হাদিস নং: ৫৫০৫
সহিহ (Sahih)
اسماعيل قال حدثني مالك عن نافع عن رجل من الانصار عن معاذ بن سعد او سعد بن معاذ اخبره“ ان جارية لكعب بن مالك كانت ترعى غنما بسلع فاصيبت شاة منها فادركتها فذبحتها بحجر فسىل النبي صلى الله عليه وسلم فقال كلوها.
৫৫০৫. এক আনসারী থেকে তিনি মু’আয ইবনু সা’দ কিংবা সা’দা ইবনু মু’আয (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ)-এর একটি দাসী ’সালা’ পর্বতে বকরী চরাত। বকরীগুলোর মধ্যে একটিকে মরার উপক্রম দেখে সে একটি পাথর দ্বারা সেটিকে যবেহ করল। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেনঃ সেটি খাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯৬)
হাদিস নং: ৫৫০৬
সহিহ (Sahih)
قبيصة حدثنا سفيان عن ابيه عن عباية بن رفاعة عن رافع بن خديج قال قال النبي صلى الله عليه وسلم كل يعني ما انهر الدم الا السن والظفر.
৫৫০৬. রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাও অর্থাৎ যা রক্ত প্রবাহিত করে (তা দিয়ে যবেহ করে) তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯৭)
হাদিস নং: ৫৫০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبيد الله، حدثنا اسامة بن حفص المدني، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ـ رضى الله عنها ـ ان قوما، قالوا للنبي صلى الله عليه وسلم ان قوما ياتونا باللحم لا ندري اذكر اسم الله عليه ام لا فقال " سموا عليه انتم وكلوه ". قالت وكانوا حديثي عهد بالكفر. تابعه علي عن الدراوردي. وتابعه ابو خالد والطفاوي.
৫৫০৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদল লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল কতক লোক আমাদের নিকট মাংস নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, পশু যবহের সময় বিসমিল্লাহ বলা হয়েছিল কিনা। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরাই এর উপর বিসমিল্লাহ পড় এবং তা খাও। ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেনঃ প্রশ্নকারী দলটি ছিল কুফর থেকে নতুন ইসলাম গ্রহণকারী। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেনঃ দারাওয়ারদী (রহ.) ’আলী থেকে একই রকম বর্ণনা করেছেন। আবূ খালিদ ও তুফাবী (রহ.) এরকমই বর্ণনা করেছেন। [২০৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯৮)
হাদিস নং: ৫৫০৮
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن حميد بن هلال عن عبد الله بن مغفل قال كنا محاصرين قصر خيبر فرمى انسان بجراب فيه شحم فنزوت لا÷خذه“ فالتفت فاذا النبي صلى الله عليه وسلم فاستحييت منه.
وَقَوْلِهِ تَعَالَى: (الْيَوْمَ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ وَطَعَامُ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حِلٌّ لَكُمْ وَطَعَامُكُمْ حِلٌّ لَهُمْ).
মহান আল্লাহর ইরশাদঃ আজ তোমাদের জন্য যাবতীয় ভাল ও পবিত্র বস্তু হালাল করা হল আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল, আর তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল- আল-মায়িদাহ ৫ /৫)।
وَقَالَ الزُّهْرِيُّ لاَ بَأْسَ بِذَبِيحَةِ نَصَارَى الْعَرَبِ وَإِنْ سَمِعْتَه“ يُسَمِّي لِغَيْرِ اللهِ فَلاَ تَأْكُلْ وَإِنْ لَمْ تَسْمَعْه“ فَقَدْ أَحَلَّهُ اللهُ لَكَ وَعَلِمَ كُفْرَهُمْ وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ نَحْوُه“ وَقَالَ الْحَسَنُ وَإِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ بِذَبِيحَةِ الأَقْلَفِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ طَعَامُهُمْ ذَبَائِحُهُمْ.
