অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৩৪/১. ক্রয়-বিক্রয়
মোট ১৯২ টি হাদিস
হাদিস নং: ২০৯৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال قال عمرو كان ها هنا رجل اسمه نواس وكانت عنده ابل هيم فذهب ابن عمر فاشترى تلك الابل من شريك له فجاء اليه شريكه فقال بعنا تلك الابل فقال ممن بعتها قال من شيخ كذا وكذا فقال ويحك ذاك والله ابن عمر فجاءه فقال ان شريكي باعك ابلا هيما ولم يعرفك قال فاستقها قال فلما ذهب يستاقها فقال دعها رضينا بقضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم لا عدوى سمع سفيان عمرا
الْهَائِمُ الْمُخَالِفُ لِلْقَصْدِ فِي كُلِّ شَيْءٍ.

হায়িম বলা হয় যে কোন ব্যাপারে মধ্যম পন্থা বর্জনকারীকে।

২০৯৯. ’আমর (ইবনু দ্বীনার) (রহ.) বলেন, এখানে নাওওয়াস নামক এক ব্যক্তি ছিল। তার নিকট অতি পিপাসা রোগে আক্রান্ত একটি উট ছিল। ইবনু ’উমার (রাঃ) তার শরীকের কাছ হতে সে উটটি কিনে নেন। পরে তার শরীক তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, সে উটটি বিক্রি করে দিয়েছি। নাওওয়াস জিজ্ঞেস করলেন, কার কাছে বিক্রি করেছ? সে বলল, এমন আকৃতির এক বৃদ্ধের কাছে। নাওওয়াস বলে উঠলেন, আরে কি সর্বনাশ! তিনি তো আল্লাহর কসম ইবনু ’উমার (রাঃ) ছিলেন। এরপর নাওওয়াস তাঁর নিকট এলেন এবং বললেন, আমার শরীক আপনাকে চিনতে না পেরে আপনার কাছে একটি পিপাসাক্রান্ত উট বিক্রি করেছে। তিনি বললেন, তবে উটটি নিয়ে যাও। সে যখন উটটি নিয়ে যেতে উদ্যত হলো, তখন তিনি বললেন, রেখে দাও। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ফায়সালায় সন্তুষ্ট যে, রোগে কোন সংক্রমণ নেই। সুফয়ান (রহ.) ’আমর (রহ.) হতে উক্ত হাদীসটি শুনেছেন। (২৮৫৮, ৫০৯৩, ৫০৯৪, ৫৭৫৩, ৫৭৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৬৯)
হাদিস নং: ২১০০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمر بن كثير بن افلح عن ابي محمد مولى ابي قتادة عن ابي قتادة قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حنين فاعطاه يعني درعا فبعت الدرع فابتعت به مخرفا في بني سلمة فانه لاول مال تاثلته في الاسلام
وَكَرِهَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ بَيْعَهُ فِي الْفِتْنَةِ

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) ফিতনার সময় অস্ত্র বিক্রয়কে অপছন্দ করতেন।


