হাদিস নং: ৭৩১১
সহিহ (Sahih)
عبيد الله بن موسى عن اسماعيل عن قيس عن المغيرة بن شعبة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يزال طاىفة من امتي ظاهرين حتى ياتيهم امر الله وهم ظاهرون
৭৩১১. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) আসা পর্যন্ত আমার উম্মাতের এক দল সর্বদাই বিজয়ী থাকবে। আর তাঁরা হলেন বিজয়ী। [৩৬৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৩)
হাদিস নং: ৭৩১২
সহিহ (Sahih)
اسماعيل حدثنا ابن وهب عن يونس عن ابن شهاب اخبرني حميد قال سمعت معاوية بن ابي سفيان يخطب قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين وانما انا قاسم ويعطي الله ولن يزال امر هذه الامة مستقيما حتى تقوم الساعة او حتى ياتي امر الله
৭৩১২. মু’আবিযা ইবনু আবূ সুফয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ্ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আমি (ইল্মের) বণ্টনকারী মাত্র; আল্লাহ্ তা দান করে থাকেন। এ উম্মাতের কার্যকলাপ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) অবধি কিংবা বলেছিলেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলার হুকুম আসা পর্যন্ত (সত্যের উপর) সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। [৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৪)
হাদিস নং: ৭৩১৩
সহিহ (Sahih)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله يقول لما نزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم (قل هو القادر على ان يبعث عليكم عذابا من فوقكم) قال اعوذ بوجهك (او من تحت ارجلكم) قال اعوذ بوجهك فلما نزلت (او يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم باس بعض) قال هاتان اهون او ايسر
৭৩১৩. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর এ আয়াতঃ বল, তিনি সক্ষম তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ থেকে শাস্তি প্রেরণ করতে.....অবতীর্ণ হল, তখন তিনি বললেনঃ (হে আল্লাহ্!) আমি আপনার কাছে (এমন আযাব থেকে) আশ্রয় প্রার্থনা করি (তারপর যখন অবতীর্ণ হল) অথবা তোমাদের পায়ের নিচে থেকে। তখনও তিনি বললেনঃ (হে আল্লাহ্!) আমি আপনার নিকট (এমন আযাব থেকে) আশ্রয় প্রার্থনা করি। এরপর যখন নাযিল হলঃ অথবা তোমাদেরকে দলে দলে ভাগ করতে এবং একদলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে তখন তিনি বললেনঃ এ দুটি অপেক্ষাকৃত নরম অথবা বলেছেনঃ অপেক্ষাকৃত সহজ।[1] [৪৬২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৫)
নোট: [1] অধিকাংশ মুসলিম দেশগুলোতে নিজেদের মধ্যে দলাদলি আর বিভক্তির কারণে হত্যা, হানাহানি আর অশান্তির আগুন জ্বলছে। ইহুদী, মুশরিক, খৃস্টানরা মুনাফিক মুসলিমদের সাহায্যে মুসলিম দেশগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মূল কারণ বর্তমান মুসলিম সমাজ কুরআন ও সহীহ্ সুন্নাহ্ নির্ভর প্রকৃত ইসলামের সোজা সরল পথ থেকে সরে গেছে।
হাদিস নং: ৭৩১৪
সহিহ (Sahih)
اصبغ بن الفرج حدثني ابن وهب عن يونس عن ابن شهاب عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة ان اعرابيا اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ان امراتي ولدت غلاما اسود واني انكرته فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هل لك من ابل قال نعم قال فما الوانها قال حمر قال هل فيها من اورق قال ان فيها لورقا قال فانى ترى ذلك جاءها قال يا رسول الله عرق نزعها قال ولعل هذا عرق نزعه ولم يرخص له في الانتفاء منه
৭৩১৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, আমার স্ত্রী একটি কালো সন্তান জন্ম দিয়েছে। আর আমি তাকে (আমার সন্তান হিসাবে) অস্বীকার করছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন,সেগুলোর কী রঙ? সে বলল, লাল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সেগুলোর মাঝে সাদা কালো মিশ্রিত রঙের কোন উট আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ, সাদা কালো মোশানো রঙের অনেকগুলো আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন এ রং কিভাবে এল বলে তুমি মনে কর? সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! বংশ সূত্রের প্রভাবে এমন হয়েছে। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তোমার সন্তানও বংশ সূত্রের প্রভাবে (পূর্বপুরুষের কেউ কালো ছিল বলে) এমন হয়েছে। এবং তিনি এ সন্তানটিকে অস্বীকার করার অনুমতি লোকটিকে দিলেন না। [৫৩০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৬)
