অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৮১/১. সুস্থতা আর অবসর, আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন।
মোট ১৮২ টি হাদিস
হাদিস নং: ৬৫৭৪ সহিহ (Sahih)
قال عطاء وابو سعيد الخدري جالس مع ابي هريرة، لا يغير عليه شيىا من حديثه حتى انتهى الى قوله ‏"‏ هذا لك ومثله معه ‏"‏‏.‏ قال ابو سعيد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول‏"‏ هذا لك وعشرة امثاله ‏"‏‏.‏ قال ابو هريرة حفظت ‏"‏ مثله معه ‏"‏‏.‏
৬৫৭৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর বর্ণনার মাঝে আবূ সা’ঈদ খুদরীর নিকট কোন রকম পরিবর্তন ধরা পড়েনি। এমন কি তিনি যখন هَذَا لَكَ وَمِثْلُهُ مَعَهُ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন, তখন আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি هَذَا لَكَ وَعَشَرَةُ أَمْثَالِه ’এটি তোমার এবং এর দশ গুণ’ বলেছেন। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আমি مِثْلُهُ مَعَهُ মনে রেখেছি।[1] [২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৬)
নোট: [1] মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদকে যেমন দেখতে পাওয়া যায়, বান্দারা কিয়ামতের দিন আল্লাহকে তেমনি সুস্পষ্ট উজ্জ্বলভাবে দেখতে পাবে। এ সকল হাদীস ও বহু আয়াত থেকে জানা যায় আল্লাহর আকার আছে, তিনি নিরাকার নন। আমরা বাতাসকে দেখতে পাই না, কেননা তা নিরাকার। কিন্তু আল্লাহর আকার আছে, তাঁকে স্পষ্ট দেখতে পওয়া যাবে। তবে কোন কিছুই তাঁর মত নয়। তিনি অতুলনীয়। উল্লেখ্য যারা বলেন যে, আল্লাহ্ নিরাকার তারা কি বলবেন যে, আল্লাহ্ এ পৃথিবী অবশিষ্ট থাকাকালীন সময়ে নিরাকার ছিলেন আর আখিরাতে তার আকার বিশিষ্ট হয়ে যাবেন? সূরা আ‘রাফের ১৪৩ নম্বর আয়াত পাঠ করুন, সেখানে পাবেন মূসা (আঃ) আল্লাহ্কে দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহ্ বললেন না যে, আমার আকার নেই তুমি আমাকে দেখতে পাবে না। বরং তিনি তাঁকে দেখার ব্যাপারে শর্ত জুড়ে দিলেন... (উক্ত আয়াত দেখুন)। এছাড়া সূরা শুরার ৫১ নং আয়াত পাঠ করুন সেখানে আল্লাহ্ রববুল আলামীন বলেনঃ وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُكَلِّمَهُ اللَّهُ إِلَّا وَحْياً أَوْ مِنْ وَرَاءِ حِجَاب..... অতএব যদি আল্লাহ্ নিরাকার হন তাহলে পর্দার আড়ালের বিষয়টি আসবে কেন? আসলে কুরআন ও হাদীসের অপব্যাখ্যা করলেই যে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়ে দিশেহারা হয়ে যায় এই বিদ‘আতীদের অবস্থাও তাই।
হাদিস নং: ৬৫৭৫ সহিহ (Sahih)
يحيى بن حماد حدثنا ابو عوانة عن سليمان عن شقيق عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم انا فرطكم على الحوض
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ).
وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي عَلَى الْحَوْضِ

আল্লাহর বাণীঃ আমি তোমাকে অশেষ কল্যাণ দান করেছি (যার মধ্যে) ’কাওসার’ও অন্তর্ভুক্ত। ’আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা হাউযের কাছে আমার সঙ্গে মিলিত হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে।


৬৫৭৫. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের আগে হাউয-এর কাছে হাজির হব।[1] [৬৫৭২, ৭০৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৭)
নোট: [1] চোখের আড়ালে কোথায় কী ঘটছে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) তা দুনিয়াতে বেঁচে থাকার সময়ও জানতেন না, আর এখন মৃত্যুর পরেও জানেন না। কতক লোক হাউযের পানি পান করার জন্য অগ্রসর হলে নাবী (সাঃ) কে জানানো হবে যে তারা বিদ‘আতী কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল। বিদ‘আতীদেরকে দূরে সরিয়ে দেয়া হবে, তাদেরকে পানি পান করতে দেয়া হবে না। যারা আল্লাহর রাসূলের সহীহ হাদীসের বিরুদ্ধে নিজেদের মনগড়া নিয়ম পদ্ধতিতে সাওয়াবের আশায় ইবাদাত বন্দেগী করে তারাই বিদআতী পথভ্রষ্ট। এদের ইবাদাত কক্ষনো আল্লাহর নিকট গৃহীত হবে না আর এরা জাহান্নামী।
হাদিস নং: ৬৫৭৬ সহিহ (Sahih)
و حدثني عمرو بن علي حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن المغيرة قال سمعت ابا واىل عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال انا فرطكم على الحوض وليرفعن معي رجال منكم ثم ليختلجن دوني فاقول يا رب اصحابي فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك تابعه عاصم عن ابي واىل وقال حصين عن ابي واىل عن حذيفة عن النبي صلى الله عليه وسلم
৬৫৭৬. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের আগে হাউয-এর কাছে গিয়ে হাজির হব। আর (ঐ সময়) তোমাদের কতগুলো লোককে অবশ্যই আমার সামনে উঠানো হবে। আবার আমার সামনে থেকে তাদেরকে আলাদা করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রতিপালক! এরা তো আমার উম্মাত। তখন বলা হবে, তোমার পরে এরা কী নতুন কাজ করেছে তাতো তুমি জান না। আসিম আবূ ওয়াইল থেকে তার অনুসরণ করেছেন। এবং হুসাইন হুযাইফাহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। [৬৫৭৫; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৭, আহমাদ ৩৮১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৭)
হাদিস নং: ৬৫৭৭ সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله حدثني نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال امامكم حوض كما بين جرباء واذرح
৬৫৭৭. ইবনু ’উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমাদের সামনে আমার হাউয এর দূরত্ব হবে যতটা দূরত্ব জারবা ও আযরুহ্ নামক স্থান দু’টির মাঝে রয়েছে। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৯, আহমাদ ৪৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৮)
হাদিস নং: ৬৫৭৮ সহিহ (Sahih)
عمرو بن محمد حدثنا هشيم اخبرنا ابو بشر وعطاء بن الساىب عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال الكوثر الخير الكثير الذي اعطاه الله اياه قال ابو بشر قلت لسعيد ان اناسا يزعمون انه نهر في الجنة فقال سعيد النهر الذي في الجنة من الخير الذي اعطاه الله اياه
৬৫৭৮. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল-কাউসার হচ্ছে অধিক বা অধিক কল্যাণ, যা আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দান করেছেন। রাবী আবূ বিশর বলেন, আমি সা’ঈদকে বললাম যে, লোকেরা তো ধারণা করে সেটি জান্নাতের একটা ঝর্ণা।

তখন সা’ঈদ বললেন, ওটা সেই ঝর্ণা যা জান্নাতের মাঝে রয়েছে। তার ভিতর আছে এমন কল্যাণ যা আল্লাহ্ তাঁকে প্রদান করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৯)
হাদিস নং: ৬৫৭৯ সহিহ (Sahih)
سعيد بن ابي مريم حدثنا نافع بن عمر عن ابن ابي مليكة قال قال عبد الله بن عمرو قال النبي صلى الله عليه وسلم حوضي مسيرة شهر ماوه ابيض من اللبن وريحه اطيب من المسك وكيزانه كنجوم السماء من شرب منها فلا يظما ابدا
৬৫৭৯. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার হাউযের প্রশস্ততা এক মাসের পথের সমান। তার পানি দুধের চেয়ে সাদা, তার ঘ্রাণ মিশক-এর চেয়ে বেশি সুগন্ধযুক্ত এবং তার পানপাত্রগুলো হবে আকাশের তারকার মত অধিক। তাত্থেকে যে পান করবে সে আর কক্ষনো পিপাসার্ত হবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩০)
হাদিস নং: ৬৫৮০ সহিহ (Sahih)
