অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৭৭/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘বল, ‘যে সব সৌন্দর্য-শোভামন্ডিত বস্তু ও পবিত্র জীবিকা তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কে তা হারাম করল’?’’সূরাহ আল-আ‘রাফ ৭ঃ ৩২)
মোট ১৮৭ টি হাদিস
হাদিস নং: ৫৮১০
সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن عن ابي حازم عن سهل بن سعد قال جاءت امراة ببردة قال سهل هل تدري ما البردة قال نعم هي الشملة منسوج في حاشيتها قالت يا رسول الله اني نسجت هذه„ بيدي اكسوكها فاخذها رسول الله صلى الله عليه وسلم محتاجا اليها فخرج الينا وانها لازاره“ فجسها رجل من القوم فقال يا رسول الله اكسنيها قال نعم فجلس ما شاء الله في المجلس ثم رجع فطواها ثم ارسل بها اليه فقال له القوم ما احسنت سالتها اياه“ وقد عرفت انه“ لا يرد ساىلا فقال الرجل والله ما سالتها الا لتكون كفني يوم اموت قال سهل فكانت كفنه.
৫৮১০. সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন স্ত্রী লোক একটি বুরদাহ নিয়ে এলো। সাহল (রাঃ) বললেনঃ তোমরা জান বুরদাহ কী? একজন উত্তর দিলঃ হাঁ, বুরদাহ হল এমন চাদর যার পাড় কারুকার্যময়। স্ত্রী লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটি আমার নিজের হাতে বুনেছি আপনাকে পরানোর জন্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা গ্রহণ করলেন। তখন তাঁর এটার প্রয়োজনও ছিল। এরপর তিনি আমাদের কাছে বেরিয়ে আসলেনঃ তখন সে চাদরটি ইযার হিসেবে তাঁর পরিধানে ছিল। দলের এক ব্যক্তি হাত দিয়ে চাদরটি স্পর্শ করল এবং বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এটি পরতে দিন। তিনি বললেনঃ হাঁ।
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মজলিসে বসলেন, যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছে ছিল, তারপরে উঠে গেলেন এবং চাদরটি ভাঁজ করে এ ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দিলেন। উপস্থিত লোকেরা বললঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এটি চেয়ে তুমি ভাল করনি। তুমি তো জান যে, কোন প্রার্থীকে তিনি বঞ্চিত করেন না। লোকটি বললঃ আল্লাহর কসম! আমি কেবল এজন্যেই চেয়েছি যে, যেদিন আমার মৃত্যু হবে, সে দিন যেন এ চাদরটি আমার কাফন হয়। সাহল বলেনঃ এটি তাঁর কাফনই হয়েছিল। [১২৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮১)
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মজলিসে বসলেন, যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছে ছিল, তারপরে উঠে গেলেন এবং চাদরটি ভাঁজ করে এ ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দিলেন। উপস্থিত লোকেরা বললঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এটি চেয়ে তুমি ভাল করনি। তুমি তো জান যে, কোন প্রার্থীকে তিনি বঞ্চিত করেন না। লোকটি বললঃ আল্লাহর কসম! আমি কেবল এজন্যেই চেয়েছি যে, যেদিন আমার মৃত্যু হবে, সে দিন যেন এ চাদরটি আমার কাফন হয়। সাহল বলেনঃ এটি তাঁর কাফনই হয়েছিল। [১২৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮১)
হাদিস নং: ৫৮১১
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني سعيد بن المسيب ان ابا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلميقول يدخل الجنة من امتي زمرة هي سبعون الفا تضيء وجوههم اضاءة القمر فقام عكاشة بن محصن الاسدي يرفع نمرة عليه قال ادع الله لي يا رسول الله ان يجعلني منهم فقال اللهم اجعله“ منهم ثم قام رجل من الانصار فقال يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم فقال رسول الله سبقك عكاشة.
৫৮১১. আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাযারের একটি দল (বিনা হিসাবে) জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন তাদের মুখমণ্ডল
চাঁদের ন্যায় উজ্জ্বল হবে। ’উকাশাহ ইবনু মিহ্সান তাঁর পরিহিত রঙিন ডোরাওয়ালা চাদর উপরে তুলে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট আমার জন্য দু’আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। তারপর আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ’উকাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়েছে। [৬৫৪২; মুসলিম ১/৯৪, হাঃ ২১৬, আহমাদ ৮০২২, ৮৬২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮১)
চাঁদের ন্যায় উজ্জ্বল হবে। ’উকাশাহ ইবনু মিহ্সান তাঁর পরিহিত রঙিন ডোরাওয়ালা চাদর উপরে তুলে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট আমার জন্য দু’আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। তারপর আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ’উকাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়েছে। [৬৫৪২; মুসলিম ১/৯৪, হাঃ ২১৬, আহমাদ ৮০২২, ৮৬২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮১)
হাদিস নং: ৫৮১২
সহিহ (Sahih)
عمرو بن عاصم حدثنا همام عن قتادة عن انس قال قلت له“ اي الثياب كان احب الى النبي صلى الله عليه وسلم ان يلبسها قال الحبرة.
