হাদিস নং: ২১৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يبيع بعضكم على بيع اخيه
২১৩৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয় না করে। (২১৬৫, ৫১৫২, মুসলিম ১৬/৫, হাঃ ১৪১২, আহমাদ ৪৭২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৬)
হাদিস নং: ২১৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يبيع حاضر لباد ولا تناجشوا ولا يبيع الرجل على بيع اخيه ولا يخطب على خطبة اخيه ولا تسال المراة طلاق اختها لتكفا ما في اناىها
২১৪০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রামবাসীর পক্ষে শহরবাসী কর্তৃক বিক্রয় করা হতে নিষেধ করেছেন এবং তোমরা প্রতারণামূলক দালালী করবে না। কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয় না করে। [1] কেউ যেন তার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। কোন মহিলা যেন তার বোনের (সতীনের) তালাকের দাবী না করে, যাতে সে তার পাত্রে যা কিছু আছে, তা নিজেই নিয়ে নেয়। (অর্থাৎ বর্তমান স্ত্রীর হক নষ্ট করে নিজে তা ভোগ করার জন্য) (২১৪৮, ২১৫০, ২১৫১, ২১৬০, ২১৬২, ২৭২৩, ২৭২৭, ৫১৪৪, ৫১৫২, ৬৬০১, মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৫১৫, আহমাদ ৯৫২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৭)
নোট: [1] শহরবাসী যেন গ্রাম্য লোককে ঠকিয়ে দেয়ার উদ্দেশে গ্রাম্য লোকের পক্ষে পণ্য বিক্রয় না করে। নিজের প্রাপ্য অংশ বৃদ্ধি করে অধিক সুখ সুবিধা ভোগ করার উদ্দেশে কোন নারী যেন তার সতীনকে তালাক দেয়ার জন্য স্বামীকে উদ্বুদ্ধ না করে।
হাদিস নং: ২১৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا الحسين المكتب عن عطاء بن ابي رباح عن جابر بن عبد الله ان رجلا اعتق غلاما له عن دبر فاحتاج فاخذه النبي صلى الله عليه وسلم فقال من يشتريه مني فاشتراه نعيم بن عبد الله بكذا وكذا فدفعه اليه
وَقَالَ عَطَاءٌ أَدْرَكْتُ النَّاسَ لاَ يَرَوْنَ بَأْسًا بِبَيْعِ الْمَغَانِمِ فِيمَنْ يَزِيدُ
আতা (রহ.) বলেন, আমি লোকেদের (সাহাবায়ে কিরামকে) দেখেছি যে, তারা গনীমতের মাল অধিক মূল্য দানকারীর কাছে বিক্রি করাতে দোষ মনে করতেন না।
২১৪১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর পরে তার গোলাম আযাদ হবে বলে ঘোষণা দিল। তারপর সে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোলামটিকে নিয়ে নিলেন এবং বললেন, কে একে আমার নিকট হতে ক্রয় করবে? নু‘আঈম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) (তাঁর কাছ হতে) সেটি এত এত মূল্যে ক্রয় করলেন। তিনি গোলামটি তার হাওয়ালা করে দিলেন। (২২৩০, ২২৩১, ২৪০৩, ২৫১৫, ২৫৩৪, ২৭১৬, ২৯৪৭, ৭১৮৬, মুসলিম ১২/১৩, হাঃ ৯৯৭, আহমাদ ১৪২৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৮)
আতা (রহ.) বলেন, আমি লোকেদের (সাহাবায়ে কিরামকে) দেখেছি যে, তারা গনীমতের মাল অধিক মূল্য দানকারীর কাছে বিক্রি করাতে দোষ মনে করতেন না।
২১৪১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর পরে তার গোলাম আযাদ হবে বলে ঘোষণা দিল। তারপর সে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোলামটিকে নিয়ে নিলেন এবং বললেন, কে একে আমার নিকট হতে ক্রয় করবে? নু‘আঈম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) (তাঁর কাছ হতে) সেটি এত এত মূল্যে ক্রয় করলেন। তিনি গোলামটি তার হাওয়ালা করে দিলেন। (২২৩০, ২২৩১, ২৪০৩, ২৫১৫, ২৫৩৪, ২৭১৬, ২৯৪৭, ৭১৮৬, মুসলিম ১২/১৩, হাঃ ৯৯৭, আহমাদ ১৪২৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৮)
হাদিস নং: ২১৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النجش
وَقَالَ ابْنُ أَبِي أَوْفَى النَّاجِشُ آكِلُ رِبًا خَائِنٌ وَهُوَ خِدَاعٌ بَاطِلٌ لاَ يَحِلُّ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْخَدِيعَةُ فِي النَّارِ وَمَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) বলেন, দালাল হলো সুদখোর, খিয়ানতকারী। আর দালালী হল প্রতারণা, যা বাতিল ও অবৈধ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতারণার ঠিকানা জাহান্নাম। যে এরূপ ‘আমল করে যা আমাদের শরী‘আতের পরিপন্থী; তা পরিত্যাজ্য।