যুহরী (রহ.) বলেছেনঃ আরব অঞ্চলের খৃস্টানদের যবহকৃত পশুতে কোন দোষ নেই। তবে তুমি যদি তাকে গায়রুল্লাহর নাম পড়তে শোন, তাহলে খেয়ো না। আর যদি না শুনে থাক, তাহলে মনে রেখ যে, আল্লাহ তাদের কুফুরীকে জেনে নেয়ার পরেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। হাসান ও ইবরাহীম বলেছেনঃ খাতনাবিহীন লোকের যবাহকৃত পশুতে কোন দোষ নেই।ইবনু ’আব্বাস বলেছেন, ’তাদের খাবার’ অর্থ ’তাদের যবেহকৃত’।
৫৫০৮. ’আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খায়বরের একটি কিল্লা অবরোধ করে রেখেছিলাম। এমন সময়ে এক লোক চর্বি ভর্তি একটি থলে ছুঁড়ে মারল। আমি সেটি উঠিয়ে নেয়ার জন্য ছুটে গেলাম। ঘুরে তাকিয়ে দেখি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাঁকে দেখে আমি লজ্জিত হলাম। [৩১৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯৯)
মহান আল্লাহর ইরশাদঃ আজ তোমাদের জন্য যাবতীয় ভাল ও পবিত্র বস্তু হালাল করা হল আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল, আর তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল- আল-মায়িদাহ ৫ /৫)।
وَقَالَ الزُّهْرِيُّ لاَ بَأْسَ بِذَبِيحَةِ نَصَارَى الْعَرَبِ وَإِنْ سَمِعْتَه“ يُسَمِّي لِغَيْرِ اللهِ فَلاَ تَأْكُلْ وَإِنْ لَمْ تَسْمَعْه“ فَقَدْ أَحَلَّهُ اللهُ لَكَ وَعَلِمَ كُفْرَهُمْ وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ نَحْوُه“ وَقَالَ الْحَسَنُ وَإِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ بِذَبِيحَةِ الأَقْلَفِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ طَعَامُهُمْ ذَبَائِحُهُمْ.
যুহরী (রহ.) বলেছেনঃ আরব অঞ্চলের খৃস্টানদের যবহকৃত পশুতে কোন দোষ নেই। তবে তুমি যদি তাকে গায়রুল্লাহর নাম পড়তে শোন, তাহলে খেয়ো না। আর যদি না শুনে থাক, তাহলে মনে রেখ যে, আল্লাহ তাদের কুফুরীকে জেনে নেয়ার পরেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। হাসান ও ইবরাহীম বলেছেনঃ খাতনাবিহীন লোকের যবাহকৃত পশুতে কোন দোষ নেই।ইবনু ’আব্বাস বলেছেন, ’তাদের খাবার’ অর্থ ’তাদের যবেহকৃত’।
৫৫০৮. ’আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খায়বরের একটি কিল্লা অবরোধ করে রেখেছিলাম। এমন সময়ে এক লোক চর্বি ভর্তি একটি থলে ছুঁড়ে মারল। আমি সেটি উঠিয়ে নেয়ার জন্য ছুটে গেলাম। ঘুরে তাকিয়ে দেখি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাঁকে দেখে আমি লজ্জিত হলাম। [৩১৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৯৯)
হাদিস নং: ৫৫০৯
সহিহ (Sahih)
عمرو بن علي حدثنا يحيى حدثنا سفيان حدثنا ابي عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج عن رافع بن خديج قال قلت يا رسول الله انا لاقو العدو غدا وليست معنا مدى فقال اعجل او ارن ما انهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وساحدثك اما السن فعظم واما الظفر فمدى الحبشة واصبنا نهب ابل وغنم فند منها بعير فرماه“ رجل بسهم فحبسه“ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان لهذه الابل اوابد كاوابد الوحش فاذا غلبكم منها شيء فافعلوا به„ هكذا.
وَأَجَازَهُ ابْنُ مَسْعُودٍ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَا أَعْجَزَكَ مِنَ الْبَهَائِمِ مِمَّا فِي يَدَيْكَ فَهُوَ كَالصَّيْدِ وَفِي بَعِيرٍ تَرَد’ى فِي بِئْرٍ مِنْ حَيْثُ قَدَرْتَ عَلَيْهِ فَذَكِّه„ وَرَأٰى ذ’لِكَ عَلِيٌّ وَابْنُ عُمَرَ وَعَائِشَةُ.
