হাদিস নং: ৭১৬
সহিহ (Sahih)
اسماعيل قال حدثنا مالك بن انس عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة ام المومنين ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في مرضه مروا ابا بكر يصلي بالناس قالت عاىشة قلت ان ابا بكر اذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل فقال مروا ابا بكر فليصل للناس قالت عاىشة لحفصة قولي له ان ابا بكر اذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل للناس ففعلت حفصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم مه انكن لانتن صواحب يوسف مروا ابا بكر فليصل للناس قالت حفصة لعاىشة ما كنت لاصيب منك خيرا.
وَقَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ شَدَّادٍ سَمِعْتُ نَشِيجَ عُمَرَ وَأَنَا فِي آخِرِ الصُّفُوفِ يَقْرَأُ )إِنَّمَا أَشْكُو بَثِّي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ(
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু শাদ্দাদ (রহ.) বলেন, আমি পিছনের কাতার হতে ‘উমার (রাযি.)-এর চাপা কান্নার আওয়ায শুনেছি। তিনি তখন (إِنَّمَا أَشْكُو بَثِّي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ) ‘(আমি আমার দুঃখ ও বেদনার অভিযোগ একমাত্র আল্লাহর নিকটই পেশ করছি’’ (সূরাহ্ ইউসুফ ১২/১৮)-এ আয়াত তিলাওয়াত করছিলেন।
৭১৬. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অন্তিম) রোগে আক্রান্ত অবস্থায় বললেনঃ আবূ বকরকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বল। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আবূ বকর (রাযি.) যখন আপনার স্থলে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে সাহাবীগণকে কিছুই শুনাতে পারবেন না। কাজেই ‘উমার (রাযি.)-কে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দিন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেনঃ আবূ বকরকে বল লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে নিতে। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, তখন আমি হাফসাহ (রাযি.)-কে বললাম, তুমি তাঁকে বল যে, আবূ বকর (রাযি.) যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে সাহাবীগণকে কিছুই শুনাতে পারবেন না। কাজেই ‘উমার (রাযি.)-কে বলুন তিনি যেন সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। হাফ্সা (রাযি.) তাই করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ থামো! তোমরা ইউসুফের সাথী মহিলাদেরই মতো। আবূ বকরকে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। এতে হাফসাহ (রাযি.) ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে (দুঃখ করে) বললেন, তোমার কাছ হতে আমি কখনো ভাল কিছু পাইনি। (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮১)
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু শাদ্দাদ (রহ.) বলেন, আমি পিছনের কাতার হতে ‘উমার (রাযি.)-এর চাপা কান্নার আওয়ায শুনেছি। তিনি তখন (إِنَّمَا أَشْكُو بَثِّي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ) ‘(আমি আমার দুঃখ ও বেদনার অভিযোগ একমাত্র আল্লাহর নিকটই পেশ করছি’’ (সূরাহ্ ইউসুফ ১২/১৮)-এ আয়াত তিলাওয়াত করছিলেন।
৭১৬. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অন্তিম) রোগে আক্রান্ত অবস্থায় বললেনঃ আবূ বকরকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বল। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আবূ বকর (রাযি.) যখন আপনার স্থলে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে সাহাবীগণকে কিছুই শুনাতে পারবেন না। কাজেই ‘উমার (রাযি.)-কে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দিন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেনঃ আবূ বকরকে বল লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে নিতে। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, তখন আমি হাফসাহ (রাযি.)-কে বললাম, তুমি তাঁকে বল যে, আবূ বকর (রাযি.) যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে সাহাবীগণকে কিছুই শুনাতে পারবেন না। কাজেই ‘উমার (রাযি.)-কে বলুন তিনি যেন সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। হাফ্সা (রাযি.) তাই করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ থামো! তোমরা ইউসুফের সাথী মহিলাদেরই মতো। আবূ বকরকে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। এতে হাফসাহ (রাযি.) ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে (দুঃখ করে) বললেন, তোমার কাছ হতে আমি কখনো ভাল কিছু পাইনি। (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮১)
হাদিস নং: ৭১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، هشام بن عبد الملك قال حدثنا شعبة، قال اخبرني عمرو بن مرة، قال سمعت سالم بن ابي الجعد، قال سمعت النعمان بن بشير، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " لتسون صفوفكم او ليخالفن الله بين وجوهكم ".
