অধ্যায় তালিকা
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم)
৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
৫/ গোসল (كتاب الغسل)
৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
১০/ আযান (كتاب الأذان)
১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة)
১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف)
১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين)
১৪/ বিতর (كتاب الوتر)
১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف)
১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن)
১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد)
২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة)
২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة)
২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو)
২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز)
২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة)
২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة)
২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر)
২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد)
২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة)
৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم)
৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر)
৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع)
৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم)
৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة)
৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة)
৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات)
৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة)
৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة)
৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة)
৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات)
৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة)
৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم)
৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن)
৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق)
৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب)
৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)
৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس)
৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب)
৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ)
৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار)
৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)
৬৬/ আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ (كتاب فضائل القرآن)
৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
৬৯/ ভরণ-পোষণ (كتاب النفقات)
৭০/ খাওয়া সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
৭১/ আক্বীক্বাহ (كتاب العقيقة)
৭২/ যবহ ও শিকার (كتاب الذبائح والصيد )
৭৩/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
৭৪/ পানীয় (كتاب الأشربة)
৭৫/ রুগী (كتاب المرضى)
৭৬/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
৭৭/ পোশাক (كتاب اللباس)
৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
৮০/ দু‘আসমূহ (كتاب الدعوات)
৮১/ সদয় হওয়া (كتاب الرقاق)
৮২/ তাকদীর (كتاب القدر)
৮৩/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
৮৪/ শপথের কাফফারাসমূহ (كتاب كفارات الأيمان)
৮৫/ ফারায়িয (كتاب الفرائض)
৮৬/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود)
৮৭/ রক্তপণ (كتاب الديات)
৮৮/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবাহর প্রতি আহবান ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
৯১/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা (كتاب التعبير)
৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
৯৩/ আহ্‌কাম (كتاب الأحكام)
৯৪/ কামনা (كتاب التمنى)
৯৫/ 'খবরে ওয়াহিদ' গ্রহণযোগ্য (كتاب أخبار الآحاد)
৯৬/ কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
৯৭/ তাওহীদ (كتاب التوحيد)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সহীহ বুখারী

৫৬/১. জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার
মোট ৩০৯ টি হাদিস
হাদিস নং: ২৮৩১ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت البراء ـ رضى الله عنه ـ يقول لما نزلت ‏(‏لا يستوي القاعدون من المومنين‏)‏ دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا، فجاء بكتف فكتبها، وشكا ابن ام مكتوم ضرارته فنزلت ‏(‏لا يستوي القاعدون من المومنين غير اولي الضرر ‏)‏‏.‏
)لَا يَسْتَوِي الْقٰعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ وَالْمُجٰهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ بِأَمْوٰلِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فَضَّلَ اللهُ الْمُجٰهِدِيْنَ بِأَمْوٰلِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ عَلَى الْقٰعِدِيْنَ دَرَجَةً ط وَكُلًّا وَّعَدَ اللهُ الْحُسْنٰى وَفَضَّلَ اللهُ الْمُجٰهِدِيْنَ عَلَى الْقَاعِدِيْنَ( إِلَى قَوْلِهِ )غَفُوْرًا رَّحِيْمًا(

গৃহে উপবিষ্ট মুসলিম-যাদেরও কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলিম যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহিদ্বীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন। এগুলো তাঁর পক্ষ থেকে পদমর্যাদা, ক্ষমা ও করুণা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (আন-নিসা ৯৫-৯৬)


২৮৩১. বারা‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْن আয়াতটি নাযিল হলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে ডেকে আনলেন। তিনি কোন জন্তুর একটি চওড়া হাড় নিয়ে আসেন এবং তাতে উক্ত আয়াতটি লিখে রাখেন। ইবনু উম্মু মাকতুম জিহাদে শরীক হওয়ার ব্যাপারে তাঁর অক্ষমতা প্রকাশ করলে لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنْ الْمُؤْمِنِيْنَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ আয়াতটি নাযিল হল। (৪৫৯৩, ৪৫৯৪, ৪৯৯০) (মুসলিম ৩৩/৪০ হাঃ ১৮৯৮, ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩২)