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)-ও এ ফতোয়া দিয়েছেন। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ তোমার অধীনস্থ যে জন্তু তোমাকে অপারগ করে দেয়, সে শিকারের ন্যায়। যে উট কুয়ার মধ্যে পড়ে যায় তার যে জায়গায় তোমার পক্ষে সম্ভব হয়, আঘাত যবেহ কর। ’আলী ইবনু ’উমার এবং ’আয়িশাহ (রাঃ) এরও এটাই মত।
৫৫০৯. ’আমর ইবনু ’আলী (রহ.) রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আগামী দিন শত্রুর সম্মুখীন হব, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি ত্বরান্বিত করবে কিংবা তিনি বলেছেনঃ জলদি (যবেহ) করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে এবং আল্লাহর নাম নেয়া হয়, তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দ্বারা নয়। তোমাকে বলছিঃ দাঁত হল হাড় আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। আমরা কিছু উট ও বকরী গনীমত হিসাবে পেলাম। সেগুলো থেকে একটি উট পালিয়ে যায়। একজন সেটির উপর তীর নিক্ষেপ করলে আল্লাহ উটটি আটকিয়ে দেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সব গৃহপালিত উটের মধ্য বন্যপশুর স্বভাব আছে। কাজেই তা থেকে কোনটি যদি তোমদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা হলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যবহার করবে। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০১)
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)-ও এ ফতোয়া দিয়েছেন। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ তোমার অধীনস্থ যে জন্তু তোমাকে অপারগ করে দেয়, সে শিকারের ন্যায়। যে উট কুয়ার মধ্যে পড়ে যায় তার যে জায়গায় তোমার পক্ষে সম্ভব হয়, আঘাত যবেহ কর। ’আলী ইবনু ’উমার এবং ’আয়িশাহ (রাঃ) এরও এটাই মত।
৫৫০৯. ’আমর ইবনু ’আলী (রহ.) রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আগামী দিন শত্রুর সম্মুখীন হব, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি ত্বরান্বিত করবে কিংবা তিনি বলেছেনঃ জলদি (যবেহ) করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে এবং আল্লাহর নাম নেয়া হয়, তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দ্বারা নয়। তোমাকে বলছিঃ দাঁত হল হাড় আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। আমরা কিছু উট ও বকরী গনীমত হিসাবে পেলাম। সেগুলো থেকে একটি উট পালিয়ে যায়। একজন সেটির উপর তীর নিক্ষেপ করলে আল্লাহ উটটি আটকিয়ে দেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সব গৃহপালিত উটের মধ্য বন্যপশুর স্বভাব আছে। কাজেই তা থেকে কোনটি যদি তোমদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা হলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যবহার করবে। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০১)
হাদিস নং: ৫৫১০
সহিহ (Sahih)
خلاد بن يحيى حدثنا سفيان حدثنا هشام بن عروة قال اخبرتني فاطمة بنت المنذر امراتي عن اسماء بنت ابي بكر قالت نحرنا على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فرسا فاكلناه.
وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ لاَ ذَبْحَ وَلاَ مَنْحَرَ إِلاَّ فِي الْمَذْبَحِ وَالْمَنْحَرِ. قُلْتُ أَيَجْزِي مَا يُذْبَحُ أَنْ أَنْحَرَهُ قَالَ نَعَمْ، ذَكَرَ اللَّهُ ذَبْحَ الْبَقَرَةِ، فَإِنْ ذَبَحْتَ شَيْئًا يُنْحَرُ جَازَ، وَالنَّحْرُ أَحَبُّ إِلَيَّ، وَالذَّبْحُ قَطْعُ الأَوْدَاجِ. قُلْتُ فَيُخَلِّفُ الأَوْدَاجَ حَتَّى يَقْطَعَ النِّخَاعَ قَالَ لاَ إِخَالُ. وَأَخْبَرَنِي نَافِعٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ نَهَى عَنِ النَّخْعِ يَقُولُ يَقْطَعُ مَا دُونَ الْعَظْمِ، ثُمَّ يَدَعُ حَتَّى تَمُوتَ. وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: (وَإِذْ قَالَ مُوسَى لِقَوْمِهِ إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَذْبَحُوا بَقَرَةً) وَقَالَ: (فَذَبَحُوهَا وَمَا كَادُوا يَفْعَلُونَ).
وَقَالَ سَعِيدٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ الذَّكَاةُ فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ.
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَأَنَسٌ إِذَا قَطَعَ الرَّأْسَ فَلاَ بَأْسَ.
