হাদিস নং: ৬২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق، قال اخبرنا ابو اسامة، قال عبيد الله حدثنا عن القاسم بن محمد، عن عاىشة،. وعن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال. ح
وحدثني يوسف بن عيسى المروزي، قال حدثنا الفضل، قال حدثنا عبيد الله بن عمر، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " ان بلالا يوذن بليل، فكلوا واشربوا حتى يوذن ابن ام مكتوم ".
وحدثني يوسف بن عيسى المروزي، قال حدثنا الفضل، قال حدثنا عبيد الله بن عمر، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " ان بلالا يوذن بليل، فكلوا واشربوا حتى يوذن ابن ام مكتوم ".
৬২২-৬২৩. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.) রাত থাকতে আযান দিয়ে থাকেন। কাজেই, ইবনু উম্মু মাকতূম (রাযি.) যতক্ষণ আযান না দেয়, ততক্ষণ তোমরা (সাহারী) পানাহার করতে পার। (৬২২=১৯১৯) (৬২৩=৬১৭) (মুসলিম ১৩/৮, হাঃ ১০৯২, আহমাদ ২৪২২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৯৫)
হাদিস নং: ৬২৪
সহিহ (Sahih)
اسحاق الواسطي قال حدثنا خالد عن الجريري عن ابن بريدة عن عبد الله بن مغفل المزني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بين كل اذانين صلاة ثلاثا لمن شاء.
৬২৪. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল মুযানী (রাযি.) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেছেনঃ প্রত্যেক আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের মধ্যে সালাত রয়েছে। একথা তিনি তিনবার বললেন, (তারপর বলেন) যে চায় তার জন্য। (৬২৭; মুসলিম ৬/৫৬, হাঃ ৮৩৮, আহমাদ ১৬৭৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৯৬)
হাদিস নং: ৬২৫
সহিহ (Sahih)
محمد بن بشار قال حدثنا غندر قال حدثنا شعبة قال سمعت عمرو بن عامر الانصاري عن انس بن مالك قال كان الموذن اذا اذن قام ناس من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يبتدرون السواري حتى يخرج النبي وهم كذلك يصلون الركعتين قبل المغرب ولم يكن بين الاذان والاقامة شيء قال عثمان بن جبلة وابو داود عن شعبة لم يكن بينهما الا قليل.
৬২৫. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয্যিন যখন আযান দিতো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবীগণের মধ্যে কয়েকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বের হওয়া পর্যন্ত (মসজিদের) খুঁটির নিকট গিয়ে দাঁড়াতেন এবং এ অবস্থায় মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। অথচ মাগরিবের আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের মধ্যে কিছু (সময়) থাকত না। ‘উসমান ইবনু জাবালাহ ও আবূ দাঊদ (রহ.) শু‘বাহ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, এ দু’য়ের মধ্যবর্তী ব্যবধান খুবই সামান্য হত। (৫০৩; মুসলিম ৬/৫৫, হাঃ ৮৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৮৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৯৭)
হাদিস নং: ৬২৬
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان قال اخبرنا شعيب عن الزهري قال اخبرني عروة بن الزبير ان عاىشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا سكت الموذن بالاولى من صلاة الفجر قام فركع ركعتين خفيفتين قبل صلاة الفجر بعد ان يستبين الفجر ثم اضطجع على شقه الايمن حتى ياتيه الموذن للاقامة.
৬২৬. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন মুআয্যিন ফজরের সালাতের প্রথম আযান শেষ করতেন তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে যেতেন এবং সুবহে সাদিকের পর ফজরের সালাতের পূর্বে দু’রাক‘আত সালাত সংক্ষেপে আদায় করতেন, অতঃপর ডান কাতে শুয়ে পড়তেন এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের জন্য মুআয্যিন তাঁর নিকট না আসা পর্যন্ত শুয়ে থাকতেন। (৯৯৪, ১১২৩, ১১৬০, ১১৭০, ৬৩১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৯৮)
হাদিস নং: ৬২৭
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن يزيد قال حدثنا كهمس بن الحسن عن عبد الله بن بريدة عن عبد الله بن مغفل قال قال النبي بين كل اذانين صلاة بين كل اذانين صلاة ثم قال في الثالثة لمن شاء.
