হাদিস নং: ৪০৪৯
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا ابراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب اخبرني خارجة بن زيد بن ثابت انه سمع زيد بن ثابت رضي الله عنه يقول فقدت اية من الاحزاب حين نسخنا المصحف كنت اسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا بها فالتمسناها فوجدناها مع خزيمة بن ثابت (الانصاري من المومنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه” ومنهم من ينتظر) فالحقناها في سورتها في المصحف.
৪০৪৯. যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কুরআন মাজীদকে গ্রন্থের আকারে লিপিবদ্ধ করার সময় সূরাহ আহযাবের একটি আয়াত আমি হারিয়ে ফেলি, যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পাঠ করতে শুনতাম। তাই আমরা উক্ত আয়াতটি খুঁজতে লাগলাম। অবশেষে তা পেলাম খুযায়মা ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর কাছে। আয়াতটি হলঃ ‘‘মু‘মিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে’’-[1] (সূরাহ আল আহযাব ৩৩/২৩)। এরপর এ আয়াতটিকে আমরা কুরআন মজীদের ঐ সূরাতে যুক্ত করে নিলাম। [২৮০৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫০)
নোট: [1] আনাস ইবনু নযর বাদর যুদ্ধে অংশ নিতে না পারায় অনেক অনুতপ্ত হয়েছিলেন। কারণ এ যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলিমদের অর্জন যেমন ছিল বিরাট সফলতার তেমনি এতে অংশগ্রহণকারীদের মর্যাদা ছিল অপরিসীম। তাই তিনি সংকল্প করেছিলেন যে, ভবিষ্যতে কাফিরদের সঙ্গে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হলে তিনি জান বাজী রেখে লড়াই করবেন। উহূদের যুদ্ধে তিনি তাঁর ইচ্ছে পূর্ণ করেন এবং তা প্রমাণ করে দেখিয়ে দেন। অতঃপর সে যুদ্ধেই তিনি শাহাদাতের স্বর্গীয় সুধা পানে ধন্য হন।
হাদিস নং: ৪০৫০
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت سمعت عبد الله بن يزيد يحدث عن زيد بن ثابت رضي الله عنه قال لما خرج النبي صلى الله عليه وسلم الى احد رجع ناس ممن خرج معه وكان اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فرقتين فرقة تقول نقاتلهم وفرقة تقول لا نقاتلهم فنزلت (فما لكم في المنفقين فىتين والله اركسهم بما كسبوا) وقال انها طيبة تنفي الذنوب كما تنفي النار خبث الفضة.
৪০৫০. যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদের উদ্দেশে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলে যারা তাঁর সঙ্গে বের হয়েছিল, তাদের কিছু সংখ্যক লোক ফিরে এলো। নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ তাদের ব্যাপারে দু’দলে বিভক্ত হয়ে পড়েন। এরপর বললেন, আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। অপর দল বললেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না। এ সময় অবতীর্ণ হয় আয়াতটি- (فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِيْنَ فِئَتَيْنِ وَاللهُ أَرْكَسَهُمْ بِمَا كَسَبُوْا) ’’তোমাদের কী হল যে, তোমরা মুনাফিকদের সম্বন্ধে দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ্ তাদেরকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন তাদের কৃতকর্মের দরুন’’- (সূরাহ আন নিসা ৪/৮৮)। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা পবিত্র স্থান। আগুন যেমন রুপার ময়লা দূরে করে, তেমনি মদিনাও গুনাহকে দূর করে দেয়। [১৮৮৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫১)
হাদিস নং: ৪০৫১
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف عن ابن عيينة عن عمرو عن جابر رضي الله عنه قال نزلت هذه الاية فينا (اذ همت طآىفتان منكم ان تفشلا) بني سلمة وبني حارثة وما احب انها لم تنزل والله يقول (والله وليهما).
