অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সহীহ বুখারী
৮৩/১. আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের অর্থহীন শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন না...
মোট ৮৭ টি হাদিস
হাদিস নং: ৬৬৬৮
সহিহ (Sahih)
فروة بن ابي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة قالت هزم المشركون يوم احد هزيمة تعرف فيهم فصرخ ابليس اي عباد الله اخراكم فرجعت اولاهم فاجتلدت هي واخراهم فنظر حذيفة بن اليمان فاذا هو بابيه فقال ابي ابي قالت فوالله ما انحجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة غفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة منها بقية خير حتى لقي الله
৬৬৬৮. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধে মুশরিকরা প্রকাশ্যতঃ পরাজিত হলে ইব্লিস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা পিছনের দিকে ফির। এতে সামনের লোকগুলো পিছনের দিকে ফিরল। তারপর পিছনের লোকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। হুযাইফাহ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) হঠাৎ তাঁর পিতাকে দেখে (মুসলিমদের প্রতি লক্ষ্য করে) বললেন, এ তো আমার পিতা, আমার পিতা। আল্লাহর কসম! তারা ফিরল না। শেষে তারা তাকে হত্যা করল। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তোমাদের ক্ষমা করুন। ’উরওয়াহ (রাঃ) বলেন যে, আল্লাহর কসম! মৃত্যু পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাঝে এ ব্যাপারটি বিদ্যমান ছিল। [৩২৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৩)
হাদিস নং: ৬৬৬৯
সহিহ (Sahih)
يوسف بن موسى حدثنا ابو اسامة قال حدثني عوف عن خلاس ومحمد عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من اكل ناسيا وهو صاىم فليتم صومه فانما اطعمه الله وسقاه
৬৬৬৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে সায়িম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার সওম পূর্ণ করে। কেননা, আল্লাহ্ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন।[1] [১৯৩৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৪)
নোট: [1] ভুলবশতঃ পেট পুরে পানাহার করলেও সওম নষ্ট হবে না।
হাদিস নং: ৬৬৭০
সহিহ (Sahih)
ادم بن ابي اياس حدثنا ابن ابي ذىب عن الزهري عن الاعرج عن عبد الله ابن بحينة قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم فقام في الركعتين الاوليين قبل ان يجلس فمضى في صلاته فلما قضى صلاته انتظر الناس تسليمه فكبر وسجد قبل ان يسلم ثم رفع راسه ثم كبر وسجد ثم رفع راسه وسلم
৬৬৭০. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রথম দু’রাকআতে বসার পূর্বেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। এভাবেই সালাত আদায় করতে থাকলেন। সালাত শেষ করলে লোকেরা তাঁর সালামের অপেক্ষা করছিল। তিনি আল্লাহু আকবর বলে সালামের পূর্বে সিজদা করলেন। এরপর তিনি তার মাথা উঠালেন। আবার আল্লাহু আকবর বলে সিজদা করলেন। এরপর আবার মাথা উঠালেন এবং সালাম ফিরালেন। ৭২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৫)
হাদিস নং: ৬৬৭১
সহিহ (Sahih)
اسحاق بن ابراهيم سمع عبد العزيز بن عبد الصمد حدثنا منصور عن ابراهيم عن علقمة عن ابن مسعود ان نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم صلاة الظهر فزاد او نقص منها قال منصور لا ادري ابراهيم وهم ام علقمة قال قيل يا رسول الله اقصرت الصلاة ام نسيت قال وما ذاك قالوا صليت كذا وكذا قال فسجد بهم سجدتين ثم قال هاتان السجدتان لمن لا يدري زاد في صلاته ام نقص فيتحرى الصواب فيتم ما بقي ثم يسجد سجدتين
৬৬৭১. ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁদের নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে কিছু বেশি করলেন বা কিছু কম করলেন। মানসূর বলেন, এই কম-অধিকের ব্যাপারে সন্দেহ ইব্রাহীমের না ’আলক্বামাহর তা আমার জানা নেই। রাবী বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের মাঝে কি কিছু কমিয়ে দেয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ কী হয়েছে? সাহাবাগণ বললেন, আপনি এভাবে এভাবে সালাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’টি সিজদা করেন। এরপর বললেন, এ দু’টি সিজদা ঐ ব্যক্তির জন্য যার স্মরণ নেই যে, সালাতে সে কি অধিক কিছু করেছে, না কম করেছে। এমন অবস্থায় সে চিন্তা করে (নির্ভুলটি স্থির করার চেষ্টা করবে)। আর যা বাকি থাকবে তা পুরা করে নেবে। এরপর দু’টি সিজদা করবে। [৪০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৬)
হাদিস নং: ৬৬৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، اخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا ابى بن كعب، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم (لا تواخذني بما نسيت ولا ترهقني من امري عسرا) قال " كانت الاولى من موسى نسيانا ".
