হাদিস নং: ২৮৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا معاوية حدثنا ابو اسحاق عن حميد قال سمعت انسا يقول كانت ناقة النبي صلى الله عليه وسلم يقال لها العضباء
قَالَ ابْنُ عُمَرَ أَرْدَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أُسَامَةَ عَلَى الْقَصْوَاءِ وَقَالَ الْمِسْوَرُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَا خَلَاتْ الْقَصْوَاءُ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উসামাকে কাসওয়া নাম্নী উষ্ট্রীর পিঠে তাঁর পিছনে বসান। মিসওয়ার (রহ.) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তাঁর উষ্ট্রী কাসওয়া কখনো অবাধ্য হয়নি।
২৮৭১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি উষ্ট্রী ছিল যেটিকে আযবা বলা হত। (২৮৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭১)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উসামাকে কাসওয়া নাম্নী উষ্ট্রীর পিঠে তাঁর পিছনে বসান। মিসওয়ার (রহ.) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তাঁর উষ্ট্রী কাসওয়া কখনো অবাধ্য হয়নি।
২৮৭১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি উষ্ট্রী ছিল যেটিকে আযবা বলা হত। (২৮৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭১)
হাদিস নং: ২৮৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا مالك بن اسماعيل حدثنا زهير عن حميد عن انس قال كان للنبي ناقة تسمى العضباء لا تسبق قال حميد او لا تكاد تسبق فجاء اعرابي على قعود فسبقها فشق ذلك على المسلمين حتى عرفه فقال حق على الله ان لا يرتفع شيء من الدنيا الا وضعه طوله موسى عن حماد عن ثابت عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم
২৮৭২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ‘আযবা নামের একটি উষ্ট্রী ছিল। কোন উষ্ট্রী তার আগে যেতে পারত না। হুমাইদ (রহ.) বলেন, কোন উষ্ট্রী তার আগে যেতে সক্ষম হতো না। একদা এক বেদুইন একটি জওয়ান উটে চড়ে আসল এবং আযবা-এর আগে চলে গেল। এতে মুসলিমদের মনে কষ্ট হল। এমনকি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও তা বুঝতে পারলেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর নিয়ম এই যে, ‘দুনিয়ার সব কিছুরই উত্থানের পর পতন আছে।’ (২৮৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭২)
হাদিস নং: ২৮৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن علي حدثنا يحيى حدثنا سفيان قال حدثني ابو اسحاق قال سمعت عمرو بن الحارث قال ما ترك النبي صلى الله عليه وسلم الا بغلته البيضاء وسلاحه وارضا تركها صدقة
56/60. باب الْـغَزْوِ عَلى الْـحَمِيْـرِ
৫৬/৬০. অধ্যায় : গর্দভের পিঠে সাওয়ার অবস্থায় যুদ্ধ।
قَالَهُ أَنَسٌ وَقَالَ أَبُوْ حُمَيْدٍ أَهْدَى مَلِكُ أَيْلَةَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَغْلَةً بَيْضَاءَ
আনাস (রাঃ) তা বর্ণনা করেছেন। আবূ হুমাইদ (রহ.) বলেন, আয়লার শাসক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একটি সাদা খচ্চর হাদিয়া দিয়েছিলেন
২৮৭৩. আমর ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাদা খচ্চর, কিছু যুদ্ধ সামগ্রী ও সামান্য ভূমি ছাড়া আর কিছুই রেখে যাননি। এগুলোও তিনি সাদাকা স্বরূপ ছেড়ে যান। (২৭৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৩)
৫৬/৬০. অধ্যায় : গর্দভের পিঠে সাওয়ার অবস্থায় যুদ্ধ।
قَالَهُ أَنَسٌ وَقَالَ أَبُوْ حُمَيْدٍ أَهْدَى مَلِكُ أَيْلَةَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَغْلَةً بَيْضَاءَ
আনাস (রাঃ) তা বর্ণনা করেছেন। আবূ হুমাইদ (রহ.) বলেন, আয়লার শাসক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একটি সাদা খচ্চর হাদিয়া দিয়েছিলেন
২৮৭৩. আমর ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাদা খচ্চর, কিছু যুদ্ধ সামগ্রী ও সামান্য ভূমি ছাড়া আর কিছুই রেখে যাননি। এগুলোও তিনি সাদাকা স্বরূপ ছেড়ে যান। (২৭৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৩)
