অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

২৮/২. ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা
মোট ৪৬ টি হাদিস
হাদিস নং: ১৮৪৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا همام حدثنا عطاء قال حدثني صفوان بن يعلى بن امية عن ابيه قال كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فاتاه رجل عليه جبة فيه اثر صفرة او نحوه كان عمر يقول لي تحب اذا نزل عليه الوحي ان تراه فنزل عليه ثم سري عنه فقال اصنع في عمرتك ما تصنع في حجك
وَقَالَ عَطَاءٌ إِذَا تَطَيَّبَ أَوْ لَبِسَ جَاهِلاً أَوْ نَاسِيًا فَلاَ كَفَّارَةَ عَلَيْهِ

‘আত্বা (রহ.) বলেন, অজ্ঞতাবশতঃ বা ভুলক্রমে যদি কেউ সুগন্ধি মাখে অথবা জামা পরিধান করে, তাহলে তার উপর কোন কাফফারা নেই।


১৮৪৭. সফওয়ান ইবনু ইয়া‘লা (রহ.) তাঁর পিতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। এমতাবস্থায় হলুদ বা অনুরূপ রঙ্গের চিহ্ন বিশিষ্ট জামা পরিহিত এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আসলেন। আর ‘উমার (রাঃ) আমাকে বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রতি যখন ওয়াহী নাযিল হয় সে মুহূর্তে তুমি কি তাঁকে দেখতে চাও? এরপর (ঐ সময়ে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রতি ওয়াহী নাযিল হল। অতঃপর এ অবস্থার পরিবর্তন হলে তিনি (প্রশ্নকারীকে) বললেনঃ হাজ্জে তুমি যা কর ‘উমরাতেও তাই কর। (১৫৩৬)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭২৫ )

 
হাদিস নং: ১৮৪৮ সহিহ (Sahih)
وعض رجل يد رجل ـ يعني فانتزع ثنيته ـ فابطله النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏
১৮৪৮. এক ব্যক্তি অন্য একজনের হাত কামড়িয়ে ধরলে তার সামনের দু’টি দাঁত উৎপাটিত হয়ে যায়, এ সংক্রান্ত নালিশ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাতিল করে দেন। (২২৬৫, ২৯৭৩, ৪৪১৭, ৬৮৯৩)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ নাই )
হাদিস নং: ১৮৪৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال بينا رجل واقف مع النبي صلى الله عليه وسلم بعرفة اذ وقع عن راحلته فوقصته او قال فاقعصته فقال النبي صلى الله عليه وسلم اغسلوه بماء وسدر وكفنوه في ثوبين او قال ثوبيه ولا تحنطوه ولا تخمروا راسه فان الله يبعثه يوم القيامة يلبي
১৮৪৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ‘আরাফাত ময়দানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে উকূফ (অবস্থান) করছিলেন। হঠাৎ তিনি তাঁর সওয়ারী হতে পড়ে যান এবং তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে যায় অথবা সাওয়ারীটি তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে দেয়। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে কুলগাছের পাতা দিয়ে সিদ্ধ পানি দ্বারা গোসল করাও এবং দুই কাপড়ে অথবা বলেন তার পরিধেয় দু’টি কাপড়ে কাফন দাও। তবে তার মাথা ঢেকে দিও না এবং হানূত নামক সুগন্ধিও ব্যবহার কর না। কেননা আল্লাহ তা‘আলা তাকে কিয়ামতের দিনে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠাবেন। (১২৬৫)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭২৬ )
হাদিস নং: ১৮৫০ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد عن ايوب عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال بينا رجل واقف مع النبي صلى الله عليه وسلم بعرفة اذ وقع عن راحلته فوقصته او قال فاوقصته فقال النبي اغسلوه بماء وسدر وكفنوه في ثوبين ولا تمسوه طيبا ولا تخمروا راسه ولا تحنطوه فان الله يبعثه يوم القيامة ملبيا
১৮৫০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ‘আরাফাতের মাঠে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে অবস্থান করছিলেন, অকস্মাৎ তিনি তাঁর সওয়ারী হতে পড়ে গেলে তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে যায় অথবা সওয়ারীটি তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে দেয়। (ফলে তিনি মারা যান)। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাকে কুলগাছের পাতা দিয়ে সিদ্ধ পানি দ্বারা গোসল করাও এবং দুই কাপড়ে কাফন দাও। তবে তার শরীরে সুগন্ধি মাখাবে না আর তার মাথা ঢাকবে না এবং হানূতও লাগাবে না। কেননা আল্লাহ তা‘আলা তাকে কিয়ামতের ময়দানে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠাবেন। (১২৬৫)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭২৭ )