হাদিস নং: ৭৩১৫
সহিহ (Sahih)
مسدد حدثنا ابو عوانة عن ابي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس ان امراة جاءت الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ان امي نذرت ان تحج فماتت قبل ان تحج افاحج عنها قال نعم حجي عنها ارايت لو كان على امك دين اكنت قاضيته قالت نعم فقال اقضوا الله الذي له فان الله احق بالوفاء
৭৩১৫. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, আমার মা হাজ্জ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর তিনি হাজ্জ করার আগেই মারা গেছেন। এখন আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ করব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তার পক্ষ থেকে হাজ্জ কর। মনে কর যদি তার উপর ঋণ থাকত তাহলে কি তুমি তা আদায় করতে? সে বলল, অবশ্যই। তিনি বললেনঃ কাজেই তার উপর যে মানত আছে তা তুমি আদায় কর। আল্লাহ্ অধিক হক্দার, যে তাঁর জন্য কৃত মানত মানুষেরা পূর্ণ করবে। [১৮৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৭)
হাদিস নং: ৭৩১৬
সহিহ (Sahih)
شهاب بن عباد حدثنا ابراهيم بن حميد عن اسماعيل عن قيس عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا حسد الا في اثنتين رجل اتاه الله مالا فسلط على هلكته في الحق واخر اتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها
وَمَدَحَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَاحِبَ الْحِكْمَةِ حِينَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا لاَ يَتَكَلَّفُ مِنْ قِبَلِهِ وَمُشَاوَرَةِ الْخُلَفَاءِ وَسُؤَالِهِمْ أَهْلَ الْعِلْمِ
যারা হিকমাতের সঙ্গে বিচার করে ও হিকমাতের শিক্ষা দেন এবং মনগড়া কোন ফায়সালা করেন না, (এমন হিকমাতওয়ালা লোকের) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশংসা করেছেন। খলীফাদের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং বিচারকদের আলেমদের নিকট জিজ্ঞেস করা।
৭৩১৬. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’রকম লোক ব্যতীত কারো উপর হিংসা করা যাবে না। (এক) যাকে আল্লাহ্ সম্পদ দিয়েছেন এবং হকপথে খরচ করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ্ হিক্মাত (দ্বীনের বিষয়ে তীক্ষ্ম বুদ্ধি) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অন্যকে শিখায়। [৭৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৮)
যারা হিকমাতের সঙ্গে বিচার করে ও হিকমাতের শিক্ষা দেন এবং মনগড়া কোন ফায়সালা করেন না, (এমন হিকমাতওয়ালা লোকের) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশংসা করেছেন। খলীফাদের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং বিচারকদের আলেমদের নিকট জিজ্ঞেস করা।
৭৩১৬. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’রকম লোক ব্যতীত কারো উপর হিংসা করা যাবে না। (এক) যাকে আল্লাহ্ সম্পদ দিয়েছেন এবং হকপথে খরচ করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ্ হিক্মাত (দ্বীনের বিষয়ে তীক্ষ্ম বুদ্ধি) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অন্যকে শিখায়। [৭৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৮)
হাদিস নং: ৭৩১৭
সহিহ (Sahih)
محمد اخبرنا ابو معاوية حدثنا هشام عن ابيه عن المغيرة بن شعبة قال سال عمر بن الخطاب عن املاص المراة هي التي يضربـ بطنها فتلقي جنينا فقال ايكم سمع من النبي صلى الله عليه وسلم فيه شيىا فقلت انا فقال ما هو قلت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول فيه غرة عبد او امة فقال لا تبرح حتى تجيىني بالمخرج فيما قلت
