অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫৭/১. খুমুস (এক পঞ্চমাংশ)
মোট ৬৫ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩০৯৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يقتسم ورثتي دينارا ما تركت بعد نفقة نساىي ومىونة عاملي فهو صدقة
৩০৯৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার উত্তরাধিকারীগণ একটি দ্বীনারও ভাগ বণ্টন করে নিবে না। আমি যা রেখে যাব, তা হতে আমার স্ত্রীগণের খরচাদি ও আমার কর্মচারীদের ব্যয় নির্বাহের পর বাকী যা থাকবে, তা সাদাকারূপে গণ্য হবে।’ (২৭৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৭৪)
হাদিস নং: ৩০৯৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن ابي شيبة حدثنا ابو اسامة حدثنا هشام عن ابيه عن عاىشة قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وما في بيتي من شيء ياكله ذو كبد الا شطر شعير في رف لي فاكلت منه حتى طال علي فكلته ففني
৩০৯৭. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হল, তখন আমার ঘরে এমন কোন বস্তু ছিল না, যা খেয়ে কোন প্রাণী বাঁচতে পারে। শুধুমাত্র তাকের উপর আধা ওয়াসাক আটা পড়ে ছিল। আমি তা হতে খেতে থাকলাম এবং বেশ কিছুকাল কেটে গেল। অতঃপর আমি তা মেপে দেখলাম, ফলে তা শেষ হয়ে গেল।’ (৬৪৫১) (মুসলিম ৫৩ হাঃ ২৯৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৭৫)
হাদিস নং: ৩০৯৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن سفيان قال حدثني ابو اسحاق قال سمعت عمرو بن الحارث قال ما ترك النبي صلى الله عليه وسلم الا سلاحه وبغلته البيضاء وارضا تركها صدقة
৩০৯৮. ‘আমর ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যুদ্ধাস্ত্র, সাদা খচ্চর ও কিছু যমীন ছাড়া কিছুই রেখে যাননি এবং তাও তিনি সাদাকা হিসেবে রেখে গেছেন।’ (২৭৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৭৬)
হাদিস নং: ৩০৯৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا حبان بن موسى ومحمد قالا اخبرنا عبد الله اخبرنا معمر ويونس عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود ان عاىشة رضي الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم استاذن ازواجه ان يمرض في بيتي فاذن له
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (وَقَرْنَ فِيْ بُيُوْتِكُنَّ) (وَ لَا تَدْخُلُوْا بُيُوْتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُّؤْذَنَ لَكُمْ)

আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ তোমরা নিজেদের ঘরে অবস্থান কর- (আহযাব ৩৩)। (হে মুসলিমগণ) তোমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করবে না। (আহযাব ৫৩)

৩০৯৯. ’উবায়দুল্লাহ ইবনু ’আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাস’ঊদ হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, ’রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ যখন অতি মাত্রায় বেড়ে গেল তখন তিনি আমার ঘরে অবস্থান করে রোগের সেবা শুশ্রুষার ব্যাপারে তাঁর অপর স্ত্রীগণের নিকট অনুমতি চান। তাঁকে অনুমতি হয়।’ (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৭৭)
হাদিস নং: ৩১০০ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي مريم حدثنا نافع سمعت ابن ابي مليكة قال قالت عاىشة رضي الله عنها توفي النبي صلى الله عليه وسلم في بيتي وفي نوبتي وبين سحري ونحري وجمع الله بين ريقي وريقه قالت دخل عبد الرحمن بسواك فضعف النبي صلى الله عليه وسلم عنه فاخذته فمضغته ثم سننته به
৩১০০. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার ঘরে আমার পালার দিন আমার কন্ঠ ও বুকের মধ্য বরাবর মাথা রাখা অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ও আমার মুখের লালাকে একত্রিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আবদুর রাহমান (রাঃ) একটি মিস্ওয়াক নিয়ে প্রবেশ করেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা চিবাতে অক্ষম হন। তখন আমি সে মিসওয়াকটি নিয়ে চিবিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাঁত মেজে দেই। (৮৯০) (মুসলিম ৪৪/১৫ হাঃ ২৪৪৯, আহমাদ ১৮৯৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৭৮)
