হাদিস নং: ২৯৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن مرحوم حدثنا حاتم بن اسماعيل عن يزيد بن ابي عبيد عن سلمة قال خفت ازواد الناس واملقوا فاتوا النبي صلى الله عليه وسلم في نحر ابلهم فاذن لهم فلقيهم عمر فاخبروه فقال ما بقاوكم بعد ابلكم فدخل عمر على النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما بقاوهم بعد ابلهم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ناد في الناس ياتون بفضل ازوادهم فدعا وبرك عليه ثم دعاهم باوعيتهم فاحتثى الناس حتى فرغوا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اشهد ان لا اله الا الله واني رسول الله
২৯৮২. সালামাহ (ইবনু আকওয়া‘) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে লোকদের পাথেয় কমে যায় এবং তারা অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হয়ে তাদের উট যবেহ করার অনুমতি চাইলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনুমতি দিলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হল। তারা তাঁকে বিষয়টি জানালো। তিনি বললেন, উট যবেহ করে অতঃপর তোমরা কিরূপে টিকে থাকবে? ‘উমার (রাঃ) রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল লোক উট যবেহ করে খেয়ে ফেলার পর কিভাবে বাঁচবে? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিজ নিজ অবশিষ্ট পাথেয় নিয়ে হাজির করার জন্য তাদের মধ্যে ঘোষণা দাও। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবারের জন্য বরকতের দু‘আ করলেন। অতঃপর তাদেরকে নিজ নিজ পাত্র নিয়ে হাজির হতে বললেন। তারা তাদের পাত্র ভরে নিতে লাগলো, অবশেষে সকলই নিয়ে নিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। আর আমি আল্লাহর রাসূল।’ (২৪৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭২)
হাদিস নং: ২৯৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا صدقة بن الفضل اخبرنا عبدة عن هشام عن وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال خرجنا ونحن ثلاث ماىة نحمل زادنا على رقابنا ففني زادنا حتى كان الرجل منا ياكل في كل يوم تمرة قال رجل يا ابا عبد الله واين كانت التمرة تقع من الرجل قال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها حتى اتينا البحر فاذا حوت قد قذفه البحر فاكلنا منه ثمانية عشر يوما ما احببنا
২৯৮৩. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক জিহাদে বের হলাম এবং আমরা সংখ্যায় তিনশ’ ছিলাম। প্রত্যেকে নিজ নিজ পাথেয় নিজেদের কাঁধে বহন করছিলাম। পথে আমাদের পাথেয় নিঃশেষ হয়ে গেল। এমনকি আমরা দৈনিক একটি মাত্র খেজুর খেতে থাকলাম। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ্! একটি মাত্র খেজুর একজন লোকের কী করে যথেষ্ট হত? তিনি বললেন, যখন আমরা তাও হারালাম তখন এর হারানোটা টের পেলাম। অবশেষে আমরা সমুদ্র তীরে এসে উপস্থিত হলাম। হঠাৎ সমুদ্র একটা বিরাট মাছ কূলে নিক্ষেপ করল। আমরা সে মাছটি মজা করে আঠার দিন পর্যন্ত খেলাম। (২৪৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭২)
হাদিস নং: ২৯৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمرو بن علي حدثنا ابو عاصم حدثنا عثمان بن الاسود حدثنا ابن ابي مليكة عن عاىشة رضي الله عنها انها قالت يا رسول الله يرجع اصحابك باجر حج وعمرة ولم ازد على الحج فقال لها اذهبي وليردفك عبد الرحمن فامر عبد الرحمن ان يعمرها من التنعيم فانتظرها رسول الله صلى الله عليه وسلم باعلى مكة حتى جاءت
২৯৮৪. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার সাহাবীগণ তো হাজ্জ ও ‘উমরাহর সাওয়াব নিয়ে ফিরছেন, আর আমি তো হাজ্জের বেশি কিছুই করতে পারলাম না।’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি যাও, ‘আবদুর রহমান তোমাকে তার পেছনে সাওয়ারীতে বসিয়ে নিবে। তিনি ‘আবদুর রহমানকে আদেশ করলেন, তাঁকে তানয়ীম থেকে ‘উমরাহর ইহরাম করিয়ে আনতে। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উঁচুভূমিতে তাঁর ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকলেন। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৩)
হাদিস নং: ২৯৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن عمرو بن دينار عن عمرو بن اوس عن عبد الرحمن بن ابي بكر الصديق رضي الله عنهما قال امرني النبي صلى الله عليه وسلم ان اردف عاىشة واعمرها من التنعيم
