হাদিস নং: ২২৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم حدثنا مسعر عن عمرو بن عامر قال سمعت انسا يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم يحتجم ولم يكن يظلم احدا اجره
২২৮০. ‘আমর ইবনু আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিঙ্গা লাগাতেন এবং কোন লোকের পারিশ্রমিক কম দিতেন না। (২১০২, মুসলিম ৩৯/২৬, হাঃ ১৫৭৭, আহমাদ ১২২০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৩৬)
হাদিস নং: ২২৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ادم حدثنا شعبة عن حميد الطويل عن انس بن مالك قال دعا النبي صلى الله عليه وسلم غلاما حجاما فحجمه وامر له بصاع او صاعين او مد او مدين وكلم فيه فخفف من ضريبته
২২৮১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিঙ্গা প্রয়োগকারী এক গোলামকে ডাকলেন। সে তাঁকে শিঙ্গা লাগাল। তিনি তাকে এক সা‘ বা দু’ সা‘ অথবা এক মুদ বা দু’ মুদ (পারিশ্রমিক) দিতে নির্দেশ দিলেন। এরপর তার ব্যাপারে (তার মালিকের সাথে) কথা বললেন, ফলে তার উপর ধার্যকৃত মাসুল কমিয়ে দেয়া হল। (২১০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৩৭)
হাদিস নং: ২২৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد عن مالك عن ابن شهاب عن ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن ابي مسعود الانصاري ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن
وَكَرِهَ إِبْرَاهِيمُ أَجْرَ النَّائِحَةِ وَالْمُغَنِّيَةِ
ইবরাহীম (রহ.) বিলাপকারিণী ও গায়িকার পারিশ্রমিক গ্রহণ মাকরূহ মনে করেন।
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى ( وَلاَ تُكْرِهُوا فَتَيَاتِكُمْ عَلَى الْبِغَاءِ إِنْ أَرَدْنَ تَحَصُّنًا لِتَبْتَغُوا عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَنْ يُكْرِهْهُنَّ فَإِنَّ اللهَ مِنْ بَعْدِ إِكْرَاهِهِنَّ غَفُورٌ رَحِيمٌ ( وَقَالَ مُجَاهِدٌ ( فَتَيَاتِكُمْ ) إِمَاءَكُمْ
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’তোমাদের বাঁদী সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে বাধ্য করো না- আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়াবান।’’ (আন-নূরঃ ৩৩) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, ল্পু’’ব্জশুরূহৃ অর্থ তোমাদের দাসীরা।
২২৮২. আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, পতিতার উপার্জন ও গণকের পারিতোষিক নিষিদ্ধ করেছেন। (২২৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৩৮)
ইবরাহীম (রহ.) বিলাপকারিণী ও গায়িকার পারিশ্রমিক গ্রহণ মাকরূহ মনে করেন।
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى ( وَلاَ تُكْرِهُوا فَتَيَاتِكُمْ عَلَى الْبِغَاءِ إِنْ أَرَدْنَ تَحَصُّنًا لِتَبْتَغُوا عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَنْ يُكْرِهْهُنَّ فَإِنَّ اللهَ مِنْ بَعْدِ إِكْرَاهِهِنَّ غَفُورٌ رَحِيمٌ ( وَقَالَ مُجَاهِدٌ ( فَتَيَاتِكُمْ ) إِمَاءَكُمْ
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’তোমাদের বাঁদী সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে বাধ্য করো না- আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়াবান।’’ (আন-নূরঃ ৩৩) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, ল্পু’’ব্জশুরূহৃ অর্থ তোমাদের দাসীরা।
২২৮২. আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, পতিতার উপার্জন ও গণকের পারিতোষিক নিষিদ্ধ করেছেন। (২২৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৩৮)
হাদিস নং: ২২৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا شعبة عن محمد بن جحادة عن ابي حازم عن ابي هريرة قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن كسب الاماء
২২৮৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসীদের অবৈধ উপার্জন নিষিদ্ধ করেছেন। (৫৩৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৩৯)
হাদিস নং: ২২৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا مسدد حدثنا عبد الوارث واسماعيل بن ابراهيم عن علي بن الحكم عن نافع عن ابن عمر قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن عسب الفحل
২২৮৪. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশুকে পাল দেয়া বাবদ বিনিময় নিতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৪০)
