অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৯৭/১. আল্লাহর তাওহীদের দিকে উম্মাতের প্রতি নাবী...
মোট ১৯৩ টি হাদিস
হাদিস নং: ৭৩৯১
সহিহ (Sahih)
سعيد بن سليمان عن ابن المبارك عن موسى بن عقبة عن سالم عن عبد الله قال اكثر ما كان النبي صلى الله عليه وسلم يحلف لا ومقلب القلوب
৭৩৯১. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় কসম করতেন এ কথা বলে- না, তাঁর কসম, যিনি অন্তরসমূহ পরিবর্তন করে দেন। [৬৬১৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৭)
হাদিস নং: ৭৩৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان لله تسعة وتسعين اسما ماىة الا واحدا، من احصاها دخل الجنة ". (احصيناه) حفظناه.
قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: ذُو الْجَلاَلِ الْعَظَمَةِ الْبَرُّ اللَّطِيفُ
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ ذُو الْجَلاَلِ -এর অর্থ মহানত্বের মালিক, الْبَرُّ এর অর্থ দয়ালু।
৭৩৯২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার নিরানব্বইটি এক কম একশ’টি নাম আছে।[1] যে ব্যক্তি এগুলো মুখস্থ করে রাখবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। أَحْصَيْنَاهُ -এর অর্থ حَفِظْنَاهُ অর্থাৎ আমরা একে মুখস্থ করলাম। [২৭৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৮)
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ ذُو الْجَلاَلِ -এর অর্থ মহানত্বের মালিক, الْبَرُّ এর অর্থ দয়ালু।
৭৩৯২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার নিরানব্বইটি এক কম একশ’টি নাম আছে।[1] যে ব্যক্তি এগুলো মুখস্থ করে রাখবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। أَحْصَيْنَاهُ -এর অর্থ حَفِظْنَاهُ অর্থাৎ আমরা একে মুখস্থ করলাম। [২৭৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৮)
নোট: [1] কেউ কেউ এ হাদীস থেকে প্রমাণ গ্রহণ করেন যে, আল্লাহ তা‘আলার নামের সংখ্যা শুধু মাত্র ৯৯টি। অথচ হাদীসের বর্ণনা থেকে এমনটি বুঝা যায় না। বরং এ ৯৯টি ছাড়াও আল্লাহ তা‘আলার অনেক নাম রয়েছে। তার প্রমাণ রসূল (সাঃ) বলেন :
أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ أَوْ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ
হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ, ইবনু হিববান ও হাকেম। হাদীসটি সহীহ।
সুতরাং তিনি যা তার ইলমে গায়েবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন তা করো পক্ষে সীমাবদ্ধ করা সম্ভব নয়।
সুতরাং উল্লেখিত হাদীস এ সংখ্যায় সীমাবদ্ধ করার প্রমাণ বহন করে না। যদি সীমাবদ্ধতা উদ্দেশ্য হতো তবে বর্ণনাভঙ্গি হত এমন إن أسماء الله تسعة وتسعون اسما من أحصاها دخل الجنة
যেমন কেউ যদি বলে, আমার কাছে একশত টাকা আছে যা আমি সাদাকা করার জন্য প্রস্ত্তত করে রেখেছি্। এর অর্থ এটা নয় যে, তার কাছে আর অন্য কোন টাকা নেই। বরং তার কাছে টাকা আছে। কিন্তু ওগুলো সাদাকার জন্য প্রস্ত্তত করেনি। সাদাকার জন্য শুধুমাত্র এ একশত টাকাই প্রস্ত্তত করেছে।
সুতরাং হাদীসটির অর্থ হচ্ছে : আল্লাহ তা‘আলার অসংখ্য নামের মধ্য থেকে এ ৯৯টি (নামের) সংখ্যার ফযীলত হলো: যে ব্যক্তি এগুলো গণনা করবে, হিফাযাত করবে এবং নামের চাহিদা মোতাবেক আমল করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বিস্তারিত দেখুন ’’ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালেহ আল উসাইমীনের القواعد المثلى في صفات الله وأسمائه الحسنى গ্রন্থে, ফাতহুল বারী ও ফাতাওয়ায়ে ইমাম ইবনে তাইমিয়ার ৬ নং খন্ড ৩৮২ পৃঃ ও ৩৭৯ পৃঃ)
أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ أَوْ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ
হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ, ইবনু হিববান ও হাকেম। হাদীসটি সহীহ।
সুতরাং তিনি যা তার ইলমে গায়েবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন তা করো পক্ষে সীমাবদ্ধ করা সম্ভব নয়।
সুতরাং উল্লেখিত হাদীস এ সংখ্যায় সীমাবদ্ধ করার প্রমাণ বহন করে না। যদি সীমাবদ্ধতা উদ্দেশ্য হতো তবে বর্ণনাভঙ্গি হত এমন إن أسماء الله تسعة وتسعون اسما من أحصاها دخل الجنة
যেমন কেউ যদি বলে, আমার কাছে একশত টাকা আছে যা আমি সাদাকা করার জন্য প্রস্ত্তত করে রেখেছি্। এর অর্থ এটা নয় যে, তার কাছে আর অন্য কোন টাকা নেই। বরং তার কাছে টাকা আছে। কিন্তু ওগুলো সাদাকার জন্য প্রস্ত্তত করেনি। সাদাকার জন্য শুধুমাত্র এ একশত টাকাই প্রস্ত্তত করেছে।