৫৮১২. ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ কোন্ ধরনের কাপড় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অধিক প্রিয় ছিল? তিনি বললেনঃ হিবারা-ইয়ামনী চাদর। [৫৮১৩; মুসলিম ৩৭/৫, হাঃ ২০৭৯, আহমাদ ১৪১১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৩)
হাদিস নং: ৫৮১৩
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن ابي الاسود حدثنا معاذ قال حدثني ابي عن قتادة عن انس بن مالك قال كان احب الثياب الى النبي صلى الله عليه وسلم ان يلبسها الحبرة.
৫৮১৩. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’হিবারা’ (ইয়ামনী চাদর) পরতে অধিক পছন্দ করতেন। [৫৮১২; মুসলিম ৩৭/৫, হাঃ ২০৭৯, আহমাদ ১৪১১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৪)
হাদিস নং: ৫৮১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، ان عاىشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفي سجي ببرد حبرة.
৫৮১৪. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মারা যান, তখন (ইয়ামনী চাদর) দ্বারা তাঁকে ঢেকে রাখা হয়। [মুসলিম ১১/১৪, হাঃ ৯৪২, আহমাদ ২৬৩৭৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৫)
হাদিস নং: ৫৮১৫
সহিহ (Sahih)
حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عاىشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فاذا اغتم كشفها عن وجهه، فقال وهو كذلك " لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور انبياىهم مساجد ". يحذر ما صنعوا.
৫৮১৫-৫৮১৬. ’আয়িশাহ ও ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তার মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহর লা’নাত, তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন। [৪৩৫, ৪৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)
হাদিস নং: ৫৮১৬
সহিহ (Sahih)
حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عاىشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فاذا اغتم كشفها عن وجهه، فقال وهو كذلك " لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور انبياىهم مساجد ". يحذر ما صنعوا.
৫৮১৫-৫৮১৬. ’আয়িশাহ ও ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তার মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহর লা’নাত, তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন। [৪৩৫, ৪৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)
হাদিস নং: ৫৮১৭
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا ابراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب عن عروة عن عاىشة قالت صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في خميصة له“ لها اعلام فنظر الى اعلامها نظرة فلما سلم قال اذهبوا بخميصتي هذه„ الى ابي جهم فانها الهتني انفا عن صلاتي واتوني بانبجانية ابي جهم بن حذيفة بن غانم من بني عدي بن كعب.
৫৮১৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চাদর গায়ে দিয়ে সালাত আদায় করলেন। চাদরটি ছিল কারুকার্যপূর্ণ। তিনি কারুকার্যের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকালেন, তারপর সালাম ফিরিয়ে বললেনঃ এ চাদরটি আবূ জাহমের কাছে নিয়ে যাও। কারণ, এখনই তা আমাকে সালাত থেকে অন্যমনস্ক করে দিয়েছে। আর আবূ জাহম ইবনু হুযাইফার ’আনবিজানিয়্যা’ (কারুকার্যবিহীন চাদর)-টি আমার জন্যে নিয়ে এসো। সে হচ্ছে আদী ইবনু কা’ব গোত্রের লোক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৮)
হাদিস নং: ৫৮১৮
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا اسماعيل حدثنا ايوب عن حميد بن هلال عن ابي بردة قال اخرجت الينا عاىشة كساء وازارا غليظا فقالت قبض روح النبي صلى الله عليه وسلم في هذين.
৫৮১৮. আবূ বুরদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আয়িশাহ একবার একখানি কম্বল ও মোটা ইযার নিয়ে আমাদের কাছে আসেন এবং তিনি বললেনঃ এ দু’টি পরা অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রূহ কবয করা হয়। [৩৭৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৭)
হাদিস নং: ৫৮১৯
সহিহ (Sahih)
محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب حدثنا عبيد الله عن خبيب عن حفص بن عاصم عن ابي هريرة قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الملامسة والمنابذة وعن صلاتين بعد الفجر حتى ترتفع الشمس وبعد العصر حتى تغيب وان يحتبي بالثوب الواحد ليس على فرجه„ منه“ شيء بينه“ وبين السماء وان يشتمل الصماء.