হাদিস নং: ১৮৫১ সহিহ (Sahih)
حدثنا يعقوب بن ابراهيم حدثنا هشيم اخبرنا ابو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس ان رجلا كان مع النبي صلى الله عليه وسلم فوقصته ناقته وهو محرم فمات فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اغسلوه بماء وسدر وكفنوه في ثوبيه ولا تمسوه بطيب ولا تخمروا راسه فانه يبعث يوم القيامة ملبيا
১৮৫১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইহরাম অবস্থায় এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সাওয়ারী তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে দেয়। ফলে তিনি মারা যান। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাকে কুলগাছের পাতা দিয়ে সিদ্ধ পানি দ্বারা গোসল দাও এবং তার দু’ কাপড়ে কাফন দাও। তবে তার শরীরে সুগন্ধি লাগাবে না এবং তার মাথা ঢাকবে না; কেননা কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় তার উত্থান হবে। (১২৬৫)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭২৮)
হাদিস নং: ১৮৫২ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا ابو عوانة عن ابي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباسان امراة من جهينة جاءت الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ان امي نذرت ان تحج فلم تحج حتى ماتت افاحج عنها قال نعم حجي عنها ارايت لو كان على امك دين اكنت قاضية اقضوا الله فالله احق بالوفاء
১৮৫২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জুহাইনা গোত্রের একজন মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললেন, আমার আম্মা হাজ্জের মানৎ করেছিলেন তবে তিনি হাজ্জ আদায় না করেই ইন্তিকাল করেছেন। আমি কি তার পক্ষ হতে হাজ্জ করতে পারি? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার পক্ষ হতে তুমি হাজ্জ আদায় কর। তুমি এ ব্যাপারে কি মনে কর যদি তোমার আম্মার উপর ঋণ থাকত তা হলে কি তুমি তা আদায় করতে না? সুতরাং আল্লাহর হক আদায় করে দাও। কেননা আল্লাহ্‌র হকই সবচেয়ে বেশী আদায়যোগ্য। [1] (৬৬৯৯, ৭৩১৫)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭২৯ )
নোট: [1] বদলি হাজ্জের আগের নিজের হাজ্জ করতে হবে। আবূ দাউদ ও ইবনু মাজাহ বর্ণিত হাদীস। ইবনু হিবান সহীহ বলেছেন।
হাদিস নং: ১৮৫৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن ابن عباس عن الفضل بن عباس ان امراة ح
১৮৫৩. ফাযল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন মহিলা বললেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩০)
হাদিস নং: ১৮৫৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا عبد العزيز بن ابي سلمة حدثنا ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن ابن عباس قال جاءت امراة من خثعم عام حجة الوداع قالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان فريضة الله على عباده في الحج ادركت ابي شيخا كبيرا لا يستطيع ان يستوي على الراحلة فهل يقضي عنه ان احج عنه قال نعم
১৮৫৪. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, বিদায় হজ্জের বছর খাস‘আম গোত্রের একজন মহিলা এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর তরফ হতে বান্দার উপর যে হাজ্জ ফরজ হয়েছে তা আমার বৃদ্ধ পিতার উপর এমন সময় ফরজ হয়েছে যখন তিনি সওয়ারীর উপর ঠিকভাবে বসে থাকতে সক্ষম নন। আমি তার পক্ষ হতে হাজ্জ আদায় করলে তার হাজ্জ আদায় হবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ (নিশ্চয়ই আদায় হবে)। (১৫১৩, মুসলিম ১৫/৭১, হাঃ ১৩৩৫, আহমাদ ১৮২২)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩০ )
হাদিস নং: ১৮৫৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن عباس قال كان الفضل رديف النبي صلى الله عليه وسلم فجاءت امراة من خثعم فجعل الفضل ينظر اليها وتنظر اليه فجعل النبي يصرف وجه الفضل الى الشق الاخر فقالت ان فريضة الله ادركت ابي شيخا كبيرا لا يثبت على الراحلة افاحج عنه قال نعم وذلك في حجة الوداع
১৮৫৫. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফযল (ইবনু ‘আব্বাস) (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওয়ারীতে তাঁর পেছনে বসা ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস‘আম কবিলার এক মহিলা আগমন করলেন। ফযল (রাঃ) মহিলার দিকে তাকাতে লাগলেন এবং মহিলাও তার দিকে তাকাতে লাগলেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযল (রাঃ)-এর মুখটি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে লাগলেন। এ সময় মহিলাটি বললেন, বৃদ্ধ অবস্থায় আমার পিতার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে এমন সময় হাজ্জ ফরজ হয়েছে, যখন তিনি সওয়ারীর উপর বসে থাকতে পারছেন না। আমি কি তার পক্ষ হতে হাজ্জ আদায় করতে পারি? তিনি বললেনঃ হাঁ। এ ছিল বিদায় হজ্জের সময়কার ঘটনা। (১৫১৩)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩১ )
হাদিস নং: ১৮৫৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عبيد الله بن ابي يزيد قال سمعت ابن عباس يقول بعثني او قدمني النبي صلى الله عليه وسلم في الثقل من جمع بليل
১৮৫৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মালপত্রের সাথে মুযদালিফা হতে রাত্রিকালে প্রেরণ করেছিলেন। (১৬৭৭০)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩২ )
হাদিস নং: ১৮৫৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق اخبرنا يعقوب بن ابراهيم حدثنا ابن اخي ابن شهاب عن عمه اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود ان عبد الله بن عباس قال اقبلت وقد ناهزت الحلم اسير على اتان لي ورسول الله صلى الله عليه وسلم قاىم يصلي بمنى حتى سرت بين يدي بعض الصف الاول ثم نزلت عنها فرتعت فصففت مع الناس وراء رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال يونس عن ابن شهاب بمنى في حجة الوداع
১৮৫৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার গাধীর পিঠে আরোহণ করে (মিনায়) আগমন করলাম। তখন আমি সাবালক হওয়ার নিকটবর্তী ছিলাম। ঐ সময়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আমি চলতে চলতে প্রথম কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে চলে যাই। এরপর সওয়ারী হতে নিচে অবতরণ করি। গাধীটি চরে খেতে লাগল। আর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পেছনে লোকদের সাথে কাতারে শামিল হয়ে যাই। ইউনুস (রহ.) ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে তাঁর বর্ণনায় ‘‘মিনা’’ শব্দের পর ‘‘বিদায় হাজ্জের সময়’’ কথাটি বর্ণনা করেছেন। (৭৬)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৩ )
হাদিস নং: ১৮৫৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الرحمن بن يونس حدثنا حاتم بن اسماعيل عن محمد بن يوسف عن الساىب بن يزيد قال حج بي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا ابن سبع سنين
১৮৫৮. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার সাত বছর বয়সে আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হাজ্জ করানো হয়েছে।  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৪ )
হাদিস নং: ১৮৫৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن زرارة اخبرنا القاسم بن مالك عن الجعيد بن عبد الرحمن قال سمعت عمر بن عبد العزيز يقول للساىب بن يزيد وكان قد حج به في ثقل النبي صلى الله عليه وسلم
১৮৫৯. ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি সায়িব ইবনু ইয়াযীদ সম্পর্কে বলতেন, সায়িবকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সফর সামগ্রীর কাছে বসিয়ে হাজ্জ করানো হয়েছে। (৬৭১২, ৭৩৩০)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৫ )
হাদিস নং: ১৮৬০ সহিহ (Sahih)
