অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৭৭/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘বল, ‘যে সব সৌন্দর্য-শোভামন্ডিত বস্তু ও পবিত্র জীবিকা তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কে তা হারাম করল’?’’সূরাহ আল-আ‘রাফ ৭ঃ ৩২)
মোট ১৮৭ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৮৪৩
সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن يحيى بن سعيد عن عبيد بن حنين عن ابن عباس قال لبثت سنة وانا اريد ان اسال عمر عن المراتين اللتين تظاهرتا على النبي صلى الله عليه وسلم فجعلت اهابه“ فنزل يوما منزلا فدخل الاراك فلما خرج سالته“ فقال عاىشة وحفصة ثم قال كنا في الجاهلية لا نعد النساء شيىا فلما جاء الاسلام وذكرهن الله راينا لهن بذ‘لك علينا حقا من غير ان ندخلهن في شيء من امورنا وكان بيني وبين امراتي كلام فاغلظت لي فقلت لها وانك لهناك قالت تقول هذا لي وابنتك توذي النبي صلى الله عليه وسلم فاتيت حفصة فقلت لها اني احذرك ان تعصي الله ورسوله“ وتقدمت اليها في اذاه“ فاتيت ام سلمة فقلت لها فقالت اعجب منك يا عمر قد دخلت في امورنا فلم يبق الا ان تدخل بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وازواجه„ فرددت وكان رجل من الانصار اذا غاب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وشهدته“ اتيته“ بما يكون واذا غبت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وشهد اتاني بما يكون من رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان من حول رسول الله صلى الله عليه وسلم قد استقام له“ فلم يبق الا ملك غسان بالشام كنا نخاف ان ياتينا فما شعرت الا بالانصاري وهو يقول انه“ قد حدث امر قلت له“ وما هو اجاء الغساني قال اعظم من ذاك طلق رسول الله صلى الله عليه وسلم نساءه“ فجىت فاذا البكاء من حجرهن كلها واذا النبي صلى الله عليه وسلم قد صعد في مشربة له“ وعلى باب المشربة وصيف فاتيته“ فقلت استاذن لي فاذن لي فدخلت فاذا النبي صلى الله عليه وسلم على حصير قد اثر في جنبه„ وتحت راسه„ مرفقة من ادم حشوها ليف واذا اهب معلقة وقرظ فذكرت الذي قلت لحفصة وام سلمة والذي ردت علي ام سلمة فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم فلبث تسعا وعشرين ليلة ثم نزل.
৫৮৪৩. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক বছর যাবৎ অপেক্ষায় ছিলাম যে, ’উমার (রাঃ)-এর কাছে সে দু’টি মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবো যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিরুদ্ধে জোট বদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু আমি তাঁকে খুব ভয় করে চলতাম। একদিন তিনি কোন এক স্থানে নামলেন এবং (প্রাকৃতিক প্রয়োজনে) আরাক গাছের নিকট গেলেন। যখন তিনি বেরিয়ে এলেন, আমি তাকে (সে সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ (তাঁরা হলেন) ’আয়িশাহ ও হাফসাহ (রাঃ)। এরপর তিনি বললেনঃ জাহিলী যুগে আমরা নারীদের কোন কিছু বলে গণ্যই করতাম না। যখন ইসলাম আবির্ভূত হলো এবং (কুরআনে) আল্লাহ তাদের (মর্যাদার কথা) উল্লেখ করলেন, তাতে আমরা দেখলাম যে, আমাদের উপর তাদের হক আছে এবং এতে আমাদের হস্তক্ষেপ করা চলবে না।