(إِذْ هَمَّتْ طَّآئِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا وَاللهُ وَلِيُّهُمَا وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُوْنَ)
যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল এবং আল্লাহ উভয়ের সহায়ক ছিলেন। আল্লাহর প্রতিই যেন মু’মিনগণ নির্ভর করে। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১২২)
৪০৫১. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, إِذْ هَمَّتْ طَائِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا ‘‘যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল’’ আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে তথা বনূ সালিমাহ এবং বনু হারিসাহ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক তা আমি চাইনি। কেননা এ আয়াতেই আল্লাহ বলেছেন, ‘‘আল্লাহ উভয় দলেরই সাহায্যকারী’’। [৪৫৫৮; মুসলিম ৪৪/৪৩, হাঃ ২৫০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫২)
যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল এবং আল্লাহ উভয়ের সহায়ক ছিলেন। আল্লাহর প্রতিই যেন মু’মিনগণ নির্ভর করে। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১২২)
৪০৫১. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, إِذْ هَمَّتْ طَائِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا ‘‘যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল’’ আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে তথা বনূ সালিমাহ এবং বনু হারিসাহ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক তা আমি চাইনি। কেননা এ আয়াতেই আল্লাহ বলেছেন, ‘‘আল্লাহ উভয় দলেরই সাহায্যকারী’’। [৪৫৫৮; মুসলিম ৪৪/৪৩, হাঃ ২৫০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫২)
হাদিস নং: ৪০৫২
সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا سفيان اخبرنا عمرو عن جابر قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم هل نكحت يا جابر قلت نعم قال ماذا ابكرا ام ثيبا قلت لا بل ثيبا قال فهلا جارية تلاعبك قلت يا رسول الله ان ابي قتل يوم احد وترك تسع بنات كن لي تسع اخوات فكرهت ان اجمع اليهن جارية خرقاء مثلهن ولكن امراة تمشطهن وتقوم عليهن قال اصبت.
৪০৫২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছ কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কেমন, কুমারী না অকুমারী? আমি বললাম, না, বরং অকুমারী। তিনি বললেন, কোন কুমারী মেয়েকে বিয়ে করলে না কেন? সে তো তোমার সঙ্গে আমোদ-ফূর্তি করত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমার আববা উহূদের যুদ্ধে শাহাদাত লাভ করেছেন। রেখে গেছেন নয়টি মেয়ে। এখন আমার নয় বোন। এ কারণে আমি তাদের সঙ্গে তাদেরই মতো একজন আনাড়ি মেয়েকে এনে একত্রিত করা পছন্দ করিনি। বরং এমন একটি মহিলাকে (পছন্দ করলাম) যে তাদের চুল আঁচড়ে দিতে পারবে এবং তাদের দেখাশোনা করতে পারবে। তিনি বললেন, ঠিক করেছ। [৪৪৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৩)
হাদিস নং: ৪০৫৩
সহিহ (Sahih)
احمد بن ابي سريج اخبرنا عبيد الله بن موسى حدثنا شيبان عن فراس عن الشعبي قال حدثني جابر بن عبد الله رضي الله عنهما ان اباه استشهد يوم احد وترك عليه دينا وترك ست بنات فلما حضر جزاز النخل قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت قد علمت ان والدي قد استشهد يوم احد وترك دينا كثيرا واني احب ان يراك الغرماء فقال اذهب فبيدر كل تمر على ناحية ففعلت ثم دعوته فلما نظروا اليه كانهم اغروا بي تلك الساعة فلما راى ما يصنعون اطاف حول اعظمها بيدرا ثلاث مرات ثم جلس عليه ثم قال ادع لي اصحابك فما زال يكيل لهم حتى ادى الله عن والدي امانته وانا ارضى ان يودي الله امانة والدي ولا ارجع الى اخواتي بتمرة فسلم الله البيادر كلها وحتى اني انظر الى البيدر الذي كان عليه النبي صلى الله عليه وسلم كانها لم تنقص تمرة واحدة.
৪০৫৩. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, উহূদের দিন তার পিতা ছয়টি মেয়ে ও কিছু ঋণ তার উপর রেখে শাহাদাত লাভ করেন। এরপর যখন খেজুর কাটার সময় এল (তিনি বলেন) তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, আপনি জানেন যে, আমার পিতা উহূদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন এবং বিশাল ঋণ ভার রেখে গেছেন। এখন আমি চাই, ঋণদাতাগণ আপনাকে দেখুক। তখন তিনি বললেন, তুমি যাও এবং বাগানের এক কোণে সব খেজুর কেটে জমা কর। [জাবির (রাঃ) বলেন] আমি তাই করলাম। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ডেকে আনলাম। যখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখলেন, সে সময় তারা আমার উপর আরো রাগান্বিত হলেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের আচরণ দেখে বাগানের বড় গাদাটির চারপার্শ্বে তিনবার ঘুরে এসে এর উপর বসে বললেন, তোমার ঋণদাতাদেরকে ডাক। তিনি তাদেরকে মেপে মেপে দিতে লাগলেন। অবশেষে আল্লাহ তা‘আলা আমার পিতার আমানাত আদায় করে দিলেন। আমিও চাচ্ছিলাম যে, একটি খেজুর নিয়ে আমি আমার বোনদের নিকট না যেতে পারলেও আল্লাহ তা‘আলা যেন আমার পিতার আমানাত আদায় করে দেন। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা খেজুরের সবকটি গাদাই অবশিষ্ট রাখলেন। এমনকি আমি দেখলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে গাধায় উপবিষ্ট ছিলেন তার থেকে যেন একটি খেজুরও কমেনি। [২১২৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৩)
হাদিস নং: ৪০৫৪
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا ابراهيم بن سعد عن ابيه عن جده عن سعد بن ابي وقاص رضي الله عنه قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم احد ومعه رجلان يقاتلان عنه عليهما ثياب بيض كاشد القتال ما رايتهما قبل ولا بعد.