হাদিস নং: ২৮৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى حدثنا يحيى بن سعيد عن سفيان قال حدثني ابو اسحاق عن البراء قال له رجل يا ابا عمارة وليتم يوم حنين قال لا والله ما ولى النبي صلى الله عليه وسلم ولكن ولى سرعان الناس فلقيهم هوازن بالنبل والنبي صلى الله عليه وسلم على بغلته البيضاء وابو سفيان بن الحارث اخذ بلجامها والنبي صلى الله عليه وسلم يقول :
انا الـنـبـي لا كـذب انا ابن عـبـد المطـلـب
انا الـنـبـي لا كـذب انا ابن عـبـد المطـلـب
২৮৭৪. বারা‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, কোন এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন, হে আবূ ‘উমারাহ্! আপনারা হুনায়নের দিন পলায়ন করেছিলেন? তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনো পলায়ন করেননি বরং অতি উৎসাহী অগ্রবর্তী কতিপয় ব্যক্তি হাওয়াযিনদের তীর নিক্ষেপের ফলে পালিয়ে ছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাদা খচ্চরটির উপর উপবিষ্ট ছিলেন এবং আবূ সুফ্ইয়ান ইবনু হারিস (রাঃ) এর লাগাম ধরে দাঁড়িয়েছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন, আমি মিথ্যা নবী নই, আমি ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধর।’ (২৮৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৪)
হাদিস নং: ২৮৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن كثير اخبرنا سفيان عن معاوية بن اسحاق عن عاىشة بنت طلحة عن عاىشة ام المومنين رضي الله عنها قالت استاذنت النبي صلى الله عليه وسلم في الجهاد فقال جهادكن الحج وقال عبد الله بن الوليد حدثنا سفيان عن معاوية بهذا
২৮৭৫. উম্মুল মুমিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জিহাদের অনুমতি চাইলে তিনি বলেন, ‘তোমাদের জিহাদ হলো হাজ্জ।’ ‘আবদুল্লাহ ইবনু অলীদ বলেছেন, সুফ্ইয়ান (রাঃ) এ সম্পর্কে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। (১৫২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৫)
হাদিস নং: ২৮৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن معاوية بهذا وعن حبيب بن ابي عمرة عن عاىشة بنت طلحة عن عاىشة ام المومنين عن النبي صلى الله عليه وسلم ساله نساوه عن الجهاد فقال نعم الجهاد الحج
২৮৭৬. উম্মুল মুমিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট তাঁর স্ত্রীগণ জিহাদের অনুমতি প্রার্থনা করলে তিনি বললেন, (মহিলাদের জন্য) উত্তম জিহাদ হলো হাজ্জ। (১৫২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৬)
হাদিস নং: ২৮৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق هو الفزاري عن عبد الله بن عبد الرحمن الانصاري قال سمعت انسا يقول دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على ابنة ملحان فاتكا عندها ثم ضحك فقالت لم تضحك يا رسول الله فقال ناس من امتي يركبون البحر الاخضر في سبيل الله مثلهم مثل الملوك على الاسرة فقالت يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم قال اللهم اجعلها منهم ثم عاد فضحك فقالت له مثل او مم ذلك فقال لها مثل ذلك فقالت ادع الله ان يجعلني منهم قال انت من الاولين ولست من الاخرين قال قال انس فتزوجت عبادة بن الصامت فركبت البحر مع بنت قرظة فلما قفلت ركبت دابتها فوقصت بها فسقطت عنها فماتت
২৮৭৭-২৮৭৮. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিলহানের কন্যার নিকট গেলেন এবং সেখানে তিনি বিশ্রাম করলেন। অতঃপর তিনি হেসে উঠলেন। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন হাসছেন?’ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার উম্মাতের মধ্যে কতিপয় ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদের উদ্দেশে এই সবুজ সমুদ্রে সফর করবে। তাদের উপমা সিংহাসনে উপবিষ্ট বাদশাহদের মত। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর নিকট আমার জন্য দু‘আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্, আপনি মিলহানের কন্যাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আবার তিনি বিশ্রাম নিলেন, অতঃপর হেসে উঠলেন। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা তাঁকে একইভাবে জিজ্ঞেস করলেন অথবা বললেন, এ কেন? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও পূর্বের মত জবাব দিলেন। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা বললেন, আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন, তুমি তাদের প্রথম দলে আছ, পেছনের দলে নয়। বর্ণনাকারী বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, অতঃপর তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিতের সঙ্গে বিবাহ করেন এবং কারাযার কন্যার সঙ্গে সমুদ্র ভ্রমণ করেন। অতঃপর ফেরার সময় নিজের সাওয়ারীতে আরোহণ করলেন, তখন তা থেকে পড়ে গিয়ে ঘাড় মটকে মারা যান। (২৭৮৮, ২৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৭)
হাদিস নং: ২৮৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق هو الفزاري عن عبد الله بن عبد الرحمن الانصاري قال سمعت انسا يقول دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على ابنة ملحان فاتكا عندها ثم ضحك فقالت لم تضحك يا رسول الله فقال ناس من امتي يركبون البحر الاخضر في سبيل الله مثلهم مثل الملوك على الاسرة فقالت يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم قال اللهم اجعلها منهم ثم عاد فضحك فقالت له مثل او مم ذلك فقال لها مثل ذلك فقالت ادع الله ان يجعلني منهم قال انت من الاولين ولست من الاخرين قال قال انس فتزوجت عبادة بن الصامت فركبت البحر مع بنت قرظة فلما قفلت ركبت دابتها فوقصت بها فسقطت عنها فماتت
২৮৭৭-২৮৭৮. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিলহানের কন্যার নিকট গেলেন এবং সেখানে তিনি বিশ্রাম করলেন। অতঃপর তিনি হেসে উঠলেন। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন হাসছেন?’ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার উম্মাতের মধ্যে কতিপয় ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদের উদ্দেশে এই সবুজ সমুদ্রে সফর করবে। তাদের উপমা সিংহাসনে উপবিষ্ট বাদশাহদের মত। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর নিকট আমার জন্য দু‘আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্, আপনি মিলহানের কন্যাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আবার তিনি বিশ্রাম নিলেন, অতঃপর হেসে উঠলেন। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা তাঁকে একইভাবে জিজ্ঞেস করলেন অথবা বললেন, এ কেন? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও পূর্বের মত জবাব দিলেন। মিলহান (রাঃ)-এর কন্যা বললেন, আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন, যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন, তুমি তাদের প্রথম দলে আছ, পেছনের দলে নয়। বর্ণনাকারী বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, অতঃপর তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিতের সঙ্গে বিবাহ করেন এবং কারাযার কন্যার সঙ্গে সমুদ্র ভ্রমণ করেন। অতঃপর ফেরার সময় নিজের সাওয়ারীতে আরোহণ করলেন, তখন তা থেকে পড়ে গিয়ে ঘাড় মটকে মারা যান। (২৭৮৮, ২৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৭)
হাদিস নং: ২৮৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا حجاج بن منهال حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس قال سمعت الزهري قال سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عاىشة كل حدثني طاىفة من الحديث قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اراد ان يخرج اقرع بين نساىه فايتهن يخرج سهمها خرج بها النبي صلى الله عليه وسلم فاقرع بيننا في غزوة غزاها فخرج فيها سهمي فخرجت مع النبي بعد ما انزل الحجاب
২৮৭৯. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাইরে কোথাও যাবার ইচ্ছা করলে তিনি তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে করআর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন এবং এতে যার নাম আসত তাঁকেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সঙ্গে নিয়ে যেতেন। এক যুদ্ধে এভাবে তিনি আমাদের মধ্যে করআর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। এতে আমার নাম আসল এবং আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে বের হলাম। এ ছিল পর্দার আয়াত নাযিল হবার পরবর্তী ঘটনা। (২৫৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৮)
