অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৭৪/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ হে বিশ্বাসীগণ! মদ, জুয়া আর আস্তানা ও ভাগ্য নির্ধারক তীর ঘৃণিত শয়তানী কাজ, তোমরা তা বর্জন কর, যাতে তোমরা সাফল্যমন্ডিত হতে পার। সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫ঃ৯০)
মোট ৬৫ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৬০০
সহিহ (Sahih)
مسلم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن انس قال اني لاسقي ابا طلحة وابا دجانة وسهيل بن البيضاء خليط بسر وتمر اذ حرمت الخمر فقذفتها وانا ساقيهم واصغرهم وانا نعدها يومىذ الخمر وقال عمرو بن الحارث حدثنا قتادة سمع انسا.
৫৬০০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা, আবূ দুজনা এবং সুহাইল ইবনু বাইযা (রাঃ)-কে কাঁচা ও শুকনো খেজুরের মেশানো রস পান করাচ্ছিলাম। এ সময়ে মদ হারাম করা হল, তখন আমি তা ফেলে দিলাম। আমি ছিলাম তাঁদের পরিবেশনকারী এবং তাঁদের সবার ছোট। সে সময় আমরা এটিকে মদ গণ্য করতাম।
’আমর ইবনু হারিস বলেনঃ ক্বাতাদাহ (রহ.) আমাদের নিকট عَنْ أَنَسٍ এর স্থলে سَمِعَ أَنَساً বর্ণনা করেছেন। [২৪৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৬
’আমর ইবনু হারিস বলেনঃ ক্বাতাদাহ (রহ.) আমাদের নিকট عَنْ أَنَسٍ এর স্থলে سَمِعَ أَنَساً বর্ণনা করেছেন। [২৪৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৬
হাদিস নং: ৫৬০১
সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن ابن جريج اخبرني عطاء انه“ سمع جابرا يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الزبيب والتمر والبسر والرطب.
৫৬০১. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসমিস, শুকনো খেজুর, কাঁচা ও পাকা খেজুর মিশাতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৬, আহমাদ ১৪২০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৭)
হাদিস নং: ৫৬০২
সহিহ (Sahih)
مسلم حدثنا هشام اخبرنا يحيى بن ابي كثير عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يجمع بين التمر والزهو والتمر والزبيب ولينبذ كل واحد منهما على حدة.
৫৬০২. আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুরমা ও আধাপাকা খেজুর এবং খুরমা ও কিসমিস একত্র করতে নিষেধ করেছেন। আর এগুলোর প্রত্যেকটিকে আলাদাভাবে ভিজিয়ে ’নবীয’ তৈরী করা যাবে। [মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৮, আহমাদ ২২৬৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৮)
হাদিস নং: ৫৬০৩
সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة اسري به„ بقدح لبن وقدح خمر.
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (مِنْ بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِلشَّارِبِينَ).
মহান আল্লাহর বাণীঃ ’পান করাই ওদের পেটের গোবর আর রক্তের মাঝ থেকে বিশুদ্ধ দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্য খুবই উপাদেয়।’[1] (নাহল ১৬ঃ ৬৬)
৫৬০৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভ্রমণ করানো হয়, সে রাতে তাঁর সামনে পেশ করা হয়েছিল দুধের একটি পেয়ালা এবং শরাবের একটি পেয়ালা। [৩৩৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৯)
নোট: [1] গোবর ও রক্তের মাঝখান দিয়ে পরিষ্কার দুধ বের করা সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস বলেনঃ জন্তুর ভক্ষিত ঘাস তার পাকস্থলীতে একত্রিত হলে পাকস্থলী তা সিদ্ধ করে। পাকস্থলীর এই ক্রিয়ার ফলে খাদ্যের বিষ্ঠা নীচে বসে যায় এবং দুধ উপরে থেকে যায়। দুধের উপর থাকে রক্ত। এরপর যকৃত এই তিন প্রকার বস্ত্তকে পৃথকভাবে তাদের স্থানে ভাগ করে দেয়, রক্ত পৃথক করে রগের মধ্যে চালায় এবং দুধ পৃথক করে জন্তুর স্তনে পৌঁছে দেয়। এখন পাকস্থলীতে শুধু বিষ্ঠা থেকে যায়, যা গোবর হয়ে বের হয়ে আসে। মাআরেফুল কুরআন বাংলা সংষ্করণ পৃঃ ৭৪৬)
হাদিস নং: ৫৬০৪
সহিহ (Sahih)
الحميدي سمع سفيان اخبرنا سالم ابو النضر انه“ سمع عميرا مولى ام الفضل يحدث عن ام الفضل قالت شك الناس في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فارسلت اليه باناء فيه لبن فشرب فكان سفيان ربما قال شك الناس في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فارسلت اليه ام الفضل فاذا وقف عليه قال هو عن ام الفضل.