২৯৮৫. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে আমার পেছনে বসিয়ে তানয়ীম থেকে ‘উমরাহর ইহরাম করিয়ে আনার জন্য আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। (১৭৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৪)
হাদিস নং: ২৯৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب حدثنا ايوب عن ابي قلابة عن انس قال كنت رديف ابي طلحة وانهم ليصرخون بهما جميعا الحج والعمرة
২৯৮৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর পেছনে একই সওয়ারীতে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন লোকেরা হজ্জ ও ‘উমরাহ পালনের জন্য লাববায়ক ধ্বনি তুলছিল। (১০৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৫)
হাদিস নং: ২৯৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة حدثنا ابو صفوان عن يونس بن يزيد عن ابن شهاب عن عروة عن اسامة بن زيد رضي الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب على حمار على اكاف عليه قطيفة واردف اسامة وراءه
২৯৮৭. উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাধার পিঠে পালান চাপিয়ে তার উপর চাদর বিছিয়ে তাতে চড়লেন। আর উসামাহ (রাঃ)-কে তাঁর পেছনে বসিয়ে নিলেন। (৪৫৬৬, ৫৬৬৩, ৫৯৬৪, ৬২০৮) (মুসলিম ৩২/৪০, হাঃ ১৭৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৬)
হাদিস নং: ২৯৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث قال يونس اخبرني نافع عن عبد الله ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اقبل يوم الفتح من اعلى مكة على راحلته مردفا اسامة بن زيد ومعه بلال ومعه عثمان بن طلحة من الحجبة حتى اناخ في المسجد فامره ان ياتي بمفتاح البيت ففتح ودخل رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه اسامة وبلال وعثمان فمكث فيها نهارا طويلا ثم خرج فاستبق الناس وكان عبد الله بن عمر اول من دخل فوجد بلالا وراء الباب قاىما فساله اين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشار له الى المكان الذي صلى فيه قال عبد الله فنسيت ان اساله كم صلى من سجدة
২৯৮৮. ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন আপন সাওয়ারীর পিঠে নিজের পেছনে উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে বসিয়ে মক্কার উঁচু ভূমির দিক থেকে আসলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল (রাঃ) এবং চাবি রক্ষণকারী ‘উসমান ইবনু ত্বলহা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের পার্শ্বে উটটিকে বসালেন। অতঃপর ‘উসমান (রাঃ)-কে কা’বা গৃহের চাবি নিয়ে আসতে আদেশ করলেন। কাবা খুলে দেয়া হল এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভেতরে প্রবেশ করলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামাহ, বিলাল ও ‘উসমান (রাঃ)। দিনের দীর্ঘ সময় তিনি সেখানে অবস্থান করলেন। অতঃপর সেখান হতে বেরিয়ে এলেন। এ সময়ে লোকেরা প্রবেশ করার জন্য দৌঁড়িয়ে আসল। সকলের আগে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং বিলাল (রাঃ)-কে দরজার পেছনে দাঁড়ানো দেখতে পেলেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন্ স্থানে সালাত আদায় করেছিলেন? ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে একথা জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছিলাম যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কত রাক‘আত সালাত আদায় করেছিলেন? (৩৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৭)
হাদিস নং: ২৯৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثني اسحاق اخبرنا عبد الرزاق اخبرنا معمر عن همام عن ابي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل سلامى من الناس عليه صدقة كل يوم تطلع فيه الشمس يعدل بين الاثنين صدقة ويعين الرجل على دابته فيحمل عليها او يرفع عليها متاعه صدقة والكلمة الطيبة صدقة وكل خطوة يخطوها الى الصلاة صدقة ويميط الاذى عن الطريق صدقة
২৯৮৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, মানুষের প্রত্যেক জোড়ার প্রতি সাদাকা রয়েছে, প্রতি দিন যাতে সূর্য উদিত হয় দু’জন লোকের মধ্যে সুবিচার করাও সাদাকা, কাউকে সাহায্য করে সাওয়ারীতে আরোহণ করিয়ে দেয়া বা তার উপরে তার মালপত্র তুলে দেয়াও সাদাকা, ভাল কথাও সাদাকা, সালাত আদায়ের উদ্দেশে পথ চলায় প্রতিটি কদমেও সাদাকা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও সাদাকা। (২৭০৭) (মুসলিম ১২/১৭ হাঃ ১০০৯, আহমাদ ৮১৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৮)