৭৩১৭. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’উমার (রাঃ) মহিলাদের গর্ভপাত সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অর্থাৎ তার পেটে আঘাত করা হয়, যার ফলে সন্তানের গর্ভপাত ঘটে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ সম্পর্কে কিছু শুনেছ? আমি বললাম, আমি শুনেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী শুনেছ? আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ সম্পর্কে আমি বলতে শুনেছি যে, এ কারণে গুর্রা অর্থাৎ একটি দাস কিংবা দাসী দান করতে হবে। এ শুনে তিনি বললেন, তুমি যে হাদীস বর্ণনা করেছ এর প্রমাণ হাজির না করা পর্যন্ত তুমি এখান থেকে যেও না। [৬৯০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৭ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৯)
হাদিস নং: ৭৩১৮
সহিহ (Sahih)
فخرجت فوجدت محمد بن مسلمة فجىت به فشهد معي انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول فيه غرة عبد او امة تابعه ابن ابي الزناد عن ابيه عن عروة عن المغيرة
৭৩১৮. তারপর আমি বের হলাম এবং মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ)-কে পেলাম। আমি তাকে নিয়ে হাজির হলাম, সে আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিল, তিনিও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, এতে গুর্রা অর্থাৎ একটি দাস কিংবা দাসী দান করতে হবে। ইবনু আবূ যিনাদ......মুগীরাহ (রাঃ) থেকে একরম একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৬৯০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৭ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৯)
হাদিস নং: ৭৩১৯
সহিহ (Sahih)
احمد بن يونس حدثنا ابن ابي ذىب عن المقبري عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تقوم الساعة حتى تاخذ امتي باخذ القرون قبلها شبرا بشبر وذراعا بذراع فقيل يا رسول الله كفارس والروم فقال ومن الناس الا اولىك
৭৩১৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) ক্বায়িম হবে না যে পর্যন্ত না আমার উম্মাত পূর্বযুগের লোকেদের নীতি পদ্ধতিকে আচার-অভ্যাসকে বিঘতে বিঘতে, হাতে হাতে গ্রহণ না করবে। বলা হল, হে আল্লাহর রাসূল! পারসিক ও রোমকদের মত কি? তিনি বললেনঃ এরা ছাড়া মানুষের মধ্যে অন্য আর কারা? (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২০)
হাদিস নং: ৭৩২০
সহিহ (Sahih)
محمد بن عبد العزيز حدثنا ابو عمر الصنعاني من اليمن عن زيد بن اسلم عن عطاء بن يسار عن ابي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لتتبعن سنن من كان قبلكم شبرا شبرا وذراعا بذراع حتى لو دخلوا جحر ضب تبعتموهم قلنا يا رسول الله اليهود والنصارى قال فمن
৭৩২০. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ অবশ্য অবশ্যই তোমরা তোমাদের আগের লোকেদের নীতি-পদ্ধতিকে বিঘতে বিঘতে, হাতে হাতে অনুকরণ করবে। এমনকি তারা যদি দবের গর্তে ঢুকে, তাহলে তোমরাও তাদের অনুকরণ করবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এরা কি ইয়াহূদী ও নাসারা? তিনি বললেনঃ আর কারা?[1] [৩৪৫৬; মুসলিম ৪৭/৩, হাঃ ২৬৬৯, আহমাদ ১১৮০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২১)
নোট: [1] মুসলিমরা নিজেদের আদর্শ ত্যাগ করে ক্রমশঃ অমুসলিমদের নীতি পদ্ধতি গ্রহণ করছে। অশ্লীলতা, নাচ, গান, বাদ্য, নারীদের অধিকারের নামে উলঙ্গপনা, থার্টি ফাস্ট ডে, ভেলেনটাইন ডে, সেকুলারিজম, ভাস্কর্যের নাম দিয়ে মূর্তি পূজার বিস্তৃতি, এক মিনিট নীরবতা, পার্টি পলিটিক্স, নারী দেহ সম্বলিত বিজ্ঞাপন ইত্যাদি আজ মুসলিমদেরকে গ্রাস করে ফেলেছে। মুসলিমদের প্রতিটি ঘরে ঘরে নগ্ন ছায়াছবি দেখা হচ্ছে। মুসলিমরা জুমার ফারয সালাত বাদ দিয়ে ক্রিকেট খেলা ও খেলা দেখাকে ফারয করে নিয়েছে। মুসলিমের প্রধান পরিচয় হচ্ছে দুনিয়ার ভোগ বিলাসের তুলনায় আখিরাতকে প্রাধান্য দান। কিন্তু আজ তারা দুনিয়ার ভোগ বিলাসকেই প্রকৃত জীবন মনে করছে। তারা আজ অমুসলিমদের অনুগত গোলামের মত কাজ করছে।
হাদিস নং: ৭৩২১
সহিহ (Sahih)
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا الاعمش عن عبد الله بن مرة عن مسروق عن عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ليس من نفس تقتل ظلما الا كان على ابن ادم الاول كفل منها وربما قال سفيان من دمها لا÷نه اول من سن القتل اولا