৫৬০৪. উম্মুল ফাযল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আরাফার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম পালনের ব্যাপারে লোকেরা সন্দেহ করে। তখন আমি তাঁর নিকট দুধ ভর্তি একটি পেয়ালা পাঠালাম। তিনি তা পান করলেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান অনেক সময় এভাবে বলতেন, আরাফার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম পালন সম্পর্কে লোকেরা সন্দেহ করছিল। তখন উম্মুল ফাযল (রাঃ) তাঁর কাছে দুধ পাঠিয়েছিলেন। হাদীসটি মাউসূল না মুরসাল, এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছেন, এটি উম্মুল ফাযল (রাঃ) হতে বর্ণিত। [১৬৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯০)
হাদিস নং: ৫৬০৫
সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا جرير عن الاعمش عن ابي صالح وابي سفيان عن جابر بن عبد الله قال جاء ابو حميد بقدح من لبن من النقيع فقال له“ رسول الله صلى الله عليه وسلم الا خمرته“ ولو ان تعرض عليه عودا.
৫৬০৫. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুমাইদ এক বাটী দুধ নিয়ে আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এটিকে ঢাকলে না কেন? একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা দরকার। [৫৬০৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯১)
হাদিস নং: ৫৬০৬
সহিহ (Sahih)
عمر بن حفص حدثنا ابي حدثنا الاعمش قال سمعت ابا صالح يذكر اراه“ عن جابر قال جاء ابو حميد رجل من الانصار من النقيع باناء من لبن الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم الا خمرته“ ولو ان تعرض عليه عودا
وحدثني ابو سفيان عن جابر عن النبيصلى الله عليه وسلم بهذا.
وحدثني ابو سفيان عن جابر عن النبيصلى الله عليه وسلم بهذا.
৫৬০৬. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুমাইদ নামক এক আনসারী নাফি’ নামক জায়গা থেকে এক পেয়ালা দুধ নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এটিকে ঢেকে আননি কেন? এর উপর একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা দরকার।
আবূ সুফ্ইয়ান (রহ.) এ হাদীসটি জাবির সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৬০৫; মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯২)
আবূ সুফ্ইয়ান (রহ.) এ হাদীসটি জাবির সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৬০৫; মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯২)
হাদিস নং: ৫৬০৭
সহিহ (Sahih)
محمود اخبرنا النضر اخبرنا شعبة عن ابي اسحاق قال سمعت البراء قال قدم النبي صلى الله عليه وسلم من مكة وابو بكر معه“ قال ابو بكر مررنا براع وقد عطش رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ابو بكر فحلبت كثبة من لبن في قدح فشرب حتى رضيت واتانا سراقة بن جعشم على فرس فدعا عليه فطلب اليه سراقة ان لا يدعو عليه وان يرجع ففعل النبي صلى الله عليه وسلم.
৫৬০৭. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে রওয়ানা হলেন, তখন তাঁর সাথে ছিলেন আবূ বকর। আবূ বকর (রাঃ) বলেনঃ আমরা এক রাখালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সে সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন খুব পিপাসার্ত। আবূ বকর (রাঃ) বলেনঃ আমি তখন একটি পাত্রে ভেড়ার দুধ দুইলাম। তিনি তা পান করলেন, আমি খুব খুশি হলাম। এমন সময় সুরাকা ইবনু জু’শুম একটি ঘোড়ার উপর চড়ে আমাদের কাছে আসলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বদ দু’আ করতে চাইলে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আরয করল, যেন তিনি তার জন্য বদ দু’আ না করেন এবং সে যেন নির্বিঘ্নে ফিরে যেতে পারে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই করলেন। [২৪৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৩)
হাদিস নং: ৫৬০৮
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب حدثنا ابو الزناد عن عبد الرحمن عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم الصدقة اللقحة الصفي منحة والشاة الصفي منحة تغدو باناء وتروح باخر.
