অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৭৬/১. আল্লাহ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি।
মোট ১০৫ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৭০৩
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا حماد عن ايوب قال سمعت مجاهدا عن ابن ابي ليلى عن كعب هو ابن عجرة قال اتى علي النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية وانا اوقد تحت برمة والقمل يتناثر عن راسي فقال ايوذيك هوامك قلت نعم قال فاحلق وصم ثلاثة ايام او اطعم ستة او انسك نسيكة.
قال ايوب لا ادري بايتهن بدا.
قال ايوب لا ادري بايتهن بدا.
৫৭০৩. কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ হুদাইবিয়ার সফরকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসলেন। আমি তখন পাতিলের নীচে আগুন দিতেছিলাম, আর আমার মাথা থেকে তখন উকুন ঝরছিল। তিনি বললেনঃ তোমার উকুনগুলো তোমাকে কি খুব কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি মাথা মুড়িয়ে নাও এবং তিন দিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীন) কে খাদ্য দাও, কিংবা একটি কুরবানীর পশু যবেহ করে নাও।
আইউব (রহ.) বলেনঃ আমি বলতে পারি না, এগুলোর কোনটি তিনি প্রথমে বলেছেন। [১৮১৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৫)
আইউব (রহ.) বলেনঃ আমি বলতে পারি না, এগুলোর কোনটি তিনি প্রথমে বলেছেন। [১৮১৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৫)
হাদিস নং: ৫৭০৪
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد هشام بن عبد الملك حدثنا عبد الرحمن بن سليمان بن الغسيل حدثنا عاصم بن عمر بن قتادة قال سمعت جابرا عن النبيصلى الله عليه وسلم قال ان كان في شيء من ادويتكم شفاء ففي شرطة محجم او لذعة بنار وما احب ان اكتوي.
৫৭০৪. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যদি তোমাদের চিকিৎসাসমূহে কোনটির মধ্যে আরোগ্য থাকে, তাহলে তা আছে শিঙ্গা লাগানোতে কিংবা আগুন দ্বারা দাগ লাগানোতে, তবে আমি আগুন দিয়ে দাগ দেয়া পছন্দ করি না। [৫৬৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৬)
হাদিস নং: ৫৭০৫
সহিহ (Sahih)
عمران بن ميسرة حدثنا ابن فضيل حدثنا حصين عن عامر عن عمران بن حصين قال لا رقية الا من عين او حمة فذكرته“ لسعيد بن جبير فقال حدثنا ابن عباس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم عرضت علي الامم فجعل النبي والنبيان يمرون معهم الرهط والنبي ليس معه“ احد حتى رفع لي سواد عظيم قلت ما هذا امتي هذه„ قيل بل هذا موسى وقومه“ قيل انظر الى الافق فاذا سواد يملا الافق ثم قيل لي انظر ها هنا وها هنا في افاق السماء فاذا سواد قد ملا الافق قيل هذه„ امتك ويدخل الجنة من هولاء سبعون الفا بغير حساب ثم دخل ولم يبين لهم فافاض القوم وقالوا نحن الذين امنا بالله واتبعنا رسوله“ فنحن هم او اولادنا الذين ولدوا في الاسلام فانا ولدنا في الجاهلية فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فخرج فقال هم الذين لا يسترقون ولا يتطيرون ولا يكتوون وعلى ربهم يتوكلون فقال عكاشة بن محصن امنهم انا يا رسول الله قال نعم فقام اخر فقال امنهم انا قال سبقك بها عكاشة.
