অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৬২/১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের ফযীলত।*
মোট ১২৭ টি হাদিস
হাদিস নং: ৩৭১৬ সহিহ (Sahih)
فقالت سارني النبي صلى الله عليه وسلم فاخبرني انه يقبض في وجعه الذي توفي فيه فبكيت ثم سارني فاخبرني اني اول اهل بيته اتبعه فضحكت
৩৭১৬. তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জানালেন যে, তিনি এ রোগে মারা যাবেন, এতে আমি ক্রন্দন করি। অতঃপর তিনি চুপেচুপে বললেন, আমি তাঁর পরিবারবর্গের মধ্যে সর্বপ্রথম তাঁর সঙ্গে মিলিত হব, তখন আমি হাসি। (৩৬২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৪৬ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৩৭১৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا خالد بن مخلد حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن ابيه قال اخبرني مروان بن الحكم قال اصاب عثمان بن عفان رعاف شديد سنة الرعاف حتى حبسه عن الحج واوصى فدخل عليه رجل من قريش قال استخلف قال وقالوه قال نعم قال ومن فسكت فدخل عليه رجل اخر احسبه الحارث فقال استخلف فقال عثمان وقالوا فقال نعم قال ومن هو فسكت قال فلعلهم قالوا الزبير قال نعم قال اما والذي نفسي بيده انه لخيرهم ما علمت وان كان لاحبهم الى رسول الله صلى الله عليه وسلم
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هُوَ حَوَارِيُّ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسُمِّيَ الْحَوَارِيُّوْنَ لِبَيَاضِ ثِيَابِهِمْ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাওয়ারী ছিলেন। কাপড় সাদা হবার কারণে হাওয়ারীদের এ নাম হয়েছে।


৩৭১৭. মারওয়ান ইবনু হাকাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উসমান (রাঃ) কঠিন নাকের পীড়ায় আক্রান্ত হলেন যে সনকে নাকের পীড়ার সন বলা হয়। এ কারণে তিনি ঐ বছর হাজ্জ পালন করতে পারলেন না এবং ওয়াসিয়াত করলেন। ঐ সময় কুরাইশের এক লোক তাঁর কাছে এসে বলল, আপনি কাউকে আপনার খলীফা মনোনীত করুন। ‘উসমান (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, জনগণ কি এ কথা বলেছে? সে বললো, হাঁ, ‘উসমান (রাঃ) বললেন, বলতো কাকে? রাবী বলেন তখন সে ব্যক্তি চুপ হয়ে গেল। অতঃপর অপর এক লোক আসল, (রাবী বলেন) আমার ধারণা সে হারিস (ইবনু হাকাম মারওয়ানের ভাই) ছিল। সেও বলল, আপনি খলীফা মনোনীত করুন। ‘উসমান (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, জনগণ কি চায়? সে বলল, হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন কাকে? রাবী বলেন সে চুপ হয়ে গেল। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, সম্ভবতঃ তারা যুবায়র (রাঃ) এর নাম প্রস্তাব করেছে। সে বলল, হাঁ। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, ঐ সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমার জানা মতে তিনিই সব চেয়ে উত্তম ব্যক্তি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সব চেয়ে প্রিয় পাত্র ছিলেন। (৩৭১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৪৭)