৫৬০৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম সাদাকা হল উপহার স্বরূপ দেয়া দুধেল উটনী কিংবা দুধেল বকরী, যা সকালে একটি পাত্র পূর্ণ করে আর বিকালে পূর্ণ করে আরেকটি। [২৬২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৪)
হাদিস নং: ৫৬০৯
সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن الاوزاعي عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم شرب لبنا فمضمض وقال ان له“ دسما.
৫৬০৯. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধপান করেছেন, এরপর তিনি কুলি করেছেন এবং বলেছেনঃ এর মধ্যে তৈল আছে। [২১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৯১), ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৫)
হাদিস নং: ৫৬১০
সহিহ (Sahih)
وقال ابراهيم بن طهمان عن شعبة عن قتادة عن انس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم رفعت الى السدرة فاذا اربعة انهار نهران ظاهران ونهران باطنان فاما الظاهران النيل والفرات واما الباطنان فنهران في الجنة فاتيت بثلاثة اقداح قدح فيه لبن وقدح فيه عسل وقدح فيه خمر فاخذت الذي فيه اللبن فشربت فقيل لي اصبت الفطرة انت وامتك.
قال هشام وسعيد وهمام عن قتادة عن انس بن مالك عن مالك بن صعصعة عن النبي صلى الله عليه وسلم في الانهار نحوه“ ولم يذكروا ثلاثة اقداح.
قال هشام وسعيد وهمام عن قتادة عن انس بن مالك عن مالك بن صعصعة عن النبي صلى الله عليه وسلم في الانهار نحوه“ ولم يذكروا ثلاثة اقداح.
৫৬১০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার সম্মুখে ’সিদরাতুল মুনতাহা’ তুলে ধরা হল। তখন দেখলাম চারটি নহর। দু’টি নহর হল যাহেরী, আর দু’টি নহর হল বাতেনী। যাহেরী দু’টি হল, নীল ও ফোরাত। আর বাতেনী দু’টি হল, জান্নাতের দু’টি নহর। আমার সম্মুখে তিনটি পেয়ালা তুলে ধরা হল, একটি পেয়ালায় আছে দুধ, একটি পেয়ালায় আছে মধু আর একটিতে শরাব। আমি দুধের পেয়ালাটি গ্রহণ করলাম এবং পান করলাম। তখন আমাকে বলা হল, আপনি এবং আপনার উম্মাত স্বভাবজাত বস্ত্ত গ্রহণ করেছেন। তবে তাঁরা তিনটি পেয়ালার কথা উল্লেখ করেননি। [৩৫৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৯২), ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৫)
হাদিস নং: ৫৬১১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن اسحاق بن عبد الله، انه سمع انس بن مالك، يقول كان ابو طلحة اكثر انصاري بالمدينة مالا من نخل، وكان احب ماله اليه بيرحاء، وكانت مستقبل المسجد، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب. قال انس فلما نزلت (لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون) قام ابو طلحة فقال يا رسول الله ان الله يقول (لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون) وان احب مالي الى بيرحاء، وانها صدقة لله ارجو برها وذخرها عند الله فضعها يا رسول الله حيث اراك الله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بخ ذلك مال رابح ـ او رايح شك عبد الله ـ وقد سمعت ما قلت واني ارى ان تجعلها في الاقربين ". فقال ابو طلحة افعل يا رسول الله، فقسمها ابو طلحة في اقاربه وفي بني عمه. وقال اسماعيل ويحيى بن يحيى رايح.