৫৭০৫. ’ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বদ-নযর কিংবা বিষাক্ত দংশন ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁক নেই। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর এ হাদীস আমি সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ আমাদের নিকট ইবনু ’আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার সামনে সকল উম্মাতকে পেশ করা হয়েছিল। তখন আমি দেখেছি) দু’একজন নবী পথ চলতে লাগলেন এমতাবস্থায় যে, তাঁদের সঙ্গে রয়েছে লোকজনের ছোট ছোট দল। কোন কোন নবী এমনও আছেন যাঁর সঙ্গে একজনও নেই। অবশেষে আমার সামনে তুলে ধরা হল বিশাল দল। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এটা কী? এ কি আমার উম্মাত? উত্তর দেয়া হলঃ না, ইনি মূসা আঃ) এবং তাঁর কওম। আমাকে বলা হলঃ আপনি ঊর্ধ্বাকাশের দিকে তাকান। তখন দেখলামঃ বিশাল একটি দল যা দিগন্তকে ঢেকে রেখেছে।
তারপর আমাকে বলা হলঃ আকাশের দিগন্তসমূহ ঢেকে দিয়েছে এমন একটি বিশাল দলের প্রতি লক্ষ্য করুন। তখন বলা হলঃ এরা হল আপনার উম্মাত। আর তাদের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে চলে গেলেন। উপস্থিতদের কাছে কথাটির কোন ব্যাখ্যা প্রদান করলেন না। যে বিনা হিসাবের লোক কারা হবে?) ফলে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হল। তারা বললঃ আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অনুসরণ করে থাকি। সুতরাং আমরাই তাদের অন্তর্ভুক্ত। কিংবা তারা হল আমাদের সে সকল সন্তান-সন্ততি যারা ইসলামের যুগে জন্মগ্রহণ করেছে। আর আমাদের জন্ম হয়েছে জাহিলী যুগে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি বেরিয়ে আসলেন এবং বললেনঃ তারা হল সে সব লোক যারা মন্ত্র পাঠ করে না, পাখির মাধ্যমে কোন কাজের ভাল-মন্দ নির্ণয় করে না এবং আগুনের সাহায্যে দাগ লাগায় না। বরং তারা তো তাদের রবের উপরই ভরসা করে থাকে। তখন উক্কাশা ইবনু মিহসান বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! তাদের মধ্যে কি আমি আছি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন আরেকজন দাঁড়িয়ে বললঃ তাদের মধ্যে কি আমিও আছি? তিনি বললেনঃ ’উক্কাশাহ এ সুযোগ তোমার আগেই নিয়ে নিয়েছে। [৩৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৭)
তারপর আমাকে বলা হলঃ আকাশের দিগন্তসমূহ ঢেকে দিয়েছে এমন একটি বিশাল দলের প্রতি লক্ষ্য করুন। তখন বলা হলঃ এরা হল আপনার উম্মাত। আর তাদের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে চলে গেলেন। উপস্থিতদের কাছে কথাটির কোন ব্যাখ্যা প্রদান করলেন না। যে বিনা হিসাবের লোক কারা হবে?) ফলে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হল। তারা বললঃ আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অনুসরণ করে থাকি। সুতরাং আমরাই তাদের অন্তর্ভুক্ত। কিংবা তারা হল আমাদের সে সকল সন্তান-সন্ততি যারা ইসলামের যুগে জন্মগ্রহণ করেছে। আর আমাদের জন্ম হয়েছে জাহিলী যুগে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি বেরিয়ে আসলেন এবং বললেনঃ তারা হল সে সব লোক যারা মন্ত্র পাঠ করে না, পাখির মাধ্যমে কোন কাজের ভাল-মন্দ নির্ণয় করে না এবং আগুনের সাহায্যে দাগ লাগায় না। বরং তারা তো তাদের রবের উপরই ভরসা করে থাকে। তখন উক্কাশা ইবনু মিহসান বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! তাদের মধ্যে কি আমি আছি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন আরেকজন দাঁড়িয়ে বললঃ তাদের মধ্যে কি আমিও আছি? তিনি বললেনঃ ’উক্কাশাহ এ সুযোগ তোমার আগেই নিয়ে নিয়েছে। [৩৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৭)
হাদিস নং: ৫৭০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني حميد بن نافع، عن زينب، عن ام سلمة ـ رضى الله عنها ـ ان امراة توفي زوجها فاشتكت عينها، فذكروها للنبي صلى الله عليه وسلم وذكروا له الكحل، وانه يخاف على عينها، فقال " لقد كانت احداكن تمكث في بيتها في شر احلاسها ـ او في احلاسها في شر بيتها ـ فاذا مر كلب رمت بعرة، فلا، اربعة اشهر وعشرا ".
فِيهِ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ.
