হাদিস নং: ৫৪৪৭
সহিহ (Sahih)
اسماعيل بن عبد الله قال حدثني ابراهيم بن سعد عن ابيه قال سمعت عبد الله بن جعفر قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم ياكل الرطب بالقثاء.
৫৪৪৭. ’আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাঁকুড় (ক্ষীরা জাতীয় ফল)-এর সঙ্গে খেজুর খেতে দেখেছি। [৫৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪০)
হাদিস নং: ৫৪৪৮
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا محمد بن طلحة عن زبيد عن مجاهد قال سمعت ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان من الشجر شجرة تكون مثل المسلم وهي النخلة.
৫৪৪৮. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গাছের মাঝে একটি গাছ আছে, যা (বারাকাতের ক্ষেত্রে) মুসলিমের ন্যায়, আর তা হল- খেজুর গাছ। [৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪১)
হাদিস নং: ৫৪৪৯
সহিহ (Sahih)
ابن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا ابراهيم بن سعد عن ابيه عن عبد الله بن جعفر قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكل الرطب بالقثاء.
৫৪৪৯. ’আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাঁকুড়ের সঙ্গে খেজুর খেতে দেখেছি। [৫৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪২)
হাদিস নং: ৫৪৫০
সহিহ (Sahih)
الصلت بن محمد حدثنا حماد بن زيد عن الجعد ابي عثمان عن انس ح وعن هشام عن محمد عن انس وعن سنان ابي ربيعة عن انس ان ام سليم امه“ عمدت الى مد من شعير جشته“ وجعلت منه“ خطيفة وعصرت عكة عندها ثم بعثتني الى النبي صلى الله عليه وسلم فاتيته“ وهو في اصحابه„ فدعوته“ قال ومن معي فجىت فقلت انه“ يقول ومن معي فخرج اليه ابو طلحة قال يا رسول الله انما هو شيء صنعته“ ام سليم فدخل فجيء به„ وقال ادخل علي عشرة فدخلوا فاكلوا حتى شبعوا ثم قال ادخل علي عشرة فدخلوا فاكلوا حتى شبعوا ثم قال ادخل علي عشرة حتى عد اربعين ثم اكل النبي صلى الله عليه وسلم ثم قام فجعلت انظر هل نقص منها شيء.
৫৪৫০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তাঁর মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) এক মুদ যব নিয়ে তা পিষলেন এবং এ দিয়ে ’খতীফা’ (দুধ ও আটা মিলানো খাদ্য) তৈরী করলেন এবং ঘি-এর পাত্র নিংড়িয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পাঠালেন। তিনি সাহাবাদের মাঝে ছিলেন, এ সময় আমি তাঁর কাছে এসে তাঁকে দাওয়াত করলাম। তিনি বললেনঃ আমার সঙ্গে যারা আছে? আমি বাড়ীতে এসে বললাম। তিনি যে জিজ্ঞেস করছেন, আমার সঙ্গে যারা আছে? তারপর আবূ ত্বলহা (রাঃ) তাঁর কাছে গিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! অতি অল্প খাদ্য উম্মু সুলাইম তৈরী করেছে। এরপর তিনি বললেনঃ তাঁর কাছে সেগুলো আনা হলে তিনি বললেনঃ দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। তাঁরা এসে তৃপ্ত হয়ে খেলেন। তিনি আবার বললেনঃ আরো দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। তাঁরা এসে তৃপ্ত হয়ে খেলেন। তিনি আবার বলেনঃ আরো দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। এভাবে তিনি চল্লিশ পর্যন্ত উল্লেখ করলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেলেন এবং চলে গেলেন। আমি দেখতে লাগলাম, তা থেকে কিছু কমেছে কিনা? (অর্থাৎ কিছুমাত্র কমেনি)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৩)
হাদিস নং: ৫৪৫১
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا عبد الوارث عن عبد العزيز قال قيل لانس ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في الثوم فقال من اكل فلا يقربن مسجدنا.
فِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
এ সম্পর্কে ইবনু ’উমার থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৫৪৫১. ’আবদুল ’আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলঃ আপনি রসূন সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হতে কী শুনেছেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে (এ কথা শুনেছি)। [৮৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৪)
এ সম্পর্কে ইবনু ’উমার থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৫৪৫১. ’আবদুল ’আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলঃ আপনি রসূন সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হতে কী শুনেছেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে (এ কথা শুনেছি)। [৮৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৪)
হাদিস নং: ৫৪৫২
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا ابو صفوان عبد الله بن سعيد اخبرنا يونس عن ابن شهاب قال حدثني عطاء ان جابر بن عبد الله زعم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من اكل ثوما او بصلا فليعتزلنا او ليعتزل مسجدنا.
