হাদিস নং: ৫৪৩৩
সহিহ (Sahih)
عمرو بن علي حدثنا ازهر بن سعد عن ابن عون عن ثمامة بن انس عن انس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتى مولى له“ خياطا فاتي بدباء فجعل ياكله“ فلم ازل احبه“ منذ رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكله.
৫৪৩৩. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক দর্জি গোলামের বাড়ীতে আসলেন। তাঁর সামনে কদু উপস্থিত করা হলে তিনি (বেছে বেছে) কদু খেতে লাগলেন। সে দিন থেকে আমিও কদু খেতে ভালবাসি, যেদিন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তা খেতে দেখেছি। [২০৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯২৬)
হাদিস নং: ৫৪৩৪
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن الاعمش عن ابي واىل عن ابي مسعود الانصاري قال كان من الانصار رجل يقال له“ ابو شعيب وكان له“ غلام لحام فقال اصنع لي طعاما ادعو رسول الله صلى الله عليه وسلم خامس خمسة فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم خامس خمسة فتبعهم رجل فقال النبي صلى الله عليه وسلم انك دعوتنا خامس خمسة وهذا رجل قد تبعنا فان شىت اذنت له“ وان شىت تركته“ قال بل اذنت له“ قال محمد بن يوسف سمعت محمد بن اسماعيل يقول اذا كان القوم على الماىدة ليس لهم ان يناولوا من ماىدة الى ماىدة اخر‘ى ولكن يناول بعضهم بعضا في تلك الماىدة او يدع.
৫৪৩৪. আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার গোত্রের আবূ শু’আয়ব নামক জনৈক ব্যক্তির এক কসাই গোলাম ছিল। সে তাকে বলল, আমার জন্য কিছু খাবার প্রস্তুত কর, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করতে চাই। পাঁচজনের মধ্যে তিনি হবেন একজন। তারপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করল। তিনি ছিলেন পাঁচজনের অন্যতম। তখন এক ব্যক্তি তাদের পিছে পিছে আসতে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তো আমাকে আমাদের পাঁচজনের পঞ্চম ব্যক্তি হিসাবে দাওয়াত দিয়েছ। এ লোকটা আমাদের পিছে চলে এসেছে। তুমি ইচ্ছে করলে তাকে অনুমতি দিতে পার, আর ইচ্ছে করলে বাদও দিতে পার। সে বলল, আমি বরং তাকে অনুমতি দিচ্ছি। [২০৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯২৭)
হাদিস নং: ৫৪৩৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن منير سمع النضر اخبرنا ابن عون قال اخبرني ثمامة بن عبد الله بن انس عن انس قال كنت غلاما امشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على غلام له“ خياط فاتاه“ بقصعة فيها طعام وعليه دباء فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء قال فلما رايت ذ‘لك جعلت اجمعه“ بين يديه قال فاقبل الغلام على عمله„ قال انس لا ازال احب الدباء بعد ما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم صنع ما صنع.
৫৪৩৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ছোট ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে চলাফেরা করতাম। একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক গোলামের কাছে গেলেন, সে ছিল দর্জি। সে তাঁর সামনে একটি পাত্র হাযির করল, যাতে খাবার ছিল। আর তাতে কদুও ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেছে বেছে কদু খেতে লাগলেন। এ দেখে আমি কদুর টুকরাগুলো তাঁর সামনে জমা করতে লাগলাম। তিনি বললেনঃ গোলাম তার কাজে লেগে গেল। আনাস (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যখন এরূপ করতে দেখলাম যা তিনি করলেন তারপর থেকে আমিও কদু খাওয়া পছন্দ করতে লাগলাম। [২০৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯২৮)
হাদিস নং: ৫৪৩৬
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة انه“ سمع انس بن مالك ان خياطا دعا النبي صلى الله عليه وسلم لطعام صنعه“ فذهبت مع النبي صلى الله عليه وسلم فقرب خبز شعير ومرقا فيه دباء وقديد رايت النبي صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء من حوالي القصعة فلم ازل احب الدباء بعد يومىذ.
৫৪৩৬. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক দর্জি কিছু খাবার প্রস্তুত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করল। আমিও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে গেলাম। সে যবের রুটি আর শুরুয়ায় ডুবানো কদু আর শুকনা মাংস্ হাজির করল। আমি দেখলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালার চারদিক থেকে কদু বেছে বেছে খাচ্ছেন। সে দিন থেকে আমিও কদু পছন্দ করতে লাগলাম। [২০৯২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯২৯)
হাদিস নং: ৫৪৩৭
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا مالك بن انس عن اسحاق بن عبد الله عن انس قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم اتي بمرقة فيها دباء وقديد فرايته“ يتتبع الدباء ياكلها.