উম্মু ’আত্বিয়্যাহ থেকেও বর্ণনা রয়েছে।
৫৭০৬. উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেলে তার চোখে অসুখ দেখা দেয়। লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে মহিলার কথা উল্লেখ করতঃ সুরমা ব্যবহারের কথা আলোচনা করল এবং তার চোখ সংকটাপন্ন বলে জানাল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একেকটি মহিলার অবস্থাতো এমন ছিল যে, তার ঘরে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাপড়ে সে থাকত কিংবা তিনি বলেছেনঃ সে তার কাপড়ে আচ্ছাদিত হয়ে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট ঘরে (বছরের পর বছর) অবস্থান করত। অতঃপর যখন কোন কুকুর হেঁটে যেত, তখন সে কুকুরটির দিকে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে (বেরিয়ে আসার অনুমতি পেত)। অতএব, সে চোখে সুরমা লাগাবে না বরং চার মাস দশ দিন সে অপেক্ষা করবে। [৫৩৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৮)
উম্মু ’আত্বিয়্যাহ থেকেও বর্ণনা রয়েছে।
৫৭০৬. উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেলে তার চোখে অসুখ দেখা দেয়। লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে মহিলার কথা উল্লেখ করতঃ সুরমা ব্যবহারের কথা আলোচনা করল এবং তার চোখ সংকটাপন্ন বলে জানাল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একেকটি মহিলার অবস্থাতো এমন ছিল যে, তার ঘরে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাপড়ে সে থাকত কিংবা তিনি বলেছেনঃ সে তার কাপড়ে আচ্ছাদিত হয়ে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট ঘরে (বছরের পর বছর) অবস্থান করত। অতঃপর যখন কোন কুকুর হেঁটে যেত, তখন সে কুকুরটির দিকে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে (বেরিয়ে আসার অনুমতি পেত)। অতএব, সে চোখে সুরমা লাগাবে না বরং চার মাস দশ দিন সে অপেক্ষা করবে। [৫৩৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৮)
হাদিস নং: ৫৭০৭
সহিহ (Sahih)
وقال عفان حدثنا سليم بن حيان حدثنا سعيد بن ميناء قال سمعت ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا عدو‘ى ولا طيرة ولا هامة ولا صفر وفر من المجذوم كما تفر من الاسد.
৫৭০৭. আফফান (রহ.) বলেন, সালীম ইবনু হাইয়ান, আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রোগের কোন সংক্রমণ নেই, কুলক্ষণ বলে কিছু নেই, পেঁচা অশুভের লক্ষণ নয়, সফর মাসের কোন অশুভ নেই। কুষ্ঠ রোগী থেকে দূরে থাক, যেভাবে তুমি বাঘ থেকে দূরে থাক। [৫৭১৭, ৫৭৫৭, ৫৭৭০, ৫৭৭৩, ৫৭৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
হাদিস নং: ৫৭০৮
সহিহ (Sahih)
محمد بن المثنى حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عبد الملك سمعت عمرو بن حريث قال سمعت سعيد بن زيد قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلميقول الكماة من المن وماوها شفاء للعين.
قال شعبة واخبرني الحكم بن عتيبة عن الحسن العرني عن عمرو بن حريث عن سعيد بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال شعبة لما حدثني به الحكم لم انكره“ من حديث عبد الملك.
قال شعبة واخبرني الحكم بن عتيبة عن الحسن العرني عن عمرو بن حريث عن سعيد بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال شعبة لما حدثني به الحكم لم انكره“ من حديث عبد الملك.
৫৭০৮. সা’ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ ছত্রাক এক প্রকারের শিশির থেকে হয়ে থাকে। আর এর রস চোখের আরোগ্যকারী। [৪৪৭৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৩)
শু’বাহ (রহ.) বলেনঃ হাকাম ইবনু উতাইবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার কাছে এরূপ বর্ণনা করেছেন। শু’বাহ (রহ.) বলেনঃ হাকাম যখন আমাকে হাদীসটি বর্ণনা করেন তখন ’আবদুল মালিক বর্ণিত হাদীসকে তিনি অগ্রাহ্য করেননি। (আধুনিক প্রকাশনী- দ্বিতীয় অংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৯)
শু’বাহ (রহ.) বলেনঃ হাকাম ইবনু উতাইবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার কাছে এরূপ বর্ণনা করেছেন। শু’বাহ (রহ.) বলেনঃ হাকাম যখন আমাকে হাদীসটি বর্ণনা করেন তখন ’আবদুল মালিক বর্ণিত হাদীসকে তিনি অগ্রাহ্য করেননি। (আধুনিক প্রকাশনী- দ্বিতীয় অংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৯)
হাদিস নং: ৫৭০৯
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسى بن ابي عاىشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعاىشة ان ابا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.
