হাদিস নং: ২৩৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل قال حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عذبت امراة في هرة حبستها حتى ماتت جوعا فدخلت فيها النار قال فقال والله اعلم لا انت اطعمتها ولا سقيتها حين حبستيها ولا انت ارسلتها فاكلت من خشاش الارض
২৩৬৫. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল, অবশেষে বিড়ালটি ক্ষুধায় মারা যায়। এ কারণে মহিলা জাহান্নামে প্রবেশ করল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি [রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] বলেন, আল্লাহ ভালো জানেন, বাঁধা থাকাকালীন তুমি তাকে না খেতে দিয়েছিলে, না পান করতে দিয়েছিলে এবং না তুমি তাকে ছেড়ে দিয়েছিলে, তা হলে সে জমিনের পোকা-কামড় খেয়ে বেঁচে থাকত। (৩৩১৮, ৩৪৮২, মুসলিম ৩৯/৪০, হাঃ ২২৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২০৯)
হাদিস নং: ২৩৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا عبد العزيز عن ابي حازم عن سهل بن سعد قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بقدح فشرب وعن يمينه غلام هو احدث القوم والاشياخ عن يساره قال يا غلام اتاذن لي ان اعطي الاشياخ فقال ما كنت لاوثر بنصيبي منك احدا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعطاه اياه
২৩৬৬. সাহল ইবনু সা‘দ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট একটি পানির পেয়ালা আনা হল। তিনি তা হতে পানি পান করলেন। তাঁর ডানদিকে একজন বালক ছিল, সে ছিল লোকদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়স্ক এবং বয়োজ্যেষ্ঠ লোকেরা তাঁর বাঁ দিকে ছিল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে বৎস! তুমি কি আমাকে জ্যেষ্ঠদের এটি দিতে অনুমতি দিবে? সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার উচ্ছিষ্টের ব্যাপারে নিজের উপর কাউকে প্রাধান্য দিতে চাই না। এরপর তিনি তাকেই সেটি দিলেন। (২৩৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১০)
হাদিস নং: ২৩৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن محمد بن زياد سمعت ابا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لاذودن رجالا عن حوضي كما تذاد الغريبة من الابل عن الحوض
২৩৬৭. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমি নিশ্চয়ই (কিয়ামতের দিন) আমার হাউজ (কাউসার) হতে কিছু লোকদেরকে এমনভাবে তাড়াব, যেমন অপরিচিত উট হাউজ হতে তাড়ানো হয়। (মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২৩০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১১)
হাদিস নং: ২৩৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد اخبرنا عبد الرزاق اخبرنا معمر عن ايوب وكثير بن كثير يزيد احدهما على الاخر عن سعيد بن جبير قال قال ابن عباس قال النبي صلى الله عليه وسلم يرحم الله ام اسماعيل لو تركت زمزم او قال لو لم تغرف من الماء لكانت عينا معينا واقبل جرهم فقالوا اتاذنين ان ننزل عندك قالت نعم ولا حق لكم في الماء قالوا نعم
২৩৬৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইসমাঈল (আঃ)-এর মা হাজিরা (আ.)-এর উপর আল্লাহ রহম করুন। কেননা, যদি তিনি যামযামকে স্বাভাবিক অবস্থায় ছেড়ে দিতেন অথবা তিনি বলেছেন, যদি তা হতে অঞ্চলে পানি না নিতেন, তা হলে তা একটি প্রবাহিত ঝরণায় পরিণত হত। জুরহাম গোত্র তাঁর নিকট এসে বলল, আপনি কি আমাদেরকে আপনার নিকট অবস্থান করার অনুমতি দিবেন? তিনি (হাজিরা) বললেন, হ্যাঁ। তবে পানির উপর তোমাদের কোন অধিকার থাকবে না। তারা বলল, ঠিক আছে। (৩৩৬২, ৩৩৬৩, ৩৩৬৪, ৩৩৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১২)