 
হাদিস নং: ৩৭১৮ সহিহ (Sahih)
حدثني عبيد بن اسماعيل حدثنا ابو اسامة عن هشام اخبرني ابي سمعت مروان كنت عند عثمان اتاه رجل فقال استخلف قال وقيل ذاك قال نعم الزبير قال اما والله انكم لتعلمون انه خيركم ثلاثا
৩৭১৮. মারওয়ান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উসমান (রাঃ) এর নিকট হাজির ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে তাঁকে বলল, আপনি খলীফা মনোনীত করুন। তিনি বললেন, তা কি বলাবলি হচ্ছে? সে বলল, হাঁ, তিনি হলেন যুবায়র (রাঃ)। এই শুনে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম তোমরা নিশ্চয়ই জান যে যুবায়র (রাঃ) তোমাদের মধ্যে সব চেয়ে উত্তম ব্যক্তি। এ কথাটি তিনি তিন বার বললেন। (৩৭১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৪৮)
হাদিস নং: ৩৭১৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا مالك بن اسماعيل حدثنا عبد العزيز هو ابن ابي سلمة عن محمد بن المنكدر عن جابر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ان لكل نبي حواريا وان حواري الزبير بن العوام
৩৭১৯. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক নবীরই হাওয়ারী ছিলেন। আর আমার হাওয়ারী হলেন যুবায়র (রাঃ)। (২৮৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৪৯)
হাদিস নং: ৩৭২০ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا هشام بن عروة عن ابيه عن عبد الله بن الزبير قال كنت يوم الاحزاب جعلت انا وعمر بن ابي سلمة في النساء فنظرت فاذا انا بالزبير على فرسه يختلف الى بني قريظة مرتين او ثلاثا فلما رجعت قلت يا ابت رايتك تختلف قال اوهل رايتني يا بني قلت نعم قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من يات بني قريظة فياتيني بخبرهم فانطلقت فلما رجعت جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ابويه فقال فداك ابي وامي
৩৭২০. আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দক যুদ্ধ চলা কালে আমি এবং ‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ (অল্প বয়সি বলে) মহিলাদের দলে চলছিলাম। হঠাৎ যুবায়রকে দেখতে পেলাম যে, তিনি অশ্বারোহণ করে বনী কুরায়যা গোত্রের দিকে দু‘বার অথবা তিনবার আসা যাওয়া করছেন। যখন ফিরে আসলাম তখন বললাম, আববা! আমি আপনাকে কয়েকবার যাতায়াত করতে দেখেছি। তিনি বললেন, হে প্রিয় বৎস! তুমি কি আমাকে দেখতে পেয়েছিলে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, কে বনী কুরায়যা গোত্রের নিকট গিয়ে তাদের খবরা-খবর জেনে আসবে? তখন আমিই গিয়েছিলাম। যখন আমি ফিরে আসলাম তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য তাঁর মাতা-পিতাকে একত্র করে বললেন, আমার মাতাপিতা তোমার জন্য কুরবান হোক। (মুসলিম ৪৪/৬ হাঃ ২৪১৬, আহমাদ ১৪০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫০)
হাদিস নং: ৩৭২১ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حفص حدثنا ابن المبارك اخبرنا هشام بن عروة عن ابيه ان اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قالوا للزبير يوم اليرموك الا تشد فنشد معك فحمل عليهم فضربوه ضربتين على عاتقه بينهما ضربة ضربها يوم بدر قال عروة فكنت ادخل اصابعي في تلك الضربات العب وانا صغير
৩৭২১. ‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত। ইয়ারমুক যুদ্ধে যোগদানকারী মুজাহিদগণ যুবায়রকে বললেন, আপনি কি আক্রমণ কঠোরতর করবেন না? তা হলে আমরাও আপনার সঙ্গে (সর্বশক্তি নিয়ে) আক্রমণ করব। এবার তিনি ভীষণভাবে আক্রমণ করলেন। শত্রুরা তাঁর স্কন্ধে দু’টি আঘাত করল। ক্ষতদ্বয়ের মধ্যে আরো একটি ক্ষতের দাগ ছিল যা বাদার যুদ্ধে হয়েছিল। ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আঘাতের জায়গাগুলোতে আঙ্গুল ঢুকিয়ে খেলা করতাম। (৩৯৭৩, ৩৯৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫১)
হাদিস নং: ৩৭২২ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن ابي بكر المقدمي حدثنا معتمر عن ابيه عن ابي عثمان قال لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الايام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد عن حديثهما
وَقَالَ عُمَرُ تُوُفِّيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَنْهُ رَاضٍ

‘উমার (রাঃ) বলেন, মৃত্যু অবধি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন।


৩৭২২-৩৭২৩. আবূ ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে সব যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সা‘দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাঁদের উভয় হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৩৭২২=৪০৬০, ৩৭২৩=৪০৬১, মুসলিম ৪৪/৬ হাঃ ২৪১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫২)

 
হাদিস নং: ৩৭২৩ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن ابي بكر المقدمي حدثنا معتمر عن ابيه عن ابي عثمان قال لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الايام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد عن حديثهما
৩৭২২-৩৭২৩. আবূ ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে সব যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সা‘দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাঁদের উভয় হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৩৭২২=৪০৬০, ৩৭২৩=৪০৬১, মুসলিম ৪৪/৬ হাঃ ২৪১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫২)
হাদিস নং: ৩৭২৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا خالد حدثنا ابن ابي خالد عن قيس بن ابي حازم قال رايت يد طلحة التي وقى بها النبي صلى الله عليه وسلم قد شلت
৩৭২৪. কাইস ইবনু আবূ হাযিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ত্বলহা (রাঃ)-এর ঐ হাতকে অবশ অবস্থায় দেখেছি, যে হাত দিয়ে (উহুদ যুদ্ধে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রক্ষা করেছিলেন। (৪০৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৩)
হাদিস নং: ৩৭২৫ সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت سعدا يقول جمع لي النبي صلى الله عليه وسلم ابويه يوم احد
وَبَنُوْ زُهْرَةَ أَخْوَالُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ

বনূ যুহুরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাতুল বংশ। তিনি সা‘দ ইবনু মালিক।


৩৭২৫. সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য তাঁর মাতা-পিতাকে একত্র করেছিলেন, (তোমার উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক)। (৪০৫৫, ৪০৫৬, ৪০৫৭, মুসলিম ৪৪/৫ হাঃ ২৪১২, আহমাদ ১৬১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৪)

 
হাদিস নং: ৩৭২৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا مكي بن ابراهيم حدثنا هاشم بن هاشم عن عامر بن سعد عن ابيه قال لقد رايتني وانا ثلث الاسلام
৩৭২৬. সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমাকে খুব ভালভাবে জানি, ইসলাম গ্রহণ করার ব্যাপারে আমি ছিলাম তৃতীয় ব্যক্তি। (৩৭২৭, ৩৮৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৫)
হাদিস নং: ৩৭২৭ সহিহ (Sahih)
حدثني ابراهيم بن موسى اخبرنا ابن ابي زاىدة حدثنا هاشم بن هاشم بن عتبة بن ابي وقاص قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سمعت سعد بن ابي وقاص يقول ما اسلم احد الا في اليوم الذي اسلمت فيه ولقد مكثت سبعة ايام واني لثلث الاسلام تابعه ابو اسامة حدثنا هاشم
৩৭২৭. সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহণ করি সেদিন [এর পূর্বে খাদীজাহ (রাঃ) ও আবূ বকর (রাঃ) ব্যতীত] অন্য কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। আমি সাতদিন এমনিভাবে অতিবাহিত করেছি যে, আমি ইসলাম গ্রহণে তৃতীয় জন ছিলাম। (৩৭২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৬)
হাদিস নং: ৩৭২৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن عون حدثنا خالد بن عبد الله عن اسماعيل عن قيس قال سمعت سعدا يقول اني لاول العرب رمى بسهم في سبيل الله وكنا نغزو مع النبي صلى الله عليه وسلم وما لنا طعام الا ورق الشجر حتى ان احدنا ليضع كما يضع البعير او الشاة ما له خلط ثم اصبحت بنو اسد تعزرني على الاسلام لقد خبت اذا وضل عملي وكانوا وشوا به الى عمر قالوا لا يحسن يصلي
৩৭২৮. কায়েস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সা‘দ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আরবদের মধ্যে আমিই সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর রাস্তায় প্রথম তীর নিক্ষেপ করেছে। আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে থেকেই লড়াই করেছি। তখন গাছের পাতা ছাড়া আমাদের কোন খাবার ছিল না। এমনকি আমাদেরকে উট অথবা ছাগলের মত বড়ির ন্যায় মল ত্যাগ করতে হত। আর এখন বনু আসাদ আমাকে ইসলামের ব্যাপারে লজ্জা দিচ্ছে। আমি তখন অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হব এবং আমার আমলসমূহ নষ্ট হবে। বনূ আসাদ ‘উমার (রাঃ) এর নিকট সা‘দ (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যথা নিয়মে সালাত আদায় না করার অভিযোগ করেছিল। আবূ ‘আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন ইসলামের তৃতীয় ব্যক্তি দ্বারা তিনি বলতে চান যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যারা প্রথমে ইসলাম এনেছিল আমি এদের তিন জনের তৃতীয়। (৫৪১২, ৬৪৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৭)
হাদিস নং: ৩৭২৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني علي بن حسين ان المسور بن مخرمة قال ان عليا خطب بنت ابي جهل فسمعت بذلك فاطمة فاتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يزعم قومك انك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكح بنت ابي جهل فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد يقول اما بعد انكحت ابا العاص بن الربيع فحدثني وصدقني وان فاطمة بضعة مني واني اكره ان يسوءها والله لا تجتمع بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وبنت عدو الله عند رجل واحد فترك علي الخطبة وزاد محمد بن عمرو بن حلحلة عن ابن شهاب عن علي بن الحسين عن مسور سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وذكر صهرا له من بني عبد شمس فاثنى عليه في مصاهرته اياه فاحسن قال حدثني فصدقني ووعدني فوفى لي
مِنْهُمْ أَبُو الْعَاصِ بْنُ الرَّبِيْعِ

