অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৬১/১. আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ
মোট ১৬০ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩৫২৯ সহিহ (Sahih)
دثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عاىشة، ان ابا بكر ـ رضى الله عنه ـ دخل عليها وعندها جاريتان في ايام منى تدففان وتضربان، والنبي صلى الله عليه وسلم متغش بثوبه، فانتهرهما ابو بكر، فكشف النبي صلى الله عليه وسلم عن وجهه، فقال ‏"‏ دعهما يا ابا بكر، فانها ايام عيد، وتلك الايام ايام منى ‏"
৩৫২৯. ‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন, মিনায় অবস্থানের দিনগুলোতে (অর্থাৎ ১০, ১১, ১২ তারিখে) আবূ বকর (রাঃ) আমার গৃহে প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর কাছে দু’টি বালিকা ছিল। তারা দফ বাজিয়ে নেচে নেচে গান করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন চাদর দিয়ে মুখ ঢেকে শুয়েছিলেন। আবূ বকর (রাঃ) এদেরকে ধমক দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মুখ হতে চাদর সরিয়ে বললেন, হে আবূ বকর! এদেরকে গাইতে দাও। কেননা, আজ ঈদের দিনও মিনার দিনগুলির অন্তর্ভুক্ত।  (৯৪৯) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৫ প্রথমাংশ)
হাদিস নং: ৩৫৩০ সহিহ (Sahih)
وقالت عاىشة رايت النبي صلى الله عليه وسلم يسترني، وانا انظر الى الحبشة، وهم يلعبون في المسجد فزجرهم ‏(‏عمر‏)‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دعهم امنا بني ارفدة ‏"‏‏.‏ يعني من الامن‏.‏
৩৫৩০. ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আড়াল করে দাঁড়িয়ে ছিলেন আর আমি হাবশীদের খেলা দেখছিলাম। মসজিদের কাছে তারা যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে খেলা করছিল। এমন সময় ‘উমার (রাঃ) এসে তাদেরকে ধমক দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ‘উমার! তাদেরকে বানূ আরফিদাকে নিরাপদ ছেড়ে দাও। (৪৫৪) ( আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৫ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩৫৩১ সহিহ (Sahih)
حدثني عثمان بن ابي شيبة حدثنا عبدة عن هشام عن ابيه عن عاىشة رضي الله عنها قالت استاذن حسان النبي صلى الله عليه وسلم في هجاء المشركين قال كيف بنسبي فقال حسان لاسلنك منهم كما تسل الشعرة من العجين وعن ابيه قال ذهبت اسب حسان عند عاىشة فقالت لا تسبه فانه كان ينافح عن النبي صلى الله عليه وسلم
৩৫৩১. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাসসান (রাঃ) কবিতার ছন্দে মুশরিকদের নিন্দা করতে অনুমতি চাইলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার বংশকে কিভাবে তুমি আলাদা করবে? হাসসান (রাঃ) বললেন, আমি তাদের মধ্য হতে এমনভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব যেমনভাবে আটার খামির হতে চুলকে আলাদা করে নেয়া হয়। ‘উরওয়াহ্ (রাঃ) বলেন, আমি হাসসান (রাঃ)-কে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর সম্মুখে তিরস্কার করতে উদ্যত হলে, তিনি আমাকে বললেন, তাকে গালি দিও না। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তরফ হতে কবিতার মাধ্যমে শত্রুর কথার আঘাত প্রতিহত করত। (৪১৪৫, ৬১৫০, মুসলিম ৪৪/৩৪ হাঃ ২৪৮৭, ২৪৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৬)
হাদিস নং: ৩৫৩২ সহিহ (Sahih)
حدثني ابراهيم بن المنذر قال حدثني معن عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن جبير بن مطعم عن ابيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لي خمسة اسماء انا محمد واحمد وانا الماحي الذي يمحو الله بي الكفر وانا الحاشر الذي يحشر الناس على قدمي وانا العاقب
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ وَالَّذِيْنَ مَعَه” أَشِدَّآءُ عَلَى الْكُفَّارِ (الفتح : 29) وَقَوْلِهِ مِنْم بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ (الصف : 6)

আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নয়; মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল ও তাঁর সঙ্গে যারা আছেন তারা কুফরের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর’’ (আল-ফাতহঃ ২৯) আর তাঁর বাণীঃ ‘‘আমার পর যিনি আসবেন তাঁর নাম আহমাদ।’’ (সফঃ ৬)