সুতরাং হাদীসটির অর্থ হচ্ছে : আল্লাহ তা‘আলার অসংখ্য নামের মধ্য থেকে এ ৯৯টি (নামের) সংখ্যার ফযীলত হলো: যে ব্যক্তি এগুলো গণনা করবে, হিফাযাত করবে এবং নামের চাহিদা মোতাবেক আমল করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বিস্তারিত দেখুন ’’ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালেহ আল উসাইমীনের القواعد المثلى في صفات الله وأسمائه الحسنى গ্রন্থে, ফাতহুল বারী ও ফাতাওয়ায়ে ইমাম ইবনে তাইমিয়ার ৬ নং খন্ড ৩৮২ পৃঃ ও ৩৭৯ পৃঃ)
হাদিস নং: ৭৩৯৩
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله حدثني مالك عن سعيد بن ابي سعيد المقبري عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا جاء احدكم فراشه فلينفضه بصنفة ثوبه ثلاث مرات وليقل باسمك رب وضعت جنبي وبك ارفعه ان امسكت نفسي فاغفر لها وان ارسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين
تابعه يحيى وبشر بن المفضل عن عبيد الله عن سعيد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وزاد زهير وابو ضمرة واسماعيل بن زكرياء عن عبيد الله عن سعيد عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ورواه ابن عجلان عن سعيد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
تابعه يحيى وبشر بن المفضل عن عبيد الله عن سعيد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وزاد زهير وابو ضمرة واسماعيل بن زكرياء عن عبيد الله عن سعيد عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ورواه ابن عجلان عن سعيد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
৭৩৯৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা কেউ বিছানায় গেলে তখন যেন সে তার কাপড়ের আঁচল দিয়ে তা তিনবার ঝেড়ে নেয়। আর বলে, হে আমার প্রতিপালক! একমাত্র তোমারই নামে আমার শরীরের পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমারই সাহায্যে আবার তা উঠাব। তুমি যদি আমার জীবন আটকে রাখ, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবে। আর যদি তা ফিরিয়ে দাও, তাহলে তোমার নেককার বান্দাদেরকে যেভাবে হিফাযত কর, সেভাবে তার হিফাযাত করবে।
ইয়াহ্ইয়া ও বিশর ইবনু মুফাদ্দাল (রহ.) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসেরই অনুকরণে বর্ণনা করেছেন। যুহায়র, আবূ যামরাহ, ইসমা’ঈল ইবনু যাকারীয়্যা (রহ.) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু আজলান (রহ.) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। [৬৩২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৯)
ইয়াহ্ইয়া ও বিশর ইবনু মুফাদ্দাল (রহ.) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসেরই অনুকরণে বর্ণনা করেছেন। যুহায়র, আবূ যামরাহ, ইসমা’ঈল ইবনু যাকারীয়্যা (রহ.) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু আজলান (রহ.) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। [৬৩২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৯)
হাদিস নং: ৭৩৯৪
সহিহ (Sahih)
مسلم حدثنا شعبة عن عبد الملك عن ربعي عن حذيفة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اوى الى فراشه قال اللهم باسمك احيا واموت واذا اصبح قال الحمد لله الذي احيانا بعد ما اماتنا واليه النشور
৭৩৯৪. হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আপন বিছানায় যেতেন, তখন বলতেন- হে আল্লাহ্! আমি তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি, আবার তোমারই নামে জীবিত হই। আবার ভোর হলে বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর (ঘুমের) পর জীবিত করেছেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। [৬৩২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯০)
হাদিস নং: ৭৩৯৫
সহিহ (Sahih)
سعد بن حفص حدثنا شيبان عن منصور عن ربعي بن حراش عن خرشة بن الحر عن ابي ذر قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اخذ مضجعه من الليل قال باسمك نموت ونحيا فاذا استيقظ قال الحمد لله الذي احيانا بعد ما اماتنا واليه النشور
৭৩৯৫. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে যখন তাঁর বিছানায় যেতেন তখন বলতেনঃ আমরা তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি ও জীবিত হই এবং তিনি যখন জাগতেন তখন বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবিত করেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। [৬৩২৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯১)
হাদিস নং: ৭৩৯৬
সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن منصور عن سالم عن كريب عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو ان احدكم اذا اراد ان ياتي اهله فقال باسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فانه ان يقدر بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان ابدا