৭১৭. নু‘মান ইবনু বশীর (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা অবশ্যই কাতার সোজা করে নিবে, তা না হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করে দিবেন। (মুসলিম ৪/২৮, হাঃ ৪৩৬, আহমাদ ১৮৪১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮২)
হাদিস নং: ৭১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر، قال حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " اقيموا الصفوف فاني اراكم خلف ظهري ".
৭১৮. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কাতার সোজা করে নিবে। কেননা, আমি আমার পিছনে তোমাদেরকে দেখতে পাই। (৭১৯, ৭২৫; মুসলিম ৪/২৮, হাঃ ৪৩৪ ১২৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৩)
হাদিস নং: ৭১৯
সহিহ (Sahih)
احمد ابن ابي رجاء قال حدثنا معاوية بن عمرو قال حدثنا زاىدة بن قدامة قال حدثنا حميد الطويل حدثنا انس بن مالك قال اقيمت الصلاة فاقبل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بوجهه فقال اقيموا صفوفكم وتراصوا فاني اراكم من وراء ظهري.
৭১৯. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) হচ্ছে, এমন সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দিকে মুখ করে তাকালেন এবং বললেনঃ তোমাদের কাতারগুলো সোজা করে নাও আর মিলে দাঁড়াও। কেননা, আমি আমার পিছনে তোমাদেরকে দেখতে পাই। (৭১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৪)
হাদিস নং: ৭২০
সহিহ (Sahih)
ابو عاصم عن مالك عن سمي عن ابي صالح عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم الشهداء الغرق والمطعون والمبطون والهدم.
৭২০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পানিতে ডুবে, কলেরায়, প্লেগে এবং ভূমিধসে বা চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তিরা শহীদ। (৬৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৫)
হাদিস নং: ৭২১
সহিহ (Sahih)
وقال ولو يعلمون ما في التهجير لاستبقوا ولو يعلمون ما في العتمة والصبح لاتوهما ولو حبوا ولو يعلمون ما في الصف المقدم لاستهموا.
৭২১. যদি লোকেরা জানত যে, আওয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায়ের কী ফাযীলাত, তাহলে তারা এর জন্য প্রতিযোগিতা করে আগেভাগে আসার চেষ্টা করতো। আর ‘ইশা ও ফজরের জামা‘আতের কী ফাযীলাত যদি তারা জানত তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হতো। এবং সামনের কাতারের কী ফাযীলাত তা যদি জানত, তাহলে এর জন্য তারা কুরআ ব্যবহার করতো। (৬১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৭ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৫ শেষাংশ)
হাদিস নং: ৭২২
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد قال حدثنا عبد الرزاق قال اخبرنا معمر عن همام بن منبه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال انما جعل الامام ليوتم به فلا تختلفوا عليه فاذا ركع فاركعوا واذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا لك الحمد واذا سجد فاسجدوا واذا صلى جالسا فصلوا جلوسا اجمعون واقيموا الصف في الصلاة فان اقامة الصف من حسن الصلاة.
৭২২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ অনুসরণ করার জন্যই ইমাম নির্ধারণ করা হয়। কাজেই তার বিরুদ্ধাচরণ করবে না। তিনি যখন রুকূ‘ করেন তখন তোমরাও রুকু‘ করবে। তিনি যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। তিনি যখন সিজদা্ করবেন তখন তোমরাও সিজদা্ করবে। তিনি যখন বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও সবাই বসে সালাত আদায় করবে। আর তোমরা সালাতে কাতার সোজা করে নিবে, কেননা কাতার সোজা করা সালাতের সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। (৭৩৪; মুসলিম ৪/১৯, হাঃ ৪১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৬)
হাদিস নং: ৭২৩
সহিহ (Sahih)
ابو الوليد قال حدثنا شعبة عن قتادة عن انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال سووا صفوفكم فان تسوية الصفوف من اقامة الصلاة.