৪০৫৪. সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আমি আরো দু’ ব্যক্তিকে দেখলাম, যারা সাদা পোশাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষে তুমুল যুদ্ধ করছে। আমি তাদেরকে আগেও দেখিনি আর পরেও দেখিনি। [৫৮২৬; মুসলিম ৪৩/১০, হাঃ ২৩০৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৪)
হাদিস নং: ৪০৫৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد حدثنا مروان بن معاوية حدثنا هاشم بن هاشم السعدي قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سمعت سعد بن ابي وقاص يقول نثل لي النبي صلى الله عليه وسلم كنانته يوم احد فقال ارم فداك ابي وامي.
৪০৫৫. সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য তাঁর তীরাধার খুলে দিয়ে বললেন, তোমার জন্য আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক; তুমি তীর চালাতে থাক। [৩৭২৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৬)
হাদিস নং: ৪০৫৬
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا يحيى عن يحيى بن سعيد قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت سعدا يقول جمع لي النبي صلى الله عليه وسلم ابويه يوم احد.
৪০৫৬. সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উদ্দেশে তাঁর পিতা-মাতাকে এক সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। [৩৭২৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৭)
হাদিস নং: ৪০৫৭
সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا ليث عن يحيى عن ابن المسيب انه قال قال سعد بن ابي وقاص رضي الله عنه لقد جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم احد ابويه كليهما يريد حين قال فداك ابي وامي وهو يقاتل.
৪০৫৭. সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহূদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতা উভয়কে একসঙ্গে উল্লেখ করেছেন। এ কথা বলে তিনি বোঝাতে চান যে, তিনি লড়াই করছিলেন এমন সময় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছেন, তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক। [৩৭২৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৫ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৮)
হাদিস নং: ৪০৫৮
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا مسعر عن سعد عن ابن شداد قال سمعت عليا رضي الله عنه يقول ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلمও يجمع ابويه لاحد غير سعد.
৪০৫৮. ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। [২৯০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫৯)
হাদিস নং: ৪০৫৯
সহিহ (Sahih)
يسرة بن صفوان حدثنا ابراهيم عن ابيه عن عبد الله بن شداد عن علي رضي الله عنه قال ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم جمع ابويه لاحد الا لسعد بن مالك فاني سمعته يقول يوم احد يا سعد ارم فداك ابي وامي.
৪০৫৯. ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। উহূদ যুদ্ধের দিন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তুমি তীর চালিয়ে যাও, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য কুরবান হোক।[1] [২৯০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬০)
নোট: [1] এটি একটি আরবীয় বাকরীতি। কারো প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশের উদ্দেশ্যে এ ধরনের বাকধারা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
হাদিস নং: ৪০৬০
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل عن معتمر عن ابيه قال زعم ابو عثمان انه لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الايام التي يقاتل فيهن غير طلحة وسعد عن حديثهما.
৪০৬০-৪০৬১. আবূ ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধ করেছেন তার কোন এক সময়ে ত্বলহা এবং সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন না। হাদীসটি আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাদের উভয়ের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। [৩৭২২, ৩৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬১)
হাদিস নং: ৪০৬১
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل عن معتمر عن ابيه قال زعم ابو عثمان انه لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الايام التي يقاتل فيهن غير طلحة وسعد عن حديثهما.
৪০৬০-৪০৬১. আবূ ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধ করেছেন তার কোন এক সময়ে ত্বলহা এবং সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন না। হাদীসটি আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাদের উভয়ের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। [৩৭২২, ৩৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬১)
হাদিস নং: ৪০৬২
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن ابي الاسود حدثنا حاتم بن اسماعيل عن محمد بن يوسف قال سمعت الساىب بن يزيد قال صحبت عبد الرحمن بن عوف وطلحة بن عبيد الله والمقداد وسعدا رضي الله عنهم فما سمعت احدا منهم يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم الا اني سمعت طلحة يحدث عن يوم احد.
৪০৬২. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ, ত্বলহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ, মিকদাদ এবং সা‘দ (রাঃ)-এর সাহচর্য পেয়েছি। তাদের কাউকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি, তবে কেবল ত্বলহা (রাঃ)-কে উহূদ যুদ্ধ সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছি। [২৮০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬২)
হাদিস নং: ৪০৬৩
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن ابي شيبة حدثنا وكيع عن اسماعيل عن قيس قال رايت يد طلحة شلاء وقى بها النبي صلى الله عليه وسلم يوم احد.