আবুল ’আস ইবনু রাবী (রাঃ) তাদের মধ্যে একজন।

৩৭২৯. মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ জেহেলের কন্যাকে ’আলী (রাঃ) বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে পাঠালেন। ফাতিমাহ (রাঃ) এই খবর শুনতে পেয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে বললেন, আপনার গোত্রের লোকজন মনে করে যে, আপনি আপনার মেয়েদের সম্মানে রাগান্বিত হন না। ’আলী তো আবূ জেহেলের কন্যাকে বিবাহ করতে প্রস্তুত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবা দিতে প্রস্তুত হলেন। (মিস্ওয়ার বলেন) তিনি যখন হামদ ও সানা পাঠ করেন, তখন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, আমি আবূল ’আস ইবনু রাবির নিকট আমার মেয়েকে শাদী দিয়েছিলোম। সে আমার সঙ্গে যা বলেছে সত্যই বলেছে। আর ফাতিমাহ আমার টুকরা; তাঁর কোন কষ্ট হোক তা আমি কখনও পছন্দ করি না। আল্লাহর কসম, আল্লাহর রাসূলের মেয়ে এবং আল্লাহর দুশমনের মেয়ে একই লোকের নিকট একত্রিত হতে পারে না। ’আলী (রাঃ) তাঁর বিবাহের প্রস্তাব উঠিয়ে নিলেন। মুহাম্মাদ ইবনু আমার ইবনু হালহালা (রহ.).....মিস্ওয়ার (রহ.) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করে বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বনী আবদে শামস গোত্রে তাঁর এক জামাতার ব্যাপারে অত্যন্ত প্রশংসা করতে শুনেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে আমাকে যা বলেছে- সত্য বলেছে। যা ওয়াদা করেছে, তা পূর্ণ করেছে। (৯২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৮)
হাদিস নং: ৩৭৩০ সহিহ (Sahih)
حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم بعثا وامر عليهم اسامة بن زيد فطعن بعض الناس في امارته فقال النبي صلى الله عليه وسلم ان تطعنوا في امارته فقد كنتم تطعنون في امارة ابيه من قبل وايم الله ان كان لخليقا للامارة وان كان لمن احب الناس الي وان هذا لمن احب الناس الي بعده
وَقَالَ الْبَرَاءُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْتَ أَخُوْنَا وَمَوْلَانَا

বারাআ (রহ.) বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছেন, তুমি আমাদের ভাই ও আমাদের সুহৃদ।


৩৭৩০. আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সেনাবাহিনী পাঠানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) কে উক্ত বাহিনীর নেতা মনোনীত করেন। কিছু সংখ্যক লোক তাঁর নেতৃত্বের উপর মন্তব্য প্রকাশ করতে লাগলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার নেতৃত্বের প্রতি তোমরা সমালোচনা করছ। ইতোপূর্বে তার পিতার নেতৃত্বের প্রতিও তোমরা সমালোচনা করেছ। আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই সে নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি ছিল এবং আমার প্রিয়পাত্রদের একজন ছিল। অতঃপর তার পুত্র আমার প্রিয়পাত্রদের একজন। (৪২৫০, ৪৪৬৮, ৪৪৬৯, ৬৬২৭, ৭১৮৭, মুসলিম ৪৪/১০ হাঃ ২৪২৬, আহমাদ ৫৮৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৯)