سعيد بن عفير قال حدثني ابن وهب عن يونس قال ابن شهاب حدثني انس بن مالك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ان قدر حوضي كما بين ايلة وصنعاء من اليمن وان فيه من الاباريق كعدد نجوم السماء
৬৫৮০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার হাউযের প্রশস্ততা হল আয়লা হতে ইয়ামানের সান’আ নামক স্থানদ্বয়ের দূরত্বের সমান আর তার পানপাত্রগুলোর সংখ্যা আকাশের নক্ষত্ররাজির ন্যায়। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২৩০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩১)
হাদিস নং: ৬৫৮১ সহিহ (Sahih)
ابو الوليد حدثنا همام عن قتادة عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثنا هدبة بن خالد حدثنا همام حدثنا قتادة حدثنا انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بينما انا اسير في الجنة اذا انا بنهر حافتاه قباب الدر المجوف قلت ما هذا يا جبريل قال هذا الكوثر الذي اعطاك ربك فاذا طينه او طيبه مسك اذفر شك هدبة
৬৫৮১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমি জান্নাতে ভ্রমণ করছিলাম, এমন সময় এক ঝর্ণার কাছে এলে দেখি যে তার দু’ধারে ফাঁপা মুক্তার গম্বুজ রয়েছে। আমি বললাম, হে জিবরীল! এটা কী? তিনি বললেন, এটা ঐ কাউসার যা আপনার প্রতিপালক আপনাকে দান করেছেন। তার ঘ্রাণে অথবা মাটিতে ছিল উত্তম মানের মিশক এর সুগন্ধি। হুদ্বা (রহ.) সন্দেহ করেছেন। [৩৫৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩২)
হাদিস নং: ৬৫৮২ সহিহ (Sahih)
مسلم بن ابراهيم حدثنا وهيب حدثنا عبد العزيز عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليردن علي ناس من اصحابي الحوض حتى عرفتهم اختلجوا دوني فاقول اصحابي فيقول لا تدري ما احدثوا بعدك
৬৫৮২. আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমার সামনে আমার উম্মাতের কতক লোক হাউযের কাছে আসবে। তাদেরকে আমি চিনতে পারব। আমার সামনে থেকে তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, এরা আমার উম্মাত। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তুমি জান না তোমার পরে এরা কী সব নতুন নতুন মত ও পথ বের করেছিল। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২৩০৪, আহমাদ ১৩৯৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৩)
হাদিস নং: ৬৫৮৩ সহিহ (Sahih)
سعيد بن ابي مريم حدثنا محمد بن مطرف حدثني ابو حازم عن سهل بن سعد قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اني فرطكم على الحوض من مر علي شرب ومن شرب لم يظما ابدا ليردن علي اقوام اعرفهم ويعرفوني ثم يحال بيني وبينهم
৬৫৮৩. সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের আগে হাউযের নিকট পৌঁছব। যে আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে, সে হাউযের পানি পান করবে। আর যে পান করবে সে আর কখনও পিপাসার্ত হবে না। নিঃসন্দেহে কিছু সম্প্রদায় আমার সামনে (হাউযে) উপস্থিত হবে। আমি তাদেরকে চিনতে পারব আর তারাও আমাকে চিনতে পারবে। এরপর আমার এবং তাদের মাঝে আড়াল করে দেয়া হবে। [৭০৫০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৪)
হাদিস নং: ৬৫৮৪ সহিহ (Sahih)
قال ابو حازم فسمعني النعمان بن ابي عياش فقال هكذا سمعت من سهل فقلت نعم فقال اشهد على ابي سعيد الخدري لسمعته وهو يزيد فيها فاقول انهم مني فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك فاقول سحقا سحقا لمن غير بعدي وقال ابن عباس سحقا بعدا يقال سحيق بعيد سحقه واسحقه ابعده
৬৫৮৪. রাবী আবূ হাযিম বলেন, নু’মান ইবনু আবূ আইয়্যাশ আমার নিকট হতে হাদীস শুনে বললেন, তুমিও কি সাহল থেকে এমন শুনেছ? তখন আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি আবূ সা’ঈদ খুদরীর (রাঃ) ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তার নিকট হতে এতটুকু বেশি শুনেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তখন বলব যে এরা তো আমারই উম্মাত। তখন বলা হবে, তুমি তো জান না তোমার পরে এরা কি সব নতুন নতুন কথা ও কাজ সৃষ্টি করেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তখন আমি বলব, আমার পরে যারা দ্বীনের ভিতর পরিবর্তন এনেছে তারা আল্লাহর রহমত থেকে দূরে থাকুক। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, سُحْقًا অর্থ দূরত্ব سَحِيقٌ অর্থ দূর, سَحَقَهُ وَأَسْحَقَهُ অর্থ তাকে দূর করে দিয়েছে। [৭০৫১; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯০, ২২৯১, আহমাদ ২২৮৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৪)
হাদিস নং: ৬৫৮৫ সহিহ (Sahih)