হাদিস নং: ২৩৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو عن ابي صالح السمان عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة ولا ينظر اليهم رجل حلف على سلعة لقد اعطى بها اكثر مما اعطى وهو كاذب ورجل حلف على يمين كاذبة بعد العصر ليقتطع بها مال رجل مسلم ورجل منع فضل ماء فيقول الله اليوم امنعك فضلي كما منعت فضل ما لم تعمل يداك قال علي حدثنا سفيان غير مرة عن عمرو سمع ابا صالح يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم
২৩৬৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন শ্রেণীর লোকের সাথে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না এবং তাদের প্রতি তাকাবেনও না। (এক) যে ব্যক্তি কোন মাল সামানের ব্যাপারে মিথ্যা কসম খেয়ে বলে যে, এর দাম এর চেয়ে বেশী বলেছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও সে তা বিক্রি করেনি। (দুই) যে ব্যক্তি আসরের সালাতের পর একজন মুসলিমের মাল-সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশে মিথ্যা কসম করে। (তিন) যে ব্যক্তি তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি মানুষকে দেয় না। আল্লাহ তা‘আলা বলবেন (কিয়ামতের দিন) আজ আমি আমার অনুগ্রহ হতে তোমাকে বঞ্চিত রাখব যেরূপ তুমি তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি হতে বঞ্চিত রেখেছিলে অথচ তা তোমার হাতের তৈরী নয়। ‘আলী (রহ.) আর সালিহ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি হাদীসের সনদটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। (২৩৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৩)
হাদিস নং: ২৩৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن ابن عباس ان الصعب بن جثامة قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا حمى الا لله ولرسوله يحيى وقال بلغنا ان النبي صلى الله عليه وسلم حمى النقيع وان عمر حمى السرف والربذة
২৩৭০. সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চারণভূমি সংরক্ষিত করা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আর কারো অধিকারে নেই। তিনি (রাবী) বলেন, আমাদের নিকট রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাকী‘র চারণভূমি (নিজের জন্য) সংরক্ষিত করেছিলেন, আর ‘উমার (রাঃ) সারাফ ও রাবাযার চারণভূমি সংরক্ষণ করেছিলেন। (৩০১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৪)
হাদিস নং: ২৩৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك بن انس عن زيد بن اسلم عن ابي صالح السمان عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الخيل لرجل اجر ولرجل ستر وعلى رجل وزر فاما الذي له اجر فرجل ربطها في سبيل الله فاطال بها في مرج او روضة فما اصابت في طيلها ذلك من المرج او الروضة كانت له حسنات ولو انه انقطع طيلها فاستنت شرفا او شرفين كانت اثارها وارواثها حسنات له ولو انها مرت بنهر فشربت منه ولم يرد ان يسقي كان ذلك حسنات له فهي لذلك اجر ورجل ربطها تغنيا وتعففا ثم لم ينس حق الله في رقابها ولا ظهورها فهي لذلك ستر ورجل ربطها فخرا ورياء ونواء لاهل الاسلام فهي على ذلك وزر وسىل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحمر فقال ما انزل علي فيها شيء الا هذه الاية الجامعة الفاذة ( فمن يعمل مثقال ذرة خيرا يره ومن يعمل مثقال ذرة شرا يره )
২৩৭১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঘোড়া একজনের জন্য সাওয়াব, একজনের জন্য ঢাল এবং আরেকজনের জন্য পাপ। সাওযাব হয় তার জন্য, যে আল্লাহর রাস্তায় তা জিহাদের উদ্দেশে বেঁধে রাখে এবং সে ঘোড়ার রশি চারণভূমি বা বাগানে লম্বা করে দেয়। এমতাবস্থায় সে ঘোড়া চারণভূমি বা বাগানে তার রশির দৈর্ঘ্য পরিমাণ যতটুকু চরবে, সে ব্যক্তির জন্য সে পরিমাণ সাওয়াব হবে। যদি তার রশি ছিঁড়ে যায় এবং সে একটি কিংবা দু’টি টিলা অতিক্রম করে, তাহলে তার প্রতিটি পদচিহ্ন ও তার গোবর মালিকের জন্য সাওয়াব হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি তা কোন