৭৩৯৬. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর সাতে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা করে এবং সে বলে আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ্! আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যে রিযিক দেন তাত্থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং উভয়ের মাধ্যমে যদি কোন সন্তান নির্ধারণ করা হয় তাহলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারে না।[1] [১৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯২)
নোট: [1] হাদীসে উল্লেখিত এই শেষোক্ত আযাবেই বিশ্বব্যাপী মুসলিমরা আজ পিষ্ট হচ্ছে। তারা বিভিন্ন মাযহাব, বিভিন্ন তরীকা, বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে হিংসা বিদ্বেষ ও হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়ায় ইয়াহূদ-নাসারা, মুশরিক মুনাফিকরা সর্বত্র মুসলিমদেরকে গোলামে পরিণত করছে। মুসলিমরা ও আই সি গঠন করেছে কিন্তু ও আই সির অবস্থা হচ্ছে-تحسبهم جميع وقلوبهم شتى - মনে করছ তারা একত্রিত, কিন্তু তাদের অন্তরগুলো ভিন্ন ভিন্ন- ঐক্যহীন।
হাদিস নং: ৭৩৯৭
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة حدثنا فضيل عن منصور عن ابراهيم عن همام عن عدي بن حاتم قال سالت النبي صلى الله عليه وسلم قلت ارسل كلابي المعلمة قال اذا ارسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فامسكن فكل واذا رميت بالمعراض فخزق فكل
৭৩৯৭. ’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম- আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ছেড়ে দেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তুমি আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলো ছেড়ে দাও এবং যদি সে কোন শিকার ধরে আনে, তাহলে তা খাও। আর যদি তীক্ষ্ম তীর নিক্ষেপ কর এবং এতে যদি শিকারের দেহ ফেড়ে দেয়, তবে তা খাও। [১৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৩)
হাদিস নং: ৭৩৯৮
সহিহ (Sahih)
يوسف بن موسى حدثنا ابو خالد الاحمر قال سمعت هشام بن عروة يحدث عن ابيه عن عاىشة قالت قالوا يا رسول الله ان ها هنا اقواما حديث عهدهم بشرك ياتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها ام لا قال اذكروا انتم اسم الله وكلوا
تابعه محمد بن عبد الرحمن والدراوردي واسامة بن حفص
تابعه محمد بن عبد الرحمن والدراوردي واسامة بن حفص
৭৩৯৮. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এখানে এমন কতকগুলো সম্প্রদায় আছে, যারা সবে মাত্র শি্রক ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। তারা আমাদের জন্য গোশ্ত নিয়ে আসে। সেগুলো যবাই করার কালে তারা আল্লাহর নাম নেয় কিনা তা আমরা জানি না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে নেবে এবং তা খাবে। এ হাদীস বর্ণনায় আবূ খালিদ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু ’আবদুর রহমান, দায়াওয়ার্দী এবং উসামাহ ইবনু হাফ্স। [৫০৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৪)
হাদিস নং: ৭৩৯৯
সহিহ (Sahih)
حفص بن عمر حدثنا هشام عن قتادة عن انس قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين يسمي ويكبر
৭৩৯৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিস্মিল্লাহ্ পড়ে এবং তাকবীর বলে দু’টি ভেড়া কুরবানী করেছেন। [৫৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৫)
হাদিস নং: ৭৪০০
সহিহ (Sahih)
حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الاسود بن قيس عن جندب انه شهد النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر صلى ثم خطب فقال من ذبح قبل ان يصلي فليذبح مكانها اخرى ومن لم يذبح فليذبح باسم الله
৭৪০০. জুনদাব ইবনু ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র কাছে উপস্থিত ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত পড়লেন। অতঃপর খুৎবা দিলেন এবং বললেনঃ সালাত পড়ার আগে যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু যবেহ করেছে, সে যেন তদস্থলে আরেকটি পশু য্বহ করে। আর যে ব্যক্তি (সালাতের আগে) যবেহ করেনি সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে। [৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৬)
হাদিস নং: ৭৪০১
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا ورقاء عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تحلفوا باباىكم ومن كان حالفا فليحلف بالله
