অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫৬/১. জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার
মোট ৩০৯ টি হাদিস
হাদিস নং: ২৯৪২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي حدثنا عبد العزيز بن ابي حازم عن ابيه عن سهل بن سعد سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول يوم خيبر لاعطين الراية رجلا يفتح الله على يديه فقاموا يرجون لذلك ايهم يعطى فغدوا وكلهم يرجو ان يعطى فقال اين علي فقيل يشتكي عينيه فامر فدعي له فبصق في عينيه فبرا مكانه حتى كانه لم يكن به شيء فقال نقاتلهم حتى يكونوا مثلنا فقال على رسلك حتى تنزل بساحتهم ثم ادعهم الى الاسلام واخبرهم بما يجب عليهم فوالله لان يهدى بك رجل واحد خير لك من حمر النعم
২৯৪২. সাহল ইবনু সা‘আদ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি খায়বারের যুদ্ধের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, আমি এমন এক ব্যক্তিকে পতাকা দিব যার হাতে বিজয় আসবে। অতঃপর কাকে পতাকা দেয়া হবে, সেজন্য সকলেই আশা করতে লাগলেন। পরদিন সকালে প্রত্যেকেই এ আশায় অপেক্ষা করতে লাগলেন যে, হয়ত তাকে পতাকা দেয়া হবে। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আলী কোথায়? তাঁকে জানানো হলো যে, তিনি চক্ষুরোগে আক্রান্ত। তখন তিনি ‘আলীকে ডেকে আনতে বললেন। তাকে ডেকে আনা হল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মুখের লালা তাঁর উভয় চোখে লাগিয়ে দিলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি এমনভাবে সুস্থ হয়ে গেলেন যে, তাঁর যেন কোন অসুখই ছিল না। তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে ততক্ষণ লড়াই চালিয়ে যাব, যতক্ষণ না তারা আমাদের মত হয়ে যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সোজা এগিয়ে যাও। তুমি তাদের প্রান্তরে উপস্থিত হলে প্রথমে তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান জানাও এবং তাদের কর্তব্য সম্পর্কে তাদের অবহিত কর। আল্লাহর কসম, যদি একটি ব্যক্তিও তোমার দ্বারা হিদায়াত লাভ করে, তবে তা তোমার জন্য লাল রংয়ের উটের চেয়েও উত্তম। (৩০০৯, ৩৭০১, ৪২১০) (মুসলিম ৪৪/৪ হাঃ ২৪০৬, আহমাদ ২২৮৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৩৭)
হাদিস নং: ২৯৪৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق عن حميد قال سمعت انسا يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا غزا قوما لم يغر حتى يصبح فان سمع اذانا امسك وان لم يسمع اذانا اغار بعد ما يصبح فنزلنا خيبر ليلا
২৯৪৩. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কাওমের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গেলে সকাল না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ করতেন না। আযান শুনলে আক্রমণ থেকে বিরত থাকতেন। আযান না শুনলে সকাল হবার সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ করতেন। আমরা খায়বারে রাত্রিকালে অবতরণ করলাম। (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৩৮)
হাদিস নং: ২৯৪৪ সহিহ (Sahih)
... حدثنا قتيبة حدثنا اسماعيل بن جعفر عن حميد عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا غزا بنا ..
২৯৪৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদেরকে নিয়ে কোন যুদ্ধে যেতেন ...................... (৩৭১)
হাদিস নং: ২৯৪৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن حميد عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج الى خيبر فجاءها ليلا وكان اذا جاء قوما بليل لا يغير عليهم حتى يصبح فلما اصبح خرجت يهود بمساحيهم ومكاتلهم فلما راوه قالوا محمد والله محمد والخميس فقال النبي صلى الله عليه وسلم الله اكبر خربت خيبر انا اذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين
২৯৪৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে রাতে সেখানে উপস্থিত হলেন। তিনি জিহাদের উদ্দেশে রাত্রিকালে কোন জনপদে গেলে সকাল না হওয়া পর্যন্ত তাদের উপর আক্রমণ করেন না। যখন সকাল হলো ইয়াহূদীরা কোদাল ও ঝুড়ি নিয়ে বের হল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখতে পেয়ে বলে উঠল, মুহাম্মাদ, আল্লাহর কসম! মুহাম্মাদ তাঁর পুরো সেনাবাহিনী নিয়ে উপস্থিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করেন এবং বললেন, খায়বার ধ্বংস হল, নিশ্চয়ই আমরা যখন কোন জনপদের আঙ্গিণায় উপস্থিত হই, তখন সতর্ককৃত লোকদের সকাল কত মন্দ! (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৩৯)
হাদিস নং: ২৯৪৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري حدثنا سعيد بن المسيب ان ابا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم امرت ان اقاتل الناس حتى يقولوا لا اله الا الله فمن قال لا اله الا الله فقد عصم مني نفسه وماله الا بحقه وحسابه على الله رواه عمر وابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم
২৯৪৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাকে ততক্ষণ পর্যন্ত লোকদের সঙ্গে যুদ্ধ করার আদেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলে আর যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলবে সে তার জান ও মাল আমার হাত থেকে বাঁচিয়ে নিল। অবশ্য ইসলামের কর্তব্যাদি আলাদা, আর তার হিসাব আল্লাহর উপর ন্যস্ত। (মুসলিম ১/৮ হাঃ ২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪০)
হাদিস নং: ২৯৪৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك ان عبد الله بن كعب وكان قاىد كعب من بنيه قال سمعت كعب بن مالك حين تخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يريد غزوة الا ورى بغيرها
২৯৪৭. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ছিলেন কা‘বের পুত্রদের মধ্যে নেতা, তিনি বলেন, আমি কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে শুনেছি, যখন তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পেছনে থেকে গিয়েছিলেন। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোথাও যুদ্ধে যাবার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি অন্য দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়ে তা গোপন রাখতেন। (২৭৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪১)
হাদিস নং: ২৯৪৮ সহিহ (Sahih)
و حدثني احمد بن محمد اخبرنا عبد الله اخبرنا يونس عن الزهري قال اخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك قال سمعت كعب بن مالك يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم قلما يريد غزوة يغزوها الا ورى بغيرها حتى كانت غزوة تبوك فغزاها رسول الله صلى الله عليه وسلم في حر شديد واستقبل سفرا بعيدا ومفازا واستقبل غزو عدو كثير فجلى للمسلمين امرهم ليتاهبوا اهبة عدوهم واخبرهم بوجهه الذي يريد
২৯৪৮. কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, অধিকাংশ সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন নির্দিষ্ট জায়গায় যুদ্ধের ইচ্ছা করলে অন্য দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়ে তা গোপন রাখতেন কিন্তু যখন তাবুক যুদ্ধ এল, যে যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রওয়ানা দিলেন, প্রচন্ড গরম এবং সম্মুখীন হলেন দীর্ঘ সফরের ও মরুময় পথের আর অধিক সংখ্যক সৈন্যের মোকাবিলায় অগ্রসর হলেন। তাই তিনি মুসলিমদের সামনে বিষয়টি প্রকাশ করলেন, যাতে তারা শত্রুর মুকাবিলার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে এবং ইচ্ছার লক্ষ্য সবাইকে জানিয়ে দিলেন। (২৭৫৭)
হাদিস নং: ২৯৪৯ সহিহ (Sahih)
وعن يونس عن الزهري قال اخبرني عبد الرحمن بن كعب بن مالك ان كعب بن مالك كان يقول لقلما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخرج اذا خرج في سفر الا يوم الخميس
২৯৪৯. কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোন সফরে যাবার ইচ্ছা করতেন তখন বৃহস্পতিবারেই যাত্রা করতেন। (২৭৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪২)
হাদিস নং: ২৯৫০ সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا هشام اخبرنا معمر عن الزهري عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك عن ابيه ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج يوم الخميس في غزوة تبوك وكان يحب ان يخرج يوم الخميس
২৯৫০. কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুকের যুদ্ধে বৃহস্পতিবার বের হন আর বৃহস্পতিবার বের হওয়াই তিনি পছন্দ করতেন। (২৭৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৩)
হাদিস নং: ২৯৫১ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ايوب عن ابي قلابة عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى بالمدينة الظهر اربعا والعصر بذي الحليفة ركعتين وسمعتهم يصرخون بهما جميعا
২৯৫১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্তে যুহরের সালাত চার রাকআত আদায় করেন এবং যুল-হুলায়ফাতে পৌঁছে দু’রাকআত আসর সালাত আদায় করেন। আমি তাদের হজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়টির তালবিয়া জোরে পাঠ করতে শুনেছি। (১০৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৪)
হাদিস নং: ২৯৫২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن انها سمعت عاىشة رضي الله عنها تقول خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لخمس ليال بقين من ذي القعدة ولا نرى الا الحج فلما دنونا من مكة امر رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يكن معه هدي اذا طاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة ان يحل قالت عاىشة فدخل علينا يوم النحر بلحم بقر فقلت ما هذا فقال نحر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ازواجه قال يحيى فذكرت هذا الحديث للقاسم بن محمد فقال اتتك والله بالحديث على وجهه
وَقَالَ كُرَيْبٌ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا انْطَلَقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ الْمَدِيْنَةِ لِخَمْسٍ بَقِيْنَ مِنْ ذِي الْقَعْدَةِ وَقَدِمَ مَكَّةَ لِأَرْبَعِ لَيَالٍ خَلَوْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ

কুরাইব (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-কা‘দার পাঁচ দিন থাকতে মদিনা্ থেকে রওয়ানা হন এবং যুল-হিজ্জার ৪ তারিখে মক্কা্য় পৌঁছেন।


২৯৫২. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুল-কাদার ৫ রাত থাকতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। হজ্জ আদায় ব্যতীত আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না। মক্কার নিকটবর্তী হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের আদেশ দিলেন যাদের নিকট কুরবানীর জন্তু নেই, তারা বায়তুল্লাহর তাওয়াফ এবং সাফা মারওয়ার সা‘ঈ করার পর ইহরাম খুলে ফেলবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কুরবানীর দিন আমাদের নিকট গরুর গোশ্ত পৌঁছানো হলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এগুলো কিসের? বলা হলো, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে কুরবানী আদায় করেছেন। ইয়াহ্ইয়া (রহ.) বলেন, আমি হাদীসটি কাসেম ইবনু মুহাম্মদ (রহ.)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম বর্ণনাকারিণী এ হাদীসটি আপনার নিকট সঠিকভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৫)

 
হাদিস নং: ২৯৫৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال حدثني الزهري عن عبيد الله عن ابن عباس رضي الله عنهما قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم في رمضان فصام حتى بلغ الكديد افطر قال سفيان قال الزهري اخبرني عبيد الله عن ابن عباس وساق الحديث. قال ابو عبد الله هذا قول الزهري وانما يقال بالاخر من فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم
২৯৫৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান মাসে সফরে বের হন এবং সিয়াম পালন করেন। যখন তিনি কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন সিয়াম ছেড়ে দেন। সুফ্ইয়ান (রহ.)....ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে একইভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ‘আব্দুল্লাহ (রহ.) বলেন, এটা যুহরী (রহ.)-এর উক্তি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সর্বশেষ কার্যই গ্রহণযোগ্য। (১৯৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৬)
হাদিস নং: ২৯৫৪ সহিহ (Sahih)
وقال ابن وهب اخبرني عمرو عن بكير عن سليمان بن يسار عن ابي هريرة انه قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعث وقال لنا ان لقيتم فلانا وفلانا لرجلين من قريش سماهما فحرقوهما بالنار قال ثم اتيناه نودعه حين اردنا الخروج فقال اني كنت امرتكم ان تحرقوا فلانا وفلانا بالنار وان النار لا يعذب بها الا الله فان اخذتموهما فاقتلوهما
২৯৫৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে পাঠালেন। কুরাইশদের দু‘জন লোকের নামোল্লেখ করে আমাদেরকে বললেন, তোমরা যদি অমুক ও অমুকের সাক্ষাৎ পাও তবে তাদেরকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমরা রওয়ানা করার প্রাক্কালে বিদায় গ্রহণ করার জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন তিনি বললেন, ‘আমি তোমাদেরকে অমুক অমুককে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছিলাম, কিন্তু আগুনের শাস্তি দান করার অধিকার আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত আর কারো নেই। তাই তোমরা যদি তাদেরকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়, তবে তাদের উভয়কে হত্যা করবে। (৩০১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস নং: ২৯৫৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله قال حدثني نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن صباح حدثنا اسماعيل بن زكرياء عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال السمع والطاعة حق ما لم يومر بالمعصية فاذا امر بمعصية فلا سمع ولا طاعة
২৯৫৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘পাপ কাজের আদেশ না করা পর্যন্ত ইমামের কথা শোনা ও তার আদেশ মানা অপরিহার্য। তবে পাপ কাজের আদেশ করা হলে তা শোনা ও আনুগত্য করা যাবে না।’ (৭১৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৭)
হাদিস নং: ২৯৫৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو اليمان اخبرنا شعيب حدثنا ابو الزناد ان الاعرج حدثه انه سمع ابا هريرة انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول نحن الاخرون السابقون
২৯৫৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, আমরা সর্বশেষে আগমনকারী (পৃথিবীতে) সর্বাগ্রে প্রবেশকারী (জান্নাতে)। (২৩৮)
হাদিস নং: ২৯৫৭ সহিহ (Sahih)
وبهذا الاسناد من اطاعني فقد اطاع الله ومن عصاني فقد عصى الله ومن يطع الامير فقد اطاعني ومن يعص الامير فقد عصاني وانما الامام جنة يقاتل من وراىه ويتقى به فان امر بتقوى الله وعدل فان له بذلك اجرا وان قال بغيره فان عليه منه