وقال احمد بن شبيب بن سعيد الحبطي حدثنا ابي عن يونس عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة انه كان يحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يرد علي يوم القيامة رهط من اصحابي فيحلىون عن الحوض فاقول يا رب اصحابي فيقول انك لا علم لك بما احدثوا بعدك انهم ارتدوا على ادبارهم القهقرى
৬৫৮৫. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাত হতে একদল লোক কিয়ামতের দিন আমার সামনে (হাউযে কাউসারে) হাজির হবে। এরপর তাদেরকে হাউয থেকে আলাদা করে দেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রভু! এরা আমার উম্মাত। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তোমার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কী সব নতুন বিষয় সৃষ্টি করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিশ্চয় এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। শু’আইব (রহ.) যুহরী সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে فَيُحَلَّئُونَ বর্ণিত উকায়ল فَيُحَلَّئُونَ বলেছেন। যুবায়দী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৬৫৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ,নাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৪)
হাদিস নং: ৬৫৮৬ সহিহ (Sahih)
احمد بن صالح حدثنا ابن وهب قال اخبرني يونس عن ابن شهاب عن ابن المسيب انه كان يحدث عن اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ان النبي صلى الله عليه وسلم قال يرد على الحوض رجال من اصحابي فيحلىون عنه فاقول يا رب اصحابي فيقول انك لا علم لك بما احدثوا بعدك انهم ارتدوا على ادبارهم القهقرى وقال شعيب عن الزهري كان ابو هريرة يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم فيجلون وقال عقيل فيحلىون وقال الزبيدي عن الزهري عن محمد بن علي عن عبيد الله بن ابي رافع عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
৬৫৮৬. সা’ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের কিছু লোক আমার সামনে হাউযে কাউসারে হাজির হবে। তারপর তাদেরকে সেখান থেকে আলাদা করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে রব! এরা আমার উম্মাত। তিনি বলবেন, তোমার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কী বিষয় সৃষ্টি করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিঃসন্দেহে এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। [৬৫৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৫)
হাদিস নং: ৬৫৮৭ সহিহ (Sahih)
ابراهيم بن المنذر الحزامي حدثنا محمد بن فليح حدثنا ابي قال حدثني هلال بن علي عن عطاء بن يسار عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بينا انا قاىم اذا زمرة حتى اذا عرفتهم خرج رجل من بيني وبينهم فقال هلم فقلت اين قال الى النار والله قلت وما شانهم قال انهم ارتدوا بعدك على ادبارهم القهقرى ثم اذا زمرة حتى اذا عرفتهم خرج رجل من بيني وبينهم فقال هلم قلت اين قال الى النار والله قلت ما شانهم قال انهم ارتدوا بعدك على ادبارهم القهقرى فلا اراه يخلص منهم الا مثل همل النعم
৬৫৮৭. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় আমি (হাশরের ময়দানে) দাঁড়িয়ে থাকব। হঠাৎ দেখতে পাব একটি দল এবং আমি যখন তাদেরকে চিনে ফেলব, তখন আমার ও তাদের মাঝ থেকে একটি লোক বেরিয়ে আসবে এবং সে বলবে, আপনি আসুন। আমি বলব, কোথায়? সে বলবে, আল্লাহর কসম জাহান্নামের দিকে। আমি বলব, তাদের অবস্থা কী? সে বলবে, নিশ্চয় এরা আপনার মৃত্যুর পর দ্বীন থেকে পেছনে সরে গিয়েছিল। এরপর হঠাৎ আরেকটি দল দেখতে পাব। আমি তাদেরকে চিনে ফেলব। তখন আমার ও তাদের মধ্য হতে একটি লোক বেরিয়ে আসবে। সে বলবে, আসুন! আমি বলব কোথায়? সে বলবে আল্লাহর কসম, জাহান্নামের দিকে। আমি বলব, তাদের অবস্থা কী? সে বলবে, নিশ্চয়ই এরা আপনার মৃত্যুর পর থেকে পেছনে ফিরে গিয়েছিল। অতি নগণ্য সংখ্যক ছাড়া তারা নাযাত পাবে বলে আমার মনে হয় না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৬)
হাদিস নং: ৬৫৮৮ সহিহ (Sahih)
ابراهيم بن المنذر حدثنا انس بن عياض عن عبيد الله عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضي
৬৫৮৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান। আর আমার মিম্বর আমার হাউযের ওপরে অবস্থিত। [১১৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৭)
হাদিস নং: ৬৫৮৯ সহিহ (Sahih)