৬৬৭২. ’উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلاَ تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا (মূসা বলল, ’আমার ভুলের জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, আর আমার ব্যাপারে আপনি অধিক কড়াকড়ি করবেন না) সম্পর্কে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ মূসা (আঃ)-এর প্রথমটি ভুলবশত হয়েছিল। [৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)
হাদিস নং: ৬৬৭৩
সহিহ (Sahih)
قال ابو عبد الله كتب الي محمد بن بشار حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا ابن عون عن الشعبي قال قال البراء بن عازب وكان عندهم ضيف لهم فامر اهله ان يذبحوا قبل ان يرجع لياكل ضيفهم فذبحوا قبل الصلاة فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فامره ان يعيد الذبح فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم عندي عناق جذع عناق لبن هي خير من شاتي لحم فكان ابن عون يقف في هذا المكان عن حديث الشعبي ويحدث عن محمد بن سيرين بمثل هذا الحديث ويقف في هذا المكان ويقول لا ادري ابلغت الرخصة غيره ام لا رواه ايوب عن ابن سيرين عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم
৬৬৭৩. শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন যে, বারাআ ইবনু ’আযিব (রহ.)-এর নিকট কয়েকজন মেহমান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে তাঁদের জন্য সালাত থেকে ফেরার আগেই কিছু যবেহ করতে হুকুম করলেন, যেন ফিরে এসে তাঁরা আহার করতে পারেন। তখন পরিবারের লোকেরা সালাত থেকে ফেরার আগেই (কুরবানীর পশু) যবেহ করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে লোকেরা এ সম্পর্কে বর্ণনা করল। তিনি পুনরায় যবেহ করার জন্য হুকুম করলেন। বারাআ ইবনু ’আযিব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে এমন একটি বক্রীর বাচ্চা আছে যা দু’টি বড় বকরির মাংসের চেয়েও উত্তম।
ইবনু ’আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহ.) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা?
আইউব ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৯৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)
ইবনু ’আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহ.) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা?
আইউব ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৯৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)
হাদিস নং: ৬৬৭৪
সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الاسود بن قيس قال سمعت جندبا قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم صلى يوم عيد ثم خطب ثم قال من ذبح فليبدل مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله
৬৬৭৪. জুন্দুব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি ঈদের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর খুৎবা প্রদান করলেন। এরপর বললেনঃ যে ব্যক্তি (সালাতের আগেই) যবেহ করেছে সে যেন তার স্থলে আরেকটি যবেহ করে। আর যে এখনও যবেহ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ করে। [৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৮)
হাদিস নং: ৬৬৭৫
সহিহ (Sahih)
محمد بن مقاتل اخبرنا النضر اخبرنا شعبة حدثنا فراس قال سمعت الشعبي عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكباىر الاشراك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس واليمين الغموس
(وَلاَ تَتَّخِذُوا أَيْمَانَكُمْ دَخَلاً بَيْنَكُمْ فَتَزِلَّ قَدَمٌ بَعْدَ ثُبُوتِهَا وَتَذُوقُوا السُّوءَ بِمَا صَدَدْتُمْ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ وَلَكُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ)، دَخَلاً مَكْرًا وَخِيَانَةً.