হাদিস নং: ৩১০১ সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن علي بن حسين ان صفية زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرته انها جاءت رسول الله تزوره وهو معتكف في المسجد في العشر الاواخر من رمضان ثم قامت تنقلب فقام معها رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى اذا بلغ قريبا من باب المسجد عند باب ام سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم مر بهما رجلان من الانصار فسلما على رسول الله ثم نفذا فقال لهما رسول الله على رسلكما قالا سبحان الله يا رسول الله وكبر عليهما ذلك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الشيطان يبلغ من الانسان مبلغ الدم واني خشيت ان يقذف في قلوبكما شيىا
৩১০১. ‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য আসেন। তখন তিনি রমাযানের শেষ দশকে মসজিদে ই‘তিকাফ অবস্থায় ছিলেন। অতঃপর যখন তিনি ফিরে যাবার জন্য উঠে দাঁড়ান, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তাঁর সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অপর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর দরজার নিকটবর্তী মসজিদের দরজার নিকট পৌঁছলেন তখন দু’জন আনসার তাঁদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, একটু থাম, (এ মহিলা আমার স্ত্রী তারা বলল, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ রকম বলাটা তাদের নিকট কষ্টদায়ক মনে হল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘শয়তান মানুষের রক্ত কণিকার মত সর্বত্র বিচরণ করে। আমি আশঙ্কা করেছিলাম, না জানি সে তোমাদের মনে কোন সন্দেহ জাগ্রত করে দেয়।’ (২০৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৭৯)
হাদিস নং: ৩১০২ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا انس بن عياض عن عبيد الله عن محمد بن يحيى بن حبان عن واسع بن حبان عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال ارتقيت فوق بيت حفصة فرايت النبي صلى الله عليه وسلم يقضي حاجته مستدبر القبلة مستقبل الشام
৩১০২. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরের উপর আরোহণ করি। তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিবলাকে পেছন দিকে রেখে সিরিয়া মুখী হয়ে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে নিতে দেখলাম। (১৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮০)
হাদিস নং: ৩১০৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن المنذر حدثنا انس بن عياض عن هشام عن ابيه ان عاىشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي العصر والشمس لم تخرج من حجرتها
৩১০৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসরের সালাত তখন আদায় করতেন, যখন সূর্যের আলো তার আঙ্গিণা থেকে বাহির হয়ে যায়নি। (৫২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮১)
হাদিস নং: ৩১০৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا جويرية عن نافع عن عبد الله رضي الله عنه قال قام النبي صلى الله عليه وسلم خطيبا فاشار نحو مسكن عاىشة فقال هنا الفتنة ثلاثا من حيث يطلع قرن الشيطان
৩১০৪. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুত্বা দিতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরের দিকে ইশারা করে তিনবার বললেন, এ দিক থেকেই ফিতনা, যে দিক হতে সূর্য উদয়ের কালে শয়তান দাঁড়িয়ে থাকে। (৩২৭৯, ৩৫১১, ৫২৯৬, ৭০৯২, ৭০৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮২)
হাদিস নং: ৩১০৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن عبد الله بن ابي بكر عن عمرة ابنة عبد الرحمن ان عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرتها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عندها وانها سمعت صوت انسان يستاذن في بيت حفصة فقلت يا رسول الله هذا رجل يستاذن في بيتك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اراه فلانا لعم حفصة من الرضاعة الرضاعة تحرم ما تحرم الولادة
৩১০৫. ‘আমরাহ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর নিকট ছিলেন। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) আওয়াজ শুনতে পেলেন যে, এক ব্যক্তি হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ ব্যক্তি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার মনে হয়, সে অমুক, হাফসাহ (রাঃ)-এর দুধ চাচা। দুধপান তা-ই হারাম করে, যা জন্মগত সম্পর্ক হারাম করে। (২৬৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৩)
হাদিস নং: ৩১০৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الله الانصاري قال حدثني ابي عن ثمامة عن انس ان ابا بكر لما استخلف بعثه الى البحرين وكتب له هذا الكتاب وختمه بخاتم النبي صلى الله عليه وسلم وكان نقش الخاتم ثلاثة اسطر محمد سطر ورسول سطر والله سطر
