হাদিস নং: ৬২৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن ابي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لبستين، وعن بيعتين اشتمال الصماء، والاحتباء في ثوب واحد، ليس على فرج الانسان منه شىء، والملامسة، والمنابذة. تابعه معمر ومحمد بن ابي حفصة وعبد الله بن بديل عن الزهري.
৬২৮৪. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ রকমের লেবাস এবং দু’ ধরনের বিক্রয় নিষেধ করেছেন। ইশতিমালে সম্মা [১] এবং এক কাপড় পরে ইহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। এবং মুলামাসা ও মুনাবাযা- বেচাকেনা থেকেও। [৩৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৫)
নোট: [১] ইশতিমালে সম্মাঃ উপর-নীচ সেলাই করা ফাঁক বিহীন কাপড়ে শরীর এমনভাবে জড়ানো যাতে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া করতে অসুবিধা হয়।
[২] ইহতিবাঃ সামনে দিকে দুই হাঁটু খাড়া করে রেখে পাছার ভরে বসা যাতে লজ্জাস্থান দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
[২] ইহতিবাঃ সামনে দিকে দুই হাঁটু খাড়া করে রেখে পাছার ভরে বসা যাতে লজ্জাস্থান দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
হাদিস নং: ৬২৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى، عن ابي عوانة، حدثنا فراس، عن عامر، عن مسروق، حدثتني عاىشة ام المومنين، قالت انا كنا ازواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده جميعا، لم تغادر منا واحدة، فاقبلت فاطمة ـ عليها السلام ـ تمشي، لا والله ما تخفى مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما راها رحب قال " مرحبا بابنتي ". ثم اجلسها عن يمينه او عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما راى حزنها سارها الثانية اذا هي تضحك. فقلت لها انا من بين نساىه خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسر من بيننا، ثم انت تبكين، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سالتها عما سارك قالت ما كنت لافشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره. فلما توفي قلت لها عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما اخبرتني. قالت اما الان فنعم. فاخبرتني قالت اما حين سارني في الامر الاول، فانه اخبرني ان جبريل كان يعارضه بالقران كل سنة مرة " وانه قد عارضني به العام مرتين، ولا ارى الاجل الا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فاني نعم السلف انا لك ". قالت فبكيت بكاىي الذي رايت، فلما راى جزعي سارني الثانية قال " يا فاطمة الا ترضين ان تكوني سيدة نساء المومنين ـ او ـ سيدة نساء هذه الامة ".
৬২৮৫-৬২৮৬. উম্মুল মু’মিনীন ’আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহর কসম! তাঁর হাঁটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমন শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ হাসতে লাগলেন।
তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না।
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (আ.) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন।
কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহকে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)। [৩৬২৩, ৩৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না।
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (আ.) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন।
কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহকে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)। [৩৬২৩, ৩৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
হাদিস নং: ৬২৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى، عن ابي عوانة، حدثنا فراس، عن عامر، عن مسروق، حدثتني عاىشة ام المومنين، قالت انا كنا ازواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده جميعا، لم تغادر منا واحدة، فاقبلت فاطمة ـ عليها السلام ـ تمشي، لا والله ما تخفى مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما راها رحب قال " مرحبا بابنتي ". ثم اجلسها عن يمينه او عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما راى حزنها سارها الثانية اذا هي تضحك. فقلت لها انا من بين نساىه خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسر من بيننا، ثم انت تبكين، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سالتها عما سارك قالت ما كنت لافشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره. فلما توفي قلت لها عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما اخبرتني. قالت اما الان فنعم. فاخبرتني قالت اما حين سارني في الامر الاول، فانه اخبرني ان جبريل كان يعارضه بالقران كل سنة مرة " وانه قد عارضني به العام مرتين، ولا ارى الاجل الا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فاني نعم السلف انا لك ". قالت فبكيت بكاىي الذي رايت، فلما راى جزعي سارني الثانية قال " يا فاطمة الا ترضين ان تكوني سيدة نساء المومنين ـ او ـ سيدة نساء هذه الامة ".