২৯৫৭. আর এ সনদেই (আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে) বর্ণিত হয়েছে যে, (রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,) যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলারই আনুগত্য করল আর যে ব্যক্তি আমার নাফরমানী করল, সে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলারই নাফরমানী করল। আর যে ব্যক্তি আমীরের আনুগত্য করল, সে ব্যক্তি আমারই আনুগত্য করল আর যে ব্যক্তি আমীরের নাফরমানী করল সে ব্যক্তি আমারই নাফরমানী করল। ইমাম তো ঢাল স্বরূপ। তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধ এবং তাঁরই মাধ্যমে নিরাপত্তা অর্জন করা হয়। অতঃপর যদি সে আল্লাহর তাকওয়ার নির্দেশ দেয় এবং সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, তবে তার জন্য এর পুরস্কার রয়েছে আর যদি সে এর বিপরীত করে তবে এর মন্দ পরিণাম তার উপরই বর্তাবে। (৭১৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৮)
হাদিস নং: ২৯৫৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا جويرية عن نافع قال قال ابن عمر رضي الله عنهما رجعنا من العام المقبل فما اجتمع منا اثنان على الشجرة التي بايعنا تحتها كانت رحمة من الله فسالت نافعا على اي شيء بايعهم على الموت قال لا بل بايعهم على الصبر
২৯৫৮. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন হুদাইবিয়া সন্ধির পরবর্তী বছর প্রত্যাবর্তন করলাম, তখন আমাদের মধ্য হতে দু’জন লোকও যে বৃক্ষের নীচে আমরা বায়‘আত করেছিলাম সেটি চিহ্নিত করার ব্যাপারে একমত হতে সক্ষম হয়নি। তা ছিল আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে রহমত স্বরূপ।’ বর্ণনাকারী বলেন, ‘আমি নাফি (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, তাঁদের নিকট হতে কিসের বায়‘আত গ্রহণ করা হয়েছিল? তা কি মৃত্যুর উপর?’ তিনি বললেন, ‘না, বরং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের নিকট হতে দৃঢ় থাকার উপর বায়‘আত গ্রহণ করেছিলেন।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৯)
হাদিস নং: ২৯৫৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا وهيب حدثنا عمرو بن يحيى عن عباد بن تميم عن عبد الله بن زيد قال لما كان زمن الحرة اتاه ات فقال له ان ابن حنظلة يبايع الناس على الموت فقال لا ابايع على هذا احدا بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم
২৯৫৯. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হার্রা নামক যুদ্ধের সময়ে তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এসে বললো, ‘ইবনু হানযালা (রাঃ) মানুষের নিকট থেকে মৃত্যুর উপর বায়‘আত গ্রহণ করছেন। তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর আমি তো কারো নিকট এমন বায়‘আত করব না। (৪১৬৭) (মুসলিম ৩৩/১৮ হাঃ ১৮৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৫০)
হাদিস নং: ২৯৬০ সহিহ (Sahih)
حدثنا المكي بن ابراهيم حدثنا يزيد بن ابي عبيد عن سلمة قال بايعت النبي صلى الله عليه وسلم ثم عدلت الى ظل الشجرة فلما خف الناس قال يا ابن الاكوع الا تبايع قال قلت قد بايعت يا رسول الله قال وايضا فبايعته الثانية فقلت له يا ابا مسلم على اي شيء كنتم تبايعون يومىذ قال على الموت
২৯৬০. সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বায়‘আত করলাম। অতঃপর আমি একটি বৃক্ষের ছায়ায় গেলাম। মানুষের ভীড় কমে গেলে, (তাঁর নিকট উপস্থিত হলে) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ‘ইবনু আকওয়া‘! তুমি কি বায়‘আত করবে না?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো বায়‘আত করেছি।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আরেক বার।’ তখন আমি দ্বিতীয় বার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বায়‘আত করলাম। (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘হে আবূ মুসলিম! সেদিন তোমরা কোন্ জিনিসের উপর বায়‘আত করেছিলে?’ তিনি বললেন, ‘মৃত্যুর উপর।’ (৪১৬৯, ৭২০৬, ৭২০৮) (মুসলিম ৩৩/১৮ হাঃ ১৮৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৫১)
হাদিস নং: ২৯৬১ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن حميد قال سمعت انسا يقول كانت الانصار يوم الخندق تقول :
نحن الذين بايعوا محمــدا * على الجهاد ما حيينا ابـدا
فاجابهم النبي صلى الله عليه وسلم فقال :
اللهم لا عيش الا عيش الاخره * فاكرم الانصار والمهاجـره
২৯৬১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারগণ খন্দকে যুদ্ধের দিন আবৃত্তি করছিলেনঃ ‘‘আমরাই হচ্ছি সে সকল ব্যক্তি, যারা মুহাম্মাদের হাতে জিহাদ করার উপর বায়‘আত গ্রহণ করেছি, যতদিন আমরা বেঁচে থাকব।’’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উত্তর দিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ্! পরকালের সুখ হচ্ছে প্রকৃত সুখ; তাই তুমি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সম্মানিত কর। (২৮৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৫২)
অধ্যায় তালিকা