৩১০৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। যখন আবূ বকর (রাঃ) খলীফা হন, তখন তিনি তাঁকে বাহরাইনে প্রেরণ করেন এবং তাঁর এ বিষয়ে একটি নিয়োগপত্র লিখে দেন। আর তাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মোহর দ্বারা সীলমোহর করে দেন। উক্ত মোহরে তিনটি লাইন খোদিত ছিল। এক লাইনে মুহাম্মদ, এক লাইনে রাসূল ও এক লাইনে আল্লাহ। (১৪৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৪)
হাদিস নং: ৩১০৭ সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا محمد بن عبد الله الاسدي حدثنا عيسى بن طهمان قال اخرج الينا انس نعلين جرداوين لهما قبالان فحدثني ثابت البناني بعد عن انس انهما نعلا النبي صلى الله عليه وسلم
৩১০৭. ‘ঈসা ইবনু তাহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ) দু’টি পশমবিহীন পুরনো চপ্পল বের করলেন, যাতে দু’টি ফিতা লাগানো ছিল। সাবিত বুনানী (রহ.) পরে আনাস (রাঃ) হতে এরূপ বর্ণনা করেছেন যে, এ দু’টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাদুকা ছিল। (৫৮৫৭, ৫৮৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৫)
হাদিস নং: ৩১০৮ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب حدثنا ايوب عن حميد بن هلال عن ابي بردة قال اخرجت الينا عاىشة رضي الله عنها كساء ملبدا وقالت في هذا نزع روح النبي صلى الله عليه وسلم وزاد سليمان عن حميد عن ابي بردة قال اخرجت الينا عاىشة ازارا غليظا مما يصنع باليمن وكساء من هذه التي يدعونها الملبدة
৩১০৮. আবূ বুরদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) একটি মোটা তালি বিশিষ্ট কম্বল বের করলেন আর বললেন, এ কম্বল জড়ানো অবস্থায়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হয়েছে। আর সুলাইমান (রহ.) হুমাইদ (রহ.) সূত্রে আবূ বুরদাহ (রাঃ) হতে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ইয়ামানে তৈরি একটি মোটা তহবন্দ এবং একটি কম্বল যাকে তোমরা জোড়া লাগানো বলে থাক, আমাদের নিকট বের করলেন। (৫৮১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৬)
হাদিস নং: ৩১০৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان عن ابي حمزة عن عاصم عن ابن سيرين عن انس بن مالك ان قدح النبي صلى الله عليه وسلم انكسر فاتخذ مكان الشعب سلسلة من فضة قال عاصم رايت القدح وشربت فيه
৩১০৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেয়ালা ভেঙ্গে যায়। তখন তিনি ভাঙ্গা জায়গায় রূপার পাত দিয়ে জোড়া লাগান। আসিম (রহ.) বলেন, আমি সে পেয়ালাটি দেখেছি এবং তাতে আমি পান করেছি। (৫৬৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৭)
হাদিস নং: ৩১১০ সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن محمد الجرمي حدثنا يعقوب بن ابراهيم حدثنا ابي ان الوليد بن كثير حدثه عن محمد بن عمرو بن حلحلة الدولي حدثه ان ابن شهاب حدثه ان علي بن حسين حدثه انهم حين قدموا المدينة من عند يزيد بن معاوية مقتل حسين بن علي رحمة الله عليه لقيه المسور بن مخرمة فقال له هل لك الي من حاجة تامرني بها فقلت له لا فقال له فهل انت معطي سيف رسول الله صلى الله عليه وسلم فاني اخاف ان يغلبك القوم عليه وايم الله لىن اعطيتنيه لا يخلص اليهم ابدا حتى تبلغ نفسي ان علي بن ابي طالب خطب ابنة ابي جهل على فاطمة عليها السلام فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب الناس في ذلك على منبره هذا وانا يومىذ محتلم فقال ان فاطمة مني وانا اتخوف ان تفتن في دينها ثم ذكر صهرا له من بني عبد شمس فاثنى عليه في مصاهرته اياه قال حدثني فصدقني ووعدني فوفى لي واني لست احرم حلالا ولا احل حراما ولكن والله لا تجتمع بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وبنت عدو الله ابدا
৩১১০. ‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তাঁরা ইয়াযীদ ইবনু মু'আবিয়াহর নিকট হতে হুসাইন (রাঃ)-এর শাহাদাতের পর মদিনা্য় আসলেন, তখন তাঁর সঙ্গে মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) মিলিত হলেন এবং বললেন, আপনার কি আমার নিকট কোন প্রয়োজন আছে? থাকলে বলুন। তখন আমি তাঁকে বললাম, না। তখন মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তরবারীটি দিবেন? আমার আশঙ্কা হয়, লোকেরা আপনাকে কাবু করে তা ছিনিয়ে নিবে। আল্লাহর কসম! আপনি যদি আমাকে এটি দেন, তবে আমার জীবন থাকা অবধি কেউ আমার নিকট হতে তা নিতে পারবে না। একবার ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ফাতিমাহ (রাঃ) থাকা অবস্থায় আবূ জাহল কন্যাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেন। আমি তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর মিম্বারে দাঁড়িয়ে লোকদের এ খুত্বা দিতে শুনেছি, আর তখন আমি সাবালক। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘ফাতিমা আমার হতেই। আমি আশঙ্কা করছি সে দ্বীনের ব্যাপারে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে পড়ে।’ অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানূ আবদে শামস গোত্রের এক জামাতার ব্যাপারে আলোচনা করেন। তিনি তাঁর জামাতা সম্পর্কে প্রশংসা করেন এবং বলেন, সে আমার সঙ্গে যা বলেছে, তা সত্য বলেছে, আমার সঙ্গে যে ওয়াদা করেছে, তা পূরণ করেছে। আমি হালালকে হারামকারী নই এবং হারামকে হালালকারী নই। কিন্তু আল্লাহর কসম! আল্লাহর রাসূলের মেয়ে এবং আল্লাহর দুশমনের মেয়ে একত্র হতে পারে না। (মুসলিম ৪৪/১৫ হাঃ ২৪৪৯, আহমাদ ১৮৯৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৮)
হাদিস নং: ৩১১১ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن محمد بن سوقة عن منذر عن ابن الحنفية قال لو كان علي ذاكرا عثمان ذكره يوم جاءه ناس فشكوا سعاة عثمان فقال لي علي اذهب الى عثمان فاخبره انها صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم فمر سعاتك يعملون فيها فاتيته بها فقال اغنها عنا فاتيت بها عليا فاخبرته فقال ضعها حيث اخذتها
৩১১১. ইবনু হানাফিয়্যা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যদি ‘উসমান (রাঃ)-এর সমালোচনা করতেন, তবে সেদিনই করতেন, যেদিন তাঁর নিকট কিছু লোক এসে ‘উসমান (রাঃ) কর্তৃক নিযুক্ত যাকাত আদায়কারী কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিল। ‘আলী (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন, ‘উসমান (রাঃ)-এর নিকট যাও এবং তাঁকে সংবাদ দাও যে, এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফরমান। কাজেই আপনার কর্মচারীদের কাজ করার নির্দেশ দিন। তারা যেন সে অনুসারে কাজ করে। তা নিয়ে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তখন তিনি বললেন, আমার এটির প্রয়োজন নেই। অতঃপর আমি তা নিয়ে ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে এ সম্পর্কে জ্ঞাত করি। তখন তিনি বললেন, এটি যেখান হতে নিয়েছ সেখানে রেখে দাও। (৩১১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৯ প্রথমাংশ)
হাদিস নং: ৩১১২ সহিহ (Sahih)
قال الحميدي حدثنا سفيان حدثنا محمد بن سوقة قال سمعت منذرا الثوري عن ابن الحنفية قال ارسلني ابي خذ هذا الكتاب فاذهب به الى عثمان فان فيه امر النبي صلى الله عليه وسلم في الصدقة
৩১১২. ইবনু হনাফিয়্যাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে পাঠিয়ে বলেন, এ ফরমানটি নাও এবং এটি ‘উসমান (রাঃ)-এর নিকট নিয়ে যাও, এতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাকা সম্পর্কিত নির্দেশ দিয়েছেন। (৩১১১) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৮৯ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩১১৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا بدل بن المحبر اخبرنا شعبة قال اخبرني الحكم قال سمعت ابن ابي ليلى حدثنا علي ان فاطمة عليها السلام اشتكت ما تلقى من الرحى مما تطحن فبلغها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بسبي فاتته تساله خادما فلم توافقه فذكرت لعاىشة فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك عاىشة له فاتانا وقد دخلنا مضاجعنا فذهبنا لنقوم فقال على مكانكما حتى وجدت برد قدميه على صدري فقال الا ادلكما على خير مما سالتماه اذا اخذتما مضاجعكما فكبرا الله اربعا وثلاثين واحمدا ثلاثا وثلاثين وسبحا ثلاثا وثلاثين فان ذلك خير لكما مما سالتماه
حِيْنَ سَأَلَتْهُ فَاطِمَةُ وَشَكَتْ إِلَيْهِ الطَّحْنَ وَالرَّحَى أَنْ يُخْدِمَهَا مِنْ السَّبْيِ فَوَكَلَهَا إِلَى اللهِ

যখন ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁর নিকট আটা পিষার কষ্টের কথা জ্ঞাপন করতঃ বন্দীদের নিকট হতে তাঁর খেদমতের জন্য দাসী চাইলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহলে সুফ্ফা ও বিধবাদের অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি তাঁকে আল্লাহর উপর সোপর্দ করেন।