৪০৬৩. ক্বায়স (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ত্বলহা (রাঃ)-এর হাত অবশ দেখেছি। উহূদের দিন তিনি এ হাত নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতিরক্ষায় লাগিয়েছিলেন। [৩৭২৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৩)
হাদিস নং: ৪০৬৪
সহিহ (Sahih)
ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز عن انس رضي الله عنه قال لما كان يوم احد انهزم الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم وابو طلحة بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم مجوب عليه بحجفة له وكان ابو طلحة رجلا راميا شديد النزع كسر يومىذ قوسين او ثلاثا وكان الرجل يمر معه بجعبة من النبل فيقول انثرها لابي طلحة قال ويشرف النبي صلى الله عليه وسلم ينظر الى القوم فيقول ابو طلحة بابي انت وامي لا تشرف يصيبك سهم من سهام القوم نحري دون نحرك ولقد رايت عاىشة بنت ابي بكر وام سليم وانهما لمشمرتان ارى خدم سوقهما تنقزان القرب على متونهما تفرغانه في افواه القوم ثم ترجعان فتملانها ثم تجيىان فتفرغانه في افواه القوم ولقد وقع السيف من يدي ابي طلحة اما مرتين واما ثلاثا.
৪০৬৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদের দিন লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ছেড়ে যেতে লাগলেও আবূ ত্বলহা (রাঃ) ঢাল হাতে নিয়ে তাঁকে আড়াল করে রাখলেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ), ধনুক খুব জোরে টেনে তীর ছুঁড়লেন। সেদিন তিনি দু’টি অথবা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ছিলেন। সেদিন যে কেউ তীরাধার নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তাকেই তিনি বলেছেন, তীরগুলো খুলে আবূ ত্বলহার জন্য রেখে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা উঁচু করে যেমনই শত্রুদের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলতেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি মাথা উঁচু করবেন না। তাদের নিক্ষিপ্ত তীরের কোনটি আপনার শরীরে লেগে যেতে পারে। আপনার বক্ষের পরিবর্তে আছে আমার বক্ষ। [আনাস (রাঃ) বলেন] সেদিন আমি ‘আয়িশাহ বিনত আবূ বকর এবং উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-কে দেখেছি, তাঁরা দু’জনেই পায়ের কাপড় গুটিয়ে নিয়েছিলেন। আমি তাঁদের পায়ের তলা দেখতে পেয়েছি। তারা মশক ভর্তি করে পিঠে পানি বয়ে আনতেন এবং (আহত) লোকেদের মুখে ঢেলে দিতেন। আবার ফিরে যেতেন এবং মশক ভর্তি পানি এনে লোকেদের মুখে ঢেলে দিতেন। সেদিন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর হাত থেকে দু’বার কিংবা তিনবার তরবারিটি পড়ে গিয়েছিল। [২৮৮০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৪)
হাদিস নং: ৪০৬৫
সহিহ (Sahih)
عبيد الله بن سعيد حدثنا ابو اسامة عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها قالت لما كان يوم احد هزم المشركون فصرخ ابليس لعنة الله عليه اي عباد الله اخراكم فرجعت اولاهم فاجتلدت هي واخراهم فبصر حذيفة فاذا هو بابيه اليمان فقال اي عباد الله ابي ابي قال قالت فوالله ما احتجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة يغفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة بقية خير حتى لحق بالله عز وجل بصرت علمت من البصيرة في الامر وابصرت من بصر العين ويقال بصرت وابصرت واحد.
