হাদিস নং: ১৩৫
সহিহ (Sahih)
اسحاق بن ابراهيم الحنظلي قال اخبرنا عبد الرزاق قال اخبرنا معمر عن همام بن منبه انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقبل صلاة من احدث حتى يتوضا قال رجل من حضرموت ما الحدث يا ابا هريرة قال فساء او ضراط.
৪/১. بَاب مَا جَاءَ فِي الْوُضُوءِ
৪/১. উযূর বর্ণনা।
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاَةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ)
قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ وَبَيَّنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ فَرْضَ الْوُضُوءِ مَرَّةً مَرَّةً وَتَوَضَّأَ أَيْضًا مَرَّتَيْنِ وَثَلاَثًا وَلَمْ يَزِدْ عَلَى ثَلاَثٍ وَكَرِهَ أَهْلُ الْعِلْمِ الْإِسْرَافَ فِيهِ وَأَنْ يُجَاوِزُوا فِعْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ (ওহে যারা ঈমান এনেছ!) তোমরা যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতে চাও তখন ধৌত করে নিবে নিজেদের মুখমণ্ডল
এবং হাত কনুই পর্যন্ত আর মাসেহ করে নিবে নিজেদের মস্তক এবং ধৌত করে নিবে নিজেদের পা গ্রন্থি পর্যন্ত। (সূরাহ্ আল-মায়িদাহ্ ৫/৬)
আবূ ’আবদুল্লাহ্ বুখারী (রহ.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উযূর ফরজ হ’ল এক-একবার করে ধোয়া। তিনি দু’-দু’বার করে এবং তিন-তিনবার করেও উযূ করেছেন, কিন্তু তিনবারের অধিক ধৌত করেননি। পানির অপচয় করা এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ’আমলের সীমা অতিক্রম করাকে ’উলামায়ে কিরাম মাকরূহ বলেছেন।
১৩৫. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’যে ব্যক্তির হাদাস হয় তার সালাত কবূল হবে না, যতক্ষণ না সে উযূ করে। হাযরা-মাওতের জনৈক ব্যক্তি বলল, ’হে আবূ হুরাইরাহ! হাদাস কী?’ হাদাস কী?’ তিনি বললেন, ’নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু বের হওয়া।’ (৬৯৫৪; মুসলিম ২/২, হাঃ ২২৫, আহমাদ ৮০৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৭)
৪/১. উযূর বর্ণনা।
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاَةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ)
قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ وَبَيَّنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ فَرْضَ الْوُضُوءِ مَرَّةً مَرَّةً وَتَوَضَّأَ أَيْضًا مَرَّتَيْنِ وَثَلاَثًا وَلَمْ يَزِدْ عَلَى ثَلاَثٍ وَكَرِهَ أَهْلُ الْعِلْمِ الْإِسْرَافَ فِيهِ وَأَنْ يُجَاوِزُوا فِعْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ (ওহে যারা ঈমান এনেছ!) তোমরা যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতে চাও তখন ধৌত করে নিবে নিজেদের মুখমণ্ডল
এবং হাত কনুই পর্যন্ত আর মাসেহ করে নিবে নিজেদের মস্তক এবং ধৌত করে নিবে নিজেদের পা গ্রন্থি পর্যন্ত। (সূরাহ্ আল-মায়িদাহ্ ৫/৬)
আবূ ’আবদুল্লাহ্ বুখারী (রহ.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উযূর ফরজ হ’ল এক-একবার করে ধোয়া। তিনি দু’-দু’বার করে এবং তিন-তিনবার করেও উযূ করেছেন, কিন্তু তিনবারের অধিক ধৌত করেননি। পানির অপচয় করা এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ’আমলের সীমা অতিক্রম করাকে ’উলামায়ে কিরাম মাকরূহ বলেছেন।