একদা আমার স্ত্রী ও আমার মধ্যে কিছু কথাবার্তা হচ্ছিল। সে আমার উপর শক্ত ভাষা ব্যবহার করলো। আমি তাকে বললামঃ তুমি তো সে স্থানেই। স্ত্রী বললেনঃ তুমি আমাকে এমন বলছ, অথচ তোমার কন্যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কষ্ট দিচ্ছে। এরপর আমি হাফসাহর কাছে এলাম এবং বললামঃ আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের নাফরমানী করা থেকে আমি তোমাকে সতর্ক করে দিচ্ছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কষ্ট দেয়ায় আমি হাফসার কাছেই প্রথমে আসি। এরপর আমি উম্মু সালামাহ -এর কাছে এলাম এবং তাঁকেও তেমনি বললাম। তিনি বললেনঃ তোমার প্রতি আমার বিস্ময় হে উমার! তুমি আমার সকল ব্যাপারেই হস্তক্ষেপ করছ, কিছুই বাকী রাখনি, এমনকি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারেও হস্তক্ষেপ করছ। এ কথা বলে তিনি (আমাকে) প্রত্যাখ্যান করলেন।
এক লোক ছিলেন আনসারী। তিনি যখন রসুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মজলিস থেকে দূরে থাকতেন এবং আমি উপস্থিত থাকতাম, যা কিছু হতো সে সব আমি তাঁকে গিয়ে জানাতাম। আর আমি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মজলিস থেকে অনুপস্থিত থাকতাম, আর তখন তিনি উপস্থিত থাকতেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এখানে যা কিছু ঘটতো তা এসে আমাকে জানাতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চারপাশে যারা (রাজা-সম্রাট) ছিল তাদের উপর রাসূলের কর্তৃত্ব কায়িম হয়েছিল। কেবল বাকী ছিল শামের (সিরিয়ার) গাসসান শাসক। তার আক্রমণের আমরা আশঙ্কা করতাম। হঠাৎ আনসারী যখন বললঃ এক বড় ঘটনা ঘটে গেছে। আমি তাকে বললামঃ কী সে ঘটনা! গাসসানী কি এসে পড়েছে? তিনি বললেনঃ এর চেয়েও ভয়াবহ।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সকল স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। আমি সেখানে গেলাম। দেখলাম সকল কক্ষ থেকে কান্নার শব্দ আসছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কক্ষের কুঠুরিতে অবস্থান করছেন। প্রবেশ দ্বারে অল্প বয়স্ক একজন খাদিম বসে আছে। আমি তার কাছে গেলাম এবং বললামঃ আমার জন্যে অনুমতি চাও। অনুমতি পেয়ে আমি ভিতরে ঢুকলাম। দেখলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি চাটাইয়ের উপর শুয়ে আছেন, যাতে তাঁর পার্শ্বদেশে দাগ পড়ে গেছে। তাঁর মাথার নীচে চামড়ার একটি বালিশ, তার ভেতরে রয়েছে খেজুর গাছের ছাল। কয়েকটি চামড়া ঝুলানো রয়েছে এবং বিশেষ গাছের পাতা। এরপর হাফসাহ ও উম্মু সালামাকে আমি যা বলেছিলাম এবং উম্মু সালামাহ আমাকে যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, সে সব আমি তাঁর কাছে ব্যক্ত করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন। তিনি ঊনত্রিশ রাত সেখানে থাকার পর নামলেন। [৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৩)
একদা আমার স্ত্রী ও আমার মধ্যে কিছু কথাবার্তা হচ্ছিল। সে আমার উপর শক্ত ভাষা ব্যবহার করলো। আমি তাকে বললামঃ তুমি তো সে স্থানেই। স্ত্রী বললেনঃ তুমি আমাকে এমন বলছ, অথচ তোমার কন্যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কষ্ট দিচ্ছে। এরপর আমি হাফসাহর কাছে এলাম এবং বললামঃ আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের নাফরমানী করা থেকে আমি তোমাকে সতর্ক করে দিচ্ছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কষ্ট দেয়ায় আমি হাফসার কাছেই প্রথমে আসি। এরপর আমি উম্মু সালামাহ -এর কাছে এলাম এবং তাঁকেও তেমনি বললাম। তিনি বললেনঃ তোমার প্রতি আমার বিস্ময় হে উমার! তুমি আমার সকল ব্যাপারেই হস্তক্ষেপ করছ, কিছুই বাকী রাখনি, এমনকি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারেও হস্তক্ষেপ করছ। এ কথা বলে তিনি (আমাকে) প্রত্যাখ্যান করলেন।
