’জন আনসারী সে স্থান দিয়ে অতিক্রম করল। তারা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখল তখন তারা শীঘ্র চলে যেতে লাগল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা একটু থাম। এ সাফিয়্যা বিন্তে হুয়াই। তারা বললেন, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, মানুষের রক্তধারায় শয়তান প্রবাহমান থাকে। আমি শংকাবোধ করছিলাম, সে তোমাদের মনে কোন খারাপ ধারণা অথবা বললেন অন্য কিছু সৃষ্টি করে না কি। (২০৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৮)
হাদিস নং: ৩২৮২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان عن ابي حمزة عن الاعمش عن عدي بن ثابت عن سليمان بن صرد قال كنت جالسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ورجلان يستبان فاحدهما احمر وجهه وانتفخت اوداجه فقال النبي صلى الله عليه وسلم اني لاعلم كلمة لو قالها ذهب عنه ما يجد لو قال اعوذ بالله من الشيطان ذهب عنه ما يجد فقالوا له ان النبي صلى الله عليه وسلم قال تعوذ بالله من الشيطان فقال وهل بي جنون
৩২৮২. সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের এক জনের চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তার রগগুলো ফুলে গিয়েছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এমন একটি দু’আ জানি, যদি এ লোকটি তা পড়ে তবে তার রাগ দূর হয়ে যাবে। সে যদি পড়ে আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তান’’-আমি শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তবে তার রাগ চলে যাবে। তখন তাকে বলল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তুমি আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় চাও। সে বলল, আমি কি পাগল হয়েছি? (৬০৪৮, ৬১১৫) (মুসলিম ৪৫/৩০ হাঃ ২৬১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪৯)
হাদিস নং: ৩২৮৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا منصور عن سالم بن ابي الجعد عن كريب عن ابن عباس قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لو ان احدكم اذا اتى اهله قال جنبني الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتني فان كان بينهما ولد لم يضره الشيطان ولم يسلط عليه قال وحدثنا الاعمش عن سالم عن كريب عن ابن عباس مثله
৩২৮৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর নিকট গমন করে এবং বলে, ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে শয়তান হতে রক্ষা কর আর আমাকে এর মাধ্যমে যে সন্তান দিবে তাকেও শয়তান থেকে হিফাজত কর। তাহলে যদি তাদের কোন সন্তান জন্মায়, তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারবে না। আসমা (রহ.).....ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট হতে অনুরূপ রিওয়ায়ত বর্ণনা করেন (১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫০)
হাদিস নং: ৩২৮৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود حدثنا شبابة حدثنا شعبة عن محمد بن زياد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم انه صلى صلاة فقال ان الشيطان عرض لي فشد علي يقطع الصلاة علي فامكنني الله منه فذكره
৩২৮৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, শয়তান আমার সামনে এসেছিল। সে আমার সালাত নষ্ট করার বহু চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর বিজয়ী করেন। অতঃপর পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (৪৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫১)
হাদিস নং: ৩২৮৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الاوزاعي عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا نودي بالصلاة ادبر الشيطان وله ضراط فاذا قضي اقبل فاذا ثوب بها ادبر فاذا قضي اقبل حتى يخطر بين الانسان وقلبه فيقول اذكر كذا وكذا حتى لا يدري اثلاثا صلى ام اربعا فاذا لم يدر ثلاثا صلى او اربعا سجد سجدتي السهو
৩২৮৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সালাতের জন্যে আযান দেয়া হয় তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে। আযান শেষ হলে সামনে এগিয়ে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন আবার পালাতে থাকে। ইকামাত শেষ হলে আবার সামনে আসে এবং মানুষের মনে খটকা সৃষ্টি করতে থাকে আর বলতে থাকে ওটা ওটা মনে কর। এমনকি সে ব্যক্তি আর মনে রাখতে পারে না যে, সে কি তিন রাক‘আত পড়ল না চার রাকআত পড়ল। এ রকম যদি কারো হয়ে যায়, সে মনে রাখতে পারে না তিন রাকা‘আত পড়েছে না কি চার রাকআত তখন সে যেন দু’টি সাহু সাজ্দাহ করে। (৬০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫২)
হাদিস নং: ৩২৮৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم كل بني ادم يطعن الشيطان في جنبيه باصبعه حين يولد غير عيسى ابن مريم ذهب يطعن فطعن في الحجاب
৩২৮৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বলেছেন, প্রত্যেক আদম  সন্তানের জন্মের সময় তার পার্শ্বদেশে শয়তান তার দুই আঙ্গুল দ্বারা খোঁচা মারে। ‘ঈসা ইবনু মরয়াম (আঃ)-এর ব্যতিক্রম। সে তাঁকে খোঁচা মারতে গিয়েছিল। তখন সে পর্দার ওপর খোঁচা মারে। (৩৪৩১, ৪৫৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫৩)
হাদিস নং: ৩২৮৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا مالك بن اسماعيل حدثنا اسراىيل عن المغيرة عن ابراهيم عن علقمة قال قدمت الشام فقلت من ها هنا قالوا ابو الدرداء قال افيكم الذي اجاره الله من الشيطان على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن مغيرة وقال الذي اجاره الله على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم يعني عمارا
৩২৮৭. ‘আলকামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গেলাম, লোকেরা বলল, ইনি আবূ দারদা (রাঃ)। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কি সে ব্যক্তি আছে, যাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৌখিক দু‘আয় আল্লাহ্ শয়তান হতে রক্ষা করেছেন?’ মুগীরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সেই ব্যক্তি যাঁকে আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৌখিক দু‘আয় শয়তান হতে রক্ষা করেছেন, তিনি হলেন, আম্মার (রাঃ)। (৩৭৪২, ৩৭৪৩, ৩৭৬১, ৪৯৪৩, ৪৯৪৪, ৬২৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫৪)
হাদিস নং: ৩২৮৮ সহিহ (Sahih)
قال وقال الليث حدثني خالد بن يزيد عن سعيد بن ابي هلال ان ابا الاسود اخبره عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الملاىكة تتحدث في العنان والعنان الغمام بالامر يكون في الارض فتسمع الشياطين الكلمة فتقرها في اذن الكاهن كما تقر القارورة فيزيدون معها ماىة كذبة
৩২৮৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘ফেরেশতামন্ডলী মেঘের মাঝে এমন সব বিষয় আলোচনা করেন, যা পৃথিবীতে ঘটবে। তখন শয়তানেরা দু’ একটি কথা শুনে ফেলে এবং তা জ্যোতিষদের কানে এমনভাবে ঢেলে দেয় যেমন বোতলে পানি ঢালা হয়। তখন তারা এ সত্য কথার সঙ্গে শত রকমের মিথ্যা বাড়িয়ে বলে।’ (৩২১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫৫)
হাদিস নং: ৩২৮৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عاصم بن علي حدثنا ابن ابي ذىب عن سعيد المقبري عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال التثاوب من الشيطان فاذا تثاءب احدكم فليرده ما استطاع فان احدكم اذا قال ها ضحك الشيطان
৩২৮৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হাই তোলা শয়তানের পক্ষ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কারো যখন হাই আসবে তখন যথাসম্ভব তা রোধ করবে। কারণ তোমাদের কেউ হাই তোলার সময় যখন ‘হা’ বলে, তখন শয়তান হাসতে থাকে। (৬২২৩, ৬২২৬) (মুসলিম ৫৩/৯ হাঃ ২৯৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫৬)
অধ্যায় তালিকা