৩৫৩২. জুবায়র ইবনু মুত‘ঈম (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমার পাঁচটি (প্রসিদ্ধ) নাম রয়েছে, আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহী আমার দ্বারা আল্লাহ্ কুফর ও শির্ককে নিশ্চিহ্ন করে দিবেন। আমি আল-হাশির আমার চারপাশে মানব জাতিকে একত্রিত করা হবে। আমি আল-আক্বিব (সর্বশেষে আগমনকারী)। (মুসলিম ৪৩/৩৪ হাঃ ২৩৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩,২৬৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৭)

 
হাদিস নং: ৩৫৩৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الا تعجبون كيف يصرف الله عني شتم قريش ولعنهم يشتمون مذمما ويلعنون مذمما وانا محمد
৩৫৩৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কি আশ্চর্যান্বিত হও না? আমার উপর আরোপিত কুরাইশদের নিন্দা ও অভিশাপকে আল্লাহ্ তা‘আলা কি চমৎকারভাবে দূরীভূত করছেন? তারা আমাকে নিন্দিত ভেবে গালি দিচ্ছে, অভিশাপ করছে অথচ আমি মুহাম্মাদ চির প্রশংসিত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৮)
হাদিস নং: ৩৫৩৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سنان حدثنا سليم بن حيان حدثنا سعيد بن ميناء عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم مثلي ومثل الانبياء كرجل بنى دارا فاكملها واحسنها الا موضع لبنة فجعل الناس يدخلونها ويتعجبون ويقولون لولا موضع اللبنة
৩৫৩৪. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমার ও অন্যান্য নবীগণের অবস্থা এমন, যেন কেউ একটি গৃহ নির্মাণ করলো আর একটি ইটের স্থান শূন্য রেখে নির্মাণ কাজ শেষ করে গৃহটিকে সুসজ্জিত করে নিল। জনগণ মুগ্ধ হল এবং তারা বলাবলি করতে লাগল, যদি একটি ইটের জায়গাটুকু খালি রাখা না হত। (মুসলিম ৪৩/৭ হাঃ ২২৮৭, আহমাদ ১৪৮৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৯)
হাদিস নং: ৩৫৩৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا اسماعيل بن جعفر عن عبد الله بن دينار عن ابي صالح عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ان مثلي ومثل الانبياء من قبلي كمثل رجل بنى بيتا فاحسنه واجمله الا موضع لبنة من زاوية فجعل الناس يطوفون به ويعجبون له ويقولون هلا وضعت هذه اللبنة قال فانا اللبنة وانا خاتم النبيين
৩৫৩৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণের অবস্থা এমন, এক ব্যক্তি যেন একটি গৃহ নির্মাণ করল; তাকে সুশোভিত ও সুসজ্জিত করল, কিন্তু এক পাশে একটি ইটের জায়গা খালি রয়ে গেল। অতঃপর লোকজন এর চারপাশে ঘুরে আশ্চর্য হয়ে বলতে লাগল ঐ শূন্যস্থানের ইটটি লাগানো হল না কেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমিই সে ইট। আর আমিই সর্বশেষ নবী। (মুসলিম ৪৩/৭ হাঃ ২২৮৬, আহমাদ ৭৪৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮০)
হাদিস নং: ৩৫৩৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عاىشة رضي الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم توفي وهو ابن ثلاث وستين وقال ابن شهاب واخبرني سعيد بن المسيب مثله
৩৫৩৬. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু হয় তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর। ইবনু শিহাব বলেন, সা‘ঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এভাবেই আমার কাছে বর্ণনা করেন। (৪৪৬৬, মুসলিম ৪৩/৩২ হাঃ ২৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮১)
হাদিস নং: ৩৫৩৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن حميد عن انس قال كان النبي في السوق فقال رجل يا ابا القاسم فالتفت النبي صلى الله عليه وسلم فقال سموا باسمي ولا تكتنوا بكنيتي
৩৫৩৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বাজারে গিয়েছিলেন। তখন এক ব্যক্তি ‘হে আবুল কাসিম!’ বলে ডাক দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেদিকে ফিরে তাকালেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা আমার আসল নামে নাম রাখতে পার, কিন্তু আমার উপনামে কারো নাম রেখ না। (২১২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮২)
হাদিস নং: ৩৫৩৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن كثير اخبرنا شعبة عن منصور عن سالم عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال تسموا باسمي ولا تكتنوا بكنيتي
৩৫৩৮. জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমার আসল নামে অন্যের নামকরণ করতে পার, কিন্তু আমার উপনাম অন্যের জন্য রেখোনা। (৩১১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৩)