 
হাদিস নং: ২৮৩২ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد الزهري، قال حدثني صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، عن سهل بن سعد الساعدي، انه قال رايت مروان بن الحكم جالسا في المسجد، فاقبلت حتى جلست الى جنبه، فاخبرنا ان زيد بن ثابت اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم املى عليه لا يستوي القاعدون من المومنين والمجاهدون في سبيل الله قال فجاءه ابن ام مكتوم وهو يملها على، فقال يا رسول الله، لو استطيع الجهاد لجاهدت‏.‏ وكان رجلا اعمى، فانزل الله تبارك وتعالى على رسوله صلى الله عليه وسلم وفخذه على فخذي، فثقلت على حتى خفت ان ترض فخذي، ثم سري عنه، فانزل الله عز وجل ‏(‏غير اولي الضرر‏)‏‏.‏
২৮৩২. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি মারওয়ান ইবনু হাকামকে মসজিদে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখলাম। অতঃপর আমি তাঁর দিকে এগিয়ে গেলাম এবং তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বর্ণনা করেন যে, যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উপর অবতীর্ণ আয়াত, ‘‘মুসলিমদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারা সমান নয়’’ (আন-নিসাঃ ৯৫) যখন তাকে দিয়ে লিখেছিলেন, ঠিক সে সময় অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতুম (রাঃ) সেখানে উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি জিহাদে যেতে সক্ষম হতাম, তবে অবশ্যই অংশ গ্রহণ করতাম।’ সে সময় আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর ওয়াহী নাযিল করেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উরু আমার উরুর উপর রাখা ছিল এবং তা আমার নিকট এতই ভারী মনে হচ্ছিল যে, আমি আমার উরু ভেঙ্গে যাবার আশংকা করছিলাম। অতঃপর ওয়াহী অবতীর্ণ হবার অবস্থা দূর হল, এ সময় غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ আয়াতটি আল্লাহ নাযিল করেন। (৪৫৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৩)
হাদিস নং: ২৮৩৩ সহিহ (Sahih)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق عن موسى بن عقبة عن سالم ابي النضر ان عبد الله بن ابي اوفى كتب فقراته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اذا لقيتموهم فاصبروا
২৮৩৩. সালিম আবু নাযর (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) লিখে পাঠালেন, আর আমি তাতে পড়লাম যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমরা তাদের (শত্রুদের) মুখোমুখী হবে তখন ধৈর্য অবলম্বন করবে। (২৮১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৪)
হাদিস নং: ২৮৩৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق عن حميد قال سمعت انسا خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم الى الخندق فاذا المهاجرون والانصار يحفرون في غداة باردة فلم يكن لهم عبيد يعملون ذلك لهم فلما راى ما بهم من النصب والجوع قال :
اللهم ان العيش عيش الاخره فاغفر للانصار والمهاجره
فقالوا مجيبين له
نحن الذين بايعوا محمــدا على الجهاد ما بقينا ابدا
وَقَوْلِهِ تَعَالَى )حَرِّضِ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَى الْقِتَالِ (65)

আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ (জিহাদের জন্য মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করুন) (আল-আনফালঃ ৬৫)।


২৮৩৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খন্দকের দিকে বের হলেন, হিম শীতল সকালে আনসার ও মুহাজিররা পরিখা খনন করছেন, আর তাদের এ কাজ করার জন্য তাদের কোন গোলাম ছিল না। যখন তিনি তাদের দেখতে পেলেন যে, তারা কষ্ট এবং ক্ষুধায় আক্রান্ত, তখন বললেন,

 

হে আল্লাহ্! সত্যিকারে আয়েশ হচ্ছে  আখেরাতের আয়েশ।        তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও।