হাদিস নং: ২৮৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز عن انس قال لما كان يوم احد انهزم الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ولقد رايت عاىشة بنت ابي بكر وام سليم وانهما لمشمرتان ارى خدم سوقهما تنقزان القرب وقال غيره تنقلان القرب على متونهما ثم تفرغانه في افواه القوم ثم ترجعان فتملانها ثم تجيىان فتفرغانها في افواه القوم
২৮৮০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে সাহাবীগণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। আমি দেখলাম, ‘আয়িশাহ বিন্তে আবূ বকর ও উম্মু সুলাইম (রাঃ) তাঁদের আঁচল এতটুকু উঠিয়ে নিয়েছেন যে, আমি তাঁদের উভয় পায়ের গহনা দেখছিলাম। তাঁরা উভয়েই মশক পিঠে বয়ে সাহাবীগণের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। আবার ফিরে গিয়ে মশ্ক ভর্তি করে নিয়ে এসে সাহাবীগণের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। (২৯০২, ৩৮১১, ৪০৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭৯)
হাদিস নং: ২৮৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبدان اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن ابن شهاب قال ثعلبة بن ابي مالك ان عمر بن الخطاب قسم مروطا بين نساء من نساء المدينة فبقي مرط جيد فقال له بعض من عنده يا امير المومنين اعط هذا ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي عندك يريدون ام كلثوم بنت علي فقال عمر ام سليط احق وام سليط من نساء الانصار ممن بايع رسول الله قال عمر فانها كانت تزفر لنا القرب يوم احد قال ابو عبد الله تزفر تخيط
২৮৮১. সা‘লাবাহ ইবনু আবূ মালিক হতে বর্ণিত যে, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) মদিনার কিছু সংখ্যক মহিলার মধ্যে কয়েকখানা (রেশমী) চাদর বণ্টন করেন। অতঃপর একটি ভাল চাদর রয়ে গেল। তাঁর নিকট উপস্থিত একজন তাঁকে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন! এ চাদরটি আপনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাতনী উম্মু কুলসুম বিন্তে ‘আলী (রাঃ) যিনি আপনার নিকট আছেন, তাকে দিয়ে দিন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, উম্মু সালীত (রাঃ) এই চাদরটির অধিক হক্দার। উম্মু সালীত (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাতে বায়‘আতকারিণী আনসার মহিলাদের একজন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, কেননা, উম্মু সালীত (রাঃ) উহুদের যুদ্ধে আমাদের নিকট মশক বহন করে নিয়ে আসতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন, تَزْفِرُ অর্থ তিনি সেলাই করতেন। (৪০৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮০)
হাদিস নং: ২৮৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا بشر بن المفضل حدثنا خالد بن ذكوان عن الربيع بنت معوذ قالت كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم نسقي ونداوي الجرحى ونرد القتلى الى المدينة
২৮৮২. রুবাইয়ি‘ বিনতু মআব্বিয (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা (যুদ্ধের ময়দানে) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে লোকেদের পানি পান করাতাম, আহতদের পরিচর্যা করতাম এবং নিহতদের মদিনা্য় পাঠাতাম।’ (২৮৮৩, ৫৬৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮১)
হাদিস নং: ২৮৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا بشر بن المفضل عن خالد بن ذكوان عن الربيع بنت معوذ قالت كنا نغزو مع النبي صلى الله عليه وسلم فنسقي القوم ونخدمهم ونرد الجرحى والقتلى الى المدينة
২৮৮৩. রুবাইয়ি‘ বিনতু মু‘আব্বিয (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়ে লোকেদের পানি পান করাতাম ও তাদের পরিচর্যা করতাম এবং আহত ও নিহত লোকদের মদিনা্য় ফেরত পাঠাতাম।’ (২৮৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২৮)