৭২৩. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা করে নিবে, কেননা, কাতার সোজা করা সালাতের সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। (মুসলিম ৪/২৮, হাঃ ৪৩৩, আহমাদ ১২৮১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৭)
হাদিস নং: ৭২৪
সহিহ (Sahih)
معاذ بن اسد قال اخبرنا الفضل بن موسى قال اخبرنا سعيد بن عبيد الطاىي عن بشير بن يسار الانصاري عن انس بن مالك انه قدم المدينة فقيل له ما انكرت منا منذ يوم عهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما انكرت شيىا الا انكم لا تقيمون الصفوف وقال عقبة بن عبيد عن بشير بن يسار قدم علينا انس بن مالك المدينة بهذا.
৭২৪. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। একবার তিনি (আনাস) মদিনা্য় আসলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগের তুলনায় আপনি আমাদের সময়ের অপছন্দনীয় কী দেখতে পাচ্ছেন? তিনি বললেন, অন্য কোন কাজ তেমন অপছন্দনীয় মনে হচ্ছে না। তবে তোমরা (সালাতে) কাতার ঠিকমত সোজা কর না। ‘উক্বাহ ইবনু ‘উবাইদ (রহ.) বুশাইর ইবনু ইয়াসার (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) আমাদের নিকট মদিনা্য় এলেন......বাকী অংশ অনুরূপ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৮)
নোট: * জামা‘আতে দাঁড়াবার সময় পায়ের গিটের সাথে পার্শ্ববর্তী মুসল্লীর পায়ের গিট মিলিয়ে এবং কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে পার্শ্ববর্তী মুসল্লীর বাহু মিলিয়ে কাতারবন্দী হয়ে সালাত আদায় করতে হবে। দুই মুসল্লীর মাঝখানে ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়ানোর কথা কোন হাদীসে নাই।
আবূ দাউদে আছে ঃ
৫৭১. حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبَانُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُصُّوا صُفُوفَكُمْ وَقَارِبُوا بَيْنَهَا وَحَاذُوا بِالْأَعْنَاقِ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَرَى الشَّيْطَانَ يَدْخُلُ مِنْ خَلَلِ الصَّفِّ كَأَنَّهَا الْحَذَفُ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের কাতারসমূহের মধ্যে পরস্পর মিলে দাঁড়াও এবং কাতারসমূহের মধ্যে তোমরা পরস্পর নিকটবর্তী হও। এবং তোমাদের ঘাড়সমূহকে সমপর্যায়ে সোজা রাখ। সেই মহান সত্তার ক্বসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি শয়তানকে দেখি সে কাতারের ফাঁকসমূহে প্রবেশ করে যেন কালো কালো ভেড়ার বাচ্চা। (দেখুন বুখারী শরীফ ১০০ পৃষ্ঠা; মুসলিম শরীফ ১৮২ পৃষ্ঠা। আবুদাঊদ ৯৭ পৃষ্ঠা, তিরমিযী ৫৩ পৃষ্ঠা, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ৭১ পৃষ্ঠা। দারকুৎনী ১ম খণ্ড ২৮৩ পৃষ্ঠা, মেশকাত ৯৮ পৃষ্ঠা, বুখারী শরীফ আযীযুল হক, ১ম খণ্ড হাদীস নং ৪২৭। বুখারী শরীফ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ২য় খণ্ড অনুচ্ছেদসহ হাদীস নং ৬৮২, ৬৮৬, ৬৮৭। মুসলিম শরীফ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ২য় খণ্ড হাদীস নং ৮৫১। আবু দাঊদ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ১ম খণ্ড হাদীস নং ৬৬২, ৬৬৬। তিরমিযী শরীফ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ১ম খণ্ড হাদীস নং ২২৭। মেশকাত নূর মোহাম্মদ আযমী ৩য় খণ্ড ও মেশকাত মাদরাসা পাঠ্য ২য় খণ্ড হাদীস নং ১০১৭, ১০১৮, ১০২০, ১০২৫, ১০৩৩, ১০৩৪। বুলুগুল মারাম ১২৪ পৃষ্ঠা।)
আবূ দাউদে আছে ঃ