৬২৭. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগাফফাল (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত আদায় করা যায়। তৃতীয়বার এ কথা বলার পর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে। (৬২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৯৯)
হাদিস নং: ৬২৮
সহিহ (Sahih)
معلى بن اسد قال حدثنا وهيب عن ايوب عن ابي قلابة عن مالك بن الحويرث اتيت النبي في نفر من قومي فاقمنا عنده عشرين ليلة وكان رحيما رفيقا فلما راى شوقنا الى اهالينا قال ارجعوا فكونوا فيهم وعلموهم وصلوا فاذا حضرت الصلاة فليوذن لكم احدكم وليومكم اكبركم.
৬২৮. মালিক ইবনু হুয়াইরিস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার গোত্রের কয়েকজন লোকের সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এলাম এবং আমরা তাঁর নিকট বিশ রাত অবস্থান করলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত দয়ালু ও বন্ধু বৎসল ছিলেন। তিনি যখন আমাদের মধ্যে নিজ পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করলেন, তখন তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা পরিজনের নিকট ফিরে যাও এবং তাদের মধ্যে বসবাস কর, আর তাদের দ্বীন শিক্ষা দিবে এবং সালাত আদায় করবে। যখন সালাত উপস্থিত হয়, তখন তোমাদের কেউ আযান দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বয়সে বড় সে ইমামত করবে। (৬৩০, ৬৩১, ৬৫৮, ৬৮৫, ৮১৯, ২৮৪৮, ৬০০৮, ৭২৪৬; মুসলিম ৫/৫৩, হাঃ ৬৭৪, আহমাদ ১৫৫৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০০)
হাদিস নং: ৬২৯
সহিহ (Sahih)
مسلم بن ابراهيم قال حدثنا شعبة عن المهاجر ابي الحسن عن زيد بن وهب عن ابي ذر قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فاراد الموذن ان يوذن فقال له ابرد ثم اراد ان يوذن فقال له ابرد ثم اراد ان يوذن فقال له ابرد حتى ساوى الظل التلول فقال النبي ان شدة الحر من فيح جهنم.
وَكَذَلِكَ بِعَرَفَةَ وَجَمْعٍ وَقَوْلِ الْمُؤَذِّنِ الصَّلاَةُ فِي الرِّحَالِ فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ أَوْ الْمَطِيرَةِ.
’আরাফা ও মুয্-দালিফায় একই হুকুম এবং শীতের রাতে ও প্রবল বর্ষণের সময় মুয়ায্যিনের এ মর্মে ঘোষণা করা যে, ’’নিজ আবাস স্থলেই সালাত’’।
৬২৯. আবূ যার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। মুয়ায্যিন আযান দিতে চাইলে তিনি বললেনঃ ঠান্ডা হতে দাও। কিছুক্ষণ পর মুয়ায্যিন পুনরায় আযান দিতে চাইলে তিনি বললেন, ঠান্ডা হতে দাও। অতঃপর সে আবার আযান দিতে চাইলে তিনি আবার বললেন, ঠান্ডা হতে দাও। এভাবে বিলম্ব করতে করতে টিলাগুলোর ছায়া তার সমান হয়ে গেলো। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উত্তাপের প্রখরতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ বিশেষ। (৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০১)
’আরাফা ও মুয্-দালিফায় একই হুকুম এবং শীতের রাতে ও প্রবল বর্ষণের সময় মুয়ায্যিনের এ মর্মে ঘোষণা করা যে, ’’নিজ আবাস স্থলেই সালাত’’।
৬২৯. আবূ যার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। মুয়ায্যিন আযান দিতে চাইলে তিনি বললেনঃ ঠান্ডা হতে দাও। কিছুক্ষণ পর মুয়ায্যিন পুনরায় আযান দিতে চাইলে তিনি বললেন, ঠান্ডা হতে দাও। অতঃপর সে আবার আযান দিতে চাইলে তিনি আবার বললেন, ঠান্ডা হতে দাও। এভাবে বিলম্ব করতে করতে টিলাগুলোর ছায়া তার সমান হয়ে গেলো। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উত্তাপের প্রখরতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ বিশেষ। (৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০১)
হাদিস নং: ৬৩০
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف قال حدثنا سفيان عن خالد الحذاء عن ابي قلابة عن مالك بن الحويرث قال اتى رجلان النبي يريدان السفر فقال النبي اذا انتما خرجتما فاذنا ثم اقيما ثم ليومكما اكبركما.
