অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৭৪/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ হে বিশ্বাসীগণ! মদ, জুয়া আর আস্তানা ও ভাগ্য নির্ধারক তীর ঘৃণিত শয়তানী কাজ, তোমরা তা বর্জন কর, যাতে তোমরা সাফল্যমন্ডিত হতে পার। সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫ঃ৯০)
মোট ৬৫ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৫৯৫ সহিহ (Sahih)
عثمان حدثنا جرير عن منصور عن ابراهيم قلت للاسود هل سالت عاىشة ام المومنين عما يكره“ ان ينتبذ فيه فقال نعم قلت يا ام المومنين عم نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان ينتبذ فيه قالت نهانا في ذ‘لك اهل البيت ان ننتبذ في الدباء والمزفت قلت اما ذكرت الجر والحنتم قال انما احدثك ما سمعت افاحدث ما لم اسمع.
৫৫৯৫. ইবরাহীম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আসওয়াদকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আপনি কি উম্মুল মু’মিনীন ’আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, কোন্ কোন্ পাত্রের মধ্যে ’নবীয’ তৈরী করা মাকরূহ। তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বলেছিলাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন্ কোন্ পাত্রের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন? তখন তিনি বললেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অর্থাৎ আহলে বায়তকে দুব্বা ও মুযাফফাত নামক পাত্রে নবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন।

(ইবরাহীম বলেন) আমি বললামঃ ’আয়িশাহ (রাঃ) কি জার (মাটির কলসী) ও হানতাম (মাটির সবুজ পাত্র) এর কথা উল্লেখ করেননি? তিনি বললেনঃ আমি যা শুনেছি কেবল তাই তোমাকে বর্ণনা করেছি। আমি যা শুনিনি তাও কি আমি তোমাদের কাছে বর্ণনা করব? [মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ১৯৯৫, আহমাদ ২৪২৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮১)
হাদিস নং: ৫৫৯৬ সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني قال سمعت عبد الله بن ابي اوفى قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الجرالاخضر قلت انشرب في الابيض قال لا.
৫৫৯৬. মূসা বিন ইসমাঈল (রহ.) ...... ’আবদুল্লাহ ইবনু আওফা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবুজ রং এর কলসী ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললামঃ তাহলে সাদা রং এর পাত্রে (নবীয) পান করা যাবে কি? তিনি বললেনঃ না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮২)
হাদিস নং: ৫৫৯৭ সহিহ (Sahih)
يحيى بن بكير حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن القاري عن ابي حازم قال سمعت سهل بن سعد الساعدي ان ابا اسيد الساعدي دعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه„ فكانت امراته“ خادمهم يومىذ وهي العروس فقالت ما تدرون ما انقعت لرسول الله صلى الله عليه وسلم انقعت له“ تمرات من الليل في تور.
৫৫৯৭. সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ উসাইদ সা’ঈদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর ওলীমার দাওয়াত করেছিলেন। সেদিন তার স্ত্রী নববধু অবস্থায় সবার খিদমত করছিলেন। তিনি বললেনঃ আপনারা কি জানেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিসের রস পান করতে দিয়েছিলাম? আমি তাঁর জন্য রাতে কতকগুলো খেজুর পাত্রে ভিজিয়ে রেখেছিলাম। [৫১৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৩)
হাদিস নং: ৫৫৯৮ সহিহ (Sahih)
محمد بن كثير اخبرنا سفيان عن ابي الجويرية قال سالت ابن عباس عن الباذق فقال سبق محمد صلى الله عليه وسلم الباذق فما اسكر فهو حرام قال الشراب الحلال الطيب قال ليس بعد الحلال الطيب الا الحرام الخبيث.
وَمَنْ نَهٰى عَنْ كُلِّ مُسْكِرٍ مِنَ الأَشْرِبَةِ وَرَأٰى عُمَرُ وَأَبُو عُبَيْدَةَ وَمُعَاذٌ شُرْبَ الطِّلاَءِ عَلٰى الثُّلُثِ وَشَرِبَ الْبَرَاءُ وَأَبُو جُحَيْفَةَ عَلٰى النِّصْفِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ اشْرَبْ الْعَصِيرَ مَا دَامَ طَرِيًّا وَقَالَ عُمَرُ وَجَدْتُ مِنْ عُبَيْدِ اللهِ رِيحَ شَرَابٍ وَأَنَا سَائِلٌ عَنْه“ فَإِنْ كَانَ يُسْكِرُ جَلَدْتُهُ.