নহরের পাশ দিয়ে যায় এবং মালিকের ইচ্ছা ব্যতিরেকে সে তা হতে পানি পান করে, তাহলে এ জন্য মালিক সাওয়াব পাবে। আর ঢাল স্বরূপ সে লোকের জন্য, যে পরমুখাপেক্ষিতা ও ভিক্ষাবৃত্তি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য তাকে বেঁধে রাখে। তারপর এর পিঠে ও গর্দানে আল্লাহর নির্ধারিত হক আদায় করতে ভুল করে না। গুনাহর কারণ সে লোকের জন্য, যে তাকে অহঙ্কার ও লোক দেখাবার কিংবা মুসলিমদের প্রতি শত্রুতার উদ্দেশে বেঁধে রাখে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমার প্রতি কোন আয়াত নাযিল হয়নি। তবে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ ও অন্যান্য আয়াত রয়েছে। (তা হলো আল্লাহ তা‘আলার এ বাণী) ‘‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে সে তাও দেখতে পাবে’’- (যিলযালঃ ৭-৮)। (২৮৬০, ৩৬৪৬, ৪৯৬২, ৪৯৬৩, ৭৩৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৫)
হাদিস নং: ২৩৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل حدثنا مالك عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني قال جاء رجل الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساله عن اللقطة فقال اعرف عفاصها ووكاءها ثم عرفها سنة فان جاء صاحبها والا فشانك بها قال فضالة الغنم قال هي لك او لاخيك او للذىب قال فضالة الابل قال ما لك ولها معها سقاوها وحذاوها ترد الماء وتاكل الشجر حتى يلقاها ربها
২৩৭২. যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেন, থলেটি এবং তার মুখের বন্ধনটি চিনে রাখ। তারপর এক বছর পর্যন্ত তা ঘোষণা করতে থাক। যদি তার মালিক এসে যায় তো ভাল। তা না হলে সে ব্যাপারে তুমি যা ভাল মনে কর তা করবে। সে আবার জিজ্ঞেস করল, হারানো বকরি কী করব? তিনি বললেন, সেটি হয় তোমার, না হয় তোমার ভাইয়ের, না হয় নেকড়ে বাঘের। সে আবার জিজ্ঞেস করল, হারানো উট হলে কী করব? তিনি বললেন, তাতে তোমার প্রয়োজন কী? তার সঙ্গে তার মশ্ক ও খুর রয়েছে। সে জলাশয়ে উপস্থিত হবে এবং গাছপালা খাবে, শেষ পর্যন্ত তার মালিক তাকে পেয়ে যাবে। (৯১, মুসলিম ৩১ অধ্যায়ের প্রথমে, হাঃ ১৭২২, আহমাদ ১৭০৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৬)
হাদিস নং: ২৩৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا معلى بن اسد حدثنا وهيب عن هشام عن ابيه عن الزبير بن العوام عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لان ياخذ احدكم احبلا فياخذ حزمة من حطب فيبيع فيكف الله به وجهه خير من ان يسال الناس اعطي ام منع
২৩৭৩. যুবাইর ইবনু আওয়াম (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ রশি নিয়ে খড়ির আঁটি বেঁধে তা বিক্রি করে, এতে আল্লাহ তা‘আলা তার সম্মান রক্ষা করেন, এটা তার জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষা করার চেয়ে উত্তম! লোকজনের নিকট এমন চাওয়ার চেয়ে, যে চাওয়ায় কিছু পাওয়া যেতে পারে বা নাও পারে। (১৪৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৭)
হাদিস নং: ২৩৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن ابي عبيد مولى عبد الرحمن بن عوف انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا×ن يحتطب احدكم حزمة على ظهره خير له من ان يسال احدا فيعطيه او يمنعه
২৩৭৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কারো নিকট সাওয়াল করা, যাতে সে তাকে কিছু দিতেও পারে, আবার নাও দিতে পারে, এর চেয়ে পিঠে বোঝা বহন করা (তা বিক্রি করা) উত্তম। (১৪৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৮)