৫৪৫২. ’’আত্বা (রহ.) হতে বর্ণিত আছে যে, জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) মনে করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসূন বা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদ হতে দূরে থাকে। [৮৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৫)
হাদিস নং: ৫৪৫৩
সহিহ (Sahih)
سعيد بن عفير حدثنا ابن وهب عن يونس عن ابن شهاب قال اخبرني ابو سلمة قال اخبرني جابر بن عبد الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بمر الظهران نجني الكباث فقال عليكم بالاسود منه“ فانه“ ايطب فقال اكنت ترعى الغنم قال نعم وهل من نبي الا رعاها.
৫৪৫৩. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাররুয যাহরান নামক স্থানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম এবং পিলু ফল তুলছিলাম। তিনি বললেনঃ কালোটা নিও। কারণ, ওটা বেশি সুস্বাদু। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলঃ আপনি কি বকরী চরিয়েছেন? তিনি বললেনঃ হাঁ। বকরী চরায়নি এমন কোন নবী আছে কি? [৩৪০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৬)
হাদিস নং: ৫৪৫৪
সহিহ (Sahih)
علي حدثنا سفيان سمعت يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار عن سويد بن النعمان قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى خيبر فلما كنا بالصهباء دعا بطعام فما اتي الا بسويق فاكلنا فقام الى الصلاة فتمضمض ومضمضنا.
৫৪৫৪. সুওয়ায়দ ইবনু নু’মান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খাইবার অভিযানে রওয়ানা হলাম। সাহ্বা নামক স্থানে পৌঁছলে তিনি খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই আনা হল না। আমরা তা-ই খেলাম। তারপর সালাতের জন্য উঠে তিনি কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম। [২০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৭)
হাদিস নং: ৫৪৫৫
সহিহ (Sahih)
قال يحيى سمعت بشيرا يقول حدثنا سويد خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى خيبر فلما كنا بالصهباء قال يحيى وهي من خيبر على روحة دعا بطعام فما اتي الا بسويق فلكناه“ فاكلنا معه“ ثم دعا بماء فمضمض ومضمضنا معه“ ثم صلى بنا المغرب ولم يتوضا وقال سفيان كانك تسمعه“ من يحيى.
৫৪৫৫. ইয়াহ্ইয়া বলেন, আমি বুশাইরকে সুওয়ায়েদ সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খাইবারের দিকে রওয়ানা হলাম। আমরা যখন সাহ্বা নামক জায়গায় পৌঁছলাম, ইয়াহ্ইয়া বলেন, এ স্থানটি খাইবার থেকে এক মনযিলের পথে, তিনি খাবার নিয়ে আসতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত অন্য কিছু আনা হল না। আমরা তাই মুখে দিয়ে নাড়াচাড়া করে খেলাম। তিনি পানি আনতে বললেন এবং কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। কিন্তু অযু করলেন না। [২০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৭)
হাদিস নং: ৫৪৫৬
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار عن عطاء عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا اكل احدكم فلا يمسح يده“ حتى يلعقها او يلعقها.
৫৪৫৬. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন আহার করে সে যেন তার হাত না মোছে, যতক্ষণ না সে তা চেটে খায় কিংবা অন্যের দ্বারা চাটিয়ে নেয়। [মুসলিম ৩৬/১৮, হাঃ ২০৩১, আহমাদ ১৯২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৮)
হাদিস নং: ৫৪৫৭
সহিহ (Sahih)
ابراهيم بن المنذر قال حدثني محمد بن فليح قال حدثني ابي عن سعيد بن الحارث عن جابر بن عبد الله انه“ ساله“ عن الوضوء مما مست النار فقال لا قد كنا زمان النبي صلى الله عليه وسلم لا نجد مثل ذ‘لك من الطعام الا قليلا فاذا نحن وجدناه“ لم يكن لنا مناديل الا اكفنا وسواعدنا واقدامنا ثم نصلي ولا نتوضا.