এর উত্তরে তারা বলে উঠেনঃ

আমরা তারাই যারা মুহাম্মাদের হাতে বায়‘আত করেছি              জিহাদের, যদ্দিন আমরা বেঁচে আছি।

(২৮৩৫, ২৯৬১, ৩৭৯৫, ৩৭৯৬, ৪০৯৯, ৪১০০, ৬৪১৩, ৭২০১) (মুসলিম ৩২/৪৪ হাঃ ১৮০৫, আহমাদ ১২৭৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৫)
হাদিস নং: ২৮৩৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز عن انس قال جعل المهاجرون والانصار يحفرون الخندق حول المدينة وينقلون التراب على متونهم ويقولون :
نحن الذين بايعوا محمــدا * على الاسلام ما بقينا ابـدا
والنبي صلى الله عليه وسلم يجيبهم ويقول :
اللهم انه لا خير الا خير الاخره * فبارك في الانصار والمهاجره
২৮৩৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার ও মুহাজিরগণ মদিনার পাশে পরিখা খনন করছিলেন এবং তারা পিঠে করে মাটি বহন করছিলেন। আর তারা এই কবিতা আবৃত্তি করছিলেনঃ

আমরা ইসলামের উপর মুহাম্মদের হাতে বায়‘আত নিয়েছি, ততদিন পর্যন্ত যদ্দিন আমরা বেঁচে থাকি।

আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের উত্তরে বলেছিলেনঃ

হে আল্লাহ্! আখিরাতের কল্যাণ ব্যতীত কোন কল্যাণ নেই। তাই আনসার ও মুহাজিরদের প্রতি বরকত নাযিল করুন। (২৮৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৬)
হাদিস নং: ২৮৩৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن ابي اسحاق سمعت البراء كان النبي صلى الله عليه وسلم ينقل ويقول لولا انت ما اهتدينا
২৮৩৬. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাটি উঠাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন, যদি আপনি না হতেন তাহলে আমরা হিদায়াত লাভ করতাম না। (২৮৩৭, ৩০৩৪, ৪১০৪, ৪১০৬, ৬৬২০, ৭২৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৭)
হাদিস নং: ২৮৩৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن ابي اسحاق عن البراء قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الاحزاب ينقل التراب وقد وارى التراب بياض بطنه وهو يقول :
لولا انت ما اهتدينــا ولا تصدقنا ولا صلينـا
فانزلن سكينة علـيـنـا وثبت الاقدام ان لاقينـا
ان الالى قد بغوا علينـا اذا ارادوا فتنـة ابينـا
২৮৩৭. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহযাবের দিন আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি যে, তিনি মাটি বহন করছেন। আর তাঁর পেটের শুভ্রতা মাটি ঢেকে ফেলেছে। সে সময় তিনি আবৃত্তি করছিলেন, (হে আল্লাহ্)ঃ

আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না;
সাদাকা দিতাম না এবং সালাত আদায় করতাম না।
তাই আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।
যখন আমরা শত্রু সম্মুখীন হই তখন আমাদের পা সুদৃঢ় করুন।
ওরা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে।
তারা যখনই কোন ফিতনা সৃষ্টি করতে চায় তখনই আমরা তা থেকে বিরত থাকি।