و قال لي احمد بن محمد هو الازرقي حدثنا ابراهيم عن ابيه عن جده اذن عمر رضي الله عنه لازواج النبي صلى الله عليه وسلم في اخر حجة حجها فبعث معهن عثمان بن عفان وعبد الرحمن بن عوف
১৮৬০. ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। যে বছর ‘উমার (রাঃ) শেষবারের মত হাজ্জ আদায় করেন সে বছর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সকল স্ত্রীকে হাজ্জ আদায় করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তাঁদের সাথে ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) এবং ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-কে প্রেরণ করেছিলেন।  (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ৫৮ কিতাবুল ‘উমরাহ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ)
হাদিস নং: ১৮৬১ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عبد الواحد حدثنا حبيب بن ابي عمرة قال حدثتنا عاىشة بنت طلحة عن عاىشة ام المومنين قالت قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم الا نغزو ونجاهد معكم فقال لكن احسن الجهاد واجمله الحج حج مبرور فقالت عاىشة فلا ادع الحج بعد اذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم
১৮৬১. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনাদের সঙ্গে যুদ্ধ ও জিহাদে অংশগ্রহণ করব না? তিনি বললেন, তোমাদের জন্য উত্তম ও উৎকৃষ্ট জিহাদ হল হাজ্জ, মাকবূল হাজ্জ। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ কথা শোনার পর আমি আর কখনো হাজ্জ ছাড়ব না। (১৫২০)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৬)
হাদিস নং: ১৮৬২ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عمرو عن ابي معبد مولى ابن عباس عن ابن عباس قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تسافر المراة الا مع ذي محرم ولا يدخل عليها رجل الا ومعها محرم فقال رجل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم اني اريد ان اخرج في جيش كذا وكذا وامراتي تريد الحج فقال اخرج معها
১৮৬২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ মেয়েরা মাহরাম (যার সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ) ব্যতীত অন্য কারো সাথে সফর করবে না। মাহরাম কাছে নেই এমতাবস্থায় কোন পুরুষ কোন মহিলার নিকট গমন করতে পারবে না। এ সময় এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি অমুক অমুক সেনাদলের সাথে জিহাদ করার জন্য যেতে চাচ্ছি। কিন্তু আমার স্ত্রী হাজ্জ করতে যেতে চাচ্ছে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তার সাথেই যাও। (৩০০৬, ৩০৬১, ৫৩৩৩, মুসলিম ১৫/৭৪, হাঃ ১৩৪১, আহমাদ ১৯৩৪)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৭ )
হাদিস নং: ১৮৬৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان اخبرنا يزيد بن زريع اخبرنا حبيب المعلم عن عطاء عن ابن عباس قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من حجته قال لام سنان الانصارية ما منعك من الحج قالت ابو فلان تعني زوجها كان له ناضحان حج على احدهما والاخر يسقي ارضا لنا قال فان عمرة في رمضان تقضي حجة او حجة معي رواه ابن جريج عن عطاء سمعت ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال عبيد الله عن عبد الكريم عن عطاء عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم
১৮৬৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ হতে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রাঃ) নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ হাজ্জ আদায় করাতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তিনি বললেন, অমুকের আববা অর্থাৎ তাঁর স্বামী, কারণ পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। একটিতে সাওয়ার হয়ে তিনি হাজ্জ আদায় করতে গিয়েছেন। আর অন্যটি আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, রমাযান মাসে একটি ‘উমরাহ আদায় করা একটি ফরজ হাজ্জ আদায় করার সমান অথবা বলেছেনঃ আমার সাথে একটি হাজ্জ আদায় করার সমান।