৬৩০. মালিক ইবনু হুওয়ায়রিস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দু’জন লোক সফরে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ তোমরা উভয়ে যখন সফরে বেরুবে (সালাতের সময় হলে) তখন আযান দিবে, অতঃপর ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিবে এবং তোমাদের উভয়ের মধ্যে যে বয়সে বড় সে ইমামত করবে। (৬২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০২)
হাদিস নং: ৬৩১
সহিহ (Sahih)
محمد بن المثنى قال حدثنا عبد الوهاب قال حدثنا ايوب عن ابي قلابة قال حدثنا مالك اتينا الى النبي صلى الله عليه وسلم ونحن شببة متقاربون فاقمنا عنده عشرين يوما وليلة وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم رحيما رفيقا فلما ظن انا قد اشتهينا اهلنا او قد اشتقنا سالنا عمن تركنا بعدنا فاخبرناه قال ارجعوا الى اهليكم فاقيموا فيهم وعلموهم ومروهم وذكر اشياء احفظها او لا احفظها وصلوا كما رايتموني اصلي فاذا حضرت الصلاة فليوذن لكم احدكم وليومكم اكبركم
৬৩১. মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সমবয়সী একদল যুবক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট হাযির হলাম। বিশদিন ও বিশ রাত আমরা তাঁর নিকট অবস্থান করলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত দয়ালু ও নরম স্বভাবের লোক ছিলেন। তিনি যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা আমাদের পরিজনের নিকট ফিরে যেতে চাই বা ফিরে যাওয়ার জন্য উৎসুক হয়ে পড়েছি, তখন তিনি আমাদের জিজ্ঞেস করলেন, আমরা আমাদের পিছনে কাদের রেখে এসেছি। আমরা তাঁকে জানালাম। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের পরিজনের নিকট ফিরে যাও এবং তাদের মধ্যে বসবাস কর। আর তাদের (দ্বীন) শিক্ষা দাও, এবং (সৎ কাজের) নির্দেশ দাও। (বর্ণনাকারী বলেন) মালিক (রাযি) আরও কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছিলেন যা আমার মনে আছে বা মনে নেই। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছ সেভাবে সালাত আদায় করবে। সালাতের সময় উপস্থিত হলে তোমাদের একজন যেন আযান দেয় এবং যে ব্যক্তি বয়সে বড় সে যেন তোমাদের ইমামত করে। (৬২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৩)
হাদিস নং: ৬৩২
সহিহ (Sahih)
مسدد قال اخبرنا يحيى عن عبيد الله بن عمر قال حدثني نافع قال اذن ابن عمر في ليلة باردة بضجنان ثم قال صلوا في رحالكم فاخبرنا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يامر موذنا يوذن ثم يقول على اثره الا صلوا في الرحال في الليلة الباردة او المطيرة في السفر.
৬৩২. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রচন্ড এক শীতের রাতে ইবনু ‘উমার (রাযি.) যাজনান নামক স্থানে আযান দিলেন। অতঃপর তিনি ঘোষণা করলেনঃ তোমরা আবাস স্থলেই সালাত আদায় করে নাও। পরে তিনি আমাদের জানালেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরের অবস্থায় বৃষ্টি অথবা তীব্র শীতের রাতে মুয়ায্যিনকে আযান দিতে বললেন এবং সাথে সাথে এ কথাও ঘোষণা করতে বললেন যে, তোমরা নিজ বাসস্থলে সালাত আদায় কর। (৬৬৬; মুসলিম ৬/৩, হাঃ ৬৯৭, আহমাদ ৪৫৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৪)
হাদিস নং: ৬৩৩
সহিহ (Sahih)
اسحاق بن منصور قال اخبرنا جعفر بن عون قال حدثنا ابو العميس عن عون بن ابي جحيفة عن ابيه قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم بالابطح فجاءه بلال فاذنه بالصلاة ثم خرج بلال بالعنزة حتى ركزها بين يدي رسول الله بالابطح واقام الصلاة.
৬৩৩. আবূ জুহায়ফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আবতাহ্ নামক জায়গায় দেখলাম, বিলাল (রাযি.) তাঁর নিকট আসলেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সালাতের সংবাদ দিলেন। অতঃপর বিলাল (রাযি.) একটি বর্শা নিয়ে বের হলেন। অবশেষে আবতাহে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে তা পুঁতে দিলেন, অতঃপর সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিলেন। (১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৫)
হাদিস নং: ৬৩৪
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف قال حدثنا سفيان عن عون بن ابي جحيفة عن ابيه انه راى بلالا يوذن فجعلت اتتبع فاه ههنا وههنا بالاذان.