৫৭১. حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبَانُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُصُّوا صُفُوفَكُمْ وَقَارِبُوا بَيْنَهَا وَحَاذُوا بِالْأَعْنَاقِ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَرَى الشَّيْطَانَ يَدْخُلُ مِنْ خَلَلِ الصَّفِّ كَأَنَّهَا الْحَذَفُ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের কাতারসমূহের মধ্যে পরস্পর মিলে দাঁড়াও এবং কাতারসমূহের মধ্যে তোমরা পরস্পর নিকটবর্তী হও। এবং তোমাদের ঘাড়সমূহকে সমপর্যায়ে সোজা রাখ। সেই মহান সত্তার ক্বসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি শয়তানকে দেখি সে কাতারের ফাঁকসমূহে প্রবেশ করে যেন কালো কালো ভেড়ার বাচ্চা। (দেখুন বুখারী শরীফ ১০০ পৃষ্ঠা; মুসলিম শরীফ ১৮২ পৃষ্ঠা। আবুদাঊদ ৯৭ পৃষ্ঠা, তিরমিযী ৫৩ পৃষ্ঠা, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ৭১ পৃষ্ঠা। দারকুৎনী ১ম খণ্ড ২৮৩ পৃষ্ঠা, মেশকাত ৯৮ পৃষ্ঠা, বুখারী শরীফ আযীযুল হক, ১ম খণ্ড হাদীস নং ৪২৭। বুখারী শরীফ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ২য় খণ্ড অনুচ্ছেদসহ হাদীস নং ৬৮২, ৬৮৬, ৬৮৭। মুসলিম শরীফ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ২য় খণ্ড হাদীস নং ৮৫১। আবু দাঊদ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ১ম খণ্ড হাদীস নং ৬৬২, ৬৬৬। তিরমিযী শরীফ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ১ম খণ্ড হাদীস নং ২২৭। মেশকাত নূর মোহাম্মদ আযমী ৩য় খণ্ড ও মেশকাত মাদরাসা পাঠ্য ২য় খণ্ড হাদীস নং ১০১৭, ১০১৮, ১০২০, ১০২৫, ১০৩৩, ১০৩৪। বুলুগুল মারাম ১২৪ পৃষ্ঠা।)
হাদিস নং: ৭২৫
সহিহ (Sahih)
عمرو بن خالد قال حدثنا زهير عن حميد عن انس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اقيموا صفوفكم فاني اراكم من وراء ظهري وكان احدنا يلزق منكبه بمنكب صاحبه وقدمه بقدمه.
وَقَالَ النُّعْمَانُ بْنُ بَشِيرٍ رَأَيْتُ الرَّجُلَ مِنَّا يُلْزِقُ كَعْبَهُ بِكَعْبِ صَاحِبِهِ.
নু‘মান ইবনু বশীর (রহ.) বলেন, আমাদের কাউকে দেখেছি পার্শ্ববর্তী ব্যক্তির টাখ্নুর সাথে টাখ্নু মিলাতে।
৭২৫. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তোমাদের কাতার সোজা করে নাও। কেননা, আমি আমার পিছন হতেও তোমাদের দেখতে পাই। আনাস (রাযি.) বলেন আমাদের প্রত্যেকেই তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তির কাঁধের সাথে কাঁধ এবং পায়ের সাথে পা মিলাতাম। (৭১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৯)
নু‘মান ইবনু বশীর (রহ.) বলেন, আমাদের কাউকে দেখেছি পার্শ্ববর্তী ব্যক্তির টাখ্নুর সাথে টাখ্নু মিলাতে।
৭২৫. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তোমাদের কাতার সোজা করে নাও। কেননা, আমি আমার পিছন হতেও তোমাদের দেখতে পাই। আনাস (রাযি.) বলেন আমাদের প্রত্যেকেই তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তির কাঁধের সাথে কাঁধ এবং পায়ের সাথে পা মিলাতাম। (৭১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৮৯)
হাদিস নং: ৭২৬
সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد قال حدثنا داود عن عمرو بن دينار عن كريب مولى ابن عباس عن ابن عباس رضي الله عنهما قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فقمت عن يساره فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم براسي من وراىي فجعلني عن يمينه فصلى ورقد فجاءه الموذن فقام وصلى ولم يتوضا.