৭৪০১. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। যে ব্যক্তি কসমকারী হবে সে যেন আল্লাহর নামেই কসম করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৭)
হাদিস নং: ৭৪০২
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري اخبرني عمرو بن ابي سفيان بن اسيد بن جارية الثقفي حليف لبني زهرة وكان من اصحاب ابي هريرة ان ابا هريرة قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عشرة منهم خبيب الانصاري فاخبرني عبيد الله بن عياض ان ابنة الحارث اخبرته انهم حين اجتمعوا استعار منها موسى يستحد بها فلما خرجوا من الحرم ليقتلوه قال خبيب الانصاري ولست ابالي حين اقتل مسلما على اي شق كان لله مصرعي وذلك في ذات الاله وان يشا يبارك على اوصال شلو ممزع فقتله ابن الحارث فاخبر النبي صلى الله عليه وسلم اصحابه خبرهم يوم اصيبوا
وَقَالَ خُبَيْبٌ وَذَلِكَ فِي ذَاتِ الإِلَهِ فَذَكَرَ الذَّاتَ بِاسْمِهِ تَعَالَى
খুবায়ব (রাঃ) বলেছিলেন (وَذَلِكَ فِي ذَاتِ الإِلَهِ) (এবং ওটি আল্লাহর সত্তার স্বার্থে) আর তিনি মূল সত্তাকে তাঁর নামের সঙ্গে উল্লেখ করেছিলেন।
৭৪০২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশজন সাহাবীর একটি দল পাঠালেন। তাঁদের মধ্যে খুবায়ব আনসারী (রাঃ)-ও ছিলেন। বর্ণনাকারী ইমাম যুহরী (রহ.) বলেন, ’উবাইদুল্লাহ্ ইবনু আয়ায আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হারিসের কন্যা তাকে জানিয়েছে, যখন খুবায়ব (রাঃ)-কে হত্যা করার জন্য তারা সবাই সমবেত হল, তখন খুবায়ব (রাঃ) পাক-সাফ হবার জন্য তার থেকে একখানা ক্ষুর চেয়ে নিলেন। আর যখন তারা খুবায়বকে হত্যা করার জন্য হারামের বাইরে নিয়ে গেল, তখন খুবায়ব আনসারী (রাঃ) কবিতা পাঠ করে বললেনঃ
’’মুসলিম হবার কারণেই যখন আমাকে হত্যা করা হচ্ছে, তখন আমার কোন আফসোস নেই।
যে পার্শ্বে ঢলে পড়ি না কেন, আল্লাহর জন্যই আমার এ মৃত্যু।
একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই আমার এ জীবন দান।
যদি তিনি চান তবে আমার কর্তিত অঙ্গরাজির প্রতিটি টুকরায় তিনি বরকত দেবেন।’’
এরপর হারিসের ছেলে তাঁকে শহীদ করল। তাঁদের সে বিপদের খবরটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবাগণকে সেদিনই জানিয়ে দিয়েছিলেন। [৩০৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৮)
খুবায়ব (রাঃ) বলেছিলেন (وَذَلِكَ فِي ذَاتِ الإِلَهِ) (এবং ওটি আল্লাহর সত্তার স্বার্থে) আর তিনি মূল সত্তাকে তাঁর নামের সঙ্গে উল্লেখ করেছিলেন।
৭৪০২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশজন সাহাবীর একটি দল পাঠালেন। তাঁদের মধ্যে খুবায়ব আনসারী (রাঃ)-ও ছিলেন। বর্ণনাকারী ইমাম যুহরী (রহ.) বলেন, ’উবাইদুল্লাহ্ ইবনু আয়ায আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হারিসের কন্যা তাকে জানিয়েছে, যখন খুবায়ব (রাঃ)-কে হত্যা করার জন্য তারা সবাই সমবেত হল, তখন খুবায়ব (রাঃ) পাক-সাফ হবার জন্য তার থেকে একখানা ক্ষুর চেয়ে নিলেন। আর যখন তারা খুবায়বকে হত্যা করার জন্য হারামের বাইরে নিয়ে গেল, তখন খুবায়ব আনসারী (রাঃ) কবিতা পাঠ করে বললেনঃ
’’মুসলিম হবার কারণেই যখন আমাকে হত্যা করা হচ্ছে, তখন আমার কোন আফসোস নেই।
যে পার্শ্বে ঢলে পড়ি না কেন, আল্লাহর জন্যই আমার এ মৃত্যু।
একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই আমার এ জীবন দান।
যদি তিনি চান তবে আমার কর্তিত অঙ্গরাজির প্রতিটি টুকরায় তিনি বরকত দেবেন।’’
এরপর হারিসের ছেলে তাঁকে শহীদ করল। তাঁদের সে বিপদের খবরটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবাগণকে সেদিনই জানিয়ে দিয়েছিলেন। [৩০৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৮)
হাদিস নং: ৭৪০৩
সহিহ (Sahih)
عمر بن حفص بن غياث حدثنا ابي حدثنا الاعمش عن شقيق عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما من احد اغير من الله من اجل ذلك حرم الفواحش وما احد احب اليه المدح من الله
৭৪০৩. ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহর চেয়ে অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন আর কেউ নেই। এই কারণেই তিনি অশ্লীলতাকে হারাম করে দিয়েছেন। এমন কেউ নেই যে, আত্মপ্রশংসা আল্লাহর চেয়ে বেশি ভালবাসে। [৪৬৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৯)
হাদিস নং: ৭৪০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان، عن ابي حمزة، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما خلق الله الخلق كتب في كتابه ـ هو يكتب على نفسه، وهو وضع عنده على العرش ـ ان رحمتي تغلب غضبي ".