হাদিস নং: ২৮৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة عن بريد بن عبد الله عن ابي بردة عن ابي موسى قال رمي ابو عامر في ركبته فانتهيت اليه قال انزع هذا السهم فنزعته فنزا منه الماء فدخلت على النبي صلى الله عليه وسلم فاخبرته فقال اللهم اغفر لعبيد ابي عامر
২৮৮৪. আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (যুদ্ধে) আবূ ‘আমিরের হাঁটুতে তীর বিদ্ধ হলো, আমি তাঁর নিকট গেলাম। আবূ ‘আমির (রাঃ) বললেন, এই তীরটি বের কর। তখন আমি তীরটি টেনে বের করলাম। ফলে তাত্থেকে পানি প্রবাহিত হতে লাগল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে ঘটনাটি জানালাম। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘হে আল্লাহ্! আবূ ‘আমির ‘উবায়দকে ক্ষমা করুন।’ (৪৩২৩, ৬৩৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৩)
হাদিস নং: ২৮৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن خليل اخبرنا علي بن مسهر اخبرنا يحيى بن سعيد اخبرنا عبد الله بن عامر بن ربيعة قال سمعت عاىشة رضي الله عنها تقول كان النبي صلى الله عليه وسلم سهر فلما قدم المدينة قال ليت رجلا من اصحابي صالحا يحرسني الليلة اذ سمعنا صوت سلاح فقال من هذا فقال انا سعد بن ابي وقاص جىت لاحرسك ونام النبي صلى الله عليه وسلم
২৮৮৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (এক রাতে) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জেগে কাটান। অতঃপর তিনি যখন মদিনা্য় এলেন এই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেন যে, আমার সাহাবীদের মধ্যে কোন যোগ্য ব্যক্তি যদি রাতে আমার পাহারায় থাকত। এমন সময় আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনতে পেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? ব্যক্তিটি বলল, আমি সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, আপনার পাহারার জন্য এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুমিয়ে গেলেন। (৭২৩১) (মুসলিম ৪৪/৫ হাঃ ২৪১০, আহমাদ ২৫১৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৪)
হাদিস নং: ২৮৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن يوسف اخبرنا ابو بكر يعني ابن عياش عن ابي حصين عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال تعس عبد الدينار والدرهم والقطيفة والخميصة ان اعطي رضي وان لم يعط لم يرض لم يرفعه اسراىيل ومحمد بن جحادة عن ابي حصين
২৮৮৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, লাঞ্ছিত হোক দ্বীনার ও দিরহামের গোলাম এবং চাদর ও শালের গোলাম। তাকে দেয়া হলে সন্তুষ্ট হয়, না দেয়া হলে অসন্তুষ্ট হয়। এই হাদীসটির সনদ ইসরাঈল এবং মুহাম্মাদ ইবনু জুহাদা, আবূ হুসাইনের মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছাননি। (২৮৮৭, ৬৪৩৫) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৫ প্রথমাংশ)
হাদিস নং: ২৮৮৭
সহিহ (Sahih)
وزادنا عمرو قال اخبرنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن ابيه عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال تعس عبد الدينار وعبد الدرهم وعبد الخميصة ان اعطي رضي وان لم يعط سخط تعس وانتكس واذا شيك فلا انتقش طوبى لعبد اخذ بعنان فرسه في سبيل الله اشعث راسه مغبرة قدماه ان كان في الحراسة كان في الحراسة وان كان في الساقة كان في الساقة ان استاذن لم يوذن له وان شفع لم يشفع
২৮৮৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে আমাদের অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, লাঞ্ছিত হোক দ্বীনারের গোলাম, দিরহামের গোলাম এবং শালের গোলাম। তাকে দেয়া হলে সন্তুষ্ট হয়, না দেয়া হলে অসন্তুষ্ট হয়। এরা লাঞ্ছিত হোক, অপমানিত হোক। (তাদের পায়ে) কাঁটা বিদ্ধ হলে তা কেউ তুলে দিবে না। ঐ ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ, যে ঘোড়ার লাগাম ধরে জিহাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে, যার মাথার চুল উস্ক খুস্ক এবং পা ধূলি মলিন। তাকে পাহারায় নিয়োজিত করলে পাহারায় থাকে আর (দলের) পেছনে পেছনে রাখলে পেছনেই থাকে। সে কারো সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয় না এবং কোন বিষয়ে সুপারিশ করলে তার সুপারিশ কবূল করা হয় না।