’আত্বা (রহ.) এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইবনু জুরাইজ বলেছেনঃ গলা বা সিনা ব্যতীত যবেহ কিংবা নহর করা যায় না। [’আত্বা (রহ.) বলেন] আমি বললামঃ যে জন্তুকে যবেহ করা হয় সেটিকে আমি যদি নহর করি, তাহলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ। কেননা, আল্লাহ তা’আলা গরুকে যবেহ করার কথা উল্লেখ করেছেন। কাজেই যে জন্তুকে নহর করা হয়, তা যদি তুমি যবেহ কর, তবে তা জায়িয। অবশ্য আমার নিকট নহর করাই অধিক পছন্দনীয়। যবেহ অর্থ হল রগগুলোকে কেটে দেয়া। আমি বললামঃ তাহলে কিছু রগকে অবশিষ্ট রাখতে হবে যেন হাতের ভিতরের সাদা রগ কাটা না যায়। তিনি বললেনঃ আমি তা মনে করি না। তিনি বললেনঃ নাফি’ রহ) আমাকে জানিয়েছেন, ইবনু ’উমার ’নাখ’ থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেনঃ ’নাখ’ হল হাড়ের ভিতরের সাদা রগ কেটে দেয়া এবং তারপর ছেড়ে দেয়া, যাতে জন্তুটি মারা যায়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ ’’স্মরণ কর, যখন মূসা ’আ.) স্বীয় সম্প্রদায়কে বলেছিল, ’আল্লাহ তোমাদেরকে একটি গরু যবহ করার আদেশ দিচ্ছেন’....... তারা তাকে যবহ করল যদিও তাদের জন্য সেটা প্রায় অসম্ভব ছিল।’’- সূরাহ আল-বাকারাহ ২/৬৭-৭১)। সা’ঈদ (রহ.) ইবনু ’আব্বাস থেকে বর্ণনা করেনঃ গলা ও সিনার মধ্যে যবেহ করাকে যবেহ বলে। ইবনু ’উমার ইবনু ’আব্বাস ও আনাস বলেনঃ যদি মাথা কেটে ফেলে তাতে দোষ নেই।
৫৫১০. আসমা বিনত আবূ বকর হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করে সেটি খেয়েছি। [৫৫১১, ৫৫১২, ৫৫১৯; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০১)
وَقَالَ سَعِيدٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ الذَّكَاةُ فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ.
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَأَنَسٌ إِذَا قَطَعَ الرَّأْسَ فَلاَ بَأْسَ.
’আত্বা (রহ.) এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইবনু জুরাইজ বলেছেনঃ গলা বা সিনা ব্যতীত যবেহ কিংবা নহর করা যায় না। [’আত্বা (রহ.) বলেন] আমি বললামঃ যে জন্তুকে যবেহ করা হয় সেটিকে আমি যদি নহর করি, তাহলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ। কেননা, আল্লাহ তা’আলা গরুকে যবেহ করার কথা উল্লেখ করেছেন। কাজেই যে জন্তুকে নহর করা হয়, তা যদি তুমি যবেহ কর, তবে তা জায়িয। অবশ্য আমার নিকট নহর করাই অধিক পছন্দনীয়। যবেহ অর্থ হল রগগুলোকে কেটে দেয়া। আমি বললামঃ তাহলে কিছু রগকে অবশিষ্ট রাখতে হবে যেন হাতের ভিতরের সাদা রগ কাটা না যায়। তিনি বললেনঃ আমি তা মনে করি না। তিনি বললেনঃ নাফি’ রহ) আমাকে জানিয়েছেন, ইবনু ’উমার ’নাখ’ থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেনঃ ’নাখ’ হল হাড়ের ভিতরের সাদা রগ কেটে দেয়া এবং তারপর ছেড়ে দেয়া, যাতে জন্তুটি মারা যায়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ ’’স্মরণ কর, যখন মূসা ’আ.) স্বীয় সম্প্রদায়কে বলেছিল, ’আল্লাহ তোমাদেরকে একটি গরু যবহ করার আদেশ দিচ্ছেন’....... তারা তাকে যবহ করল যদিও তাদের জন্য সেটা প্রায় অসম্ভব ছিল।’’- সূরাহ আল-বাকারাহ ২/৬৭-৭১)। সা’ঈদ (রহ.) ইবনু ’আব্বাস থেকে বর্ণনা করেনঃ গলা ও সিনার মধ্যে যবেহ করাকে যবেহ বলে। ইবনু ’উমার ইবনু ’আব্বাস ও আনাস বলেনঃ যদি মাথা কেটে ফেলে তাতে দোষ নেই।
৫৫১০. আসমা বিনত আবূ বকর হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করে সেটি খেয়েছি। [৫৫১১, ৫৫১২, ৫৫১৯; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০১)
হাদিস নং: ৫৫১১
সহিহ (Sahih)
اسحاق سمع عبدة عن هشام عن فاطمة عن اسماء قالت ذبحنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا ونحن بالمدينة فاكلناه.