১৩৫. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’যে ব্যক্তির হাদাস হয় তার সালাত কবূল হবে না, যতক্ষণ না সে উযূ করে। হাযরা-মাওতের জনৈক ব্যক্তি বলল, ’হে আবূ হুরাইরাহ! হাদাস কী?’ হাদাস কী?’ তিনি বললেন, ’নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু বের হওয়া।’ (৬৯৫৪; মুসলিম ২/২, হাঃ ২২৫, আহমাদ ৮০৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৭)
হাদিস নং: ১৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن خالد، عن سعيد بن ابي هلال، عن نعيم المجمر، قال رقيت مع ابي هريرة على ظهر المسجد، فتوضا فقال اني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يقول " ان امتي يدعون يوم القيامة غرا محجلين من اثار الوضوء، فمن استطاع منكم ان يطيل غرته فليفعل
১৩৬. নু‘আয়ম মুজমির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযি.)-এর সঙ্গে মসজিদের ছাদে উঠলাম। অতঃপর তিনি উযূ করে বললেনঃ ‘আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন আমার উম্মাতকে এমন অবস্থায় আহবান করা হবে যে, উযূর প্রভাবে তাদের হাত-পা ও মুখমণ্ডল
উজ্জ্বল থাকবে। তাই তোমাদের মধ্যে যে এ উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিতে পারে, সে যেন তা করে।’ (মুসলিম ২/১২, হাঃ ২৪৬, আহমাদ ৯২০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৮)
উজ্জ্বল থাকবে। তাই তোমাদের মধ্যে যে এ উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিতে পারে, সে যেন তা করে।’ (মুসলিম ২/১২, হাঃ ২৪৬, আহমাদ ৯২০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৮)
হাদিস নং: ১৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا الزهري، عن سعيد بن المسيب، وعن عباد بن تميم، عن عمه، انه شكا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم الرجل الذي يخيل اليه انه يجد الشىء في الصلاة. فقال " لا ينفتل ـ او لا ينصرف ـ حتى يسمع صوتا او يجد ريحا "
১৩৭. ‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রহ.)-এর চাচা হতে বর্ণিত। একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল যে, তার মনে হয়েছিল যেন সালাতের মধ্যে কিছু হয়ে গিয়েছিল। তিনি বললেনঃ সে যেন ফিরে না যায়, যতক্ষণ না শব্দ শোনে বা দুর্গন্ধ পায়। (১৭৭, ২০৫৬; মুসলিম ৩/২৬, হাঃ ৩৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৯)
হাদিস নং: ১৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، عن عمرو، قال اخبرني كريب، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم نام حتى نفخ ثم صلى ـ وربما قال اضطجع حتى نفخ ـ ثم قام فصلى. ثم حدثنا به سفيان مرة بعد مرة عن عمرو عن كريب عن ابن عباس قال بت عند خالتي ميمونة ليلة، فقام النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم من الليل، فلما كان في بعض الليل قام النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فتوضا من شن معلق وضوءا خفيفا ـ يخففه عمرو ويقلله ـ وقام يصلي فتوضات نحوا مما توضا، ثم جىت فقمت عن يساره ـ وربما قال سفيان عن شماله ـ فحولني فجعلني عن يمينه، ثم صلى ما شاء الله، ثم اضطجع، فنام حتى نفخ، ثم اتاه المنادي فاذنه بالصلاة، فقام معه الى الصلاة، فصلى ولم يتوضا. قلنا لعمرو ان ناسا يقولون ان رسول الله صلى الله عليه وسلم تنام عينه ولا ينام قلبه. قال عمرو سمعت عبيد بن عمير يقول رويا الانبياء وحى، ثم قرا (اني ارى في المنام اني اذبحك).