وَقَالَ فَتَعْسًا كَأَنَّهُ يَقُوْلُ فَأَتْعَسَهُمْ اللهُ طُوْبَى فُعْلَى مِنْ كُلِّ شَيْءٍ طَيِّبٍ وَهِيَ يَاءٌ حُوِّلَتْ إِلَى الْوَاوِ وَهِيَ مِنْ يَطِيْبُ
فَتَعْسًا বলা হয়فَأَتْعَسَهُمْ اللهُ অর্থাৎ আল্লাহ তাদের অপমানিত করুক। طُوْبَى অর্থ উত্তম। فُعْلَى... এর কাঠামোতে গঠিত। মূলত طيبى ছিল। يَاءٌ কে وَاوِ দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে। (২৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৫ শেষাংশ)
وَقَالَ فَتَعْسًا كَأَنَّهُ يَقُوْلُ فَأَتْعَسَهُمْ اللهُ طُوْبَى فُعْلَى مِنْ كُلِّ شَيْءٍ طَيِّبٍ وَهِيَ يَاءٌ حُوِّلَتْ إِلَى الْوَاوِ وَهِيَ مِنْ يَطِيْبُ
فَتَعْسًا বলা হয়فَأَتْعَسَهُمْ اللهُ অর্থাৎ আল্লাহ তাদের অপমানিত করুক। طُوْبَى অর্থ উত্তম। فُعْلَى... এর কাঠামোতে গঠিত। মূলত طيبى ছিল। يَاءٌ কে وَاوِ দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে। (২৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৫ শেষাংশ)
হাদিস নং: ২৮৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن يونس بن عبيد عن ثابت البناني عن انس بن مالك قال صحبت جرير بن عبد الله فكان يخدمني وهو اكبر من انس قال جرير اني رايت الانصار يصنعون شيىا لا اجد احدا منهم الا اكرمته
২৮৮৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে আমি জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি আমার খিদমাত করতেন। যদিও তিনি আনাস (রাঃ)-এর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন। জারীর (রাঃ) বলেন, আমি আন্সারদের এমন কিছু কাজ দেখেছি, যার কারণে তাদের কাউকে পেলেই সম্মান করি। (মুসলিম ৪৪/৪৫ হাঃ ২৫১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৬)
হাদিস নং: ২৮৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله حدثنا محمد بن جعفر عن عمرو بن ابي عمرو مولى المطلب بن حنطب انه سمع انس بن مالك يقول خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى خيبر اخدمه فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم راجعا وبدا له احد قال هذا جبل يحبنا ونحبه ثم اشار بيده الى المدينة قال اللهم اني احرم ما بين لابتيها كتحريم ابراهيم مكة اللهم بارك لنا في صاعنا ومدنا
২৮৮৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে খায়বার যুদ্ধে গিয়ে তাঁর খিদমত করছিলাম। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখান থেকে ফিরলেন এবং উহুদ পর্বত তাঁর দৃষ্টিগোচর হলো, তিনি বললেন, ‘এই পর্বত আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি।’ অতঃপর তিনি হাত দ্বারা মদিনার দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ‘হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আঃ) যেমন মক্কাকে হারাম বানিয়েছিলেন, তেমনি আমিও এ দুই কংকরময় ময়দানের মধ্যবর্তী স্থান (মদিনা্)-কে হারাম বলে ঘোষণা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি আমাদের সা‘ ও মুদে বরকত দান করুন।’ (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৭)
হাদিস নং: ২৮৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن داود ابو الربيع عن اسماعيل بن زكرياء حدثنا عاصم عن مورق العجلي عن انس قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم اكثرنا ظلا الذي يستظل بكساىه واما الذين صاموا فلم يعملوا شيىا واما الذين افطروا فبعثوا الركاب وامتهنوا وعالجوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ذهب المفطرون اليوم بالاجر
২৮৯০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ছায়াই ছিল সর্বাধিক যে তার চাদর দ্বারা ছায়া গ্রহণ করছিল। তাই যারা সিয়াম পালন করছিল তারা কোন কাজই করতে পারছিল না। যারা সিয়াম রত ছিল না, তারা উটের দেখাশুনা করছিল, খিদমতের দায়িত্ব পালন করছিল এবং পরিশ্রমের কাজ করছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘যারা সওম পালন করে নি তারাই আজ সাওয়াব নিয়ে গেল।’ (মুসলিম ১৩/১৬ হাঃ ১১১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৮)