(আল্লাহর বাণী) পরস্পর ধোঁকা দেয়ার জন্য তোমরা তোমাদের শপথকে ব্যবহার করো না। করলে পা স্থির হবার পর পিছলে যাবে। আর তোমাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি- (সূরাহ নাহল ১৬/৯৪)।
دَخَلاً দ্বারা ধোঁকা ও খিয়ানত উদ্দেশ্য।
৬৬৭৫. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আমর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কবীরা গুনাহসমূহের (অন্যতম) হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা।[1] [৬৮৭০, ৬৯২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৯)
(আল্লাহর বাণী) পরস্পর ধোঁকা দেয়ার জন্য তোমরা তোমাদের শপথকে ব্যবহার করো না। করলে পা স্থির হবার পর পিছলে যাবে। আর তোমাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি- (সূরাহ নাহল ১৬/৯৪)।
دَخَلاً দ্বারা ধোঁকা ও খিয়ানত উদ্দেশ্য।
৬৬৭৫. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আমর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কবীরা গুনাহসমূহের (অন্যতম) হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা।[1] [৬৮৭০, ৬৯২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৯)
নোট: [1] اليمين الغموس মিথ্যা শপথের তওবা ছাড়া কোন কাফ্ফারা নেই। বলা হয়, এই নামে নাম করণের কারণ হল উহা শপথকারীকে পাপে নিমজ্জিত করে অতঃপর জাহান্নামে নিক্ষেপ করে। (ফাতহুল বারী)
হাদিস নং: ৬৬৭৬
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا ابو عوانة عن الاعمش عن ابي واىل عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر يقتطع بها مال امرى مسلم لقي الله وهو عليه غضبان فانزل الله تصديق ذ‘لك (ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا) الى اخر الاية
৬৬৭৬. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
হাদিস নং: ৬৬৭৭
সহিহ (Sahih)
فدخل الاشعث بن قيس فقال ما حدثكم ابو عبد الرحمن فقالوا كذا وكذا قال في انزلت كانت لي بىر في ارض ابن عم لي فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بينتك او يمينه قلت اذا يحلف عليها يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر وهو فيها فاجر يقتطع بها مال امرى مسلم لقي الله يوم القيامة وهو عليه غضبان
৬৬৭৭. এরপর আশ’আস ইবনু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ’আবদুর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাতো ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে কিয়ামতের দিন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। [২৩৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
হাদিস নং: ৬৬৭৮
সহিহ (Sahih)
محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة عن بريد عن ابي بردة عن ابي موسى قال ارسلني اصحابي الى النبي صلى الله عليه وسلم اساله الحملان فقال والله لا احملكم على شيء ووافقته وهو غضبان فلما اتيته قال انطلق الى اصحابك فقل ان الله او ان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحملكم
৬৬৭৮. আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আমার সাথী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পাঠাল তাঁর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে কোন কিছুই আরোহণের জন্য দিতে পারব না। তখন আমি তাঁকে ক্ষুব্ধ অবস্থায় পেলাম। এরপর যখন আমি তাঁর কাছে এলাম, তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অথবা আল্লাহর রাসূল তোমাদের আরোহণের জন্য বাহনের ব্যবস্থা করবেন। [৩১৩৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২১)
হাদিস নং: ৬৬৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز، حدثنا ابراهيم، عن صالح، عن ابن شهاب، ح وحدثنا الحجاج، حدثنا عبد الله بن عمر النميري، حدثنا يونس بن يزيد الايلي، قال سمعت الزهري، قال سمعت عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وعلقمة بن وقاص، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن حديث، عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم حين قال لها اهل الافك ما قالوا، فبراها الله مما قالوا ـ كل حدثني طاىفة من الحديث ـ فانزل الله (ان الذين جاءوا بالافك) العشر الايات كلها في براءتي. فقال ابو بكر الصديق ـ وكان ينفق على مسطح لقرابته منه ـ والله لا انفق على مسطح شيىا ابدا، بعد الذي قال لعاىشة. فانزل الله (ولا ياتل اولو الفضل منكم والسعة ان يوتوا اولي القربى) الاية. قال ابو بكر بلى والله اني لاحب ان يغفر الله لي. فرجع الى مسطح النفقة التي كان ينفق عليه وقال والله لا انزعها عنه ابدا.