(২৮৩৬) (মুসলিম ৩২/৪৪ হাঃ ১৮০৩, আহমাদ ১৮৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৮)
হাদিস নং: ২৮৩৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا حميد ان انسا حدثهم قال رجعنا من غزوة تبوك مع النبي صلى الله عليه وسلم
২৮৩৮. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তাবূকের যুদ্ধ থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করেছি। (২৮৩৯, ৪৪২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ )
হাদিস নং: ২৮৩৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد هو ابن زيد عن حميد عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم كان في غزاة فقال ان اقواما بالمدينة خلفنا ما سلكنا شعبا ولا واديا الا وهم معنا فيه حبسهم العذر وقال موسى حدثنا حماد عن حميد عن موسى بن انس عن ابيه قال النبي قال ابو عبد الله الاول اصح
২৮৩৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক যুদ্ধে ছিলেন, তখন তিনি বললেন, কিছু ব্যক্তি মদিনা্য় আমাদের পেছনে রয়েছে। আমরা কোন ঘাঁটি বা কোন উপত্যকায় চলিনি, তাদের সঙ্গে ব্যতীত। ওযরই তাদের বাধা দিয়েছে। (২৮৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৩৯)
হাদিস নং: ২৮৪০ সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن نصر حدثنا عبد الرزاق اخبرنا ابن جريج قال اخبرني يحيى بن سعيد وسهيل بن ابي صالح انهما سمعا النعمان بن ابي عياش عن ابي سعيد الخدري قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من صام يوما في سبيل الله بعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا
২৮৪০. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমণ্ডল
কে দোযখের আগুন হতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন। (মুসলিম ১৩/৩১ হাঃ ১১৫৩, আহমাদ ১১৭৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪০)
হাদিস নং: ২৮৪১ সহিহ (Sahih)
حدثني سعد بن حفص حدثنا شيبان عن يحيى عن ابي سلمة انه سمع ابا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من انفق زوجين في سبيل الله دعاه خزنة الجنة كل خزنة باب اي فل هلم قال ابو بكر يا رسول الله ذاك الذي لا توى عليه فقال النبي صلى الله عليه وسلم اني لارجو ان تكون منهم
২৮৪১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় দু’টি করে কোন জিনিস ব্যয় করবে, জান্নাতের প্রত্যেক দরজায় প্রহরী তাকে ডাক দিবে। (তারা বলবে), হে অমুক। এদিকে আস। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে তো তার জন্য কোন ক্ষতি নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘আমি আশা করি যে, তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (১৮৯৭) (মুসলিম ১২/২৭ হাঃ ১০২৭, আহমাদ ৭৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪১)
হাদিস নং: ২৮৪২ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سنان حدثنا فليح حدثنا هلال عن عطاء بن يسار عن ابي سعيد الخدري ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على المنبر فقال انما اخشى عليكم من بعدي ما يفتح عليكم من بركات الارض ثم ذكر زهرة الدنيا فبدا باحداهما وثنى بالاخرى فقام رجل فقال يا رسول الله اوياتي الخير بالشر فسكت عنه النبي صلى الله عليه وسلم قلنا يوحى اليه وسكت الناس كان على رءوسهم الطير ثم انه مسح عن وجهه الرحضاء فقال اين الساىل انفا اوخير هو ثلاثا ان الخير لا ياتي الا بالخير وانه كلما ينبت الربيع ما يقتل حبطا او يلم الا اكلة الخضر كلما اكلت حتى اذا امتلات خاصرتاها استقبلت الشمس فثلطت وبالت ثم رتعت وان هذا المال خضرة حلوة ونعم صاحب المسلم لمن اخذه بحقه فجعله في سبيل الله واليتامى والمساكين وابن السبيل ومن لم ياخذه بحقه فهو كالاكل الذي لا يشبع ويكون عليه شهيدا يوم القيامة
