হাদিস নং: ১৮৮
সহিহ (Sahih)
وقال ابو موسى دعا النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بقدح فيه ماء، فغسل يديه ووجهه فيه، ومج فيه ثم قال لهما اشربا منه، وافرغا على وجوهكما ونحوركما.
১৮৮. আবূ মূসা (রাযি.) বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পাত্র আনালেন যাতে পানি ছিল। অতঃপর তিনি তার মধ্যে উভয় হাত ও মুখমণ্ডল
ধুলেন এবং তার দ্বারা কুলি করলেন। অতঃপর তাদের দু’জন [আবূ মূসা (রাযি.) ও বিলাল (রাযি.)]-কে বললেনঃ ‘তোমরা এ থেকে পান কর এবং তোমাদের মুখমণ্ডল
ে ও বুকে ঢাল।’ (১৯৬, ৪৩২৮; মুসলিম ৪/৪৭, হাঃ ৫০৩, আহমাদ ১৮৭৬৯, ১৮৭৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৭ শেষাংশ)
ধুলেন এবং তার দ্বারা কুলি করলেন। অতঃপর তাদের দু’জন [আবূ মূসা (রাযি.) ও বিলাল (রাযি.)]-কে বললেনঃ ‘তোমরা এ থেকে পান কর এবং তোমাদের মুখমণ্ডল
ে ও বুকে ঢাল।’ (১৯৬, ৪৩২৮; মুসলিম ৪/৪৭, হাঃ ৫০৩, আহমাদ ১৮৭৬৯, ১৮৭৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৭ শেষাংশ)
হাদিস নং: ১৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، قال حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع، قال وهو الذي مج رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهه وهو غلام من بىرهم. وقال عروة عن المسور وغيره يصدق كل واحد منهما صاحبه واذا توضا النبي صلى الله عليه وسلم كادوا يقتتلون على وضوىه.
১৮৯. মাহমূদ ইবনুর-রবী’ হতে বর্ণিত। বর্ণনাকারী বলেনঃ তিনি সে ব্যক্তি, যার মুখমণ্ডল
ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কুয়া হতে পানি নিয়ে কুলির পানি দিয়েছিলেন। তিনি তখন বালক ছিলেন। ‘উরওয়া (রহ.) মিসওয়ার (রহ.) প্রমুখের নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করেন। এ উভয় বর্ণনা একটি অন্যটির সত্যায়ন স্বরূপ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উযূ করতেন তখন তাঁর ব্যবহৃত পানির উপর তাঁরা (সাহাবায়ে কিরাম) যেন হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। (১৯৬, ৪৩২৮ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩ কিন্তু প্রথমাংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৮)
ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কুয়া হতে পানি নিয়ে কুলির পানি দিয়েছিলেন। তিনি তখন বালক ছিলেন। ‘উরওয়া (রহ.) মিসওয়ার (রহ.) প্রমুখের নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করেন। এ উভয় বর্ণনা একটি অন্যটির সত্যায়ন স্বরূপ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উযূ করতেন তখন তাঁর ব্যবহৃত পানির উপর তাঁরা (সাহাবায়ে কিরাম) যেন হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। (১৯৬, ৪৩২৮ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩ কিন্তু প্রথমাংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৮)
হাদিস নং: ১৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الرحمن بن يونس، قال حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن الجعد، قال سمعت الساىب بن يزيد، يقول ذهبت بي خالتي الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله، ان ابن اختي وجع. فمسح راسي ودعا لي بالبركة، ثم توضا فشربت من وضوىه، ثم قمت خلف ظهره، فنظرت الى خاتم النبوة بين كتفيه مثل زر الحجلة.
১৯০. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাযি.) বলেনঃ আমার খালা আমাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার ভাগিনা অসুস্থ’। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং বরকতের দু‘আ করলেন। অতঃপর উযূ করলেন। আমি তাঁর উযুর (অবশিষ্ট) পানি পান করলাম। তারপর তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। তখন আমি তাঁর উভয় কাঁধের মধ্যস্থলে নুবূওয়াতের মোহর দেখতে পেলাম। তা ছিল পর্দার ঘুণ্টির মত। (৩৫৪০, ৩৫৪১, ৫৬৭০, ৬৩৫২; মুসলিম ৪৩/৩০, হাঃ ২৩৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৯)
হাদিস নং: ১৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا خالد بن عبد الله، قال حدثنا عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، انه افرغ من الاناء على يديه فغسلهما، ثم غسل او مضمض، واستنشق من كفة واحدة، ففعل ذلك ثلاثا، فغسل يديه الى المرفقين مرتين مرتين، ومسح براسه ما اقبل وما ادبر، وغسل رجليه الى الكعبين، ثم قال هكذا وضوء رسول الله صلى الله عليه وسلم.