৭২৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন একরাতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সংগে সালাত আদায় করতে গিয়ে তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমার মাথার পিছনের দিক ধরে তাঁর ডানপাশে নিয়ে আসলেন। অতঃপর সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। পরে তাঁর নিকট মুয়ায্যিন এলে তিনি উঠে সালাত আদায় করলেন, কিন্তু (নতুনভাবে) উযূ করলেন না। (১১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯০)
হাদিস নং: ৭২৭
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن محمد قال حدثنا سفيان عن اسحاق عن انس بن مالك قال صليت انا ويتيم في بيتنا خلف النبي صلى الله عليه وسلم وامي ام سليم خلفنا.
৭২৭. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমাদের ঘরে আমি ও একটি ইয়াতীম ছেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলাম। আর আমার মা উম্মু সুলাইম (রাযি.) আমাদের পিছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। (৩৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯১)
হাদিস নং: ৭২৮
সহিহ (Sahih)
موسى حدثنا ثابت بن يزيد حدثنا عاصم عن الشعبي عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قمت ليلة اصلي عن يسار النبي صلى الله عليه وسلم فاخذ بيدي او بعضدي حتى اقامني عن يمينه وقال بيده من وراىي.
৭২৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একরাতে আমি সালাত আদায়ের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমার হাত বা বাহু ধরে তাঁর ডানপাশে দাঁড় করালেন এবং তিনি তাঁর হাতের ইঙ্গিতে বললেন, আমার পিছনের দিক দিয়ে। (১১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯২)
হাদিস নং: ৭২৯
সহিহ (Sahih)
محمد بن سلام قال اخبرنا عبدة عن يحيى بن سعيد الانصاري عن عمرة عن عاىشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل في حجرته وجدار الحجرة قصير فراى الناس شخص النبي صلى الله عليه وسلم فقام اناس يصلون بصلاته فاصبحوا فتحدثوا بذلك فقام الليلة الثانية فقام معه اناس يصلون بصلاته صنعوا ذلك ليلتين او ثلاثا حتى اذا كان بعد ذلك جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يخرج فلما اصبح ذكر ذلك الناس فقال اني خشيت ان تكتب عليكم صلاة الليل.
وَقَالَ الْحَسَنُ لاَ بَأْسَ أَنْ تُصَلِّيَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ نَهْرٌ وَقَالَ أَبُو مِجْلَزٍ يَأْتَمُّ بِالْإِمَامِ وَإِنْ كَانَ بَيْنَهُمَا طَرِيقٌ أَوْ جِدَارٌ إِذَا سَمِعَ تَكْبِيرَ الْإِمَامِ.