৬২৮৫-৬২৮৬. উম্মুল মু’মিনীন ’আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহর কসম! তাঁর হাঁটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমন শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ হাসতে লাগলেন।
তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না।
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (আ.) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন।
কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহকে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)। [৩৬২৩, ৩৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না।
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (আ.) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন।
কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহকে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)। [৩৬২৩, ৩৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
হাদিস নং: ৬২৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، قال اخبرني عباد بن تميم، عن عمه، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد مستلقيا، واضعا احدى رجليه على الاخرى.
৬২৮৭. ’আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মসজিদে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি, তখন তাঁর এক পা অন্য পায়ের উপর রাখা ছিল। [৪৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৭)
হাদিস নং: ৬২৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك،. وحدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله، رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال" اذا كانوا ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون الثالث ".
وَقَوْلُهُ تَعَالَى: (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا تَنَاجَيْتُمْ فَلاَ تَتَنَاجَوْا بِالإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَمَعْصِيَةِ الرَّسُولِ وَتَنَاجَوْا بِالْبِرِّ وَالتَّقْوَى). إِلَى قَوْلِهِ: (وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ) وَقَوْلُهُ: (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نَاجَيْتُمُ الرَّسُولَ فَقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَةً ذَلِكَ خَيْرٌ لَكُمْ وَأَطْهَرُ فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ) إِلَى قَوْلِهِ: (وَاللَّهُ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ).
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহর বাণীঃ হে মু’মিনগণ! যখন গোপন পরামর্শ কর, সে পরামর্শ যেন পাপাচার, সীমালঙ্ঘন ... মু’মিনদের কর্তব্য আল্লাহর উপর নির্ভর করা’’- (সূরাহ আল-মুজাদালাহ ৫৮/৯-১০)। আরও আল্লাহর বাণীঃ হে মু’মিনগণ! তোমরা রাসূলের সঙ্গে চুপিচুপি কথা বলতে চাইলে তার পূর্বে সাদাকা প্রদান করবে..... তোমরা যা কর আল্লাহ তা সম্যক অবগত- (সূরাহ আল-মুজাদালাহ ৫৮/১২-১৩)।
৬২৮৮. ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোথাও তিনজন থাকলে তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে মিলে চুপি চুপি কথা বলবে না। [মুসলিম পর্ব ৩৯/হাঃ ২১৮৩, আহমাদ ৪৬৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৮)
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহর বাণীঃ হে মু’মিনগণ! যখন গোপন পরামর্শ কর, সে পরামর্শ যেন পাপাচার, সীমালঙ্ঘন ... মু’মিনদের কর্তব্য আল্লাহর উপর নির্ভর করা’’- (সূরাহ আল-মুজাদালাহ ৫৮/৯-১০)। আরও আল্লাহর বাণীঃ হে মু’মিনগণ! তোমরা রাসূলের সঙ্গে চুপিচুপি কথা বলতে চাইলে তার পূর্বে সাদাকা প্রদান করবে..... তোমরা যা কর আল্লাহ তা সম্যক অবগত- (সূরাহ আল-মুজাদালাহ ৫৮/১২-১৩)।
৬২৮৮. ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোথাও তিনজন থাকলে তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে মিলে চুপি চুপি কথা বলবে না। [মুসলিম পর্ব ৩৯/হাঃ ২১৮৩, আহমাদ ৪৬৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৮)
হাদিস নং: ৬২৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن صباح، حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت ابي قال، سمعت انس بن مالك، اسر الى النبي صلى الله عليه وسلم سرا فما اخبرت به احدا بعده، ولقد سالتني ام سليم فما اخبرتها به.