৪০৬৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধে মুশরিকরা যখন পরাস্ত হল তখন অভিশপ্ত ইবলিস চীৎকার করে বলল, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমাদের পেছনে আরেকটি দল আসছে। তখন অগ্রসেনারা পেছনে ফিরলে তাদের ও পশ্চাদভাগের মধ্যে পরস্পর সংঘর্ষ হল। হুযাইফাহ (রাঃ) দেখতে পেলেন যে, তাঁর পিতা ইয়ামন (রাঃ)-এর সম্মুখীন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর বান্দারা! (ইনি তো) আমার পিতা। বর্ণনাকারী (‘আয়িশাহ) বলেন, আল্লাহর কসম! এতে তাঁরা তাকে হত্যা না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হল না। তখন হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। (বর্ণনাকারী) ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহর সঙ্গে মিলনের পূর্ব পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মনে এ ঘটনার অনুতাপ বাকী ছিল।
ইমাম বুখারী (রহ.) বলেছেনঃ بَصُرْتُ শব্দটি بَصِيْرَةِ শব্দ থেকে উৎপন্ন যার অর্থ হল কোন কিছু জানা। যেমন বলা হয় بَصِيْرَةِ فِي الْأَمْرِ আবার أَبْصَرْتُ শব্দটির অর্থ হল চোখ দিয়ে দেখা। কেউ কেউ আবার بَصُرْتُ ও أَبْصَرْتُ শব্দদ্বয়কে সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। [৩২৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৫)
ইমাম বুখারী (রহ.) বলেছেনঃ بَصُرْتُ শব্দটি بَصِيْرَةِ শব্দ থেকে উৎপন্ন যার অর্থ হল কোন কিছু জানা। যেমন বলা হয় بَصِيْرَةِ فِي الْأَمْرِ আবার أَبْصَرْتُ শব্দটির অর্থ হল চোখ দিয়ে দেখা। কেউ কেউ আবার بَصُرْتُ ও أَبْصَرْتُ শব্দদ্বয়কে সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। [৩২৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৫)
হাদিস নং: ৪০৬৬
সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرنا ابو حمزة عن عثمان بن موهب قال جاء رجل حج البيت فراى قوما جلوسا فقال من هولاء القعود قالوا هولاء قريش قال من الشيخ قالوا ابن عمر فاتاه فقال اني ساىلك عن شيء اتحدثني قال انشدك بحرمة هذا البيت اتعلم ان عثمان بن عفان فر يوم احد قال نعم قال فتعلمه تغيب عن بدر فلم يشهدها قال نعم قال فتعلم انه تخلف عن بيعة الرضوان فلم يشهدها قال نعم قال فكبر قال ابن عمر تعال لاخبرك ولابين لك عما سالتني عنه اما فراره يوم احد فاشهد ان الله عفا عنه واما تغيبه عن بدر فانه كان تحته بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانت مريضة فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ان لك اجر رجل ممن شهد بدرا وسهمه واما تغيبه عن بيعة الرضوان فانه لو كان احد اعز ببطن مكة من عثمان بن عفان لبعثه مكانه فبعث عثمان وكانت بيعة الرضوان بعدما ذهب عثمان الى مكة فقال النبي صلى الله عليه وسلم بيده اليمنى هذه يد عثمان فضرب بها على يده فقال هذه لعثمان اذهب بهذا الان معك.
(إِنَّ الَّذِيْنَ تَوَلَّوْا مِنْكُمْ يَوْمَ الْتَقَى الْجَمْعٰنِ لا إِنَّمَا اسْتَزَلَّهُمُ الشَّيْطٰنُ بِبَعْضِ مَا كَسَبُوْا - وَلَقَدْ عَفَا اللهُ عَنْهُمْ ط إِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ حَلِيْمٌ ع (155))
যেদিন উভয় দল পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল, সেদিন তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তারা তো ছিল এমন, যাদের শায়ত্বন পদস্খলন ঘটিয়েছিল তাদের কৃতকর্মের দরুন। অবশ্য আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, পরম সহনশীল। (আলে ‘ইমরান ৩/১৫৫)
৪০৬৬. ‘উসমান ইবনু মাওহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জ পালনের উদ্দেশে এক ব্যক্তি বাইতুল্লাহয় এসে সেখানে একদল লোককে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এ উপবিষ্ট লোকগুলো কে? তারা বললেন, এরা হচ্ছেন কুরাইশ গোত্রের লোক। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলেন, এ বৃদ্ধ লোকটি কে? তারা বললেন, ইনি হচ্ছেন ইবনু ‘উমার (রাঃ)। তখন লোকটি তাঁর কাছে গিয়ে বললেন, আমি আপনাকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করব, আপনি আমাকে বলে দেবেন কি? এরপর লোকটি বললেন, আমি আপনাকে এই ঘরের সম্মানের কসম দিয়ে বলছি, উহূদের দিন ‘উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) পালিয়েছিলেন, এ কথা আপনি কি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি বললেন, তিনি বদরে অনুপস্থিত ছিলেন, যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি- এ কথাও কি আপনি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি আবার বললেন, তিনি বায়আতে রিদওয়ানেও অনুপস্থিত ছিলেন- এ কথাও কি আপনি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি তখন আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করল। তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, এসো, এখন আমি তোমাকে সব ব্যাপারে জানিয়ে দেই এবং তোমার প্রশ্নগুলোর উত্তর খুলে বলি। (১) উহূদের দিন তাঁর পালানোর ব্যাপার সম্বন্ধে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। (২) বাদর থেকে তাঁর অনুপস্থিত থাকার কারণ এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা (রুকাইয়া) তাঁর স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন অসুস্থ। তাই তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, বদর যুদ্ধে যোগদানকারীদের মতোই তুমি