অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৬৩/১. আনসারগণের মর্যাদা।
মোট ১৭৩ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩৯২৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا ابراهيم بن سعد اخبرنا ابن شهاب عن خارجة بن زيد بن ثابت ان ام العلاء امراة من نساىهم بايعت النبي صلى الله عليه وسلم اخبرته ان عثمان بن مظعون طار لهم في السكنى حين اقترعت الانصار على سكنى المهاجرين قالت ام العلاء فاشتكى عثمان عندنا فمرضته حتى توفي وجعلناه في اثوابه فدخل علينا النبي صلى الله عليه وسلم فقلت رحمة الله عليك ابا الساىب شهادتي عليك لقد اكرمك الله فقال النبي صلى الله عليه وسلم وما يدريك ان الله اكرمه قالت قلت لا ادري بابي انت وامي يا رسول الله فمن قال اما هو فقد جاءه والله اليقين والله اني لارجو له الخير وما ادري والله وانا رسول الله ما يفعل بي قالت فوالله لا ازكي احدا بعده قالت فاحزنني ذلك فنمت فريت لعثمان بن مظعون عينا تجري فجىت رسول الله فاخبرته فقال ذلك عمله
৩৯২৯. খারিজাহ ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) বলেন, উম্মুল ‘আলা’ (রাঃ) নাম্নী এক আনসারী মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে বায়‘আত করেন। তিনি বর্ণনা করেন, যখন মুহাজিরদের বাসস্থানের ব্যাপারে আনসারদের মধ্যে লটারী হয় তখন ‘উসমান ইবনু মায‘উনের বসবাস আমাদের অংশে পড়ল। উম্মুল ‘আলা (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি আমাদের এখানে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমি তার সেবা শুশ্রূষা করলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়ে গেল। আমরা কাফনের কাপড় পরিয়ে দিলাম। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এখানে আসলেন। ঐ সময় আমি ‘উসমান (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে বলছিলাম। হে আবূ সায়িব! তোমার উপর আল্লাহর রহমত হোক। তোমার সম্পর্কে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ নিশ্চয়ই তোমাকে সম্মানিত করেছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেমন করে জানলে যে, আল্লাহ্ তাকে সম্মানিত করেছেন? আমি বললাম, আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক। হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো জানি না। তবে কাকে আল্লাহ্ সম্মানিত করবেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহর শপথ! ‘উসমানের মৃত্যু হয়ে গেছে। আল্লাহর কসম! আমি তার সম্পর্কে কল্যাণের আশা পোষণ করছি। আল্লাহর কসম, আমি আল্লাহর রাসূল হওয়া সত্ত্বেও জানিনা আল্লাহ আমার সাথে কী ব্যবহার করবেন। উম্মুল ‘আলা’ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ, আমি এ কথা শুনার পর আর কাউকে পূত-পবিত্র বলব না। উম্মুল ‘আলা’ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথা আমাকে চিন্তিত করল। এরপর আমি স্বপ্নে দেখতে পেলাম যে, ‘‘উসমান ইবনু মায‘উন (রাঃ)-এর জন্য একটি নহর জারি রয়েছে। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে আমার স্বপ্নটি বললে তিনি বললেন, এ হচ্ছে তার সৎ ‘আমল’’। (১২৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪২)
হাদিস নং: ৩৯৩০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد الله بن سعيد حدثنا ابو اسامة عن هشام عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها قالت كان يوم بعاث يوما قدمه الله عز وجل لرسوله صلى الله عليه وسلم فقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وقد افترق ملوهم وقتلت سراتهم في دخولهم في الاسلام
৩৯৩০. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বু‘আস যুদ্ধ এমন একটি যুদ্ধ ছিল যা আল্লাহ্ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষে তাঁর হিজরতের পূর্বেই সংঘটিত করিয়েছিলেন, যা তাদের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে সহায়ক হয়েছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন তখন তাদের গোত্রগুলো ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে নানা দলে ভাগ হয়ে গিয়েছিল এবং তাদের অনেক নেতা নিহত হয়েছিল। (৩৭৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৩)