৫৪৩৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কিছু শুরুয়া হাজির করা হল, যাতে কদু ও শুকনো মাংস ছিল। আমি তাঁকে কদু বেছে বেছে খেতে দেখলাম। [২০৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩০)
হাদিস নং: ৫৪৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت ما فعله الا في عام جاع الناس، اراد ان يطعم الغني الفقير، وان كنا لنرفع الكراع بعد خمس عشرة، وما شبع ال محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مادوم ثلاثا.
৫৪৩৮. ’আয়িশাহ (রাঃ)হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এ তিন দিনের অধিক কুরবানীর গোশ্ত রাখার) নিষেধাজ্ঞা কেবল সে বছরের জন্যই ছিল, যে বছর লোকে দুর্ভিক্ষে পড়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন ধনীরা যেন গরীবদের খাওয়ায়। নইলে আমরা তো পরবর্তী সময় পায়াগুলো পনের দিন রেখে দিতাম। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পরিবার পরপর তিন দিন পর্যন্ত তরকারি দিয়ে যবের রুটি পেট ভরে খাননি। [৫৪২৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩১)
হাদিস নং: ৫৪৩৯
সহিহ (Sahih)
اسماعيل قال حدثني مالك عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة انه“ سمع انس بن مالك يقول ان خياطا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام صنعه“ قال انس فذهبت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى ذ‘لك الطعام فقرب الى رسول الله صلى الله عليه وسلم خبزا من شعير ومرقا فيه دباء وقديد قال انس فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء من حول الصحفة فلم ازل احب الدباء من يومىذ وقال ثمامة عن انس فجعلت اجمع الدباء بين يديه.
قَالَ وَقَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ لاَ بَأْسَ أَنْ يُنَاوِلَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا وَلاَ يُنَاوِلُ مِنْ هٰذِهِ الْمَائِدَةِ إِلٰى مَائِدَةٍ أُخْرَى.
ইবনু মুবারক বলেনঃ একজন অপরজনকে কিছু দেয়ায় কোন দোষ নেই। তবে এক দস্তরখান থেকে অন্য দস্তরখানে দিবে না।
৫৪৩৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একজন দর্জি কিছু খাবার প্রস্তুত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করল। আনাস বলেন, আমি সে দাওয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে গেলাম। লোকটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে যবের রুটি এবং শুরুয়ায় ডুবানো কদু ও শুকনা মাংস্ পেশ করল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালার চারদিক থেকে কদু খুঁজে খাচ্ছেন। সেদিন থেকে আমি কদু ভালবাসতে লাগলাম। সুমামা (রহ.) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেনঃ আমি কদুর টুকরাগুলো তাঁর সামনে একত্রিত করতে লাগলাম। [২০২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩২)
ইবনু মুবারক বলেনঃ একজন অপরজনকে কিছু দেয়ায় কোন দোষ নেই। তবে এক দস্তরখান থেকে অন্য দস্তরখানে দিবে না।
৫৪৩৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একজন দর্জি কিছু খাবার প্রস্তুত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করল। আনাস বলেন, আমি সে দাওয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে গেলাম। লোকটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে যবের রুটি এবং শুরুয়ায় ডুবানো কদু ও শুকনা মাংস্ পেশ করল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালার চারদিক থেকে কদু খুঁজে খাচ্ছেন। সেদিন থেকে আমি কদু ভালবাসতে লাগলাম। সুমামা (রহ.) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেনঃ আমি কদুর টুকরাগুলো তাঁর সামনে একত্রিত করতে লাগলাম। [২০২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩২)
হাদিস নং: ৫৪৪০
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله قال حدثني ابراهيم بن سعد عن ابيه عن عبد الله بن جعفر بن ابي طالب قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم ياكل الرطب بالقثاء.