এ হাদীসটি ইবনু জুরাইজ ‘আতা থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। আর ওবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল কারীম থেকে তিনি ‘আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (১৭৮২)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ  ১৭৩৮)
হাদিস নং: ১৮৬৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عبد الملك بن عمير عن قزعة مولى زياد قال سمعت ابا سعيد وقد غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتي عشرة غزوة قال اربع سمعتهن من رسول الله او قال يحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم فاعجبنني وانقنني ان لا تسافر امراة مسيرة يومين ليس معها زوجها او ذو محرم ولا صوم يومين الفطر والاضحى ولا صلاة بعد صلاتين بعد العصر حتى تغرب الشمس وبعد الصبح حتى تطلع الشمس ولا تشد الرحال الا الى ثلاثة مساجد مسجد الحرام ومسجدي ومسجد الاقصى
১৮৬৪. যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা‘আহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)-কে যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি (অথবা) তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করতেন। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়গুলো আমাকে আশ্চর্যান্বিত করে দিয়েছে এবং চমৎকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই), স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্র এবং ‘ঈদুল আযহা- এ দুই দিন কেউ সওম পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় পর্যন্ত কেউ কোন সালাত আদায় করবে না। আর মসজিদে হারাম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মসজিদে নাববী) এবং মসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না। (৫৮৬, মুসলিম ১৫/৭৪, হাঃ ১৩৪০, আহমাদ ১১৪৮৩)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩৯ )
হাদিস নং: ১৮৬৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سلام اخبرنا الفزاري عن حميد الطويل قال حدثني ثابت عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم راى شيخا يهادى بين ابنيه قال ما بال هذا قالوا نذر ان يمشي قال ان الله عن تعذيب هذا نفسه لغني وامره ان يركب
১৮৬৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তার দুই ছেলের উপর ভর করে হেঁটে যেতে দেখে বললেনঃ তার কী হয়েছে? তারা বললেন, তিনি পায়ে হেঁটে হাজ্জ করার মানত করেছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকটি নিজেকে কষ্ট দিক আল্লাহ তা‘আলার এর কোন দরকার নেই। অতঃপর তিনি তাকে সওয়ার হয়ে চলার জন্য আদেশ করলেন। (৬৭০১)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪০ )
হাদিস নং: ১৮৬৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا هشام بن يوسف ان ابن جريج اخبرهم قال اخبرني سعيد بن ابي ايوب ان يزيد بن ابي حبيب اخبره ان ابا الخير حدثه عن عقبة بن عامر قال نذرت اختي ان تمشي الى بيت الله وامرتني ان استفتي لها النبي فاستفتيته فقال لتمش ولتركب قال وكان ابو الخير لا يفارق عقبة قال ابو عبد الله حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج عن يحيى بن ايوب عن يزيد عن ابي الخير عن عقبة فذكر الحديث
১৮৬৬. ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বোন পায়ে হেঁটে হাজ্জ করার মানত করেছিল। আমাকে এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ফাতাওয়া আনার নির্দেশ করলে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ পায়ে হেঁটেও চলুক, সওয়ারও হোক। ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব (রহ.) বলেন, আবুল খায়ের (রহ.) ‘উক্বাহ (রাঃ) হতে কখনো বিচ্ছিন্ন হতেন না।  ‘উক্বাহ (রাঃ) হতেও এ হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আবূ আসিম আমাদের ইবনু জুরাইজের বরাতে তিনি ইয়াহইয়াহ বিন আইউব থেকে তিনি ইয়াযিদ বিন আবুল খায়ের থেকে তিনি ‘উক্বাহ থেকে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন।  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪১ ও ১৭৪২)
অধ্যায় তালিকা