হাদিস নং: ৩৯৩১ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن المثنى حدثنا غندر حدثنا شعبة عن هشام عن ابيه عن عاىشة ان ابا بكر دخل عليها والنبي صلى الله عليه وسلم عندها يوم فطر او اضحى وعندها قينتان تغنيان بما تقاذفت الانصار يوم بعاث فقال ابو بكر مزمار الشيطان مرتين فقال النبي صلى الله عليه وسلم دعهما يا ابا بكر ان لكل قوم عيدا وان عيدنا هذا اليوم
৩৯৩১. ‘ ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ বকর (রাঃ) ঈদুল তিফত্র অথবা ঈদুল আযহার দিনে তাঁকে দেখতে এলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর বাড়ীতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দু’জন অল্প বয়স্কা বালিকা এ কবিতাটি উচ্চস্বরে আবৃত্তি করছিল যা আনসারগণ বু‘আস যুদ্ধে আবৃত্তি করেছিল। তখন আবূ বকর (রাঃ) দু‘বার বললেন, এ হল শয়তানের ঢাল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আবূ বকর, ওদেরকে ছাড়। প্রত্যেক সম্প্রদায়েরই ‘ঈদ আছে আর আজ হল আমাদের ‘ঈদের দিন। (৯৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৪)
হাদিস নং: ৩৯৩২ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عبد الوارث ح و حدثنا اسحاق بن منصور اخبرنا عبد الصمد قال سمعت ابي يحدث حدثنا ابو التياح يزيد بن حميد الضبعي قال حدثني انس بن مالك قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة نزل في علو المدينة في حي يقال لهم بنو عمرو بن عوف قال فاقام فيهم اربع عشرة ليلة ثم ارسل الى ملا بني النجار قال فجاءوا متقلدي سيوفهم قال وكاني انظر الى رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وابو بكر ردفه وملا بني النجار حوله حتى القى بفناء ابي ايوب قال فكان يصلي حيث ادركته الصلاة ويصلي في مرابض الغنم قال ثم انه امر ببناء المسجد فارسل الى ملا بني النجار فجاءوا فقال يا بني النجار ثامنوني حاىطكم هذا فقالوا لا والله لا نطلب ثمنه الا الى الله قال فكان فيه ما اقول لكم كانت فيه قبور المشركين وكانت فيه خرب وكان فيه نخل فامر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقبور المشركين فنبشت وبالخرب فسويت وبالنخل فقطع قال فصفوا النخل قبلة المسجد قال وجعلوا عضادتيه حجارة قال قال جعلوا ينقلون ذاك الصخر وهم يرتجزون ورسول الله صلى الله عليه وسلم معهم يقولون :
اللهم انه لا خير الا خير الاخره فانصر الانصار والمهاجره
৩৯৩২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আসলেন তখন মদিনার উঁচু এলাকার ‘আমর ইবনু ‘আউফ গোত্রে অবস্থান করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সেখানে তিনি চৌদ্দ দিন থাকলেন। এরপর তিনি বানু নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকেদের কাছে খবর পাঠালেন। তারা সকলেই তরবারি ঝুলিয়ে হাযির হলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সেই দৃশ্য এখনো যেন আমি দেখতে পাচ্ছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর এবং আবূ বকর (রাঃ) তাঁর পিছনে উপবিষ্ট রয়েছেন, আর বনু নাজ্জারের নেতাগণ রয়েছেন তাদের পার্শ্বে। অবশেষে আবূ আইউব (রাঃ)-এর বাড়ির চত্বরে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মালপত্র নামালেন। রাবী বলেন, ঐ সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেখানেই সালাতের সময় হত সেখানেই সালাত আদায় করে নিতেন। এবং তিনি কোন কোন সময় ছাগল-ভেড়ার খোঁয়াড়েও সালাত আদায় করতেন। রাবী বলেন, তারপর তিনি মাসজিদ তৈরির নির্দেশ দিলেন। তিনি বনী নাজ্জারের নেতাদের ডাকলেন এবং তারা এলে তিনি বললেন, তোমাদের এ বাগানটি আমার নিকট বিক্রি কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ, আমরা বিক্রি করব না। আল্লাহ শপথ-এর বিনিময় আল্লাহর নিকটই চাই। রাবী বলেন, এখানে কি ছিল, আমি তোমাদের বলছি স্থানে তখন ছিল মুশরিকদের পুরাতন কবর, বাড়ী ঘরের কিছু ভগ্নাবশেষ কয়েকটি খেজুরের গাছ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশে মুশরিকদের কবরগুলি মিশিয়ে দেয়া হল। ভগ্ন চিহ্ন সমতল করা হল, খেজুর গাছগুলি কেটে ফেলা হল। রাবী বলে, কাটা খেজুর গাছের কান্ডগুলি মসজিদের কেবলার দিকে এর খুঁটি হিসেবে এক লাইনে স্থাপন করা হল এবং খুঁটির ফাঁকা স্থানে রাখা হল পাথর। তখন সাহাবাগণ পাথর বয়ে আনছিলেন এবং ছন্দ যুক্ত কবিতা আবৃত্তি করছিলেনঃ আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাদের সঙ্গে ছিলেন এবং বলেছিলেন,

হে আল্লাহ্! আসল কল্যাণ কেবলমাত্র আখিরাতের কল্যাণ।