৭৩২১. ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন ব্যক্তিকেই অন্যায়ভাবে কতল করা হয়, তার পাপের ভাগ আদম (আঃ)-এর প্রথম (হত্যাকারী) পুত্রের উপরও পড়বে। রাবী সুফ্ইয়ান مِنْ دَمِهَا তার রক্তপাত করার অপরাধ তার উপরেও পড়বে উল্লেখ করেছেন। কারণ সেই প্রথমে হত্যার রীতি চালু করে।[1] [৩৩৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২২)
নোট: [1] হাদীসটিতে ঐ সমস্ত লোকদের জন্য শিক্ষা রয়েছে যারা অলসতা বা অসচেতনভাবে কোন বিদ‘আতী বা অন্যায় কাজ করে বসে। পরবর্তীতে এর কি পরিণাম তা ভেবে চিন্তে প্রত্যেকের ‘আমল করা উচিত। কারণ তার মাধ্যমে যদি কোন অন্যায় কাজের সূচনা হয় তাহলে পরবর্তীতে সবার গুনাহ তাকে বহন করতে হবে। (ফাতহুল বারী)
হাদিস নং: ৭৩২২
সহিহ (Sahih)
اسماعيل حدثني مالك عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله السلمي ان اعرابيا بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الاسلام فاصاب الاعرابي وعك بالمدينة فجاء الاعرابي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اقلني بيعتي فابى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم جاءه فقال اقلني بيعتي فابى ثم جاءه فقال اقلني بيعتي فابى فخرج الاعرابي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم انما المدينة كالكير تنفي خبثها وينصع طيبها
৭৩২২. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ্ সালাম (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ইসলামের উপর বায়’আত নিল। এরপর সে মাদ্বীনাহয় জ্বরে আক্রান্ত হল। বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্বীকৃতি জানালেন। আবার সে এসে বলল, আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্বীকৃতি জানালেন। এরপর সে আবার এসে বলল, আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। এবারও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্বীকৃতি জানালেন, বেদুঈন বেরিয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মাদ্বীনাহ হাপরের মত। সে তার মধ্যেকার ময়লাকে দূর করে দেয় এবং ভালটুকু ধরে রাখে। [১৮৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৩)
হাদিস নং: ৭৩২৩
সহিহ (Sahih)
موسى بن اسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله قال حدثني ابن عباس قال كنت اقرى عبد الرحمن بن عوف فلما كان اخر حجة حجها عمر فقال عبد الرحمن بمنى لو شهدت امير المومنين اتاه رجل قال ان فلانا يقول لو مات امير المومنين لبايعنا فلانا فقال عمر لاقومن العشية فاحذر هولاء الرهط الذين يريدون ان يغصبوهم قلت لا تفعل فان الموسم يجمع رعاع الناس يغلبون على مجلسك فاخاف ان لا ينزلوها على وجهها فيطير بها كل مطير فامهل حتى تقدم المدينة دار الهجرة ودار السنة فتخلص باصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من المهاجرين والانصار فيحفظوا مقالتك وينزلوها على وجهها فقال والله لاقومن به في اول مقام اقومه بالمدينة قال ابن عباس فقدمنا المدينة فقال ان الله بعث محمدا صلى الله عليه وسلم بالحق وانزل عليه الكتاب فكان فيما انزل اية الرجم
৭৩২৩. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’আবদুর রহমান ইবনু ’আওফ (রাঃ)-কে কুরআন পড়াতাম। ’উমার (রাঃ) যখন তার শেষ হাজ্জ পালন করতে আসলেন, তখন ’আবদুর রহমান (রাঃ) মিনায় আমাকে বললেন, তুমি আজ আমীরুল মু’মিনীনের কাছে থাকলে দেখতে পেতে যে, তাঁর কাছে এক লোক এসে বলল, এক লোক বলেছে, যদি আমীরুল মু’মিনীন মারা যেতেন, তাহলে আমরা অমুক লোকের হাতে বায়’আত নিতে পারতাম। ’উমার (রাঃ) বললেন, আজ বিকেলে অবশ্য অবশ্যই দাঁড়িয়ে আমি তাদেরকে সতর্ক করব, যারা মুসলিমদের হক ছিনিয়ে নিতে চায়। আমি বললাম, আপনি এমনটি করবেন না। কেননা, এখন হাজ্জের মৌসুম। এখন সাধারণ মানুষের সমবেত হওয়ার সময়। তারা আপনার মজলিসকে কাবু করে ফেলবে।