১৯১. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি পাত্র হতে দু’হাতে পানি ঢেলে দু’হাত ধৌত করলেন। অতঃপর এক খাবল পানি দিয়ে (মুখ) ধুলেন বা কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন। তিনবার এরূপ করলেন। তারপর দু’ হাত কনুই পর্যন্ত দু’-দু’বার ধুলেন এবং মাথার সামনের অংশ এবং পেছনের অংশ মাসেহ করলেন। আর টাখনু পর্যন্ত দু’ পা ধুলেন। অতঃপর বললেনঃ ‘‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উযূ এরূপ ছিল।’’ (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯০)
হাদিস নং: ১৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا وهيب، قال حدثنا عمرو بن يحيى، عن ابيه، قال شهدت عمرو بن ابي حسن سال عبد الله بن زيد عن وضوء النبي، صلى الله عليه وسلم فدعا بتور من ماء، فتوضا لهم، فكفا على يديه فغسلهما ثلاثا، ثم ادخل يده في الاناء، فمضمض واستنشق، واستنثر ثلاثا بثلاث غرفات من ماء، ثم ادخل يده في الاناء، فغسل وجهه ثلاثا، ثم ادخل يده في الاناء، فغسل يديه الى المرفقين مرتين مرتين، ثم ادخل يده في الاناء، فمسح براسه فاقبل بيديه وادبر بهما، ثم ادخل يده في الاناء فغسل رجليه. وحدثنا موسى قال حدثنا وهيب قال مسح راسه مرة.
১৯২. ইয়াহইয়া (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আমি একদা ‘আমর ইবনু আবূ হাসান (রাযি.)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উযূ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। অতঃপর তিনি পানির একটি পাত্র এনে তাঁদের উযূ করে দেখালেন। তিনি পাত্রটি কাত করে উভয় হাতের উপর পানি ঢেলে তিনবার তা ধুয়ে ফেলেন। তারপর পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকালেন এবং তিন খাবল পানি দিয়ে তিনবার করে কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে তা ঝাড়লেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তিনবার মুখমণ্ডল
ধুলেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’-দু’বার ধুলেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তাঁর মাথা হাত দিয়ে সামনে এবং পেছনে মাসেহ করলেন। তারপর আবার পাত্রের মধ্যে তাঁর হাত ঢুকিয়ে দুই পা ধুলেন।* (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯১)
উহায়ব (রহ.) সূত্রে মূসা (রহ.) বর্ণনা করেন, মাথা একবার মাসেহ করেন। (১৮৫) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯২)
ধুলেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’-দু’বার ধুলেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তাঁর মাথা হাত দিয়ে সামনে এবং পেছনে মাসেহ করলেন। তারপর আবার পাত্রের মধ্যে তাঁর হাত ঢুকিয়ে দুই পা ধুলেন।* (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯১)
উহায়ব (রহ.) সূত্রে মূসা (রহ.) বর্ণনা করেন, মাথা একবার মাসেহ করেন। (১৮৫) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯২)
নোট: * ঘাড় মাসেহ করা বিদ‘আত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ঘাড় মাস্হ প্রমাণিত নয়। সহীহ্ মুসলিমের ভাষ্যকার ইমাম নাবাবী (রহঃ) একে বিদ‘আত বলেছেন।
হাদিস নং: ১৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه قال كان الرجال والنساء يتوضىون في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم جميعا.
وَتَوَضَّأَ عُمَرُ بِالْحَمِيمِ وَمِنْ بَيْتِ نَصْرَانِيَّةٍ.