হে আল্লাহ্! তুমি মুহাজির ও আনসারদের সাহায্য কর। (২৩৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৫)
হাদিস নং: ৩৯৩৩ সহিহ (Sahih)
حدثني ابراهيم بن حمزة حدثنا حاتم عن عبد الرحمن بن حميد الزهري قال سمعت عمر بن عبد العزيز يسال الساىب ابن اخت النمر ما سمعت في سكنى مكة قال سمعت العلاء بن الحضرمي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث للمهاجر بعد الصدر
৩৯৩৩. ‘উমার ইবনু আবদুল ‘আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি সাইব ইবনু উখতিননাম্র (রাঃ) কে জিজ্ঞস করলেন, আপনি মক্কা্য় অবস্থান ব্যাপারে কী শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি ‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ)-এর কাছে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুহাজিরদের জন্য তাওয়াফে সদর [১] আদায় করার পর তিন দিন মক্কা্য় থাকার অনুমতি আছে। [২] (মুসলিম ১৫/৮১, হাঃ নং ১৩৫২, আহমাদ ২০৫৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৬)
নোট: ১. হাজ্জ কার্যসমূহ সমাপন করে মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করার পর কাবা ঘরের যে তাওয়াফ করা হয় তাকে বুঝানো হয়েছে।

২. মক্কাহ বিজয়ের পূর্বে যারা হিজরাত করেছিলেন তাদের জন্য পুনরায় মক্কাহয় অবস্থান করা হারাম ছিল। কিন্তু যারা হাজ্জ বা ‘উমরাহ এর উদ্দেশ্যে মক্কাহয় আসবে তারা তাদের হাজ্জ ‘উমরাহ এর কাজ সমাধা করে মাত্র তিন দিন প্রয়োজন হলে অবস্থান করতে পারবে-তাতে নিষেধ নেই।
হাদিস নং: ৩৯৩৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد العزيز عن ابيه عن سهل بن سعد قال ما عدوا من مبعث النبي صلى الله عليه وسلم ولا من وفاته ما عدوا الا من مقدمه المدينة
৩৯৩৪. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) বর্ণনা করেন, লোকেরা বছর গণনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুয়াত প্রাপ্তির দিন হতে করেনি এবং তাঁর মৃত্যুর দিন থেকেও করেনি বরং তাঁর মদিনা্য় হিজরত হতে বছর গণনা করা হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৭)
হাদিস নং: ৩৯৩৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا معمر عن الزهري عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها قالت فرضت الصلاة ركعتين ثم هاجر النبي صلى الله عليه وسلم ففرضت اربعا وتركت صلاة السفر على الاولى تابعه عبد الرزاق عن معمر
৩৯৩৫. ‘ ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় দু‘ দু‘ রাক‘আত করে সালাত ফরয করা হয়েছিল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হিজরত করলেন, ঐ সময় সালাত চার রাক‘আত করে দেয়া হয়। এবং সফর কালে আগের অবস্থা অর্থাৎ দু‘ রাক‘আত বহাল রাখা হয়। আব্দুর রাজ্জাক (রহ.) মা‘মার সূত্রে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইয়াযীদ ইবনু যরায়-এর অনুসরণ করেছেন। (৩৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৮)
হাদিস নং: ৩৯৩৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن قزعة حدثنا ابراهيم عن الزهري عن عامر بن سعد بن مالك عن ابيه قال عادني النبي صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع من مرض اشفيت منه على الموت فقلت يا رسول الله بلغ بي من الوجع ما ترى وانا ذو مال ولا يرثني الا ابنة لي واحدة افاتصدق بثلثي مالي قال لا قال فاتصدق بشطره قال الثلث يا سعد والثلث كثير انك ان تذر ذريتك اغنياء خير من ان تذرهم عالة يتكففون الناس ولست بنافق نفقة تبتغي بها وجه الله الا اجرك الله بها حتى اللقمة تجعلها في في امراتك قلت يا رسول الله اخلف بعد اصحابي قال انك لن تخلف فتعمل عملا تبتغي بها وجه الله الا ازددت به درجة ورفعة ولعلك تخلف حتى ينتفع بك اقوام ويضر بك اخرون اللهم امض لاصحابي هجرتهم ولا تردهم على اعقابهم لكن الباىس سعد بن خولة يرثي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ان توفي بمكة وقال احمد بن يونس وموسى عن ابراهيم ان تذر ورثتك