হাদিস নং: ২৯৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان يسافر بالقران الى ارض العدو
وَكَذَلِكَ يُرْوَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَابَعَهُ ابْنُ إِسْحَاقَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ سَافَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ فِيْ أَرْضِ الْعَدُوِّ وَهُمْ يَعْلَمُوْنَ الْقُرْآنَ
একইভাবে মুহাম্মদ ইবনু বিশর (রহ.).....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহ.)-এর অনুসরণকারী ইবনু ইসহাকও.....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। অবশ্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ (রাঃ) শত্রুর ভূখন্ডে সফর করেছেন এবং তাঁরা কুরআন জানতেন
২৯৯০. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৯)
একইভাবে মুহাম্মদ ইবনু বিশর (রহ.).....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহ.)-এর অনুসরণকারী ইবনু ইসহাকও.....ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। অবশ্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ (রাঃ) শত্রুর ভূখন্ডে সফর করেছেন এবং তাঁরা কুরআন জানতেন
২৯৯০. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৭৯)
হাদিস নং: ২৯৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن ايوب عن محمد عن انس قال صبح النبي خيبر وقد خرجوا بالمساحي على اعناقهم فلما راوه قالوا هذا محمد والخميس محمد والخميس فلجىوا الى الحصن فرفع النبي صلى الله عليه وسلم يديه وقال الله اكبر خربت خيبر انا اذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين واصبنا حمرا فطبخناها فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم ان الله ورسوله ينهيانكم عن لحوم الحمر فاكفىت القدور بما فيها تابعه علي عن سفيان رفع النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يديه
২৯৯১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতি সকালে খায়বার প্রান্তরে প্রবেশ করেন। সে সময় ইয়াহূদীগণ কাঁধে কোদাল নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। তারা যখন তাঁকে দেখতে পেল, তখন বলতে লাগল, মুহাম্মদ সেনাদলসহ আগমন করেছে, মুহাম্মদ সেনাদলসহ আগমন করেছে ফলে তারা দূর্গে ঢুকে পড়ল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উভয় হাত তুলে বললেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের অঞ্চলে অবতরণ করি, তখন সাবধান করে দেয়া লোকদের সকাল মন্দ হয়। আমরা সেখানে কিছু গাধা পেলাম। অতঃপর আমরা এগুলোর (গোশ্ত) রান্না করলাম। এর মধ্যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণা দানকারী ঘোষণা দিল, নিশ্চয় আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদেরকে গাধার মাংস হতে নিষেধ করেছেন। ডেকগুলো উল্টে দেয়া হল তার সামগ্রীসহ। ‘আলী সুফ্ইয়ান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দু’হাত উপরে উঠান বর্ণনায় ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মুহাম্মদ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮০)
হাদিস নং: ২৯৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عاصم عن ابي عثمان عن ابي موسى الاشعري قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكنا اذا اشرفنا على واد هللنا وكبرنا ارتفعت اصواتنا فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا ايها الناس اربعوا على انفسكم فانكم لا تدعون اصم ولا غاىبا انه معكم انه سميع قريب تبارك اسمه وتعالى جده-
২৯৯২. আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন কোন উপত্যকায় আরোহণ করতাম, তখন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং আল্লাহু আকবার বলতাম। আর আমাদের আওয়াজ অতি উঁচু হয়ে যেত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা নিজেদের প্রতি সদয় হও। তোমরা তো বধির বা অনুপস্থিত কাউকে ডাকছ না। বরং তিনি তো তোমাদের সঙ্গেই আছেন, তিনি তো শ্রবণকারী ও নিকটবর্তী। (৪২০২, ৬৩৮৪, ৬৪০৯, ৬৬১০, ৭৩৮৬) (মুসলিম ৪৮/১৩ হাঃ ২৭০৪, আহমাদ ১৯৬১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮১)
হাদিস নং: ২৯৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن حصين بن عبد الرحمن عن سالم بن ابي الجعد عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال كنا اذا صعدنا كبرنا واذا نزلنا سبحنا