হাদিস নং: ২২৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا جويرية بن اسماء عن نافع عن عبد الله قال اعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر اليهود ان يعملوها ويزرعوها ولهم شطر ما يخرج منها وان ابن عمر حدثه ان المزارع كانت تكرى على شيء سماه نافع لا احفظه
وَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ لَيْسَ لأَهْلِهِ أَنْ يُخْرِجُوهُ إِلَى تَمَامِ الأَجَلِ وَقَالَ الْحَكَمُ وَالْحَسَنُ وَإِيَاسُ بْنُ مُعَاوِيَةَ تُمْضَى الإِجَارَةُ إِلَى أَجَلِهَا وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أَعْطَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَيْبَرَ بِالشَّطْرِ فَكَانَ ذَلِكَ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَصَدْرًا مِنْ خِلاَفَةِ عُمَرَ وَلَمْ يُذْكَرْ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ جَدَّدَا الإِجَارَةَ بَعْدَمَا قُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার পরিবারের লোকদের তাকে উচ্ছেদ করার ইখতিয়ার নেই এবং হাসান, হাকাম ও ইয়াস ইবনু মু‘আবিয়া (রহ.) বলেন, ইজারা নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্ধেক ফসলের শর্তে খায়বারের জমি (ইয়াহূদীদেরকে ইজারা) দিয়েছিলেন এবং এ ইজারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময় এবং আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতের প্রথম দিক পর্যন্ত বহাল ছিল। এ কথা কোথাও উল্লেখ নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ইন্তিকালের পর আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ) উক্ত জমি নতুনভাবে ইজারা দিয়েছিলেন।
২২৮৫. ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের জমি (ইয়াহূদীদেরকে) এ শর্তে দিয়েছিলেন যে, তারা তাতে কৃষি কাজ করে ফসল উৎপাদন করবে এবং উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদের প্রাপ্য হবে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) নাফি‘ (রহ.)-কে বলেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যামানায় কিছু মূল্যের বিনিময়ে যার পরিমাণটা নাফি‘ নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন, কিন্তু আমার তা স্মরণ নেই, জমি ইজারা দেয়া হত। (২৩২৮, ২৩২৯, ২৩৩১, ২৩৩৮, ২৪৯৯, ২৭২০, ৩১৫২, ৪২৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৪১)
ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার পরিবারের লোকদের তাকে উচ্ছেদ করার ইখতিয়ার নেই এবং হাসান, হাকাম ও ইয়াস ইবনু মু‘আবিয়া (রহ.) বলেন, ইজারা নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্ধেক ফসলের শর্তে খায়বারের জমি (ইয়াহূদীদেরকে ইজারা) দিয়েছিলেন এবং এ ইজারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময় এবং আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতের প্রথম দিক পর্যন্ত বহাল ছিল। এ কথা কোথাও উল্লেখ নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ইন্তিকালের পর আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ) উক্ত জমি নতুনভাবে ইজারা দিয়েছিলেন।
২২৮৫. ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের জমি (ইয়াহূদীদেরকে) এ শর্তে দিয়েছিলেন যে, তারা তাতে কৃষি কাজ করে ফসল উৎপাদন করবে এবং উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদের প্রাপ্য হবে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) নাফি‘ (রহ.)-কে বলেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যামানায় কিছু মূল্যের বিনিময়ে যার পরিমাণটা নাফি‘ নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন, কিন্তু আমার তা স্মরণ নেই, জমি ইজারা দেয়া হত। (২৩২৮, ২৩২৯, ২৩৩১, ২৩৩৮, ২৪৯৯, ২৭২০, ৩১৫২, ৪২৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৪১)
হাদিস নং: ২২৮৬
সহিহ (Sahih)
وان رافع بن خديج حدث ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن كراء المزارع وقال عبيد الله عن نافع عن ابن عمر حتى اجلاهم عمر
২২৮৬. রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) রিওয়ায়েত করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শস্য ক্ষেত বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। উবায়দুল্লাহ (রহ.) নাফি‘-এর বরাত দিয়ে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে (এটুকু অতিরিক্ত) বর্ণনা করেছেন যে, ‘উমার (রাঃ) কর্তৃক ইয়াহূদীদেরকে বিতাড়ণ করা পর্যন্ত (খায়বারের জমি তাদের নিকট ইজারাহ দেয়া হত)। (২৩৩২, ২৩৪৪, ২৭২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৪১ শেষাংশ)