’উমার (রাযি.) গরম পানি দিয়ে এবং নাসারা মহিলার ঘরের পানি দিয়ে উযূ করেন।
১৯৩. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল -এর সময় পুরুষ এবং মহিলা একত্রে (এক পাত্র হতে) উযূ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩)
’উমার (রাযি.) গরম পানি দিয়ে এবং নাসারা মহিলার ঘরের পানি দিয়ে উযূ করেন।
১৯৩. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল -এর সময় পুরুষ এবং মহিলা একত্রে (এক পাত্র হতে) উযূ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩)
হাদিস নং: ১৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، قال حدثنا شعبة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابرا، يقول جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني، وانا مريض لا اعقل، فتوضا وصب على من وضوىه، فعقلت فقلت يا رسول الله لمن الميراث انما يرثني كلالة. فنزلت اية الفراىض.
১৯৪. জাবির (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি অসুস্থ থাকা অবস্থায় একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার খোঁজ-খবর নিতে এলেন। আমি তখন এতই অসুস্থ ছিলাম যে আমার জ্ঞান ছিল না। তারপর তিনি উযূ করলেন এবং তাঁর উযূর পানি আমার উপর ছিঁটিয়ে দিলেন। তখন আমার জ্ঞান ফিরে এল। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! (আমার) ‘মীরাস’ কে পাবে? আমার একমাত্র ওয়ারিস হল কালালাহ*। তখন ফারায়েযের আয়াত অবতীর্ণ হল। (৪৫৭৭, ৫৬৫১, ৫৬৬৪, ৫৬৭৬, ৫৭২৩, ৬৭২৩, ৬৭৪৩, ৭৩০৯ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪)
নোট: *কালালাহঃ যার ছেলেমেয়ে ও পিতা নেই তার উত্তরাধিকারীকে কালালাহ বলা হয়।
হাদিস নং: ১৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن منير، سمع عبد الله بن بكر، قال حدثنا حميد، عن انس، قال حضرت الصلاة، فقام من كان قريب الدار الى اهله، وبقي قوم، فاتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بمخضب من حجارة فيه ماء، فصغر المخضب ان يبسط فيه كفه، فتوضا القوم كلهم. قلنا كم كنتم قال ثمانين وزيادة.
১৯৫. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা সালাতের সময় উপস্থিত হলে যাঁদের বাড়ি নিকটে ছিল তাঁরা (উযূ করার জন্য) বাড়ি চলে গেলেন। আর কিছু লোক রয়ে গেলেন (তাঁদের কোন উযূর ব্যবস্থা ছিল না)। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্য একটি পাথরের পাত্রে পানি আনা হল। পাত্রটি এত ছোট ছিল যে, তার মধ্যে তাঁর উভয় হাত মেলে দেয়া সম্ভব ছিল না। তা থেকেই কওমের সকল লোক উযূ করলেন। আমরা জিজ্ঞেস করলামঃ ‘আপনারা কতজন ছিলেন’? তিনি বললেনঃ ‘আশিজন বা তারও কিছু অধিক।’ (১৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৫)
হাদিস নং: ১৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم دعا بقدح فيه ماء، فغسل يديه ووجهه فيه ومج فيه
১৯৬. আবূ মূসা (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পানি ভর্তি পাত্র আনালেন। তাতে তাঁর উভয় হাত ও মুখমণ্ডল
ধুলেন এবং কুলি করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০)
ধুলেন এবং কুলি করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০)
হাদিস নং: ১৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس، قال حدثنا عبد العزيز بن ابي سلمة، قال حدثنا عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، قال اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخرجنا له ماء في تور من صفر فتوضا، فغسل وجهه ثلاثا ويديه مرتين مرتين، ومسح براسه فاقبل به وادبر، وغسل رجليه
১৯৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাযি.) বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাড়ি এলেন। আমরা তাঁকে পিতলের একটি পাত্রে পানি দিলে তা দিয়ে তিনি উযূ করলেন। তাঁর মুখমণ্ডল
তিনবার ও উভয় হাত দু’-দু’বার করে ধুলেন এবং তাঁর হাত সামনে ও পেছনে এনে মাথা মাসেহ করলেন আর উভয় পা ধুলেন। (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৬)
তিনবার ও উভয় হাত দু’-দু’বার করে ধুলেন এবং তাঁর হাত সামনে ও পেছনে এনে মাথা মাসেহ করলেন আর উভয় পা ধুলেন। (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৬)
হাদিস নং: ১৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان، قال اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عاىشة، قالت لما ثقل النبي صلى الله عليه وسلم واشتد به وجعه، استاذن ازواجه في ان يمرض في بيتي، فاذن له، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم بين رجلين تخط رجلاه في الارض بين عباس ورجل اخر. قال عبيد الله فاخبرت عبد الله بن عباس فقال اتدري من الرجل الاخر قلت لا. قال هو علي. وكانت عاىشة ـ رضى الله عنها ـ تحدث ان النبي صلى الله عليه وسلم قال بعد ما دخل بيته واشتد وجعه " هريقوا على من سبع قرب، لم تحلل اوكيتهن، لعلي اعهد الى الناس ". واجلس في مخضب لحفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، ثم طفقنا نصب عليه تلك حتى طفق يشير الينا ان قد فعلتن، ثم خرج الى الناس.