হাসান (রহ.) বলেন, তোমার ও ইমামের মধ্যে নহর থাকলেও ইকতিদা করতে অসুবিধা নেই। আবূ মিজলায (রহ.) বলেন, যদি ইমামের তাকবীর শোনা যায় তাহলে ইমাম ও মুক্তাদীর মধ্যে রাস্তা বা দেয়াল থাকলেও ইক্তিদা করা যায়।
৭২৯. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের সালাত তাঁর নিজ কামরায় আদায় করতেন। কামরার দেওয়ালটি ছিলো নীচু। ফলে একদা সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর শরীর দেখতে পেলেন এবং (দেয়ালের অন্য পাশে) সাহাবীগণ দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলেন। সকালে তাঁরা এ কথা বলাবলি করছিলেন। দ্বিতীয় রাতে তিনি (সালাতে) দাঁড়ালেন। সাহাবীগণ দাঁড়িয়ে তাঁর সাথে সালাত আদায় করলেন। দু’ বা তিন রাত তাঁরা এরূপ করলেন। এরপরে (রাতে) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে থাকলেন, আর বের হলেন না। ভোরে সাহাবীগণ এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। তখন তিনি বললেনঃ আমার আশংকা হচ্ছিল যে, রাতের সালাত তোমাদের উপর ফরজ করে দেয়া হতে পারে। (৭৩০, ৯২৪, ১১২৯ ২০১১, ২০১২, ৫৮৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৩)
হাসান (রহ.) বলেন, তোমার ও ইমামের মধ্যে নহর থাকলেও ইকতিদা করতে অসুবিধা নেই। আবূ মিজলায (রহ.) বলেন, যদি ইমামের তাকবীর শোনা যায় তাহলে ইমাম ও মুক্তাদীর মধ্যে রাস্তা বা দেয়াল থাকলেও ইক্তিদা করা যায়।
৭২৯. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের সালাত তাঁর নিজ কামরায় আদায় করতেন। কামরার দেওয়ালটি ছিলো নীচু। ফলে একদা সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর শরীর দেখতে পেলেন এবং (দেয়ালের অন্য পাশে) সাহাবীগণ দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলেন। সকালে তাঁরা এ কথা বলাবলি করছিলেন। দ্বিতীয় রাতে তিনি (সালাতে) দাঁড়ালেন। সাহাবীগণ দাঁড়িয়ে তাঁর সাথে সালাত আদায় করলেন। দু’ বা তিন রাত তাঁরা এরূপ করলেন। এরপরে (রাতে) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে থাকলেন, আর বের হলেন না। ভোরে সাহাবীগণ এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। তখন তিনি বললেনঃ আমার আশংকা হচ্ছিল যে, রাতের সালাত তোমাদের উপর ফরজ করে দেয়া হতে পারে। (৭৩০, ৯২৪, ১১২৯ ২০১১, ২০১২, ৫৮৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৩)
হাদিস নং: ৭৩০
সহিহ (Sahih)
ابراهيم بن المنذر قال حدثنا ابن ابي فديك قال حدثنا ابن ابي ذىب عن المقبري عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن عاىشة رضي الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم كان له حصير يبسطه بالنهار ويحتجره بالليل فثاب اليه ناس فصلوا وراءه.
৭৩০. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একটি চাটাই ছিল। তিনি তা দিনের বেলায় বিছিয়ে রাখতেন এবং রাতের বেলা তা দিয়ে কামরা বানিয়ে নিতেন। সাহাবীগণ তাঁর পিছনে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান এবং তাঁর পিছনে সালাত আদায় করেন। (৭২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৪)
হাদিস নং: ৭৩১
সহিহ (Sahih)
عبد الاعلى بن حماد قال حدثنا وهيب قال حدثنا موسى بن عقبة عن سالم ابي النضر عن بسر بن سعيد عن زيد بن ثابت ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة قال حسبت انه قال من حصير في رمضان فصلى فيها ليالي فصلى بصلاته ناس من اصحابه فلما علم بهم جعل يقعد فخرج اليهم فقال قد عرفت الذي رايت من صنيعكم فصلوا ايها الناس في بيوتكم فان افضل الصلاة صلاة المرء في بيته الا المكتوبة قال عفان حدثنا وهيب حدثنا موسى سمعت ابا النضر عن بسر عن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৭৩১. যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান মাসে একটি ছোট কামরা বানালেন। তিনি (বুস্র ইবনু সায়ীদ) (রহ.) বলেন, মনে হয়, যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.) কামরাটি চাটাই দিয়ে তৈরি ছিল বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি সেখানে কয়েক রাত সালাত আদায় করেন। আর তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে কিছু সাহাবীও তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করেন। তিনি যখন তাঁদের সম্বন্ধে জানতে পারলেন, তখন তিনি বসে থাকলেন। পরে তিনি তাঁদের নিকট এসে বললেন, তোমাদের কার্যকলাপ দেখে আমি বুঝতে পেরেছি। হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঘরেই সালাত আদায় কর। কেননা, ফরজ সালাত ছাড়া লোকেরা ঘরে যে সালাত আদায় করে তা-ই উত্তম। ‘আফফান (রহ.) যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একই রকম বলেছেন। (৬১১৩, ৭২৯০ মুসলিম ৬/২৯, ৭৮১, আহমাদ ১৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৫)
হাদিস নং: ৭৩২
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان قال اخبرنا شعيب عن الزهري قال اخبرني انس بن مالك الانصاري ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا فجحش شقه الايمن قال انسفصلى لنا يومىذ صلاة من الصلوات وهو قاعد فصلينا وراءه قعودا ثم قال لما سلم انما جعل الامام ليوتم به فاذا صلى قاىما فصلوا قياما واذا ركع فاركعوا واذا رفع فارفعوا واذا سجد فاسجدوا واذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد.