এবং যারা নেশা সৃষ্টিকারী সকল পানীয় নিষিদ্ধ বলেন তার বর্ণনা। ’উমার, আবূ ’উবাইদাহ ও মু’আয ’তিলা’ অর্থাৎ আঙ্গুরের যে রসকে পাকিয়ে এক-তৃতীয়াংশ করা হয়েছে, তা পান করা জায়িয মনে করেন। বারা ও আবূ জুহাইফাহ পাকিয়ে অর্ধেক থাকতে রস পান করেছেন। ইবনু ’আব্বাস বলেছেনঃ আমি তাজা অবস্থার আঙ্গুরের রস পান করেছি। ’উমার বলেছেনঃ আমি উবাইদুল্লাহর মুখ হতে শরাবের গন্ধ পেয়েছি এবং তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেসও করেছি। যদি তা নেশার সৃষ্টি করত, তাহলে আমি বেত্রাঘাত করতাম।


৫৫৯৮. আবুল জুওয়াইরিয়া (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ’আব্বাস (রাঃ)-কে ’বাযাক’ সম্বন্ধে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি উত্তর দিলেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’বাযাক’ উৎপাদনের আগে বিদায় হয়ে গেছেন। কাজেই যে বস্ত্ত নেশা জন্মায় তা-ই হারাম। তিনি বলেনঃ হালাল পানীয় পবিত্র। তিনি বলেন, হালাল ও পবিত্র পানীয় ছাড়া অন্যসব পানীয় ঘৃণ্য হারাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৪)
হাদিস নং: ৫৫৯৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحب الحلواء والعسل‏.‏
৫৫৯৯. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিষ্টি ও মধু পছন্দ করতেন। [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৫)
হাদিস নং: ৫৬০০ সহিহ (Sahih)
مسلم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن انس قال اني لاسقي ابا طلحة وابا دجانة وسهيل بن البيضاء خليط بسر وتمر اذ حرمت الخمر فقذفتها وانا ساقيهم واصغرهم وانا نعدها يومىذ الخمر وقال عمرو بن الحارث حدثنا قتادة سمع انسا.
৫৬০০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা, আবূ দুজনা এবং সুহাইল ইবনু বাইযা (রাঃ)-কে কাঁচা ও শুকনো খেজুরের মেশানো রস পান করাচ্ছিলাম। এ সময়ে মদ হারাম করা হল, তখন আমি তা ফেলে দিলাম। আমি ছিলাম তাঁদের পরিবেশনকারী এবং তাঁদের সবার ছোট। সে সময় আমরা এটিকে মদ গণ্য করতাম।

’আমর ইবনু হারিস বলেনঃ ক্বাতাদাহ (রহ.) আমাদের নিকট عَنْ أَنَسٍ এর স্থলে سَمِعَ أَنَساً বর্ণনা করেছেন। [২৪৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৬
হাদিস নং: ৫৬০১ সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن ابن جريج اخبرني عطاء انه“ سمع جابرا يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الزبيب والتمر والبسر والرطب.
৫৬০১. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসমিস, শুকনো খেজুর, কাঁচা ও পাকা খেজুর মিশাতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৬, আহমাদ ১৪২০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৭)
হাদিস নং: ৫৬০২ সহিহ (Sahih)
مسلم حدثنا هشام اخبرنا يحيى بن ابي كثير عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يجمع بين التمر والزهو والتمر والزبيب ولينبذ كل واحد منهما على حدة.
৫৬০২. আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুরমা ও আধাপাকা খেজুর এবং খুরমা ও কিসমিস একত্র করতে নিষেধ করেছেন। আর এগুলোর প্রত্যেকটিকে আলাদাভাবে ভিজিয়ে ’নবীয’ তৈরী করা যাবে। [মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৮, আহমাদ ২২৬৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৮)
হাদিস নং: ৫৬০৩ সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة اسري به„ بقدح لبن وقدح خمر.

وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (مِنْ بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِلشَّارِبِينَ).

মহান আল্লাহর বাণীঃ ’পান করাই ওদের পেটের গোবর আর রক্তের মাঝ থেকে বিশুদ্ধ দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্য খুবই উপাদেয়।’[1] (নাহল ১৬ঃ ৬৬)


৫৬০৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভ্রমণ করানো হয়, সে রাতে তাঁর সামনে পেশ করা হয়েছিল দুধের একটি পেয়ালা এবং শরাবের একটি পেয়ালা। [৩৩৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৯)
নোট: [1] গোবর ও রক্তের মাঝখান দিয়ে পরিষ্কার দুধ বের করা সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস বলেনঃ জন্তুর ভক্ষিত ঘাস তার পাকস্থলীতে একত্রিত হলে পাকস্থলী তা সিদ্ধ করে। পাকস্থলীর এই ক্রিয়ার ফলে খাদ্যের বিষ্ঠা নীচে বসে যায় এবং দুধ উপরে থেকে যায়। দুধের উপর থাকে রক্ত। এরপর যকৃত এই তিন প্রকার বস্ত্তকে পৃথকভাবে তাদের স্থানে ভাগ করে দেয়, রক্ত পৃথক করে রগের মধ্যে চালায় এবং দুধ পৃথক করে জন্তুর স্তনে পৌঁছে দেয়। এখন পাকস্থলীতে শুধু বিষ্ঠা থেকে যায়, যা গোবর হয়ে বের হয়ে আসে। মাআরেফুল কুরআন বাংলা সংষ্করণ পৃঃ ৭৪৬)
হাদিস নং: ৫৬০৪ সহিহ (Sahih)
الحميدي سمع سفيان اخبرنا سالم ابو النضر انه“ سمع عميرا مولى ام الفضل يحدث عن ام الفضل قالت شك الناس في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فارسلت اليه باناء فيه لبن فشرب فكان سفيان ربما قال شك الناس في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فارسلت اليه ام الفضل فاذا وقف عليه قال هو عن ام الفضل.
৫৬০৪. উম্মুল ফাযল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আরাফার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম পালনের ব্যাপারে লোকেরা সন্দেহ করে। তখন আমি তাঁর নিকট দুধ ভর্তি একটি পেয়ালা পাঠালাম। তিনি তা পান করলেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান অনেক সময় এভাবে বলতেন, আরাফার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম পালন সম্পর্কে লোকেরা সন্দেহ করছিল। তখন উম্মুল ফাযল (রাঃ) তাঁর কাছে দুধ পাঠিয়েছিলেন। হাদীসটি মাউসূল না মুরসাল, এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছেন, এটি উম্মুল ফাযল (রাঃ) হতে বর্ণিত। [১৬৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯০)
হাদিস নং: ৫৬০৫ সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا جرير عن الاعمش عن ابي صالح وابي سفيان عن جابر بن عبد الله قال جاء ابو حميد بقدح من لبن من النقيع فقال له“ رسول الله صلى الله عليه وسلم الا خمرته“ ولو ان تعرض عليه عودا.
৫৬০৫. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুমাইদ এক বাটী দুধ নিয়ে আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এটিকে ঢাকলে না কেন? একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা দরকার। [৫৬০৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯১)
হাদিস নং: ৫৬০৬ সহিহ (Sahih)
عمر بن حفص حدثنا ابي حدثنا الاعمش قال سمعت ابا صالح يذكر اراه“ عن جابر قال جاء ابو حميد رجل من الانصار من النقيع باناء من لبن الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم الا خمرته“ ولو ان تعرض عليه عودا