৩১১৩. ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ফাতিমাহ (রাঃ) আটা পিষার কষ্টের কথা জানান। তখন তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কয়েকজন বন্দী আনা হয়েছে। ফাতিমাহ (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে একজন খাদিম চাইলেন। তিনি তাঁকে পেলেন না। তখন তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট তা উল্লেখ করেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলে ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বিষয়টি বললেন। (রাবী বলেন) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এলেন। তখন আমরা শুয়ে পড়েছিলাম। আমরা উঠতে চাইলাম। তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ জায়গায় থাক। আমি তাঁর পায়ের শীতলতা আমার বুকে অনুভব করলাম। তখন তিনি বললেন, ‘তোমরা যা চেয়েছ, আমি কি তোমাদের তার চেয়ে উত্তম জিনিসের সন্ধান দিব না? যখন তোমরা বিছানায় যাবে, তখন চৌত্রিশ বার ‘আল্লাহু আকবার’ তেত্রিশবার ‘আল্হামদু লিল্লাহ’ এবং তেত্রিশবার ‘সুব্হানাল্লাহ’ বলবে, এটাই তোমাদের জন্য তার চেয়ে উত্তম, যা তোমরা চেয়েছ।’ (৩৭০৫, ৫৩৬১, ৬৩১৮) (মুসলিম ৪৮/১৯ হাঃ ২৭২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৯০)

 
হাদিস নং: ৩১১৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن سليمان ومنصور وقتادة سمعوا سالم بن ابي الجعد عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال ولد لرجل منا من الانصار غلام فاراد ان يسميه محمدا قال شعبة في حديث منصور ان الانصاري قال حملته على عنقي فاتيت به النبي صلى الله عليه وسلم وفي حديث سليمان ولد له غلام فاراد ان يسميه محمدا قال سموا باسمي ولا تكنوا بكنيتي فاني انما جعلت قاسما اقسم بينكم وقال حصين بعثت قاسما اقسم بينكم قال عمرو اخبرنا شعبة عن قتادة قال سمعت سالما عن جابر اراد ان يسميه القاسم فقال النبي صلى الله عليه وسلم سموا باسمي ولا تكتنوا بكنيتي
৩১১৪. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের আনসারী এক ব্যক্তির একটি পুত্র জন্মে। সে তার নাম মুহাম্মাদ রাখার ইচ্ছা করল। মানসূর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে শুবা বলেন, সে আনসারী বলল, আমি তাকে আমার ঘাড়ে তুলে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম। আর সুলাইমান (রহ.) বর্ণিত হাদীসে শুবা বলেন, সে আনসারী বলল, আমি তাকে আমার ঘাড়ে তুলে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম। আর সুলাইমান (রহ.) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, তার একটি পুত্র জন্মে। তখন সে তার নাম মুহাম্মাদ রাখার ইচ্ছা করে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুনীয়াতের অনুরূপ কুনীয়াত রেখে না। আমাকে বণ্টনকারী করা হয়েছে। আমি তোমাদের মধ্যে বণ্টন করি।’ আর হুসাইন (রহ.) বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি বণ্টনকারীরূপে প্রেরিত হয়েছি। আমি তোমাদের মধ্যে বণ্টন করি।’ আর ‘আমর (রাঃ) জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, সে ব্যক্তি তার ছেলের নাম কাসিম রাখতে চেয়েছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা আমার নামে নাম রাখ, আমার কুনীয়াতের ন্যায় কুনীয়াত রেখ না।’ (৩১১৫, ৩৫৩৮, ৬১৮৬, ৬১৮৭, ৬১৮৯, ৬১৯৬) (মুসলিম ৩৮/১ হাঃ ২১৩৩, আহমাদ ১৪২৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৯১)
হাদিস নং: ৩১১৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن الاعمش عن سالم بن ابي الجعد عن جابر بن عبد الله الانصاري قال ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقالت الانصار لا نكنيك ابا القاسم ولا ننعمك عينا فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ولد لي غلام فسميته القاسم فقالت الانصار لا نكنيك ابا القاسم ولا ننعمك عينا فقال النبي صلى الله عليه وسلم احسنت الانصار سموا باسمي ولا تكنوا بكنيتي فانما انا قاسم
৩১১৫. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে এক জনের পুত্র জন্মে। সে তার নাম রাখল কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবুল কাসিম কুনীয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না। সে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি পুত্র জন্মেছে। আমি তার নাম রেখেছি কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবুল কাসিম কুনীয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আনসারগণ ঠিকই করেছে। তোমরা আমার নামে নাম রাখ, কিন্তু কুনীয়াতের মত কুনীয়াত ব্যবহার করো না। কেননা, আমি তো কাসিম (বণ্টনকারী)।’ (৩১১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৯২)
অধ্যায় তালিকা