১৩৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়েছিলেন, এমনকি তাঁর নিঃশ্বাসের শব্দ হতে লাগল। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন। সুফ্ইয়ান (রহ.) আবার কখনো বলেছেন, তিনি শুয়ে পড়লেন, এমনকি নাক ডাকার আওয়ায হতে লাগল। অতঃপর দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। অন্য সূত্রে সুফইয়ান (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ আমি এক রাতে আমার খালা মাইমূনাহ (রহ.)-এর নিকট রাত কাটালাম। রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে উঠলেন এবং রাতের কিছু অংশ চলে যাবার পর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঝুলন্ত মশক হতে হালকা ধরনের উযূ করলেন। রাবী ‘আমর (রহ.) বলেন যে, হালকাভাবে ধুলেন, পানি কম ব্যবহার করলেন এবং সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, তখন তিনি যেভাবে উযূ করেছেন আমিও সেভাবে উযূ করলাম এবং এসে তাঁর বাঁয়ে দাঁড়িয়ে গেলাম। সুফইয়ান (রহ.) কখনো কখনো يسار (বাম) শব্দের স্থলে شمال বলতেন। তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ধরে তাঁর ডান দিকে দাঁড় করালেন। অতঃপর আল্লাহর যতক্ষণ ইচ্ছা ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি সালাত আদায় করলেন। অতঃপর কাত হলেন আর ঘুমিয়ে পড়লেন, এমনকি তাঁর নাক ডাকালেন। অতঃপর মুয়াযযিন এসে তাঁকে সালাতের কথা জানিয়ে দিলেন। তিনি তার সঙ্গে সালাতের জন্য চললেন এবং সালাত আদায় করলেন, কিন্তু উযূ করলেন না। আমরা ‘আমর (রহ.)-কে বললামঃ লোকে বলে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চোখ ঘুমায় কিন্তু তাঁর অন্তর ঘুমায় না। তখন ‘আমর (রহ.) বললেন, ‘আমি ‘উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহ.)-কে বলতে শুনেছি, নবীগণের স্বপ্ন ওয়াহী। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন। إِنِّي أَرَى فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ ‘‘আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, তোমাকে কুরবানী করছি’’- (সূরাহ্ আস্ সাফ্ফাত ৩৭/১০২)। (১১৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪০)
হাদিস নং: ১৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن موسى بن عقبة، عن كريب، مولى ابن عباس عن اسامة بن زيد، انه سمعه يقول دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفة حتى اذا كان بالشعب نزل فبال، ثم توضا ولم يسبغ الوضوء. فقلت الصلاة يا رسول الله. فقال " الصلاة امامك ". فركب، فلما جاء المزدلفة نزل فتوضا، فاسبغ الوضوء، ثم اقيمت الصلاة فصلى المغرب، ثم اناخ كل انسان بعيره في منزله، ثم اقيمت العشاء فصلى ولم يصل بينهما.
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ الْإِنْقَاءُ.
ইবনু ’উমার (রাযি.) বলেন, ’ভালভাবে পরিষ্কার করাই হল পূর্ণরূপে উযূ করা।’
১৩৯. উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আরাফার ময়দান হতে রওনা হলেন এবং উপত্যকায় পৌঁছে নেমে তিনি পেশাব করলেন। অতঃপর উযূ করলেন কিন্তু উত্তমরূপে উযূ করলেন না। আমি বললাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! সালাত আদায় করবেন কি?’ তিনি বললেনঃ ’সালাতের স্থান তোমার সামনে।’ অতঃপর তিনি আবার সওয়ার হলেন। অতঃপর মুযদালিফায় এসে সওয়ারী থেকে নেমে উযূ করলেন। এবার পূর্ণরূপে উযূ করলেন। তখন সালাতের জন্য ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেওয়া হল। তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সকলে তাদের অবতরণস্থলে নিজ নিজ উট বসিয়ে দিল। পুনরায় ’ইশার ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হল। অতঃপর তিনি ঈশার সালাত আদায় করলেন এবং উভয় সালাতের মধ্যে অন্য কোন সালাত আদায় করলেন না। (১৮১, ১৬৬৭, ১৬৬৯, ১৬৭২; মুসলিম ১৫/৪৫, হাঃ ১২৮০, আহমাদ ২১৮০১, ২১৮০৮, ২১৮৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪১)