وحدثني ابو سفيان عن جابر عن النبيصلى الله عليه وسلم بهذا.
৫৬০৬. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুমাইদ নামক এক আনসারী নাফি’ নামক জায়গা থেকে এক পেয়ালা দুধ নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এটিকে ঢেকে আননি কেন? এর উপর একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা দরকার।

আবূ সুফ্ইয়ান (রহ.) এ হাদীসটি জাবির সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৬০৫; মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯২)
হাদিস নং: ৫৬০৭ সহিহ (Sahih)
محمود اخبرنا النضر اخبرنا شعبة عن ابي اسحاق قال سمعت البراء قال قدم النبي صلى الله عليه وسلم من مكة وابو بكر معه“ قال ابو بكر مررنا براع وقد عطش رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ابو بكر فحلبت كثبة من لبن في قدح فشرب حتى رضيت واتانا سراقة بن جعشم على فرس فدعا عليه فطلب اليه سراقة ان لا يدعو عليه وان يرجع ففعل النبي صلى الله عليه وسلم.
৫৬০৭. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে রওয়ানা হলেন, তখন তাঁর সাথে ছিলেন আবূ বকর। আবূ বকর (রাঃ) বলেনঃ আমরা এক রাখালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সে সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন খুব পিপাসার্ত। আবূ বকর (রাঃ) বলেনঃ আমি তখন একটি পাত্রে ভেড়ার দুধ দুইলাম। তিনি তা পান করলেন, আমি খুব খুশি হলাম। এমন সময় সুরাকা ইবনু জু’শুম একটি ঘোড়ার উপর চড়ে আমাদের কাছে আসলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বদ দু’আ করতে চাইলে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আরয করল, যেন তিনি তার জন্য বদ দু’আ না করেন এবং সে যেন নির্বিঘ্নে ফিরে যেতে পারে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই করলেন। [২৪৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৩)
হাদিস নং: ৫৬০৮ সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب حدثنا ابو الزناد عن عبد الرحمن عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم الصدقة اللقحة الصفي منحة والشاة الصفي منحة تغدو باناء وتروح باخر.
৫৬০৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম সাদাকা হল উপহার স্বরূপ দেয়া দুধেল উটনী কিংবা দুধেল বকরী, যা সকালে একটি পাত্র পূর্ণ করে আর বিকালে পূর্ণ করে আরেকটি। [২৬২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৪)
হাদিস নং: ৫৬০৯ সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن الاوزاعي عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم شرب لبنا فمضمض وقال ان له“ دسما.
৫৬০৯. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধপান করেছেন, এরপর তিনি কুলি করেছেন এবং বলেছেনঃ এর মধ্যে তৈল আছে। [২১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৯১), ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৫)
হাদিস নং: ৫৬১০ সহিহ (Sahih)
وقال ابراهيم بن طهمان عن شعبة عن قتادة عن انس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم رفعت الى السدرة فاذا اربعة انهار نهران ظاهران ونهران باطنان فاما الظاهران النيل والفرات واما الباطنان فنهران في الجنة فاتيت بثلاثة اقداح قدح فيه لبن وقدح فيه عسل وقدح فيه خمر فاخذت الذي فيه اللبن فشربت فقيل لي اصبت الفطرة انت وامتك.
قال هشام وسعيد وهمام عن قتادة عن انس بن مالك عن مالك بن صعصعة عن النبي صلى الله عليه وسلم في الانهار نحوه“ ولم يذكروا ثلاثة اقداح.