সাওয়াব পাবে এবং গানীমাতের অংশ পাবে। (৩) বায়‘আতে রিদওয়ান থেকে তাঁর অনুপস্থিতির কারণ হল, মক্কা্ উপত্যকায় ‘উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে অধিক মর্যাদাবান কোন ব্যক্তি থাকলে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাঁর স্থলে মক্কা পাঠাতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জন্য ‘উসমান (রাঃ)-কে পাঠালেন। ‘উসমান (রাঃ)-এর মক্কা গমনের পরই বাই‘আতে রিদওয়ান সংঘটিত হয়েছিল। তাই (নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডান হাতখানা অপর হাতের উপর রেখে বলেছিলেন, এটাই উসমানের হাত। [1] এরপর তিনি (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার) বললেন, এই হল ‘উসমান (রাঃ)-এর অনুপস্থিতির কারণ। এখন তুমি এ কথাগুলো তোমার সঙ্গে নিয়ে যাও। [৩১৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৬)
যেদিন উভয় দল পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল, সেদিন তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তারা তো ছিল এমন, যাদের শায়ত্বন পদস্খলন ঘটিয়েছিল তাদের কৃতকর্মের দরুন। অবশ্য আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, পরম সহনশীল। (আলে ‘ইমরান ৩/১৫৫)
৪০৬৬. ‘উসমান ইবনু মাওহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জ পালনের উদ্দেশে এক ব্যক্তি বাইতুল্লাহয় এসে সেখানে একদল লোককে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এ উপবিষ্ট লোকগুলো কে? তারা বললেন, এরা হচ্ছেন কুরাইশ গোত্রের লোক। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলেন, এ বৃদ্ধ লোকটি কে? তারা বললেন, ইনি হচ্ছেন ইবনু ‘উমার (রাঃ)। তখন লোকটি তাঁর কাছে গিয়ে বললেন, আমি আপনাকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করব, আপনি আমাকে বলে দেবেন কি? এরপর লোকটি বললেন, আমি আপনাকে এই ঘরের সম্মানের কসম দিয়ে বলছি, উহূদের দিন ‘উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) পালিয়েছিলেন, এ কথা আপনি কি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি বললেন, তিনি বদরে অনুপস্থিত ছিলেন, যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি- এ কথাও কি আপনি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি আবার বললেন, তিনি বায়আতে রিদওয়ানেও অনুপস্থিত ছিলেন- এ কথাও কি আপনি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি তখন আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করল। তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, এসো, এখন আমি তোমাকে সব ব্যাপারে জানিয়ে দেই এবং তোমার প্রশ্নগুলোর উত্তর খুলে বলি। (১) উহূদের দিন তাঁর পালানোর ব্যাপার সম্বন্ধে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। (২) বাদর থেকে তাঁর অনুপস্থিত থাকার কারণ এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা (রুকাইয়া) তাঁর স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন অসুস্থ। তাই তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, বদর যুদ্ধে যোগদানকারীদের মতোই তুমি সাওয়াব পাবে এবং গানীমাতের অংশ পাবে। (৩) বায়‘আতে রিদওয়ান থেকে তাঁর অনুপস্থিতির কারণ হল, মক্কা্ উপত্যকায় ‘উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে অধিক মর্যাদাবান কোন ব্যক্তি থাকলে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাঁর স্থলে মক্কা পাঠাতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জন্য ‘উসমান (রাঃ)-কে পাঠালেন। ‘উসমান (রাঃ)-এর মক্কা গমনের পরই বাই‘আতে রিদওয়ান সংঘটিত হয়েছিল। তাই (নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডান হাতখানা অপর হাতের উপর রেখে বলেছিলেন, এটাই উসমানের হাত। [1] এরপর তিনি (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার) বললেন, এই হল ‘উসমান (রাঃ)-এর অনুপস্থিতির কারণ। এখন তুমি এ কথাগুলো তোমার সঙ্গে নিয়ে যাও। [৩১৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৬)
নোট: [1] হিজরী ৬ সনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৪০০ সাহাবীসহ উমরাহ’র জন্য মক্কাহ আসলে হুদাইবিয়া নামক স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। এরই মাঝে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, ‘উসমান (রাঃ)-কে মক্কাহ্তে হত্যা করা হয়েছে। অন্যায় হত্যার প্রতিশোধ স্পৃহা চরমে উঠলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাবলা বৃক্ষের নিচে সকল সাহাবীদের নিকট হতে প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য বাই‘আত গ্রহণ করেন। এ বাই‘আতকেই বাই‘আতে রিযওয়ান বলা হয়। নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উসমান (রাঃ)-এর মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন না আর তাকে এ বাই‘আতের মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করা পছন্দ করলেন না। তাই তিনি ‘উসমানের পক্ষ হতে স্বীয় ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে বাই‘আত নিয়ে বললেন, এটিই ‘উসমানের হাত।
হাদিস নং: ৪০৬৭
সহিহ (Sahih)
عمرو بن خالد حدثنا زهير حدثنا ابو اسحاق قال سمعت البراء بن عازب رضي الله عنهما قال جعل النبي صلى الله عليه وسلم على الرجالة يوم احد عبد الله بن جبير واقبلوا منهزمين فذاك اذ يدعوهم الرسول في اخراهم.