৭৪০৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন মাখলূক সৃষ্টি করলেন,তখন তা তাঁর কিতাবে লিখলেন এবং তিনি আপন সত্তা বিষয়ে লিখছেন, যা তাঁর কাছে আরশের উপর রক্ষিত আছে, ’আমার রহমত আমার গযবকে পরাভূত করেছে।’ [৩১৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০০)
হাদিস নং: ৭৪০৫
সহিহ (Sahih)
عمر بن حفص حدثنا ابي حدثنا الاعمش سمعت ابا صالح عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يقول الله تعالى انا عند ظن عبدي بي وانا معه اذا ذكرني فان ذكرني في نفسه ذكرته في نفسي وان ذكرني في ملا ذكرته في ملا خير منهم وان تقرب الي بشبر تقربت اليه ذراعا وان تقرب الي ذراعا تقربت اليه باعا وان اتاني يمشي اتيته هرولة
৭৪০৫. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করেন, আমি সে রকমই, যে রকম বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি বান্দার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে; আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে জন-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, তবে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই, যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু’ হাত এগিয়ে যাই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই। [৭৫০৫, ৭৫৩৭; মুসলিম ৪৮/১, হাঃ ১৬৭৫, আহমাদ ৭৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০১)
হাদিস নং: ৭৪০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال لما نزلت هذه الاية (قل هو القادر على ان يبعث عليكم عذابا من فوقكم) قال النبي صلى الله عليه وسلم " اعوذ بوجهك ". فقال (او من تحت ارجلكم) فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اعوذ بوجهك ". قال (او يلبسكم شيعا) فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هذا ايسر ".
৭৪০৬. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ আয়াত যখন অবতীর্ণ হলঃ ’’হে নবী আপনি বলে দিন তোমাদের উপর থেকে তোমাদের ওপর শাস্তি পাঠাতে তিনিই সক্ষম’’- (সূরাহ আন’আম ৬/৬৫)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার সত্তার সাহায্যে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহ্ তখন বললেনঃ ’’কিংবা তোমাদের পায়ের নীচ হতে; তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আপনার সত্তার সাহায্যে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহ্ বললেনঃ কিংবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি অপেক্ষাকৃত সহজ। [৪৬২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০২)
হাদিস নং: ৭৪০৭
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا جويرية عن نافع عن عبد الله قال ذكر الدجال عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال ان الله لا يخفى عليكم ان الله ليس باعور واشار بيده الى عينه وان المسيح الدجال اعور العين اليمنى كان عينه عنبة طافية
৭৪০৭. ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে দাজ্জাল সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তোমাদের কাছে গোপন থাকবেন না। আল্লাহ্ অন্ধ নন। এর সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত দিয়ে স্বীয় চোখের দিকে ইশারা করলেন। মাসীহ্ দাজ্জালের ডান চোখ কানা। তার চোখটি যেন আংগুরের মত ভাসমান। [৩০৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৩)
হাদিস নং: ৭৪০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، اخبرنا قتادة، قال سمعت انسا ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما بعث الله من نبي الا انذر قومه الاعور الكذاب، انه اعور، وان ربكم ليس باعور، مكتوب بين عينيه كافر ".