২১০০. আবূ কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে হুনাইনের যুদ্ধে গমন করেছিলাম। তখন তিনি আমাকে একটি বর্ম দিয়েছিলেন। আমি সেটি বিক্রয় করে তার মূল্য দ্বারা বণূ সালিমা গোত্রের এলাকায় একটি বাগান ক্রয় করি। এ ছিল ইসলাম গ্রহণের পর আমার প্রথম স্থাবর সম্পত্তি অর্জন। (৩১৪২, ৩৪২১, ৩৩২, ৭১৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭০)
হাদিস নং: ২১০১ সহিহ (Sahih)
حدثني موسى بن اسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا ابو بردة بن عبد الله قال سمعت ابا بردة بن ابي موسى عن ابيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل الجليس الصالح والجليس السوء كمثل صاحب المسك وكير الحداد لا يعدمك من صاحب المسك اما تشتريه او تجد ريحه وكير الحداد يحرق بدنك او ثوبك او تجد منه ريحا خبيثة
২১০১. আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ মিস্ক বিক্রেতা ও কর্মকারের হাপরের ন্যায়। আতর বিক্রেতাদের থেকে শূন্য হাতে ফিরে আসবে না। হয় তুমি আতর খরিদ করবে, না হয় তার সুঘ্রাণ পাবে। আর কর্মকারের হাপর হয় তোমার ঘর অথবা তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে, না হয় তুমি তার দুর্গন্ধ পাবে। (৫৫৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭১)
হাদিস নং: ২১০২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن حميد عن انس بن مالك قال حجم ابو طيبة رسول الله صلى الله عليه وسلم فامر له بصاع من تمر وامر اهله ان يخففوا من خراجه
২১০২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তায়বা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে শিঙ্গা লাগালেন তখন তিনি তাকে এক সা‘ পরিমাণ খেজুর দিতে আদেশ করলেন এবং তার মালিককে তার দৈনিক পারিশ্রমিকের হার কমিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (২২১০, ২২৭৭, ২২৮০, ২২৮১, ৫৬৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭২)
হাদিস নং: ২১০৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا خالد هو ابن عبد الله حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم واعطى الذي حجمه ولو كان حراما لم يعطه
২১০৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিঙ্গা লাগালেন এবং যে তাঁকে শিঙ্গা লাগিয়েছে, তাকে তিনি মজুরী দিলেন। যদি তা হারাম হতো তবে তিনি তা দিতেন না। (১৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৩)
হাদিস নং: ২১০৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا ابو بكر بن حفص عن سالم بن عبد الله بن عمر عن ابيه قال ارسل النبي صلى الله عليه وسلم الى عمر بحلة حرير او سيراء فراها عليه فقال اني لم ارسل بها اليك لتلبسها انما يلبسها من لا خلاق له انما بعثت اليك لتستمتع بها يعني تبيعها
২১০৪. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট একটি রেশমী চাদর পাঠিয়ে দেন, পরে তিনি তা তাঁর গায়ে দেখতে পেয়ে বলেন, আমি তা তোমাকে এ জন্য দেইনি যে, তুমি তা পরিধান করবে। অবশ্য তা তারাই পরিধান করে, যার (আখিরাতে) কোন অংশ নেই। আমি তো তা তোমার কাছে এজন্য পাঠিয়েছি যে, তুমি তা দিয়ে উপকৃত হবে অর্থাৎ তা বিক্রি করবে। (৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৪)
হাদিস নং: ২১০৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة ام المومنين ـ رضى الله عنها ـ انها اخبرته انها اشترت نمرقة فيها تصاوير، فلما راها رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على الباب، فلم يدخله، فعرفت في وجهه الكراهية، فقلت يا رسول الله، اتوب الى الله والى رسوله صلى الله عليه وسلم ماذا اذنبت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما بال هذه النمرقة ‏"‏‏.‏ قلت اشتريتها لك لتقعد عليها وتوسدها‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ان اصحاب هذه الصور يوم القيامة يعذبون، فيقال لهم احيوا ما خلقتم ‏"‏‏.‏ وقال ‏"‏ ان البيت الذي فيه الصور لا تدخله الملاىكة ‏"‏‏.‏
২১০৫. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি একটি ছবিওয়ালা বালিশ ক্রয় করেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দেখতে পেয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন, ভিতরে প্রবেশ করলেন না। আমি তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টি ভাব দেখতে পেলাম। তখন বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কাছে তওবা করছি। আমি কী অপরাধ করেছি? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বালিশের কী ব্যাপার? ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, আমি বললাম, আমি এটি আপনার জন্য ক্রয় করেছি, যাতে আপনি টেক লাগিয়ে বসতে পারেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ছবি তৈরীকারীদের কিয়ামতের দিন শাস্তি দেয়া হবে। তাদের বলা হবে, তোমরা যা তৈরী করেছিলে, তা জীবিত কর। তিনি আরো বলেন, যে ঘরে এ সব ছবি থাকে, সে ঘরে (রহমতের) ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না। (৩২২৪, ৫১৮১, ৫৯৫৭, ৫৯৬১, ৭৫৫৭, মুসলিম ৩৭/২৬, হাঃ ২১০৭, আহমাদ ২৬১৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ  ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৫)
হাদিস নং: ২১০৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا عبد الوارث عن ابي التياح عن انس قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يا بني النجار ثامنوني بحاىطكم وفيه خرب ونخل
২১০৬. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে বানূ নাজ্জার! আমাকে তোমাদের বাগানের মূল্য বল। বাগানটিতে ঘরের ভাঙা চুরা অংশ ও খেজুর গাছ ছিল। (২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৬)
হাদিস নং: ২১০৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا صدقة اخبرنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد قال سمعت نافعا عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان المتبايعين بالخيار في بيعهما ما لم يتفرقا او يكون البيع خيارا قال نافع وكان ابن عمر اذا اشترى شيىا يعجبه فارق صاحبه
২১০৭. ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা যতক্ষণ বিচ্ছিন্ন না হবে, ততক্ষণ তাদের বেচা-কেনার ব্যাপারে উভয়ের ইখতিয়ার থাকবে। আর যদি খিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হয় (তাহলে পরেও ইখতিয়ার থাকবে)। নাফি‘ (রহ.) বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কোন পণ্য ক্রয়ের পর তা পছন্দ হলে মালিক হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তেন। (২১০৯, ২১১১, ২১১৩, ২১১৬, মুসলিম ২১/১০, হাঃ ১৫৩১, আহমাদ ৫৪১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৭)
হাদিস নং: ২১০৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا همام عن قتادة عن ابي الخليل عن عبد الله بن الحارث عن حكيم بن حزام عن النبي صلى الله عليه وسلم قال البيعان بالخيار ما لم يفترقا
২১০৮. হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যতক্ষণ ক্রেতা-বিক্রেতা বিচ্ছিন্ন না হবে ততক্ষণ তাদের খিয়ারের অধিকার থাকবে।
 