২৯৯৩. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন কোন উঁচু স্থানে আরোহণ করতাম, তখন তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করতাম আর যখন কোন উপত্যকায় অবতরণ করতাম, সে সময় সুবহানাল্লাহ্ বলতাম। (২৯৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮২)
হাদিস নং: ২৯৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن ابي عدي عن شعبة عن حصين عن سالم عن جابر قال كنا اذا صعدنا كبرنا واذا تصوبنا سبحنا
২৯৯৪. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন উঁচুস্থানে আরোহণ করতাম, তখন আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করতাম আর যখন নিম্ন ভূখন্ডে অবতরণ করতাম, সে সময় সুবহানাল্লাহ্ বলতাম। (২৯৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৩)
হাদিস নং: ২৯৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله قال حدثني عبد العزيز بن ابي سلمة عن صالح بن كيسان عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا قفل من الحج او العمرة ولا اعلمه الا قال الغزو يقول كلما اوفى على ثنية او فدفد كبر ثلاثا ثم قال لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير ايبون تاىبون عابدون ساجدون لربنا حامدون صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الاحزاب وحده قال صالح فقلت له الم يقل عبد الله ان شاء الله قال لا
২৯৯৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হজ্জ কিংবা ‘উমরাহ থেকে ফিরতেন, বর্ণনাকারী বলেন, আমি জানি না, নাকি এরূপ বলেছেন যে, যখন জিহাদ থেকে ফিরতেন, তখন তিনি ঘাঁটি অথবা প্রস্তরময় ভূমিতে পৌঁছে তিনবার আল্লাহু আকবার বলতেন। অতঃপর এ দু‘আ পাঠ করতেন, ‘‘আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই, কর্তৃত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান। আমরা সফর থেকে প্রত্যাবর্তনকারী, গুনাহ থেকে তাওবাকারী, ‘ইবাদাতকারী, সিজদাকারী, আমাদের প্রতিপালকের প্রশংসাকারী। আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন, তাঁর বান্দাহকে সাহায্য করেছেন, কাফির সৈন্যদলকে তিনি একাই পরাস্ত করেছেন।’’ সালেহ (রহ.) বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আবদুল্লাহ্ কি ইনশাআল্লাহ্ বলেননি? তিনি বললেন, না। (১৭৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৪)
হাদিস নং: ২৯৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا مطر بن الفضل حدثنا يزيد بن هارون حدثنا العوام حدثنا ابراهيم ابو اسماعيل السكسكي قال سمعت ابا بردة واصطحب هو ويزيد بن ابي كبشة في سفر فكان يزيد يصوم في السفر فقال له ابو بردة سمعت ابا موسى مرارا يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا مرض العبد او سافر كتب له مثل ما كان يعمل مقيما صحيحا
২৯৯৬. আবূ ইসমাঈল আসসাকসাকী বলেন, আবূ বুরদাহ্-কে বলতে শুনেছি, তিনি এবং ইয়াযিদ ইবনু আবূ কাবশা (রাঃ) সফরে ছিলেন। আর ইয়াযিদ (রাঃ) মুসাফির অবস্থায় রোযা রাখতেন। আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমি আবূ মূসা (আশ‘আরী) (রাঃ)-কে একাধিকবার বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন বান্দা পীড়িত হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য তা-ই লেখা হয়, যা সে আবাসে সুস্থ অবস্থায় ‘আমল করত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৫)
হাদিস নং: ২৯৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا محمد بن المنكدر قال سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول ندب النبي صلى الله عليه وسلم الناس يوم الخندق فانتدب الزبير ثم ندبهم فانتدب الزبير ثم ندبهم فانتدب الزبير قال النبي صلى الله عليه وسلم ان لكل نبي حواريا وحواري الزبير قال سفيان الحواري الناصر
২৯৯৭. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খন্দকের যুদ্ধের দিন লোকদেরকে ডাক দিলেন। যুবাইর (রাঃ) সে ডাকে সাড়া দিলেন, পুনরায় তিনি লোকদেরকে ডাক দিলেন, আবারও যুবাইর (রাঃ) সে ডাকে সাড়া দিলেন। পুনরায় তিনি লোকদেরকে ডাকলেন, এবারও যুবাইর (রাঃ) সে ডাকে সাড়া দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘প্রত্যেক নবীর জন্য একজন বিশেষ সাহায্যকারী থাকে আর আমার বিশেষ সাহায্যকারী হচ্ছে যুবাইর।’ সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, হাওয়ারী সাহায্যকারীকে বলা হয়। (২৮৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৬)