৫৪৪০. ’আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর ইবনু আবূ তালিব হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাজা খেজুর কাঁকুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে দেখেছি। [৫৪৪৭, ৫৪৪৯; মুসলিম ৩৬/২৩, হাঃ ২০৪৩, আহমাদ ১৭৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৩)
হাদিস নং: ৫৪৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا حماد بن زيد عن عباس الجريري عن ابي عثمان قال تضيفت ابا هريرة سبعا فكان هو وامراته“ وخادمه“ يعتقبون الليل اثلاثا يصلي هذا ثم يوقظ هذا وسمعته“ يقول قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم بين اصحابه تمرا فاصابني سبع تمرات احداهن حشفة.
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا اسماعيل بن زكرياء، عن عاصم، عن ابي عثمان، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قسم النبي صلى الله عليه وسلم بيننا تمرا فاصابني منه خمس اربع تمرات وحشفة، ثم رايت الحشفة هي اشدهن لضرسي.
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا اسماعيل بن زكرياء، عن عاصم، عن ابي عثمان، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قسم النبي صلى الله عليه وسلم بيننا تمرا فاصابني منه خمس اربع تمرات وحشفة، ثم رايت الحشفة هي اشدهن لضرسي.
৫৪৪১. আবূ ’উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি সাতদিন পর্যন্ত আবূ হুরাইরার মেহমান ছিলাম। (দেখলাম) তিনি, তাঁর স্ত্রী ও খাদিম পালাক্রমে রাতকে তিনভাগে ভাগ করে নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন সালাত আদায় করে অন্যজনকে জাগিয়ে দিলেন। আর আমি তাঁকে এ কথাও বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গীদের মাঝে কিছু খেজুর বণ্টন করলেন। আমি ভাগে সাতটি পেলাম, তার মধ্যে একটি ছিল রদ্দি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৪)
৫৪৪১ (মীম). আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে কিছু খেজুর বণ্টন করলেন। আমি ভাগে পেলাম পাঁচটি। চারটি খেজুর উৎকৃষ্ট) আর একটি রদ্দি। এই রদ্দি খেজুরটিই আমার দাঁতে সবগুলোর চেয়ে শক্তবোধ হল। আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৫)
৫৪৪১ (মীম). আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে কিছু খেজুর বণ্টন করলেন। আমি ভাগে পেলাম পাঁচটি। চারটি খেজুর উৎকৃষ্ট) আর একটি রদ্দি। এই রদ্দি খেজুরটিই আমার দাঁতে সবগুলোর চেয়ে শক্তবোধ হল। আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৫)
হাদিস নং: ৫৪৪২
সহিহ (Sahih)
وقال محمد بن يوسف عن سفيان، عن منصور ابن صفية، حدثتني امي، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد شبعنا من الاسودين التمر والماء.
(وَهُزِّي إِلَيْكِ بِجِذْعِ النَّخْلَةِ تُسَاقِطْ عَلَيْكِ رُطَبًا جَنِيًّا)
আর মহান আল্লাহর বাণীঃ ’’তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কান্ডে নাড়া দাও, তা তোমার জন্য পাকা তাজা খেজুর ঝরাবে।’’সূরাহ মারইয়াম ১৯/২৫)
৫৪৪২. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন, তখন আমরা দু’টো কালো জিনিস দিয়ে তৃপ্ত হতাম- খেজুর এবং পানি। [৫৩৮৩] আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
আর মহান আল্লাহর বাণীঃ ’’তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কান্ডে নাড়া দাও, তা তোমার জন্য পাকা তাজা খেজুর ঝরাবে।’’সূরাহ মারইয়াম ১৯/২৫)
৫৪৪২. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন, তখন আমরা দু’টো কালো জিনিস দিয়ে তৃপ্ত হতাম- খেজুর এবং পানি। [৫৩৮৩] আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
হাদিস নং: ৫৪৪৩
সহিহ (Sahih)