وَزَادَ أَحْمَدُ حَدَّثَنَا بَهْزٌ قَالَ قَالَ هَمَّامٌ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لأَبِي التَّيَّاحِ فَقَالَ كُنْتُ مَعَ أَبِي الْخَلِيلِ لَمَّا حَدَّثَهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْحَارِثِ بِهَذَا الْحَدِيثِ

আহমাদ (রহ.) বাহয (রহ.) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, হাম্মাম (রহ.) বলেন, আমি আবূ তাইয়্যাহ্ (রহ.)-কে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন,  তখন আমি তার সাথে ছিলাম যখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস এই হাদীসটি আবূ খলীলকে বর্ণনা করেন। (২০৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৮)
হাদিস নং: ২১০৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد حدثنا ايوب عن نافع عن ابن عمر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم البيعان بالخيار ما لم يتفرقا او يقول احدهما لصاحبه اختر وربما قال او يكون بيع خيار
২১০৯. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের খিয়ার থাকবে অথবা একপক্ষ অপর পক্ষকে বলবে, গ্রহণ করে নাও। রাবী কখনো বলেছেনঃ অথবা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হলো। (২১০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৯)
হাদিস নং: ২১১০ সহিহ (Sahih)
حدثني اسحاق اخبرنا حبان بن هلال حدثنا شعبة قال قتادة اخبرني عن صالح ابي الخليل عن عبد الله بن الحارث قال سمعت حكيم بن حزام عن النبي صلى الله عليه وسلم قال البيعان بالخيار ما لم يتفرقا فان صدقا وبينا بورك لهما في بيعهما وان كذبا وكتما محقت بركة بيعهما
وَبِهِ قَالَ ابْنُ عُمَرَ وَشُرَيْحٌ وَالشَّعْبِيُّ وَطَاوُسٌ وَعَطَاءٌ وَابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ

ইবনু ‘উমার (রাঃ), শুরাইহ, শা‘বী, তাউস ও ইবনু আবূ মুলায়কা (রহ.) এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।


২১১০. হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা (একে অপরের সাথে) বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের উভয়ের ইখতিয়ার থাকবে। যদি তারা উভয়ে সত্য কথা বলে ও (পণ্যের দোষ-ত্রুটি) যথাযথ বর্ণনা করে তবে তাদের কেনা বেচায় বরকত হবে, আর যদি তারা মিথ্যা বলে ও (ত্রুটি) গোপন করে, তবে তাদের কেনা বেচার বরকত নষ্ট হয়ে যাবে। (২০৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮০)