১৯৮. ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অসুস্থতা বেড়ে গেলে তিনি আমার ঘরে শুশ্রূষার জন্য তাঁর স্ত্রীদের নিকট অনুমতি চাইলে তাঁরা অনুমতি দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার ঘরে আসার জন্য) দু’ ব্যক্তির উপর ভর করে বের হলেন। আর তাঁর পা দু’খানি তখন মাটিতে চিহ্ন রেখে যাচ্ছিল। তিনি ‘আব্বাস (রাযি.) ও অন্য এক ব্যক্তির মাঝখানে ছিলেন। ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) বলেনঃ ‘আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে এ কথা জানালাম। তিনি বললেনঃ সে অন্য ব্যক্তিটি কে তা কি তুমি জান? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তিনি হলেন ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযি.)। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে আসলে অসুস্থতা আরো বৃদ্ধি পেল। তিনি বললেনঃ ‘তোমরা আমার উপর মুখের বাঁধন খোলা হয়নি এমন সাতটি মশকের পানি ঢেলে দাও, তাহলে হয়ত আমি মানুষকে কিছু উপদেশ দিতে পারব।’ তাঁকে তাঁর স্ত্রী হাফসাহ (রাযি.)-এর একটি বড় পাত্রে বসিয়ে দেয়া হল। অতঃপর আমরা তাঁর উপর সেই সাত মশক পানি ঢালতে লাগলাম। এভাবে ঢালার পর এক সময় তিনি আমাদের প্রতি ইঙ্গিত করলেন, (এখন থাম) তোমরা তোমাদের কাজ করেছ। অতঃপর তিনি বের হয়ে জনসম্মুক্ষে গেলেন। (৬৬৪, ৬৬৫, ৬৭৯, ৬৮৩, ৬৮৭, ৭১২, ৭১৩, ৭১৬, ২৫৮৮, ৩০৯৯, ৩৩৮৪, ৪৪৪২, ৪৪৪৫, ৫৭১৪, ৭৩০৩ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮)
হাদিস নং: ১৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا خالد بن مخلد، قال حدثنا سليمان، قال حدثني عمرو بن يحيى، عن ابيه، قال كان عمي يكثر من الوضوء، قال لعبد الله بن زيد اخبرني كيف رايت النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا فدعا بتور من ماء، فكفا على يديه فغسلهما ثلاث مرار، ثم ادخل يده في التور، فمضمض واستنثر ثلاث مرات من غرفة واحدة، ثم ادخل يده فاغترف بها فغسل وجهه ثلاث مرات، ثم غسل يديه الى المرفقين مرتين مرتين، ثم اخذ بيده ماء، فمسح راسه، فادبر بيديه واقبل ثم غسل رجليه، فقال هكذا رايت النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا.