سعيد بن ابي مريم حدثنا ابو غسان قال حدثني ابو حازم عن ابراهيم بن عبد الرحمن بن عبد الله بن ابي ربيعة عن جابر بن عبد الله قال كان بالمدينة يهودي وكان يسلفني في تمري الى الجداد وكانت لجابر الارض التي بطريق رومة فجلست فخلا عاما فجاءني اليهودي عند الجداد ولم اجد منها شيىا فجعلت استنظره“ الى قابل فيابى فاخبر بذ‘لك النبي صلى الله عليه وسلم فقال لاصحابه„ امشوا نستنظر لجابر من اليهودي فجاءوني في نخلي فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يكلم اليهودي فيقول ابا القاسم لا انظره“ فلما راى النبي صلى الله عليه وسلم قام فطاف في النخل ثم جاءه“ فكلمه“ فابى فقمت فجىت بقليل رطب فوضعته“ بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم فاكل ثم قال اين عريشك يا جابر فاخبرته“ فقال افرش لي فيه ففرشته“ فدخل فرقد ثم استيقظ فجىته“ بقبضة اخر‘ى فاكل منها ثم قام فكلم اليهودي فابى عليه فقام في الرطاب في النخل الثانية ثم قال يا جابر جد واقض فوقف في الجداد فجددت منها ما قضيته“ وفضل منه“ فخرجت حتى جىت النبي صلى الله عليه وسلم فبشرته“ فقال اشهد اني رسول الله
عروش وعريش بناء وقال ابن عباس معروشات ما يعرش من الكروم وغير ذ‘لك يقال عروشها ابنيتها قال محمد بن يوسف : قال ابو جعفر : قال محمد بن اسماعيل فخلا ليس عندي مقيدا ثم قال : فجلى ليس فيه شك
عروش وعريش بناء وقال ابن عباس معروشات ما يعرش من الكروم وغير ذ‘لك يقال عروشها ابنيتها قال محمد بن يوسف : قال ابو جعفر : قال محمد بن اسماعيل فخلا ليس عندي مقيدا ثم قال : فجلى ليس فيه شك
৫৪৪৩. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদিনায় এক ইয়াহূদী ছিল। সে আমাকে কর্জ দিত, আমার খেজুর পাড়ার মিয়াদ পর্যন্ত। রুমা নামক স্থানের পথের ধারে জাবির (রাঃ)-এর এক টুকরো জমি ছিল। আমি কর্জ পরিশোধে এক বছর বিলম্ব করলাম। এরপর খেজুর পাড়ার সময়ে ইয়াহূদী আমার কাছে আসল, আমি তখনো খেজুর পাড়তে পারিনি। আমি তার কাছে আগামী বছর পর্যন্ত সময় চাইলাম। সে অস্বীকার করল। এ খবর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানানো হল। তিনি সাহাবীদের বললেনঃ চলো জাবিরের জন্য ইয়াহূদী থেকে সময় নেই। তারপর তাঁরা আমার বাগানে আসলেন। নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াহূদীর সঙ্গে এ নিয়ে কথাবার্তা বললেন। সে বললঃ হে আবুল কাসিম! আমি তাকে আর সময় দেব না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এ কথা শুনে উঠলেন এবং বাগানটির চারদিকে ঘুরে তার কাছে এসে আবার আলাপ করলেন। সে এবারও অস্বীকার করল।
এরপর আমি উঠে গিয়ে সামান্য কিছু তাজা খেজুর নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে রাখলাম। তিনি কিছু খেলেন। তারপর বললেনঃ হে জাবির! তোমার ছাপড়াটা কোথায়? আমি তাঁকে জানিয়ে দিলাম। তিনি বললেনঃ সেখানে আমার জন্য বিছানা বিছাও। আমি বিছানা বিছিয়ে দিলে তিনি এতে ঢুকে ঘুমিয়ে গেলেন। ঘুম থেকে জাগলে আমি তাঁর কাছে আরেক মুষ্টি খেজুর নিয়ে আসলাম। তিনি তা থেকে খেলেন। তারপর উঠে আবার ইয়াহূদীর সঙ্গে কথা বললেন। সে অস্বীকার করল। তখন তিনি দ্বিতীয়বার খেজুর বাগানে গেলেন এবং বললেনঃ হে জাবির! তুমি খেজুর পাড়তে থাক এবং ঋণ শোধ কর। এই বলে, তিনি খেজুর পাড়ার স্থানে বসলেন। আমি খেজুর পেড়ে ইয়াহূদীর পাওনা শোধ করলাম। এরপর আরও খেজুর উদ্বৃত্ত রইল। আমি বেরিয়ে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এ সুসংবাদ দিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি সাক্ষী থাক যে, আমি আল্লাহর রাসূল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৬)
এরপর আমি উঠে গিয়ে সামান্য কিছু তাজা খেজুর নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে রাখলাম। তিনি কিছু খেলেন। তারপর বললেনঃ হে জাবির! তোমার ছাপড়াটা কোথায়? আমি তাঁকে জানিয়ে দিলাম। তিনি বললেনঃ সেখানে আমার জন্য বিছানা বিছাও। আমি বিছানা বিছিয়ে দিলে তিনি এতে ঢুকে ঘুমিয়ে গেলেন। ঘুম থেকে জাগলে আমি তাঁর কাছে আরেক মুষ্টি খেজুর নিয়ে আসলাম। তিনি তা থেকে খেলেন। তারপর উঠে আবার ইয়াহূদীর সঙ্গে কথা বললেন। সে অস্বীকার করল। তখন তিনি দ্বিতীয়বার খেজুর বাগানে গেলেন এবং বললেনঃ হে জাবির! তুমি খেজুর পাড়তে থাক এবং ঋণ শোধ কর। এই বলে, তিনি খেজুর পাড়ার স্থানে বসলেন। আমি খেজুর পেড়ে ইয়াহূদীর পাওনা শোধ করলাম। এরপর আরও খেজুর উদ্বৃত্ত রইল। আমি বেরিয়ে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এ সুসংবাদ দিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি সাক্ষী থাক যে, আমি আল্লাহর রাসূল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৬)