৭৪০৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ এমন কোন নবী পাঠাননি যিনি তাঁর জাতিকে কানা মিথ্যুকটির ব্যাপারে সতর্ক করেননি। সে কানা (দাজ্জাল)। আর তোমাদের প্রতিপালক কানা নন। তার দু’চোখের মাঝখানে ’কাফির’ লেখা থাকবে। [৭১৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৪)
হাদিস নং: ৭৪০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق، حدثنا عفان، حدثنا وهيب، حدثنا موسى ـ هو ابن عقبة ـ حدثني محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، عن ابي سعيد الخدري، في غزوة بني المصطلق انهم اصابوا سبايا فارادوا ان يستمتعوا بهن ولا يحملن فسالوا النبي صلى الله عليه وسلم عن العزل فقال " ما عليكم ان لا تفعلوا، فان الله قد كتب من هو خالق الى يوم القيامة ". وقال مجاهد عن قزعة سمعت ابا سعيد فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ليست نفس مخلوقة الا الله خالقها ".
৭৪০৯. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বানী মুসতালিক যুদ্ধ বিষয়ে বর্ণনা করেন যে, মুসলিমগণ যুদ্ধে কতকগুলো বন্দিনী লাভ করলেন। এরপর তাঁরা এদেরকে ভোগ করতে চাইলেন। আবার তারা যেন গর্ভবতী হয়ে না পড়ে সে ইচ্ছাও তারা করছিলেন। তাই তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আযল বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এতে তোমাদের কোন লাভ নেই। কারণ আল্লাহ্ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত যত জীবন সৃষ্টি করবেন, তা সবই লিখে রেখেছেন। মুজাহিদ (রহ.) কাযআ (রহ.)-এর মাধ্যমে আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যত জীবন সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, আল্লাহ্ তা’আলা অবশ্যই তা সৃষ্টি করবেনই। [২২২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৫)
হাদিস নং: ৭৪১০
সহিহ (Sahih)
حدثني معاذ بن فضالة، حدثنا هشام، عن قتادة، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يجمع الله المومنين يوم القيامة كذلك فيقولون لو استشفعنا الى ربنا حتى يريحنا من مكاننا هذا. فياتون ادم فيقولون يا ادم اما ترى الناس خلقك الله بيده واسجد لك ملاىكته وعلمك اسماء كل شىء، شفع لنا الى ربنا حتى يريحنا من مكاننا هذا. فيقول لست هناك ـ ويذكر لهم خطيىته التي اصاب ـ ولكن اىتوا نوحا، فانه اول رسول بعثه الله الى اهل الارض. فياتون نوحا فيقول لست هناكم ـ ويذكر خطيىته التي اصاب ـ ولكن اىتوا ابراهيم خليل الرحمن. فياتون ابراهيم فيقول لست هناكم ـ ويذكر لهم خطاياه التي اصابها ـ ولكن اىتوا موسى عبدا اتاه الله التوراة وكلمه تكليما ـ فياتون موسى فيقول لست هناكم ـ ويذكر لهم خطيىته التي اصاب ـ ولكن اىتوا عيسى عبد الله ورسوله وكلمته وروحه. فياتون عيسى فيقول لست هناكم ولكن اىتوا محمدا صلى الله عليه وسلم عبدا غفر له ما تقدم من ذنبه وما تاخر. فياتوني فانطلق فاستاذن على ربي فيوذن لي عليه، فاذا رايت ربي وقعت له ساجدا فيدعني ما شاء الله ان يدعني ثم يقال لي ارفع محمد، وقل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع. فاحمد ربي بمحامد علمنيها، ثم اشفع فيحد لي حدا فادخلهم الجنة، ثم ارجع فاذا رايت ربي وقعت ساجدا، فيدعني ما شاء الله ان يدعني ثم يقال ارفع محمد، وقل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع، فاحمد ربي بمحامد علمنيها ربي ثم اشفع فيحد لي حدا فادخلهم الجنة، ثم ارجع فاذا رايت ربي وقعت ساجدا، فيدعني ما شاء الله ان يدعني ثم يقال ارفع محمد، قل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع، فاحمد ربي بمحامد علمنيها، ثم اشفع فيحد لي حدا فادخلهم الجنة، ثم ارجع فاقول يا رب ما بقي في النار الا من حبسه القران ووجب عليه الخلود ". قال النبي صلى الله عليه وسلم " يخرج من النار من قال لا اله الا الله. وكان في قلبه من الخير ما يزن شعيرة، ثم يخرج من النار من قال لا اله الا الله. وكان في قلبه من الخير ما يزن برة، ثم يخرج من النار من قال لا اله الا الله. وكان في قلبه ما يزن من الخير ذرة ".