৫৭০৯-৫৭১০-৫৭১১. ইবনু ’আব্বাস ও ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ বকর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন। [১২৪১, ১২৪২, ৪৪৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)
হাদিস নং: ৫৭১০
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسى بن ابي عاىشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعاىشة ان ابا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.
৫৭০৯-৫৭১০-৫৭১১. ইবনু ’আব্বাস ও ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ বকর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন। [১২৪১, ১২৪২, ৪৪৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)
হাদিস নং: ৫৭১১
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسى بن ابي عاىشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعاىشة ان ابا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.
৫৭০৯-৫৭১০-৫৭১১. ইবনু ’আব্বাস ও ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ বকর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন। [১২৪১, ১২৪২, ৪৪৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)
হাদিস নং: ৫৭১২
সহিহ (Sahih)
قال وقالت عاىشة لددناه“ في مرضه„ فجعل يشير الينا ان لا تلدوني فقلنا كراهية المريض للدواء فلما افاق قال الم انهكم ان تلدوني قلنا كراهية المريض للدواء فقال لا يبقى في البيت احد الا لد وانا انظر الا العباس فانه“ لم يشهدكم.
৫৭১২. বর্ণনাকারী বলেন, ’আয়িশাহ (রাঃ) আরো বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসুখের সময় আমরা তাঁর মুখে ঔষধ ঢেলে দিলাম। তখন তিনি আমাদের ইঙ্গিত দিতে থাকলেন যে, তোমরা আমার মুখে ঔষধ ঢেল না। আমরা মনে করলাম, এটা ঔষধের প্রতি একজন রোগীর স্বভাবজাত অনীহা প্রকাশ মাত্র। এরপর তিনি যখন সুস্থবোধ করলেন তখন বললেনঃ আমি কি তোমাদের আমার মুখে ঔষধ ঢেলে দিতে নিষেধ করিনি? আমরা বললামঃ আমরাতো ঔষধের প্রতি রোগীর স্বভাবজাত অনীহা ভেবেছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি এখন যাদেরকে এ ঘরে দেখতে পাচ্ছি তাদের সবার মুখে ওষুধ ঢালা হবে। ’আব্বাস ছাড়া কেউ বাদ যাবে না। কেননা, তিনি তোমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন না। [৪৪৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)]
হাদিস নং: ৫৭১৩
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري اخبرني عبيد الله بن عبد الله عن ام قيس قالت دخلت بابن لي على رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد اعلقت عليه من العذرة فقال على ما تدغرن اولادكن بهذا العلاق عليكن بهذا العود الهندي فان فيه سبعة اشفية منها ذات الجنب يسعط من العذرة ويلد من ذات الجنب فسمعت الزهري يقول بين لنا اثنين ولم يبين لنا خمسة.
قلت لسفيان فان معمرا يقول اعلقت عليه قال لم يحفظ انما قال اعلقت عنه“ حفظته“ من في الزهري ووصف سفيان الغلام يحنك بالاصبع وادخل سفيان في حنكه„ انما يعني رفع حنكه„ باصبعه„ ولم يقل اعلقوا عنه“ شيىا.
قلت لسفيان فان معمرا يقول اعلقت عليه قال لم يحفظ انما قال اعلقت عنه“ حفظته“ من في الزهري ووصف سفيان الغلام يحنك بالاصبع وادخل سفيان في حنكه„ انما يعني رفع حنكه„ باصبعه„ ولم يقل اعلقوا عنه“ شيىا.