৫৬১১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ ত্বলহা (রাঃ)ছিলেন মদিনার আনসারদের মধ্যে সবার চেয়ে অধিক খেজুর গাছের মালিক। আর তাঁর নিকট তাঁর প্রিয় সম্পত্তি ছিল ’বাইরুহা’ নামক বাগানটি। সেটি ছিল মসজিদে নববীর ঠিক সামনে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বাগানে যেতেন এবং সেখানকার উৎকৃষ্ট পানি পান করতেন।’ আনাস (রাঃ) বলেন, যখন আয়াত অবতীর্ণ হলঃ ’তোমরা তোমাদের প্রিয়বস্তু খরচ না করা পর্যন্ত কক্ষনো পুণ্য লাভ করবে না’ (সূরাহ আলে ’ইমরান ৩/৯২)। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ্ ইরশাদ করেছেনঃ ’তোমরা তোমাদের প্রিয়বস্তু খরচ না করা পর্যন্ত কক্ষনো পুণ্য লাভ করবে না’ - আর আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ হল ’বাইরুহা’ বাগান। এটিকে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে সাদাকা করে দিলাম। আমি আল্লাহর কাছে এর সাওয়াব এবং সঞ্চয় আশা করি। হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এটিকে গ্রহণ করুন, আল্লাহর ইচ্ছেয় যেখানে ব্যয় করতে আপনি ভাল মনে করেন, সেখানে ব্যয় করুন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ খুব ভাল, এটিতো লাভজনক (কিংবা বলেছেন) মুনাফা দানকারী। কথাটিতে রাবী ’আবদুল্লাহ সন্দেহ পোষণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি যা বলেছ, আমি তা শুনেছি। তবে আমি ভাল মনে করি যে, তুমি এটিকে আত্মীয়দের মাঝে বণ্টন করে দেবে। আবূ ত্বলহা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করব। এরপর আবূ ত্বলহা বাগানটি তাঁর আত্মীয়দের মধ্যে এবং তাঁর চাচাত ভাইদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন।ইসমাঈল ও ইয়াহ্ইয়া رَابِحٌ এর জায়গায় رَايِحٌ বলেছেন। [১৪৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৬)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ খুব ভাল, এটিতো লাভজনক (কিংবা বলেছেন) মুনাফা দানকারী। কথাটিতে রাবী ’আবদুল্লাহ সন্দেহ পোষণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি যা বলেছ, আমি তা শুনেছি। তবে আমি ভাল মনে করি যে, তুমি এটিকে আত্মীয়দের মাঝে বণ্টন করে দেবে। আবূ ত্বলহা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করব। এরপর আবূ ত্বলহা বাগানটি তাঁর আত্মীয়দের মধ্যে এবং তাঁর চাচাত ভাইদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন।ইসমাঈল ও ইয়াহ্ইয়া رَابِحٌ এর জায়গায় رَايِحٌ বলেছেন। [১৪৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৬)
হাদিস নং: ৫৬১২
সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري قال اخبرني انس بن مالك انه“ راى رسول الله صلى الله عليه وسلم شرب لبنا واتى داره“ فحلبت شاة فشبت لرسول الله صلى الله عليه وسلم من البىر فتناول القدح فشرب وعن يساره„ ابو بكر وعن يمينه„ اعرابي فاعطى الاعرابي فضله“ ثم قال الايمن فالايمن.
৫৬১২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাড়ীতে এসে দুধ পান করতে দেখেন। আনাস(রাঃ) বলেন, আমি একটি ছাগী দোহন করলাম এবং কূপের পানি মিশিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পেশ করলাম। তিনি পেয়ালাটি নিয়ে পান করেন। তাঁর বাঁদিকে ছিলেন আবূ বকর ও ডানদিকে ছিল এক বেদুঈন। তিনি বেদুঈনকে তাঁর অতিরিক্ত দুধ দিলেন। এরপর বললেনঃ ডান দিকের আছে অগ্রাধিকার। [২৩৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৭)
হাদিস নং: ৫৬১৩
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد حدثنا ابو عامر حدثنا فليح بن سليمان عن سعيد بن الحارث عن جابر بن عبد الله ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل على رجل من الانصار ومعه“ صاحب له“ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ان كان عندك ماء بات هذه الليلة في شنة والا كرعنا قال والرجل يحول الماء في حاىطه„ قال فقال الرجل يا رسول الله عندي ماء باىت فانطلق الى العريش قال فانطلق بهما فسكب في قدح ثم حلب عليه من داجن له“ قال فشرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم شرب الرجل الذي جاء معه.