হাদিস নং: ২৩৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا هشام ان ابن جريج اخبرهم قال اخبرني ابن شهاب عن علي بن حسين بن علي عن ابيه حسين بن علي عن علي بن ابي طالب انه قال اصبت شارفا مع رسول الله في مغنم يوم بدر قال واعطاني رسول الله صلى الله عليه وسلم شارفا اخرى فانختهما يوما عند باب رجل من الانصار وانا اريد ان احمل عليهما اذخرا لابيعه ومعي صاىغ من بني قينقاع فاستعين به على وليمة فاطمة وحمزة بن عبد المطلب يشرب في ذلك البيت معه قينة فقالت الا يا حمز للشرف النواء فثار اليهما حمزة بالسيف فجب اسنمتهما وبقر خواصرهما ثم اخذ من اكبادهما قلت لابن شهاب ومن السنام قال قد جب اسنمتهما فذهب بها قال ابن شهاب قال علي فنظرت الى منظر افظعني فاتيت نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده زيد بن حارثة فاخبرته الخبر فخرج ومعه زيد فانطلقت معه فدخل على حمزة فتغيظ عليه فرفع حمزة بصره وقال هل انتم الا عبيد لاباىي فرجع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقهقر حتى خرج عنهم وذلك قبل تحريم الخمر
২৩৭৫. ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে আমি গনীমতের মাল হিসাবে একটি উট লাভ করি। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আরো একটি উট দেন। একদিন আমি উট দু’টিকে একজন আনসারীর ঘরের দরজায় বসাই। আমার ইচ্ছা ছিল এদের উপর ইযখির (এক ধরনের ঘাস) চাপিয়ে তা বিক্রি করতে নিয়ে যাব। আমার সাথে বনূ কায়নুকার একজন স্বর্ণকার ছিল। আমি এর (ইযখির বিক্রি লব্ধ টাকা) দ্বারা ফাতিমা (রাঃ)-এর ওলীমাহ করতে সমর্থ হব। সে ঘরে হামযাহ ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) শরাব পান করছিলেন। আর তাঁর সাথে একজন গায়িকাও ছিল। সে বলল, হে হামযাহ! তৈরী হও, মোটা উটগুলোর উদ্দেশে। এরপর হামযাহ (রাঃ) উট দু’টোর দিকে তরবারি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাদের কুজ দু’টিও কেটে নিলেন এবং পেট ফেড়ে উভয়ের কলিজা বের করে নিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ইবনু শিহাব (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করি, কুজ কি করা হল? তিনি বলেন, সেটি কেটে নিয়ে গেলেন। ইবনু শিহাব বলেন, ‘আলী বলেছেন, এই দৃশ্য দেখলাম এবং তা আমাকে ঘাবড়িয়ে দিল। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আসলাম। তাঁর নিকট তখন যায়দ ইবনু হারিসাহ (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। আমি তাঁকে খবর বললাম। তিনি বের হলেন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন যায়দ (রাঃ)। আমিও তাঁর সঙ্গে গেলাম। তিনি হামযা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করলেন। হামযাহ দৃষ্টি উঁচু করে তাঁদের দিকে তাকালেন। আর বললেন, তোমরা আমার বাপ-দাদার দাস বটে। হামযাহ (রাঃ)-এর এ অবস্থা দেখে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিছনে সরে তাদের নিকট হতে চলে আসলেন। ঘটনাটি শরাব হারাম হওয়ার পূর্বের। (২০৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১৯)
হাদিস নং: ২৩৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن يحيى بن سعيد قال سمعت انسا قال اراد النبي صلى الله عليه وسلم ان يقطع من البحرين فقالت الانصار حتى تقطع لاخواننا من المهاجرين مثل الذي تقطع لنا قال سترون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني
২৩৭৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদেরকে বাহরাইনে কিছু জায়গীর দিতে চাইলেন। তারা বলল, আমাদের মুহাজির ভাইদেরও আমাদের মতো জায়গীর না দেয়া পর্যন্ত আমাদের জন্য জায়গীর দিবেন না। তিনি বলেন, আমার পরে শীঘ্রই তোমরা দেখবে, তোমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তখন তোমরা সবর করবে, যে পর্যন্ত না তোমরা আমার সঙ্গে মিলিত হও। (২৩৮৮, ৩১৬৩, ৩৭৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২০)
হাদিস নং: ২৩৭৭
সহিহ (Sahih)
وقال الليث عن يحيى بن سعيد عن انس دعا النبي الانصار ليقطع لهم بالبحرين فقالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان فعلت فاكتب لاخواننا من قريش بمثلها فلم يكن ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال انكم سترون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني
২৩৭৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদেরকে বাহরাইনে জায়গীর দেয়ার জন্য ডাকলেন। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি তা করেন, তা হলে আমাদের কুরাইশ ভাইদের জন্যও অনুরূপ জায়গীর লিখে দেন। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট তখন তা ছিল না। তারপর তিনি বলেন, আমার পর শীঘ্রই দেখবে, তোমাদের উপর অন্যদের প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তখন তোমরা সবর করবে, আমার সঙ্গে মিলিত হওয়া (মৃত্যু) পর্যন্ত। (২৩৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল মুসাকাত অনুচ্ছেদ-১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ১৪৮০)
হাদিস নং: ২৩৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا محمد بن فليح قال حدثني ابي عن هلال بن علي عن عبد الرحمن بن ابي عمرة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حق الابل ان تحلب على الماء
২৩৭৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উটের হক্ব হচ্ছে, পানির কাছে তার দুধ দোহন করা। (১৪০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২১)
হাদিস নং: ২৩৭৯
সহিহ (Sahih)
اخبرنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث حدثني ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن ابيه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من ابتاع نخلا بعد ان توبر فثمرتها للباىع الا ان يشترط المبتاع ومن ابتاع عبدا وله مال فماله للذي باعه الا ان يشترط المبتاع وعن مالك عن نافع عن ابن عمر عن عمر في العبد
قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَنْ بَاعَ نَخْلاً بَعْدَ أَنْ تُؤَبَّرَ فَثَمَرَتُهَا لِلْبَائِعِ فَلِلْبَائِعِ الْمَمَرُّ وَالسَّقْيُ حَتَّى يَرْفَعَ وَكَذَلِكَ رَبُّ الْعَرِيَّةِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন ব্যক্তি যদি খেজুর গাছের তা’বীর (স্ত্রী পুষ্পরেণু সংমিশ্রণ) করার পর তা বিক্রি করে, তাহলে তার ফল বিক্রেতার, চলার পথও পানির কূপ বিক্রেতার, যতক্ষণ ফল তুলে নেয়া না হয়। আরিয়্যার মালিকেরও এই হুকুম।
২৩৭৯. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি খেজুর গাছ তা‘বীর করার পর গাছ বিক্রয় করে, তার ফল বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা শর্ত করলে তা তারই। আর যদি কেউ গোলাম বিক্রয় করে এবং তার সম্পদ থাকে তবে সে সম্পদ যে বিক্রি করল তার। কিন্তু যদি ক্রেতা শর্ত করে তাহলে তা হবে তার। মালিক (রহ.) ...... ‘উমার (রাঃ) হতে গোলাম বিক্রয়ের ব্যাপারে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (২২০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২২)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন ব্যক্তি যদি খেজুর গাছের তা’বীর (স্ত্রী পুষ্পরেণু সংমিশ্রণ) করার পর তা বিক্রি করে, তাহলে তার ফল বিক্রেতার, চলার পথও পানির কূপ বিক্রেতার, যতক্ষণ ফল তুলে নেয়া না হয়। আরিয়্যার মালিকেরও এই হুকুম।
২৩৭৯. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি খেজুর গাছ তা‘বীর করার পর গাছ বিক্রয় করে, তার ফল বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা শর্ত করলে তা তারই। আর যদি কেউ গোলাম বিক্রয় করে এবং তার সম্পদ থাকে তবে সে সম্পদ যে বিক্রি করল তার। কিন্তু যদি ক্রেতা শর্ত করে তাহলে তা হবে তার। মালিক (রহ.) ...... ‘উমার (রাঃ) হতে গোলাম বিক্রয়ের ব্যাপারে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (২২০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২২)
হাদিস নং: ২৩৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن يحيى بن سعيد عن نافع عن ابن عمر عن زيد بن ثابت قال رخص النبي صلى الله عليه وسلم ان تباع العرايا بخرصها تمرا