ইবনু ’উমার (রাযি.) বলেন, ’ভালভাবে পরিষ্কার করাই হল পূর্ণরূপে উযূ করা।’
১৩৯. উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আরাফার ময়দান হতে রওনা হলেন এবং উপত্যকায় পৌঁছে নেমে তিনি পেশাব করলেন। অতঃপর উযূ করলেন কিন্তু উত্তমরূপে উযূ করলেন না। আমি বললাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! সালাত আদায় করবেন কি?’ তিনি বললেনঃ ’সালাতের স্থান তোমার সামনে।’ অতঃপর তিনি আবার সওয়ার হলেন। অতঃপর মুযদালিফায় এসে সওয়ারী থেকে নেমে উযূ করলেন। এবার পূর্ণরূপে উযূ করলেন। তখন সালাতের জন্য ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেওয়া হল। তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সকলে তাদের অবতরণস্থলে নিজ নিজ উট বসিয়ে দিল। পুনরায় ’ইশার ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হল। অতঃপর তিনি ঈশার সালাত আদায় করলেন এবং উভয় সালাতের মধ্যে অন্য কোন সালাত আদায় করলেন না। (১৮১, ১৬৬৭, ১৬৬৯, ১৬৭২; মুসলিম ১৫/৪৫, হাঃ ১২৮০, আহমাদ ২১৮০১, ২১৮০৮, ২১৮৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪১)
হাদিস নং: ১৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، قال اخبرنا ابو سلمة الخزاعي، منصور بن سلمة قال اخبرنا ابن بلال ـ يعني سليمان ـ عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن ابن عباس، انه توضا فغسل وجهه، ثم اخذ غرفة من ماء، فمضمض بها واستنشق، ثم اخذ غرفة من ماء، فجعل بها هكذا، اضافها الى يده الاخرى، فغسل بهما وجهه، ثم اخذ غرفة من ماء، فغسل بها يده اليمنى، ثم اخذ غرفة من ماء، فغسل بها يده اليسرى، ثم مسح براسه، ثم اخذ غرفة من ماء فرش على رجله اليمنى حتى غسلها، ثم اخذ غرفة اخرى، فغسل بها رجله ـ يعني اليسرى ـ ثم قال هكذا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضا.
১৪০. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি উয়ু করলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল
ধুলেন। এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে অনুরূপ করলেন অর্থাৎ আরেক হাতের সাথে মিলিয়ে মুখমণ্ডল
ধুলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে ডান হাত ধুলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে তাঁর বাঁ হাত ধুলেন। অতঃপর তিনি মাথা মাসহ(মাসেহ) করলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে ডান পায়ের উপর ঢেলে দিয়ে তা ধুয়ে ফেললেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে বাম পা ধুলেন। অতঃপর বললেনঃ ‘আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এভাবে উযূ করতে দেখেছি।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২)
ধুলেন। এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে অনুরূপ করলেন অর্থাৎ আরেক হাতের সাথে মিলিয়ে মুখমণ্ডল
ধুলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে ডান হাত ধুলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে তাঁর বাঁ হাত ধুলেন। অতঃপর তিনি মাথা মাসহ(মাসেহ) করলেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে ডান পায়ের উপর ঢেলে দিয়ে তা ধুয়ে ফেললেন। অতঃপর আর এক আজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে বাম পা ধুলেন। অতঃপর বললেনঃ ‘আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এভাবে উযূ করতে দেখেছি।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪২)
হাদিস নং: ১৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن ابي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " لو ان احدكم اذا اتى اهله قال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا. فقضي بينهما ولد، لم يضره بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا ".