এক লোক ছিলেন আনসারী। তিনি যখন রসুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মজলিস থেকে দূরে থাকতেন এবং আমি উপস্থিত থাকতাম, যা কিছু হতো সে সব আমি তাঁকে গিয়ে জানাতাম। আর আমি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মজলিস থেকে অনুপস্থিত থাকতাম, আর তখন তিনি উপস্থিত থাকতেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এখানে যা কিছু ঘটতো তা এসে আমাকে জানাতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চারপাশে যারা (রাজা-সম্রাট) ছিল তাদের উপর রাসূলের কর্তৃত্ব কায়িম হয়েছিল। কেবল বাকী ছিল শামের (সিরিয়ার) গাসসান শাসক। তার আক্রমণের আমরা আশঙ্কা করতাম। হঠাৎ আনসারী যখন বললঃ এক বড় ঘটনা ঘটে গেছে। আমি তাকে বললামঃ কী সে ঘটনা! গাসসানী কি এসে পড়েছে? তিনি বললেনঃ এর চেয়েও ভয়াবহ।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সকল স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। আমি সেখানে গেলাম। দেখলাম সকল কক্ষ থেকে কান্নার শব্দ আসছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কক্ষের কুঠুরিতে অবস্থান করছেন। প্রবেশ দ্বারে অল্প বয়স্ক একজন খাদিম বসে আছে। আমি তার কাছে গেলাম এবং বললামঃ আমার জন্যে অনুমতি চাও। অনুমতি পেয়ে আমি ভিতরে ঢুকলাম। দেখলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি চাটাইয়ের উপর শুয়ে আছেন, যাতে তাঁর পার্শ্বদেশে দাগ পড়ে গেছে। তাঁর মাথার নীচে চামড়ার একটি বালিশ, তার ভেতরে রয়েছে খেজুর গাছের ছাল। কয়েকটি চামড়া ঝুলানো রয়েছে এবং বিশেষ গাছের পাতা। এরপর হাফসাহ ও উম্মু সালামাকে আমি যা বলেছিলাম এবং উম্মু সালামাহ আমাকে যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, সে সব আমি তাঁর কাছে ব্যক্ত করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন। তিনি ঊনত্রিশ রাত সেখানে থাকার পর নামলেন। [৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৩)
হাদিস নং: ৫৮৪৪
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد حدثنا هشام اخبرنا معمر عن الزهري اخبرتني هند بنت الحارث عن ام سلمة قالت استيقظ النبي صلى الله عليه وسلم من الليل وهو يقول لا اله الا الله ماذا انزل الليلة من الفتنة ماذا انزل من الخزاىن من يوقظ صواحب الحجرات كم من كاسية في الدنيا عارية يوم القيامة قال الزهري وكانت هند لها ازرار في كميها بين اصابعها.
৫৮৪৪. উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন। তখন তিনি বলছিলেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, কত যে ফিতনা এ রাতে অবতীর্ণ হয়েছে। আরও কত যে ফিতনা অবতীর্ণ হয়েছে, কে আছে এমন যে, এ কক্ষবাসীগণকে ঘুম থেকে জাগ্রত করবে। পৃথিবীতে এমন অনেক পোশাক পরিহিতা মহিলাও আছে যারা কিয়ামতের দিন বিবস্ত্র থাকবে। যুহরী (রহ.) বলেন, হিন্দ বিন্ত হারিস-এর জামার আস্তিনদ্বয়ের বুতাম লাগানো ছিল। [১১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৪)
হাদিস নং: ৫৮৪৫
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا اسحاق بن سعيد بن عمرو بن سعيد بن العاص قال حدثني ابي قال حدثتني ام خالد بنت خالد قالت اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء قال من ترون نكسوها هذه الخميصة فاسكت القوم قال اىتوني بام خالد فاتي بي النبي صلى الله عليه وسلم فالبسنيها بيده„ وقال ابلي واخلقي مرتين فجعل ينظر الى علم الخميصة ويشير بيده„ الي ويقول يا ام خالد هذا سنا ويا ام خالد هذا سنا والسنا بلسان الحبشية الحسن قال اسحاق حدثتني امراة من اهلي انها راته“ على ام خالد.