৫৬১৩. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক লোকের কাছে গেলেন। তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর এক সাহাবী। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারীকে বললেনঃ তোমার কাছে যদি মশকে রাখা গত রাতের পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাও। আর না থাকলে আমরা সামনে গিয়ে পান করব। রাবী বলেন, লোকটি তখন তার বাগানে পানি দিচ্ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে গত রাতের পানি আছে। আপনি কুটীরে চলুন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকটি তাঁদের দু’জনকে নিয়ে গেল এবং একটি পেয়ালায় পানি নিয়ে তাতে তার একটা বক্রীর দুধ দোহন করল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পান করলেন, তাঁর সাথে আগন্তুক লোকটিও পান করলেন। [৫৬২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৮)
হাদিস নং: ৫৬১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا ابو اسامة، قال اخبرني هشام، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يعجبه الحلواء والعسل.
وَقَالَ الزُّهْرِيُّ لاَ يَحِلُّ شُرْبُ بَوْلِ النَّاسِ لِشِدَّةٍ تَنْزِلُ، لأَنَّهُ رِجْسٌ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: (أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ)، وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ فِي السَّكَرِ إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَجْعَلْ شِفَاءَكُمْ فِيمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ.
যুহরী (রহ.) বলেছেন, ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হলেও মানুষের পেশাব পান করা হালাল নয়। কেননা, পেশাব অপবিত্র। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদঃ ’’তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সকল পবিত্র জিনিস।’’ সূরাহ আল-মায়িদাহঃ ৪ ও ৫)
ইবনু মাস’ঊদ নেশাদ্রব্য সম্পর্কে বলেছেনঃ আল্লাহ তোমাদের উপর যে সব বস্ত্ত হারাম করেছেন তাতে তোমাদের জন্য কোন রোগমুক্তির উপাদান নেই।
৫৬১৪. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় দ্রব্য ছিল মিষ্টিদ্রব্য ও মধু। [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৯)
যুহরী (রহ.) বলেছেন, ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হলেও মানুষের পেশাব পান করা হালাল নয়। কেননা, পেশাব অপবিত্র। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদঃ ’’তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সকল পবিত্র জিনিস।’’ সূরাহ আল-মায়িদাহঃ ৪ ও ৫)
ইবনু মাস’ঊদ নেশাদ্রব্য সম্পর্কে বলেছেনঃ আল্লাহ তোমাদের উপর যে সব বস্ত্ত হারাম করেছেন তাতে তোমাদের জন্য কোন রোগমুক্তির উপাদান নেই।
৫৬১৪. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় দ্রব্য ছিল মিষ্টিদ্রব্য ও মধু। [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৯)
হাদিস নং: ৫৬১৫
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا مسعر عن عبد الملك بن ميسرة عن النزال قال اتى علي على باب الرحبة فشرب قاىما فقال ان ناسا يكره“ احدهم ان يشرب وهو قاىم واني رايت النبي صلى الله عليه وسلم فعل كما رايتموني فعلت.
৫৬১৫. নাযযাল (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কূফা মসজিদের ফটকে ’আলী (রাঃ)-এর নিকট পানি আনা হলে তিনি দাঁড়িয়ে তা পান করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লোকজনের মধ্যে কেউ কেউ দাঁড়িয়ে পান করাকে মাকরূহ মনে করে, অথচ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, তোমরা আমাকে যেমনভাবে পান করতে দেখলে তিনিও তেমনি করেছেন। [৫৬১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০০)
নোট: প্রকাশ থাকে যে, এখানে পর পর ৩টি হাদীস সহীহ্ সানাদে ইমাম বুখারী (রহ.) স্বীয় কিতাবে উল্লেখ করেছেন। দাঁড়িয়ে পানি পান করার বৈধতার পক্ষে উক্ত ৩টি হাদীস দেখা যাচ্ছে। আমাদের এদেশে কাউকে দাঁড়িয়ে পানি পান করতে দেখলে তার সম্পর্কে ভীষণ খারাপ ধারণা পোষণ করা হয়, যা একেবারেই অমূলক, অযৌক্তিক বটে। রসূল ﷺ এবং ‘আলী দাঁড়িয়ে পানি পান করেছিলেন বলে সহীহ্ সানাদে এখানে যে ৩টি হাদীসের উল্লেখ রয়েছে তাতে সত্যই প্রমাণিত হয় যে, দাঁড়িয়ে পানি পান করা দূষণীয় নয়। রসূল (ﷺ)-এর ‘আমলকে অস্বীকার করা শয়তানের প্ররোচনা ব্যতীত আর কিছুই নয়। যে কোন অবস্থায়ই রসূল (ﷺ) এর চেয়ে বেশী তাক্বওয়া ও পরহেজগারী দেখানো নিঃসন্দেহে ভন্ডামি। অতএব উপরোক্ত আলোচনা হতে শিক্ষণীয় এই যে, রসূল (ﷺ)-এর অনুগমন অনুসরণ করার মধ্যেই পরহেজগারী সীমাবদ্ধ আছে বলে মানতে হবে।
হাদিস নং: ৫৬১৬
সহিহ (Sahih)
ادم حدثنا شعبة حدثنا عبد الملك بن ميسرة سمعت النزال بن سبرة يحدث عن علي انه“ صلى الظهر ثم قعد في حواىج الناس في رحبة الكوفة حتى حضرت صلاة العصر ثم اتي بماء فشرب وغسل وجهه“ ويديه وذكر راسه“ ورجليه ثم قام فشرب فضله“ وهو قاىم ثم قال ان ناسا يكرهون الشرب قياما وان النبي صلى الله عليه وسلم صنع مثل ما صنعت.