 
হাদিস নং: ২১১১ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال المتبايعان كل واحد منهما بالخيار على صاحبه ما لم يتفرقا الا بيع الخيار
২১১১. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা প্রত্যেকের একে অপরের উপর ইখতিয়ার থাকবে, যতক্ষণ তারা বিচ্ছিন্ন না হবে। তবে খিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয়ে (বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরও ইখতিয়ার থাকবে)। (২১০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮১)
হাদিস নং: ২১১২ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا الليث عن نافع عن ابن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال اذا تبايع الرجلان فكل واحد منهما بالخيار ما لم يتفرقا وكانا جميعا او يخير احدهما الاخر فتبايعا على ذلك فقد وجب البيع وان تفرقا بعد ان يتبايعا ولم يترك واحد منهما البيع فقد وجب البيع
২১১২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন দু’ ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয় করে, তখন তাদের উভয়ে যতক্ষণ বিচ্ছিন্ন না হবে অথবা একে অপরকে ইখতিয়ার প্রদান না করবে, ততক্ষণ তাদের উভয়ের ইখতিয়ার থাকবে। এভাবে তারা উভয়ে যদি ক্রয়-বিক্রয় করে তবে তা সাব্যস্ত হয়ে যাবে। আর যদি তারা উভয়ে ক্রয়-বিক্রয়ের পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তাদের কেউ যদি তা পরিত্যাগ না করে তবে ক্রয়-বিক্রয় সাব্যস্ত হয়ে যাবে। (২১০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮২)
হাদিস নং: ২১১৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كل بيعين لا بيع بينهما حتى يتفرقا الا بيع الخيار
২১১৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে যতক্ষণ বিচ্ছিন্ন না হবে, ততক্ষণ তাদের মাঝে কোন ক্রয়-বিক্রয় সাব্যস্ত হবে না। অবশ্য ইখতিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হলে তা সাব্যস্ত হবে। (২১০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮৩)
হাদিস নং: ২১১৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق حدثنا حبان حدثنا همام حدثنا قتادة عن ابي الخليل عن عبد الله بن الحارث عن حكيم بن حزام ان النبي صلى الله عليه وسلم قال البيعان بالخيار ما لم يتفرقا قال همام وجدت في كتابي يختار ثلاث مرار فان صدقا وبينا بورك لهما في بيعهما وان كذبا وكتما فعسى ان يربحا ربحا ويمحقا بركة بيعهما قال وحدثنا همام حدثنا ابو التياح انه سمع عبد الله بن الحارث يحدث بهذا الحديث عن حكيم بن حزام عن النبي صلى الله عليه وسلم
২১১৪. হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে উভয়ের বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত। যদি তারা উভয়ে সত্য কথা বলে এবং (পণ্যের দোষগুণ) যথাযথ বর্ণনা করে, তবে তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত দেয়া হবে, আর যদি তারা মিথ্যা বলে এবং গোপন করে, তবে হয়তো খুব লাভ করবে এবং কিন্তু তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত মুছে যাবে। অপর সনদে হাম্মাম ..... ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহ.) হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (২০৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮৪)
হাদিস নং: ২১১৫ সহিহ (Sahih)
وقال لنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو عن ابن عمر قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فكنت على بكر صعب لعمر فكان يغلبني فيتقدم امام القوم فيزجره عمر ويرده ثم يتقدم فيزجره عمر ويرده فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعمر بعنيه قال هو لك يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بعنيه فباعه من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد الله بن عمر تصنع به ما شىت
وَقَالَ طَاوُسٌ فِيمَنْ يَشْتَرِي السِّلْعَةَ عَلَى الرِّضَا ثُمَّ بَاعَهَا وَجَبَتْ لَهُ وَالرِّبْحُ لَهُ

তাউস (রহ.) বলেন, স্বেচ্ছায় পণ্য ক্রয় করে পরে তা বিক্রি করে দিলে তা সাব্যস্ত হয়ে যাবে এবং মুনাফা সেই (প্রথম ক্রেতা যে পরে বিক্রি করল) পাবে।


২১১৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে ছিলাম। আমি (আমার পিতা) ‘উমার (রাঃ)-এর একটি অবাধ্য জওয়ান উটের উপর সাওয়ার ছিলাম। উটটি আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে সকলের আগে আগে চলে যাচ্ছিল। ‘উমার (রাঃ) তাকে তাড়িয়ে ফিরিয়ে আনছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, এটি আমার কাছে বিক্রি করে দাও। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আপনারই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি এটি আমার কাছে বিক্রি কর। তখন তিনি সেটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে বিক্রি করে দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার! এটি তোমার, তুমি এটি দিয়ে যা ইচ্ছা তা কর। (২৬১০, ২৬১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ ৪৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১৩২৩)