৬৬৭৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ’আয়িশাহ (রাঃ) এর ব্যাপারে অপবাদ রটনাকারীরা যা বলেছিল তা শুনতে পেলাম। আল্লাহ্ এ মর্মে তাঁর নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। উপরোক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই আমার নিকট উল্লিখিত ঘটনার অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন। ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা (إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ) দশখানা আয়াত আমার নির্দোষিতা প্রকাশ করার জন্য অবতীর্ণ করেছেন। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে মিসতাহ্ ইবনু সালামাহর ভরণ-পোষণ করতেন। অপবাদ দেয়ার কারণে আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! মিসতাহ্ যখন ’আয়িশাহর ব্যাপারে অপবাদ রটিয়েছে; এরপর আমি আর তার জন্য কখনো কিছু খরচ করব না। তখন আল্লাহ্ (وَلاَ يَأْتَلِ أُولُوا الْفَضْلِ.....)الآية এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। আবূ বকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দিন এটা আমি নিশ্চয়ই পছন্দ করি। তিনি পুনরায় মিসতাহের ভরণ-পোষণের জন্য ঐ খরচ দেয়া শুরু করলেন, যা তিনি পূর্বে তাকে দিতেন এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তার খরচ দেয়া কখনো বন্ধ করব না।[1] [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২২)
নোট: [1] যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে দান খয়রাত করে, আল্লাহ তার দোষ ত্রুটি ক্ষমা করে দেন।
হাদিস নং: ৬৬৮০
সহিহ (Sahih)
ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا ايوب عن القاسم عن زهدم قال كنا عند ابي موسى الاشعري قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الاشعريين فوافقته وهو غضبان فاستحملناه فحلف ان لا يحملنا ثم قال والله ان شاء الله لا احلف على يمين فارى غيرها خيرا منها الا اتيت الذي هو خير وتحللتها
৬৬৮০. আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কতক আশ’আরী লোকের সাথে (বাহন চাওয়ার জন্য) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম। যখন হাজির হলাম, তখন তাঁকে ক্ষুব্ধ অবস্থায় পেলাম। আমরা তাঁর কাছে বাহন চাইলাম। তিনি কসম করে বললেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না। এরপর বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি কোন কিছুর ওপর আল্লাহর ইচ্ছা মুতাবিক যখন কসম করি আর তার অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই; তাহলে যেটা কল্যাণকর সেটাই করি আর কসমকে ভঙ্গ করি। [৩১৩৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৩)
হাদিস নং: ৬৬৮১
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان اخبرنا شعيب عن الزهري قال اخبرني سعيد بن المسيب عن ابيه قال لما حضرت ابا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قل لا اله الا الله كلمة احاج لك بها عند الله
وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفْضَلُ الْكَلاَمِ أَرْبَعٌ سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ قَالَ أَبُو سُفْيَانَ كَتَبَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى هِرَقْلَ (تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ سَوَاءٍ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ) وَقَالَ مُجَاهِدٌ كَلِمَةُ التَّقْوَى لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম বাক্য চারটি? সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ্, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এবং ওয়াল্লাহু আকবার। আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদশাহ্ হিরাক্লিয়াসের কাছে লিখেছিলেনঃ ’’হে কিতাবীগণ! এসো সে কথার দিকে, যা আমাদের ও তোমাদের মাঝে সমান।’’ (আলে-’ইমরান : ৬৪) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, كَلِمَةُ التَّقْوَى ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’।
৬৬৮১. সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আবূ তালিবের যখন মৃত্যু হাযির হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং বললেনঃ আপনি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ কলেমাটি বলুন। আমি আল্লাহর নিকট এর দ্বারা আপনার ব্যাপারে সুপারিশ করব। [১৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৪)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম বাক্য চারটি? সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ্, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এবং ওয়াল্লাহু আকবার। আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদশাহ্ হিরাক্লিয়াসের কাছে লিখেছিলেনঃ ’’হে কিতাবীগণ! এসো সে কথার দিকে, যা আমাদের ও তোমাদের মাঝে সমান।’’ (আলে-’ইমরান : ৬৪) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, كَلِمَةُ التَّقْوَى ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’।
৬৬৮১. সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আবূ তালিবের যখন মৃত্যু হাযির হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং বললেনঃ আপনি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ কলেমাটি বলুন। আমি আল্লাহর নিকট এর দ্বারা আপনার ব্যাপারে সুপারিশ করব। [১৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৪)