২১৪২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতারণামূলক দালালী হতে নিষেধ করেছেন। (৬৯৬৩, মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৯)
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) বলেন, দালাল হলো সুদখোর, খিয়ানতকারী। আর দালালী হল প্রতারণা, যা বাতিল ও অবৈধ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতারণার ঠিকানা জাহান্নাম। যে এরূপ ‘আমল করে যা আমাদের শরী‘আতের পরিপন্থী; তা পরিত্যাজ্য।
২১৪২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতারণামূলক দালালী হতে নিষেধ করেছেন। (৬৯৬৩, মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০৯)
হাদিস নং: ২১৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع حبل الحبلة وكان بيعا يتبايعه اهل الجاهلية كان الرجل يبتاع الجزور الى ان تنتج الناقة ثم تنتج التي في بطنها
২১৪৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থিত বাচ্চার গর্ভের প্রসবের মেয়াদের উপর বিক্রি নিষেধ করেছেন। এ এক ধরনের বিক্রয়, যা জাহিলিয়াতের যুগে প্রচলিত ছিল। কেউ এ শর্তে উটনী ক্রয় করত যে, এই উটনীটি প্রসব করবে পরে ঐ শাবক তার গর্ভ প্রসব করার পর তার মূল্য দেয়া হবে। (২২৫৬, ৩৮৪৩, মুসলিম ২১/৩, হাঃ ১৫১৪, আহমাদ ৫৫১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১০)
হাদিস নং: ২১৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني عامر بن سعد ان ابا سعيد اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المنابذة وهي طرح الرجل ثوبه بالبيع الى الرجل قبل ان يقلبه او ينظر اليه ونهى عن الملامسة والملامسة لمس الثوب لا ينظر اليه
وَقَالَ أَنَسٌ نَهَى عَنْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বেচা-কেনা হতে নিষেধ করেছেন।
২১৪৪. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল, বিক্রয়ের উদ্দেশে ক্রেতা কাপড়টি উল্টানো পাল্টানো অথবা দেখে নেয়ার আগেই বিক্রেতা কর্তৃক তা ক্রেতার দিকে নিক্ষেপ করা। আর তিনি মুলামাসা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় করতেও নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল কাপড়টি না দেখে স্পর্শ করা (এতেই বেচা-কেনা সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হতো)। (৩৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১১)
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বেচা-কেনা হতে নিষেধ করেছেন।
২১৪৪. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল, বিক্রয়ের উদ্দেশে ক্রেতা কাপড়টি উল্টানো পাল্টানো অথবা দেখে নেয়ার আগেই বিক্রেতা কর্তৃক তা ক্রেতার দিকে নিক্ষেপ করা। আর তিনি মুলামাসা পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় করতেও নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল কাপড়টি না দেখে স্পর্শ করা (এতেই বেচা-কেনা সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হতো)। (৩৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১১)
হাদিস নং: ২১৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا عبد الوهاب حدثنا ايوب عن محمد عن ابي هريرة قال نهي عن لبستين ان يحتبي الرجل في الثوب الواحد ثم يرفعه على منكبه وعن بيعتين اللماس والنباذ
২১৪৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দুই ধরনের পোশাক পরিধান করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। তা হলো একটি কাপড় শরীরে জড়িয়ে তার এক পার্শ্ব কাঁধের উপর তুলে দেয়া এবং দুই ধরনের বেচা-কেনা হতে নিষেধ করা হয়েছে; স্পর্শের এবং নিক্ষেপের বেচা-কেনা। (৩৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১২)