৫৪৫৭. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আগুনে স্পর্শ বস্তু খাওয়ার পর অযূ করা সম্বন্ধে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ না, অযূ করতে হবে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে তো আমরা এমন খাবার কমই পেতাম। যখন আমরা তা পেতাম, তখন আমাদের তো হাতের তালু, হাত ও পা ব্যতীত কোন রুমাল ছিল না (আমরা এগুলো দিয়ে মুছে নিতাম)। তারপর (আবার) অযু না করেই আমরা সালাত আদায় করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৯)
হাদিস নং: ৫৪৫৮
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا سفيان عن ثور عن خالد بن معدان عن ابي امامة ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا رفع ماىدته“ قال الحمد لله كثيرا طيبا مباركا فيه غير مكفي ولا مودع ولا مستغنى عنه“ ربنا.
৫৪৫৮. আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দস্তর খান তুলে নেয়া হলে তিনি বলতেনঃ পবিত্র বারাকাতময় অনেক অনেক প্রশংসা আল্লাহর জন্য। হে আমাদের রব, এত্থেকে কখনো মুখ ফিরিয়ে নিতে পারব না, বিদায় নিতে পারব না এবং এ থেকে বেপরওয়া হতেও পারব না। [৫৪৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫০)
হাদিস নং: ৫৪৫৯
সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن ثور بن يزيد عن خالد بن معدان عن ابي امامة ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا فرغ من طعامه„ وقال مرة اذا رفع ماىدته“ قال الحمد لله الذي كفانا واروانا غير مكفي ولا مكفور وقال مرة الحمد لله ربنا غير مكفي ولا مودع ولا مستغنى ربنا.
৫৪৫৯. আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খাদ্য গ্রহণ শেষ করতেন, রাবী আরো বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দস্তরখান যখন তুলে নেয়া হতো তখন তিনি বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি যথেষ্ট খাইয়েছেন এবং পরিতৃপ্ত করেছেন। তা থেকে মুখ ফিরানো যায় না এবং তার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যায় না। রাবী কখনো বলেনঃ হে আমাদের রব! তোমার জন্যই সকল প্রশংসা, এর থেকে মুখ ফিরানো যাবে না, একে বিদায় করাও যাবে না এবং এর থেকে বেপরওয়া হওয়া যাবে না; হে আমাদের রব! [৫৪৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫১)
হাদিস নং: ৫৪৬০
সহিহ (Sahih)
حفص بن عمر حدثنا شعبة عن محمد هو ابن زياد قال سمعت ابا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا اتى احدكم خادمه“ بطعامه„ فان لم يجلسه“ معه“ فليناوله“ اكلة او اكلتين او لقمة او لقمتين فانه“ ولي حره“ وعلاجه.
৫৪৬০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো খাদিম যখন তার খাবার নিয়ে আসে, তখন তাকে যদি সাথে না বসায় তাহলে সে যেন তাকে এক লুকমা বা দু’ লুকমা খাবার দেয়, কেননা সে তার গরম ও কষ্ট সহ্য করেছে। [২৫৫৭; মুসলিম ২৭/১০, হাঃ ১৬৬৩, আহমাদ ৭৭৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫২)
হাদিস নং: ৫৪৬১
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن ابي الاسود حدثنا ابو اسامة حدثنا الاعمش حدثنا شقيق حدثنا ابو مسعود الانصاري قال كان رجل من الانصار يكنى ابا شعيب وكان له“ غلام لحام فاتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في اصحابه„ فعرف الجوع في وجه النبيصلى الله عليه وسلم فذهب الى غلامه اللحام فقال اصنع لي طعاما يكفي خمسة لعلي ادعو النبي صلى الله عليه وسلم خامس خمسة فصنع له“ طعيما ثم اتاه“ فدعاه“ فتبعهم رجل فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا ابا شعيب ان رجلا تبعنا فان شىت اذنت له“ وان شىت تركته“ قال لا بل اذنت له.
70/56. بَاب الطَّاعِمُ الشَّاكِرُ مِثْلُ الصَّائِمِ الصَّابِرِ.
৭০/৫৬. অধ্যায়ঃ কৃতজ্ঞ আহারকারী ধৈর্যশীল সিয়াম পালনকারীর মতো।
فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
এ ব্যাপারে আবূ হুরাইরাহ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি হাদীস বর্ণিত আছে।
وَقَالَ أَنَسٌ إِذَا دَخَلْتَ عَلٰى مُسْلِمٍ لاَ يُتَّهَمُ فَكُلْ مِنْ طَعَامِه„ وَاشْرَبْ مِنْ شَرَابِهِ.