৫৮৪৫. খালিদের কন্যা উম্মু খালিদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু কাপড় আনা হয়। তাতে একটি নকশাওয়ালা কালো চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমি এ চাদরটি কাকে পরাব এ সম্পর্কে তোমাদের অভিমত কী? সবাই চুপ থাকল। তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। সুতরাং তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে আসা হলো। তিনি নিজ হাতে তাঁকে ঐ চাদর পরিয়ে দিয়ে বললেনঃ পুরাতন কর ও দীর্ঘদিন ব্যবহার কর। তারপর তিনি চাদরের নক্শার দিকে তাকাতে লাগলেন এবং হাতের দ্বারা আমাকে ইশারা করে বলতে থাকলেনঃ হে উম্মু খালিদ! এ সানা। হাবশী ভাষায় ’সানা’ অর্থ সুন্দর।
ইসহাক (রহ.) বলেনঃ আমার পরিবারের এক স্ত্রীলোক আমাকে বলেছে, সে ঐ চাদর উম্মু খালিদের পরনে দেখেছে। [৩০৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৫)
ইসহাক (রহ.) বলেনঃ আমার পরিবারের এক স্ত্রীলোক আমাকে বলেছে, সে ঐ চাদর উম্মু খালিদের পরনে দেখেছে। [৩০৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৫)
হাদিস নং: ৫৮৪৬
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا عبد الوارث عن عبد العزيز عن انس قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يتزعفر الرجل.
৫৮৪৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদের জাফরানী রং-এর কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৭/২৩, হাঃ ২১০১, আহমাদ ১২৯৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৬)
হাদিস নং: ৫৮৪৭
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا سفيان عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بورس او بزعفران.
৫৮৪৭. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন, মুহরিম যেন ওয়ারস্ ঘাসের কিংবা জাফরানের রং দ্বারা রঙানো কাপড় না পরে। [১৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৭)
হাদিস নং: ৫৮৪৮
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن ابي اسحاق سمع البراء يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم مربوعا وقد رايته“ في حلة حمراء ما رايت شيىا احسن منه.
৫৮৪৮. বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মাঝারি আকৃতির। আমি তাঁকে লাল হুল্লা পরা অবস্থায় দেখেছি। তাঁর চেয়ে অধিক সুন্দর আর কিছু আমি দেখিনি। [৩৫৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৮)
হাদিস নং: ৫৮৪৯
সহিহ (Sahih)
قبيصة حدثنا سفيان عن اشعث عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء قال امرنا النبي صلى الله عليه وسلم بسبع عيادة المريض واتباع الجناىز وتشميت العاطس ونهانا عن سبع عن لبس الحرير والديباج والقسي والاستبرق والمياثر الحمر.
৫৮৪৯. বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাতটি বিষয়ের নির্দেশ দিয়েছেনঃ রোগীর শুশ্রুষা, জানাযায় শরীক হওয়া এবং হাঁচিদাতার জবাব দান।[1] আর তিনি আমাদের সাতটি হতে নিষেধ করেছেনঃ রেশমী বস্ত্র, মিহিন রেশমী বস্ত্র, রেশম মিশ্রিত কাতান বস্ত্র, মোটা বস্ত্র এবং লাল ’মীসারা’ বস্ত্র পরিধান করতে। [১২৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩১৯)
নোট: [1] অর্থাৎ হাঁচিদাতা ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বললে জবাবে ‘ইয়ারহামু কাল্লাহ’ বলা। এখানে তিনটির উল্লেখ আছে, অন্য হাদীস থেকে জানা যায় বাকী চারটি হলঃ দা’ওয়াত গ্রহণ করা, সালামের জবাব দেয়া, অত্যাচারিত ব্যক্তিকে সাহায্য করা ও কসমকারীকে মুক্ত করা।
হাদিস নং: ৫৮৫০
সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن سعيد ابي مسلمة قال سالت انسا اكان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في نعليه قال نعم.