৭৩২. আনাস ইবনু মালিক আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়ায় চড়েন। ফলে তাঁর ডান পাঁজরে আঁচড় লাগে। আনাস (রাযি.) বলেন, এ সময় কোন এক সালাত আমাদের নিয়ে তিনি বসে আদায় করেন। আমরাও তাঁর পিছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁকে অনুসরণ করার জন্যই। তাই তিনি যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। আর তিনি যখন রুকু‘ করেন তখন তোমরাও রুকূ‘ করবে। তিনি যখন সিজদা্ করেন তখন তোমরাও সিজদা্ করবে। তিনি যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলবে। (৩৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৬)
হাদিস নং: ৭৩৩
সহিহ (Sahih)
قتيبة بن سعيد قال حدثنا ليث عن ابن شهاب عن انس بن مالك انه قال خر رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش فصلى لنا قاعدا فصلينا معه قعودا ثم انصرف فقال انما الامام او انما جعل الامام ليوتم به فاذا كبر فكبروا واذا ركع فاركعوا واذا رفع فارفعوا واذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا لك الحمد واذا سجد فاسجدوا.
৭৩৩. আনাস ইবনু মালিক আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া হতে পড়ে গিয়ে আহত হন। তাই তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে বসে সালাত আদায় করি। অতঃপর তিনি ফিরে বললেনঃ ইমাম অনুসরণের জন্যই বা তিনি বলেছিলেন, ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁর অনুসরণের জন্য। তাই যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন রুকূ‘ করেন তখন তোমরাও রুকূ‘ করবে। যখন তিনি উঠেন তখন তোমরাও উঠবে। তিনি যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে এবং তিনি যখন সিজদা্ করেন তখন তোমরাও সিজদা্ করবে। (৩৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৭)
হাদিস নং: ৭৩৪
সহিহ (Sahih)
ابو اليمان قال اخبرنا شعيب قال حدثني ابو الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم انما جعل الامام ليوتم به فاذا كبر فكبروا واذا ركع فاركعوا واذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد واذا سجد فاسجدوا واذا صلى جالسا فصلوا جلوسا اجمعون.
৭৩৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁর অনুসরণের জন্য। তাই যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন তিনি রুকূ‘ করেন তখন তোমরাও রুকূ‘ করবে। যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলবে আর তিনি যখন সিজদা্ করেন তখন তোমরাও সিজদা্ করবে। যখন তিনি বসে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে। (৭২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৮)
হাদিস নং: ৭৩৫
সহিহ (Sahih)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن ابيه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرفع يديه حذو منكبيه اذا افتتح الصلاة واذا كبر للركوع واذا رفع راسه من الركوع رفعهما كذلك ايضا وقال سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد وكان لا يفعل ذلك في السجود.
৭৩৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শুরু করতেন, তখন উভয় হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন। আর যখন রুকূ‘তে যাওয়ার জন্য তাকবীর বলতেন এবং যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠাতেন তখনও একইভাবে দু’হাত উঠাতেন এবং سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলতেন। কিন্তু সিজদার সময় এমন করতেন না। (৭৩৬, ৭৩৭,৭৩৯ মুসলিম ৪/৯, হাঃ ৩৯০, আহমাদ ৪৫৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৯)