হাদিস নং: ২১৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن محمد بن يحيى بن حبان وعن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الملامسة والمنابذة
وَقَالَ أَنَسٌ نَهَى عَنْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন।
২১৪৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পর্শ ও নিক্ষেপের পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (৩৩৬৮, মুসলিম ২১/১, হাঃ ১৫১১, আহমাদ ৪৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১০৩)
আনাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন।
২১৪৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পর্শ ও নিক্ষেপের পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (৩৩৬৮, মুসলিম ২১/১, হাঃ ১৫১১, আহমাদ ৪৫১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১০৩)
হাদিস নং: ২১৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عياش بن الوليد حدثنا عبد الاعلى حدثنا معمر عن الزهري عن عطاء بن يزيد عن ابي سعيد قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لبستين وعن بيعتين الملامسة والمنابذة
২১৪৭. আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ ধরনের পোশাক পরিধান এবং স্পর্শ ও নিক্ষেপ এরূপ দু’ধরনের (পদ্ধতিতে) বেচা-কেনা নিষেধ করেছেন। (৩৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৪)
হাদিস নং: ২১৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن بكير حدثنا الليث عن جعفر بن ربيعة عن الاعرج قال ابو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم لا تصروا الابل والغنم فمن ابتاعها بعد فانه بخير النظرين بعد ان يحتلبها ان شاء امسك وان شاء ردها وصاع تمر ويذكر عن ابي صالح ومجاهد والوليد بن رباح وموسى بن يسار عن ابي هريرة عن النبي صاع تمر وقال بعضهم عن ابن سيرين صاعا من طعام وهو بالخيار ثلاثا وقال بعضهم عن ابن سيرين صاعا من تمر ولم يذكر ثلاثا والتمر اكثر
وَكُلَّ مُحَفَّلَةٍ وَالْمُصَرَّاةُ الَّتِي صُرِّيَ لَبَنُهَا وَحُقِنَ فِيهِ وَجُمِعَ فَلَمْ يُحْلَبْ أَيَّامًا وَأَصْلُ التَّصْرِيَةِ حَبْسُ الْمَاءِ يُقَالُ مِنْهُ صَرَّيْتُ الْمَاءَ إِذَا حَبَسْتَهُ
মুসাররাত সে জন্তুকে বলা হয়, যার দুধ কয়েক দিন দোহন না করে আটকিয়ে এবং জমা করে রাখা হয়। তাসরিয়ার মূল অর্থঃ পানি আটকিয়ে রাখা। এ হতে বলা হয় صَرَّيْتُ الْمَاءَ আমি পানি আটকিয়ে রেখেছি বলবে, যখন তুমি পানিকে আটকিয়ে রাখবে।
২১৪৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তোমরা উটনী ও বকরীর দুধ (স্তন্যে) আটকিয়ে রেখ না। যে ব্যক্তি এরূপ পশু ক্রয় করে, সে দুধ দোহনের পরে দু’টি অধিকারের যেটি তার পক্ষে ভাল মনে করবে তাই করতে পারবে। যদি সে ইচ্ছা করে তবে ক্রীত পশুটি রেখে দিবে আর যদি ইচ্ছা করে তবে তা ফেরত দিবে এবং এর সাথে এক সা‘ পরিমাণ খেজুর দিবে। আবূ সালিহ্ মুজাহিদ, ওয়ালীদ ইবনু রাবাহ ও মূসা ইবনু ইয়াসার (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এক সা‘ খেজুরের কথা উল্লেখ রয়েছে। কেউ কেউ ইবনু সীরীন (রহ.) সূত্রে এক সা‘ খাদ্যের কথা বলেছেন এবং ক্রেতার জন্য তিন দিনের ইখতিয়ার থাকবে। আর কেউ কেউ ইবনু সীরীন (রহ.) সূত্রে এক সা‘ খেজুরের কথা বলেছেন, তবে তিন দিনের কথা উল্লেখ করেননি। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, অধিকাংশের বর্ণনায় খেজুরের উল্লেখ রয়েছে]। (২১৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৫)
মুসাররাত সে জন্তুকে বলা হয়, যার দুধ কয়েক দিন দোহন না করে আটকিয়ে এবং জমা করে রাখা হয়। তাসরিয়ার মূল অর্থঃ পানি আটকিয়ে রাখা। এ হতে বলা হয় صَرَّيْتُ الْمَاءَ আমি পানি আটকিয়ে রেখেছি বলবে, যখন তুমি পানিকে আটকিয়ে রাখবে।