হাদিস নং: ২৯৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا عاصم بن محمد قال حدثني ابي عن ابن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم ح حدثنا ابو نعيم حدثنا عاصم بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر عن ابيه عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو يعلم الناس ما في الوحدة ما اعلم ما سار راكب بليل وحده
২৯৯৮. ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি লোকেরা একা সফরে কী ক্ষতি আছে তা জানত, যা আমি জানি, তবে কোন আরোহী রাতে একাকী সফর করত না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৭)
হাদিস নং: ২৯৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى حدثنا يحيى عن هشام قال اخبرني ابي قال سىل اسامة بن زيد رضي الله عنهما كان يحيى يقول وانا اسمع فسقط عني عن مسير النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع قال فكان يسير العنق فاذا وجد فجوة نص والنص فوق العنق
قَالَ أَبُوْ حُمَيْدٍ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِنِّيْ مُتَعَجِّلٌ إِلَى الْمَدِيْنَةِ فَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَتَعَجَّلَ مَعِيْ فَلْيُعَجِّلْ
আবূ হুমাইদ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি দ্রুত মদিনা্য় পৌঁছতে চাই, কাজেই যে ব্যক্তি আমার সঙ্গে জলদি যেতে চায় সে যেন জলদি চলে।
২৯৯৯. হিশাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, বিদায় হজ্জে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেমন গতিতে পথ চলেছিলেন। রাবী ইয়াহয়া (রাঃ) বলতেন, ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, ‘‘আমি শুনতেছিলাম, তবে আমার বর্ণনায় তা ছুটে গেছে। উসামাহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহজ দ্রুতগতিতে চলতেন আর যখন প্রশস্ত ফাঁকা জায়গা পেতেন, তখন দ্রুত চলতেন। নাস হচ্ছে সহজ গতির চেয়ে দ্রুততর চলা। (১৬৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৮)
আবূ হুমাইদ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি দ্রুত মদিনা্য় পৌঁছতে চাই, কাজেই যে ব্যক্তি আমার সঙ্গে জলদি যেতে চায় সে যেন জলদি চলে।
২৯৯৯. হিশাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, বিদায় হজ্জে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেমন গতিতে পথ চলেছিলেন। রাবী ইয়াহয়া (রাঃ) বলতেন, ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, ‘‘আমি শুনতেছিলাম, তবে আমার বর্ণনায় তা ছুটে গেছে। উসামাহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহজ দ্রুতগতিতে চলতেন আর যখন প্রশস্ত ফাঁকা জায়গা পেতেন, তখন দ্রুত চলতেন। নাস হচ্ছে সহজ গতির চেয়ে দ্রুততর চলা। (১৬৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৮)
হাদিস নং: ৩০০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن ابي مريم اخبرنا محمد بن جعفر قال اخبرني زيد هو ابن اسلم عن ابيه قال كنت مع عبد الله بن عمر رضي الله عنهما بطريق مكة فبلغه عن صفية بنت ابي عبيد شدة وجع فاسرع السير حتى اذا كان بعد غروب الشفق ثم نزل فصلى المغرب والعتمة يجمع بينهما وقال اني رايت النبي صلى الله عليه وسلم اذا جد به السير اخر المغرب وجمع بينهما
৩০০০. আসলাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কার পথে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। পথে তাঁর নিকট সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ ‘উবাইদ (রাঃ)-এর ভীষণ অসুস্থতার সংবাদ পৌঁছে। তখন তিনি দ্রতগতিতে চলতে থাকেন। এমনকি যখন সূর্যাস্তের পরে লালিমা কেটে গেল, তখন তিনি উট থেকে নেমে মাগরিব ও এশার সালাত একত্রে আদায় করেন। আর ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, যখন তাঁর দ্রুত গতিতে চলার প্রয়োজন দেখা দিত, তখন তিনি মাগরিবকে বিলম্বিত করে মাগরিব ও এশার উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। (১০৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৮৯)
হাদিস নং: ৩০০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن سمي مولى ابي بكر عن ابي صالح عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال السفر قطعة من العذاب يمنع احدكم نومه وطعامه وشرابه فاذا قضى احدكم نهمته فليعجل الى اهله
৩০০১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সফর আযাবের একটি অংশ। যা তোমাদেরকে নিদ্রা, আহার ও পান থেকে বিরত রাখে। কাজেই তোমাদের প্রত্যেকেই যেন নিজের কাজ সেরে তার পরিজনের নিকট দ্রুত চলে আসে। (১৮০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৯০)