হাদিস নং: ৬৬৮২
সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل حدثنا عمارة بن القعقاع عن ابي زرعة عن ابي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمتان خفيفتان على اللسان ثقيلتان في الميزان حبيبتان الى الرحمن سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم
৬৬৮২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’টি কলেমা যা জবানে অতি হাল্কা, মীযানে ভারী, আর রাহমানের নিকট খুব পছন্দনীয়; তা হচ্ছে ’সুবহানাল্লাহ্ ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম’। [৬৪০৬] (আধুনিক প্রকাশনী-৫ ৬২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৫)
হাদিস নং: ৬৬৮৩
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الاعمش عن شقيق عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمة وقلت اخرى من مات يجعل لله ندا ادخل النار وقلت اخرى من مات لا يجعل لله ندا ادخل الجنة
৬৬৮৩. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কলেমা বললেন। আর আমি অন্যটি বললাম। তখন তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরীক করে মারা যাবে তাকে জাহান্নামে দাখিল করা হবে। আমি অন্যটি বললাম, যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরীক না করে মারা যাবে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হবে। [১২৩৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৬)
হাদিস নং: ৬৬৮৪
সহিহ (Sahih)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا سليمان بن بلال عن حميد عن انس قال الى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نساىه وكانت انفكت رجله فاقام في مشربة تسعا وعشرين ليلة ثم نزل فقالوا يا رسول الله اليت شهرا فقال ان الشهر يكون تسعا وعشرين
৬৬৮৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে কসম করলেন। আর তখন তাঁর এক পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তখন ঊনত্রিশ দিন কুঠরীতে অবস্থান করলেন। এরপর তিনি নেমে এলেন (স্ত্রীগণের কাছে ফিরে এলেন)। লোকেরা তখন জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো এক মাসের কসম করেছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ মাস তো কখনও ঊনত্রিশ দিনেও হয়। [৩৭৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৭)
হাদিস নং: ৬৬৮৫
সহিহ (Sahih)
علي سمع عبد العزيز بن ابي حازم اخبرني ابي عن سهل بن سعد ان ابا اسيد صاحب النبي صلى الله عليه وسلم اعرس فدعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه فكانت العروس خادمهم فقال سهل للقوم هل تدرون ما سقته قال انقعت له تمرا في تور من الليل حتى اصبح عليه فسقته اياه
৬৬৮৫. সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবূ উসায়দ (রাঃ) বিবাহ করলেন। তার (ওলীমায়) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করলেন। আর তখন তাঁর নব বিবাহিতা স্ত্রী তাঁদের খেদমত করছিলেন। সাহল (রাঃ) তার গোত্রের লোকদেরকে বললেন, তোমরা কি জান সে মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কী পান করিয়েছিল? সে রাত্রিবেলা একটি পাত্রে তাঁর জন্য খেজুর ভিজিয়ে রেখেছিল সকাল পর্যন্ত। আর সেগুলিই সে তাঁকে পান করাল।[1] [৫১৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৮)
নোট: [1] এ থেকে বুঝা গেল, নব বিবাহিতা স্ত্রী ওলীমার দাওয়াতে যথারীতি পর্দা অবলম্বন করে মেহমানদেরকে খাদ্য পরিবেশন করতে পারে, এটা সুন্নাত।
হাদিস নং: ৬৬৮৬
সহিহ (Sahih)
محمد بن مقاتل اخبرنا عبد الله اخبرنا اسماعيل بن ابي خالد عن الشعبي عن عكرمة عن ابن عباس عن سودة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت ماتت لنا شاة فدبغنا مسكها ثم ما زلنا ننبذ فيه حتى صار شنا
৬৬৮৬. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী সাওদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমাদের একটি বকরী মরে গেল। আমরা এর চামড়া দাবাগাত (পাকা) করে নিলাম। এরপর থেকে তাতে সর্বদাই আমরা নবীয (খুরমা-খেজুর ভিজানো শরবত) প্রস্তুত করতাম। শেষ পর্যন্ত ওটা পুরাতন হয়ে গেল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৯)
হাদিস নং: ৬৬৮৭
সহিহ (Sahih)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عبد الرحمن بن عابس عن ابيه عن عاىشة قالت ما شبع ال محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مادوم ثلاثة ايام حتى لحق بالله
وقال ابن كثير اخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمن عن ابيه انه قال لعاىشة بهذا
وقال ابن كثير اخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمن عن ابيه انه قال لعاىشة بهذا
৬৬৮৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবার তরকারী দিয়ে গমের রুটি এক নাগাড়ে তিনদিন পর্যন্ত খেয়ে তৃপ্ত হননি। এভাবে তিনি আল্লাহর সঙ্গে মিলিত হয়েছেন।[1] [৫৪২৩]
ইবনু কাসীর (রহ.) আবিস (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ’আয়িশাহ (রাঃ)-কে বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩০)
ইবনু কাসীর (রহ.) আবিস (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ’আয়িশাহ (রাঃ)-কে বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩০)
নোট: [1] আর্থিক দিক দিয়ে গরীব, হলেও যে ব্যক্তি ঈমানের ধনে ধনী, আল্লাহর নিকট সেই ব্যক্তিই সম্মানীয়।