৫৬১০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার সম্মুখে ’সিদরাতুল মুনতাহা’ তুলে ধরা হল। তখন দেখলাম চারটি নহর। দু’টি নহর হল যাহেরী, আর দু’টি নহর হল বাতেনী। যাহেরী দু’টি হল, নীল ও ফোরাত। আর বাতেনী দু’টি হল, জান্নাতের দু’টি নহর। আমার সম্মুখে তিনটি পেয়ালা তুলে ধরা হল, একটি পেয়ালায় আছে দুধ, একটি পেয়ালায় আছে মধু আর একটিতে শরাব। আমি দুধের পেয়ালাটি গ্রহণ করলাম এবং পান করলাম। তখন আমাকে বলা হল, আপনি এবং আপনার উম্মাত স্বভাবজাত বস্ত্ত গ্রহণ করেছেন। তবে তাঁরা তিনটি পেয়ালার কথা উল্লেখ করেননি। [৩৫৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯৯২), ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৫)
হাদিস নং: ৫৬১১ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن اسحاق بن عبد الله، انه سمع انس بن مالك، يقول كان ابو طلحة اكثر انصاري بالمدينة مالا من نخل، وكان احب ماله اليه بيرحاء، وكانت مستقبل المسجد، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب‏.‏ قال انس فلما نزلت ‏(‏لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون‏)‏ قام ابو طلحة فقال يا رسول الله ان الله يقول ‏(‏لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون‏)‏ وان احب مالي الى بيرحاء، وانها صدقة لله ارجو برها وذخرها عند الله فضعها يا رسول الله حيث اراك الله‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بخ ذلك مال رابح ـ او رايح شك عبد الله ـ وقد سمعت ما قلت واني ارى ان تجعلها في الاقربين ‏"‏‏.‏ فقال ابو طلحة افعل يا رسول الله، فقسمها ابو طلحة في اقاربه وفي بني عمه‏.‏ وقال اسماعيل ويحيى بن يحيى رايح‏.‏
৫৬১১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ ত্বলহা (রাঃ)ছিলেন মদিনার আনসারদের মধ্যে সবার চেয়ে অধিক খেজুর গাছের মালিক। আর তাঁর নিকট তাঁর প্রিয় সম্পত্তি ছিল ’বাইরুহা’ নামক বাগানটি। সেটি ছিল মসজিদে নববীর ঠিক সামনে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বাগানে যেতেন এবং সেখানকার উৎকৃষ্ট পানি পান করতেন।’ আনাস (রাঃ) বলেন, যখন আয়াত অবতীর্ণ হলঃ ’তোমরা তোমাদের প্রিয়বস্তু খরচ না করা পর্যন্ত কক্ষনো পুণ্য লাভ করবে না’ (সূরাহ আলে ’ইমরান ৩/৯২)। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ্ ইরশাদ করেছেনঃ ’তোমরা তোমাদের প্রিয়বস্তু খরচ না করা পর্যন্ত কক্ষনো পুণ্য লাভ করবে না’ - আর আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ হল ’বাইরুহা’ বাগান। এটিকে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে সাদাকা করে দিলাম। আমি আল্লাহর কাছে এর সাওয়াব এবং সঞ্চয় আশা করি। হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এটিকে গ্রহণ করুন, আল্লাহর ইচ্ছেয় যেখানে ব্যয় করতে আপনি ভাল মনে করেন, সেখানে ব্যয় করুন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ খুব ভাল, এটিতো লাভজনক (কিংবা বলেছেন) মুনাফা দানকারী। কথাটিতে রাবী ’আবদুল্লাহ সন্দেহ পোষণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি যা বলেছ, আমি তা শুনেছি। তবে আমি ভাল মনে করি যে, তুমি এটিকে আত্মীয়দের মাঝে বণ্টন করে দেবে। আবূ ত্বলহা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করব। এরপর আবূ ত্বলহা বাগানটি তাঁর আত্মীয়দের মধ্যে এবং তাঁর চাচাত ভাইদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন।ইসমাঈল ও ইয়াহ্ইয়া رَابِحٌ এর জায়গায় رَايِحٌ বলেছেন। [১৪৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৬)
হাদিস নং: ৫৬১২ সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري قال اخبرني انس بن مالك انه“ راى رسول الله صلى الله عليه وسلم شرب لبنا واتى داره“ فحلبت شاة فشبت لرسول الله صلى الله عليه وسلم من البىر فتناول القدح فشرب وعن يساره„ ابو بكر وعن يمينه„ اعرابي فاعطى الاعرابي فضله“ ثم قال الايمن فالايمن.