৫৬১৬. নাযযাল ইবনু সাবরা হতে বর্ণিত। তিনি ’আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যুহরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মানুষের নানান প্রয়োজনে কূফা মসজিদের চত্বরে বসে পড়লেন। অবশেষে ’আসরের সালাত আদায়ের সময় হয়ে গেল। তখন পানি আনা হল। তিনি পানি পান করলেন এবং নিজের মুখমণ্ডল
ও উভয় হাত ধৌত করলেন। বর্ণনাকারী আদম এখানে তাঁর মাথা ও দু’ পায়ের কথা উল্লেখ করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন এরপর ’আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় অযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করে নিলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লোকজন দাঁড়িয়ে পান করাকে ঘৃণা করে, অথচ আমি যেমন করেছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তেমন করেছেন। [৫৬১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০১)
ও উভয় হাত ধৌত করলেন। বর্ণনাকারী আদম এখানে তাঁর মাথা ও দু’ পায়ের কথা উল্লেখ করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন এরপর ’আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় অযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করে নিলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লোকজন দাঁড়িয়ে পান করাকে ঘৃণা করে, অথচ আমি যেমন করেছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তেমন করেছেন। [৫৬১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০১)
হাদিস নং: ৫৬১৭
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا سفيان عن عاصم الاحول عن الشعبي عن ابن عباس قال شرب النبي صلى الله عليه وسلم قاىما من زمزم.
৫৬১৭. আবূ নু’আইম (রহ.) ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করেছেন। [১৬৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০২)
হাদিস নং: ৫৬১৮
সহিহ (Sahih)
مالك بن اسماعيل حدثنا عبد العزيز بن ابي سلمة اخبرنا ابو النضر عن عمير مولى ابن عباس عن ام الفضل بنت الحارث انها ارسلت الى النبي صلى الله عليه وسلم بقدح لبن وهو واقف عشية عرفة فاخذ بيده„ فشربه
৫৬১৮. উম্মুল ফাযল বিনতু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে বিকালে অবস্থান করছিলেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে পেয়ালাটি নিলেন এবং তা পান করলেন। [১৬৫৮]
আবুন নাযর থেকে মালিক عَلٰى بَعِيرِه (তাঁর উটের উপর ছিলেন) কথাটি বৃদ্ধি করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০৩)
আবুন নাযর থেকে মালিক عَلٰى بَعِيرِه (তাঁর উটের উপর ছিলেন) কথাটি বৃদ্ধি করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০৩)
হাদিস নং: ৫৬১৯
সহিহ (Sahih)
اسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن انس بن مالك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بلبن قد شيب بماء وعن يمينه„ اعرابي وعن شماله„ ابو بكر فشرب ثم اعطى الاعرابي وقال الايمن فالايمن.
৫৬১৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে পানি মেশানো দুধ পেশ করা হল। তাঁর ডান পার্শ্বে ছিল এক বেদুঈন ও বাম পার্শ্বে ছিলেন আবূ বকর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধ পান করলেন। তারপর বেদুঈন লোকটিকে তা দিয়ে বললেনঃ ডানের লোকের অধিকার আগে। এরপর তার ডানের লোকের। [২৩৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০৪)