আমার ভয় হচ্ছে যে, তারা আপনার বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারবে না। হের-ফের করে চারদিকে রটিয়ে দেবে। বরং আপনি হিজরত ও সুন্নাতের আবাসভূমি মাদ্বীনাহয় পৌঁছা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর একমাত্র রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুহাজির ও আনসার সাহাবাদের নিকট আপনার বক্তব্য তুলে ধরুন। তাঁরা আপনার বক্তব্য হেফাযত করবে এবং তার উপযুক্ত মর্যাদা দিবে। ’উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি মাদ্বীনাহয় পৌঁছলে অবশ্য অবশ্যই সবচেয়ে আগে এটি করব। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমরা মাদ্বীনাহয় পৌঁছলাম। তখন ’উমার (রাঃ) ভাষণ দিলেন, আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সত্য বাণী দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাঁর উপর কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে ’রজ্ম’-এর আয়াতও রয়েছে।[1] [২৪৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৪)
আমার ভয় হচ্ছে যে, তারা আপনার বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারবে না। হের-ফের করে চারদিকে রটিয়ে দেবে। বরং আপনি হিজরত ও সুন্নাতের আবাসভূমি মাদ্বীনাহয় পৌঁছা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর একমাত্র রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুহাজির ও আনসার সাহাবাদের নিকট আপনার বক্তব্য তুলে ধরুন। তাঁরা আপনার বক্তব্য হেফাযত করবে এবং তার উপযুক্ত মর্যাদা দিবে। ’উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি মাদ্বীনাহয় পৌঁছলে অবশ্য অবশ্যই সবচেয়ে আগে এটি করব। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমরা মাদ্বীনাহয় পৌঁছলাম। তখন ’উমার (রাঃ) ভাষণ দিলেন, আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সত্য বাণী দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাঁর উপর কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে ’রজ্ম’-এর আয়াতও রয়েছে।[1] [২৪৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৪)
নোট: [1] আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর সাহাবীরা যে কত গভীর দূরদৃষ্টি সম্পন্ন মানুষ ছিলেন এ হাদীসে তারই কিছুটা প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সব হাদীস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদেরকে অতি উচ্চ মানের চরিত্র গঠন ও দূরদর্শিতা অবলম্বন করতে হবে।
হাদিস নং: ৭৩২৪
সহিহ (Sahih)
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن ايوب عن محمد قال كنا عند ابي هريرة وعليه ثوبان ممشقان من كتان فتمخط فقال بخ بخ ابو هريرة يتمخط في الكتان لقد رايتني واني لاخر فيما بين منبر رسول الله صلى الله عليه وسلم الى حجرة عاىشة مغشيا علي فيجيء الجاىي فيضع رجله على عنقي ويرى اني مجنون وما بي من جنون ما بي الا الجوع
৭৩২৪. মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর নিকটে ছিলাম। তিনি লাল রঙের দু’টো কাতান পরে ছিলেন। এরপর তিনি নাক পরিষ্কার করলেন এবং বললেন, বাহঃ! বাহঃ! আবূ হুরাইরাহ আজ কাতান দিয়ে নাক পরিষ্কার করছে। অথচ আমার অবস্থা এমনও ছিল যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বর ও ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর হুজ্রার মধ্যবর্তী স্থানে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতাম। আগমনকারী আসত, তার নিজ পা আমার গর্দানে রাখত, মনে হতো আমি যেন পাগল। অথচ আমার তিলমাত্র পাগলামি ছিল না। আমার ছিল একমাত্র ক্ষুধার যন্ত্রণা। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৫)
হাদিস নং: ৭৩২৫
সহিহ (Sahih)
محمد بن كثير اخبرنا سفيان عن عبد الرحمن بن عابس قال سىل ابن عباس اشهدت العيد مع النبي صلى الله عليه وسلم قال نعم ولولا منزلتي منه ما شهدته من الصغر فاتى العلم الذي عند دار كثير بن الصلت فصلى ثم خطب ولم يذكر اذانا ولا اقامة ثم امر بالصدقة فجعل النساء يشرن الى اذانهن وحلوقهن فامر بلالا فاتاهن ثم رجع الى النبي صلى الله عليه وسلم