২১৪৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তোমরা উটনী ও বকরীর দুধ (স্তন্যে) আটকিয়ে রেখ না। যে ব্যক্তি এরূপ পশু ক্রয় করে, সে দুধ দোহনের পরে দু’টি অধিকারের যেটি তার পক্ষে ভাল মনে করবে তাই করতে পারবে। যদি সে ইচ্ছা করে তবে ক্রীত পশুটি রেখে দিবে আর যদি ইচ্ছা করে তবে তা ফেরত দিবে এবং এর সাথে এক সা‘ পরিমাণ খেজুর দিবে। আবূ সালিহ্ মুজাহিদ, ওয়ালীদ ইবনু রাবাহ ও মূসা ইবনু ইয়াসার (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এক সা‘ খেজুরের কথা উল্লেখ রয়েছে। কেউ কেউ ইবনু সীরীন (রহ.) সূত্রে এক সা‘ খাদ্যের কথা বলেছেন এবং ক্রেতার জন্য তিন দিনের ইখতিয়ার থাকবে। আর কেউ কেউ ইবনু সীরীন (রহ.) সূত্রে এক সা‘ খেজুরের কথা বলেছেন, তবে তিন দিনের কথা উল্লেখ করেননি। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, অধিকাংশের বর্ণনায় খেজুরের উল্লেখ রয়েছে]। (২১৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৫)
হাদিস নং: ২১৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا معتمر قال سمعت ابي يقول حدثنا ابو عثمان عن عبد الله بن مسعود قال من اشترى شاة محفلة فردها فليرد معها صاعا من تمر ونهى النبي صلى الله عليه وسلم ان تلقى البيوع
২১৪৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি (স্তন্যে) দুধ আটকিয়ে রাখা বকরী ক্রয় করে তা ফেরত দিতে চায়, সে যেন এর সঙ্গে এক সা‘ পরিমাণ খেজুরও দেয়। আর নবী (পণ্য ক্রয় করার জন্য) বণিক দলের সাথে (শহরে প্রবেশের পূর্বে পথিমধ্যে) সাক্ষাৎ করতে নিষেধ করেছেন। (২১৬৪, মুসলিম ২১/৫, হাঃ ১৫১৮, আহমাদ ৪০৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৬)
হাদিস নং: ২১৫০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تلقوا الركبان ولا يبع بعضكم على بيع بعض ولا تناجشوا ولا يبع حاضر لباد ولا تصروا الغنم ومن ابتاعها فهو بخير النظرين بعد ان يحتلبها ان رضيها امسكها وان سخطها ردها وصاعا من تمر
২১৫০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা (পণ্যবাহী) কাফেলার সাথে (শহরে প্রবেশের পূর্বে) সাক্ষাৎ করবে না তোমাদের কেউ যেন কারো ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয় না করে। তোমরা প্রতারণামূলক দালালী করবে না। শহরবাসী তোমাদের কেউ যেন গ্রামবাসীর পক্ষে বিক্রয় না করে। তোমরা বকরীর দুধ আটকিয়ে রাখবে না। যে এরূপ বকরী ক্রয় করবে, সে দুধ দোহনের পরে এ দু’টির মধ্যে যেটি ভাল মনে করবে, তা করতে পারে। সে যদি এতে সন্তুষ্ট হয় তবে বকরী রেখে দিবে, আর যদি সে তা অপছন্দ করে তবে ফেরত দিবে এবং এক সা‘ পরিমাণ খেজুর দিবে। (২১৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৭)
হাদিস নং: ২১৫১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عمرو حدثنا المكي اخبرنا ابن جريج قال اخبرني زياد ان ثابتا مولى عبد الرحمن بن زيد اخبره انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من اشترى غنما مصراة فاحتلبها فان رضيها امسكها وان سخطها ففي حلبتها صاع من تمر
২১৫১. মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি (স্তনে) দুধ আটকিয়ে রাখা বকরী ক্রয় করে, তবে দোহনের পরে যদি ইচ্ছা করে তবে সেটি রেখে দেবে আর যদি অপছন্দ করে তবে দুহিত দুধের বিনিময়ে এক সা‘ খেজুর দিবে। (২১৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৮)
হাদিস নং: ২১৫২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث قال حدثني سعيد المقبري عن ابيه عن ابي هريرة انه سمعه يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم اذا زنت الامة فتبين زناها فليجلدها ولا يثرب ثم ان زنت فليجلدها ولا يثرب ثم ان زنت الثالثة فليبعها ولو بحبل من شعر
وَقَالَ شُرَيْحٌ إِنْ شَاءَ رَدَّ مِنْ الزِّنَا
(কাযী) শুরায়হ (রহ.) বলেন, ক্রেতা ইচ্ছা করলে যিনাকার হওয়ার কারণে গোলাম ফিরিয়ে দিতে পারে।