আনাস (রাঃ) বলেন, তুমি কোন মুসলিমের কাছে গেলে তার খাদ্য থেকে খাও এবং তার পানীয় থেকে পান কর।
৫৪৬১. আবূ মাস’উদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার গোত্রের এক ব্যক্তি যার কুনিয়াত (ডাক নাম) ছিল আবূ শু’আইব তার একটি কসাই গোলাম ছিল। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এল, তখন তিনি সাহাবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। তখন সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারায় ক্ষুধার চি অনুভব করল, লোকটি তার কসাই গোলামের কাছে গিয়ে বললঃ আমার জন্য কিছু খাবার তৈরি কর; যা পাঁচজনের জন্য যথেষ্ট হয়। আমি হয়তো পাঁচজনকে দাওয়াত করব, যার পঞ্চম ব্যক্তি হবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। গোলামটি তার জন্য অল্প কিছু খাবার তৈরি করল। লোকটি তাঁর কাছে এসে তাঁকে দাওয়াত করল। এক ব্যক্তি তাঁদের সঙ্গে গেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে শু’আইব! এক ব্যক্তি আমাদের সাথে এসেছে। তুমি ইচ্ছা করলে তাকে অনুমতি দিতে পার, আর ইচ্ছা করলে তুমি তাকে বাদ দিতেও পার। সে বললঃ না। আমি বরং তাকে অনুমতি দিলাম। [২০৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৩)
৭০/৫৬. অধ্যায়ঃ কৃতজ্ঞ আহারকারী ধৈর্যশীল সিয়াম পালনকারীর মতো।
فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
এ ব্যাপারে আবূ হুরাইরাহ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি হাদীস বর্ণিত আছে।
وَقَالَ أَنَسٌ إِذَا دَخَلْتَ عَلٰى مُسْلِمٍ لاَ يُتَّهَمُ فَكُلْ مِنْ طَعَامِه„ وَاشْرَبْ مِنْ شَرَابِهِ.
আনাস (রাঃ) বলেন, তুমি কোন মুসলিমের কাছে গেলে তার খাদ্য থেকে খাও এবং তার পানীয় থেকে পান কর।
৫৪৬১. আবূ মাস’উদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার গোত্রের এক ব্যক্তি যার কুনিয়াত (ডাক নাম) ছিল আবূ শু’আইব তার একটি কসাই গোলাম ছিল। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এল, তখন তিনি সাহাবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। তখন সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারায় ক্ষুধার চি অনুভব করল, লোকটি তার কসাই গোলামের কাছে গিয়ে বললঃ আমার জন্য কিছু খাবার তৈরি কর; যা পাঁচজনের জন্য যথেষ্ট হয়। আমি হয়তো পাঁচজনকে দাওয়াত করব, যার পঞ্চম ব্যক্তি হবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। গোলামটি তার জন্য অল্প কিছু খাবার তৈরি করল। লোকটি তাঁর কাছে এসে তাঁকে দাওয়াত করল। এক ব্যক্তি তাঁদের সঙ্গে গেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে শু’আইব! এক ব্যক্তি আমাদের সাথে এসেছে। তুমি ইচ্ছা করলে তাকে অনুমতি দিতে পার, আর ইচ্ছা করলে তুমি তাকে বাদ দিতেও পার। সে বললঃ না। আমি বরং তাকে অনুমতি দিলাম। [২০৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৩)
হাদিস নং: ৫৪৬২
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري وقال الليث حدثني يونس عن ابن شهاب قال اخبرني جعفر بن عمرو بن امية ان اباه“ عمرو بن امية اخبره“ انه“ راى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة في يده„ فدعي الى الصلاة فالقاها والسكين التي كان يحتز بها ثم قام فصلى ولم يتوضا.
৫৪৬২. ’আমর ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিজ হাতে বকরীর স্কন্ধ থেকে কেটে খেতে দেখেছেন। তারপর সালাতের প্রতি আহবান করা হলে তিনি তা রেখে দিলেন এবং ছুরিটিও রেখে দিলেন) যা দিয়ে কেটে খাচ্ছিলেন। তারপর উঠলেন এবং সালাত আদায় করলেন। তিনি (নতুন) অযূ করলেন না। [২০৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৪)
হাদিস নং: ৫৪৬৩
সহিহ (Sahih)
معلى بن اسد حدثنا وهيب عن ايوب عن ابي قلابة عن انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا وضع العشاء واقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء وعن ايوب عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.