৫৫১১. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া যবেহ করেছি। তখন আমরা মদিনায় থাকতাম। পরে আমরা সেটি খেয়েছি। [৫৫১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০২)
হাদিস নং: ৫৫১২
সহিহ (Sahih)
قتيبة حدثنا جرير عن هشام عن فاطمة بنت المنذر ان اسماء بنت ابي بكر قالت نحرنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا فاكلناه“ تابعه“ وكيع وابن عيينة عن هشام في النحر.
৫৫১২. আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ’আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করেছি। এরপর তা খেয়েছি। ’নহর’ কথাটির বর্ণনা এ সঙ্গে হিশামের সূত্র দিয়ে ওয়াকী’ ও ইবনু ’উয়াইনাহ এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৫১০; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৩)
হাদিস নং: ৫৫১৩
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد قال دخلت مع انس على الحكم بن ايوب فراى غلمانا او فتيانا نصبوا دجاجة يرمونها فقال انس نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان تصبر البهاىم.
৫৫১৩. হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আনাস-এর সঙ্গে হাকাম ইবনু আইয়ূবের কাছে গেলাম। তখন আনাস (রাঃ) দেখলেন, কয়েকটি বালক কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, কয়েকজন তরুণ একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। আনাস (রাঃ) বললেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবজন্তুকে বেঁধে এভাবে তীর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৬, আহমাদ ১২১৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৪)
হাদিস নং: ৫৫১৪
সহিহ (Sahih)
احمد بن يعقوب اخبرنا اسحاق بن سعيد بن عمرو عن ابيه انه“ سمعه“ يحدث عن ابن عمر انه“ دخل على يحيى بن سعيد وغلام من بني يحيى رابط دجاجة يرميها فمشى اليها ابن عمر حتى حلها ثم اقبل بها وبالغلام معه“ فقال ازجروا غلامكم عن ان يصبر هذا الطير للقتل فاني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم نهى ان تصبر بهيمة او غيرها للقتل.
৫৫১৪. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদের কাছে গিয়েছিলেন। এ সময় ইয়াহ্ইয়া পরিবারের একটি বালক একটি মুরগীকে বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছিল। ইবনু ’উমার(রাঃ) মুরগীটির দিকে এগিয়ে গিয়ে সেটি মুক্ত করে দিলেন। তারপর মুরগী ও বালকটিকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে গিয়ে বললেন, হত্যার উদ্দেশে এভাবে বেঁধে পাখি মারতে তোমরা তোমাদের বালকদের বাধা দিও। কেননা, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছিঃ তিনি হত্যার উদ্দেশে জন্তু জানোয়ার বেঁধে তীর নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৭, ১৯৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৫)
হাদিস নং: ৫৫১৫
সহিহ (Sahih)
ابو النعمان حدثنا ابو عوانة عن ابي بشر عن سعيد بن جبير قال كنت عند ابن عمر فمروا بفتية او بنفر نصبوا دجاجة يرمونها فلما راوا ابن عمر تفرقوا عنها وقال ابن عمر من فعل هذا ان النبي صلى الله عليه وسلم لعن من فعل هذا تابعه“ سليمان عن شعبة حدثنا المنهال عن سعيد عن ابن عمر لعن النبي صلى الله عليه وسلم من مثل بالحيوان وقال عدي عن سعيد عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم.