 
হাদিস নং: ২১১৬ সহিহ (Sahih)
قال ابو عبد الله وقال الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر قال بعت من امير المومنين عثمان بن عفان مالا بالوادي بمال له بخيبر فلما تبايعنا رجعت على عقبي حتى خرجت من بيته خشية ان يرادني البيع وكانت السنة ان المتبايعين بالخيار حتى يتفرقا قال عبد الله فلما وجب بيعي وبيعه رايت اني قد غبنته باني سقته الى ارض ثمود بثلاث ليال وساقني الى المدينة بثلاث ليال
২১১৬. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমীরুল মু’মিনীন ‘উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর খায়বারের জমিনের বিনিময়ে আমি ওয়াদির জমিন তাঁর কাছে বিক্রি করলাম। আমরা যখন ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করলাম, তখন আমি পিছনের দিকে ফিরে তাঁর ঘর হতে এই ভয়ে বের হয়ে গেলাম যে, তিনি হয়তো আমার এ বিক্রয় রদ্দ করে দিবেন। সে সময়ে এ রীতি প্রচলিত ছিল যে, বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকত। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, যখন আমার ও তাঁর মাঝে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত হয়ে গেল তখন আমি চিন্তা করে দেখলাম যে, আমি এভাবে তাঁকে ঠকিয়েছি। আমি তাঁকে ছামূদ ভূখন্ডের তিন দিনের পথের দূরত্বের পরিমাণ পৌঁছিয়ে দিয়েছি আর তিনি আমাকে মদিনার তিন দিনের পথের দূরত্বের পরিমাণ পৌঁছে দিয়েছেন। (২১০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ ৪৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১৩২৩ শেষাংশ)
হাদিস নং: ২১১৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر ان رجلا ذكر للنبي صلى الله عليه وسلم انه يخدع في البيوع فقال اذا بايعت فقل لا خلابة
২১১৭. আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উল্লেখ করলেন যে, তাকে ক্রয়-বিক্রয়ে ধোঁকা দেয়া হয়। তখন তিনি বললেন, যখন তুমি ক্রয়-বিক্রয় করবে তখন বলে নিবে কোন প্রকার ধোঁকা নেই। (২৪০৭, ২৪১৪, ৬৯৬৪, মুসলিম ২১/১২, হাঃ ১৫৩৩, আহমাদ ৫৪০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৭০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮৫)
হাদিস নং: ২১১৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن الصباح حدثنا اسماعيل بن زكرياء عن محمد بن سوقة عن نافع بن جبير بن مطعم قال حدثتني عاىشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو جيش الكعبة فاذا كانوا ببيداء من الارض يخسف باولهم واخرهم قالت قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف يخسف باولهم واخرهم وفيهم اسواقهم ومن ليس منهم قال يخسف باولهم واخرهم ثم يبعثون على نياتهم
وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ عَوْفٍ لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ قُلْتُ هَلْ مِنْ سُوقٍ فِيهِ تِجَارَةٌ قَالَ سُوقُ قَيْنُقَاعَ وَقَالَ أَنَسٌ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمٰنِ دُلُّونِي عَلَى السُّوقِ وَقَالَ عُمَرُ أَلْهَانِي الصَّفْقُ بِالأَسْوَاقِ

‘আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রাঃ) বলেন, আমরা মদিনা্য় আগমনের পর জিজ্ঞেস করলাম, এমন কোন বাজার আছে কি, যেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য হয়? সে বলল, কায়নুকার বাজার আছে। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, আমাকে বাজারের রাস্তা দেখিয়ে দাও। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমাকে বাজারের কেনা বেচা গাফিল করে রেখেছে।


২১১৮. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (পরবর্তী যামানায়) একদল সৈন্য কা‘বা (ধ্বংসের উদ্দেশে) অভিযান চালাবে। যখন তারা বায়দা নামক স্থানে পৌঁছবে তখন তাদের আগের পিছের সকলকে জমিনে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের অগ্রবাহিনী ও পশ্চাৎবাহিনী সকলকে কিভাবে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে, অথচ সে সেনাবাহিনীতে তাদের বাজারের (পণ্য-সামগ্রী বহনকারী) লোকও থাকবে এবং এমন লোকও থাকবে যারা তাদের দলভুক্ত নয়, তিনি বললেন, তাদের আগের পিছের সকলকে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। তারপরে (কিয়ামতের দিবসে) তাদের নিজেদের নিয়্যাত অনুযায়ী উত্থান করা হবে। (মুসলিম ৫২/২, হাঃ ২৮৮৩, আহমাদ ২৬৫০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৭১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮৬)

 
অধ্যায় তালিকা