৬২৮৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে একটি বিষয় গোপনে বলেছিলেন। আমি তাঁর পরেও কাউকে তা জানাইনি। এটা সম্পর্কে উম্মু সুলায়ম আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন। কিন্তু আমি তাঁকেও বলিনি। [মুসলিম ৪৪/৩২, হাঃ ২৪৮২, আহমাদ ১৩২৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৯)
হাদিস নং: ৬২৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عثمان، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي واىل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم (اذا كنتم ثلاثة فلا يتناجى رجلان دون الاخر، حتى تختلطوا بالناس، اجل ان يحزنه).
৬২৯০. ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোথাও তোমরা তিনজনে থাকলে একজনকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে কথা বলবে না। এতে তার মনে দুঃখ হবে। তোমরা পরস্পর মিশে গেলে তবে তা করাতে দোষ নেই। [মুসলিম ৩৯/১৫, হাঃ ২১৮৪, আহমাদ ৪৪২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪০)
হাদিস নং: ৬২৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان، عن ابي حمزة، عن الاعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم يوما قسمة فقال رجل من الانصار ان هذه لقسمة ما اريد بها وجه الله. قلت اما والله لاتين النبي صلى الله عليه وسلم فاتيته وهو في ملا، فساررته فغضب حتى احمر وجهه، ثم قال " رحمة الله على موسى، اوذي باكثر من هذا فصبر ".
৬২৯১. ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন কিছু মাল লোকজনকে বণ্টন করে দিলেন। তখন একজন আনসারী মন্তব্য করলেন যে, এ বাঁটোয়ারা এমন, যার মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়নি। তখন আমি বললাম সাবধান! আল্লাহর কসম! আমি নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে এ কথাটা বলে দিব। এরপর আমি তাঁর নিকট গেলাম। কিন্তু তখন তিনি একদল সাহাবীর মধ্যে ছিলেন। তাই আমি কথাটা তাঁকে কানে-কানেই বললাম। তখন তিনি রেগে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারার রং লাল হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেনঃ মূসা (আ.)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ হোক। তাঁকে এর চেয়ে অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য অবলম্বন করেছেন। [৩১৫০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪১)
হাদিস নং: ৬২৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد العزيز، عن انس ـ رضى الله عنه ـ قال اقيمت الصلاة ورجل يناجي رسول الله صلى الله عليه وسلم فما زال يناجيه حتى نام اصحابه، ثم قام فصلى.
(وَإِذْ هُمْ نَجْوَى) مَصْدَرٌ مِنْ نَاجَيْتُ، فَوَصَفَهُمْ بِهَا، وَالْمَعْنَى يَتَنَاجَوْنَ.
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ ’’তারা গোপনে পরস্পর আলোচনায় বসে।’’ (সূরাহ ইসরা ১৭/৪৭) نَاجَيْتُ শব্দটির মাসদার হচ্ছে نَجْوَى। এর দ্বারাই তাদের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে পরস্পর চুপিসারে কথা বলাবলি করা।
৬২৯২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেন। একবার সালাতের ইক্বামাত (ইকামত/একামত) হয়ে গেলো, তখনও একজন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কানে-কানে কথা বলছিলেন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি এভাবে আলাপ করতে থাকলেন। এমনকি তাঁর সঙ্গীগণ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। [৬৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪২)
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ ’’তারা গোপনে পরস্পর আলোচনায় বসে।’’ (সূরাহ ইসরা ১৭/৪৭) نَاجَيْتُ শব্দটির মাসদার হচ্ছে نَجْوَى। এর দ্বারাই তাদের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে পরস্পর চুপিসারে কথা বলাবলি করা।
৬২৯২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেন। একবার সালাতের ইক্বামাত (ইকামত/একামত) হয়ে গেলো, তখনও একজন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কানে-কানে কথা বলছিলেন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি এভাবে আলাপ করতে থাকলেন। এমনকি তাঁর সঙ্গীগণ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। [৬৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪২)
হাদিস নং: ৬২৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال (لا تتركوا النار في بيوتكم حين تنامون).