৭৪১০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা’আলা ঈমানদারদেরকে একত্রিত করবেন, তখন তারা বলবে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছে কোন সুপারিশ যদি নিয়ে যেতাম তাহলে তিনি আমাদেরকে এ স্থান থেকে বের করে শান্তি প্রদান করতেন। এরপর তারা আদম (আঃ)-এর কাছে গিয়ে বলবে, হে আদম (আঃ)! আপনি কি মানুষের অবস্থা দেখছেন না? অথচ আল্লাহ্ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। আপনাকে তিনি তাঁর ফেরেশ্তাগণ দিয়ে সিজদা্ করিয়েছেন। আর আপনাকে সব জিনিসের নাম শিখিয়েছেন। কাজেই আপনি আমাদের রবেবর কাছে সুপারিশ করুন, যেন এ স্থান থেকে আমাদেরকে তিনি স্বস্তি দেন।
আদম (আঃ) তখন বলবেন, এ কাজের জন্য আমি উপযুক্ত নই। এবং আদম (আঃ) তাদের কাছে নিজের ভুলের কথা স্মরণ করবেন এবং বলবেন, তোমরা বরং নূহ্ (আঃ)-এর কাছে যাও। যেহেতু তিনিই আল্লাহর প্রথম রাসূল। যাঁকে তিনি যমীনবাসীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তারা নূহ্ (আঃ)-এর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি তাঁর কৃত ভুলের কথা মনে করে বলবেন, তোমরা বরং আল্লাহর খলীল ইব্রাহীম (আঃ)-এর কাছে যাও।
তখন তারা ইব্রাহীম (আঃ)-এর কাছে আসবে। তিনিও তাদের কাছে স্বীয় ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা যাঁকে আল্লাহ্ তাওরাত দিয়েছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেছিলেন। তারা তখন মূসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। মূসা (আঃ)-ও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তাদের কাছে তিনি নিজের ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, তোমরা বরং ’ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও। যিনি আল্লাহর বান্দা, তাঁর রাসূল, কালেমা ও রূহ্।
তখন তারা ’ঈসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। তখন ’ঈসা (আঃ) বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা, যাঁর আগের ও পরের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে। তারা সবাই আমার কাছে আসবে। আমি তখন আমার রবেবর কাছে অনুমতি চাইব। আমাকে এর অনুমতি দেয়া হবে। আমি আমার রববকে যখন দেখতে পাব, তখনই আমি তাঁর সামনে সিজদা্য় পড়বো।
আল্লাহ্ তাঁর মরজী অনুসারে যতক্ষণ আমাকে সেভাবে রাখার রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রবেবর শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব। তারপর আমি শাফা’আত করব। আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। এরপর আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি ফিরে আসব। যখন আমি আমার প্রতিপালককে দেখতে পাব তখন তাঁর জন্য সিজদা্য় পড়ে যাব। আল্লাহর মরজী মোতাবেক যতক্ষণ আমাকে এভাবে রাখতে চাইবেন রেখে দেবেন।
তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রবেবর শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব এবং সুপারিশ করব। তখনো আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা হবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি আবার ফিরে আসব। আমি এবারও আমার প্রতিপালককে দেখামাত্র সিজদা্য় পড়ে যাব। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর মরজী মোতাবেক যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে ঐ অবস্থায় রাখবেন। তারপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, কবুল করা হবে। তখন আমার রবেবর শেখানো প্রশংসার দ্বারা প্রশংসা করে শাফাআত করব।
তখনও আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা থাকবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। অতঃপর আমি তাঁর কাছে ফিরে গিয়ে বলব, হে আমার রবব! এখন একমাত্র তারাই জাহান্নামে বাকী আছে, যাদেরকে কুরআন আটক করে রেখে দিয়েছে। এবং যাদের উপর স্থায়ীভাবে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে, আর তার দিলে একটি যবের ওজন পরিমাণ ঈমান আছে, তাকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তারপর বের করা হবে জাহান্নাম থেকে তাদেরকেও, যারা ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে এবং তার দিলে একটি গমের ওযন পরিমাণ ঈমান আছে। জাহান্নাম থেকে (সর্বশেষে) তাকে বের করা হবে, যে ব্যক্তি ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে এবং তার দিলে অণু পরিমাণ মাত্র ঈমান আছে। [৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৬)
আদম (আঃ) তখন বলবেন, এ কাজের জন্য আমি উপযুক্ত নই। এবং আদম (আঃ) তাদের কাছে নিজের ভুলের কথা স্মরণ করবেন এবং বলবেন, তোমরা বরং নূহ্ (আঃ)-এর কাছে যাও। যেহেতু তিনিই আল্লাহর প্রথম রাসূল। যাঁকে তিনি যমীনবাসীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তারা নূহ্ (আঃ)-এর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি তাঁর কৃত ভুলের কথা মনে করে বলবেন, তোমরা বরং আল্লাহর খলীল ইব্রাহীম (আঃ)-এর কাছে যাও।