৫৭১৩. উম্মু কায়স (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম। ছেলেটির আলাজিহ্বা ফোলার কারণে আমি তা দাবিয়ে দিয়েছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ রকম রোগ-ব্যাধি দমনে তোমরা নিজেদের সন্তানদের কেন কষ্ট দিয়ে থাক? তোমরা ভারতীয় চন্দন কাঠ ব্যবহার কর। কেননা, তাতে সাত রকমের নিরাময় আছে। তার মধ্যে পাঁজরের ব্যথা বা পক্ষাঘাত রোগ অন্যতম। আলাজিহবা ফোলার কারণে এটির ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নেয়া যায়। পাঁজরের ব্যথার রুগী বা পক্ষাঘাত রুগীকে তা সেবন করানো যায়। সুফিয়ান বলেনঃ আমি যুহরীকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আমাদের কাছে দু’টির কথা বর্ণনা করেছেন। আর পাঁচটির কথা বর্ণনা করেননি।
বর্ণনাকারী ’আলী বলেনঃ আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম মা’মার স্মরণ রাখতে পারেননি। তিনি বলেছেন أَعْلَقْتُ عَلَيْهِ আর যুহরী তো বলেছেন, أَعْلَقْتُ عَنْه শব্দ দ্বারা। আমি যুহরীর মুখ থেকে শুনে মুখস্থ করেছি। আর সুফ্ইয়ানের রিওয়ায়াতে তিনি ছেলেটির অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন যে, আঙ্গুল দিয়ে তার তালু দাবিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় সুফ্ইয়ান নিজের তালুতে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে দেখিয়েছেন অর্থাৎ তিনি তাঁর আঙ্গুলের দ্বারা তালুকে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু أَعْلِقُوا عَنْه شَيْئًا এভাবে কেউই বর্ণনা করেননি। [৫৬৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯১)
বর্ণনাকারী ’আলী বলেনঃ আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম মা’মার স্মরণ রাখতে পারেননি। তিনি বলেছেন أَعْلَقْتُ عَلَيْهِ আর যুহরী তো বলেছেন, أَعْلَقْتُ عَنْه শব্দ দ্বারা। আমি যুহরীর মুখ থেকে শুনে মুখস্থ করেছি। আর সুফ্ইয়ানের রিওয়ায়াতে তিনি ছেলেটির অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন যে, আঙ্গুল দিয়ে তার তালু দাবিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় সুফ্ইয়ান নিজের তালুতে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে দেখিয়েছেন অর্থাৎ তিনি তাঁর আঙ্গুলের দ্বারা তালুকে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু أَعْلِقُوا عَنْه شَيْئًا এভাবে কেউই বর্ণনা করেননি। [৫৬৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯১)
হাদিস নং: ৫৭১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا معمر، ويونس، قال الزهري اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عاىشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قالت لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم واشتد وجعه، استاذن ازواجه في ان يمرض في بيتي، فاذن، فخرج بين رجلين، تخط رجلاه في الارض بين عباس واخر. فاخبرت ابن عباس قال هل تدري من الرجل الاخر الذي لم تسم عاىشة قلت لا. قال هو علي. قالت عاىشة فقال النبي صلى الله عليه وسلم بعد ما دخل بيتها واشتد به وجعه " هريقوا على من سبع قرب لم تحلل اوكيتهن، لعلي اعهد الى الناس ". قالت فاجلسناه في مخضب لحفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ثم طفقنا نصب عليه من تلك القرب، حتى جعل يشير الينا ان قد فعلتن. قالت وخرج الى الناس فصلى لهم وخطبهم.