১৪১. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বলে, আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। আল্লাহ্! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং যা আমাদেরকে দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখ)- অতঃপর (এ মিলনের দ্বারা) তাদের কিসমতে কোন সন্তান থাকলে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (৩২৭১, ৩২৮৩, ৫১৬৫, ৬৩৮৮, ৭৩৯৬; মুসলিম ত্বলাক (তালাক) অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ১৭ হাঃ ১৪৩৪, আহমাদ ১৯০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩)
হাদিস নং: ১৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم، قال حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت انسا، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا دخل الخلاء قال " اللهم اني اعوذ بك من الخبث والخباىث ". تابعه ابن عرعرة عن شعبة. وقال غندر عن شعبة اذا اتى الخلاء. وقال موسى عن حماد اذا دخل. وقال سعيد بن زيد حدثنا عبد العزيز اذا اراد ان يدخل.
১৪২. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে শৌচাগারে যেতেন তখন বলতেন, “আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ” ’’হে আল্লাহ্! আমি মন্দ কাজ ও শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।’’ ইবনু ’আর’আরা (রহ.) শু’বাহ (রহ.) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেন। গুনদার (রহ.) শু’বাহ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا أَتَى الْخَلاَءَ (যখন শৌচাগারে যেতেন)। মূসা (রহ.) হাম্মাদ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا دَخَلَ (যখন প্রবেশ করতেন)। সা’ঈদ ইবনু যায়দ (রহ.) ’আবদুল ’আযীয (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন, ’যখন প্রবেশ করার ইচ্ছা করতেন।’ (৬৩২২; মুসলিম ৩/৪২, হাঃ ৩৭৫, আহমাদ ১১৯৪৭, ১১৯৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪)
হাদিস নং: ১৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا هاشم بن القاسم، قال حدثنا ورقاء، عن عبيد الله بن ابي يزيد، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم دخل الخلاء، فوضعت له وضوءا قال " من وضع هذا ". فاخبر فقال " اللهم فقهه في الدين
১৪৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় গেলেন, তখন আমি তাঁর জন্য উযূর পানি রাখলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ ‘এটা কে রেখেছে?’ তাঁকে জানানো হলে তিনি বললেনঃ ‘হে আল্লাহ্! তুমি তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান কর।’ (৭৫; মুসলিম ৪৪/৩০, হাঃ ২৪৭৭, আহমাদ ২৩৯৭, ২৮৮১, ৩০২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৫)
হাদিস নং: ১৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم، قال حدثنا ابن ابي ذىب، قال حدثنا الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن ابي ايوب الانصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اتى احدكم الغاىط فلا يستقبل القبلة ولا يولها ظهره، شرقوا او غربوا
১৪৪. আবূ আইয়ুব আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না করে, বরং তোমরা পূর্ব দিক এবং পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে (এই নির্দেশ মাদ্বীনার বাসিন্দাদের জন্য)।* (৩৯৪; মুসলিম ২/১৭, হাঃ ২৬৪, আহমাদ ২৩৫৮৩, ২৩৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬)
নোট: * যাদের ক্বিবলা উত্তর বা দক্ষিণে হবে তাদের জন্য এই হুকুম। আর যাদের ক্বিবলা পূর্ব বা পশ্চিমে তারা উত্তর বা দক্ষিণ দিকে মুখ করে বসবে।
হাদিস নং: ১৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن عمه، واسع بن حبان، عن عبد الله بن عمر، انه كان يقول ان ناسا يقولون اذا قعدت على حاجتك، فلا تستقبل القبلة ولا بيت المقدس. فقال عبد الله بن عمر لقد ارتقيت يوما على ظهر بيت لنا، فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم على لبنتين مستقبلا بيت المقدس لحاجته. وقال لعلك من الذين يصلون على اوراكهم، فقلت لا ادري والله. قال مالك يعني الذي يصلي ولا يرتفع عن الارض، يسجد وهو لاصق بالارض.