৫৮৫০. আবূ মাসলামা সা’ঈদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’না’লাই’[1] পায়ে রেখে সালাত আদায় করেছেন কি? তিনি বলেছেনঃ হ্যাঁ। [৩৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২০)
নোট: [1] বিশেষ এক ধরনের সেন্ডেল।
হাদিস নং: ৫৮৫১
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن سعيد المقبري عن عبيد بن جريج انه“ قال لعبد الله بن عمر رايتك تصنع اربعا لم ار احدا من اصحابك يصنعها قال ما هي يا ابن جريج قال رايتك لا تمس من الاركان الا اليمانيين ورايتك تلبس النعال السبتية ورايتك تصبغ بالصفرة ورايتك اذا كنت بمكة اهل الناس اذا راوا الهلال ولم تهل انت حتى كان يوم التروية فقال له“ عبد الله بن عمر اما الاركان فاني لم ار رسول الله صلى الله عليه وسلم يمس الا اليمانيين واما النعال السبتية فاني رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبس النعال التي ليس فيها شعر ويتوضا فيها فانا احب ان البسها واما الصفرة فاني رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبغ بها فانا احب ان اصبغ بها واما الاهلال فاني لم ار رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل حتى تنبعث به„ راحلته.
৫৮৫১. ’উবায়দ ইবনু জুরাইজ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ)-কে বলেনঃ আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করতে দেখেছি, যা আপনার সঙ্গীদের মধ্যে কাউকে করতে দেখিনি। তিনি বললেনঃ সেগুলো কী, হে ইবনু জুরাইজ? তিনি বললেনঃ আমি দেখেছি আপনি তাওয়াফ করার সময় (কা’বার) রু’কনগুলোর মধ্য হতে ইয়ামানী দু’টো রুকন ব্যতীত অন্যগুলোকে স্পর্শ করেন না। আমি দেখেছি, আপনি পশমহীন চামড়ার জুতা পরিধান করেন। আমি দেখেছি আপনি হলুদ রঙের কাপড় পরেন এবং যখন আপনি মক্কায় ছিলেন তখন দেখেছি, অন্য লোকেরা (যিলহাজ্জের) চাঁদ দেখেই ইহরাম বাঁধতো, আর আপনি তালবিয়ার দিন (অর্থাৎ আট তারিখ) না আসা পর্যন্ত ইহরাম বাঁধতেন না।
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ আরকান সম্পর্কে কথা এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ইয়ামানী দু’টি রুকন ছাড়া অন্য কোনটি স্পর্শ করতে দেখিনি। আর পশমহীন চামড়ার জুতার ব্যাপার হলো, আমি দেখেছি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন জুতা পরতেন, যাতে কোন পশম থাকতো না এবং তিনি জুতা পরা অবস্থাতেই অযূ করতেন (অর্থাৎ পা ধুতেন)। তাই আমি সে রকম জুতা পরতেই পছন্দ করি। আর হলুদ বর্ণের কথা হলো, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রং দিয়ে রঙিণ করতে দেখেছি। সুতরাং আমিও এর দ্বারাই রং করতে ভালবাসি। আর ইহরাম সম্পর্কে কথা এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাহনে হাজ্জের কাজ আরম্ভ করার জন্যে উঠার আগে ইহরাম বাঁধতে দেখিনি। [১৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২১)
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ আরকান সম্পর্কে কথা এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ইয়ামানী দু’টি রুকন ছাড়া অন্য কোনটি স্পর্শ করতে দেখিনি। আর পশমহীন চামড়ার জুতার ব্যাপার হলো, আমি দেখেছি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন জুতা পরতেন, যাতে কোন পশম থাকতো না এবং তিনি জুতা পরা অবস্থাতেই অযূ করতেন (অর্থাৎ পা ধুতেন)। তাই আমি সে রকম জুতা পরতেই পছন্দ করি। আর হলুদ বর্ণের কথা হলো, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রং দিয়ে রঙিণ করতে দেখেছি। সুতরাং আমিও এর দ্বারাই রং করতে ভালবাসি। আর ইহরাম সম্পর্কে কথা এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাহনে হাজ্জের কাজ আরম্ভ করার জন্যে উঠার আগে ইহরাম বাঁধতে দেখিনি। [১৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২১)
হাদিস নং: ৫৮৫২
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران او ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما اسفل من الكعبين.