৩৯৩৬. সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, বিদায় হাজ্জের বছর আমি ভয়ানক রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কাছাকাঠি হই তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার রোগ কি পর্যায় পৌছেছে তা আপনি দেখতে পাচ্ছেন। আমি একজন সম্পদশালী। আমার ওয়ারিশ হচ্ছে একটি মাত্র কন্যা। আমি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ আল্লাহর রাস্তায় সাদকা করে দিব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক? তিনি বললেন, হে সা‘দ, এক তৃতীয়াংশ দান কর। এবং এক তৃতীয়াংশই অনেক বেশি। তুমি তোমার ছেলে-মেয়েদেরকে সম্পদশালী রেখে যাও তা-ই উত্তম, এর চেয়ে তুমি তাদেরকে নিঃস্ব রেখে গেলে যে তারা অন্যের নিকট ভিক্ষে করে। আহমাদ ইবনু ইউসুফ (রহ.).....ইব্রাহীম (রহ.) হতে এ কথাগুলোও বর্ণনা করেছেন। তুমি তোমার ওয়ারিশদের সম্পদশালী রেখে যাবে আর তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু ব্যয় করবে, আল্লাহ্ তার প্রতিদান তোমাকে দেবেন। তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমাটি তুলে দিবে এর প্রতিদানও আল্লাহ্ তোমাকে দেবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সাথী সঙ্গীদের হতে পশ্চাতে থাকব? তিনি বললেন, তুমি কক্ষনো পিছে পড়ে থাকবে না আর এ অবস্থায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে তুমি যে কোন নেক ‘আমল করবে তাহলে তোমার সম্মান ও মর্যাদা আরো বৃদ্ধি হবে। সম্ভবতঃ তুমি বয়স বেশি পাবে এবং এর ফলে তোমার দ্বারা অনেক মানুষ উপকৃত এবং অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ্! আমার সাহাবীদের হিজরতকে অটুট রাখুন। তাদেরকে পশ্চাৎমুখী করে ফিরিয়ে নিবেন না। কিন্তু অভাবগ্রস্ত সা‘দ ইবনু খাওলাহর মক্কা্য় মৃত্যুর কারণে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন। আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহ.) ও মূসা (রহ.) ইব্রাহীম সূত্রে বর্ণনা করেছেন, أَنْ تَذَرَ وَرَثَتَكَ তোমার ওয়ারিশদের রেখে যাওয়া....। (৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৯)
হাদিস নং: ৩৯৩৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن حميد عن انس قال قدم عبد الرحمن بن عوف المدينة فاخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع الانصاري فعرض عليه ان يناصفه اهله وماله فقال عبد الرحمن بارك الله لك في اهلك ومالك دلني على السوق فربح شيىا من اقط وسمن فراه النبي صلى الله عليه وسلم بعد ايام وعليه وضر من صفرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم مهيم يا عبد الرحمن قال يا رسول الله تزوجت امراة من الانصار قال فما سقت فيها فقال وزن نواة من ذهب فقال النبي صلى الله عليه وسلم اولم ولو بشاة
وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ آخَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنِيْ وَبَيْنَ سَعْدِ بْنِ الرَّبِيْعِ لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِيْنَةَ وَقَالَ أَبُوْ جُحَيْفَةَ آخَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ سَلْمَانَ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ

‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) বলেন, আমরা যখন মদিনা এলাম তখন আমার ও সা‘দ ইবনু রাবী‘র মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দেন এবং আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) বলেন, সালমান ও আবূদ্ দারদা (রাঃ)-এর মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দিয়েছিলেন।


৩৯৩৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) যখন মদিনায় আসলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ও সা‘দ ইবনু রাবী‘ আনসারী (রাঃ)-এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দিলেন। সা‘দ (রাঃ) তার সম্পদ ভাগ করে অর্ধেক সম্পদ এবং দু‘জন স্ত্রীর যে কোন একজন নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘আবদুর রহমানকে অনুরোধ করলেন। তিনি উত্তরে বললেন, আল্লাহ্ আপনার পরিবারবর্গ ও ধন-সম্পদে বরকত দান করুন। আমাকে এখানকার বাজারের রাস্তাটি দেখিয়ে দিন। তিনি মুনাফা হিসেবে কিছু ঘি ও পনির লাভ করলেন। কিছুদিন পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তার দেখা হল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তার গায়ে ও কাপড়ে হলুদ রং-এর চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, হে আবদুর রাহমান, ব্যাপার কি! তিনি বললেন, আমি একজন আনসারী মহিলাকে বিয়ে করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তাকে কী পরিমাণ মোহর দিয়েছ? তিনি বললেন, তাকে খেজুর বিচির পরিমাণ সোনা দিয়েছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, একটি বকরি দিয়ে হলেও ওয়ালীমাহ করে নাও। (২০৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫০)

 