৫৪৬৩. আনাস হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি রাতের খাবার পরিবেশিত হয় এবং ইকামাত দেয়া হয়, তাহলে তোমরা আগে খাবার খেয়ে নিবে। অন্য সনদে আইয়ূব, নাফি’ (রহ.)-এর সূত্রে ইবনু ’উমার থেকেও অনুরূপ হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হয়েছে। আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৫)
হাদিস নং: ৫৪৬৪
সহিহ (Sahih)
وعن ايوب عن نافع عن ابن عمر انه“ تعشى مرة وهو يسمع قراءة الامام.
৫৪৬৪. আইয়ূব নাফি’ (রহ.)-এর সূত্রে ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে আরো বর্ণনা করেছেন যে, তিনি একবার রাতের খাবার খাচ্ছিলেন, এ সময় ইমামের কিরাআতও শুনছিলেন। [৬৭৩; মুসলিম ৫/১৬, হাঃ ৫৫৭, ৫৫৯, আহমাদ ৪৭০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৫)
হাদিস নং: ৫৪৬৫
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا اقيمت الصلاة وحضر العشاء فابدءوا بالعشاء قال وهيب ويحيى بن سعيد عن هشام اذا وضع العشاء.
৫৪৬৫. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের ইকামাত দেয়া হয় এবং রাতের খাবারও হাজির হয়ে যায়, তাহলে তোমরা আগে খাবার খেয়ে নেবে।
উহাইব ও ইয়াহইয়া বিন সা’ঈদ হিশাম হতে বর্ণনা করেছেনঃ যখন রাতের খাবার আনা হয়। [মুসলিম ৫/১৬, হাঃ ৫৫৮, আহমাদ ২৫৬৭৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৬)
উহাইব ও ইয়াহইয়া বিন সা’ঈদ হিশাম হতে বর্ণনা করেছেনঃ যখন রাতের খাবার আনা হয়। [মুসলিম ৫/১৬, হাঃ ৫৫৮, আহমাদ ২৫৬৭৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৬)
হাদিস নং: ৫৪৬৬
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد حدثنا يعقوب بن ابراهيم قال حدثني ابي عن صالح عن ابن شهاب ان انسا قال انا اعلم الناس بالحجاب كان ابي بن كعب يسالني عنه“ اصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم عروسا بزينب بنت جحش وكان تزوجها بالمدينة فدعا الناس للطعام بعد ارتفاع النهار فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلس معه“ رجال بعد ما قام القوم حتى قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فمشى ومشيت معه“ حتى بلغ باب حجرة عاىشة ثم ظن انهم خرجوا فرجعت معه“ فاذا هم جلوس مكانهم فرجع ورجعت معه الثانية حتى بلغ باب حجرة عاىشة فرجع ورجعت معه“ فاذا هم قد قاموا فضرب بيني وبينه“ سترا وانزل الحجاب.
৫৪৬৬. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি পর্দা (এর আয়াত অবতীর্ণ হওয়া) সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবগত। এ ব্যাপারে ’উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করতেন। যাইনাব বিন্ত জাহশের সঙ্গে নববিবাহিত হিসেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভোর হল। তিনি মদিনায় তাঁকে বিয়ে করেছিলেন। বেলা ওঠার পর তিনি লোকজনকে খাওয়ার জন্য দাওয়াত করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। (খাদ্য গ্রহণ শেষে) অনেক লোক চলে যাওয়ার পরও কিছু লোক তাঁর সাথে বসে থাকলো। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে গেলেন আমিও তার সাথে সাথে গেলাম। তিনি ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর হুজরার দরজায় পৌঁছলেন। তারপর ভাবলেন, লোকেরা হয়ত চলে গেছে। আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে আসলাম। (এসে দেখলাম) তারা আপন জায়গায় বসেই রয়েছে। তিনি আবার ফিরে গেলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে দ্বিতীয়বার ফিরে গেলাম। এমনকি তিনি ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর গৃহের দরজা পর্যন্ত পৌঁছে আবার ফিরে আসলেন। আমিও তার সঙ্গে ফিরে আসলাম। এবার তারা উঠে গেছে। তারপর তিনি আমার ও তাঁর মাঝে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। তখন পর্দা সম্পর্কিত বিধান অবতীর্ণ হল। [৪৭৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৭)