 
হাদিস নং: ৩৭৩১ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن قزعة حدثنا ابراهيم بن سعد عن الزهري عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها قالت دخل علي قاىف والنبي شاهد واسامة بن زيد وزيد بن حارثة مضطجعان فقال ان هذه الاقدام بعضها من بعض قال فسر بذلك النبي صلى الله عليه وسلم واعجبه فاخبر به عاىشة
৩৭৩১. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার এক কায়িফ (রেখা চিহ্নে অভিজ্ঞ) ব্যক্তি আসে, সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত ছিলেন। উসামাহ (রাঃ) ও তাঁর পিতা শুয়েছিলেন। কায়িফ বলে উঠল, এ পাগুলো একটি অন্যটির অংশ। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত খুশি হলেন এবং ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কেও এ খবর জানালেন।[১] (৩৫৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬০)
নোট: ১। উসামাহ রাঃ ছিলেন কল বর্ণের, তাঁর পিতা যায়দ রাঃ ছিলেন গৌর বর্ণের। তাই জাহেলি যুগে তাদের সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করা হত। এ ভ্রান্ত সন্দেহ দূর হওয়ায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনন্দিত হন।
হাদিস নং: ৩৭৩২ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن الزهري عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها ان قريشا اهمهم شان المخزومية فقالوا من يجترى عليه الا اسامة بن زيد حب رسول الله صلى الله عليه وسلم
৩৭৩২. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। মাখযুম গোত্রের এক নারীর চুরির ঘটনায় কুরাইশগণ চিন্তিত হয়ে পড়ল। তারা বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয় পাত্র উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) ছাড়া কে আর তাঁর নিকট বলার সাহস করবে? (২৬৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬১)
হাদিস নং: ৩৭৩৩ সহিহ (Sahih)
ح و حدثنا علي حدثنا سفيان قال ذهبت اسال الزهري عن حديث المخزومية فصاح بي قلت لسفيان فلم تحتمله عن احد قال وجدته في كتاب كان كتبه ايوب بن موسى عن الزهري عن عروة عن عاىشة رضي الله عنها ان امراة من بني مخزوم سرقت فقالوا من يكلم فيها النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجترى احد ان يكلمه فكلمه اسامة بن زيد فقال ان بني اسراىيل كان اذا سرق فيهم الشريف تركوه واذا سرق فيهم الضعيف قطعوه لو كانت فاطمة لقطعت يدها
৩৭৩৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাখযুম গোত্রের এক নারী চুরি করেছিল। তখন তারা বলল, এ ব্যাপারে কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কথা বলতে পারবে? কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ-ই কথা বলার সাহস করল না। উসামাহ (রাঃ) এ সম্পর্কে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বনী ইসরাইল তাদের গণ্যমান্য পরিবারের কেউ চুরি করলে তাকে ছেড়ে দিত। এবং দুর্বল কেউ চুরি করলে তারা তার হাত কেটে দিত। ফাতিমাহ (রাঃ) হলেও অবশ্যই আমি তাঁর হাত কেটে ফেলতাম। (২৬৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬২)
হাদিস নং: ৩৭৩৪ সহিহ (Sahih)
باب حدثني الحسن بن محمد حدثنا ابو عباد يحيى بن عباد حدثنا الماجشون اخبرنا عبد الله بن دينار قال نظر ابن عمر يوما وهو في المسجد الى رجل يسحب ثيابه في ناحية من المسجد فقال انظر من هذا ليت هذا عندي قال له انسان اما تعرف هذا يا ابا عبد الرحمن هذا محمد بن اسامة قال فطاطا ابن عمر راسه ونقر بيديه في الارض ثم قال لو راه رسول الله صلى الله عليه وسلم لاحبه
৩৭৩৪. ‘আবদুল্লাহ ইবনু দিনার (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এক লোককে দেখতে পেলেন যে, মসজিদের এক কোণে তার কাপড় টেনে নিচ্ছে, তিনি বললেন, দেখতো, লোকটি কে? সে যদি আমার নিকট থাকত! তখন একজন তাঁকে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রাহমান, আপনি কি তাকে চিনতে পেরেছেন। তিনি উসামাহ (রাঃ)-এর পুত্র মুহাম্মাদ। এ কথা শুনে ইবনু ‘উমার (রাঃ) মাথা নীচু করে দু’হাত দিয়ে মাটি আঁচড়াতে লাগলেন এবং বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দেখলে নিশ্চয়ই আদর করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৩)
হাদিস নং: ৩৭৩৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا معتمر قال سمعت ابي حدثنا ابو عثمان عن اسامة بن زيد رضي الله عنهما حدث عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان ياخذه والحسن فيقول اللهم احبهما فاني احبهما
৩৭৩৫. উসামাহ ইবনু যায়দ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে এবং হাসান (রাঃ)-কে এক সঙ্গে তুলে নিতেন এবং বলতেন, হে আল্লাহ্! তুমি এদেরকে ভালবাস। কেননা আমিও এদেরকে ভালবাসি। (৩৭৪৭, ৬০০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৬ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৪ প্রথমাংশ)
অধ্যায় তালিকা