হাদিস নং: ৫৪৪৪
সহিহ (Sahih)
عمر بن حفص بن غياث حدثنا ابي حدثنا الاعمش قال حدثني مجاهد عن عبد الله بن عمر قال بينا نحن عند النبي صلى الله عليه وسلم جلوس اذا اتي بجمار نخلة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ان من الشجر لما بركته“ كبركة المسلم فظننت انه“ يعني النخلة فاردت ان اقول هي النخلة يا رسول الله ثم التفت فاذا انا عاشر عشرة انا احدثهم فسكت فقال النبي صلى الله عليه وسلم هي النخلة.
৫৪৪৪. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় তাঁর কাছে কিছু খেজুর গাছের মাথী আনা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এমন একটি গাছ আছে যার বারাকাত মুসলিমের বারাকাতের ন্যায়। আমি ভাবলাম, তিনি খেজুর গাছের কথা বলছেন। আমি বলতে চাইলামঃ হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কি খেজুর গাছ? কিন্তু এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখলাম, আমি উপস্থিত দশ জনের দশম ব্যক্তি এবং সকলের ছোট, তাই আমি চুপচাপ থাকলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সেটা খেজুর গাছ। [৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৭)
হাদিস নং: ৫৪৪৫
সহিহ (Sahih)
جمعة بن عبد الله حدثنا مروان اخبرنا هاشم بن هاشم اخبرنا عامر بن سعد عن ابيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تصبح كل يوم سبع تمرات عجوة لم يضره“ في ذ‘لك اليوم سم ولا سحر.
৫৪৪৫. সা’দ তাঁর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেকদিন সকালবেলায় সাতটি আজওয়া উৎকৃষ্ট খেজুর খাবে, সেদিন কোন বিষ ও যাদু তার ক্ষতি করবে না। [৫৭৬৮, ৫৭৬৯, ৫৭৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৮)
হাদিস নং: ৫৪৪৬
সহিহ (Sahih)
ادم حدثنا شعبة حدثنا جبلة بن سحيم قال اصابنا عام سنة مع ابن الزبير فرزقنا تمرا فكان عبد الله بن عمر يمر بنا ونحن ناكل ويقول لا تقارنوا فان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن القران ثم يقول الا ان يستاذن الرجل اخاه“ قال شعبة الاذن من قول ابن عمر.
৫৪৪৬. জাবাল ইবনু সুহায়ম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু যুবায়র-এর ’আমলে আমাদের উপর দুর্ভিক্ষ আসলো। তখন তিনি খাদ্য হিসাবে আমাদের কিছু খেজুর দিলেন। ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় আমরা খাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ একত্রে একাধিক খেজুর খেয়ো না। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একসাথে একের বেশি খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, তবে কেউ যদি তার ভাইকে অনুমতি দেয়, তবে তাতে কোন দোষ হবে না। শু’বাহ বলেন, অনুমতির কথাটি ইবনু উমারের নিজস্ব কথা। [২৪৫৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৯)
হাদিস নং: ৫৪৪৭
সহিহ (Sahih)
اسماعيل بن عبد الله قال حدثني ابراهيم بن سعد عن ابيه قال سمعت عبد الله بن جعفر قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم ياكل الرطب بالقثاء.
৫৪৪৭. ’আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাঁকুড় (ক্ষীরা জাতীয় ফল)-এর সঙ্গে খেজুর খেতে দেখেছি। [৫৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪০)
হাদিস নং: ৫৪৪৮
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا محمد بن طلحة عن زبيد عن مجاهد قال سمعت ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان من الشجر شجرة تكون مثل المسلم وهي النخلة.