১৯৯. ইয়াহ্ইয়া (রহ.) বলেনঃ আমার চাচা উযূর পানি অধিক খরচ করতেন। একদা তিনি ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে বললেনঃ ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে উযূ করতেন আপনি কি তা দেখেছেন?’ তিনি এক গামলা পানি আনালেন। সেটি উভয় হাতে কাত করে (তা থেকে পানি ঢেলে) হাত দু’টি তিনবার ধুলেন, অতঃপর তার হাত গামলায় ঢুকালেন। অতঃপর এক খাবল (করে) পানি দিয়ে তিনবার কুলি করলেন এবং নাক ঝাড়লেন। তারপর পানিতে তাঁর হাত ঢুকালেন। উভয় হাতে এক খাবল (করে) পানি নিয়ে মুখমণ্ডল
তিনবার ধুলেন। অতঃপর উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার করে ধুলেন। অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার সামনে এবং পেছনে মাসেহ করলেন এবং দু’ পা ধুলেন। তারপর বললেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এভাবেই উযূ করতে দেখেছি।’ (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯)
তিনবার ধুলেন। অতঃপর উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার করে ধুলেন। অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার সামনে এবং পেছনে মাসেহ করলেন এবং দু’ পা ধুলেন। তারপর বললেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এভাবেই উযূ করতে দেখেছি।’ (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯)
হাদিস নং: ২০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد، قال حدثنا حماد، عن ثابت، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم دعا باناء من ماء، فاتي بقدح رحراح فيه شىء من ماء، فوضع اصابعه فيه. قال انس فجعلت انظر الى الماء ينبع من بين اصابعه، قال انس فحزرت من توضا ما بين السبعين الى الثمانين.
২০০. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একপাত্র পানি চাইলে একটি বড় পাত্র তাঁর নিকট আনা হল, তাতে সামান্য পানি ছিল। তারপর তিনি তার মধ্যে তাঁর আঙ্গুল রাখলেন। আনাস (রাযি.) বলেনঃ আমি পানির দিকে তাকাতে লাগলাম। তাঁর আঙ্গুলের ভেতর দিয়ে পানি উপচে পড়তে লাগল। আনাস (রাযি.) বলেনঃ যারা উযূ করেছিল, আমি অনুমান করলাম তাদের সংখ্যা ছিল সত্তর হতে আশি জনের মত। (১৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০০)
হাদিস নং: ২০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا مسعر، قال حدثني ابن جبر، قال سمعت انسا، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يغسل ـ او كان يغتسل ـ بالصاع الى خمسة امداد، ويتوضا بالمد.
২০১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সা‘ (৪ মুদ) হতে পাঁচ মুদ পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং উযু করতেন এক মুদ দিয়ে। (মুসলিম ৩/১০, হাঃ ৩২৫, আহমাদ ১৪০০২, ১৪০৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১)
নোট: ১ মুদ = ৬০০ গ্রাম, চার মুদ = ১ সা‘ অর্থাৎ প্রায় আড়াই কেজির পাত্র বিশেষ। তবে শস্যের তারতম্যের কারণে ওজনের তারতম্য ঘটে। যেমন যব কিংবা গম হলে আড়াই কেজির কিছুটা কম হতে পারে। আবার চাল ভারি হবার কারণে বেশী হতে পারে। (ইত্তেহাফুল কিরাম তা‘লীক বুলুগুল মারাম ২৩ পৃঃ) বিশিষ্ট সাহাবী যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) এর ব্যবহৃত পাত্র যা ‘উনাইয়াহ শহরে মাটির নীচে পাওয়া গেছে সে অনুযায়ী ভাল জাতের গম হলে এক সা‘ সমান হয় ২ কেজি ৪০ গ্রাম। -মুহাম্মাদ বিন সালিহ বিন উসাইমিন। (আশ্-শারহুল মুফতী ‘আলা যাদিল মুসতাকদি ৬ষ্ঠ খন্ড, ৭৪, ৭৬, ১৭৬, ১৭৭ পৃষ্ঠা) (মাজালিশে শাহরি রমাযান ১৩৮ পৃষ্ঠা) সলিহ আল ‘উসাইমীনের বরাত দিয়ে অনেকে ২ কেজি ৪০০ গ্রাম উল্লেখ করেছেন যা ভুল। কারণ তিনি তাঁর কিতাবে সংখ্যায় না লিখে কথায় লিখেছেনঃ
হাদিস নং: ২০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا اصبغ بن الفرج المصري، عن ابن وهب، قال حدثني عمرو، حدثني ابو النضر، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمر، عن سعد بن ابي وقاص، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه مسح على الخفين. وان عبد الله بن عمر سال عمر عن ذلك فقال نعم اذا حدثك شيىا سعد عن النبي صلى الله عليه وسلم فلا تسال عنه غيره. وقال موسى بن عقبة اخبرني ابو النضر ان ابا سلمة اخبره ان سعدا حدثه فقال عمر لعبد الله. نحوه.