২৩৮০. যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে আরায়্যা করার অনুমতি দিয়েছেন। (২১৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২৩)
হাদিস নং: ২৩৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن ابن جريج عن عطاء سمع جابر بن عبد الله نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن المخابرة والمحاقلة وعن المزابنة وعن بيع الثمر حتى يبدو صلاحها وان لا تباع الا بالدينار والدرهم الا العرايا
২৩৮১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখাবারা, মুহাকালা ও শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছের খেজুর বিক্রি করতে এবং ফল উপযুক্ত হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। গাছে থাকা অবস্থায় ফল দ্বীনার এবং দিরহামের বিনিময়ে ছাড়া যেন বিক্রি করা না হয়। তবে আরায়্যার অনুমতি দিয়েছেন। (১৪৮৭, মুসলিম ২১/১৬, হাঃ ১৫৩৬, আহমাদ ১৪৮৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২৪)
হাদিস নং: ২৩৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن قزعة اخبرنا مالك عن داود بن حصين عن ابي سفيان مولى ابن ابي احمد عن ابي هريرة قال رخص النبي صلى الله عليه وسلم في بيع العرايا بخرصها من التمر فيما دون خمسة اوسق او في خمسة اوسق شك داود في ذلك
২৩৮২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে পাঁচ ওসাক কিংবা তার চেয়ে কম আরায়্যার বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। বর্ণনাকারী দাউদ এ বিষয়ে সন্দেহ করেছেন। (২১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২৫)
হাদিস নং: ২৩৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا زكرياء بن يحيى اخبرنا ابو اسامة قال اخبرني الوليد بن كثير قال اخبرني بشير بن يسار مولى بني حارثة ان رافع بن خديج وسهل بن ابي حثمة حدثاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة بيع الثمر بالتمر الا اصحاب العرايا فانه اذن لهم
قال ابو عبد الله وقال ابن اسحاق حدثني بشير مثله
قال ابو عبد الله وقال ابن اسحاق حدثني بشير مثله
২৩৮৩-২৩৮৪. রাফি‘ ইবনু খাদীজ ও সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা অর্থাৎ গাছে ফল থাকা অবস্থায় তা শুকনো ফলের বিনিময়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু যারা আরায়্যা করে, তাদের জন্য তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন। (২১৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২৬)
ইবনু ইসহাক বলেন, বুশাইর আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইবনু ইসহাক বলেন, বুশাইর আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৩৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا زكرياء بن يحيى اخبرنا ابو اسامة قال اخبرني الوليد بن كثير قال اخبرني بشير بن يسار مولى بني حارثة ان رافع بن خديج وسهل بن ابي حثمة حدثاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة بيع الثمر بالتمر الا اصحاب العرايا فانه اذن لهم
قال ابو عبد الله وقال ابن اسحاق حدثني بشير مثله
قال ابو عبد الله وقال ابن اسحاق حدثني بشير مثله
২৩৮৩-২৩৮৪. রাফি‘ ইবনু খাদীজ ও সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা অর্থাৎ গাছে ফল থাকা অবস্থায় তা শুকনো ফলের বিনিময়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু যারা আরায়্যা করে, তাদের জন্য তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন। (২১৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২৬)
ইবনু ইসহাক বলেন, বুশাইর আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইবনু ইসহাক বলেন, বুশাইর আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।