৫৮১৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’মুলামাসাহ’ ও ’মুনাবাযাহ’ থেকে নিষেধ করেছেন এবং দু’সময়ে সালাত আদায় করা থেকেও অর্থাৎ ফজরের (সালাতের) পর সূর্য উপরে উঠা পর্যন্ত এবং ’আসরের (সালাতের) পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আরও নিষেধ করেছেন একটি মাত্র কাপড় এমনভাবে পরতে, যাতে লজ্জাস্থানের উপরে তার ও আকাশের মধ্যস্থলে আর কিছুই থাকে না। আর তিনি কাপড় মুড়ি দিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন। [৩৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৯)
হাদিস নং: ৫৮২০
সহিহ (Sahih)
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال اخبرني عامر بن سعد ان ابا سعيد الخدري قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين وعن بيعتين نهى عن الملامسة والمنابذة في البيع والملامسة لمس الرجل ثوب الاخر بيده„ بالليل او بالنهار ولا يقلبه“ الا بذ‘لك والمنابذة ان ينبذ الرجل الى الرجل بثوبه„ وينبذ الاخر ثوبه“ ويكون ذ‘لك بيعهما عن غير نظر ولا تراض واللبستين اشتمال الصماء والصماء ان يجعل ثوبه“ على احد عاتقيه فيبدو احد شقيه ليس عليه ثوب واللبسة الاخرى احتباوه“ بثوبه„ وهو جالس ليس على فرجه„ منه“ شيء.
৫৮২০. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’প্রকার কাপড় পরিধান করতে ও দু’প্রকার ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ে তিনি ’মুলামাসা’ ও ’মুনাবাযা’ থেকে নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল রাতে বা দিনে একজন অপর জনের কাপড় হাত দিয়ে স্পর্শ করা। এটুকু বাদে তা আর উলট-পালট করে দেখে না। আর মুনাবাযা হল- এক লোক অন্য লোকের প্রতি তার কাপড় নিক্ষেপ করা। আর দ্বিতীয় ব্যক্তিও তার কাপড় নিক্ষেপ করা এবং এর দ্বারাই তাদের ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হওয়া, দেখা ও পারস্পরিক সম্মতি ব্যতিরেকেই। আর দু’প্রকার পোশাক পরিধানের এর এক প্রকার) হল- ইশতিমালুস-সাম্মা’। সাম্মা হল এক কাঁধের উপর কাপড় এমনভাবে রাখা যাতে অন্য কাঁধ খালি থাকে, কোন কাপড় থাকে না। পোশাক পরার অন্য ধরন হচ্ছে- উপবিষ্ট অবস্থায় নিজের কাপড় দ্বারা নিজেকে এমনভাবে ঘিরে রাখা, যাতে লজ্জাস্থানের উপর কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। [৩৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯০)
হাদিস নং: ৫৮২১
সহিহ (Sahih)
اسماعيل قال حدثني مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين ان يحتبي الرجل في الثوب الواحد ليس على فرجه„ منه“ شيء وان يشتمل بالثوب الواحد ليس على احد شقيه وعن الملامسة والمنابذة.
৫৮২১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ধরনের কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। একটি কাপড়ে পুরুষের এমনভাবে পেঁচিয়ে থাকা যে, তার লজ্জাস্থানের উপর সে কাপড়ের কোন অংশই থাকে না। আর একটি কাপড় এমনভাবে পেঁচিয়ে পরা যে, শরীরের এক অংশ খোলা থাকে। আর ’মুলামাসাহ’ ও ’মুনাবাযাহ’ থেকেও তিনি নিষেধ করেছেন)। [৩৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯১)
হাদিস নং: ৫৮২২
সহিহ (Sahih)
محمد قال اخبرني مخلد اخبرنا ابن جريج قال اخبرني ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابي سعيد الخدري ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن اشتمال الصماء وان يحتبي الرجل في ثوب واحد ليس على فرجه„ منه“ شيء.
৫৮২২. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন শরীরের এক পাশ খোলা রেখে অন্য পাশ ঢেকে পরতে। আর এক কাপড়ে পুরুষকে এমনভাবে ঢেকে বসতে, যাতে তার লজ্জাস্থানের উপর ঐ কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। [৩৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯২)
হাদিস নং: ৫৮২৩
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا اسحاق بن سعيد عن ابيه سعيد بن فلان هو عمرو بن سعيد بن العاص عن ام خالد بنت خالد اتي النبي صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء صغيرة فقال من ترون ان نكسو هذه„ فسكت القوم قال اىتوني بام خالد فاتي بها تحمل فاخذ الخميصة بيده„ فالبسها وقال ابلي واخلقي وكان فيها علم اخضر او اصفر فقال يا ام خالد هذا سناه وسناه بالحبشية حسن.
৫৮২৩. উম্মু খালিদ হতে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু কাপড় নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে কিছু কালো নকশীদার ছোট চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমরা এগুলো পরব, তোমাদের মত কী? উপস্থিত সকলে চুপ থাকল। তারপর তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে বহন করে আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে একটি চাদর নিলেন এবং তাকে পরিয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ (এটি) তুমি পুরাতন কর ও ছিঁড়ে ফেল (অর্থাৎ তুমি বহুদিন বাঁচ)। ঐ চাদরে সবুজ অথবা হলুদ রঙের নকশী ছিল। তিনি বললেনঃ হে খালিদের মা! هٰذَا سَنَاهْ অর্থাৎ এটি কত সুন্দর! হাবশী ভাষায় সানাহ্ অর্থ সুন্দর। [৩০৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৩)
হাদিস নং: ৫৮২৪
সহিহ (Sahih)
محمد بن المثنى قال حدثني ابن ابي عدي عن ابن عون عن محمد عن انس قال لما ولدت ام سليم قالت لي يا انس انظر هذا الغلام فلا يصيبن شيىا حتى تغدو به„ الى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه“ فغدوت به„ فاذا هو في حاىط وعليه خميصة حريثية وهو يسم الظهر الذي قدم عليه في الفتح.
৫৮২৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম যখন একটি সন্তান প্রসব করলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষণ না তুমি একে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর আছে। তিনি যে উটে করে মক্কা বিজয়ের দিনে অভিযানে গিয়েছিলেন তার পিঠে ছিলেন। [১৫০২; মুসলিম ৩৭/৩০, হাঃ ২১১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৪)
হাদিস নং: ৫৮২৫
সহিহ (Sahih)
محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب اخبرنا ايوب عن عكرمة ان رفاعة طلق امراته“ فتزوجها عبد الرحمن بن الزبير القرظي قالت عاىشة وعليها خمار اخضر فشكت اليها وارتها خضرة بجلدها فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والنساء ينصر بعضهن بعضا قالت عاىشة ما رايت مثل ما يلقى المومنات لجلدها اشد خضرة من ثوبها قال وسمع انها قد اتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ومعه ابنان له“ من غيرها قالت والله ما لي اليه من ذنب الا ان ما معه“ ليس باغنى عني من هذه„ واخذت هدبة من ثوبها فقال كذبت والله يا رسول الله اني لانفضها نفض الاديم ولكنها ناشز تريد رفاعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فان كان ذلك لم تحلي له“ او لم تصلحي له“ حتى يذوق من عسيلتك قال وابصر معه ابنين له“ فقال بنوك هولاء قال نعم قال هذا الذي تزعمين ما تزعمين فوالله لهم اشبه“ به„ من الغراب بالغراب.
৫৮২৫. ’ইকরামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। রিফা’আ তার স্ত্রীকে ত্বালাক দেয়। পরে ’আবদুর রহমান কুরাযী তাকে বিবাহ করে। ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তার গায়ে একটি সবুজ রঙের উড়না ছিল। সে ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট অভিযোগ করল এবং (স্বামীর প্রহারজনিত) স্বীয় গাত্রের চামড়ার সবুজ বর্ণ দেখালো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এলেন, আর স্ত্রীগণ একে অন্যের সহযোগিতা করে থাকে, তখন ’আয়িশাহ বললেনঃ কোন মু’মিন মহিলাকে এমনভাবে প্রহার করতে আমি কখনও দেখিনি। মহিলাটির চামড়া তার কাপড়ের চেয়ে বেশি সবুজ হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেনঃ ’আবদুর রহমান শুনতে পেল যে, তার স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসেছে। সুতরাং সেও তার অন্য স্ত্রীর দু’টি ছেলে সাথে করে এলো। স্ত্রী লোকটি বললঃ আল্লাহর কসম! তার উপর আমার এ ব্যতীত আর কোন অভিযোগ নেই যে, তার কাছে যা আছে তা আমাকে এ জিনিসের চেয়ে অধিক তৃপ্তি দেয় না। এ বলে তার কাপড়ের আঁচল ধরে দেখাল।
’আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা’আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ’আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহর কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ’আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। [২৬৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৫)
’আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা’আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ’আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহর কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ’আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। [২৬৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৫)
হাদিস নং: ৫৮২৬
সহিহ (Sahih)
اسحاق بن ابراهيم الحنظلي اخبرنا محمد بن بشر حدثنا مسعر عن سعد بن ابراهيم عن ابيه عن سعد قال رايت بشمال النبي صلى الله عليه وسلم ويمينه„ رجلين عليهما ثياب بيض يوم احد ما رايتهما قبل ولا بعد.