৬২৯৩. সালিম (রহ.) তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না। [মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১৫, আহমাদ ৪৫১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৩)
হাদিস নং: ৬২৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد بن عبد الله، عن ابي بردة، عن ابي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال احترق بيت بالمدينة على اهله من الليل، فحدث بشانهم النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان هذه النار انما هي عدو لكم، فاذا نمتم فاطفىوها عنكم ".
৬২৯৪. আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাত্রি কালে মদিনার এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসহ পুড়ে গেল। এদের অবস্থা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবহিত করা হল। তিনি বললেনঃ এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের চরম শত্রু। সুতরাং তোমরা যখন ঘুমাতে যাবে, তখন তা নিভিয়ে দিবে। [মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ১৬, আহমাদ ১৯৫৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৪)
হাদিস নং: ৬২৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خمروا الانية واجيفوا الابواب، واطفىوا المصابيح، فان الفويسقة ربما جرت الفتيلة فاحرقت اهل البيت ".
৬২৯৫. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রাখবে। আর ঘুমাবার সময় (ঘরের) দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং বাতিগুলো নিভিয়ে ফেলবে। কারণ প্রায়ই দুষ্ট ইঁদুরগুলো জ্বালানো বাতির ফিতাগুলো টেনে নিয়ে যায় এবং ঘরের লোকজনকে পুড়িয়ে মারে। [৩২৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৫)
হাদিস নং: ৬২৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا حسان بن ابي عباد، حدثنا همام، عن عطاء، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اطفىوا المصابيح بالليل اذا رقدتم، وغلقوا الابواب، واوكوا الاسقية، وخمروا الطعام والشراب ". ـ قال همام واحسبه قال ـ "ولو بعود يعرضه"
৬২৯৬. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাতে যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজা বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে এবং মশকের মুখ বেঁধে রাখবে। হাম্মাম বলেনঃ এক টুকরা কাঠ দিয়ে হলেও। [৩২৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৬)
হাদিস নং: ৬২৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال" الفطرة خمس الختان، والاستحداد، ونتف الابط، وقص الشارب، وتقليم الاظفار ".
৬২৯৭. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষের স্বভাবগত বিষয় হলো পাঁচটিঃ খাতনা করা, নাভির নীচের পশম কামানো, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, গোঁফ ছাঁটা এবং (অতিরিক্ত) নখ কাটা। [৫৮৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৭)
হাদিস নং: ৬২৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب بن ابي حمزة، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اختتن ابراهيم بعد ثمانين سنة، واختتن بالقدوم ". مخففة. حدثنا قتيبة حدثنا المغيرة عن ابي الزناد وقال "بالقدوم" وهو موضع مشدد
৬২৯৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইব্রাহীম (আঃ) আশি বছর বয়সের পর ’কাদূম’ নামক স্থানে নিজেই নিজের খাতনা করেন।
কুতাইবাহ (রহ.) আবুয যিনাদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ’কাদ্দুম’ একটি জায়গার নাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৪, ৫৮৫৩ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৮)
কুতাইবাহ (রহ.) আবুয যিনাদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ’কাদ্দুম’ একটি জায়গার নাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৪, ৫৮৫৩ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৮)
হাদিস নং: ৬২৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، اخبرنا عباد بن موسى، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، قال سىل ابن عباس مثل من انت حين قبض النبي صلى الله عليه وسلم قال انا يومىذ مختون. قال وكانوا لا يختنون الرجل حتى يدرك.
৬২৯৯. তিনি [সা’ঈদ ইবনু যুবায়র] আরও বলেনঃ তাদের নিয়ম ছিল যে, সাবালক না হওয়া পর্যন্ত তারা খাতনা করতেন না। [৬২৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৯)
হাদিস নং: ৬৩০০
সহিহ (Sahih)
وقال ابن ادريس عن ابيه، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قبض النبي صلى الله عليه وسلم وانا ختين.
৬৩০০. সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ’আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের সময় আপনি বয়সে কার মত ছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি তখন খাতনাকৃত ছিলাম।[৬৩০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৯)
হাদিস নং: ৬৩০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف منكم فقال في حلفه باللات والعزى. فليقل لا اله الا الله. ومن قال لصاحبه تعال اقامرك. فليتصدق ".