(إِذْ تُصْعِدُوْنَ وَلَا تَلْوُوْنَ عَلٰى أَحَدٍ وَالرَّسُوْلُ يَدْعُوْكُمْ فِيْٓ أُخْرَاكُمْ فَأَثَابَكُمْ غَمًّام بِغَمٍّ لِّكَيْلَا تَحْزَنُوْا عَلٰى مَا فَاتَكُمْ وَلَا مَآ أَصَابَكُمْ وَاللهُ خَبِيْرٌ بِمَا تَعْمَلُوْنَ) تُصْعِدُوْنَ تَذْهَبُوْنَ أَصْعَدَ وَصَعِدَ فَوْقَ الْبَيْتِ.
‘‘স্মরণ কর, যখন তোমরা উপরের দিকে পালাচ্ছিলে এবং পেছনে ফিরে কারো প্রতি তাকাচ্ছিলে না, অথচ রাসূল পেছন দিক থেকে তোমাদের ডাকছিল। ফলে তিনি তোমাদের দিলেন দুঃখের উপর দুঃখ, যাতে তোমরা দুঃখ না কর যা তোমরা হারিয়েছ তার জন্য, আর না সে বিপদের জন্য যা তোমাদের উপর আপতিত হয়েছে। আর আল্লাহ পূর্ণ অবহিত সে বিষয়ে যা তোমরা কর।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৩)
৬০৬৭. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহূদের দিন ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে পদাতিক বাহিনীর অধিনায়ক নিযুক্ত করেছিলেন। কিন্তু তারা পরাস্ত হয়ে (মদিনার পানে) ছুটে গিয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাদেরকে পেছন থেকে ডাক দেয়া। [৩০৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৭)
‘‘স্মরণ কর, যখন তোমরা উপরের দিকে পালাচ্ছিলে এবং পেছনে ফিরে কারো প্রতি তাকাচ্ছিলে না, অথচ রাসূল পেছন দিক থেকে তোমাদের ডাকছিল। ফলে তিনি তোমাদের দিলেন দুঃখের উপর দুঃখ, যাতে তোমরা দুঃখ না কর যা তোমরা হারিয়েছ তার জন্য, আর না সে বিপদের জন্য যা তোমাদের উপর আপতিত হয়েছে। আর আল্লাহ পূর্ণ অবহিত সে বিষয়ে যা তোমরা কর।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৩)
৬০৬৭. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহূদের দিন ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে পদাতিক বাহিনীর অধিনায়ক নিযুক্ত করেছিলেন। কিন্তু তারা পরাস্ত হয়ে (মদিনার পানে) ছুটে গিয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাদেরকে পেছন থেকে ডাক দেয়া। [৩০৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৭)
হাদিস নং: ৪০৬৮
সহিহ (Sahih)
و قال لي خليفة حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد عن قتادة عن انس عن ابي طلحة رضي الله عنهما قال كنت فيمن تغشاه النعاس يوم احد حتى سقط سيفي من يدي مرارا يسقط واخذه ويسقط فاخذه.