وَيُذْكَرُ عَنْ بِلَالٍ أَنَّهُ جَعَلَ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ يَجْعَلُ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ أَنْ يُؤَذِّنَ عَلَى غَيْرِ وُضُوءٍ وَقَالَ عَطَاءٌ الْوُضُوءُ حَقٌّ وَسُنَّةٌ وَقَالَتْ عَائِشَةُ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَذْكُرُ اللهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ.
বিলাল (রাযি.) হতে উল্লেখ করা হয় যে, তিনি আযানের সময় দু’ কানে দু’টি আঙ্গুল রাখতেন। তবে ইবনু ‘উমার (রাযি.) দু’ কানে আঙ্গুল রাখতেন না। ইব্রাহীম (রহ.) বলেন, বিনা উযূতে আযান (দিলে) কোন অসুবিধা নেই। আতা (রহ.) বলেন, (আযানের জন্য) উযূ জরুরী এবং সুন্নাত। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বক্ষণ আল্লাহর যিক্র করতেন।
৬৩৪. আবূ জুহায়ফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি বিলাল (রাযি.)-কে আযান দিতে দেখেছেন। (এরপর তিনি বলেন) তাই আমি তাঁর (বিলালের) ন্যায় আযানের মাঝে মুখ এদিক সেদিক (ডানে-বামে) ফিরাই। (১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৬)
বিলাল (রাযি.) হতে উল্লেখ করা হয় যে, তিনি আযানের সময় দু’ কানে দু’টি আঙ্গুল রাখতেন। তবে ইবনু ‘উমার (রাযি.) দু’ কানে আঙ্গুল রাখতেন না। ইব্রাহীম (রহ.) বলেন, বিনা উযূতে আযান (দিলে) কোন অসুবিধা নেই। আতা (রহ.) বলেন, (আযানের জন্য) উযূ জরুরী এবং সুন্নাত। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বক্ষণ আল্লাহর যিক্র করতেন।
৬৩৪. আবূ জুহায়ফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি বিলাল (রাযি.)-কে আযান দিতে দেখেছেন। (এরপর তিনি বলেন) তাই আমি তাঁর (বিলালের) ন্যায় আযানের মাঝে মুখ এদিক সেদিক (ডানে-বামে) ফিরাই। (১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৬)
হাদিস নং: ৬৩৫
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم قال حدثنا شيبان عن يحيى عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه قال بينما نحن نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم اذ سمع جلبة رجال فلما صلى قال ما شانكم قالوا استعجلنا الى الصلاة قال فلا تفعلوا اذا اتيتم الصلاة فعليكم بالسكينة فما ادركتم فصلوا وما فاتكم فاتموا.
وَكَرِهَ ابْنُ سِيرِينَ أَنْ يَقُولَ فَاتَتْنَا الصَّلاَةُ وَلَكِنْ لِيَقُلْ لَمْ نُدْرِكْ وَقَوْلُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَصَحُّ.
ইবনু সীরীন (রহ.)-এর মতে ’আমাদের সালাত ছুটে গেছে বলা’ অপছন্দনীয়। বরং ’আমরা সালাত পাইনি’ এরূপ বলা উচিত। তবে এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তাই সঠিক।
৬৩৫. আবূ কাতাদাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সালাত আদায় করছিলাম। হঠাৎ তিনি লোকদের (আগমনের) আওয়ায শুনতে পেলেন। সালাত শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের কী হয়েছিল? তাঁরা বললেন, আমরা সালাতের জন্য তাড়াহুড়া করে আসছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরূপ করবে না। যখন সালাতে আসবে ধীরস্থিরভাবে আসবে (ইমামের সাথে) যতটুকু পাও আদায় করবে, আর যতটুকু ছুটে যায় তা (ইমামের সালাম ফিরানোর পর) পূর্ণ করবে। (মুসলিম ৫/২৮, হাঃ ৬০৩, আহমাদ ২২৬৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৭)
ইবনু সীরীন (রহ.)-এর মতে ’আমাদের সালাত ছুটে গেছে বলা’ অপছন্দনীয়। বরং ’আমরা সালাত পাইনি’ এরূপ বলা উচিত। তবে এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তাই সঠিক।
৬৩৫. আবূ কাতাদাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সালাত আদায় করছিলাম। হঠাৎ তিনি লোকদের (আগমনের) আওয়ায শুনতে পেলেন। সালাত শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের কী হয়েছিল? তাঁরা বললেন, আমরা সালাতের জন্য তাড়াহুড়া করে আসছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরূপ করবে না। যখন সালাতে আসবে ধীরস্থিরভাবে আসবে (ইমামের সাথে) যতটুকু পাও আদায় করবে, আর যতটুকু ছুটে যায় তা (ইমামের সালাম ফিরানোর পর) পূর্ণ করবে। (মুসলিম ৫/২৮, হাঃ ৬০৩, আহমাদ ২২৬৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৭)
হাদিস নং: ৬৩৬
সহিহ (Sahih)
ادم قال حدثنا ابن ابي ذىب قال حدثنا الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وعن الزهري عن ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اذا سمعتم الاقامة فامشوا الى الصلاة وعليكم بالسكينة والوقار ولا تسرعوا فما ادركتم فصلوا وما فاتكم فاتموا.