৫৮২৬. সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উহুদের দিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ডানে ও বামে দু’জন পুরুষ লোককে দেখলাম। তাদের পরনে সাদা পোশাক ছিল। তাদের এর আগেও দেখিনি, আর পরেও দেখিনি। [৪০৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৬)
হাদিস নং: ৫৮২৭
সহিহ (Sahih)
ابو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن عبد الله بن بريدة عن يحيى بن يعمر حدثه“ ان ابا الاسود الدولي حدثه“ ان ابا ذر حدثه“ قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثوب ابيض وهو ناىم ثم اتيته“ وقد استيقظ فقال ما من عبد قال لا اله الا الله ثم مات على ذ‘لك الا دخل الجنة قلت وان زنى وان سرق قال وان زنى وان سرق قلت وان زنى وان سرق قال وان زنى وان سرق قلت وان زنى وان سرق قال وان زنى وان سرق على رغم انف ابي ذر وكان ابو ذر اذا حدث بهذا قال وان رغم انف ابي ذر قال ابو عبد الله هذا عند الموت او قبله“ اذا تاب وندم وقال لا اله الا الله غفر له.
৫৮২৭. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলাম। তাঁর পরনে তখন সাদা পোশাক ছিল। তখন তিনি ছিলেন নিদ্রিত। কিছুক্ষণ পর আবার এলাম, তখন তিনি জেগে গেছেন। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা ’লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলবে এবং এ অবস্থার উপরে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও। আমি বললামঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আবূ যারের নাক ধূলি ধুসরিত হলেও। আবূ যার যখনই এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন আবূ যারের নাসিকা ধূলাচ্ছন্ন হলেও বাক্যটি বলতেন। আবূ ’আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী) বলেনঃ এ কথা প্রযোজ্য হয় মৃত্যুর সময় বা তার পূর্বে যখন সে তওবা করে ও লজ্জিত হয় এবং বলে ’লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’, তখন তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। [১২৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৭)
হাদিস নং: ৫৮২৮
সহিহ (Sahih)
ادم حدثنا شعبة حدثنا قتادة قال سمعت ابا عثمان النهدي اتانا كتاب عمر ونحن مع عتبة بن فرقد باذربيجان ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الحرير الا هكذا واشار باصبعيه اللتين تليان الابهام قال فيما علمنا انه“ يعني الاعلام.
৫৮২৮. ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ’উসমান নাহদী এর থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমাদের কাছে ’উমার (রাঃ)-এর পক্ষ থেকে এক পত্র আসে, এ সময় আমরা ’উতবাহ ইবনু ফারকাদের সঙ্গে আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। (পত্রে লেখা ছিলঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, তবে এটুকু এবং ইঙ্গিত দিলেন বুড়ো আঙ্গুলের সাথে মিলিত দু’আঙ্গুল দ্বারা (বর্ণনাকারী বলেনঃ) আমরা বুঝতে পারলাম যে (কতটুকু জায়িয তা) জানিয়ে তিনি পাড় ইত্যাদি বুঝাতে চেয়েছেন। [৫৮২৯, ৫৮৩০, ৫৮৩৪, ৫৮৩৫; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৮)
হাদিস নং: ৫৮২৯
সহিহ (Sahih)
احمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا عاصم عن ابي عثمان قال كتب الينا عمر ونحن باذربيجان ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس الحرير الا هكذا وصف لنا النبي صلى الله عليه وسلم اصبعيه ورفع زهير الوسطى والسبابة.
৫৮২৯. আবূ ’উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। এ সময় ’উমার আমাদের কাছে লিখে পাঠান যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন; কিন্তু এটুকু এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দু’আঙ্গুল দিয়ে এর পরিমাণ আমাদের বলে দিয়েছেন। যুহাইর মধ্যমা ও শাহাদাত আঙ্গুল তুলে দেখিয়েছেন। [৫৮২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৯)