(ثُمَّ أَنْزَلَ عَلَيْكُمْ مِّنْم بَعْدِ الْغَمِّ أَمَنَةً نُّعَاسًا يَّغْشٰى طَآئِفَةً مِّنْكُمْ لا وَطَآئِفَةٌ قَدْ أَهَمَّتْهُمْ أَنْفُسُهُمْ يَظُنُّوْنَ بِاللهِ غَيْرَ الْحَقِّ ظَنَّ الْجَاهِلِيَّةِ ط يَقُوْلُوْنَ هَلْ لَّنَا مِنَ الْأَمْرِ مِنْ شَيْءٍ ط قُلْ إِنَّ الْأَمْرَ كُلَّه” لِلهِ ط يُخْفُوْنَ فِيْٓ أَنْفُسِهِمْ مَّا لَا يُبْدُوْنَ لَكَ ط يَقُوْلُوْنَ لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ مَّا قُتِلْنَا هٰهُنَا ط قُلْ لَّوْ كُنْتُمْ فِيْ بُيُوْتِكُمْ لَبَرَزَ الَّذِيْنَ كُتِبَ عَلَيْهِمُ الْقَتْلُ إِلٰى مَضَاجِعِهِمْ ج وَلِيَبْتَلِيَ اللهُ مَا فِيْ صُدُوْرِكُمْ وَلِيُمَحِّصَ مَا فِيْ قُلُوْبِكُمْ ط وَاللهُ عَلِيْمٌ م بِذَاتِ الصُّدُوْرِ (154))
তারপর তিনি তোমাদের উপর দুঃখের পর প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন তন্দ্রারূপে, যা তোমাদের একদলকে আচ্ছন্ন করেছিল। আর একদল ছিল যাদের বিব্রত করে রেখেছিল তাদের প্রাণের চিন্তা, তারা আল্লাহর প্রতি জাহিলী যুগের ধারণার মত অবাস্তব ধারণা করেছিল। তারা বলছিলঃ এ ব্যাপারে আমাদের হাতে কি কিছু করার নেই? বলুনঃ নিশ্চয় যাবতীয় বিষয় একমাত্র আল্লাহরই হাতে। তারা নিজেদের মনে গোপন রাখে যা আপনার কাছে প্রকাশ করে না। তারা বলেঃ যদি আমাদের হাতে এ ব্যাপারে কিছু করার থাকত তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না। বলুনঃ যদি তোমরা নিজেদের ঘরেও থাকতে, তবুও যাদের নিহত হওয়া নির্ধারিত ছিল তারা বেরিয়ে পড়ত নিজেদের মৃত্যুর স্থানের দিকে। এসব এজন্য যে, আল্লাহ তোমাদের মনে যা আছে তা পরীক্ষা করবেন এবং তোমাদের অন্তরে যা আছে তা নির্মল করবেন। মনের গোপন বিষয় আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৪)
৪০৬৮. বর্ণনাকারী বলেন, খলীফা (রহ.) আমার নিকট ...... আবূ ত্বলহা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, উহূদ যুদ্ধের দিন যারা তন্দ্রায় আচ্ছন্ন [1] হয়েছিলেন তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম একজন। এমনকি আমার তলোয়ারটি আমার হাত থেকে কয়েক দফা পড়েও গিয়েছিল। তলোয়ারটি পড়ে যেত, আমি তা তুলে নিতাম, আবার পড়ে যেত, আমি আবার তা তুলে নিতাম। [৪৫৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
তারপর তিনি তোমাদের উপর দুঃখের পর প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন তন্দ্রারূপে, যা তোমাদের একদলকে আচ্ছন্ন করেছিল। আর একদল ছিল যাদের বিব্রত করে রেখেছিল তাদের প্রাণের চিন্তা, তারা আল্লাহর প্রতি জাহিলী যুগের ধারণার মত অবাস্তব ধারণা করেছিল। তারা বলছিলঃ এ ব্যাপারে আমাদের হাতে কি কিছু করার নেই? বলুনঃ নিশ্চয় যাবতীয় বিষয় একমাত্র আল্লাহরই হাতে। তারা নিজেদের মনে গোপন রাখে যা আপনার কাছে প্রকাশ করে না। তারা বলেঃ যদি আমাদের হাতে এ ব্যাপারে কিছু করার থাকত তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না। বলুনঃ যদি তোমরা নিজেদের ঘরেও থাকতে, তবুও যাদের নিহত হওয়া নির্ধারিত ছিল তারা বেরিয়ে পড়ত নিজেদের মৃত্যুর স্থানের দিকে। এসব এজন্য যে, আল্লাহ তোমাদের মনে যা আছে তা পরীক্ষা করবেন এবং তোমাদের অন্তরে যা আছে তা নির্মল করবেন। মনের গোপন বিষয় আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৪)
৪০৬৮. বর্ণনাকারী বলেন, খলীফা (রহ.) আমার নিকট ...... আবূ ত্বলহা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, উহূদ যুদ্ধের দিন যারা তন্দ্রায় আচ্ছন্ন [1] হয়েছিলেন তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম একজন। এমনকি আমার তলোয়ারটি আমার হাত থেকে কয়েক দফা পড়েও গিয়েছিল। তলোয়ারটি পড়ে যেত, আমি তা তুলে নিতাম, আবার পড়ে যেত, আমি আবার তা তুলে নিতাম। [৪৫৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
নোট: [1] উহূদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুসলিম সৈনিকদের জন্য তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়াটা ছিল এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। আবূ তালহা (রাঃ)-ও তাদের মধ্য হতে একজন ছিলেন যিনি তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।