২১৫২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি বাঁদী ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার প্রমাণিত হয়, তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আর তিরস্কার করবে না। তারপর যদি আবার ব্যভিচার করে তবে তাকে বিক্রি করে দিবে; যদিও পশমের রশির (ন্যায় সামান্য বস্তুর) বিনিময়েও হয়। (২১৫৩, ২২৩৩, ২২৩৪, ২৫৫৫, ৬৮৩৭, ৬৮৩৯, মুসলিম ২৯/৬, হাঃ ১৭০৩, আহমাদ ৭৩৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৯)
(কাযী) শুরায়হ (রহ.) বলেন, ক্রেতা ইচ্ছা করলে যিনাকার হওয়ার কারণে গোলাম ফিরিয়ে দিতে পারে।
২১৫২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি বাঁদী ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার প্রমাণিত হয়, তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আর তিরস্কার করবে না। তারপর যদি আবার ব্যভিচার করে তবে তাকে বিক্রি করে দিবে; যদিও পশমের রশির (ন্যায় সামান্য বস্তুর) বিনিময়েও হয়। (২১৫৩, ২২৩৩, ২২৩৪, ২৫৫৫, ৬৮৩৭, ৬৮৩৯, মুসলিম ২৯/৬, হাঃ ১৭০৩, আহমাদ ৭৩৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৯)
হাদিস নং: ২১৫৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابي هريرة وزيد بن خالد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سىل عن الامة اذا زنت ولم تحصن قال ان زنت فاجلدوها ثم ان زنت فاجلدوها ثم ان زنت فبيعوها ولو بضفير قال ابن شهاب لا ادري بعد الثالثة او الرابعة
২১৫৩-২১৫৪. আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে অবিবাহিতা দাসী যদি ব্যভিচার করে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, যদি সে ব্যভিচার করে, তবে তাকে বেত্রাঘাত কর। আবার যদি সে ব্যভিচার করে আবার বেত্রাঘাত কর। এরপর যদি ব্যভিচার করে তবে তাকে রশির বিনিময়ে হলেও বিক্রি করে দাও। রাবী ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, একথা তৃতীয় বারের না চতুর্থ বারের পর বলেছেন, তা আমার সঠিক জানা নাই। (২১৫২, ২২৩২, ২৫৫৬, ৬৮৩৮, মুসলিম ২৯ অধ্যায়ের প্রথমে, হাঃ ১৭০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২০)
হাদিস নং: ২১৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابي هريرة وزيد بن خالد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سىل عن الامة اذا زنت ولم تحصن قال ان زنت فاجلدوها ثم ان زنت فاجلدوها ثم ان زنت فبيعوها ولو بضفير قال ابن شهاب لا ادري بعد الثالثة او الرابعة
২১৫৩-২১৫৪. আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে অবিবাহিতা দাসী যদি ব্যভিচার করে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, যদি সে ব্যভিচার করে, তবে তাকে বেত্রাঘাত কর। আবার যদি সে ব্যভিচার করে আবার বেত্রাঘাত কর। এরপর যদি ব্যভিচার করে তবে তাকে রশির বিনিময়ে হলেও বিক্রি করে দাও। রাবী ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, একথা তৃতীয় বারের না চতুর্থ বারের পর বলেছেন, তা আমার সঠিক জানা নাই। (২১৫২, ২২৩২, ২৫৫৬, ৬৮৩৮, মুসলিম ২৯ অধ্যায়ের প্রথমে, হাঃ ১৭০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২০)
হাদিস নং: ২১৫৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال عروة بن الزبير قالت عاىشة دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اشتري واعتقي فانما الولاء لمن اعتق ثم قام النبي من العشي فاثنى على الله بما هو اهله ثم قال ما بال اناس يشترطون شروطا ليس في كتاب الله من اشترط شرطا ليس في كتاب الله فهو باطل وان اشترط ماىة شرط شرط الله احق واوثق
২১৫৫. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন তখন আমি তাঁর নিকট (বারীরাহ্ নাম্নী দাসীর ক্রয় সংক্রান্ত ঘটনা) উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, তুমি ক্রয় কর এবং আযাদ করে দাও। কেননা, যে আযাদ করবে ‘ওয়ালা’ [1] (আযাদ সূত্রে উত্তরাধিকার) তারই। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিকালের দিকে (মসজিদে নাববীতে) দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযথ প্রশংসা বর্ণনা করেন তারপর বললেন, লোকদের কী হলো যে, তারা এরূপ শর্তারোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই। কোন ব্যক্তি যদি এমন শর্তারোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তা বাতিল, যদিও সে শত শত শর্তারোপ করে। আল্লাহর শর্তই সঠিক ও সুদৃঢ়। (৪৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২১)