৫৪৪৮. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গাছের মাঝে একটি গাছ আছে, যা (বারাকাতের ক্ষেত্রে) মুসলিমের ন্যায়, আর তা হল- খেজুর গাছ। [৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪১)
হাদিস নং: ৫৪৪৯
সহিহ (Sahih)
ابن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا ابراهيم بن سعد عن ابيه عن عبد الله بن جعفر قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكل الرطب بالقثاء.
৫৪৪৯. ’আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাঁকুড়ের সঙ্গে খেজুর খেতে দেখেছি। [৫৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪২)
হাদিস নং: ৫৪৫০
সহিহ (Sahih)
الصلت بن محمد حدثنا حماد بن زيد عن الجعد ابي عثمان عن انس ح وعن هشام عن محمد عن انس وعن سنان ابي ربيعة عن انس ان ام سليم امه“ عمدت الى مد من شعير جشته“ وجعلت منه“ خطيفة وعصرت عكة عندها ثم بعثتني الى النبي صلى الله عليه وسلم فاتيته“ وهو في اصحابه„ فدعوته“ قال ومن معي فجىت فقلت انه“ يقول ومن معي فخرج اليه ابو طلحة قال يا رسول الله انما هو شيء صنعته“ ام سليم فدخل فجيء به„ وقال ادخل علي عشرة فدخلوا فاكلوا حتى شبعوا ثم قال ادخل علي عشرة فدخلوا فاكلوا حتى شبعوا ثم قال ادخل علي عشرة حتى عد اربعين ثم اكل النبي صلى الله عليه وسلم ثم قام فجعلت انظر هل نقص منها شيء.
৫৪৫০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তাঁর মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) এক মুদ যব নিয়ে তা পিষলেন এবং এ দিয়ে ’খতীফা’ (দুধ ও আটা মিলানো খাদ্য) তৈরী করলেন এবং ঘি-এর পাত্র নিংড়িয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পাঠালেন। তিনি সাহাবাদের মাঝে ছিলেন, এ সময় আমি তাঁর কাছে এসে তাঁকে দাওয়াত করলাম। তিনি বললেনঃ আমার সঙ্গে যারা আছে? আমি বাড়ীতে এসে বললাম। তিনি যে জিজ্ঞেস করছেন, আমার সঙ্গে যারা আছে? তারপর আবূ ত্বলহা (রাঃ) তাঁর কাছে গিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! অতি অল্প খাদ্য উম্মু সুলাইম তৈরী করেছে। এরপর তিনি বললেনঃ তাঁর কাছে সেগুলো আনা হলে তিনি বললেনঃ দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। তাঁরা এসে তৃপ্ত হয়ে খেলেন। তিনি আবার বললেনঃ আরো দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। তাঁরা এসে তৃপ্ত হয়ে খেলেন। তিনি আবার বলেনঃ আরো দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। এভাবে তিনি চল্লিশ পর্যন্ত উল্লেখ করলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেলেন এবং চলে গেলেন। আমি দেখতে লাগলাম, তা থেকে কিছু কমেছে কিনা? (অর্থাৎ কিছুমাত্র কমেনি)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৩)
হাদিস নং: ৫৪৫১
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا عبد الوارث عن عبد العزيز قال قيل لانس ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في الثوم فقال من اكل فلا يقربن مسجدنا.
فِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
এ সম্পর্কে ইবনু ’উমার থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৫৪৫১. ’আবদুল ’আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলঃ আপনি রসূন সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হতে কী শুনেছেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে (এ কথা শুনেছি)। [৮৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৪)
এ সম্পর্কে ইবনু ’উমার থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৫৪৫১. ’আবদুল ’আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলঃ আপনি রসূন সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হতে কী শুনেছেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে (এ কথা শুনেছি)। [৮৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৪)
হাদিস নং: ৫৪৫২
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا ابو صفوان عبد الله بن سعيد اخبرنا يونس عن ابن شهاب قال حدثني عطاء ان جابر بن عبد الله زعم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من اكل ثوما او بصلا فليعتزلنا او ليعتزل مسجدنا.
৫৪৫২. ’’আত্বা (রহ.) হতে বর্ণিত আছে যে, জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) মনে করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসূন বা পেঁয়াজ খাবে, সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদ হতে দূরে থাকে। [৮৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৫)