৫৫১৫. সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ আমি ইবনু ’উমার -এর কাছে ছিলাম। এরপর আমরা একদল তরুণ কিংবা তিনি বলেছেন, একদল মানুষের কাছ দিয়ে যাবার সময় দেখলাম, তারা একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। তারা যখন ইবনু ’উমার -কে দেখতে পেল, তখন তারা তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। ইবনু ’উমার বললেনঃ এ কাজ কে করেছে? এ কাজ যে করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উপর অভিশাপ দিয়েছেন।
শু’বাহ (রহ.) থেকে সুলাইমান এ রকমই বর্ণনা করেছেন। মিনহাল ইবনু ’উমার -এর সূত্রে বলেন, যে ব্যক্তি জীব-জন্তুর অঙ্গহানি করে তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নাত করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৬)
শু’বাহ (রহ.) থেকে সুলাইমান এ রকমই বর্ণনা করেছেন। মিনহাল ইবনু ’উমার -এর সূত্রে বলেন, যে ব্যক্তি জীব-জন্তুর অঙ্গহানি করে তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নাত করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৬)
হাদিস নং: ৫৫১৬
সহিহ (Sahih)
حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال اخبرني عدي بن ثابت قال سمعت عبد الله بن يزيد عن النبي صلى الله عليه وسلم انه“ نهى عن النهبة والمثلة.
৫৫১৬. ’আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি লুটতরাজ ও অঙ্গহানি করতে নিষেধ করেছেন। [২৪৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৭)
হাদিস নং: ৫৫১৭
সহিহ (Sahih)
يحيى حدثنا وكيع عن سفيان عن ايوب عن ابي قلابة عن زهدم الجرمي عن ابي موسى يعني الاشعري قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم ياكل دجاجا.
৫৫১৭. আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মুরগীর মাংস খেতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
হাদিস নং: ৫৫১৮
সহিহ (Sahih)
ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا ايوب بن ابي تميمة عن القاسم عن زهدم قال كنا عند ابي موسى الاشعري وكان بيننا وبين هذا الحي من جرم اخاء فاتي بطعام فيه لحم دجاج وفي القوم رجل جالس احمر فلم يدن من طعامه„ قال ادن فقد رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكل منه“ قال اني رايته“ اكل شيىا فقذرته“ فحلفت ان لا اكله“ فقال ادن اخبرك او احدثك اني اتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نفر من الاشعريين فوافقته“ وهو غضبان وهو يقسم نعما من نعم الصدقة فاستحملناه“ فحلف ان لا يحملنا قال ما عندي ما احملكم عليه ثم اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب من ابل فقال اين الاشعريون اين الاشعريون قال فاعطانا خمس ذود غر الذر‘ى فلبثنا غير بعيد فقلت لاصحابي نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ فوالله لىن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ لا نفلح ابدا فرجعنا الى النبيصلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله انا استحملناك فحلفت ان لا تحملنا فظننا انك نسيت يمينك فقال ان الله هو حملكم اني والله ان شاء الله لا احلف على يمين فار‘ى غيرها خيرا منها الا اتيت الذي هو خير وتحللتها.
৫৫১৮. আবূ মা’মার (রহ.) ..... যাহদাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) এর কাছে ছিলাম। জারমের এ গোত্র ও আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমাদের কাছে খাদ্য আনা হল। তাতে ছিল মোরগের গোশ্ত। দলের মধ্যে লাল রংয়ের এক ব্যক্তি বসা ছিল। সে খাবারের কাছে গেল না। আবূ মূসা আশ’আরী তখন বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মোরগের মাংস খেতে দেখেছি। সে বললঃ আমি এটিকে এমন কিছু খেতে দেখেছি, যে কারণে তা খেতে আমি অপছন্দ করি। তখন আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। তিনি বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি তোমাকে জানাব, কিংবা তিনিবললেন, আমি তোমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করব। আমি আশ’আরীদের একদলসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। এরপর আমি তাঁর সামনে এসে হাজির হই যখন তিনি ছিলেন ক্রোধান্বিত। তখন তিনি বণ্টন করছিলেন সাদাকার কিছু জানোয়ার। আমরা তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তখন তিনি কসম করে বললেনঃ আমাদের কোন সাওয়ারী দেবেন না এবং বললেনঃ তোমাদেরকে সাওয়ারীর জন্য দিতে পারি এমন কোন পশু আমার কাছে নেই।
তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হল। তিনি বললেনঃ আশ’আরীগণ কোথায়? আশ’আরীগণ কোথায়? আবূ মূসা আশ’আরী বলেনঃ এরপর তিনি আমাদের সাদা চূড়ওয়ালা বলিষ্ঠ পাঁচটি উট দিলেন। আমরা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান করলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কসমের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আল্লাহর কসম! যদি আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর কসমের ব্যাপারে গাফিল রাখি, তাহলে আমরা কোন দিন সফলকাম হব না। তাই আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে গেলাম। তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার নিকট সাওয়ারী চেয়েছিলাম, তখন আপনি আমাদের সাওয়ারী দেবেন না বলে শপথ করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, আপনি আপনার শপথের কথা ভুলে গেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ নিজেই তো আমাদের সাওয়ারীর জানোয়ার দিয়েছেন। আল্লাহর কসম, আমি যখন কোন বিষয়ে শপথ করি, এরপর শপথের বিপরীত কাজ অধিক কল্যাণকর মনে করি, তখন আমি কল্যাণকর কাজটিই করি এবং কাফফারা দিয়ে হালাল হয়ে যাই। [৩১৩৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হল। তিনি বললেনঃ আশ’আরীগণ কোথায়? আশ’আরীগণ কোথায়? আবূ মূসা আশ’আরী বলেনঃ এরপর তিনি আমাদের সাদা চূড়ওয়ালা বলিষ্ঠ পাঁচটি উট দিলেন। আমরা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান করলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কসমের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আল্লাহর কসম! যদি আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর কসমের ব্যাপারে গাফিল রাখি, তাহলে আমরা কোন দিন সফলকাম হব না। তাই আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে গেলাম। তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার নিকট সাওয়ারী চেয়েছিলাম, তখন আপনি আমাদের সাওয়ারী দেবেন না বলে শপথ করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, আপনি আপনার শপথের কথা ভুলে গেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ নিজেই তো আমাদের সাওয়ারীর জানোয়ার দিয়েছেন। আল্লাহর কসম, আমি যখন কোন বিষয়ে শপথ করি, এরপর শপথের বিপরীত কাজ অধিক কল্যাণকর মনে করি, তখন আমি কল্যাণকর কাজটিই করি এবং কাফফারা দিয়ে হালাল হয়ে যাই। [৩১৩৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
হাদিস নং: ৫৫১৯
সহিহ (Sahih)
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن فاطمة عن اسماء قالت نحرنا فرسا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاكلناه.
৫৫১৯. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম। [৫৫১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৯)
হাদিস নং: ৫৫২০
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.
৫৫২০. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খাইবারের দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাধার মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। আর ঘোড়ার মাংসের ব্যাপারে তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন। [৪২১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১০)
হাদিস নং: ৫৫২১
সহিহ (Sahih)
صدقة اخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سالم ونافع عن ابن عمر نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الاهلية يوم خيبر
فِيهِ عَنْ سَلَمَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
এ ব্যাপারে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সালামাহ (রাঃ) বর্ণিত হাদীস আছে।
৫৫২১. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, খাইবারের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৃহপালিত গাধার মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১১)
এ ব্যাপারে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সালামাহ (রাঃ) বর্ণিত হাদীস আছে।
৫৫২১. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, খাইবারের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৃহপালিত গাধার মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১১)
হাদিস নং: ৫৫২২
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله حدثني نافع عن عبد الله قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الاهلية تابعه ابن المبارك عن عبيد الله عن نافع وقال ابو اسامة عن عبيد الله عن سالم.
৫৫২২. ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৃহপালিত গাধার মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। ইবনু মুবারক, উবাইদুল্লাহ (রহ.) সূত্রে নাফি’ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। ’উবাইদুল্লাহ সালিম সূত্রে আবূ উসামাহ (রহ.) এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [৮৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১২)
হাদিস নং: ৫৫২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عبد الله، والحسن، ابنى محمد بن علي عن ابيهما، عن علي ـ رضى الله عنهم ـ قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المتعة عام خيبر ولحوم حمر الانسية.
৫৫২৩. ’আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাইবারের বছর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুত্’আ (স্বল্পকালীন বিয়ে) থেকে এবং গৃহপালিত গাধার মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। [৪২১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৩)
হাদিস নং: ৫৫২৪
সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن عمرو عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.
৫৫২৪. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খাইবারের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাধার মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। তবে ঘোড়ার মাংস খেতে অনুমতি প্রদান করেছেন। [৪২১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৪)