হাদিস নং: ৩৯৩৮ সহিহ (Sahih)
باب حدثني حامد بن عمر عن بشر بن المفضل حدثنا حميد حدثنا انس ان عبد الله بن سلام بلغه مقدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة فاتاه يساله عن اشياء فقال اني ساىلك عن ثلاث لا يعلمهن الا نبي ما اول اشراط الساعة وما اول طعام ياكله اهل الجنة وما بال الولد ينزع الى ابيه او الى امه قال اخبرني به جبريل انفا قال ابن سلام ذاك عدو اليهود من الملاىكة قال اما اول اشراط الساعة فنار تحشرهم من المشرق الى المغرب واما اول طعام ياكله اهل الجنة فزيادة كبد الحوت واما الولد فاذا سبق ماء الرجل ماء المراة نزع الولد واذا سبق ماء المراة ماء الرجل نزعت الولد قال اشهد ان لا اله الا الله وانك رسول الله قال يا رسول الله ان اليهود قوم بهت فاسالهم عني قبل ان يعلموا باسلامي فجاءت اليهود فقال النبي صلى الله عليه وسلم اي رجل عبد الله بن سلام فيكم قالوا خيرنا وابن خيرنا وافضلنا وابن افضلنا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ارايتم ان اسلم عبد الله بن سلام قالوا اعاذه الله من ذلك فاعاد عليهم فقالوا مثل ذلك فخرج اليهم عبد الله فقال اشهد ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله قالوا شرنا وابن شرنا وتنقصوه قال هذا كنت اخاف يا رسول الله
৩৯৩৮. আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদিনায় আসার খবর পৌঁছলে তিনি এসে তাঁকে কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করছি। এগুলোর ঠিক উত্তর নবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না। (১) কিয়ামতের সর্বপ্রথম ‘আলামত কী? (২) জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কী? (৩) কী কারণে সন্তান আকৃতিতে কখনও পিতার মত কখনো বা মায়ের মত হয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বিষয়গুলি সম্পর্কে এই মাত্র জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে জানিয়ে গেলেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) একথা শুনে বললেন, তিনিই ফেরেশ্তাদের মধ্যে ইয়াহূদীদের দুশমন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (১) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম আলামত লেলিহান অগ্নি যা মানুষকে পূর্বদিক হতে পশ্চিম দিকে ধাবিত করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে একত্র করবে। (২) সর্বপ্রথম খাদ্য যা জান্নাতবাসী খাবে তা হল মাছের কলিজার বাড়তি অংশ (৩) যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত  ঘটে তবে সন্তান পিতার মত হয় আর যদি পুরুষের আগে নারীর বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের মত হয়। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল। হে আল্লাহর রাসূল, ইয়াহূদীগণ এমন একটি জাতি যারা অন্যের কুৎসা রটনায় খুব পটু। আমার ইসলাম গ্রহণ প্রকাশ হওয়ার পূর্বে আমার অবস্থা সম্পর্কে তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডাকলেন, তারা হাযির হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মাঝে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম কেমন লোক? তারা বলল, তিনি আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান। তিনি আমাদের সবচেয়ে মর্যাদাবান এবং সবচেয়ে মর্যাদাবান ব্যক্তির সন্তান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা বলত, যদি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সালাম ইসলাম কবুল করে তাহলে কেমন হবে? তোমরা তখন কি করবে? তারা বলল, আল্লাহ্ তাকে একাজ হতে রক্ষা করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার এ কথাটি বললেন, তারাও আগের মত উত্তর দিল। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বেরিয়ে আসলেন, এবং বললেন, أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُوْلُ اللهِ  তা শুনে ইয়াহূদীগণ বলতে লাগল, সে আমাদের মধ্যে খারাপ লোক এবং খারাপ লোকের সন্তান। অতঃপর তারা তাকে তুচ্ছ করার উদ্দেশে আরো অনেক কথাবার্তা বলল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটাই আশংকা করেছিলাম। (৩৩২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫১)