৫৭১৪. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বয়স বেড়ে গেল এবং রোগ-যন্ত্রণা তীব্র আকার ধারণ করল, তখন তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে অনুমতি চাইলেন যে, তিনি যেন আমার গৃহে অসুস্থ কালীন সময় অবস্থান করতে পারেন। এরপর তাঁরা অনুমতি দিলে তিনি দু’ব্যক্তি অর্থাৎ ’আব্বাস ও আরেকজনের সাহায্যে এভাবে বেরিয়ে আসলেন যে, মাটির উপর তাঁর দু’পা হেঁচড়াতে ছিল। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি ইবনু ’আব্বাস (রাঃ)-কে হাদীসটি জানালে তিনি বলেনঃ আপনি কি জানেন, আরেক ব্যক্তি- যার নাম ’আয়িশাহ উল্লেখ করেননি, তিনি কে ছিলেন? আমি উত্তর দিলামঃ না।
তিনি বললেনঃ তিনি বলেন ’আলী। ’আয়িশাহ বলেনঃ যখন তাঁর রোগ-যন্ত্রণা আরো তীব্র হল তখন তিনি বললেন, যে সব মশ্কের মুখ এখনো খোলা হয়নি এমন সাত মশ্ক পানি আমার গায়ে ঢেলে দাও। আমি লোকজনের কাছে কিছু অসীয়ত করে আসার ইচ্ছে পোষণ করছি। তিনি বলেন, তখন আমরা তাঁকে তাঁর স্ত্রী হাফসা্ -এর একটি কাপড় কাচার জায়গায় নিয়ে গিয়ে বসালাম। এরপর তাঁর গায়ের উপর সেই মশকগুলো থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। অবশেষে তিনি আমাদের দিকে ইশারা দিলেন যে, তোমরা তোমাদের কাজ করেছ। তিনি বলেনঃ এরপর তিনি লোকজনের দিকে বেরিয়ে গেলেন। আর তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং তাদের সম্মুখে খুত্বা দিলেন। [১৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯২)
তিনি বললেনঃ তিনি বলেন ’আলী। ’আয়িশাহ বলেনঃ যখন তাঁর রোগ-যন্ত্রণা আরো তীব্র হল তখন তিনি বললেন, যে সব মশ্কের মুখ এখনো খোলা হয়নি এমন সাত মশ্ক পানি আমার গায়ে ঢেলে দাও। আমি লোকজনের কাছে কিছু অসীয়ত করে আসার ইচ্ছে পোষণ করছি। তিনি বলেন, তখন আমরা তাঁকে তাঁর স্ত্রী হাফসা্ -এর একটি কাপড় কাচার জায়গায় নিয়ে গিয়ে বসালাম। এরপর তাঁর গায়ের উপর সেই মশকগুলো থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। অবশেষে তিনি আমাদের দিকে ইশারা দিলেন যে, তোমরা তোমাদের কাজ করেছ। তিনি বলেনঃ এরপর তিনি লোকজনের দিকে বেরিয়ে গেলেন। আর তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং তাদের সম্মুখে খুত্বা দিলেন। [১৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯২)
হাদিস নং: ৫৭১৫
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله ان ام قيس بنت محصن الاسدية اسد خزيمة وكانت من المهاجرات الاول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم وهي اخت عكاشة اخبرته“ انها اتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها قد اعلقت عليه من العذرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم على ما تدغرن اولادكن بهذا العلاق عليكم بهذا العود الهندي فان فيه سبعة اشفية منها ذات الجنب يريد الكست وهو العود الهندي
وقال يونس واسحاق بن راشد عن الزهري علقت عليه.
وقال يونس واسحاق بن راشد عن الزهري علقت عليه.
৫৭১৫. ’উবাইদুল্লাহ ইবনু ’আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত। আসাদ গোত্রের অর্থাৎ আসাদে খুযাইমা গোত্রের উম্মু কায়স বিন্ত মিহসান আসাদিয়া ছিলেন প্রথম যুগের হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত, যাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন। আর তিনি ছিলেন ’উকাশাহ (রাঃ)-এর বোন। তিনি বলেছেন যে, তিনি তাঁর এক ছেলেকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসেছিলেন। ছেলেটির আলাজিহ্বা ফুলে যাওয়ার কারণে তিনি তা দাবিয়ে দিয়েছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এ সব রোগ দমনে তোমাদের সন্তানদের কেন কষ্ট দাও? তোমরা এই ভারতীয় চন্দন কাঠ সংগ্রহ করে রেখে দিও। কেননা এতে সাত রকমের আরোগ্য আছে। তার মধ্যে একটি হল পাঁজর ব্যথা। এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন কোস্ত। আর কোস্ত হল ভারতীয় চন্দন কাঠ। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৭)
ইউনুস ও ইসহাক ইবনু রাশিদ-যুহরী থেকে عَلَّقَتْ عَلَيْهِ শব্দে বর্ণনা করেছেন। [৫৬৯২] (ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৩)
ইউনুস ও ইসহাক ইবনু রাশিদ-যুহরী থেকে عَلَّقَتْ عَلَيْهِ শব্দে বর্ণনা করেছেন। [৫৬৯২] (ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৩)
হাদিস নং: ৫৭১৬
সহিহ (Sahih)
محمد بن بشار حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن قتادة عن ابي المتوكل عن ابي سعيد قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ان اخي استطلق بطنه“ فقال اسقه„ عسلا فسقاه“ فقال اني سقيته“ فلم يزده“ الا استطلاقا فقال صدق الله وكذب بطن اخيك تابعه النضر عن شعبة.