৫৮৫২. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন, ইহরাম বাঁধা ব্যক্তি যেন জাফরান কিংবা ওয়ার্স ঘাস দ্বারা রং করা কাপড় না পরে। তিনি বলেছেনঃ যার জুতা নেই, সে যেন মোজা পরে এবং পায়ের গোড়ালির নীচ থেকে (মোজার উপরের অংশ) কেটে ফেলে। [১৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২২)
হাদিস নং: ৫৮৫৩
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار عن جابر بن زيد عن ابن عباس قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من لم يكن له“ ازار فليلبس السراويل ومن لم يكن له“ نعلان فليلبس خفين.
৫৮৫৩. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মুহরিম অবস্থায়) যে লোকের ইযার নেই, সে যেন পায়জামা পরে, আর যার জুতা নেই, সে যেন মোজা পরে। [১৭৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৩)
হাদিস নং: ৫৮৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا شعبة، قال اخبرني اشعث بن سليم، سمعت ابي يحدث، عن مسروق، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحب التيمن في طهوره وترجله وتنعله.
৫৮৫৪. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পবিত্রতা লাভ করতে, মাথা আঁচড়াতে ও জুতা পায়ে দিতে ডান দিক থেকে আরম্ভ করা পছন্দ করতেন। [১৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৪)
হাদিস নং: ৫৮৫৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اذا انتعل احدكم فليبدا باليمين واذا نزع فليبدا بالشمال ليكن اليمنى اولهما تنعل واخرهما تنزع.
৫৮৫৫. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ জুতা পরে তখন সে যেন ডান দিক থেকে শুরু করে, আর যখন খোলে তখন সে যেন বাম দিকে শুরু করে, যাতে পরার সময় উভয় পায়ের মধ্যে ডান পা প্রথমে হয় এবং খোলার সময় শেষে হয়। [মুসলিম ৩৭/১৯, হাঃ ২০৯৭, আহমাদ ৭১৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৫)
হাদিস নং: ৫৮৫৬
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمشي احدكم في نعل واحدة ليحفهما جميعا او لينعلهما جميعا.
৫৮৫৬. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এক পায়ে জুতা পরে না হাঁটে। হয় দু’পা-ইখোলা রাখবে অথবা দু’ পায়ে পরবে। [মুসলিম ৩৭/১৯, হাঃ ২০৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৬)
হাদিস নং: ৫৮৫৭
সহিহ (Sahih)
حجاج بن منهال حدثنا همام عن قتادة حدثنا انس ان نعل النبي صلى الله عليه وسلم كان لها قبالان.
৫৮৫৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চপ্পলে দু’টো করে ফিতা ছিল। [৫৮৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৭)
হাদিস নং: ৫৮৫৮
সহিহ (Sahih)
محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا عيسى بن طهمان قال خرج الينا انس بن مالك بنعلين لهما قبالان فقال ثابت البناني هذه„ نعل النبي صلى الله عليه وسلم.
৫৮৫৮. ’ঈসা ইবনু তাহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। একবার আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এমন দু’টো চপ্পল আমাদের কাছে আনলেন যার দু’টো করে ফিতা ছিল। তখন সাবিত বুনানী বললেনঃ এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চপ্পল ছিল। [৫৮৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৮)
হাদিস নং: ৫৮৫৯
সহিহ (Sahih)
محمد بن عرعرة قال حدثني عمر بن ابي زاىدة عن عون بن ابي جحيفة عن ابيه قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو في قبة حمراء من ادم ورايت بلالا اخذ وضوء النبي صلى الله عليه وسلم والناس يبتدرون الوضوء فمن اصاب منه“ شيىا تمسح به„ ومن لم يصب منه“ شيىا اخذ من بلل يد صاحبه.