হাদিস নং: ৩৯৩৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو سمع ابا المنهال عبد الرحمن بن مطعم قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيىة فقلت سبحان الله ايصلح هذا فقال سبحان الله والله لقد بعتها في السوق فما عابه احد فسالت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع فقال ما كان يدا بيد فليس به باس وما كان نسيىة فلا يصلح والق زيد بن ارقم فاساله فانه كان اعظمنا تجارة فسالت زيد بن ارقم فقال مثله وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع وقال نسيىة الى الموسم او الحج
৩৯৩৯-৩৯৪০. ‘আবদুর রাহমান ইবনু মুত্‘ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আল্লাহর শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেননি। এরপর আমি বারা‘ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন তখন আমরা এ রকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইবনু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহ.) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন ‘‘...’’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (২০৬০, ২০৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫২)
হাদিস নং: ৩৯৪০ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو سمع ابا المنهال عبد الرحمن بن مطعم قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيىة فقلت سبحان الله ايصلح هذا فقال سبحان الله والله لقد بعتها في السوق فما عابه احد فسالت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع فقال ما كان يدا بيد فليس به باس وما كان نسيىة فلا يصلح والق زيد بن ارقم فاساله فانه كان اعظمنا تجارة فسالت زيد بن ارقم فقال مثله وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع وقال نسيىة الى الموسم او الحج
৩৯৩৯-৩৯৪০. ‘আবদুর রাহমান ইবনু মুত্‘ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আল্লাহর শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেননি। এরপর আমি বারা‘ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন তখন আমরা এ রকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইবনু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহ.) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন ‘‘...’’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (২০৬০, ২০৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫২)
হাদিস নং: ৩৯৪১ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا قرة عن محمد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو امن بي عشرة من اليهود لامن بي اليهود
هَادُوْا صَارُوْا يَهُوْدًا وَأَمَّا قَوْلُهُ هُدْنَا تُبْنَا هَائِدٌ تَائِبٌ

هَادُوْا অর্থ ইয়াহূদী হয়ে গেছে। هُدْنَا অর্থ আমরা তাওবা করেছি। هَائِدٌ অর্থ তাওবাকারী।

৩৯৪১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যদি আমার উপর দশজন ইয়াহূদী ঈমান আনত তবে গোটা ইয়াহূদী সম্প্রদায়ই ঈমান আনত।* (মুসলিম ৫০/৩, হাঃ নং ২৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৩)
নোট: *উক্ত হাদীসে দু’প্রকার তাৎপর্য বর্ণনা করা হয়ে থাকে (১) উক্ত হাদীসটি নাবী (সাঃ) যে সময়ে বলেন, সে সময় পর্যন্ত যদি দশজন ইয়াহুদী নাবী (সাঃ) এর প্রতি ঈমান আনত তবে সমগ্র ইয়াহুদী জাতী ঈমান আনত। (২) উক্ত হাদীসে নাবী (সাঃ) বিশেষ দশজন ইয়াহুদী নেতার প্রতি ইঙ্গিত করেন যারা সকলে ঈমান আনলে তাদের প্রভাবে তাদের সমপ্রদায়ের সকলেই ঈমান আনত। কিন্ত বাস্তবে তাদের মধ্য হতে খুব অল্প সংখ্যক ঈমান এনেছিল। তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ ও উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি হচ্ছেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম। (ফাতহুল বারী ৭ম খণ্ড ৩৫০ পৃষ্ঠা)
হাদিস নং: ৩৯৪২ সহিহ (Sahih)
حدثني احمد او محمد بن عبيد الله الغداني حدثنا حماد بن اسامة اخبرنا ابو عميس عن قيس بن مسلم عن طارق بن شهاب عن ابي موسى قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم المدينة واذا اناس من اليهود يعظمون عاشوراء ويصومونه فقال النبي صلى الله عليه وسلم نحن احق بصومه فامر بصومه