৫৬১২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাড়ীতে এসে দুধ পান করতে দেখেন। আনাস(রাঃ) বলেন, আমি একটি ছাগী দোহন করলাম এবং কূপের পানি মিশিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পেশ করলাম। তিনি পেয়ালাটি নিয়ে পান করেন। তাঁর বাঁদিকে ছিলেন আবূ বকর ও ডানদিকে ছিল এক বেদুঈন। তিনি বেদুঈনকে তাঁর অতিরিক্ত দুধ দিলেন। এরপর বললেনঃ ডান দিকের আছে অগ্রাধিকার। [২৩৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৭)
হাদিস নং: ৫৬১৩ সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد حدثنا ابو عامر حدثنا فليح بن سليمان عن سعيد بن الحارث عن جابر بن عبد الله ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل على رجل من الانصار ومعه“ صاحب له“ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ان كان عندك ماء بات هذه الليلة في شنة والا كرعنا قال والرجل يحول الماء في حاىطه„ قال فقال الرجل يا رسول الله عندي ماء باىت فانطلق الى العريش قال فانطلق بهما فسكب في قدح ثم حلب عليه من داجن له“ قال فشرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم شرب الرجل الذي جاء معه.
৫৬১৩. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক লোকের কাছে গেলেন। তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর এক সাহাবী। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারীকে বললেনঃ তোমার কাছে যদি মশকে রাখা গত রাতের পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাও। আর না থাকলে আমরা সামনে গিয়ে পান করব। রাবী বলেন, লোকটি তখন তার বাগানে পানি দিচ্ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে গত রাতের পানি আছে। আপনি কুটীরে চলুন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকটি তাঁদের দু’জনকে নিয়ে গেল এবং একটি পেয়ালায় পানি নিয়ে তাতে তার একটা বক্রীর দুধ দোহন করল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পান করলেন, তাঁর সাথে আগন্তুক লোকটিও পান করলেন। [৫৬২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৮)
হাদিস নং: ৫৬১৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا ابو اسامة، قال اخبرني هشام، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يعجبه الحلواء والعسل‏.‏
وَقَالَ الزُّهْرِيُّ لاَ يَحِلُّ شُرْبُ بَوْلِ النَّاسِ لِشِدَّةٍ تَنْزِلُ، لأَنَّهُ رِجْسٌ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: (أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ)، وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ فِي السَّكَرِ إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَجْعَلْ شِفَاءَكُمْ فِيمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ.

যুহরী (রহ.) বলেছেন, ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হলেও মানুষের পেশাব পান করা হালাল নয়। কেননা, পেশাব অপবিত্র। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদঃ ’’তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সকল পবিত্র জিনিস।’’ সূরাহ আল-মায়িদাহঃ ৪ ও ৫)

ইবনু মাস’ঊদ নেশাদ্রব্য সম্পর্কে বলেছেনঃ আল্লাহ তোমাদের উপর যে সব বস্ত্ত হারাম করেছেন তাতে তোমাদের জন্য কোন রোগমুক্তির উপাদান নেই।


৫৬১৪. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় দ্রব্য ছিল মিষ্টিদ্রব্য ও মধু। [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৯৯)
অধ্যায় তালিকা