وَقَالَ مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا قَالَهُ أَبُو قَتَادَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
তিনি বলেন, তোমরা ইমামের সাথে যতটুকু সালাত পাও তা আদায় করবে, আর তোমাদের যা ছুটে যায় তা (ইমামের সালাম ফিরানোর পর) পুরা করে নিবে। আবু ক্বাতাদাহ্ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ কথা বর্ণনা করেছেন।
৬৩৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তোমরা ইক্বামাত(ইকামত/একামত) শুনতে পাবে, তখন সালাতের দিকে চলে আসবে, তোমাদের উচিত স্থিরতা ও গাম্ভীর্য অবলম্বন করা। তাড়াহুড়া করবে না। ইমামের সাথে যতটুকু পাও তা আদায় করবে, আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করবে। (৯০৮; মুসলিম ৫/২৯, হাঃ ৬০৪, আহমাদ ২২৭১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৮)
তিনি বলেন, তোমরা ইমামের সাথে যতটুকু সালাত পাও তা আদায় করবে, আর তোমাদের যা ছুটে যায় তা (ইমামের সালাম ফিরানোর পর) পুরা করে নিবে। আবু ক্বাতাদাহ্ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ কথা বর্ণনা করেছেন।
৬৩৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তোমরা ইক্বামাত(ইকামত/একামত) শুনতে পাবে, তখন সালাতের দিকে চলে আসবে, তোমাদের উচিত স্থিরতা ও গাম্ভীর্য অবলম্বন করা। তাড়াহুড়া করবে না। ইমামের সাথে যতটুকু পাও তা আদায় করবে, আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করবে। (৯০৮; মুসলিম ৫/২৯, হাঃ ৬০৪, আহমাদ ২২৭১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৮)
হাদিস নং: ৬৩৭
সহিহ (Sahih)
مسلم بن ابراهيم قال حدثنا هشام قال كتب الي يحيى بن ابي كثير عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اقيمت الصلاة فلا تقوموا حتى تروني.
৬৩৭. আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) হলে আমাকে না দেখা পর্যন্ত তোমরা দাঁড়াবে না। (৬৩৮, ৯০৯; মুসলিম ৫/২৯, হাঃ ৬০৪, আহমাদ ২২৭১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০৯)
হাদিস নং: ৬৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا شيبان، عن يحيى، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اقيمت الصلاة فلا تقوموا حتى تروني وعليكم بالسكينة ". تابعه علي بن المبارك.
৬৩৮. আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের ইকামাত হলে আমাকে না দেখা পর্যন্ত তোমরা দাঁড়াবে না। ধীরস্থিরতার প্রতি লক্ষ্য রাখা তোমাদের জন্য একান্ত কর্তব্য।
‘আলী ইবনু মুবারক (রহ.) হাদীস বর্ণনায় শায়বান (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১০)
‘আলী ইবনু মুবারক (রহ.) হাদীস বর্ণনায় শায়বান (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১০)
হাদিস নং: ৬৩৯
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله قال حدثنا ابراهيم بن سعد عن صالح بن كيسان عن ابن شهاب عن ابي سلمة عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج وقد اقيمت الصلاة وعدلت الصفوف حتى اذا قام في مصلاه انتظرنا ان يكبر انصرف قال على مكانكم فمكثنا على هيىتنا حتى خرج الينا ينطف راسه ماء وقد اغتسل.