৩৯৪২. আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন, তখন ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কিছু লোক আশুরার দিনকে খুব সম্মান করত এবং সেদিন তারা সাওম পালন করত। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইয়াহূদীদের চেয়ে ঐ দিন সাওম পালন করার আমরা বেশি হকদার। তারপর তিনি সবাইকে সাওম পালন করার নির্দেশ করলেন।  (২০০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৪)
হাদিস নং: ৩৯৪৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا زياد بن ايوب حدثنا هشيم حدثنا ابو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وجد اليهود يصومون عاشوراء فسىلوا عن ذلك فقالوا هذا اليوم الذي اظفر الله فيه موسى وبني اسراىيل على فرعون ونحن نصومه تعظيما له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نحن اولى بموسى منكم ثم امر بصومه
৩৯৪৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আসেন তখন দেখতে পেলেন ইয়াহূদীরা ‘আশুরা দিবসে সাওম পালন করে। তাদেরকে সাওম পালনের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, এদিনই আল্লাহ্ তা‘আলা মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ফিরাউনের উপর বিজয় দিয়েছিলেন। তাই আমরা ঐ দিনের সম্মানে সাওম পালন করি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের চেয়ে আমরা মূসা (আঃ)-এর বেশি নিকটবর্তী। এরপর তিনি সাওম পালনের নির্দেশ দিলেন। (২০০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৫)
হাদিস নং: ৩৯৪৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان حدثنا عبد الله عن يونس عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يسدل شعره وكان المشركون يفرقون رءوسهم وكان اهل الكتاب يسدلون رءوسهم وكان النبي صلى الله عليه وسلم يحب موافقة اهل الكتاب فيما لم يومر فيه بشيء ثم فرق النبي صلى الله عليه وسلم راسه
৩৯৪৪. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস  (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুলে সিঁথি না কেটে সোজা পিছনে দিতেন। আর মুশরিকরা তাদের চুলে সিঁথি কাটত। আহলে কিতাব সিঁথি কাটত না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর নিকট হতে কোন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আহলে কিতাবের অনুকরণ পছন্দ করতেন। তারপর (ওয়াহী মুতাবেক) তাঁর মাথায় সিঁথি কাটলেন। (৩৫৫৮)(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৬)
হাদিস নং: ৩৯৪৫ সহিহ (Sahih)
حدثني زياد بن ايوب حدثنا هشيم اخبرنا ابو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال هم اهل الكتاب جزءوه اجزاء فامنوا ببعضه وكفروا ببعضه يعني قول الله تعالى الذين جعلوا القران عضين (الحجر : 91)
৩৯৪৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এরাই তো সেই আহলে কিতাব যারা ভাগাভাগি করে ফেলেছে, কোন কোন বিষয়ের উপর ঈমান এনেছে আর কোন কোন বিষয়কে অস্বীকার করেছে। রাবী আল্লাহর এ বাণী বুঝাতে চেয়েছেন-‘‘যারা কুরআনকে খন্ড খন্ড করেছে’’ (সূরাহ আল-হিজরঃ ৯১) (৪৭০৫, ৪৭০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৭)
হাদিস নং: ৩৯৪৬ সহিহ (Sahih)
حدثني الحسن بن عمر بن شقيق حدثنا معتمر قال ابي وحدثنا ابو عثمان عن سلمان الفارسي انه تداوله بضعة عشر من رب الى رب
৩৯৪৬. সালমান ফারসী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি দশ জনেরও অধিক মালিকের অধীনে হাত বদল হতে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৮)
হাদিস নং: ৩৯৪৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عوف عن ابي عثمان قال سمعت سلمان يقول انا من رام هرمز
৩৯৪৭. আবূ ‘‘উসমান (রহ.) বলেন, আমি সালমান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি; তিনি বলেন, আমি রাম হুরমুয এর বাসিন্দা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৯)
হাদিস নং: ৩৯৪৮ সহিহ (Sahih)
حدثني الحسن بن مدرك حدثنا يحيى بن حماد اخبرنا ابو عوانة عن عاصم الاحول عن ابي عثمان عن سلمان قال فترة بين عيسى ومحمد صلى الله عليهما وسلم ست ماىة سنة
৩৯৪৮. সালমান ফারসী (রাঃ) বলেন, ‘ঈসা (আ.) এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মধ্যে ছয় শত বছরের পার্থক্য ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৬০)
অধ্যায় তালিকা