নোট: [1] ওয়ালা বলতে বুঝায় মুক্তিপ্রাপ্ত দাস-দাসীর স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি এবং এর মালিক হবে যে তাকে মুক্ত করেছে।
হাদিস নং: ২১৫৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا حسان بن ابي عباد حدثنا همام قال سمعت نافعا يحدث عن عبد الله بن عمر ان عاىشة ساومت بريرة فخرج الى الصلاة فلما جاء قالت انهم ابوا ان يبيعوها الا ان يشترطوا الولاء فقال النبي صلى الله عليه وسلم انما الولاء لمن اعتق قلت لنافع حرا كان زوجها او عبدا فقال ما يدريني
২১৫৬. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আয়িশাহ (রাযি.) বারীরার দরদাম করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের উদ্দেশে বের হয়ে যান। যখন ফিরে আসেন তখন ‘আয়িশাহ (রাযি.) তাঁকে বললেন যে, তারা (মালিক পক্ষ) ওয়ালা এর শর্ত ছাড়া বিক্রি করতে রাযী নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ওয়ালা তো তারই, যে আযাদ করে। রাবী হাম্মাম (রহ.) বলেন, আমি নাফি (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, বারীরার স্বামী আযাদ ছিল, না দাস? তিনি বললেন, আমি কি করে জানব? (২১৬৯, ২৫৬২, ৬৭৫২, ৬৭৫৭, ৬৭৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২২)
হাদিস নং: ২১৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن اسماعيل عن قيس سمعت جريرا يقول بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على شهادة ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم واقام الصلاة وايتاء الزكاة والسمع والطاعة والنصح لكل مسلم
وَقَالَ النَّبِيُّ إِذَا اسْتَنْصَحَ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ فَلْيَنْصَحْ لَهُ وَرَخَّصَ فِيهِ عَطَاءٌ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের সাহায্য কামনা করে তখন সে যেন তার উপকার করে। এ বিষয়ে আতা (রহ.) অনুমতি প্রদান করেছেন।
২১৫৭. জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ- এ কথার সাক্ষ্য দেয়ার, সালাত কায়িম করার, যাকাত দেয়ার, আমীরের কথা শুনার ও মেনে চলার এবং প্রত্যেক মুসলিমের হিত কামনা করার উপর বায়‘আত করেছিলাম। (৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২৩)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের সাহায্য কামনা করে তখন সে যেন তার উপকার করে। এ বিষয়ে আতা (রহ.) অনুমতি প্রদান করেছেন।
২১৫৭. জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ- এ কথার সাক্ষ্য দেয়ার, সালাত কায়িম করার, যাকাত দেয়ার, আমীরের কথা শুনার ও মেনে চলার এবং প্রত্যেক মুসলিমের হিত কামনা করার উপর বায়‘আত করেছিলাম। (৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২৩)
হাদিস নং: ২১৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الصلت بن محمد حدثنا عبد الواحد حدثنا معمر عن عبد الله بن طاوس عن ابيه عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تلقوا الركبان ولا يبع حاضر لباد قال فقلت لابن عباس ما قوله لا يبيع حاضر لباد قال لا يكون له سمسارا
২১৫৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পণ্যবাহী কাফেলার সাথে (শহরে প্রবেশের পূর্বে সস্তায় পণ্য খরিদের উদ্দেশে) সাক্ষাৎ করবে না এবং শহরবাসী যেন গ্রামবাসীর পক্ষে বিক্রয় না করে। রাবী তাউস (রহ.) বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, শহরবাসী যেন গ্রামবাসীর পক্ষে বিক্রয় না করে, তাঁর এ কথার অর্থ কী? তিনি বললেন, তার হয়ে যেন সে প্রতারণামূলক দালালী না করে। (২১৬৩, ২২৭৪, মুসলিম ২১/৬, হাঃ ১৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২৪)