৫৭১৬. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল যে, আমার ভাইয়ের পেট খারাপ হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু সেবন করাল। এরপর বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু অসুখ আরো বাড়ছে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চায়। নযর (রহ.) শু’বাহ থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৬৮৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৪)
হাদিস নং: ৫৭১৭
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا ابراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن وغيره“ ان ابا هريرة قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا عدو‘ى ولا صفر ولا هامة فقال اعرابي يا رسول الله فما بال ابلي تكون في الرمل كانها الظباء فياتي البعير الاجرب فيدخل بينها فيجربها فقال فمن اعدى الاول.
رواه الزهري عن ابي سلمة وسنان بن ابي سنان.
رواه الزهري عن ابي سلمة وسنان بن ابي سنان.
৫৭১৭. আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রোগের কোন সংক্রমণ নেই, সফরের কোন অশুভ আলামত নেই, পেঁচার মধ্যেও কোন অশুভ আলামত নেই। তখন এক বেদুঈন বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমার উটের এ অবস্থা কেন হয়? সেগুলো যখন চারণ ভূমিতে থাকে তখন সেগুলো যেন মুক্ত হরিণের পাল। এমন অবস্থায় চর্মরোগাগ্রস্ত উট এসে সেগুলোর পালে ঢুকে পড়ে এবং এগুলোকেও চর্ম রোগে আক্রান্ত করে ফেলে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে প্রথমটিকে চর্ম রোগাক্রান্ত কে করেছে?
যুহরী হাদীসটি আবূ সালামাহ ও সিনান ইবনু আবূ সিনান (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৫৭০৭; মুসলিম ৩৯/৩৩, হাঃ ২২২০, আহমাদ ৭৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৫)
যুহরী হাদীসটি আবূ সালামাহ ও সিনান ইবনু আবূ সিনান (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৫৭০৭; মুসলিম ৩৯/৩৩, হাঃ ২২২০, আহমাদ ৭৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৫)
হাদিস নং: ৫৭১৮
সহিহ (Sahih)
محمد اخبرنا عتاب بن بشير عن اسحاق عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله ان ام قيس بنت محصن وكانت من المهاجرات الاول اللاتي بايعن رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي اخت عكاشة بن محصن اخبرته“ انها اتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها قد علقت عليه من العذرة فقال اتقوا الله على ما تدغرون اولادكم بهذه الاعلاق عليكم بهذا العود الهندي فان فيه سبعة اشفية منها ذات الجنب يريد الكست يعني القسط قال وهي لغة.
৫৭১৮. ’উবাইদুল্লাহ ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, উম্মু কায়স বিন্ত মিহসান, তিনি ছিলেন প্রথম কালের হিজরতকারিণী ’উকাশাহ ইবনু মিহসান -এর বোন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বাই’আত গ্রহণকারিণী মহিলা সাহাবী। তিনি বলেছেনঃ তিনি তাঁর এক ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আসেন। ছেলেটির আলাজিহবা ফুলে গিয়েছিল। তিনি তা দাবিয়ে দিয়েছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, কেন তোমরা তোমাদের সন্তানদের তালু দাবিয়ে কষ্ট দাও। তোমরা এই ভারতীয় চন্দন কাঠ ব্যবহার কর। কেননা, এতে রয়েছে সাত প্রকারের চিকিৎসা। তন্মধ্যে একটি হল পাঁজরের ব্যথা। কাঠ বলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উদ্দেশ্য হল কোস্ত। الْقُسْطَ শব্দেও তার আভিধানিক ব্যবহার আছে। [৫৬৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৬)
হাদিস নং: ৫৭১৯
সহিহ (Sahih)
عارم حدثنا حماد قال قريء على ايوب من كتب ابي قلابة منه“ ما حدث به„ ومنه“ ما قرى عليه وكان هذا في الكتاب عن انس ان ابا طلحة وانس بن النضر كوياه“ وكواه“ ابو طلحة بيده.