১৪৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘লোকে বলে পেশাব পায়খানা করার সময় ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হর দিকে এবং বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে বসবে না।’ ‘আবদুল্লাহ্ ইব্ন ‘উমার (রাযি.) বলেন, ‘আমি একদা আমাদের ঘরের ছাদে উঠলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখলাম বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে দু’টি ইটের উপর স্বীয় প্রয়োজনে বসেছেন। তিনি [ওয়াসী (রহ.)-কে] বললেন, তুমি বোধ হয় তাদের মধ্যে শামিল, যারা পাছায় ভর দিয়ে সালাত আদায় করে। আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! আমি জানি না।’ মালিক (রহ.) বলেন, (এর অর্থ হলো) যারা সালাত আদায় করে এবং মাটি থেকে পাছা না উঠিয়ে সিজদা দেয়। (১৪৮,১৪৯,৩১০২ ; মুসলিম ২/১৭, হাঃ ২৬৬, আহমাদ ৪৮১২, ৪৯৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪২ হাদীসের শেষাংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৭)
হাদিস নং: ১৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عاىشة، ان ازواج النبي، صلى الله عليه وسلم كن يخرجن بالليل اذا تبرزن الى المناصع ـ وهو صعيد افيح ـ فكان عمر يقول للنبي صلى الله عليه وسلم احجب نساءك. فلم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل، فخرجت سودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ليلة من الليالي عشاء، وكانت امراة طويلة، فناداها عمر الا قد عرفناك يا سودة. حرصا على ان ينزل الحجاب، فانزل الله اية الحجاب.
১৪৬. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রীগণ রাতের বেলায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে খোলা ময়দানে যেতেন। আর ‘উমার (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতেন, ‘আপনার স্ত্রীগণকে পর্দায় রাখুন।’ কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করেননি। এক রাতে ‘ইশার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী সওদাহ বিন্তু যাম‘আহ (রাযি.) প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হন। তিনি ছিলেন দীর্ঘাঙ্গী। ‘উমার (রাযি.) তাঁকে ডেকে বললেন, ‘হে সওদা! আমি কিন্তু তোমাকে চিনে ফেলেছি।’ যেন পর্দার হুকুম অবতীর্ণ হয় সেই উদ্দেশ্যেই তিনি এ কথা বলেছিলেন। অতঃপর আল্লাহ্ তা‘আলা পর্দার হুকুম অবতীর্ণ করেন। (১৪৭, ৪৭৯৫, ৫২৩৭, ৬২৪০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৮)
হাদিস নং: ১৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا زكرياء، قال حدثنا ابو اسامة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قد اذن ان تخرجن في حاجتكن ". قال هشام يعني البراز
১৪৭. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ‘তোমাদের প্রয়োজনের জন্য বের হবার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’ হিশাম (রহ.) বলেন, অর্থাৎ পেশাব পায়খানার জন্য। (১৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৯)
হাদিস নং: ১৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، قال حدثنا انس بن عياض، عن عبيد الله، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن واسع بن حبان، عن عبد الله بن عمر، قال ارتقيت فوق ظهر بيت حفصة لبعض حاجتي، فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقضي حاجته مستدبر القبلة مستقبل الشام.
১৪৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি আমার বিশেষ এক প্রয়োজনে হাফসাহ (রাযি.)-এর ঘরের ছাদে উঠলাম। তখন দেখলাম, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে শাম-এর দিকে মুখ করে তাঁর প্রয়োজনে বসেছেন।’ (১৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫০)
হাদিস নং: ১৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا يعقوب بن ابراهيم، قال حدثنا يزيد بن هارون، قال اخبرنا يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، ان عمه، واسع بن حبان، اخبره ان عبد الله بن عمر اخبره قال لقد ظهرت ذات يوم على ظهر بيتنا، فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم قاعدا على لبنتين مستقبل بيت المقدس.
১৪৯. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘একদা আমি আমাদের ঘরের উপর উঠে দেখলাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি ইটের উপর বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বসেছেন। (১৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫১)
হাদিস নং: ১৫০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، هشام بن عبد الملك قال حدثنا شعبة، عن ابي معاذ ـ واسمه عطاء بن ابي ميمونة ـ قال سمعت انس بن مالك، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم اذا خرج لحاجته اجيء انا وغلام معنا اداوة من ماء. يعني يستنجي به.