৬৩৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের কক্ষ হতে সালাতের জন্য তাশরীফ নিয়ে আসলেন। এদিকে সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হয়েছে এবং কাতার সোজা করে নেয়া হয়েছে, এমন কি তিনি মুসাল্লায় দাঁড়ালেন, আমরা তাকবীরের অপেক্ষা করছি, এমন সময় তিনি ফিরে গেলেন এবং বলে গেলেন তোমরা নিজ নিজ স্থলে অপেক্ষা কর। আমরা নিজ নিজ অবস্থায় অপেক্ষা করতে থাকলাম যে পর্যন্ত না তিনি আমাদের কাছে বেরিয়ে আসলেন। তাঁর মাথা হতে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ছিল, তিনি গোসল করেছিলেন। (২৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১১)
হাদিস নং: ৬৪০
সহিহ (Sahih)
اسحاق قال حدثنا محمد بن يوسف قال حدثنا الاوزاعي عن الزهري عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة قال اقيمت الصلاة فسوى الناس صفوفهم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فتقدم وهو جنب ثم قال على مكانكم فرجع فاغتسل ثم خرج وراسه يقطر ماء فصلى بهم.
৬৪০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার) সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হয়ে গেছে, লোকেরা তাদের কাতার সোজা করে নিয়েছে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেরিয়ে আসলেন এবং সামনে এগিয়ে গেলেন, তখন তাঁর উপর গোসল ফরজ ছিল। তিনি বললেনঃ তোমরা নিজ নিজ জায়গায় অপেক্ষা কর। অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন এবং গোসল করলেন, অতঃপর ফিরে আসলেন, তখন তাঁর মাথা হতে পানি টপ্ টপ্ করে পড়ছিল। অতঃপর সবাইকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। (২৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১২)
হাদিস নং: ৬৪১
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم قال حدثنا شيبان عن يحيى قال سمعت ابا سلمة يقول اخبرنا جابر بن عبد الله ان النبي صلى الله عليه وسلم جاءه عمر بن الخطاب يوم الخندق فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم والله ما كدت ان اصلي حتى كادت الشمس تغرب وذلك بعد ما افطر الصاىم فقال النبي والله ما صليتها فنزل النبي الى بطحان وانا معه فتوضا ثم صلى يعني العصر بعد ما غربت الشمس ثم صلى بعدها المغرب.
৬৪১. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! আমি সালাত আদায় করতে পারিনি, এমন কি সূর্য ডুবতে লাগলো, [জাবির (রাযি.) বলেন,] যখন কথা হচ্ছিলো তখন এমন সময়, যখন সওম পালনকারী ইফ্তার করে ফেলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমিও সে সালাতআদায় করিনি। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘বুতহান’ নামক উপত্যকায় গেলেন, আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। সেখানে তিনি উযূ করলেন এবং সূর্যাস্তের পরে তিনি (প্রথমে) ‘‘আসর সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। (৫৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১৩)
হাদিস নং: ৬৪২
সহিহ (Sahih)
ابو معمر عبد الله بن عمرو قال حدثنا عبد الوارث قال حدثنا عبد العزيز بن صهيب عن انس بن مالك قال اقيمت الصلاة والنبي صلى الله عليه وسلم يناجي رجلا في جانب المسجد فما قام الى الصلاة حتى نام القوم.
৬৪২. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) হয়ে গেছে তখনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের এক পাশে এক ব্যক্তির সাথে একান্তে কথা বলছিলেন, অবশেষে যখন লোকদের ঘুম আসছিল তখন তিনি সালাতে দাঁড়ালেন।* (৬৪৩, ৬২৯২; মুসলিম ৩/৩৩, হাঃ ৩৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬১৪)
নোট: * ইক্বামাত হয়ে যাওয়ার পরও প্রয়োজনে ইমাম কথা বলতে পারেন। এতে নতুন করে ইক্বামাত দিতে হবে না। অন্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ইক্বামাত হয়ে যাবার পর মুসল্লীদের দিকে ফিরে ইমাম মুসল্লীদের কাতার সোজা করার জন্য কাঁধ ও পায়ের সাথে পা মিলিয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিবে, অতঃপর ইমাম সালাত আরম্ভ করবেন। কিন্তু আমাদের দেশে এ সুন্নাতের বৈপরিত্য লক্ষ্য করা যায় যা বিদ’আত। (বুখারী ৬৭৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য)