২০২. সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াককাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উভয় মোজার উপর মাসেহ করেছেন। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (তাঁর পিতা) ‘উমার (রাযি.)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ ‘হাঁ! সা’দ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কিছু বর্ণনা করলে সে ব্যাপারে আর অন্যকে জিজ্ঞেস করো না।’
মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.)....সা‘দ হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ অতঃপর ‘উমার (রাযি.) ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে অনুরূপ বললেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২)
মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.)....সা‘দ হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ অতঃপর ‘উমার (রাযি.) ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে অনুরূপ বললেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০২)
হাদিস নং: ২০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن خالد الحراني، قال حدثنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن سعد بن ابراهيم، عن نافع بن جبير، عن عروة بن المغيرة، عن ابيه المغيرة بن شعبة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه خرج لحاجته فاتبعه المغيرة باداوة فيها ماء، فصب عليه حين فرغ من حاجته، فتوضا ومسح على الخفين.
২০৩. মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে গেলে তিনি (মুগীরাহ) পানি সহ একটা পাত্র নিয়ে তাঁর অনুসরণ করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজন শেষ করে এলে তিনি তাঁকে পানি ঢেলে দিলেন। আর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ করলেন এবং উভয় মোজার উপর মাসেহ করলেন। (১৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৩)
হাদিস নং: ২০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا شيبان، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن جعفر بن عمرو بن امية الضمري، ان اباه، اخبره انه، راى النبي صلى الله عليه وسلم يمسح على الخفين. وتابعه حرب بن شداد وابان عن يحيى.
২০৪. উমাইয়াহ যামরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে উভয় মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। হার্ব ও আবান (রহ.) ইয়াহ্ইয়া (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (২০৫ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৪)
হাদিস নং: ২০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان، قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا الاوزاعي، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن جعفر بن عمرو، عن ابيه، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يمسح على عمامته وخفيه. وتابعه معمر عن يحيى عن ابي سلمة عن عمرو قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم.
২০৫. উমাইয়াহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর পাগড়ীর উপর এবং উভয় মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছি’। মা‘মার (রহ.) ‘আমর (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তা করতে দেখেছি।’’ (২০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৫)
হাদিস নং: ২০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا زكرياء، عن عامر، عن عروة بن المغيرة، عن ابيه، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر، فاهويت لانزع خفيه فقال " دعهما، فاني ادخلتهما طاهرتين ". فمسح عليهما.
২০৬. মুগীরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কোন এক সফরে ছিলাম। (উযূ করার সময়) আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলতে চাইলে তিনি বললেনঃ ‘ও দু’টো থাক, আমি পবিত্র অবস্থায় ও দু’টি পরেছিলাম’। (এই বলে) তিনি তার উপর মাসেহ করলেন। (১৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৬)
হাদিস নং: ২০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عباس،. ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اكل كتف شاة، ثم صلى ولم يتوضا.
واكل ابو بكر وعمر وعثمان رضي الله عنهم لحما فلم يتوضىوا.
واكل ابو بكر وعمر وعثمان رضي الله عنهم لحما فلم يتوضىوا.
وَأَكَلَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ فَلَمْ يَتَوَضَّئُوا.
আবূ বকর, ’উমার ও ’উসমান (রাযি.) মাংস খেয়ে উযূ করেননি।
২০৭. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীর কাঁধের মাংস খেলেন। অতঃপর সালাত আদায় করলেন; কিন্তু উযূ করলেন না। (৫৪০৪, ৫৪০৫; মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৪, আহমাদ ১৯৯৪, ১৯৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৭)
আবূ বকর, ’উমার ও ’উসমান (রাযি.) মাংস খেয়ে উযূ করেননি।
২০৭. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীর কাঁধের মাংস খেলেন। অতঃপর সালাত আদায় করলেন; কিন্তু উযূ করলেন না। (৫৪০৪, ৫৪০৫; মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৪, আহমাদ ১৯৯৪, ১৯৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৭)