২৮৪২. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আমি আমার পর তোমাদের জন্য ভয় করি এ ব্যাপারে যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার কল্যাণের দরজা খুলে দেয়া হবে। অতঃপর তিনি দুনিয়ার নিয়ামতের উল্লেখ করেন। এতে তিনি প্রথমে একটির কথা বলেন, পরে দ্বিতীয়টির বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কল্যাণও কি অকল্যাণ বয়ে আনবে?’ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নীরব রইলেন, আমরা বললাম, তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছে। সমস্ত লোকও এমনভাবে নীরবতা অবলম্বন করল, যেন তাদের মাথার উপর পাখী বসে আছে। অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুখের ঘাম মুছে বললেন, সেই প্রশ্নকারী কোথায়? তা কী কল্যাণকর? তিনি তিনবার এ কথাটি বললেন। কল্যাণ কল্যাণই বয়ে আনে। আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বসন্তকালীন উদ্ভিদ পশুকে ধ্বংস অথবা ধ্বংসের মুখে নিয়ে আসে। কিন্তু যে পশু সেই ঘাস এ পরিমাণ খায় যাতে তার ক্ষুধা মিটে, অতঃপর রোদ পোহায় এবং মলমূত্র ত্যাগ করে, অতঃপর আবার ঘাস খায়। নিশ্চয়ই এ মাল সবুজ শ্যামল সুস্বাদু। সেই মুসলিমের সম্পদই উত্তম যে ন্যায়সঙ্গতভাবে তা উপার্জন করেছে এবং আল্লাহর পথে, ইয়াতীম ও মিসকীন ও মুসাফিরের জন্য খরচ করেছে। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে অর্জন করে তার দৃষ্টান্ত এমন ভক্ষণকারীর মত যার ক্ষুধা মিটে না এবং তা কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। (৯২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪২)
হাদিস নং: ২৮৪৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا الحسين قال حدثني يحيى قال حدثني ابو سلمة قال حدثني بسر بن سعيد قال حدثني زيد بن خالد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من جهز غازيا في سبيل الله فقد غزا ومن خلف غازيا في سبيل الله بخير فقد غزا
২৮৪৩. যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদকারীর আসবাবপত্র সরবরাহ করল সে যেন জিহাদ করল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কোন জিহাদকারীর পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশোনা করল, সেও যেন জিহাদ করল। (মুসলিম ৩৩/৩৮ হাঃ ১৮৯৫, আহমাদ ১৭০৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৩)
হাদিস নং: ২৮৪৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا همام عن اسحاق بن عبد الله عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن يدخل بيتا بالمدينة غير بيت ام سليم الا على ازواجه فقيل له فقال اني ارحمها قتل اخوها معي
২৮৪৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদিনা্য় উম্মু সুলাইম ছাড়া কারো ঘরে যাতায়াত করতেন না তাঁর স্ত্রীদের ব্যতীত। এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘উম্মু সুলাইমের ভাই আমার সঙ্গে জিহাদে শরীক হয়ে সে শহীদ হয়েছে, তাই আমি তার প্রতি সহানুভূতি জানাই। (মুসলিম ৪৪/১৯ হাঃ ২৪৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৪)
হাদিস নং: ২৮৪৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا خالد بن الحارث حدثنا ابن عون عن موسى بن انس قال وذكر يوم اليمامة قال اتى انس ثابت بن قيس وقد حسر عن فخذيه وهو يتحنط فقال يا عم ما يحبسك ان لا تجيء قال الان يا ابن اخي وجعل يتحنط يعني من الحنوط ثم جاء فجلس فذكر في الحديث انكشافا من الناس فقال هكذا عن وجوهنا حتى نضارب القوم ما هكذا كنا نفعل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بىس ما عودتم اقرانكم رواه حماد عن ثابت عن انس
২৮৪৫. মূসা ইবনু আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ইয়ামামার যুদ্ধ সম্পর্কে বলেন, তিনি সাবিত ইবনু কায়সের নিকট গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তার উভয় উরু থেকে কাপড় সরিয়ে সুগন্ধি ব্যবহার করছেন। আনাস (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে চাচা! যুদ্ধে যাওয়া থেকে আপনাকে কিসে বিরত রাখল?’ তিনি বললেন, ‘ভাতিজা, এখনই যাব।’ অতঃপর তিনি সুগন্ধি মালিশ করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি বসলেন এবং যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে লোকদের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, ‘তোমরা আমাদের সম্মুখ থেকে সরে যাও। যাতে আমরা শত্রুর মুখোমুখি লড়তে পারি। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা কখনো এরূপ করিনি। কত নিকৃষ্ট তা যা তোমরা তোমাদের শত্রুদেরকে অভ্যস্ত করেছ।’ হাম্মাদ (রহ.) সাবিত (রহ.) সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৫)