৫৭১৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ ত্বালহা ও আনাস ইবনু নাযর (রাঃ) তাকে আগুন দিয়ে দাগ দিয়েছেন। আর আবূ ত্বালহা (রাঃ) তাকে নিজ হাতে দাগ দিয়েছেন। [৫৭২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৭)
হাদিস নং: ৫৭২০
সহিহ (Sahih)
وقال عباد بن منصور عن ايوب عن ابي قلابة عن انس بن مالك قال اذن رسول الله صلى الله عليه وسلم لاهل بيت من الانصار ان يرقوا من الحمة والاذن.
৫৭২০. ’আব্বাদ ইবনু মানসূর বলেন, আইউব আবূ কিলাবাহ ...... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক পরিবারের লোকদের বিষাক্ত দংশন ও কান ব্যথার কারণে ঝাড়ফুঁক গ্রহণ করার জন্য অনুমতি দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৭)
হাদিস নং: ৫৭২১
সহিহ (Sahih)
قال انس كويت من ذات الجنب ورسول الله صلى الله عليه وسلم حي وشهدني ابو طلحة وانس بن النضر وزيد بن ثابت وابو طلحة كواني.
৫৭২১. আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমাকে পাঁজর ব্যথা রোগের কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবিত কালে আগুন দিয়ে দাগ দেয়া হয়েছিল। তখন আমার নিকট উপস্থিত ছিলেন আবূ ত্বালহা, আনাস ইবনু নাযর এবং যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিয়াল্লাহু ’আনহুম)। আর আবূ ত্বালহা (রাঃ) আমাকে দাগ দিয়েছিলেন। [৫৭১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৭)
হাদিস নং: ৫৭২২
সহিহ (Sahih)
سعيد بن عفير حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن القاري عن ابي حازم عن سهل بن سعد الساعدي قال لما كسرت على راس رسول الله صلى الله عليه وسلم البيضة وادمي وجهه“ وكسرت رباعيته“ وكان علي يختلف بالماء في المجن وجاءت فاطمة تغسل عن وجهه الدم فلما رات فاطمة عليها السلام الدم يزيد على الماء كثرة عمدت الى حصير فاحرقتها والصقتها على جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم فرقا الدم.
৫৭২২. সাহল ইবনু সা’দ সা’ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথায় লৌহ শিরস্ত্রাণ চূর্ণ করে দেয়া হল, আর তাঁর মুখমণ্ডল
রক্তাক্ত হয়ে গেল এবং তাঁর রুবাঈ দাঁত ভেঙ্গে গেল, তখন ’আলী ঢাল ভর্তি করে পানি দিতে থাকলেন এবং ফাতিমাহ এসে তাঁর চেহারা থেকে রক্ত ধুয়ে দিতে লাগলেন। ফাতিমাহ যখন দেখলেন যে, পানি ঢালার পরেও অনেক রক্ত ঝরে চলছে, তখন তিনি একটি চাটাই নিয়ে এসে তা পুড়ালেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখমের উপর ছাই লাগিয়ে দিলেন। ফলে রক্ত বন্ধ হয়ে গেল। [২৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৮)
রক্তাক্ত হয়ে গেল এবং তাঁর রুবাঈ দাঁত ভেঙ্গে গেল, তখন ’আলী ঢাল ভর্তি করে পানি দিতে থাকলেন এবং ফাতিমাহ এসে তাঁর চেহারা থেকে রক্ত ধুয়ে দিতে লাগলেন। ফাতিমাহ যখন দেখলেন যে, পানি ঢালার পরেও অনেক রক্ত ঝরে চলছে, তখন তিনি একটি চাটাই নিয়ে এসে তা পুড়ালেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখমের উপর ছাই লাগিয়ে দিলেন। ফলে রক্ত বন্ধ হয়ে গেল। [২৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৮)