হাদিস নং: ৩৫৩৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن ايوب عن ابن سيرين قال سمعت ابا هريرة يقول قال ابو القاسم صلى الله عليه وسلم سموا باسمي ولا تكتنوا بكنيتي
৩৫৩৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূল কাসিম (নবী) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার নামে নামকরণ করতে পার, কিন্তু আমার উপনামে তোমাদের নাম রেখ না। (১১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৪)
হাদিস নং: ৩৫৪০ সহিহ (Sahih)
باب حدثني اسحاق بن ابراهيم اخبرنا الفضل بن موسى عن الجعيد بن عبد الرحمن رايت الساىب بن يزيد ابن اربع وتسعين جلدا معتدلا فقال قد علمت ما متعت به سمعي وبصري الا بدعاء رسول الله صلى الله عليه وسلم ان خالتي ذهبت بي اليه فقالت يا رسول الله ان ابن اختي شاك فادع الله له قال فدعا لي
৩৫৪০. জু‘আইদ ইবনু ‘আবদুর রাহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘সাইব ইবনু ইয়াযীদকে চুরানববই বছর বয়সে সুস্থ-সবল ও সুঠাম দেহের অধিকারী দেখেছি। তিনি বললেন, তুমি অবশ্যই জ্ঞাত আছ যে, আমি এখনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দু‘আর বরকতেই চোখ ও কান দিয়ে উপকার লাভ করছি। আমার খালা একদিন আমাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার ভাগিনাটি রোগাক্রান্ত। আপনি তার জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য দু‘আ করলেন। (১৯০) আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৫)
হাদিস নং: ৩৫৪১ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبيد الله حدثنا حاتم عن الجعيد بن عبد الرحمن قال سمعت الساىب بن يزيد قال ذهبت بي خالتي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله ان ابن اختي وقع فمسح راسي ودعا لي بالبركة وتوضا فشربت من وضوىه ثم قمت خلف ظهره فنظرت الى خاتم بين كتفيه
قال ابن عبيد الله الحجلة من حجل الفرس الذي بين عينيه قال ابراهيم بن حمزة مثل زر الحجلة
৩৫৪১. জু‘আইদ (রহ.) বলেন, আমি সাইব ইবনু ইয়াযীদকে বলতে শুনেছি যে, আমার খালা আমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার ভাগিনা রোগাক্রান্ত। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বরকতের দু‘আ করলেন। তিনি ওযু করলেন, তাঁর ওযুর বাকী পানি আমি পান করলাম। অতঃপর আমি তাঁর পিছন দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম তাঁর স্কন্ধের মাঝে ‘‘মোহরে নাবুওয়্যাত’’ দেখলাম যা কবুতরের ডিমের মত অথবা বাসর ঘরের পর্দার বুতামের মত। (১৯০)

ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ বলেন, الْحَجَلَةِ অর্থ সাদা চিহ্ন, যা ঘোড়ার কপালের সাদা অংশ এর অর্থ হতে গৃহীত। আর ইব্রাহীম ইবনু হামযাহ বলেন, কবুতরের ডিমের মত। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন বিশুদ্ধ زاء-এর পূর্বে را হবে অর্থাৎ زِرِّ  । (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৬)
হাদিস নং: ৩৫৪২ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عاصم عن عمر بن سعيد بن ابي حسين عن ابن ابي مليكة عن عقبة بن الحارث قال صلى ابو بكر العصر ثم خرج يمشي فراى الحسن يلعب مع الصبيان فحمله على عاتقه وقال بابي شبيه بالنبي لا شبيه بعلي وعلي يضحك
৩৫৪২. ‘উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আবূ বকর (রাঃ) বাদ আসর এর সালাত শেষে বের হয়ে চলতে লাগলেন। হাসান (রাঃ)-কে ছেলেদের সঙ্গে খেলা করতে দেখলেন। তখন তিনি তাঁকে স্কন্ধে তুলে নিলেন এবং বললেন, আমার পিতা কুরবান হোন! এ-ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাদৃশ্য, আলীর সাদৃশ্য নয়। তখন ‘আলী (রাঃ) হাসছিলেন। (৩৭৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৭)
হাদিস নং: ৩৫৪৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا اسماعيل عن ابي جحيفة قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم وكان الحسن يشبهه
৩৫৪৩. আবূ জুহাইফাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি। আর হাসান (রাঃ) তাঁরই সদৃশ। (৩৫৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৮)
হাদিস নং: ৩৫৪৪ সহিহ (Sahih)
حدثني عمرو بن علي حدثنا ابن فضيل حدثنا اسماعيل بن ابي خالد قال سمعت ابا جحيفة قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم وكان الحسن بن علي عليهما السلام يشبهه قلت لابي جحيفة صفه لي قال كان ابيض قد شمط وامر لنا النبي صلى الله عليه وسلم بثلاث عشرة قلوصا قال فقبض النبي صلى الله عليه وسلم قبل ان نقبضها