৭৩২৫. ’আবদুর রহমান ইবনু আবিস (রহ.) হতে বর্ণিত। ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কোন ঈদে উপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। যদি তাঁর কাছে আমার বিশেষ একটা মর্যাদা না থাকত তবে এত অল্প বয়সে তাঁর কাছে যাওয়ার সুযোগ পেতাম না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাসীর ইবনু সালাতের বাড়ির নিকটের পতাকার নিকট আসলেন। এরপর ঈদের সালাত পড়লেন। তারপর খুৎবা দিলেন। রাবী আযান এবং ইকামত-এর উল্লেখ করেননি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে সাদাকা প্রদানের নির্দেশ দিলেন। নারীরা তাদের কান ও গলার (অলঙ্কারের) দিকে ইশারা করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল (রাঃ)-কে (তাদের কাছে যাবার) হুকুম করলেন। বিলাল (রাঃ) (অলঙ্কারাদি নিয়ে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র কাছে ফিরে আসলেন। [৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৬)
হাদিস নং: ৭৩২৬
সহিহ (Sahih)
ابو نعيم حدثنا سفيان عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر ان النبي صلى الله عليه وسلم كان ياتي قباء ماشيا وراكبا
৭৩২৬. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবার মসজিদে কখনো পায়ে হেঁটে আবার কখনো, সওয়ার হয়েও আসতেন। [১১৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৭)
হাদিস নং: ৭৩২৭
সহিহ (Sahih)
عبيد بن اسماعيل حدثنا ابو اسامة عن هشام عن ابيه عن عاىشة قالت لعبد الله بن الزبير ادفني مع صواحبي ولا تدفني مع النبي صلى الله عليه وسلم في البيت فاني اكره ان ازكى
৭৩২৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ’আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়রকে বললেন, আমাকে আমার অন্যান্য সঙ্গিণীদের সঙ্গে দাফন করবে। আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ঘরে দাফন করবে না। কেননা তাতে আমাকে অধিক দ্বীনদার পরহেজগার মনে করা হবে, আমি তা পছন্দ করি না। [১৩৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৬ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৮ প্রথমাংশ)
হাদিস নং: ৭৩২৮
সহিহ (Sahih)
وعن هشام عن ابيه ان عمر ارسل الى عاىشة اىذني لي ان ادفن مع صاحبي فقالت اي والله قال وكان الرجل اذا ارسل اليها من الصحابة قالت لا والله لا اوثرهم باحد ابدا
৭৩২৮. বর্ণনাকারী হিশাম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, ’উমার (রাঃ) ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালেন, আমাকে আমার দু’ সঙ্গী [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর (রাঃ)]-এর সঙ্গে দাফন হবার অনুমতি দিন। ’আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। আল্লাহর কসম! বর্ণনাকারী আরো বলেন, ’আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে সাহাবাদের কেউ যখনই এই অনুমতির জন্য কাউকে পাঠাতেন, তখনি তিনি বলতেন, না। আল্লাহর কসম! আমি তাঁদের কাউকে কক্ষনো প্রাধান্য দেব না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৬ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৮ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৭৩২৯
সহিহ (Sahih)
ايوب بن سليمان حدثنا ابو بكر بن ابي اويس عن سليمان بن بلال عن صالح بن كيسان قال ابن شهاب اخبرني انس بن مالك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر فياتي العوالي والشمس مرتفعة وزاد الليث عن يونس وبعد العوالي اربعة اميال او ثلاثة
৭৩২৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আসরের সালাত পড়তেন। তারপর আমরা ’আওয়ালী’ (মাদ্বীনাহর নিকট উঁচু টিলার স্থান) যেতাম। তখনও সূর্য উপরে থাকত। বর্ণনাকারী লায়স (রহ.) ইউনুস (রহ.) হতে আরো বর্ণনা করেছেন যে, ’আওয়ালী’র দূরত্ব চার অথবা তিন মাইল [৫৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৯)
হাদিস নং: ৭৩৩০
সহিহ (Sahih)
عمرو بن زرارة حدثنا القاسم بن مالك عن الجعيد سمعت الساىب بن يزيد يقول كان الصاع على عهد النبي صلى الله عليه وسلم مدا وثلثا بمدكم اليوم وقد زيد فيه سمع القاسم بن مالك الجعيد
৭৩৩০. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগের সা’ তোমাদের এ সময়ের এক মুদ ও এক মুদের এক-তৃতীয়াংশের মাপের ছিল। অবশ্য (পরবর্তী সময়ে) তা বৃদ্ধি পেয়েছে। (হাদীসটি) কাসিম ইবনু মালিক (রহ.) যুআয়দ (রহ.) থেকে শুনেছেন। [১৮৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩০)