হাদিস নং: ২৮৪৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو نعيم حدثنا سفيان عن محمد بن المنكدر عن جابر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من ياتيني بخبر القوم يوم الاحزاب قال الزبير انا ثم قال من ياتيني بخبر القوم قال الزبير انا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ان لكل نبي حواريا وحواري الزبير
২৮৪৬. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের সময় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘কে আমাকে শত্রু পক্ষের খবরাখবর এনে দিবে?’ যুবাইর (রাঃ) বললেন, ‘আমি আনব।’ তিনি আবার বললেন, ‘আমার শত্রু পক্ষের খবরাখবর কে এনে দিবে?’ যুবায়র (রাঃ) আবারও বললেন, ‘আমি আনব।’ অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘প্রত্যেক নবীরই সাহায্যকারী থাকে আর আমার সাহায্যকারী যুবাইর।’ (২৮৪৭, ২৯৯৭, ৩৭১৯, ৪১১৩, ৭২৬১) (মুসলিম ৪৪/৬ হাঃ ২৪১৫, আহমাদ ১৪৬৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৬)
হাদিস নং: ২৮৪৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا صدقة اخبرنا ابن عيينة حدثنا ابن المنكدر سمع جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال ندب النبي صلى الله عليه وسلم الناس قال صدقة اظنه يوم الخندق فانتدب الزبير ثم ندب الناس فانتدب الزبير ثم ندب الناس فانتدب الزبير فقال النبي صلى الله عليه وسلم ان لكل نبي حواريا وان حواري الزبير بن العوام
২৮৪৭. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদের ডাক দিলেন। সাদাকা (রহ.) বলেন, আমার মনে হয়, এটি খন্দকের যুদ্ধের সময়ের ঘটনা। যুবাইর (রাঃ) তাঁর ডাকে সাড়া দিলেন। তিনি আবার লোকদের আহবান করলেন, এবারও যুবাইর (রাঃ) সাড়া দিলেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পুনরায় লোকদের ডাক দিলেন। এবারও কেবল যুবাইর (রাঃ) সাড়া দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘প্রত্যেক নবীর জন্য বিশেষ সাহায্যকারী থাকে। আমার বিশেষ সাহায্যকারী যুবাইর ইবনু আওয়াম (রাঃ)।’ (২৮৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৭)
হাদিস নং: ২৮৪৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن يونس حدثنا ابو شهاب عن خالد الحذاء عن ابي قلابة عن مالك بن الحويرث قال انصرفت من عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال لنا انا وصاحب لي اذنا واقيما وليومكما اكبركما
২৮৪৮. মালিক ইবনু হুয়ায়রিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হতে ফিরে এলাম। তিনি আমাকে ও আমার একজন সঙ্গীকে বললেন, তোমরা আযান দিবে ও ইকামত দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে ইমামত করবে। (৬২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৮)
হাদিস নং: ২৮৪৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الخيل في نواصيها الخير الى يوم القيامة
২৮৪৯. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কল্যাণ আছে কিয়ামত অবধি। (৩৬৪৪) (মুসলিম ৩৩/২৬ হাঃ ১৮৭১, আহমাদ ৪৬১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪৯)
হাদিস নং: ২৮৫০ সহিহ (Sahih)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن حصين وابن ابي السفر عن الشعبي عن عروة بن الجعد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الخيل معقود في نواصيها الخير الى يوم القيامة قال سليمان عن شعبة عن عروة بن ابي الجعد تابعه مسدد عن هشيم عن حصين عن الشعبي عن عروة بن ابي الجعد
২৮৫০. ‘উরওয়াহ ইবনু জা‘দ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত কল্যাণ আছে। সুলাইমান (রহ.) শুবা (রহ.) সূত্রে ‘উরওয়াহ ইবনু আবুল জা‘দ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন। হাদীস বর্ণনায় সুলাইমান (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন মুসাদ্দাদ (রহ.).....উরওয়া ইবনু আবু জা‘দ (রহ.) হতে। (২৮৫২, ৩১১৯, ৩৬৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৫০)
অধ্যায় তালিকা