৩৫৪৪. আবূ জুহাইফাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি। হাসান ইবনু ‘আলী ছিলেন (রাঃ) তাঁরই সদৃশ। (রাবী বলেন) আমি আবূ জুহায়ফাকে বললাম, আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ণনা দিন। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৌর বর্ণের ছিলেন। কাল কেশরাজির মধ্যে সামান্য সাদা চুলও ছিল। তিনি তেরটি সবল উটনী আমাদেরকে দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু আমাদের হাতে আসার আগেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু হয়। (৩৫৪৩, মুসলিম ৪৩/২৯ হাঃ ২৩৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৮৯)
হাদিস নং: ৩৫৪৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن رجاء حدثنا اسراىيل عن ابي اسحاق عن وهب ابي جحيفة السواىي قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم ورايت بياضا من تحت شفته السفلى العنفقة
৩৫৪৫. আবূ জুহাইফাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি আর তাঁর নীচ ঠোঁটের নিম্নভাগে দাড়িতে সামান্য সাদা চুল দেখেছি। (মুসলিম ৪৩/২৯ হাঃ ২৩৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৯০)
হাদিস নং: ৩৫৪৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا عصام بن خالد حدثنا حريز بن عثمان انه سال عبد الله بن بسر صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال ارايت النبي صلى الله عليه وسلم كان شيخا قال كان في عنفقته شعرات بيض
৩৫৪৬. হারীয ইবনু ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুসরকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছেন যে, তিনি কি বৃদ্ধ ছিলেন? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিম দাড়িতে কয়েকটি চুল সাদা ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৯১)
হাদিস নং: ৩৫৪৭ সহিহ (Sahih)
حدثني ابن بكير قال حدثني الليث عن خالد عن سعيد بن ابي هلال عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن قال سمعت انس بن مالك يصف النبي صلى الله عليه وسلم قال كان ربعة من القوم ليس بالطويل ولا بالقصير ازهر اللون ليس بابيض امهق ولا ادم ليس بجعد قطط ولا سبط رجل انزل عليه وهو ابن اربعين فلبث بمكة عشر سنين ينزل عليه وبالمدينة عشر سنين وقبض وليس في راسه ولحيته عشرون شعرة بيضاء قال ربيعة فرايت شعرا من شعره فاذا هو احمر فسالت فقيل احمر من الطيب
৩৫৪৭. রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ণনা দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের মধ্যে মাঝারি গড়নের ছিলেন- বেশি লম্বাও ছিলেন না বা বেঁটেও ছিলে না। তাঁর শরীরের রং গোলাপী ধরনের ছিল, ধবধবে সাদাও নয় কিংবা তামাটে বর্ণেরও নয়। মাথার চুল কোঁকড়ানোও ছিল না, আবার একেবারে সোজাও ছিল না। চল্লিশ বছর বয়সে তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হওয়া শুরু হয়। প্রথম দশ বছর মক্কা্য় অবস্থানকালে ওয়াহী যথারীতি নাযিল হতে থাকে। অতঃপর দশ বছর মদিনা্য় কাটান। অতঃপর তাঁর মৃত্যুর সময়ে তাঁর মাথা ও দাড়িতে কুড়িটি সাদা চুলও ছিল না। রাবী‘আ (রহ.) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি চুল দেখেছি তা লাল রং-এর ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলে বলা হল যে, সুগন্ধি লাগানোর জন্য তা লাল হয়েছিল। (৩৫৪৮, ৫৯০০, মুসলিম ৪৩/৩১ হাঃ ২৩৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৯২)
হাদিস নং: ৩৫৪৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك بن انس عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن عن انس بن مالك انه سمعه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس بالطويل الباىن ولا بالقصير ولا بالابيض الامهق وليس بالادم وليس بالجعد القطط ولا بالسبط بعثه الله على راس اربعين سنة فاقام بمكة عشر سنين وبالمدينة عشر سنين فتوفاه الله وليس في راسه ولحيته عشرون شعرة بيضاء
৩৫৪৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতিরিক্ত লম্বাও ছিলেন না এবং বেঁটেও ছিলেন না। ধবধবে সাদাও ছিলেন না, আবার তামাটে রং এরও ছিলেন না। কেশগুচ্ছ একেবারে কুঞ্চিত ছিল না, পুরোপুরি সোজাও ছিল না। চল্লিশ বছর বয়সে তিনি নবুওয়্যাত পান। তাঁর নবুওয়্যাত সময়ের প্রথম দশ বছর মক্কা্য় এবং পরের দশ বছর মদিনা্য় কাটান। তাঁর মৃত্যুকালে মাথা ও দাড়িতে বিশটি চুলও সাদা ছিল না। (৩৫৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৯৩)
অধ্যায় তালিকা