৫৮৫৯. ’আওনের পিতা (ওয়াহব ইবনু ’আবদুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তখন তিনি একটি লাল রঙের চামড়ার তাঁবুতে ছিলেন। আর বিলালকে দেখলাম তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অযুর পানি উঠিয়ে দিচ্ছেন এবং লোকজন অযুর পানি নেয়ার জন্য দৌড়াদৌড়ি করছে। যে তাত্থেকে কিছু পায়, সে তা মেখে নেয়। আর যে সেখান হতে কিছু পায় না, সে তার সাথীর ভিজা হাত হতে কিছু গ্রহণ করে। [১৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৯)
হাদিস নং: ৫৮৬০
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري اخبرني انس بن مالك وقال الليث حدثني يونس عن ابن شهاب قال اخبرني انس بن مالك قال ارسل النبي صلى الله عليه وسلم الى الانصار وجمعهم في قبة من ادم.
৫৮৬০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের নিকট সংবাদ প্রেরণ করেন এবং তাদের চামড়ার একটি তাঁবুতে জমায়েত করেন। [৩১৪৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩০)
হাদিস নং: ৫৮৬১
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن ابي بكر، حدثنا معتمر، عن عبيد الله، عن سعيد بن ابي سعيد، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يحتجر حصيرا بالليل فيصلي، ويبسطه بالنهار فيجلس عليه، فجعل الناس يثوبون الى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فيصلون بصلاته حتى كثروا فاقبل فقال " يا ايها الناس خذوا من الاعمال ما تطيقون، فان الله لا يمل حتى تملوا، وان احب الاعمال الى الله ما دام وان قل ".
৫৮৬১. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা চাটাই দিয়ে ঘেরাও দিয়ে সালাত আদায় করতেন। আর দিনের বেলা তা বিছিয়ে তার উপর বসতেন। লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট একত্রিত হয়ে তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করতে লাগল। এমনকি বহু লোক একত্রিত হল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উদ্দেশে বললেনঃ হে লোক সকল! তোমরা ’আমল করতে থাক তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী। কারণ, আল্লাহ তা’আলা ক্লান্ত হন না, বরং তোমরাই ক্লান্ত হয়ে পড়বে। আর আল্লাহর নিকট ঐ ’আমল সবচেয়ে প্রিয়, যা সর্বদা করা হয়, তা কম হলেও। [৭২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩১)
হাদিস নং: ৫৮৬২
সহিহ (Sahih)
وقال الليث حدثني ابن ابي مليكة عن المسور بن مخرمة ان اباه“ مخرمة قال له“ يا بني انه“ بلغني ان النبي صلى الله عليه وسلم قدمت عليه اقبية فهو يقسمها فاذهب بنا اليه فذهبنا فوجدنا النبي صلى الله عليه وسلم في منزله„ فقال لي يا بني ادع لي النبي صلى الله عليه وسلم فاعظمت ذ‘لك فقلت ادعو لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا بني انه“ ليس بجبار فدعوته“ فخرج وعليه قباء من ديباج مزرر بالذهب فقال يا مخرمة هذا خباناه“ لك فاعطاه“ اياه.
৫৮৬২. মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তার পিতা মাখরামাহ একদা) তাকে বললেনঃ হে প্রিয় বৎস! আমার কাছে খবর এসেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু কাবা এসেছে। তিনি সেগুলো বণ্টন করছেন। চলো আমরা তাঁর কাছে যাই। আমরা গেলাম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাসগৃহে পেলাম। আমাকে (আমার পিতা) বললেনঃ বৎস! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমার কাছে ডাক। আমার নিকট কাজটি অতি কঠিন বলে মনে হল। আমি বললামঃ আপনার কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ডাকবো? তিনি বললেনঃ বৎস, তিনি তো কঠোর স্বভাবের লোক নন। যা হোক, আমি তাঁকে ডাকলাম। তিনি বেরিয়ে এলেন। তাঁর গায়ে তখন স্বর্ণের বোতাম লাগান মিহি রেশমী কাপড়ের কাবা ছিল। তিনি বললেনঃ হে মাখরামাহ! এটা আমি তোমার জন্যে সংরক্ষণ করেছিলাম। এরপর তিনি ওটা তাকে দিয়ে দিলেন।[1][২৫৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
নোট: [1] সম্ভবতঃ এটি পুরুষের জন্য রেশম হারাম হওয়ার পূর্বের ঘটনা।