১৫০. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হতেন তখন আমি ও অপর একটি ছেলে পানির পাত্র নিয়ে আসতাম। অর্থাৎ তিনি তা দিয়ে শৌচকার্য সারতেন। (১৫১, ১৫২, ২১৭, ৫০০; মুসলিম ২/২১, হাঃ ২৭০, আহমাদ ১৩৭১৯, ১৩১০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫২)
হাদিস নং: ১৫১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا شعبة، عن ابي معاذ ـ هو عطاء بن ابي ميمونة ـ قال سمعت انسا، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا خرج لحاجته تبعته انا وغلام منا معنا اداوة من ماء.
وَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ أَلَيْسَ فِيكُمْ صَاحِبُ النَّعْلَيْنِ وَالطَّهُورِ وَالْوِسَادِ.
আবুদ-দারদা (রাযি.) বলেন, তোমাদের মধ্যে কি জুতা, পানি ও বালিশ বহনকারী ব্যক্তিটি [’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাযি.)] নেই?
১৫১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হতেন তখন আমি এবং আমাদের অন্য একটি ছেলে তাঁর পিছনে পানির পাত্র নিয়ে যেতাম। (১৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৩)
আবুদ-দারদা (রাযি.) বলেন, তোমাদের মধ্যে কি জুতা, পানি ও বালিশ বহনকারী ব্যক্তিটি [’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাযি.)] নেই?
১৫১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হতেন তখন আমি এবং আমাদের অন্য একটি ছেলে তাঁর পিছনে পানির পাত্র নিয়ে যেতাম। (১৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৩)
হাদিস নং: ১৫২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا محمد بن جعفر، قال حدثنا شعبة، عن عطاء بن ابي ميمونة، سمع انس بن مالك، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخل الخلاء، فاحمل انا وغلام اداوة من ماء، وعنزة، يستنجي بالماء. تابعه النضر وشاذان عن شعبة. العنزة عصا عليه زج.
১৫২. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় যেতেন তখন আমি এবং একটি ছেলে পানির পাত্র এবং ‘আনাযা’ নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করতেন। (১৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৯)
নাযর (রহ.) ও শাযান (রহ.) শু‘বাহ (রহ.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। হাদীসে বর্ণিত ‘আনাযা’ শব্দের অর্থ এমন লাঠি যার মাথায় লোহা লাগানো থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৪)
নাযর (রহ.) ও শাযান (রহ.) শু‘বাহ (রহ.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। হাদীসে বর্ণিত ‘আনাযা’ শব্দের অর্থ এমন লাঠি যার মাথায় লোহা লাগানো থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৪)
হাদিস নং: ১৫৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا معاذ بن فضالة، قال حدثنا هشام ـ هو الدستواىي ـ عن يحيى بن ابي كثير، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا شرب احدكم فلا يتنفس في الاناء، واذا اتى الخلاء فلا يمس ذكره بيمينه، ولا يتمسح بيمينه ".
১৫৩. আবূ ক্বাতাদাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের কেউ যখন পান করে, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে। আর যখন শৌচাগারে যায় তখন তার পুরুষাঙ্গ যেন ডান হাত দিয়ে স্পর্শ না করে এবং ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য না করে। (১৫৪, ৫৬৩০; মুসলিম ২/১৮, হাঃ ২৬৭, আহমাদ ২২৬২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৫)
হাদিস নং: ১৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف، قال حدثنا الاوزاعي، عن يحيى بن ابي كثير، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا بال احدكم فلا ياخذن ذكره بيمينه، ولا يستنجي بيمينه، ولا يتنفس في الاناء ".
১৫৪. আবূ ক্বাতাদাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন পেশাব করে তখন সে যেন কখনো ডান হাত দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ না ধরে এবং ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য না করে এবং পান করার সময় যেন পাত্রের মধ্যে শ্বাস না ছাড়ে। (১৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৬)