وَمَنْ قَالَ لِصَاحِبِهِ تَعَالَ أُقَامِرْكَ. وَقَوْلُهُ تَعَالَى: (وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ).
আর ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে, যে তার বন্ধুকে বললো, চলো, আমি তোমার সাথে জুয়া খেলবো। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর বাণীঃ ’মানুষের মধ্যে কেউ কেউ অজ্ঞতাবশতঃ অসার বাক্য ক্রয় করে নেয়।’ (সূরাহ লুকমান ৩১/৬)
৬৩০১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি শপথ করে এবং তার শপথে বলে লাত ও উযযার শপথ, তা হলে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ বলে, আর যে তার বন্ধুকে বলেঃ এসো আমি তোমার সাথে জুয়া খেলবো সে যেন সাদাকা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫০)
আর ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে, যে তার বন্ধুকে বললো, চলো, আমি তোমার সাথে জুয়া খেলবো। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর বাণীঃ ’মানুষের মধ্যে কেউ কেউ অজ্ঞতাবশতঃ অসার বাক্য ক্রয় করে নেয়।’ (সূরাহ লুকমান ৩১/৬)
৬৩০১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি শপথ করে এবং তার শপথে বলে লাত ও উযযার শপথ, তা হলে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ বলে, আর যে তার বন্ধুকে বলেঃ এসো আমি তোমার সাথে জুয়া খেলবো সে যেন সাদাকা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫০)
হাদিস নং: ৬৩০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا اسحاق ـ هو ابن سعيد ـ عن سعيد، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رايتني مع النبي صلى الله عليه وسلم بنيت بيدي بيتا، يكنني من المطر، ويظلني من الشمس، ما اعانني عليه احد من خلق الله.
قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ إِذَا تَطَاوَلَ رِعَاءُ الْبَهْمِ فِي الْبُنْيَانِ.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের এক নিদর্শন হলো, তখন পশুর রাখালেরা পাকা বাড়ি-ঘর নির্মাণে পারস্পরিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে।
৬৩০২. ইবনু ’উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমার খেয়াল হলো যে, আমি নিজ হাতে আল্লাহর কোন সৃষ্টির সাহায্য ব্যতীত এমন একটা ঘর বানিয়ে নেই, যা আমাকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করবে এবং আমাকে রোদ থেকে ছায়া দিবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের এক নিদর্শন হলো, তখন পশুর রাখালেরা পাকা বাড়ি-ঘর নির্মাণে পারস্পরিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে।
৬৩০২. ইবনু ’উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমার খেয়াল হলো যে, আমি নিজ হাতে আল্লাহর কোন সৃষ্টির সাহায্য ব্যতীত এমন একটা ঘর বানিয়ে নেই, যা আমাকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করবে এবং আমাকে রোদ থেকে ছায়া দিবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫১)
হাদিস নং: ৬৩০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو قال ابن عمر والله ما وضعت لبنة على لبنة، ولا غرست نخلة، منذ قبض النبي صلى الله عليه وسلم. قال سفيان فذكرته لبعض اهله قال والله لقد بنى بيتا. قال سفيان قلت فلعله قال قبل ان يبني.
৬৩০৩. ইবনু ’উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন। আল্লাহর কসম! আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পর থেকে এ পর্যন্ত কোন ইটের উপর ইট রাখিনি। (পাকা ঘর নির্মাণ করিনি) আমি কোন খেজুরের চারা লাগাইনি। সুফ্ইয়ান (রাবী) বর্ণনা করেন, আমি এ হাদীসটি তাঁর পরিবারের এক লোকের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! তিনি তো নিশ্চয়ই পাকা ঘর বানিয়েছেন। সুফ্ইয়ান বলেন, তখন আমি বললাম, তা হলে সম্ভবতঃ এ হাদীসটি তাঁর পাকা ঘর বানানোর আগেকার হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫২)