عبدان اخبرني ابي عن شعبة عن عبد الملك قال سمعت جندبا قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول انا فرطكم على الحوض
৬৫৮৯. জুনদব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের পূর্বেই আমি হাউযে পৌঁছব। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৮৯, আহমাদ ১৮৮৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৮)
হাদিস নং: ৬৫৯০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن خالد، حدثنا الليث، عن يزيد، عن ابي الخير، عن عقبة ـ رضى الله عنه ـ ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج يوما فصلى على اهل احد صلاته على الميت، ثم انصرف على المنبر فقال ‏ "‏ اني فرط لكم، وانا شهيد عليكم، واني والله لانظر الى حوضي الان، واني اعطيت مفاتيح خزاىن الارض ـ او مفاتيح الارض ـ واني والله ما اخاف عليكم ان تشركوا بعدي، ولكن اخاف عليكم ان تنافسوا فيها ‏"‏‏.‏
৬৫৯০. ’উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বের হলেন এবং সালাতে জানাযার অনুরূপ ওহুদ যুদ্ধে শহীদদের প্রতি সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মিম্বরে ফিরে এসে বললেনঃ নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য হাউযের ধারে আগে পৌঁছব। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের (’আমলের) সাক্ষী হব। আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি এ মুহূর্তে আমার হাউয দেখতে পাচ্ছি। নিশ্চয়ই আমাকে বিশ্ব ধন ভান্ডারের চাবি দেয়া হয়েছে। অথবা (বলেছেন) বিশ্বের কুঞ্জি। আল্লাহর কসম! আমার ইন্তিকালের পর তোমরা শিরকে লিপ্ত হবে এ ভয় আমি করি না; তবে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা হয় যে, দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে তোমরা পরস্পরে প্রতিযোগিতা করবে। [১৩৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৯)
হাদিস নং: ৬৫৯১ সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا حرمي بن عمارة حدثنا شعبة عن معبد بن خالد انه سمع حارثة بن وهب يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وذكر الحوض فقال كما بين المدينة وصنعاء
৬৫৯১. হারিসা ইবনু ওয়াহ্ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাউযে কাউসার সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। এ বিষয়ে তিনি বলেছেনঃ হাউযে কাউসার মদিনা এবং সান’আর মধ্যকার দূরত্বের মতো। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪০)
হাদিস নং: ৬৫৯২ সহিহ (Sahih)
وزاد ابن ابي عدي عن شعبة عن معبد بن خالد عن حارثة سمع النبي صلى الله عليه وسلم قوله حوضه ما بين صنعاء والمدينة فقال له المستورد الم تسمعه قال الاواني قال لا قال المستورد ترى فيه الانية مثل الكواكب
৬৫৯২. হারিসাহ (রাঃ) (কিঞ্চিৎ) অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ’হাউযে কাউসারের প্রশস্ততা মদিনা ও সান’আর দূরত্বের সমান কথাটুকু শুনেছেন। তখন মুসতাওরিদ তাঁকে বললেন যে, ’আল আওয়ানী’ বলেছেন তা কি তুমি শুননি? তিনি বললেন, না। মুসতাওরিদ বললেন, এর পাত্রগুলো তারকার মত দেখা যাবে। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪০)
হাদিস নং: ৬৫৯৩ সহিহ (Sahih)
سعيد بن ابي مريم عن نافع بن عمر قال حدثني ابن ابي مليكة عن اسماء بنت ابي بكر قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم اني على الحوض حتى انظر من يرد علي منكم وسيوخذ ناس دوني فاقول يا رب مني ومن امتي فيقال هل شعرت ما عملوا بعدك والله ما برحوا يرجعون على اعقابهم فكان ابن ابي مليكة يقول اللهم انا نعوذ بك ان نرجع على اعقابنا او نفتن عن ديننا اعقابكم تنكصون ترجعون على العقب

৬৫৯৩. আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি হাউযের ধারে থাকব। তোমাদের মধ্য হতে যারা আমার কাছে আসবে আমি তাদেরকে দেখতে পাব। কিছু লোককে আমার সামনে থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রতিপালক! এরা আমার অন্তর্ভুক্ত, এরা আমার উম্মাত। তখন বলা হবে, তুমি কি জানো তোমার পরে এরা কী সব ’আমল করেছে? আল্লাহর কসম! এরা দ্বীন থেকে সর্বদাই পেছন দিকে ফিরে যেত। তখন ইবনু আবূ মুলায়কা বললেন, হে আল্লাহ্! দ্বীন থেকে পিছনে ফেরা থেকে অথবা দ্বীনের ব্যাপারে ফিতনায় পড়া থেকে আমরা তোমার কাছে পানাহ্ চাই। আবূ ’আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, أَعْقَابِكُمْ تَنْكِصُونَ অর্থ হল تَرْجِعُونَ عَلَى الْعَقِبِ অর্থাৎ তোমরা পিছনে ফিরে যাবে। [৭০৪৮; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪১)

অধ্যায় তালিকা