তখন তারা ইব্রাহীম (আঃ)-এর কাছে আসবে। তিনিও তাদের কাছে স্বীয় ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা যাঁকে আল্লাহ্ তাওরাত দিয়েছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেছিলেন। তারা তখন মূসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। মূসা (আঃ)-ও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তাদের কাছে তিনি নিজের ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, তোমরা বরং ’ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও। যিনি আল্লাহর বান্দা, তাঁর রাসূল, কালেমা ও রূহ্।
তখন তারা ’ঈসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। তখন ’ঈসা (আঃ) বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা, যাঁর আগের ও পরের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে। তারা সবাই আমার কাছে আসবে। আমি তখন আমার রবেবর কাছে অনুমতি চাইব। আমাকে এর অনুমতি দেয়া হবে। আমি আমার রববকে যখন দেখতে পাব, তখনই আমি তাঁর সামনে সিজদা্য় পড়বো।
আল্লাহ্ তাঁর মরজী অনুসারে যতক্ষণ আমাকে সেভাবে রাখার রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রবেবর শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব। তারপর আমি শাফা’আত করব। আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। এরপর আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি ফিরে আসব। যখন আমি আমার প্রতিপালককে দেখতে পাব তখন তাঁর জন্য সিজদা্য় পড়ে যাব। আল্লাহর মরজী মোতাবেক যতক্ষণ আমাকে এভাবে রাখতে চাইবেন রেখে দেবেন।
তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রবেবর শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব এবং সুপারিশ করব। তখনো আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা হবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি আবার ফিরে আসব। আমি এবারও আমার প্রতিপালককে দেখামাত্র সিজদা্য় পড়ে যাব। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর মরজী মোতাবেক যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে ঐ অবস্থায় রাখবেন। তারপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, কবুল করা হবে। তখন আমার রবেবর শেখানো প্রশংসার দ্বারা প্রশংসা করে শাফাআত করব।
তখনও আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা থাকবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। অতঃপর আমি তাঁর কাছে ফিরে গিয়ে বলব, হে আমার রবব! এখন একমাত্র তারাই জাহান্নামে বাকী আছে, যাদেরকে কুরআন আটক করে রেখে দিয়েছে। এবং যাদের উপর স্থায়ীভাবে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে, আর তার দিলে একটি যবের ওজন পরিমাণ ঈমান আছে, তাকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তারপর বের করা হবে জাহান্নাম থেকে তাদেরকেও, যারা ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে এবং তার দিলে একটি গমের ওযন পরিমাণ ঈমান আছে। জাহান্নাম থেকে (সর্বশেষে) তাকে বের করা হবে, যে ব্যক্তি ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে এবং তার দিলে অণু পরিমাণ মাত্র ঈমান আছে। [৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৬)
নোট: আল্লাহর বাণীঃ যাকে আমি নিজ হাতে সৃষ্টি করেছি।[1] (সূরাহ সোয়াদ ৩৮/৭৫)
[1] এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলার বাস্তব বা প্রকৃত হাত রয়েছে তা প্রমাণিত হয়। কিন্তু তার হাত কেমন এ প্রশ্ন করা যাবে না। অর্থাৎ ধরন, প্রকৃতি, মাখলূকের হাতের সাথে তুলনা দেয়া, অস্বীকার করা বা অপব্যাখ্যা করা যাবে না। যেমন বলা হয়, হাত দ্বারা উদ্দেশ্য শক্তি, রাজত্ব, নি‘আমাত, অঙ্গীকার ইত্যাদী। আবার বলা হয় কুদরতী হাত। এসব মনগড়া ব্যাখ্যা। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদাহ’র পরিপন্থী। সুতরাং তার প্রকৃত হাত রয়েছে, কুদরতী হাত নয়।
[1] এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলার বাস্তব বা প্রকৃত হাত রয়েছে তা প্রমাণিত হয়। কিন্তু তার হাত কেমন এ প্রশ্ন করা যাবে না। অর্থাৎ ধরন, প্রকৃতি, মাখলূকের হাতের সাথে তুলনা দেয়া, অস্বীকার করা বা অপব্যাখ্যা করা যাবে না। যেমন বলা হয়, হাত দ্বারা উদ্দেশ্য শক্তি, রাজত্ব, নি‘আমাত, অঙ্গীকার ইত্যাদী। আবার বলা হয় কুদরতী হাত। এসব মনগড়া ব্যাখ্যা। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদাহ’র পরিপন্থী। সুতরাং তার প্রকৃত হাত রয়েছে, কুদরতী হাত নয়।